Category: শিক্ষাঙ্গন

  • শিক্ষিত বেকারদের ভাতা দেয়ার পরিকল্পনা নেই সরকারের

    শিক্ষিত বেকারদের ভাতা দেয়ার পরিকল্পনা নেই সরকারের

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ বলেছেন, শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠীকে ভাতা দেয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বর্তমান সরকারের।

    মঙ্গলবার সংসদে সরকার দলীয় এমপি শফিকুল ইসলাম শিমুল ও নারী এমপি বেগম হাবিবা রহমান খানের আলাদা প্রশ্নের জবাবে সংসদে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

    সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের প্রতিটি জেলা সদরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সমাজসেবা অধিদফতর কর্তৃক একটি করে, সর্বমোট ৮৫টি সরকারি শিশু পরিবার (এতিমখানা) পরিচালিত হচ্ছে।

    তিনি বলেন, প্রত্যেকটি উপজেলায় একটি করে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছার নামে সরকারি এতিমখানা স্থাপনের বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত।

    বেগম হাবিবা রহমান খানের আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ঢাকার মিরপুরে একটি অটিজম রির্সোস সেন্টার আছে। এছাড়া এ ফাউন্ডেশনের আওতায় দেশের ৬৪ জেলায় এবং ৩৯টি উপজেলায় প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র চালু আছে।

    প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী প্রতিটি উপজেলায় প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এগুলো চালু হলে সেখানে একটি করে অটিজম কর্নার চালু করা হবে।

  • সন্তানের হাতে স্মার্টফোন, মদ ও গাজার মতোই বিপজ্জনক!

    সন্তানের হাতে স্মার্টফোন, মদ ও গাজার মতোই বিপজ্জনক!

    অনলাইন ডেস্ক:

    সন্তানকে স্মার্টফোন দেয়ার অর্থ হলো তাদের হাতে এক বোতল মদ কিংবা এক গ্রাম কোকেইন তুলে দেয়া। কারণ স্মার্টফোনে আসক্তি মাদকাসক্তির মতোই বিপজ্জনক। লন্ডনে অনুষ্ঠিত শিক্ষা বিষয়ক একটি সম্মেলনে বিশেষজ্ঞরা এমন মতামত দিয়েছেন।

    এতে আরও বলা হয়, স্ন্যাপচ্যাট ও ইনস্টাগ্রামে বন্ধুদের বার্তা পাঠানোতে সময় ব্যয় মাদক ও অ্যালকোহলে আসক্তির মতোই বিপজ্জনক হতে পারে। তাই মাদকাসক্তি দূর করতে যেমন পদক্ষেপ নেয়া হয় স্মার্টফোন আসক্তি থেকেও শিশুদের বের করে নিয়ে আসতে একই রকম চেষ্টা করা উচিত।

    প্রযুক্তি আসক্তি ও কিশোর উন্নয়নের বিষয়ে বক্তৃতা করতে গিয়ে লন্ডনের হারলে স্ট্রিট রিহ্যাব ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ ম্যান্ডি সালিগ্যারি বলেন, স্মার্টফোনের পর্দায় শিশু-কিশোরদের সময় কাটানোর সে আসক্তি তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হয় না। আমি সবসময় মানুষকে বলি আপনি যখন সন্তানকে ট্যাবলেট বা ফোন কিনে দিচ্ছেন আপনি আসলে তাদে এক বোদল মদ কিংবা এক গ্রাম কোকেইন কিনে দিচ্ছেন।

    বন্ধ দরজার পেছনে আপনি তাদের সবকিছু করার সুযোগ দিয়ে একলা ছেড়ে দিচ্ছেন। মাদক ও অ্যালকোহলের মতো এসব বিষয়ও একই মস্তিষ্কেই বিরূপ প্রভাব ফেলে। তারপরও কেন আমরা এ বিষয়গুলোতে কম গুরুত্ব দেই

  • ২ বছর স্মার্টফোন থেকে দূরে, পরীক্ষায় দেশসেরা

    ২ বছর স্মার্টফোন থেকে দূরে, পরীক্ষায় দেশসেরা

    দুই বছর ছিলেন স্মার্টফোন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে। মুখগুজে সারাদিন যে বই পড়তেন, তাও নয়। দিনে ৭-৮ ঘণ্টা পড়াশোনা করেছেন। এতেই বাজিমাত। ডাক্তার হওয়ার পরীক্ষায় দেশসেরা হয়েছেন নলিন খান্ডেলওয়াল।

    বুধবার ভারতের ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এনট্রেন্স টেস্ট বা এনইইটি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলে নলিন প্রথম স্থান অধিকার করেন। তার প্রাপ্ত নম্বর ৭০১। শতাংশ হিসেবে যা দাঁড়ায় ৯৯.৯৯৯৯২৯১।

    এমন সাফল্যের রহস্য কী? ১৭ বছরের নলিন জানান, আমি রোজ ৭-৮ ঘণ্টা পড়াশোনা করতাম। কোন বিষয়ে মনে দ্বিধা থাকলে সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষকদের সহযোগিতা নিতাম। শেষ দুই বছর নিজের কাছে স্মার্টফোন ছিল না। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সক্রিয় ছিলাম না।

    রাজস্থানের সিকার জেলাতেই পড়াশোনা নলিনের। মা-বাবা দুজনেই ডাক্তার। নলিন জানান, মা-বাবার সহযোগিতা ছাড়া এই সাফল্য সম্ভব ছিল না।

  • শিক্ষার মান বাড়াতে প্রাথমিকে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত

    শিক্ষার মান বাড়াতে প্রাথমিকে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক তৈরি করা হবে। বাড়তি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের বাংলা, ইংরেজি ও বিজ্ঞান বিষয়ে অভিজ্ঞ করা হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান বাড়াতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী জুলাই মাস থেকে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।

    জানা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকসহ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হলেও প্রাথমিক স্তরে একজন শিক্ষককে সব বিষয় পড়াতে হচ্ছে। এ কারণে বিষয় অনুযায়ী দক্ষ শিক্ষক গড়ে তোলা এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। কোনো মতে চলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম।

    বিষয়টিকে আমলে নিয়ে বর্তমানে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক তৈরি করা হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলা, ইংরেজি ও অংকের শিক্ষক তৈরি করা হবে। বর্তমানে যেসব শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন, তাদের বাড়তি প্রশিক্ষণ দিয়ে বিশেষ একটি বিষয়ে পারদর্শী করা হবে। এরপর তারা সম্পূরক বিষয়ে ক্লাস নেবেন। তবে বিজ্ঞানের জন্য আলাদা শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এ কারণে শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালায় আলাদাভাবে বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে।

    সচিব বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীরা অনেক পিছিয়ে পড়ছে। একজন শিক্ষক সব বিষয়ের ক্লাস নেয়ায় শিক্ষার্থীরা কে, কোন বিষয়ে দুর্বল তা শনাক্ত করা কঠিন হচ্ছে। এর ফলে দুর্বল শিক্ষার্থীরা আরও দুর্বল হয়ে পড়ছে।

    তিনি বলেন, এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তিন ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞ শিক্ষক তৈরির জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলা, সমাজ ও ধর্ম বিষয়ে একজন, বিজ্ঞান বিষয়ে একজন ও ইংরেজি বিষয়ে একজন করে শিক্ষক তৈরি করা হবে।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, সারাদেশে বর্তমানে ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। যাতে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় আড়াই কোটি শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। আর এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষক আছেন প্রায় সাড়ে তিন লাখ। তাদের প্রশিক্ষণের জন্য ইতোমধ্যে ৫৫টি জেলায় প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (পিটিআই) গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে অভিজ্ঞ করে তোলা হয়ে থাকে।

    কর্মকর্তারা জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিকে একটি, প্রথম থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত ২টি এবং ৩য় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মোট পাঁচটি বিষয় পড়ানো হয়। এসব বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকদের তিন ক্যাটাগরিতে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। বাংলা শিক্ষক বাংলা, সমাজ ও ধর্ম, ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক ইংরেজি ও বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক বিজ্ঞান বিষয় পড়াবেন।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক তৈরিতে ৫৫টি পিটিআইয়ের মাধ্যমে শিক্ষকদের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যিনি যে বিষয় পড়াতে আগ্রহী হবেন তাকে সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক তৈরিতে শিক্ষকদের মাসব্যাপী প্রশিক্ষক দেয়া হবে। যেসব জেলায় এখনও পিটিআই গড়ে তোলা হয়নি পার্শ্ববর্তী জেলায় (যেখানে পিটিআই রয়েছে) তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি অর্ধশত পিটিআই প্রশিক্ষককে (ইন্সট্রাকটর) ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে ইংরেজি বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। যারা ইংরেজি পড়াতে আগ্রহী তাদের বাড়তি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এ বিষয়ে পড়ানোর ওপর অভিজ্ঞ করে তুলবেন। এভাবে তিন ক্যাটাগরিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিষয়ভিত্তিক তৈরি করা হবে।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, প্রাথমিকে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক তৈরি হলে বাংলা, ইংরেজি ও অংকে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা কমে যাবে। প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত একজন শিক্ষক একই বিষয়ে পাঠদান করবেন। এর ফলে কোন শিক্ষার্থী কোন বিষয়ে দুর্বল- শিক্ষক তা সহজেই শনাক্ত করে বাড়তি ক্লাসের মাধ্যমে তা কাটিয়ে তুলতে সক্ষম হবেন।

    তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠা ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা (এসজিডি)-৪ বাস্তবায়নে আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। তার মধ্যে বিষয় ভিত্তিক শিক্ষক কার্যক্রমও রয়েছে। ইতোমধ্যে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী জুলাইয়ে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে তা কার্যকর করা হবে।

  • একাদশে ভর্তির জন্য মনোনীত ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৬ জন

    একাদশে ভর্তির জন্য মনোনীত ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৬ জন

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। কলেজে ভর্তির ওয়েবসাইটে সোমবার এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। প্রথম পর্যায়ে ভর্তির জন্য ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৬ জনকে মনোনীত করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে আবেদন করেছিলো ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৮৭৬ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ৯৭ হাজার ১০ জন ভর্তির জন্য কলেজ পায়নি।

    ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মো. হারুন-আর-রশিদ জানিয়েছেন মনোনীতদের ১৮ জুনের মধ্যে এসএমএসের মাধ্যমে জানাতে হবে তারা কোন কলেজে ভর্তি হতে চায়। এরপর প্রথম পর্যায়ে মনোনীত শিক্ষার্থীদের ২৭ থেকে ৩০ জুনের মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে হবে।

    ভর্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীরা রোল এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ওয়েবসাইট থেকে ফল জানতে পারবে। এছাড়া তাদের মোবাইলে এসএমএস করেও ফল জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    প্রথম দফায় যারা কলেজ পায়নি, তারা দ্বিতীয় দফায় আবেদনের সুযোগ পাবে জানিয়ে অধ্যাপক হারুন বলেন, ‘মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীই ভর্তির জন্য কলেজ পাবে। সব শিক্ষার্থীই কলেজে ভর্তি হতে পারবে।’

    তিনি জানান, আগামী ১৯ থেকে ২০ জুন দ্বিতীয় পর্যায় এবং ২৪ জুন তৃতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আবেদন নেওয়া হবে। ২১ জুন দ্বিতীয় পর্যায় এবং ২৫ জুন তৃতীয় পর্যায়ের ফল প্রকাশ করা হবে।

    শিক্ষার্থীরা গতবারের মতো সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করতে পেরেছে। শিক্ষার্থীর মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি কলেজে তার অবস্থান নির্ধারণ করে দেওয়া হচ্ছে।

  • প্রথম ধাপে পছন্দের কলেজ পেল না ৯৭ হাজার ভর্তিচ্ছু

    প্রথম ধাপে পছন্দের কলেজ পেল না ৯৭ হাজার ভর্তিচ্ছু

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে প্রথম দফায় আবেদন করা শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে সারাদেশে মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৬ জন পছন্দের কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছেন। তবে আবেদন করেও ভর্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন ৯৭ হাজার ৮১০ জন ভর্তিচ্ছু। তার মধ্যে জিপিএ-৫ ধারী রয়েছে ৪ হাজার ৫৭২ জন।

    রোববার (৯ জুন) দিবাগত রাতে সকল শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল দেখতে পাচ্ছেন।

    আন্তঃশিক্ষা বোর্ড ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য সারাদেশে মোট ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৮৭৬ জন আবেদন করেন। তার মধ্যে মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৬ জন তাদের পছন্দের কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছেন। পছন্দের কলেজে আবেদন করেও ভর্তির সুযোগ থেকে যারা বঞ্চিত হয়েছেন তাদের সংখ্যাও কম নয়, মোট ৯৭ হাজার ৮১০ জন।

    জানা গেছে, ভর্তি বঞ্চিতদের মধ্যে মধ্যে জিপিএ-৫ ধারী রয়েছে ৪ হাজার ৫৭২ জন। এদের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ১ হাজার ৮৪৩ জন মেধাবী শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দমতো কলেজে ভর্তি হতে পারছেন না। পরের অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী বোর্ড। মোট ১৪ হাজার ৫৩০ জন বঞ্চিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ ধারী রয়েছে ১ হাজার ২৪৩ জন। তার পরের অবস্থানে কুমিল্লা বোর্ডে ৮ হাজার ৬৯৩, এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া ৫২৩ জন শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য কোনো কলেজে মনোনীত হননি। একইভাবে সকল শিক্ষা বোর্ডেই ভর্তি বঞ্চিতের সংখ্যা রয়েছে।

    ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইট থেকে ফল দেখা যাবে। আবেদনকারীরা রোল নম্বর, বোর্ড, পাসের বছর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে তিনি কোন কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবেন তা জানতে পারবেন। মোবাইলের মাধ্যমেও একাদশে ভর্তিচ্ছুদের ফল জানানো হবে। ভর্তির জন্য মনোনয়ন পাওয়া কলেজের নাম সোমবার (১০ জুন) মধ্যরাতের পর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তিচ্ছুদের জানিয়ে দেয়া হবে।

    তবে প্রথম ধাপে যে সকল শিক্ষার্থীরা ভর্তির জন্য মনোনীত হননি তারা দ্বিতীয় ধাপে আবারো আবেদন করার সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ। তিনি সোমবার বলেন, ‘সকল শিক্ষার্থীদের নজর থাকে শীর্ষমানের কলেজে ভর্তি হওয়ার দিকে। তবে পর্যাপ্ত আসন না থাকায় অনেকে আবেদন করেও ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে না। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ ধারী শিক্ষার্থীও রয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘সারাদেশে পর্যাপ্ত আসন রয়েছে, কেউ এক ধাপে ব্যর্থ হলে পরের ধাপে আবেদন করতে পারবে। তবে প্রথম ধাপে শীর্ষমানের কলেজগুলোতে আসন পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় অনেকে ভালো ফল করেও সেসব কলেজে ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।’

    জানা গেছে, প্রথম দফায় মনোনীতদের ১১ জুন থেকে ১৮ জুনের মধ্যে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। আর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে টেলিটক বা মোবাইল ব্যাংকিং রকেট ও শিওর ক্যাশের মাধ্যমে বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন ফি ১৯৫ টাকা ফি পরিশোধ করতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় ভর্তি নিশ্চিত করতে না পারলে মনোনয়ন বাতিল হয়ে যাবে। তার আবেদনটিও বাতিল হয়ে যাবে।

    গত ২৩ মে শেষ দিন পর্যন্ত ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড ও একটি মাদরাসা বোর্ডের অধীনে থাকা কলেজগুলোতে ভর্তির জন্য মোট আবেদন করেন প্রায় ১৪ লাখ ভর্তিচ্ছু। এদের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করেছেন ১০ লাখ ৩৯ হাজারের বেশি এবং এসএমএসের মাধ্যমে ৩ লাখ ৬৫ হাজারের বেশি ভর্তিচ্ছুক। শুধু ঢাকা বোর্ডেই ৩ লাখ ৯৫ হাজারের বেশি ভর্তিচ্ছুক একাদশে ভর্তির আবেদন করেছেন।

    আগামী ১৯ ও ২০ জুন দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হবে। আগামী ২১ জুন রাত ৮টার পর দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হবে। ২২ ও ২৩ জুন দ্বিতীয় পর্যায়ের সিলেকশন নিশ্চায়ন করতে হবে।

    আগামী ২৪ জুন রাত ৮টার পর থেকে তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হবে। আগামী ২৫ জুন রাত ৮টার পর তৃতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে।

    আগামী ২৭ থেকে ৩০ জুন ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। ১ জুলাই থেকে একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে।

    এ বছর মোট এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণের সংখ্যা ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১৬৫ জন।

  • বরিশাল বি এম কলেজে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমকে শুভকামনা জানিয়ে আনন্দ শোভাযাত্রা

    বরিশাল বি এম কলেজে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমকে শুভকামনা জানিয়ে আনন্দ শোভাযাত্রা

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য:

    আজ ২ জুন, রবিবার দুপুর ১২টায় বরিশাল সরকারি বিএম কলেজে একদল ক্রিকেটপ্রেমী বাংলাদেশ দলের জন্য শুভকামনা জানিয়ে আনন্দ শোভাযাত্রা করেছে।

    খারাপ আবহাওয়া উপেক্ষা করে অনেক ক্রিকেটপ্রেমী এই কর্মসৃচিতে অংশ গ্রহন করেছে।

    এই আয়োজনের উদ্যোক্তা হলেন, বরিশাল বি এম কলেজের সাবেক ছাত্র মোঃ মারুফ হোসেন।

    মোঃ মারুফ হোসেন বলেন, এ বছর বাংলাদেশ অত্যন্ত শক্তিশালী দল,আশা করি মাশরাফির নেতৃত্ব বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হবে।

    এছাড়াও তিনি বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর কাছে বড় পর্দায় খেলা দেখানোর আবেদন জানান।

  • মাত্র ২ টাকায় ঈদের নতুন জামা

    মাত্র ২ টাকায় ঈদের নতুন জামা

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য:

    একটি জামার দাম ২ টাকা। কোনটা ৫ টাকা। আবার কোনটা ১০ টাকা। কল্পনা করা যায়? এ যেন শায়েস্তা খাঁর আমলকেও হার মানিয়েছে।

    স্বপ্ন নয় সত্যি। এমন সস্তায় জামা-কাপড় মিলবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের দোকানে।

    মূলত ভাসমান শিশুদের মাঝে ঈদের আনন্দ এবং তাদের নামি-দামি দোকানের শপিং করার ইচ্ছাটা পূরণ করতেই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা এমন প্রয়াস নিয়েছেন।

    তাদের ওই দোকানের নাম “স্বপ্নের দোকান”। চট্টগ্রাম ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স এন্ড টেকনোলোজির কয়েকজন শিক্ষার্থীদের এমন মহানুভব উদ্যোগ বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

    তাদের দোকানে ২০-২৫ হাজার টাকার কাপড় মাত্র ৫৯০টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। প্রতিটি কাপড়ের দাম ছিল মাত্র ২ টাকা, ৫ টাকা থেকে ১০ টাকা।

  • প্রেসিডেন্ট স্কাউটস অ্যাওয়ার্ড’১৮ এ উওীর্ণ হয়ে সারাদেশে প্রথম স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেছেন তাকিয়া তারান্নুম তুরিন

    প্রেসিডেন্ট স্কাউটস অ্যাওয়ার্ড’১৮ এ উওীর্ণ হয়ে সারাদেশে প্রথম স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেছেন তাকিয়া তারান্নুম তুরিন

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য:

    বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অ্যাওয়ার্ড প্রেসিডেন্ট স্কাউটস অ্যাওয়ার্ড’১৮ এ মনোনিত হয়েছে চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠের মেধাবী শিক্ষার্থী তাকিয়া তারান্নুম তুরিন।

    তাকিয়া চকরিয়া-পেকুয়া আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম এমএ ও সরকারি শিক্ষিকা হাছিনা জাফরের কন্যা।

    এছাড়াও সে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিযোগিতা ও পরীক্ষায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে আসছে।

    গত ২৯ মে, বাংলাদেশ স্কাউটসের সর্বোচ্চ অ্যাওয়ার্ড প্রেসিডেন্ট স্কাউট অ্যাওয়ার্ড ২০১৮ ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ফলাফলে চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ স্কাউট গ্রুপ থেকে ২২জন শিক্ষার্থী উওীর্ণ হয়ে সারাদেশে প্রথম স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেছেন তাকিয়া।

    ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর তাকিয়ার পরিবারে আনন্দের বন্যা চলছে। তাকে অভিনন্দন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পেসবুকে বিভিন্ন স্ট্যাটাস প্রচার করছেন তার আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাক্সক্ষী ও সহপাঠীরা।

  • জুলাই থেকে স্কুলেই রান্না করা খাবার পেতে যাচ্ছে প্রাথমিকের শিশুরা

    জুলাই থেকে স্কুলেই রান্না করা খাবার পেতে যাচ্ছে প্রাথমিকের শিশুরা

    দেশের ১৬ উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের আগামী জুলাই থেকে দুপুরে রান্না করা খাবার দেয়া হবে। শিশুদের আকৃষ্ট করা, ঝরেপড়া হ্রাস এবং পুষ্টি ও খাদ্য চাহিদা পূরণে প্রাথমিকভাবে এ কর্মসূচি নেয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সব উপজেলায় চালু করা হবে।

    বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে জাতীয় কর্মশালায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে ‘জাতীয় স্কুল মিল নীতি-২০১৯’ শীর্ষক চূড়ান্ত খসড়া নীতিমালা উপস্থাপন করা হয়।

    প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। সঞ্চালনা করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী।

    আলোচনায় অংশ নেন- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন, স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম প্রকল্পের পরিচালক রুহুল আমিন খান এবং বিশ্ব খাদ্য

    কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর রিচার্ড র‌্যাগান। মূল আলোচনা উপস্থাপন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) গিয়াসউদ্দিন আহমেদ।

    পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এ প্রকল্পের জন্য ৮ হাজার কোটি টাকা লাগবে বলে ধারণাপত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। টাকা-পয়সার সমস্যা নয়। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় সবাই এটাকে সমর্থন করি। কারণ আমাদের যিনি প্রধান, তিনি চান এটা হোক। আমি প্রধানমন্ত্রীর মন বুঝেই এ কথা বলছি।

    খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয়। তবে স্কুল মিলকে পুষ্টিমানের বিবেচনায় বিচার করতে হবে। খাবার শিশুকে শিক্ষায় মনযোগী করতে সাহায্য করবে। আমি পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমরা দু’জনই পরিকল্পনামন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও বসতে রাজি।

    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক বিনিয়োগে লাভ-ক্ষতি থাকে। এ বিনিয়োগে লস নেই। এ বিনিয়োগ সমাজ, পরিবার, ধর্ম, রাষ্ট্র, বিশ্বের জন্য কল্যাণকর। এই শিশুরাই শিক্ষা-দীক্ষায় পরিপূর্ণ হয়ে বেরিয়ে আসবে।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পটি পর্যায়ক্রমে প্রতিটি স্কুলে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি করা হলে স্কুলে শিক্ষার্থী ঝরেপড়া বন্ধ হবে ও স্কুলে আসার প্রবণতা বাড়বে। তিনি বলেন, আমরা যত বড় বাংলাদেশ বানাই, যত সুন্দর বাংলাদেশ বানাই, ভিত্তি দুর্বল করে ফেললে টিকবে না। শিশুদের পুষ্টিকর খাবার দিয়ে শারীরিকভাবে সুস্থ ও শিক্ষিত করতে এ খাবারের গুরুত্ব অপরিসীম।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, পরিসংখ্যান ব্যুরোর মানচিত্র অনুযায়ী ১৬ জেলা চিহ্নিত করে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রস্তাব দেয়া আছে।

    এখন ৩টি উপজেলায় পরীক্ষামূলক চালু আছে। এগুলো হচ্ছে- জামালপুরের ইসলামপুর, বরগুনার বামনা ও বান্দরবানের লামা উপজেলা। জাতীয় স্কুল মিল নীতি প্রণয়ন করতে এর আগে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, প্রথমে আংশিক পরে দেশের সব শিশুর হাতেই বিনামূল্যে বই তুলে দেয়া সম্ভব হচ্ছে। একইভাবে শিশুদের মধ্যে খাবারও তুলে দেয়া সম্ভব।

    খাবারের তালিকা চিহ্নিত করা হয়েছে। ৬ দিনের মধ্যে ৩ দিন রান্না করা খাবার ও ৩ দিন বিস্কুট দেয়া হবে- একদিন পরপর। রান্নার কাজ করা হবে স্থানীয়দের সহায়তায়। প্রতি স্কুলে একজন বাবুর্চি নিয়োগ দেয়া হবে।

    শিক্ষার্থী বেশি হলে বাবুর্চির একজন সহকারী নিয়োগ করা হবে। বর্তমানে চলমান বিস্কুট কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীপ্রতি ৮ টাকা করে খরচ হয়। রান্না করা খাবার দেয়া হলে বাজেট ১৮ টাকা হবে। প্রতি খাবারে একজন শিশুর দৈনিক

    শক্তি চাহিদার ৩০ শতাংশ এবং পুষ্টি চাহিদার ৫০ শতাংশ স্কুলের খাবারে নিশ্চিত করা হবে। এজন্য পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেয়া হবে।