Category: শিক্ষাঙ্গন

  • চাঁদপুরের অনিন্দ্য সুন্দর স্কুলটির কারিগর যিনি

    চাঁদপুরের অনিন্দ্য সুন্দর স্কুলটির কারিগর যিনি

    চাঁদপুরের ‘শাহাবুদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ দৃষ্টিনন্দন স্থাপনার পেছনের কারিগর লুৎফুল্লাহিল মজিদ রিয়াজ। তিনি একজন স্থাপত্য শিল্পী। বন্ধুদের নিয়ে গড়ে তুলেছেন ‘আর্কিগ্রাউন্ড’।

    লুৎফুল্লাহিল মজিদ রিয়াজ শিক্ষাজীবন শেষ করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে। জানালেন বুয়েটে তিনি ছিলেন ব্যাচ-৯৮’র ছাত্র। পড়াশোনা শেষ করে তিন বন্ধুতে গড়ে তোলেন ‘আর্কিগ্রাউন্ড’।

    তিন বন্ধুর বাকি দু’জন হলেন যুবায়ের হাসান ও নবী নেওয়াজ খান।

    চাঁদপুরের ‘শাহাবুদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ’র স্থপতি লুৎফুল্লাহিল মজিদ রিয়াজ অপরূপ এ স্কুল ভবনটি নির্মাণের গল্প করলেন খোলামেলাভাবে। শিল্প তার নিজস্ব স্বভাবে প্রভাবিত করতে আশপাশকে, নির্মাণ করে সমাজকে, বদলে দেয় সমাজের মানসিকতা। গল্পে গল্প যেন সেসব মূর্ত হলো।

    মজিদ রিয়াজ জানান, পাশ্চাত্য ঘরানায় নয়, শুরু থেকেই তাদের লক্ষ্য ছিল দেশীয় স্থাপত্য রীতিতে এখানে ভবন নির্মাণ করবেন।

    স্থাপত্যশিল্পী মজিদ রিয়াজ গল্পে গল্পে দেশ রূপান্তরকে আরো বলেন, ‘এই যে স্লাইডিং জানালা, এটা তো এসেছে পশ্চিম থেকে। আমাদের এখানে তো সেটা ছিল না। এখানে ছিল সব খোলামেলা। আপনাকে মূল ঘরে প্রবেশের আগে একটা ছোট গেট পার হতে হয়। তারপর উঠান। উঠানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে ঘর’।

    তিনি বলেন, ‘আমাদের এখানে ট্রপিক্যাল ওয়েদার। আলো-বাতাসের যাওয়া-আসা আছে। এর সঙ্গে মিলিয়েই আমরা স্থাপনাগুলো গড়ে তুলতে চাই। আমাদের এখানে যে চালা ঘর তৈরি হয়- সেরকম। তবে নিশ্চয় আগের সময়ের মতো করে নয়। এর সঙ্গে আধুনিকতার একটা ফিউশন আমরা যুক্ত করার চেষ্টা করি সব সময়’।

    শাহাবুদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণের বিষয়ে এ প্রকৌশলী বলেন, ‘প্রথমে আমি ভেবেছি এ স্কুলটা হবে একটা গ্রামে, সবুজ পরিবেশের মধ্যে। কোনোভাবে যেন এ পরিবেশর যে হারমনি তা নষ্ট না হয়। আমি সাদা অথবা অন্য কোনো রঙের একটা ভবন তৈরি করতে পারতাম। কিন্তু তাতে সেটা বেমানান হতো।

    ‘আমি সে জন্য প্রকৃতির রংটাকে বেছে নিতে চেয়েছি। এমন রং চেয়েছি যা স্কুলের ছেলেমেয়েদের পরিচিত। আমি বেছে নিয়েছি গাছের পাতা। অঙ্কুরে একটি গাছের পাতার রং থাকে কচি সবুজ। সময়ে সে তার রং পাল্টায়। আমি প্রকৃতির রংটা ধরে রাখতে চেয়েছি। মাটির রঙে স্কুল ভবনটি রাঙিয়েছি’।

    শাহাবুদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ দোতলা নির্মাণের ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘গ্রামের ছেলেমেয়েরা সাধারণত দোতলায় যাপনের সুযোগ পায় না। তারা থাকে একতলায়। আমি সে জন্য দোতলা ক্লাসরুম তৈরি করেছি। কিন্তু এমনভাবে করেছি যাতে তারা মনে করে একতলাতেই আছে। চারপাশ খোলা রেখেছি। চারদিকেই বারান্দা রেখেছি’।

    লুৎফুল্লাহিল মজিদ রিয়াজ জানান, এ ভবনে আমি একটি সিঁড়ি রেখেছি, ছুটির সিঁড়ি। আমরা যখন স্কুলে পড়তাম তখন হুড়োহুড়ি করে ছুটির সময় বের হতাম, এত অনেকেই আহত হতাম। এ জন্য আমি প্রশস্ত সিঁড়ি রেখেছি। সিঁড়ি বাচ্চাদের খেলার উপাদানও। তারা সেখানে ওঠে-নামে, রেলিং ধরে খেলা করে। সে বিবেচনাও কিন্তু কাজ করেছে।

    দেশীয় স্থাপত্য রীতির উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘গ্রামের বাড়িতে দেখবেন বারান্দাতেই বসার একটা জায়গা থাকে রেলিংয়ের ওপর। এখানেও সে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শিশুরা বারান্দায় বসবে, গল্প করবে। বা তাদের অভিভাবক যারা আসবেন তারাও বসবেন। ’

    তিনি জানান, ভবনের ভেতরে আমি আবার খালি জায়গা রেখেছি যেন গাছ লাগানো যায়। শিশুরা যেন প্রকৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন না হয়।

    ‘এ ভবনে ছাদ নেই। সবাই বলেছে কিন্তু ছাদ দিতে। কারণ তারা এতে অভ্যস্ত। আমি ছাদের বদলে বাংলাদেশি রীতির শেড দিয়েছি’।

    স্কুলের পাশে নির্মিত হয়েছে মসজিদ। যা স্থাপত্যশিল্পের আরেক অভূতপূর্ব নজির। এর সামনে রয়েছে খোলা জায়গা। এই জায়গা ব্যবহার হবে সবার জন্য। বাচ্চারা সেখানে খেলবে। শুক্রবারে জুমার নামাজে মুসল্লিদের উপস্থিতি বেশি হলে সেখানে তারা নামাজ পড়বেন-  মজিদ রিয়াজ জানালেন সে কথাও।

    আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে কথাটি তিনি জানালেন তা হলো- তিনি একটি কারাগার নয় খোলামেলা স্কুলই করতে চেয়েছিলেন। সাধারণত আমাদের স্কুলভবনগুলোর চারদিকে প্রতিবন্ধকতা দেওয়া হয়, তালা মেরে দওয়া হয়। সেখানে সন্ধ্যার পর প্রবেশ নিষেধ করা হয়। কিন্তু চাঁদপুরের এ স্কুলটি রাখা হয়েছে খোলামেলা।

    তার মতে, ‘জনগণের প্রতিষ্ঠানকে জনগণের জন্য অবারিত রাখতে হবে। যদি প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয় তাহলে স্থানীয়রা তার ক্ষতি করার মনোভাব দেখান। যদি তার প্রবেশে কোনো বাধা না থাকে, সে যদি নিজের মনে করতে পারে, তাহলে তার ক্ষতি সে করবে না’।

    জনবান্ধব ভবনের বিষয়ে মজিদ রিয়াজ আরো বলেন, ‘এটাকে আমি চেয়েছি একটা পার্ক বা বিনোদন যেন মানুষ পায় তার যেন চোখের একটা আরাম তৈরি হয় সেটা’।

    তিনি জানান, সে জন্য আলোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যেন সন্ধ্যা বা রাতের বেলায়ও কেউ সেখানে গিয়ে সময় কাটিয়ে আসতে পারেন।

    স্থানীয়দের গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, সে জন্য আমি স্থানীয় নির্মাণ শ্রমিকদের কাজে লাগিয়েছি। কারণ এটা তাদের হক। তাদের এলাকার কাজে আমি ঢাকা থেকে শ্রমিক নিয়ে যাওয়াটা হতো অন্যায়।

    তবে এ নির্মাণ ছিল না বাধাহীন। মানুষের চিন্তা কাঠামোয় স্কুল বা প্রাতিষ্ঠানিক ভবন বলতে যে চেহারা ফুটে উঠে তা তার বাধার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কেউ হয়ত বলছিলেন দোতলায় কলাপসিবল গেট দেওয়ার কথা, কেউ দিচ্ছিলেন অন্য সব ভবনের মতো করে তৈরির প্রস্তাব। কিন্তু একজন শিল্পী তো ভাবছিলেন মনে মনে ভবিষ্যতের কথা, নতুন প্রণোদনার কথা, উত্তরণর পথ তার ভাবনায়। তিনি দাঁতে দাঁত চেপে সেসব ব্যথা সহ্য করেছেন।

  • কলঙ্কিত শিক্ষকদের পাশে কেউ দাঁড়াবেন না : গণপূর্তমন্ত্রী

    কলঙ্কিত শিক্ষকদের পাশে কেউ দাঁড়াবেন না : গণপূর্তমন্ত্রী

    বর্তমান সমাজে নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটেছে। নৈতিকতা ও মূল্যবোধহীন শিক্ষা কোনো শিক্ষা নয়। কুশিক্ষা নিয়ে কোনো জাতি কিছুই করতে পারে না। শিক্ষা ব্যবস্থায় আমুল পরিবর্তন আনা এখন সময়ের দাবি।

    শুক্রবার পিরোজপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ) পিরোজপুর জেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম।

    মন্ত্রী শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, আমি অবাক হয়ে যাই যখন শিক্ষক নামের কোনো কলঙ্কিত ব্যক্তির হাতে মাসুম বাচ্চা নিপীড়িত হয়। তখন লজ্জা ও ঘৃণায় মাথা নত হয়ে আসে। এদের রক্ষায় কেউ পাশে দাঁড়াবেন না।

    পিরোজপুর শিক্ষক সমিতির জেলা সভাপতি সুখরঞ্জন ব্যাপারীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন, পিরোজপুর পৌরসভার মেয়র হাবিবুর রহমান মালেক, পুলিশ সুপার মো. হায়াতুল ইসলাম খান, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যক্ষ মো. বজলুর রহমান মিয়া, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. কাওসার আলী শেখ, কেন্দ্রীয় শিক্ষক কাজী মজিবুর রহমান, মোস্তফা জামান খান ও সুনীল বরণ হালদার প্রমুখ।

  • ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি

    ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি

    ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া ও ধর্ষণ মামলায় ট্রাইব্যুনাল গঠন করে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কাজ শেষ করার দাবিতে এবার প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাধারণ ছাত্রীরা। এর আগে তারা রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দেন।

    আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় ঢাবি টিএসসি সংলগ্ন সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাষ্কর্যের পাদদেশে ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’ এর ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে ঢাবির বিভিন্ন হল ও অনুষদের প্রায় ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।

    মানববন্ধনে ছাত্রলীগের ঢাবি শাখার সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাহসান আহমেদ রাসেল, শামসুন্নাহার হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জিয়াসমিন শান্তা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    মানববন্ধনে ছাত্রলীগের ঢাবি শাখার সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, আমরা চাই ধর্ষকদের প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হোক। ধর্ষণের যে মামলাগুলো আছে সেগুলো দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের আওতায় এনে ৩০ দিনের মধ্যে যেন বিচার করা হয়। সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান থাকবে, তারা যেন সংসদে এসব বিষয়ে কথা বলেন।

    মানববন্ধন শেষে সন্ধ্যায় ছাত্রীদের ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ধানমন্ডিতে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি দেন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন।

    এর আগে সকালে সাড়ে ১১টায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এক মাসের মধ্যে ধর্ষককে প্রকাশ্যে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার দাবিতে কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এতে ডাকসু, হল সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

    বেলা সাড়ে দশটায় এ দুই দাবিতে ঢাবির চারজন ছাত্রী বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দেন। রাষ্ট্রপতির পক্ষে তার প্রেস সচিব স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন। স্মারকলিপি দেয়া ঢাবি শিক্ষার্থীরা হলেন- ইশাত কাসফিয়া ইরা, জিয়াসমিন শান্তা, মাকসুদা আক্তার তমা, সাবরিনা তাবাসসুম নিথিয়া প্রমুখ।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং ডে উদযাপন

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং ডে উদযাপন

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে ১১ জুলাই, বৃহস্পতিবার সকালে র‌্যালি ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ মার্কেটিং ডে-২০১৯ উদযাপন করা হয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেটিং পরিবারের পক্ষ থেকে এই আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে আনন্দ র‌্যালি বের করে। এসময় তারা দিবসটিকে সামনে রেখে নানা স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠানটি মার্কেটিং বিভাগের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে আয়োজন ও উদযাপন করা হয়।

    র‌্যালি শেষ করে শিক্ষার্থীরা কেক কেটে উদযাপন করে। এসময় মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ ইমরান হোসাইন (ভারপ্রাপ্ত) বলেন, “এ দিবসটির মাধ্যমে সারাদেশে ভোক্তা সচেতনতা যেমন বৃদ্ধি পাবে তেমনি করে মার্কেটিয়াররা আরো ভালো সেবা দিতে তৎপর হবে।” তিনি আরো বলেন, “বর্তমানে মার্কেটিং একটি যুগোপযোগী বিষয় এবং সময়ের সাথে সাথে এর চাহিদা বাড়ছে। তবে এ বিষয়ে আরো বেশী দক্ষতা অর্জনে দরকার দেশের অভ্যন্তরে উচ্চতর গবেষণা “।

  • প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল শিগগিরই

    প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল শিগগিরই

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষার ফল চলতি মাসের শেষদিকে প্রকাশের পরিকল্পনা করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    জুলাই থেকে আগস্টের মধ্যে চার ধাপে ৬১ জেলার লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। তবে চূড়ান্ত ফল একসঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

    মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, নিয়োগ পরীক্ষা শুরু করতে বিলম্ব হলেও দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সম্প্রতি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। জুলাই মাসের শেষদিকে প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে। পরবর্তী ১৫ দিন পরপর পর্যায়ক্রমে পরবর্তী ধাপের ফল প্রকাশ করা হতে পারে। যখন যে ধাপের ফল প্রকাশ হবে, পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে সে জেলাগুলোতে মৌখিক পরীক্ষা হবে। চূড়ান্ত ফল একসঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

    অক্টোবরে মধ্যে নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র।

    উল্লেখ্য, প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার পর গত বছরের ১ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে ২৪ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়ে।

  • হাসপাতালে নেয়ার পথে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন, শিক্ষক গ্রেফতার

    হাসপাতালে নেয়ার পথে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন, শিক্ষক গ্রেফতার

    মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শরিফুল ইসলাম সেন্টু (৩৬) নামে এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আজ বুধবার দুপুরে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

    অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম সেন্টু দৌলতপুর প্রমোদা সুন্দরী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক ও স্থানীয় মৃত মাঈনুদ্দিন খোশনবিশের ছেলে।

    মামলার অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিপীড়নের শিকার ওই মেয়েটির বাবা একজন অটোরিকশাচালক। বাদীর মা প্রায়ই শিক্ষক শরিফুল ইসলাম সেন্টুর বাড়িতে বিভিন্ন কাজকর্মের সহযোগিতা করেন। গত জানুয়ারি মাসে প্রথমে তিনি তার নাতনিকে নিয়ে ওই বাড়িতে গেলে শিক্ষক সেন্টু তাকে যৌন নিপীড়ন করেন। এরপর স্কুলেও একাধিকবার ওই শিক্ষার্থীকে নানাভাবে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের চেষ্টা চালান তিনি। ওই ছাত্রী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালেও লোক-লজ্জার ভয়ে এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি তারা।

    মঙ্গলবার দুপুরে স্কুল প্রাঙ্গণে সহপাঠীদের সঙ্গে ফুটবল খেলার সময় শ্বাসকষ্টে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে ওই ছাত্রী। তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরবর্তীতে মুন্নু মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথেও সেন্টু তাকে যৌন নিপীড়ন চালায়।

    মুন্নু মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই ছাত্রী লম্পট শিক্ষক শরিফুল ইসলাম সেন্টুর দ্বারা যৌন নিপীড়ন হওয়ার ঘটনা কয়েকজন নার্স ও চিকিৎসকদের কাছে জানায়। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানালে বিষয়টি জানাজানি হয়।

    দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুনীল কর্মকার জানান, হাসপাতালে ওই ছাত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। সে কাঁদতে কাঁদতে ওই শিক্ষকের দ্বারা যৌন হয়রানির হওয়ার বর্ণনা দিয়েছে। এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে মঙ্গলবার রাতেই সেন্টুকে গ্রেফতার করা হয়। আজ বুধবার ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। রিমান্ড মঞ্জুর হলে ঘটনা সম্পর্কে তাকে বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

    ওসি আরও জানান, শিক্ষক সেন্টু অন্য কোনো শিক্ষার্থীর সঙ্গে একই ঘটনা ঘটিয়েছে কি-না সে বিষয়েও তদন্ত করা হচ্ছে।

  • প্রশ্নপত্রে সেফাতুল্লাহ ‘সেফুদা’ : সেই শিক্ষক বরখাস্ত

    প্রশ্নপত্রে সেফাতুল্লাহ ‘সেফুদা’ : সেই শিক্ষক বরখাস্ত

    অনলাইন ডেস্ক :

    প্রশ্নপত্রে সিফাত উল্লাহ মজুমদার (সেফুদা) চরিত্র অন্তর্ভুক্ত করে প্রশ্ন তৈরি করা রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের (স্কুল শাখা) ধর্ম শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার কলেজের ভাইস প্রিন্সিপালকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির তদন্তের ভিত্তিতে এ শিক্ষককে আজ বরখাস্ত করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বুধবার বলেন, এ বিষয়ে ধর্ম শিক্ষক জাহিনুল হাসানের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। তিনি দায়সারা জবাব দিয়েছেন। এটি একটি দুঃখজনক ঘটনা। তার আচরণ শিক্ষকসুলভ না হওয়ায় তাকে আজ সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

    গত সোমবার (৮ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটির দশম শ্রেণির প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় ইসলাম শিক্ষা প্রশ্নপত্রে সিফাত উল্লাহ মজুমদারকে (সেফুদা) উল্লেখ করে একটি সৃজনশীল প্রশ্ন তৈরি করা হয়।

    প্রশ্নে বলা হয়, অদ্ভুত একধরনের মানুষ সেফাতুল্লাহ সেফুদা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সে বিভিন্ন ধরনের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে। তরুণদের উদ্দেশে সে বলে, ‘মদ খাবি মানুষ হবি, দেখ আমি আরও এক গ্লাস খাইলাম‘ তার কথার প্রতিবাদ করে একজন বিজ্ঞ আলেম বলেন, ‘তার মধ্যে যদি ইমানের সর্বপ্রথম ও সর্বপ্রধান প্রভাব পরিলক্ষিত হতো, তাহলে সে হয়ে উঠত একজন আত্মসচেতন ও আত্মমর্যাদা এক ব্যক্তি।’

    এ উদ্দীপক থেকে প্রশ্ন করা হয়েছে, ‘আকাইদ কী?, ‘ইসলামের নাম ইসলাম রাখা হয়েছে কেন?’, ‘বিজ্ঞ আলেমের বক্তব্যে যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে, তা আমাদের জীবনে কী প্রভাব ফেলতে পারে তা ব্যাখ্যা করো’। ‘ঘ’ নম্বর প্রশ্নে বলা হয়েছে, তরুণদের উদ্দেশে দেয়া সেফুদার বক্তব্য কিসের শামিল? এর ফলাফল বিশ্লেষণ করো।

  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অভিযোগ বাক্স রাখতে হাইকোর্টের পরামর্শ

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অভিযোগ বাক্স রাখতে হাইকোর্টের পরামর্শ

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক ও অশালীন আচরণ এবং নির্যাতনসহ বুলিং-এর বিরুদ্ধে যাতে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ জানাতে পারে সেজন্য স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অভিযোগ বাক্স রাখার পরামর্শ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুলিং প্রতিরোধে সরকারের করা খসড়া নীতিমালায় এই ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে। এই অভিযোগ বাক্স স্থাপন ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ বাক্সে অভিযোগ জমা দেওয়ার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে বলা হয়েছে।

    বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বুধবার এ পরামর্শ দেন। একইসঙ্গে এই নীতিমালা চ‚ড়ান্ত করার বিষয়ে অগ্রগতি আগামী ২২ অক্টোবরের মধ্যে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজের ছাত্রী অরিত্রি অধিকারীর আত্মহত্যার ঘটনার জের ধরে হাইকোর্ট গতবছর ৪ ডিসেম্বর স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বুলিং প্রতিরোধের উপায় নির্ণয় করে একটি জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন করতে নির্দেশ দেন।

    আদালত অন্তবর্তীকালীন নির্দেশনার পাশাপাশি রুল জারি করেন। রুলে অরিত্রি অধিকারীর আত্মহত্যার ঘটনার মত এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধের উপায় নির্ণয় করে একটি জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নের পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় সরকার গঠিত কমিটি একটি খসড়া নীতিমালা করে সম্প্রতি হাইকোর্টে দাখিল করে। এই নীতিমালার ওপর শুনানিকালে গতকাল আদালত অভিযোগ বাক্স বসানোর পরামর্শ দেন। আদালতের এই পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের জানাতে রাষ্ট্রপক্ষের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে বলা হয়েছে।

    আদালতের এই শুনানির সময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। অরিত্রির আত্মহত্যার ঘটনা আদালতের নজরে আনা আইনজীবী ব্যারিস্টার অনীক আর হক, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া ও অ্যাডভোকেট আইনুন্নাহার সিদ্দিকাও এসময় উপস্থিত ছিলেন।

    আজ শুনানিকালে আদালত বলেন, অনেক সময় দেখা যায় শিক্ষার্থী তার অভিযোগ অভিভাবক বা শিক্ষকের কাছে বলতে চান না লাজলজ্জার ভয়ে। একারণে সে যাতে নিঃসঙ্কচে তার অভিযোগ লিখিতভাবে জানাতে পারে সেজন্যই অভিযোগ বাক্স রাখার বিধান করতে হবে।

    এই অভিযোগগুলো খুলে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া বা তদন্ত করার জন্য ব্যবস্থাপনা বা পরিচালনা পর্ষদের হাতে দিতে বলা হয়েছে। আর শিক্ষক বা ব্যবস্থাপনা কমিটির কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সেবিষয়টি তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কাউকে প্রধান করে একটি কমিটির বিধান নীতিমালায় রাখা যায় কীনা সেবিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ নিতে বলা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, সরকারের করা খসড়া নীতিমালায় বুলিং-এর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, বিদ্যালয় চলাকালীন সময় বা বিদ্যালয় শুরু হওয়ার আগে বা পরে, শ্রেণিকক্ষে বা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বা বাইরে কোনো শিক্ষার্থী কর্তৃক (এককভাবে বা দলগতভাবে) অন্য কোনো শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে আঘাত করা, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করা, অশালীন বা অপমানজনক নামে ডাকা, অসৌজন্যমূলক আচরণ করা, কোনো বিশেষ শব্দ বারবার ব্যবহার করে উত্ত্যক্ত বা বিরক্ত করাকে স্কুল বুলিং হিসেবে গণ্য হবে।

    নীতিমালায় তিন ধরনের বুলিংয়ের উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে কাউকে কোনো কিছু দিয়ে আঘাত, চড়-থাপ্পড় দেয়া, লাথি ও ধাক্কা মারা, থুথু নিক্ষেপ, জিনিসপত্র জোর করে নিয়ে যাওয়া বা ভেঙে ফেলা ও অসৌজন্যমূলক আচরণ শারীরিক বুলিংয়ের পর্যায়ে পড়বে। উপহাস করা, খারাপ নামে সম্বোধন ও অশালীন শব্দ ব্যবহার ও হুমকি মৌখিক বুলিং হিসেবে চিহ্নিত হবে।

    এ ছাড়া, সামাজিক স্ট্যাটাস, ধর্মীয় পরিচিতি বা বংশগত অহংবোধ থেকে কোনো শিক্ষার্থীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন, কারো সম্পর্কে গুজব ছড়ানো এবং প্রকাশ্যে অপমান করা হলে তা সামাজিক বুলিং হিসেবে গণ্য হবে।

    নীতিমালায় এক শিক্ষার্থী কর্তৃক আরেক শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে আঘাত করা এবং অসৌজন্যমূলক আচরণ রোধে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বহিষ্কারের বিধান রাখা হয়েছে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করা খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি/বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায়ই স্কুল বুলিং (শিক্ষার্থী কর্তৃক শিক্ষার্থীকে নির্যাতন করা/ ভয় দেখানো) এর প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বুলিংয়ের শিকার শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসতে চায় না। এতে শিখন-শিক্ষণ কার্যক্রম ব্যাহত হয়, পরিবেশ বিনষ্ট হয় বিদ্যালয়ের। যদিও স্কুল বুলিং সাধারণত ফৌজদারি অপরাধের পর্যায়ে পড়ে না।

    তবে সেরকম কিছু ঘটতে পারে বলে মনে হলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে পূর্ব থেকে পুলিশের সাহায্য নেওয়ার কথা নীতিমালায় বলা হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যালয়ে কোনো প্রকার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা যাবে না। যাতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দল/উপদলের সৃষ্টি হয়। বুলিং ও ভিকটিম উভয়কে অত্যন্ত যত্নসহকারে কাউন্সেলিং করতে হবে। যাতে তাদের আচরণে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়।

    বুলিং প্রতিরোধে বুলিংকারী শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে স্কুল কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নিলে অভিভাবকরা বিরোধিতা না করে সহযোগিতা করবে। সন্তানকে স্কুলের নিয়মকানুন মেনে চলা ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সুন্দর আচরণের জন্য উদ্বুদ্ধ করা।

    এ ছাড়া, বুলিংয়ের ব্যাপারে স্কুল কর্তৃপক্ষের জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ, মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার, সচেতনতা সৃষ্টিতে নাটক মঞ্চস্থ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে নিরুৎসাহিত, স্কুলে আইসিটি ডিভাইস আনা নিষিদ্ধ করার কথাও নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

  • এইচএসসি’র ফল প্রকাশ ১৭ জুলাই

    এইচএসসি’র ফল প্রকাশ ১৭ জুলাই

    অনলাইন ডেস্ক :

    উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে আগামী ১৭ জুলাই (বুধবার)।

    আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক সোমবার (০৮ জুলাই) এ তথ্য জানিয়েছেন।

    এর আগে পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রস্তাব করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ফল প্রকাশের প্রস্তাব মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠায়। প্রধানমন্ত্রী যেদিন সময় দেন সেদিনই ফল প্রকাশ করা হয়।

    রীতি অনুযায়ী, শিক্ষামন্ত্রী গণভবনে বোর্ডের চেয়ারম্যানদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলাফলের অনুলিপি হস্তান্তর করেন। সেদিনই প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন। এরপর সংবাদ সম্মেলনে করে বিস্তারিত ফল প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ গঠন

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ গঠন

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ’ গঠন করা হয়েছে।
    আজ ৭ জুলাই ২০১৯তারিখ একজন আহবায়ক ও ৬ জনকে যুগ্ম আহবায়ক করে মোট একান্ন (৫১) সদস্য বিশিষ্ট কমিটি প্রকাশ করা হয়। এর আগে গত ৩জুলাই অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যৌথ সভায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
    উক্ত সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার বাহাউদ্দিন গোলাপকে আহবায়ক এবং নজরুল ইসলাম হাওলাদার, আবু মুহম্মদ বশির, হারুন-অর-রশীদ, জুয়েল মাহমুদ, শাহাজাদা খাঁন এবং আরিফ সিকদারকে যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচন করা হয়। একই সাথে ৮জুলাইয়ের মধ্যে একান্ন সদস্য বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ আহবায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
    এরই ধারাবাহিকতায় আজ ৫১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি প্রকাশ করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন আতিকুর রহমান, সৈয়দা ফাতেমা মমতাজ মলি, দিদার হোসেন খান, বরুন কুমার দে, সোলায়মান খান, হাফিজুর রহমান, ডা: মো: তানজীন হোসেন, তরিকুল ইসলাম, সোহেল সিকদার, কে এম সানোয়ার পারভেজ লিটন, মনিরুজ্জামান, আলমগীর, সাইফুল আলম, সাইদুজ্জামান, জাহাঙ্গীর আলম রাহাত, আবুল কালাম আজাদ, বনী আমিন, শহিদুল ইসলাম (রানা), আবুল কালাম, কে. এম. সাইফুল ইসলাম, সালমা বেগম, ইসরাত তামান্না, সৈয়দ শামসুজ্জামান, মিজানুর রহমান, আল-আমিন, নুরউদ্দিন, রোকন উজ্জামান, আঃ হাকিম হাওলাদার, আইয়ুব আলী শরিফ, হাচানুল বাসার সোহেল, আনিছুর রহমান মৃধা, শেখ ফরিদুল ইসলাম, মাহিন সরদার কালু, পারভেজ, অপূৃর্ব ভক্ত, ইমরান হোসেন, ফজলুল হক, নিজাম গাজী, উজ্জল খান, সুজিৎ বড়াল, আঃ ছালাম মিয়া, মেহেদী হাসান রিপন, সুজন সিকদার, মোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ। এদিকে নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স এসোসিয়েশন, কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ গ্রেড-১১-১৬ ও কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ গ্রেড ১৭-২০ এর নেতৃবৃন্দ।