Category: শিক্ষাঙ্গন

  • বরিশাল বোর্ডে পুনঃনিরীক্ষণে ফেল থেকে পাস ৪২ পরীক্ষার্থী, জিপিএ-৫ ১৪

    বরিশাল বোর্ডে পুনঃনিরীক্ষণে ফেল থেকে পাস ৪২ পরীক্ষার্থী, জিপিএ-৫ ১৪

    নিউজ ডেস্ক :: মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা ২০১৯ এর পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করেছে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। শনিবার (০১ জুন) দুপুরে বোর্ডের ওয়েবসাইটে পুনঃনিরীক্ষণের এ ফল প্রকাশ করা হয়।

    বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এসএসসি’র ফল প্রকাশের পর বিষয়ভিত্তিক পুনঃনিরীক্ষণের জন্য ১৫ হাজার ৯৮৫টি আবেদন করেন ৮ হাজার ৪৮০ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে মাত্র ১৩০ জনের ফল বদল করা হয়েছে। পাশাপাশি জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪ পরীক্ষার্থী এবং ফেল থেকে পাস করেছেন ৪২ জন।

    বরিশাল বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আনোয়ারুল আজিম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুন কুমার গাইন জানান, গণিত বিষয়ের পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন বেশি পড়েছিল।

  • বদলে যাচ্ছে বই, পাল্টে যাচ্ছে শিক্ষাক্রম

    বদলে যাচ্ছে বই, পাল্টে যাচ্ছে শিক্ষাক্রম

    শিক্ষাক্রমে আবারো পরিবর্তন আসছে। প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত চলমান শিক্ষাক্রমের ভুল ত্রুটি সংশোধন, আন্তর্জাতিক মান ও সময়ের চাহিদা বিবেচনা করে এ পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

    শিক্ষাক্রম পাল্টে গেলে স্বাভাবিকভাবে বইও বদলে যাবে। তবে একসঙ্গে সব শ্রেণিতে নতুন বই প্রবর্তন করা হবে না। ২০২১ সালে প্রথম, দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ শ্রেণি, ২০২২ সালে তৃতীয়, চতুর্থ, সপ্তম, নবম ও একাদশ শ্রেণি এবং ২০২৩ সালে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে নতুন শিক্ষাক্রমের বই।

    প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে সর্বশেষ শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। এর আগে ১৯৯৫ ও ১৯৭৬ সালে আরো দুই বার শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হয়। সূত্র জানায়, শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই প্রণয়নে ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), রূপকল্প-২০৪১, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, আওয়ামী লীগের সর্বশেষ নির্বাচনী ইশতেহার বিবেচনায় আনা হচ্ছে। অন্যান্য দেশের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শিক্ষাক্রমগুলোও এবার বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। এনসিটিবির সদস্য (মাধ্যমিক শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. মো. মশিউজ্জামান এ প্রসঙ্গে ইত্তেফাককে বলেন, শিক্ষাক্রম পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছে। সারাদেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলোর এখন বিচার-বিশ্লেষণ চলছে।

    তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষাক্রম পরিবর্তনে প্রথমে নিড অ্যাসেসমেন্ট করা হবে। এ লক্ষ্যে দেশের ব্যবসায়ী, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদসহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

    ইতোমধ্যে দেশের নয়টি শিক্ষা অঞ্চলের ১৮টি জেলার ৩৬টি উপজেলার দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এ তথ্যগুলো এখন বিশ্লেষণ করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অগ্রসর, অনগ্রসর, দুর্গম অঞ্চলসহ সব বিবেচনায় আনা হয়েছে বলে জানান ড. মো. মশিউজ্জামান। এনসিটিবির বক্তব্য, বিশ্বে প্রতি ৫-৬ বছর পর পর শিক্ষাক্রম পর্যালোচনা ও পরিমার্জনের রেওয়াজ আছে।

    তারই অংশ হিসেবে আমরাও শিক্ষাক্রম পর্যালোচনার কাজ শুরু করেছি। তবে ঘন ঘন পাঠ্যবই পরিবর্তনের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শিক্ষাবিদ ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর কারিকুলাম ভারি হয়ে যাচ্ছে। বই প্রণয়নে প্রয়োজনে ৫ বছর লাগুক। কিন্তু ভালো বই প্রণয়ন করতে হবে। যাতে ২০-৩০ বছরে আর বইয়ের পরিবর্তন আনার প্রয়োজন না হয়। তিনি আরো বলেন, আজকাল দেখা যায় বই বেশ মোটা। কিন্তু বইয়ে ম্যাটারিয়াল উন্নত নয়।

    রফিকুল ইসলাম নামের এক অভিভাবকও বলেন, মাধ্যমিকের প্রতিটি শ্রেণিতে বইয়ের পৃষ্ঠা বেশি। এছাড়া সিলেবাসও কঠিন। সিলেবাস শেষ করতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা কোচিংমুখী হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের গলদঘর্ম হতে হচ্ছে। পাঠ্যবই সহজ করা এবং সিলেবাস কমানোর দাবি জানিয়েছেন এই অভিভাবক। তবে অভিভাবকদের এই বক্তব্যের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করে শিক্ষাক্রম প্রণয়নের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ড. মো. মশিউজ্জামান বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থী বছরে কত ঘণ্টা শ্রেণিকক্ষে সময় পায়, বছরে কতদিন ক্লাস হয় এবং প্রতি ক্লাসে কত মিনিট সময় পায়-সে হিসাবেই বইয়ের সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়।

    যে সব প্রতিষ্ঠানে বছরের দুই মাস ক্লাস হয় না তারা বইয়ের সিলেবাস শেষ করবে কি করে?’ উল্লেখ্য, বর্তমানে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ২৪টি পাঠ্যবই পড়ানো হয়। এছাড়া ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ১৩টি বই, নবম-দশম শ্রেণিতে ২৭টি বই ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে ৩৯টি পাঠ্যবই আছে। বাধ্যতামূলক হচ্ছে বৃত্তিমূলক শিক্ষা ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই বাধ্যতামূলক ভোকেশনাল (বৃত্তিমূলক) শিক্ষা চালু হতে যাচ্ছে দেশে।

    হাতে-কলমে শিক্ষা দিয়ে নতুন প্রজন্মকে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে এই উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির প্রতিটি শিক্ষার্থী গ্রহণ করবে এই প্রাক-বৃত্তিমূলক শিক্ষা। এছাড়া নবম-দশম শ্রেণির প্রত্যেক বিভাগের শিক্ষার্থীকেও নিতে হবে এই শিক্ষা। পাশাপাশি বৃত্তিমূলক শিক্ষার বিস্তারে নতুন করে আরো ৬৪০টি প্রতিষ্ঠানে ভোকেশনাল শাখা খোলা হবে। বর্তমানে ১ হাজার ৯৯৩টি প্রতিষ্ঠানে এই শাখা চালু আছে।

    মাধ্যমিকে ভোকেশনাল শিক্ষা গ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

  • সরকারি অনুদান প্রাপ্ত বেসরকারি পলিটেকনিকে ৫ম পর্বের ভয়াবহ রেজাল্ট ধ্বস

    সরকারি অনুদান প্রাপ্ত বেসরকারি পলিটেকনিকে ৫ম পর্বের ভয়াবহ রেজাল্ট ধ্বস

    বাংলাদেশ সরকারের  STEP (Skills and Training Enhancement Project ) প্রকল্পের আওতায় সরকারি এবং বেসরকারি মোট ৫৭টি পলিকেটনিক ইনষ্টিটিউটকে কয়েক কোটি টাকা করে অনুদান দেয়া হয়। অনুদানের এই বিপুল অংকের টাকা দিয়ে এসব পলিটেকনিক দেশের কারিগরি শিক্ষার প্রচার, প্রসার ও উন্নয়নের জন্য কাজ করবে বলে অনুদান দেয়া হয়। এসকল পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটের মধ্যে ৩৭টি সরকারি ও ২০টি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট। এসকল প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ৩ কোটি টাকা অনুদান দেয়া হবে বিভিন্ন কাজের জন্য। সম্প্রতি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড ১৭ই মার্চ ২০১৯ তারিখে ৫ম, ৭ম ও ৮ম অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের ফলাফল প্রকাশ করে। বোর্ডের এই ফলাফল বিশ্লেষন করে অনুদান প্রাপ্ত সরকারি বেসরকারি পলিটেকনিকের ফলাফলের করুন চিত্র ফুটে উঠেছে। অনেক সরকারি পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটে পাশের হার ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ।

    অন্যদিকে অধিকাংশ অনুদান প্রাপ্ত বেসরকারি পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটের ৫ম পর্বের ফলাফল ভয়াবহ রকমের খারাপ। অনুদান প্রাপ্ত বেসরকারি পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটের মধ্যে সব থেকে খারপ ফলাফল করেছে যশোর বিসিএমসি প্রযুক্তি ‍ও প্রকৌশল মহাবিদ্যালয়এই পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটে ২১৮ জন ৫ম পর্বে পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে মাত্র ১৯ জন পাশ করেছে, ১৪৪ জন অকৃতকার্য এবং ৫৫ জন ড্রপআউট হয়েছে। ফলাফলে খারাপে এরপরে রয়েছে খুলনার খানজাহানআলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মহাবিদ্যালয়, স্টেপ প্রকল্পের শেষ মেয়াদে এই কলেজটি অনুদানের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। বাংলাদেশ কারিগরি বোর্ডের ৫ম পর্বের ফলাফলে দেখা যায় এই কলেজ থেকে ১৩৩ জন শিক্ষার্থী ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ৫ম পর্বের সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে মাত্র ১২ জন শিক্ষার্থী সকল বিষয়ে পাশ করেছে, অকৃতকার্য হয়েছে ৯৫ জন এবং ২৬জন শিক্ষর্থী ৪টি বা তার বেশি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়ে এক বছরের জন্য ড্রপআউট হয়েছে। গোপালগঞ্জ মডেল পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট কারিগরি শিক্ষা বিস্তারে সরকারি অনুদান পেলেও এই প্রতিষ্ঠানে ৫ম পর্বে পরীক্ষা দিয়েছে মাত্র ৩৭ জন শিক্ষার্থী। এত কম সংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে কিভাবে অনুদান প্রাপ্ত হয় বা কারিগরি শিক্ষা বিস্তারে তাদের ভূমিকা কি এটি নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। গোপালগঞ্জ মডেল পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটে পাশের হার ১০.৮১% এখানে ৩৭ জনে মাত্র ৪ জন কৃতকার্য হয়েছে।

    বিসিএমসি ৫ম পর্ব পাশের চিত্র
    খানজাহান আলী ৫ম পর্ব পাশের চিত্র

    ষ্টেপ প্রকল্প থেকে প্রথম দিকে অনুদান পায় রাজশাহীর বাংলাদেশ পলিটেকনিক ইনষ্টিউট, এই প্রতিষ্ঠানের এবারের ৫ম পর্বের ফলাফলে ২৪৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করে মাত্র ৩৫ জন কৃতকার্য হয়েছে যার পাশের হার ১৪.১১%।  ঢাকাস্থ ইনষ্টিটিউট অব সাইন্স ট্রেড এন্ড টেকনোলজির পাশের হার ১৫.৬৯%, যশোর মডেল পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটের পাশের হার ১৮.৮৪%, ঢাকা শ্যামলি আইডিয়াল পলিটেকনিক ইনিষ্টিটিউটে পাশের হার ১৯.১০%, ফরিদপুর গ্রাসরুট কলেজ অব টেকনোলজির পাশের হার ২০%

    পার্যাক্রমে অনুদান প্রাপ্ত অন্যান্য বেসরকারি পলিটেকনিকে পাশের হারঃ

    সরকারি কয়েক কোটি টাকা অনুদান পাওয়ার পরে চারটি প্রতিষ্ঠানে ৫ম পর্বে শিক্ষার্থীর সংখ্যা খুবই স্বল্প সংখ্যক। এর মধ্যে গোপালগঞ্জ মডেল পলিটেকনিকে মাত্র ৩৭ জন, ঢাকা ওয়েষ্টার্ন আইডিয়াল ইনষ্টিটিউটে ৪২ জন, ঢাকা ইনষ্টিটিউট অব সাইন্স ট্রেড এন্ড টেকনোলজিতে ৫১ জন, মডেল পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট যশোরে ৬৯ জন এবং ফরিদপুর গ্রাসরুট কলেজ অব টেকনোলজিতে ৮০ জন। দেশে কারিগরি শিক্ষার বিস্তার ও প্রসারে এসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি অনুদান প্রাপ্ত হয়েও তেমন কোন উল্লেখযোগ্য কাজ করতে পারছে কি না সেটা প্রশ্নবিদ্ধ।

    অন্যদিকে ফলাফলে খারাপরে বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে নতুন প্রবিধান ও কলেজের পরিচর্চা জনিত সমস্যার কারনে এরকম ফলাফল। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্লাস ও শিক্ষকের ঘাটতি আছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলেজের ম্যানেজমেন্ট থেকে কেবলমাত্র ২০১৬ সালের নুতন প্রবিধানের কারনে ফলাফলের ধ্বস বলে জানানো হয়।

  • প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের চেষ্টায় ৬ জনের কারাদণ্ড পটুয়াখালীতে

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের চেষ্টায় ৬ জনের কারাদণ্ড পটুয়াখালীতে

    স্টাফ রিপোর্টার// কাইয়ুম খান:

    পটুয়াখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস চেষ্টার অভিযোগে জেলা প্রশাসকের দুই স্বেচ্ছাসেবকসহ (ওমেদা) ৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের অতিরিক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুল হাফিজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে জেলা প্রশাসকের স্বেচ্ছাসেবক (ওমেদা) মো. দিপু সিকদার (২৪) ও মো. সাইফুল মৃধার (২৫) নাম জানা গেছে।

    অতিরিক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুল হাফিজ জানান, অফিসাররা দরবার হলে কাজ করছিলেন। সাহরির সময় ওমেদা দু’জন খাবার নিয়ে আসেন। পরে দরবার হলের ভেতরে প্রশ্ন নিয়ে নাড়াচাড়া করেন।

    এ সময় তাদের আটক করে প্রত্যেককে একমাস করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, পরীক্ষায় এছাড়া অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

  • বদলে যাচ্ছে বই, পাল্টে যাচ্ছে শিক্ষাক্রম

    বদলে যাচ্ছে বই, পাল্টে যাচ্ছে শিক্ষাক্রম

    নিউজ ডেস্ক:

    শিক্ষাক্রমে আবারো পরিবর্তন আসছে। প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত চলমান শিক্ষাক্রমের ভুল ত্রুটি সংশোধন, আন্তর্জাতিক মান ও সময়ের চাহিদা বিবেচনা করে এ পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

    শিক্ষাক্রম পাল্টে গেলে স্বাভাবিকভাবে বইও বদলে যাবে। তবে একসঙ্গে সব শ্রেণিতে নতুন বই প্রবর্তন করা হবে না। ২০২১ সালে প্রথম, দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ শ্রেণি, ২০২২ সালে তৃতীয়, চতুর্থ, সপ্তম, নবম ও একাদশ শ্রেণি এবং ২০২৩ সালে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে নতুন শিক্ষাক্রমের বই।

    প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে সর্বশেষ শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। এর আগে ১৯৯৫ ও ১৯৭৬ সালে আরো দুই বার শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হয়। সূত্র জানায়, শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই প্রণয়নে ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), রূপকল্প-২০৪১, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, আওয়ামী লীগের সর্বশেষ নির্বাচনী ইশতেহার বিবেচনায় আনা হচ্ছে। অন্যান্য দেশের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শিক্ষাক্রমগুলোও এবার বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। এনসিটিবির সদস্য (মাধ্যমিক শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. মো. মশিউজ্জামান এ প্রসঙ্গে ইত্তেফাককে বলেন, শিক্ষাক্রম পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছে। সারাদেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলোর এখন বিচার-বিশ্লেষণ চলছে।

    তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষাক্রম পরিবর্তনে প্রথমে নিড অ্যাসেসমেন্ট করা হবে। এ লক্ষ্যে দেশের ব্যবসায়ী, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদসহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

    ইতোমধ্যে দেশের নয়টি শিক্ষা অঞ্চলের ১৮টি জেলার ৩৬টি উপজেলার দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এ তথ্যগুলো এখন বিশ্লেষণ করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অগ্রসর, অনগ্রসর, দুর্গম অঞ্চলসহ সব বিবেচনায় আনা হয়েছে বলে জানান ড. মো. মশিউজ্জামান। এনসিটিবির বক্তব্য, বিশ্বে প্রতি ৫-৬ বছর পর পর শিক্ষাক্রম পর্যালোচনা ও পরিমার্জনের রেওয়াজ আছে।

    তারই অংশ হিসেবে আমরাও শিক্ষাক্রম পর্যালোচনার কাজ শুরু করেছি। তবে ঘন ঘন পাঠ্যবই পরিবর্তনের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শিক্ষাবিদ ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর কারিকুলাম ভারি হয়ে যাচ্ছে। বই প্রণয়নে প্রয়োজনে ৫ বছর লাগুক। কিন্তু ভালো বই প্রণয়ন করতে হবে। যাতে ২০-৩০ বছরে আর বইয়ের পরিবর্তন আনার প্রয়োজন না হয়। তিনি আরো বলেন, আজকাল দেখা যায় বই বেশ মোটা। কিন্তু বইয়ে ম্যাটারিয়াল উন্নত নয়।

    রফিকুল ইসলাম নামের এক অভিভাবকও বলেন, মাধ্যমিকের প্রতিটি শ্রেণিতে বইয়ের পৃষ্ঠা বেশি। এছাড়া সিলেবাসও কঠিন। সিলেবাস শেষ করতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা কোচিংমুখী হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের গলদঘর্ম হতে হচ্ছে। পাঠ্যবই সহজ করা এবং সিলেবাস কমানোর দাবি জানিয়েছেন এই অভিভাবক। তবে অভিভাবকদের এই বক্তব্যের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করে শিক্ষাক্রম প্রণয়নের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ড. মো. মশিউজ্জামান বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থী বছরে কত ঘণ্টা শ্রেণিকক্ষে সময় পায়, বছরে কতদিন ক্লাস হয় এবং প্রতি ক্লাসে কত মিনিট সময় পায়-সে হিসাবেই বইয়ের সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়।

    যে সব প্রতিষ্ঠানে বছরের দুই মাস ক্লাস হয় না তারা বইয়ের সিলেবাস শেষ করবে কি করে?’ উল্লেখ্য, বর্তমানে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ২৪টি পাঠ্যবই পড়ানো হয়। এছাড়া ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ১৩টি বই, নবম-দশম শ্রেণিতে ২৭টি বই ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে ৩৯টি পাঠ্যবই আছে। বাধ্যতামূলক হচ্ছে বৃত্তিমূলক শিক্ষা ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই বাধ্যতামূলক ভোকেশনাল (বৃত্তিমূলক) শিক্ষা চালু হতে যাচ্ছে দেশে।

    হাতে-কলমে শিক্ষা দিয়ে নতুন প্রজন্মকে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে এই উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির প্রতিটি শিক্ষার্থী গ্রহণ করবে এই প্রাক-বৃত্তিমূলক শিক্ষা। এছাড়া নবম-দশম শ্রেণির প্রত্যেক বিভাগের শিক্ষার্থীকেও নিতে হবে এই শিক্ষা। পাশাপাশি বৃত্তিমূলক শিক্ষার বিস্তারে নতুন করে আরো ৬৪০টি প্রতিষ্ঠানে ভোকেশনাল শাখা খোলা হবে। বর্তমানে ১ হাজার ৯৯৩টি প্রতিষ্ঠানে এই শাখা চালু আছে।

    মাধ্যমিকে ভোকেশনাল শিক্ষা গ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

  • এবার স্কুল শিক্ষক শিক্ষিকার আপত্তিকর ছবি ভাইরাল

    এবার স্কুল শিক্ষক শিক্ষিকার আপত্তিকর ছবি ভাইরাল

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য:

    কচুয়া উপজেলার শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর ও তালতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সালমা আক্তারের সাথে আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে।

    জাহাঙ্গীর ও সালমা কী তা হলে প্রেমে পড়েছে? গত ১৪ মে কচুয়া পৌরসভাধীন প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির মার্কেটের স্টুডিও মিনতির পরিচালক সুমন রায়ের ফেসবুক আইডি থেকে স্ট্যাটাস দেয়া ছবিটি মুহূর্তে ভাইরাল হয়।

    ভাইরাল হওয়ার পরপরই তাদের দু’জনকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জোরালো দাবি উঠতে শুরু করে। এক সন্তানের জননী সালমা আক্তার ভাইরাল হওয়া ছবি সম্পর্কে সাংবাদিকদের জানান, আমি আলীগঞ্জ পিটিআই’তে প্রশিক্ষণে রয়েছি। বিভিন্ন সময় জাহাঙ্গীর স্যারের সাথে আমার ফোনে কথা এবং দেখা হয়।

    তিনি বিভিন্ন সময় আমাকে ফোন করে ডেকে নিয়ে বিভিন্ন কাজের দায়িত্ব দিতেন এবং আমি ওইসব কাজ করে দেই। এভাবেই তার সাথে আমার পরিচয় হয়ে উঠে। গত ৬ মে সোমবার জাহাঙ্গীর স্যার আমাকে ফোনে হাজীগঞ্জের একটি বাসায় যেতে বলে।

    পিটিআই’র ছুটি হওয়ার পর আমি ওই বাসায় যাই। ওই বাসায়ই ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ছবিটি তোলা হয়। এদিকে এক সন্তানের জনক কচুয়া পৌরসভাধীন ধামালুয়া গ্রামের অধিবাসী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, সালমার সাথে আমার সাধারণ পরিচিতি ছাড়া অন্য কোনো সম্পর্ক নেই। ভাইরাল হওয়া ছবি সম্পর্কে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ ক’জন শিক্ষক জানান, ভাইরাল হওয়া ছবিটি ন্যাক্কারজনক। এটি পুরো শিক্ষক সমাজের সুনাম ও ভাবমূর্তি বিনষ্ট করছে।

    এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষকদের চরিত্র নিয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এদিকে সুশীল সমাজ ভাইরাল হওয়া ছবির প্রেক্ষিতে জাহাঙ্গীর ও সালমার সাথে প্রকৃতপক্ষে কী সম্পর্ক তা উদ্ঘাটন করে শিক্ষা বিভাগ যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে তারা প্রত্যাশা করছেন।

  • ছাত্রলীগের কার্যক্রম জঙ্গি সংগঠনের মতো: ডাকসু ভিপি

    ছাত্রলীগের কার্যক্রম জঙ্গি সংগঠনের মতো: ডাকসু ভিপি

    ছাত্রলীগের কার্যক্রমের সঙ্গে সাম্প্রতিককালের জঙ্গিদের কার্যক্রমের মিল রয়েছে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নূর। আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাবির মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।

    গত সপ্তাহে বগুড়ায় ইফতার মাহফিলে যাওয়ার পথে তার ওপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় তিনি পহেলা বৈশাখের উৎসবে ছাত্রলীগের অগ্নিসংযোগের বিষয়টিও উল্লেখ করেন। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানীর পক্ষ থেকে তাকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে এক নম্বর সহ-সভাপতি অথবা এক নম্বর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের অফার দেওয়া হয় বলেও উল্লেখ করেন।

    তিনি বলেন, মুসলমানদের সব থেকে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র রমজানে হামলা করে তারা প্রমাণ করছে যে তারা সাম্প্রদায়িক শক্তিতে পরিণত হচ্ছে। তাদের সামগ্রিক কার্যক্রম সাম্প্রতিককালের জঙ্গিদের কার্যক্রমের সঙ্গে সাদৃশ্য মনে হচ্ছে আমাদের। কিছুদিন আগেও তারা বাঙালির ঐতিহ্যবাহী উৎসব পহেলা বৈশাখে অগ্নিসংযোগ করেছে। তারা এই ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের কার্যক্রমের দিকে ধাবিত হচ্ছে। তিনি এ ঘটনার নিন্দা জানান।

    গত ২৫ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইফতার মাহফিল বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে নুরুল হক নুর বলেন, সেখানে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির নেতৃত্বে ইফতার মাহফিল প্রতিহত করা হয় তখন আমরা রাস্তার পাশে বসে ইফতার করেছি। তার পরবর্তী দিন বগুড়ায় আমাদের ইফতার মাহফিল ছিল, সেখানে যাওয়ার আগে আমি থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেছিলাম।

    তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত থাকার পর পুলিশের সহযোগিতা চাইলে তারা সহযোগিতা করেননি। তাই আমরা জেলার অন্যান্য লোকজনের সঙ্গে কথা বললে তারা আমাদেরকে যাওয়ার অনুমতি দেন। অথচ তারা আমাদের নিরাপত্তা দিতে পারেনি।

    ‘আমরা সেখানে জেলা গ্রন্থাগারের সামনে পৌঁছালে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে হামলা হয়। তারা জঙ্গি হামলার মতো আমাদের ওপর হামলা করে। এক পর্যায়ে আমি পড়ে গেলে আমার সঙ্গে রাতুলসহ অন্যান্যদের রড দিয়ে পিটায় এবং আমার পায়ের ইট দিয়ে আঘাত করে।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা ব্রাহ্মণবাড়ির ঘটনাটি ছাত্রলীগ সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদককে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানাই, তারা বলেছেন তারা ব্যবস্থা নিবেন। অথচ পরের দিনও বগুড়াতে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। আমাদের মনে হচ্ছে এগুলো পরিকল্পিত একটি ঘটনা। আমাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে হামলাগুলো করানো হচ্ছে।

  • রাজধানী নার্সিং কলেজ ও ম্যাটস এর আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    রাজধানী নার্সিং কলেজ ও ম্যাটস এর আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    স্টাফ রিপোর্টার// কাইয়ুম খান :

    আজ ২৮ মে বরিশাল রাজধানী নার্সিং কলেজ ও ম্যাটস এর আয়োজনে পবিত্র রমজান মাসের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    প্রায় ২৩০ জন ছাত্র ছাত্রী,শিক্ষক শিক্ষিকা, কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়ে এই দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    এই ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন, রাজধানী নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জহিরুল ইসলাম।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ব্যাক্তিত্ব, দৈনিক ভোরের আলো পত্রিকার সম্পাদক সাইফুর রহমান মিরন। ড. স্বপন কুমার মিত্র,অধ্যক্ষ রাজধানী ম্যাটস। পিংকি রানী শিল, উপাধ্যক্ষ, রাজধানী নার্সিং কলেজ, ড. শুভংকর বাড়ৈ,রাজধানী নার্সিং কলেজ। সুদীপ কুমার নাথ একাডেমিক পরিচালক, ডি ডাব্লিউ এফ নার্সিং কলেজ ও ম্যাটস।

    এ ছারাও রাজধানী নার্সিং কলেজের প্রভাষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফারজান আখতার,জাহিদুল ইসলাম,মাঝহারুল ইসলাম,উম্মে কুলসুম জাহান,প্রিয়াংকা মিত্র, কামরুন্নেসা সুখি এবং ডি ডাব্লিউ এফ ম্যাটস এর প্রভাষক নুসরাত স্বর্না।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    আরো উপস্থিত ছিলেন, ডি ডাব্লিউ এফ নার্সিং কলেজ ও ম্যাটস এবং রাজধানী নার্সিং কলেজ ও ম্যাটস এর কর্মকর্তা কর্মচারী ও ছাত্র ছাত্রী বৃন্দ।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    ছবি: শাওন অরন্য।

  • নিষিদ্ধ হচ্ছে কান ঢেকে কেন্দ্রে প্রবেশ

    নিষিদ্ধ হচ্ছে কান ঢেকে কেন্দ্রে প্রবেশ

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় হলে কান ঢেকে প্রার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে (ডিপিই) এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ডিপিই থেকে দেশের সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে এ নির্দেশনা পাঠানো হচ্ছে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

    গত ২৪ মে প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৩১ মে দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে। এ ধাপে দেশের ২৫ জেলায় প্রায় ১৪ লাখ প্রার্থী অংশগ্রহণ করবেন।

    প্রথম ধাপের পরীক্ষায় সাতক্ষীরায় প্রশ্নফাঁস হওয়ায় বিপাকে পড়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরবর্তীতে যাতে আর প্রশ্নফাঁসের ঘটনা না ঘটে সে জন্য গোয়েন্দা সংস্থার তৎপরতা বাড়ানোসহ আরও বেশি কৌশলী হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    ৩১ মে দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষাও প্রশ্নফাঁসমুক্ত ও সুষ্ঠুভাবে গ্রহণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। পরীক্ষাটি একাধিক প্রশ্নপত্রে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কানে কাপড় জড়িয়ে পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। এছাড়া কারিগরি ও প্রযুক্তিগত আরও বেশকিছু পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

    জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন সোমবার বলেন, শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনে আমরা আরও কঠোর ও কৌশল অবলম্বন করব। কোনো প্রার্থীকে কেন্দ্রের মধ্যে কানে কাপড় জড়িয়ে ঢুকতে না দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলা পর্যায়ে প্রশ্নসেট আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    তিনি বলেন, বিগত পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের ঘটনাটি কেবল সাতক্ষীরায় ঘটেছে। কিন্তু সেখানে প্রশ্ন ঢাকা থেকে গেছে বলে দাবি করছেন গ্রেফতারকৃতরা। আমরা জানতে চাই, ঢাকার সেই ব্যক্তিটা কে? আমাদের মূল কাজ হচ্ছে মূলহোতা খুঁজে বের করা। জানতে চাই, সরষের মধ্যেই ভূত আছে কি-না? এটা বের করতে কাজ করার জন্য র‌্যাব, এনএসআইকে আমরা অনুরোধ জানিয়েছি। পাশাপাশি পরবর্তী পরীক্ষাগুলো সুষ্ঠুভাবে নেয়ার পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। পরীক্ষাটি আমরা ‘জিরো রিস্কে’ (ঝুঁকিমুক্ত) নিয়ে যেতে চাই।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষা ও প্রশ্নফাঁসের ঘটনার পর প্রথম কর্মদিবসে গত রোববার একাধিক বৈঠক হয়েছে। এর মধ্যে একটি হয়েছে বুয়েটে। খোদ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব বুয়েটের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও তথ্যপ্রযুক্তিবিদদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি প্রশ্নপত্র পাঠানোর প্রযুক্তির বিষয়ে খোঁজখবর নেন। এছাড়া ওই কাজে কে বা কারা জড়িত, সেটা জানতে চান। পাশাপাশি পরবর্তী পরীক্ষার প্রশ্ন আরও সুরক্ষিত করার প্রযুক্তি সম্পর্কেও আলোচনা করেন।

    সচিব আরও বলেন, ৩১ মে’র পরীক্ষা সামনে রেখে ২৬ জেলার ডিসিকে বিশেষ বার্তা পাঠানো হয়েছে। তাতে জেলার গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ তৎপর রাখতে বলা হয়েছে।

    মন্ত্রণালয়ের আরেকটি সূত্র জানায়, প্রশ্নফাঁসের ঘটনার পর প্রশ্ন প্রণয়ন ও বিতরণ কাজের কমিটি পুনর্গঠনের চিন্তাভাবনা চলছে। এ কাজে ইতিবাচক ভাবমূর্তিসম্পন্ন কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানা গেছে।

    পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত কাজে কোনো শিথিলতা বা দুর্বলতা আছে কি-না, তা চিহ্নিত করার পাশাপাশি ব্যবস্থা নিতে বুয়েটকে অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষার কেন্দ্রে প্রশ্ন ছাপার কাজে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যাপারে আরও সতর্কতা গ্রহণ, পরীক্ষার্থীদের নজরদারি, নকল রোধে বোরখা পরিহিত পরীক্ষার্থীদের কান খোলা রাখার ব্যবস্থাসহ আরও বেশকিছু পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, গত ২৪ মে অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষা ১১ জেলায় অনুষ্ঠিত হয়। ওইদিনের পরীক্ষায় সাতক্ষীরায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ২৯ জনকে আটক করা হয়। পরে আট অভিভাবককে ছেড়ে দেয়া হয়। প্রশ্নফাঁসে জড়িত স্থানীয় পাঁচ অপরাধীসহ ২১ জনকে তাৎক্ষণিক বিচারে দুই বছর করে দণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এছাড়া ইলেকট্রিক ডিভাইসসহ পাবনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়। পরীক্ষায় অনিয়মে সেখানে আটজন আটক এবং চারজনকে বহিষ্কার করা হয়। নোয়াখালীতেও একজনকে আটক এবং নকল সরবরাহের অভিযোগে পটুয়াখালীতে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন এ নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও বিতরণে মন্ত্রণালয়ের ১৪ সদস্যের কমিটি কাজ করে। ২৪ মে’র পরীক্ষা একটিমাত্র প্রশ্নে নেয়া হয়। তবে ৩১ মে’র পরীক্ষা একাধিক প্রশ্নপত্রে নেয়া হবে। সারাদেশে তিন পার্বত্য জেলা বাদে ৬১ জেলার ২৪ লাখ এক হাজার ৯১৯ প্রার্থী প্রায় ১২ হাজার পদের বিপরীতে এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। চার ধাপের পরীক্ষার তৃতীয় ধাপেরটি ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপেরটি ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হবে।

  • ভিসির ‍ছুটিতে থাকাকীলন পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের যোগদানপত্র ফেরত

    ভিসির ‍ছুটিতে থাকাকীলন পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের যোগদানপত্র ফেরত

    উপাচার্য ছুটিতে থাকাকালীন সময়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি)’র ৪ কর্মকর্তাকে দেয়া পদোন্ততি কার্যত কোন কাজে আসছে না।

    এরইমধ্যে ওই ৪ কর্মকর্তাকে তাদের যোগদানপত্র গ্রহন বা কার্যকর না করার বিষয়ে লিখিত জানিয়ে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানাগেছে, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ১১ এপ্রিল থেকে ২৬ মে ছুটিতে চলে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এস এম ইমামুল হক।

    ছুটিতে থাকাকালীন সময়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মিজানুর রহমানকে একই শাখার উপ-পরিচালক পদে চলতি দায়িত্ব, একই শাখার উপ-পরিচালক মোঃ হুমায়ুন কবীরকে পরিচালক পদে চলতি দায়িত্ব, অর্থ ও হিসাব শাখার উপ-পরিচালক সুব্রত কুমার বাহাদুরকে একই শাখার পরিচালক পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব এবং নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মুরশীদ আবেদীনকে ডেপুটি চিফ প্রকৌশলী পদে চলতি দায়িত্ব প্রদানের মর্মে নিয়োগপত্র দেন।

    এককথায় তাদের পদোন্নতী দেন। পদোন্নতী পত্র পেয়ে এই ৪ জনই ভিসি ছুটিতে থাকাকালীন সময়ে গত ১২ মে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর যোগদানপত্র দাখিল করেন।

    এরপর দীর্ঘ যাচাইবাছাই শেষে বিশ্ববিদ্যালয় আইন ও জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের নীতিমালা ভঙ্গসহ একাধিক নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে ওই ৪ কর্মকর্তার যোগদানপত্র গ্রহন ও কার্যকর করা হয়নি।

    বিশ্ববিদ্যা্লয়ের কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গত ২৩ মে সহকারী রেজিষ্ট্রার সোলাইমান খান সাক্ষরিত এ সংক্রান্ত স্মারক স্ব-স্ব কর্মকর্তার নিকট পৌছে দেয়া হয়েছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও দায়িত্ব প্রাপ্ত উপাচার্য ড. একেএম মাহবুব হাসান।