Category: শিক্ষাঙ্গন

  • ববির বাংলা বিভাগে অচলাবস্থা, চেয়ারম্যানের প্রতি শিক্ষকদের অনাস্থা

    ববির বাংলা বিভাগে অচলাবস্থা, চেয়ারম্যানের প্রতি শিক্ষকদের অনাস্থা

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যানের প্রতি অনাস্থা জানিয়েছেন বিভাগের শিক্ষকরা। সম্প্রতি এই বিভাগের শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের কাছে লিখিত আবেদনও করেছেন। শিক্ষকদের পক্ষে অনাস্থা জ্ঞাপনের লিখিত আবেদন করেন বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সঞ্জয় কুমার সরকার।

    আবেদন সূত্রে জানা গেছে, বাংলা বিভাগের শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে বিভাগে সুষ্ঠু, সুচারু ও সুনামের সাথে বিভাগের সকল কার্যাদি সম্পন্ন করে আসছে। কিন্তু বর্তমানে মোহসিনা হোসাইন সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে বিভাগের সকল কাজে সমন্বয়হীনতা দেখা দিয়েছে। বিভাগের একাডেমিক কার্যক্রম ও অন্যান্য সহ শিক্ষামূলক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এমনকি অনেক কার্যক্রম ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সভাপতি হিসেবে তিনি অন্য শিক্ষকদের সাথে বারবার সমন্বয়হীনতা সৃষ্টি করেছে। ফলে বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রম করতে শিক্ষকরা বিরূপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে। বিভাগের শিক্ষার্থীরা একমাত্র চেয়ারম্যানের সমন্বয়হীনতার কারণে সেশনজটের মুখে পড়েছে।

    এই পরিস্থিতিতে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সঞ্জয় কুমার সরকার স্ব-প্রণোদিত হয়ে এক বিশেষ সভা আহ্বান করেন কিছুদিন পূর্বে এবং ওই সভায় সকলের মতামতের ভিত্তিতে মোহসিনা হোসাইনের প্রতি অনাস্থা প্রস্তাব গৃহীত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২ মে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য বরাবর লিখিত আবেদন করা হয় চেয়ারম্যানের প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করে।

     

  • মেয়েদের কর্মসংস্থানের জন্য কারিগরি শিক্ষায় জোর দিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

    মেয়েদের কর্মসংস্থানের জন্য কারিগরি শিক্ষায় জোর দিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

    সরকার দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মেয়েদের কর্মসংস্থানের জন্য কারিগরি শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে। এ সময় নারী উদ্যোক্তা ও কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আরও দক্ষ ও যুগোপযোগী করার তাগিদ দেন তিনি।

    আজ রোববার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে জয়িতা ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের বিশেষ সভায় সূচনা বক্তব্যে এই আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    নারীর উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর অবদান স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী বলেন, বীরাঙ্গনাদের সামাজিক মর্যাদা দিয়ে তাদের পুনর্বাসন করেন জাতির পিতা। নারীশিক্ষা এবং তাদের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিতে বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথ ধরেই কাজ করছেন তিনি। এ সময় তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের পাশাপাশি নারীর কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়নের জন্য বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগ তুলে ধরেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, নারী-পুরুষের সুষম উন্নয়ন না হলে সমাজ পঙ্গুই থেকে যাবে। আওয়ামী লীগ ভোগের রাজনীতি করে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, নারীদের কর্মসংস্থানের কথা মাথায় রেখে সরকার তাদের কারিগরি শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে কাজ করছে।

  • বাংলা ব্যাকরণের ৩৪০ টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যা পরীক্ষায় বার বার আসে। বই পড়া লাগবেনা বাংলার জন্য (পর্ব -০২)

    বাংলা ব্যাকরণের ৩৪০ টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যা পরীক্ষায় বার বার আসে। বই পড়া লাগবেনা বাংলার জন্য (পর্ব -০২)

    ১) অপমান শব্দের অপ উপসর্গটি যে অর্থে
    ব্যবহৃত – বিপরীত
    ২) ‘ধ্বনি দিয়ে আট বাঁধা শব্দই ভাষার ইট ’ এই
    ইটকে বাংলা ভাষায় বলে— বর্ণ

    ৩) ষড়ঋতু এর সন্ধি বিচ্ছেদ – ষট্ + ঋতু
    ৪) ইচ্ছা শব্দের বিশেষণ -ঐচ্ছিক
    ৫) নিশীথ রাতে বাজছে বাঁশী। নিশীথ –
    বিশেষণ
    ৬) যা বলা হয়নি – অনুক্ত
    ৭) অক্ষির সমীপে – সমক্ষ
    ৮) পুষ্প এন সমার্থক নয় – অবনী
    ৯) গোঁফ খেজুরে বাগধারার অর্থ – নিতান্ত
    অলস
    ১০) রাবনের চিতা – চির অশান্তি
    ১১) পহেলা বৈশাখ চালু করেন – সম্রাট আকবর
    ১২) হনন করার ইচ্ছা – জিঘাংসা
    ১৩) শুদ্ধ বানান – কৃষিজীবী
    ১৪) আভরন শব্দের অর্থ – অলংকার
    ১৫) নন্দিত নরকে যাঁর উপন্যাস – হুমায়ুন আহমেদ
    ১৬) কোর্মা – তুর্কি শব্দ
    ১৭) তদ্ভব শব্দ – চাঁদ
    ১৮) অপলাপ শব্দের অর্থ – অস্বীকার
    ১৯) প্রত্যয়গতভাবে শুদ্ধ – উৎকর্ষ, উৎকৃষ্ট,
    উৎকৃষ্টতা,
    ২০) পুণ্যে মতি হোক। পুণ্যে – বিশেষ্য
    রুপে ব্যবহৃত
    ২১) সমাস ভাষাকে – সংক্ষেপ করে
    ২২) তিনি দরিদ্র কিন্তু খুব উদার – যৌগিক বাক্য
    ২৩) শুদ্ধ বাক্য – সে এমন রুপবতী যেন
    অপ্সরা
    ২৪) যে ব্যক্তির দুহাত সমান চলে – সব্যসাচী
    ২৫) সূর্য এর প্রতিশব্দ – আদিত্য
    ২৬) মুজিব নগর স্মৃতি সৌধের স্থপতি -তানভীর
    কবির
    ২৭) বাঙ্গালীর ইতিহাস – নীহার রঞ্জন রায়
    ২৮) সৌভাগ্যের বিষয় – একাদশে বৃহষ্পতি
    ২৯) সংশপ্তক ভাস্কর্যটিরঅবস্থিত -জাহাঙ্গীনগর
    বিশ্ববিদ্যালয়ে
    ৩০) পদ বলতে বোঝায় – বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা
    ধাতু
    ৩১) হাতের পাঁচ অর্থ – শেষ সম্বল
    ৩২) সুন্দর মাত্রেরই একটা আকর্ষণ শক্তি
    আছে। এখানে সুন্দর – বিশেষ্য
    ৩৩) তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে??
    এখানে না – হ্যাঁ বাচক
    ৩৪) যেই তার দর্শন পেলাম, সেই আমরা
    প্রস্থান করলাম – মিশ্র বাক্য
    ৩৫) রবীন্দ্রনাথের নাটক -চতুরঙ্গ
    ৩৬) শাহনামা রচনা করেন – ফেরদৌসী
    ৩৭) উপসর্গ – অতি
    ৩৮) ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে
    আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু
    কালি পড়ে – প্রমথ চৌধুরী
    ৩৯) আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে
    প্রার্থনা টি – ঈশ্বরী পাটনীর
    ৪০) কাশবনের কন্যা – উপন্যাস
    ৪১) যে সমাসের পূর্ব পদ সংখ্যাবাচক এবং সমস্ত
    পদের দ্বারা সমাহার বোঝায় তাকে বলে- দ্বিগু
    সমাস
    ৪২) প্রথম বাংলা থিসরাস বা সমার্থক শব্দের অভিধান
    সংকলন করেন – অশোক মুখোপাধ্যায়
    ৪৩) নিরানব্বইয়ের ধাক্কা – সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি
    ৪৪) একুশে ফেব্রুয়ারি প্রথম সংকলনের
    সম্পাদক – হাসান হাফিজুর রহমান
    ৪৫) বনফুল – বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
    ৪৬) কষ্টে অতিক্রম করা যায় না যা -দুরতিক্রম্য
    ৪৭) উৎকর্ষতা যে কারনে অশুদ্ধ –
    প্রত্যয়জনিত কারনে
    ৪৮) কোনটি ঠিক – বহিপীর ( নাটক)
    ৪৯) ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ রচনা করেন-
    সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
    ৫০) ক্রিয়াপদ – সব সময়ে বাক্যে থাকবে
    ৫১) আহোরণ শব্দের বিপরীত – অবরোহন
    ৫২) ছাই চাপা আগুন যে অর্থ প্রকাশ করে –
    অন্তরে বিদ্যমান অথচ বাইরে প্রকাশের অসাধ্য
    এমন
    ৫৩) যে ভবিষ্যৎ না ভেবে কাজ করে –
    অবিমৃষ্যকারী
    ৫৪) মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস – আগুনের পরশ
    মনি
    ৫৫) কবর কবিতা রচনা করেন – জসীমউদদীন
    ৫৬) সঠিক বাক্য – মনোরম উদ্যানে ভ্রমণ
    দূরাকাংখা
    ৫৭) চৌ হদ্দি – ফারসি+ আরবি
    ৫৮) সর্বাঙ্গে ব্যাথা ঔষধ দিব কোথা। বাক্যে
    ঔষধ – কর্মে শূন্য
    ৫৯) শরৎচন্দ্রের যে উপন্যাস সরকার
    বাজেয়াপ্ত করে – পথের দাবী
    ৬০) বেটাইম – ফারসি+ ইংরেজী
    ৬১) সন্ধি ব্যাকরণের যে অংশে আলোচিত হয়
    – ধ্বনিতত্ত্ব
    ৬২) সমুচ্চয়ী অব্যয় ব্যবহৃত হয়েছে – ঢং ঢং
    ঘন্টা বাজে
    ৬৩) বিরাম চিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়নি – ঢাকা, ২১
    ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
    ৬৪) শুদ্ধ বানান – সমীচীন
    ৬৫) জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্ধ – ঝরা
    পালক
    ৬৬) কলিঙ্গ পুরষ্কার পান – আবদুল্লাহ আল মুতী
    ৬৭) নিত্য মূর্ধণ্য ষ যে শব্দে – আষাঢ়
    ৬৮) সাধু ভাষা অনুপযোগী – নাটকের সংলাপে
    ৬৯) সাত সাগরের মাঝি কার লেখা – ফররুখ আহমদ
    ৭০) প্রাতরাশ এর সন্ধি বিচ্ছেদ।- প্রাতঃ+ আশ
    ৭১) যা বলা হয়নি – অনুক্ত
    ৭২) যৌগিক শব্দ – গায়ক
    ৭৩) তৎসম শব্দ – হস্ত
    ৭৪) নিত্য স্ত্রী বাচক শব্দ – সতীন
    ৭৫) খাঁটি বাংলা উপসর্গ – ২১ টি
    ৭৬) বিড়ালের আড়াই পা বাগধারার অর্থ –বেহায়াপনা
    ৭৭) নজরুল রবীন্দ্রনাথকে উৎসর্গ করেন –
    সঞ্চিতা
    ৭৮) ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে –
    জিতেন্দ্রিয়
    ৭৯) অনিষ্ট করতে গিয়ে ভালো হওয়াকে
    বলে – শাপেবর
    ৮০) পৃথিবীর সমার্থক শব্দ – অখিল
    ৮১) পঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক – সৈয়দ
    হামজা
    ৮২) সনেট শব্দটি – ইটালিয়ান
    ৮৩) সংগীত এর সন্ধি বিচ্ছেদ – সম+ গীত
    ৮৪) বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বলে -প্রাতিপদিক
    ৮৫) যে সমাসের পূর্ব পদের বিভক্তি লোপ
    হয় না – অলুক সমাস
    ৮৬) শুদ্ধ বানান – মুমূর্ষু
    ৮৭) হুতোম প্যাঁচা যাঁর ছদ্মনাম – কালীপ্রসন্ন
    সিংহ
    ৮৮) বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ রচনা
    করেন – দীনেশ চন্দ্র সেন
    ৮৯) জসীমউদদীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্য
    গ্রন্থ – রাখালী
    ৯০) অপাদান কারক – ট্রেন স্টেশন
    ছেড়েছে
    ৯১) পশ্চাতে জন্মেছে যে – অনুজ
    ৯২) হরতাল -গুজরাটি শব্দ
    ৯৩) শীতার্থ এর সন্ধি বিচ্ছেদ – শীত+ঋত
    ৯৪) কুলি শব্দের স্ত্রী বাচক – কামিন
    ৯৫) তুষার শুভ্র – উপমান কর্মধারয় সমাস
    ৯৬) শৈত্য শব্দের বিশেষণ পদ – শীতার্ত
    ৯৭) যেহেতু তুমি বেশি নম্বর পেয়েছ, সুতরাং
    তুমি প্রথম হবে – জটিল বাক্য
    ৯৮) শুদ্ধ – সাক্ষ্যদান
    ৯৯) মহাকবি আলাওল নাটকটি রচনা করেন -সিকান্দার
    আবু জাফর
    ১০০) রবীন্দ্রনাথ রচিত নাটক – রক্তকরবী।

    >>>৯০ টি খুব গুরুত্বপূর্ণ বাংলা সমার্থক শব্দ
    => অগ্নি ➟ অনল, পাবক, আগুন, দহন, সর্বভূক, শিখা, হুতাশন, বহ্নি, বৈশ্বানর, কৃশানু, বিভাবসু, সর্বশুচি
    => অন্ধকার ➟ আঁধার, তমঃ, তমিস্রা, তিমির, আন্ধার, তমস্র, তম
    => অখন্ড ➟ সম্পূর্ণ, আস্ত, গোটা, অক্ষত, পূর্ণ, সমগ্র, সমাগ্রিক।
    => অবকাশ ➟ সময়, ফূসরত, অবসর, ছুটি, সুযোগ, বিরাম।
    => অক্লান্ত ➟ ক্লান্তিহীন, শ্রান্তিহীন, অনলস, নিরলস, অদম্য, উদ্যমী, পরিশ্রমী, অশ্রান্ত।
    => অপূর্ব ➟ অদ্ভুত, আশ্চর্য, অলৌকিক, অপরূপ, অভিনব, বিস্ময়কর, আজব, তাজ্জব, চমকপ্রদ, অবাক করা, মনোরম,
    সুন্দর।
    => অক্ষয় ➟ চিরন্তন, ক্ষয়হীন, নাশহীন, অশেষ, অনন্ত, অব্যয়, অবিনাশী, অলয়, অনশ্বর, লয়হীন, অমর, স্থায়ী।
    => অঙ্গ ➟ দেহ, শরীর, অবয়ব, গা, গাত্র, বপু, তনু, গতর, কাঠামো, আকৃতি, দেহাংশ।
    => অবস্থা ➟ দশা, রকম, প্রকার, গতিক, হাল, স্তিতি, অবস্থান, পরিবেশ, ঘটনা, ব্যাপার, প্রসঙ্গ, হালচাল, স্টাটাস।
    => আইন ➟ বিধান, কানুন, বিহিতক, অধিনিয়ম, বিধি, অনুবিধি, উপবিধি, ধারা, বিল, নিয়ম, নিয়মাবলি, বিধিব্যবস্থা।
    => আসল ➟ খাঁটি, মূলধন, মৌলিক, মূল, প্রকৃত, যথার্থ।
    => আনন্দ ➟ হর্ষ, হরষ, পুলক, সুখ, স্ফূতর্ত, সন্তোষ, পরিতোষ, প্রসন্নতা, আমোদ, প্রমোদ, হাসি, উল্লাস, মজা, তুষ্টি, খুশি, হাসিখুশি।
    => আদি ➟ প্রথম, আরম্ভ, অগ্র, পূর্ব, প্রাচীন, মূল।
    => অতনু ➟ মদন, অনঙ্গ, কাম, কন্দর্প
    => আকাশ ➟ আসমান, অম্বর, গগন, নভোঃ, নভোমণ্ডল, খগ, ব্যোম, অন্তরীক্ষ
    => আলোক ➟ আলো, জ্যোতি, কিরণ, দীপ্তি, প্রভা
    => ইচ্ছা ➟ আকাঙ্ক্ষা, অভিলাষ, অভিরুচি, অভিপ্রায়, আগ্রহ, স্পৃহা, কামনা, বাসনা, বাঞ্চা, ঈপ্সা, ঈহা
    => আল্লাহ্ ➟ আল্লাহ্ ,ঈশ্বর, খোদা, ঈশ, ইলাহি, সৃষ্টিকর্তা, বিশ্বপতি, পরমাত্মা, জগদীশ্বর, জগদীশ, জগন্নাথ, আদিনাথ, অমরেশ, পরেশ, লোকনাথ, পরমপুরুষ, পরমপিতা, করুণাময়, দয়াময়, বিধি, পরমেশ, জীবিতেশ, মালিক , ভগবান, ধাতা।
    => উঁচু ➟ উচ্চ, তুঙ্গ, সমুন্নত, আকাশ-ছোঁয়া, গগনচূম্বী, অভ্রভেদী, অত্যুচ্চ, সুউচ্চ।
    => উদাহরণ ➟ দৃষ্টান্ত, নিদর্শন, নজির, নমুনা, উল্লেখ, অতিষ্ঠা।
    => উত্তম ➟ প্রকৃষ্ট, শ্রেষ্ঠ, সেরা, ভালো, অগ্রণী, অতুল।
    => উত্তর ➟ জবাব, প্রতিবাক্য, মীমাংশা, সাড়া, সিদ্ধান্ত।
    => একতা ➟ ঐক্য, মিলন, একত্ব, অভেদ, সংহতি, ঐক্যবদ্ধ, একাত্মতা, একীভাব।
    => কপাল ➟ ললাট, ভাল, ভাগ্য, অদৃষ্ট, নিয়তি, অলিক
    => কোকিল ➟ পরভৃত, পিক, বসন্তদূত
    => কষ্ট ➟ মেহনত, যন্ত্রনা, ক্লেশ, আয়াস, পরিশ্রম, দু:খ।
    => কুল ➟ বংশ, গোত্র, জাতি, বর্ণ, গণ, সমূহ, অনেক, যূথ, জাত, শ্রেণী, ইত্যাদি।
    => খ্যাতি ➟ যশ, প্রসিদ্ধি, সুখ্যাতি, সুনাম, নাম, সুবাদ, প্রখ্যাতি, সুযশ, বিখ্যাতি, নামযশ, নামডাক, প্রখ্যা, প্রচার, হাতযশ, প্রতিপত্তি, প্রতিষ্ঠা।
    => কন্যা ➟ মেয়ে, দুহিতা, দুলালী, আত্মজা, নন্দিনী, পুত্রী, সূতা, তনয়া
    => গরু ➟ গো, গাভী, ধেনু
    => ঘোড়া ➟ অশ্ব, ঘোটক, তুরগ, বাজি, হয়, তুরঙ্গ, তুরঙ্গম
    => মেঘ ➟ ঘন, অভ্র, নিবিড়, জলধর, গাঢ়, জমাট, গভীর।
    => চাঁদ ➟ সুধাকর, শশী, শশধর, দ্বিজরাজ, বিধু, সোম, নিশাপতি, সুধানিধি, রাকেশ, সুধাময়, ইন্দু, তারানাথ।
    => চতুর ➟ বুদ্ধিমান, নিপুণ, কুশল, ধূর্ত, ঠগ, চালাক, সপ্রতিভ।
    => ঘর ➟ গৃহ, আলয়, নিবাস, আবাস, আশ্রয়, নিলয়, নিকেতন, ভবন, সদন, বাড়ি, বাটী, বাসস্থান
    => চক্ষু ➟ চোখ, আঁখি, অক্ষি, লোচন, নেত্র, নয়ন, দর্শনেন্দ্রিয়
    => চন্দ্র ➟ চাঁদ, চন্দ্রমা, শশী, শশধর, শশাঙ্ক, শুধাংশু, হিমাংশু, সুধাকর, সুধাংশু, হিমাংশু, সোম, বিধু, ইন্দু, নিশাকর, নিশাকান্ত, মৃগাঙ্ক, রজনীকান্ত
    => চুল ➟ চিকুর, কুন্তল, কেশ, অলক,
    => জননী ➟ মা, মাতা, প্রসূতি, গর্ভধারিণী, জন্মদাত্রী,
    => দিন ➟ দিবা, দিবস, দিনমান
    => দেবতা ➟ অমর, দেব, সুর, ত্রিদশ, অমর, অজর, ঠাকুর
    => দ্বন্দ্ব ➟ বিরোধ, ঝগড়া, কলহ, বিবাদ, যুদ্ধ
    => তীর ➟ কূল, তট, পাড়, সৈকত, পুলিন, ধার, কিনারা
    => নারী ➟ রমণী, কামিনী, মহিলা, স্ত্রী, অবলা, স্ত্রীলোক, অঙ্গনা, ভাসিনী, ললনা, কান্তা, পত্নী, সীমন্তনী
    => নদী ➟ তটিনী, তরঙ্গিনী, প্রবাহিনী, শৈবালিনী, স্রোতস্বতী, স্রোতস্বিনী, গাঙ, স্বরিৎ, নির্ঝরিনী, কল্লোলিনী
    => নৌকা ➟ নাও, তরণী, জলযান, তরী
    => পণ্ডিত ➟ বিদ্বান, জ্ঞানী, বিজ্ঞ, অভিজ্ঞ
    =>
    পদ্ম ➟ কমল, উৎপল, সরোজ, পঙ্কজ, নলিন, শতদল, রাজীব, কোকনদ, কুবলয়, পুণ্ডরীক, অরবিন্দ, ইন্দীবর, পুষ্কর, তামরস, মৃণাল, সরসিজ, কুমুদ
    => পৃথিবী ➟ ধরা, ধরিত্রী, ধরণী, অবনী, মেদিনী, পৃ, পৃথ্বী, ভূ, বসুধা, বসুন্ধরা, জাহান, জগৎ, দুনিয়া, ভূবন, বিশ্ব, ভূ-মণ্ডল
    => পর্বত ➟ শৈল, গিরি, পাহাড়, অচল, অটল, অদ্রি, চূড়া, ভূধর, নগ, শৃঙ্গী, শৃঙ্গধর, মহীধর, মহীন্দ্র
    => পানি ➟ জল, বারি, সলিল, উদক, অম্বু, নীর, পয়ঃ, তোয়, অপ, জীবন, পানীয়
    => পুত্র ➟ তনয়, সুত, আত্মজ, ছেলে, নন্দন
    => পত্নী ➟ জায়া, ভার্যা, ভামিনী, স্ত্রী, অর্ধাঙ্গী, সহধর্মিণী, জীবন সাথী, বউ, দারা, বনিতা, কলত্র, গৃহিণী, গিন্নী
    => পাখি ➟ পক্ষী, খেচর, বিহগ, বিহঙ্গ, বিহঙ্গম, পতত্রী, খগ, অণ্ডজ, শকুন্ত, দ্বিজ
    => ফুল ➟ পুষ্প, কুসুম, প্রসূন, রঙ্গন
    => বৃক্ষ ➟ গাছ, শাখী, বিটপী, অটবি, দ্রুম, মহীরূহ, তরু, পাদপ
    => বন ➟ অরণ্য, জঙ্গল, কানন, বিপিণ, কুঞ্জ, কান্তার, অটবি, বনানী, গহন
    => বায়ু ➟ বাতাস, অনিল, পবন, হাওয়া, সমীর, সমীরণ, মারুত, গন্ধবহ
    => বিদ্যুত ➟ বিজলী, ত্বড়িৎ, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, চপলা, চঞ্চলা, দামিনী, অচিরপ্রভা, শম্পা
    => মানুষ ➟ মানব, মনুষ্য, লোক, জন, নৃ, নর,
    => মাটি ➟ ক্ষিতি, মৃত্তিকা,
    => দখল ➟ অধিকার, আয়ত্ত, জ্ঞান, কতৃত্ব, অধীনতা, পটুতা।
    => নারী ➟ রমণী, রামা, বামা, অবলা, মহিলা, স্ত্রী, মেয়ে, মেয়েমানুষ, ললনা, মানবী, মানবিকা, কামিনী, আওরত,
    জেনানা, যোষা, জনি, বালা, বনিতা, ভামিনী, শর্বরী।
    => বাতাস ➟ বায়ু, পবন, সমীর, অনিল, মারুত, বাত, বায়, আশুগ, পবমান, সদাগতি, শব্দবহ, অগ্নিশখ, বহ্নিসখ, হাওয়া।
    => মৃত্যু ➟ মরা, ইন্তেকাল, বিনাশ, মরণ, নাশ, নিধন, নিপাত, প্রয়ান, লোকান্তরপ্রাপ্তি, চিরবিদায়, প্রাণত্যাগ, জীবননাশ, দেহান্ত, লোকান্তর, , মারা যাওয়া, পটল তোলা, মহাপ্রয়াণ।
    => সমুদ্র ➟ সাগর, সায়ব, অর্ণব, সিন্ধু, দরিয়া, জলধি, পাথার, পারাবার, প্রচেতা, অকূল, জলধর, নদীকান্ত, নীরধি, তোয়াধি, পয়োধি, বারিধর, বারীন্দ্র, ইরাবান, দ্বীপী।
    => স্বর্ণ ➟ সোনা, কাঞ্চন, কনক, হেম, হিরণ্য, মহাধাতু, গোল্ড।
    => সম ➟ সমান, তুল্য, সদৃশ, যুদ্ন, অনুরূপ।
    => দিন ➟ দিবস, দিবা, অহ, বার, রোজ, বাসর, দিনরাত্রি, দিনরজনী, সাবন, অষ্টপ্রহর, আটপ্রহর।
    => নিদ্রা ➟ ঘুম, তন্দ্রা, নিদ, সুপ্তি, গাঢ়ঘুম, নিষুপ্তি।
    => ছাত্র ➟ শিষ্য, শিক্ষানবিশ, পড়ুয়া।
    => জটিল ➟ জড়ানো, কঠিন, শক্ত, খটমট, জটাযুক্ত।
    => ধরা ➟ পৃথিবী, ধারণ করা, হাত দেয়া, ছোঁয়া, স্পশর্, ধরণি, ধরিত্রী, পাকড়ানো।
    => কবুতর ➟ পারাবত, কপোত, পায়রা, নোটন, লোটন, প্রাসাদকুক্কুট।
    => দক্ষ ➟ নিপুণ, পটু, পারদশী, কর্মঠ, সুনিপুন, কামিল।
    => রাত্রি ➟ রাত, রাত্তির, নিশি, নিশীথ, রাত, রজনী, যামিনী, যামী, যামিকা, শমনী, বিভাবরী, ক্ষণদা, নক্ত, তামসী, অসুরা।
    => মেঘ ➟ জলধর, জীমৃত, বারিদ, নীরদ, পয়োদ, ঘন, অম্বুদ, তায়দ, পয়োধর, বলাহক, তোয়ধর
    => রাজা ➟ নরপতি, নৃপতি, ভূপতি, বাদশাহ
    => রাত ➟ রাত্রি, রজনী, নিশি, যামিনী, শর্বরী, বিভাবরী, নিশা, নিশিথিনী, ক্ষণদা, ত্রিযামা
    => শরীর ➟ দেহ, বিগ্রহ, কায়, কলেবর, গা, গাত্র, তনু, অঙ্গ, অবয়ব
    =>সর্প ➟ সাপ, অহি, আশীবিষ, উরহ, নাগ, নাগিনী, ভুজঙ্গ, ভুজগ, ভুজঙ্গম, সরীসৃপ, ফণী, ফণাধর, বিষধর, বায়ুভুক
    => স্ত্রী ➟ পত্নী, জায়া, সহধর্মিণী, ভার্যা, বেগম, বিবি, বধূ,
    => স্বর্ণ ➟ সোনা, কনক, কাঞ্চন, সুবর্ণ, হেম, হিরণ্য, হিরণ
    => স্বর্গ ➟ দেবলোক, দ্যুলোক, বেহেশত, সুরলোক, দ্যু, ত্রিদশালয়, ইন্দ্রালয়, দিব্যলোক, জান্নাত
    => সাহসী ➟ অভীক, নির্ভীক,
    => সাগর ➟ সমুদ্র, সিন্ধু, অর্ণব, জলধি, জলনিধি, বারিধি, পারাবার, রত্নাকর, বরুণ, দরিয়া, পারাবার, বারীন্দ্র, পাথার, বারীশ, পয়োনিধি, তোয়ধি, বারিনিধি, অম্বুধি
    => সূর্য ➟ রবি, সবিতা, দিবাকর, দিনমনি, দিননাথ, দিবাবসু, অর্ক, ভানু, তপন, আদিত্য, ভাস্কর, মার্তণ্ড, অংশু, প্রভাকর, কিরণমালী, অরুণ, মিহির, পুষা, সূর, মিত্র, দিনপতি, বালকি, অর্ষমা
    => হাত ➟ কর, বাহু, ভুজ, হস্ত, পাণি
    => হস্তী ➟ হাতি, করী, দন্তী, মাতঙ্গ, গজ, ঐরাবত, দ্বিপ, দ্বিরদ, বারণ, কুঞ্জর, নাগ
    => লাল ➟ লোহিত, রক্তবর্ণ

    144 টি বাগধারা, এক্সক্লুসিভ:-
    1. অগত্যা মধুসূদন – অনন্যোপায় হয়ে।
    2. অজগর বৃত্তি – আলসেমি।
    3. অপোগণ্ড – অকর্মণ্য, অপ্রাপ্ত বয়স্ক, নাবালক।
    4. অবরে সবরে – কালে -ভদ্রে।
    5. অজগর বৃত্তি – আলসেমি।
    6. অশ্বমেধ যজ্ঞ – বিপুল আয়োজন।
    7. অচলায়তন – গোরামিপূর্ণ

    8. অষ্টরম্ভা – কাঁচকলা, ফাঁকি, কিছুই না।
    9. অক্ষয় বট – প্রাচীন ব্যক্তি।
    10. অকাল কুষ্মাণ্ড – অপদার্থ।
    11. অকালের বাদলা -অপ্রত্যাশিত বাধা।
    12. অক্ষরে অক্ষরে -সম্পূর্ণভাবে।
    13. অষ্টবজ্র সম্মিলন -প্রতিভাবান ব্যক্তিদের
    একত্র সমাবেশ
    14. অলক্ষ্মীর দশা -দারিদ্র্য
    15. অক্ষয়ভাণ্ডার -যে ভাণ্ডারের ধন কখনো ফুরায় না
    16. অগ্নিগর্ভ -বলিষ্ঠ
    17. অঞ্চলের নিধি – যে সম্পদ আঁচলে ঢেকে সুরক্ষিত
    রাখতে হয়/সনত্মান
    18. অন্ধিসন্ধি -ফাঁকফোকর/গোপন তথ্য
    19. আঠারো মাসে বছর – দীর্ঘসূত্রিতা।
    20. আঁটকুড়ো – নিঃসনত্মান।
    21. আমড়া কাঠের ঢেঁকি-অকেজো লোক/অকর্মণ্য।
    22. আসরে নামা -আবির্ভূত হওয়া।
    23. আধা খেঁচড়া -বিশৃঙ্খলা
    24. আঁচা-আঁচি -পরস্পরের মনের ভাব
    25. আগলদার -জমির ফসল আগলানোর বা পাহারা দেয়ার
    জন্য নিযুক্ত লোক
    26. আদিখ্যেতা – ন্যাকামি
    27. আস্ত কেউটে – অত্যন্ত বিপজ্জনক লোক
    28. ইলশে গুঁড়ি – গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি।
    29. ইয়ারবকসি – বন্ধুবান্ধব
    30. ইল্লতে কাণ্ড – নোংরা ব্যাপার / নোংরা কাণ্ড
    31. ইতুনিদকুঁড়ে – অলস: দীর্ঘসূত্রীতা
    32. উলুখাগড়া – গুরুত্বহীন লোক।
    33. উজানের কৈ – সহজলভ্য।
    34. উপোসি ছারপোকা – অভাবগ্রস্থ লোক।
    35. উপরোধের ঢেঁকি গেলা – অন্যায় আবদার করা
    36. উদোমারা – বোকা।
    37. উটকো লোক – অচেনা লোক/হঠাৎ অবাঞ্ছিতভাবে
    এসে
    38. ঊনকোটি চোষট্টি – প্রায় সম্পূর্ণ।
    39. ঊনপাঁজুরে – অপদার্থ।
    40. ঊরুস্তম্ভ – ফোঁড়া জাতীয় রোগ
    41. ঊর্মিমালী – সমুদ্র
    42. এলেবেলে – নিকৃষ্ট।
    43. এক ছাঁচে ঢালা – সাদৃশ্য।
    44. একাদশ বৃহস্পতি – মহাসৌভাগ্য/ সৌভাগ্যের লক্ষণ।
    45. একা দোকা – নিঃসঙ্গ
    46. ওষুধে ধরা – প্রার্থিত ফল পাওয়া।
    47. ওষুধ করা – গুণ করা।
    48. ওষুধ পড়া – সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া।
    49. কচ্ছপের কামড় – যা সহজে ছাড়ে না।
    50. কলমি কাপ্তেন – দরিদ্র কিন্তু বিলাসী।
    51. কাক ভূষণ্ডি – সম্পূর্ণ ভেজা।
    52. কাটনার কড়ি – উপার্জন সামান্য।
    53. কায়েতের ঘরের ঢেঁকি – অপদার্থ লোক।
    54. কিম্ভূতকিমার – অদ্ভুত ও কুৎসিত।
    55. কাগুজে বাঘ – মিথ্যা জুজু।
    56. কাঁঠালের আমসত্ত্ব – অলীক বস্তু।
    57. কুমিরের সান্নিপাত – অসম্ভব ব্যাপার।
    58. কূপমণ্ডুক – ঘরকুনো / সীমাবদ্ধ জ্ঞান সম্পন্ন।
    59. কেউ কেটা – সামান্য।
    60. কেঁচো গণ্ডূষ – গোড়া থেকে শুরু।
    61. কলির সন্ধ্যা – দৌরাত্ম্যের শুরু।
    62. কূর্ম অবতার – অলস।
    63. কুনো ব্যাঙ – সীমিত জ্ঞান
    64. কুম্ভীরাশ্রু – লোক দেখানো কান্না/নকল সমবেদনা
    65. খামকাজ – ভুলকাজ।
    66. খাবি খাওয়া – ছটফট করা।
    67. খুঁটে খাওয়া – ¯ সাবলম্ভি হওয়া।
    68. গয়ংগচ্ছ – ঢিলেমি।
    69. গোকুলের ষাঁড় – স্বেচ্ছাচারী
    70. গণ্ডগ্রাম – বড়গ্রাম।
    71. গোঁয়ার গোবিন্দ – কাণ্ডজ্ঞানহীন মানুষ
    72. গলগ্রহ – পরের বোঝা হয়ে থাকা
    73. ঘাড়ে গর্দানে – অত্যনত্ম মোটা।
    74. ঘাড়ার কামড় – দৃঢ় পণ।
    75. ঘটিরাম – অপদার্থ
    76. চক্ষুদান করা – চুরি করা।
    77. চডুই পাখির প্রাণ – ক্ষীণজীবী লোক।
    78. চতুর্ভুজ হওয়া – উৎফুল্ল হওয়া।
    79. চাঁদের হাট – ধনেজনে পরিপূর্ণ সংসার।
    80. চাঁদ-কপালে – ভাগ্যবান।
    81. চোখের চামড়া / পর্দা – চক্ষুলজ্জা।
    82. চক্ষের পুতলি – আদরের ধন।
    83. চর্বিত চর্বণ – পুনরাবৃত্তি।
    84. ঢাকের বাঁয়া – অপ্রয়োজনীয়।
    85. চোরাবালি – প্রচ্ছন্ন আকর্ষণ
    86. ছামনি নাড়া – দৃষ্টি বিনিময়।
    87. ছাঁদনা তলা – বিবাহের মণ্ডপ।
    88. ছক্কা-পাঞ্জা – ইতঃস্তত করা/ বড় বড় কথা বলা।
    89. ছাঁদাবাঁধা – পুজোরপর বা ভোজবাড়ি থেকে ফেরার
    সময় চাঁদর বা গামছায় খাবার বেঁধে নেয়া
    90. জগদ্দল পাথর – গুরুভার।
    91. জেলঘুঘু – যে ব্যক্তি বারবার জেল খাটে
    92. ঝাঁকের কৈ – এক দলভুক্ত।
    93. ঝাড়ে বংশে – সবশুদ্ধ।
    94. টুপ ভুজঙ্গ – নেশায় বিভোর।
    95. টেণ্ডাই মেণ্ডাই – আস্ফালন।
    96. টেঁকে গোঁজা – আত্মসাৎ করা।
    97. ঠাটঠমক – হাবভাব, চালচলন
    98. ডুমুরের ফুল – অদর্শনীয়।
    99. ডামাডোল – গোলযোগ।
    100. ডাকাবুকো – দুঃসাহসী
    101. ঢেঁকির কুমির – অপদার্থ।
    102. ঢেঁকি অবতার – নির্বোধ লোক।
    103. ঢেঁকির কচকচি – বিরক্তিকর কথা।
    104. ঢাকের কাঠি – তোষামুদে।
    105. ঢাকের বায়া – অপ্রয়োজনীয়।
    106. ঢুলুঢুলু – তন্দ্রালুতা
    107. তামার বিষ – অর্থের কুপ্রভাব।
    108. নবমীর পাঁঠা – প্রাণ ভয়ে ভীত ব্যক্তি।
    109. তাসের ঘর – ক্ষণস্থায়ী।
    110. তেল নুন লকড়ি – মৌলিক প্রয়োজন।
    111. তীর্থের কাক – প্রতীক্ষারত।
    112. তুর্কি নাচন – নাজেহাল অবস্থা।
    113. তুলসী বনের বাঘ – সুবেশে দুর্বৃত্ত।
    114. ত্রাহি ত্রাহি – পরিত্রাণ কর বলে চিৎকার
    115. তরবেতর – নানারকম
    116. থাউকি বেলা – বিকালবেলা
    117. দড়ি কলসি – আত্মহত্যার উপায়।
    118. দোজবরে – দ্বিতীয়বার যে ছেলে বিয়ে করতে চায়।
    119. দড়বড়ে – তাড়াহুড়ো
    120. দবকানো – ওপরে ভার চাপানো/উপর থেকে চাপ
    দেয়া
    121. দশবাই চণ্ডী – অত্যনত্ম রাগী স্ত্রীলোক
    122. দাঁদুড়ে – অত্যন্ত/দুর্দান্ত
    123. দাতাকর্ণ – অত্যন্ত উদার ও দানশীল
    124. দায়-দৈব – ছোট বড় সমস্যা
    125. দেবদ্বিজ মানা – ধর্মে বিশ্বাস থাকা
    126. দোপড়া – এক জায়গায় বিয়ে স্থির হওয়ার পরে
    কিংবা
    127. দক্ষযজ্ঞ ব্যাপার – বিরাট সমারোহ
    128. ধর্মের কল – সত্য।
    129. ধামাধরা – তোষামোদকারী।
    130. ধোপে টেকা – পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া।
    131. ধোপার গাধা – পরের জন্য খাটা।

    132. ধর্মের ষাঁড় – যথেচ্ছাচারী।
    133. ধিনিকেষ্ট – দায়িত্বপালনহীন ব্যক্তি
    134. ধোঁকার টাটি – প্রতারণার উপরের আবরণ
    135. ধোপার গাধা – ভারবাহী
    136. ধড়িবাজ – ধূর্ত ও ফন্দিবাজ
    137. ধোপার ভাঁড়ার – প্রচুর জিনিসপত্র যা ব্যবহার করা
    যাবে না
    138. নয়-দুয়ারি – দ্বারে দ্বারে।
    139. নারদের ঢেঁকি – বিবাদের বিষয়।
    140. নগদ নারায়ণ – নগদ অর্থ।
    141. নিরানবক্ষইয়ের ধাক্কা – সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি, টাকা
    জমানোর প্রবৃত্তি।
    142. ননির পুতুল – সহজে কাতর, আদরে দুলাল।
    143. নন্দভৃঙ্গী – অত্যন্ত আদুরে, অকর্মণ্য
    144. ননদী ভুলী – কুকর্মের সঙ্গী

  • উপাচার্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা শিক্ষকদের শাস্তির পাঁয়তারা

    উপাচার্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা শিক্ষকদের শাস্তির পাঁয়তারা

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য প্রফেসর ড. এসএম ইমামুল হকের অপসারণ দাবিতে আন্দোলন করা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের শাস্তি দেয়ার পাঁয়তারা চলছে।

    উপাচার্য ড. এসএম ইমামুল হক ছুটিতে থাকাকালীন ১৮ এপ্রিল তার স্বাক্ষরে কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবিধাবাদী লোকদেরকে পদোন্নতি দেয়া হয়। তাই আগামী ২৭ মে ছুটি থেকে ফিরে সিন্ডিকেট সভা ডেকে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে যাতে কোনো ব্যবস্থা না নেয়া হয় সেজন্য কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এ কে এম মাহবুব হাসানের কাছে ২৮ দফা দাবি উত্থাপন করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় ২৮ দফা দাবির সঙ্গে এসব বিষয় উপাচার্যকে অবহিত করা হয়।

    barishal-universi

    বর্তমান উপাচার্য ড. এ কে এম মাহবুব হাসান শিক্ষার্থীদের ২৮টি যৌক্তিক দাবির মধ্যে কিছু দাবি পূরণ করার সিদ্ধান্ত নেন। বাকি দাবিগুলো ছাত্র-শিক্ষকদের সমন্বয়ে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

    শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- স্নাতক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ফল আসার আগেই স্নাতকোত্তরের ক্লাস শুরু করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর ভর্তি কার্যক্রম শেষ হওয়ার এক মাসের মধ্যে মেশিন রিডেবল আইডি কার্ড, হেলথ কার্ড , লাইব্রেরি কার্ড দিতে হবে। বিদ্যমান ব্যাচগুলোর মধ্যে ১৫ দিনের মধ্যে সবাইকে আইডি কার্ডসহ এ সুবিধা দিতে হবে। সেমিস্টার ফি কমাতে হবে। মাস্টার্সের ভর্তি ফি কমিয়ে ৫ হাজার টাকা করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ভর্তি ফি সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা, সর্বনিম্ন ফি এ মার্কসিট উত্তোলনের ব্যবস্থা করতে হবে, ল্যাব ফি ২৫০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৫০০ টাকা করতে হবে এবং ল্যাব সুবিধা বাড়াতে হবে।

    barishal-universi

    শিক্ষার্থীরা জানান, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীদের টানা ৩৫ দিনের আন্দোলনের মাথায় উপাচার্য এসএম ইমামুল হককে তার মেয়াদকাল পর্যন্ত বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ট্রেজারার অধ্যাপক এ কে এম মাহবুব হাসানকে তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে উপাচার্যের দায়িত্ব দেয়া হয়। ২৬ মে পর্যন্ত বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠালেও তিনি ২৭ মে একদিন তার মেয়াদ থাকায় সেদিন সিন্ডিকেট মিটিং ডেকে আন্দোলনের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দেয়ার পাঁয়তারা করছেন। এ কারণে উপাচার্য ইমামুল হক ছুটিতে থাকাকালীন গত ১৮ এপ্রিল তার স্বাক্ষরে কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবিধাবাদী লোকদেরকে পদোন্নতি দেয়া হয়।

    এ বিষয়ে ছুটিতে থাকা উপাচার্য প্রফেসর ড. এসএম ইমামুল হকের মোবাইলে বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

  • সেইভ ডিজিটাল স্পেস ক্যাম্পেইন

    সেইভ ডিজিটাল স্পেস ক্যাম্পেইন

    স্টাফ রিপোর্টার//কায়ুম খান:

    আজ ১১ মে শনিবার ইয়ুথ ফর চেইঞ্জ এর আয়োজনে ৭১ এর চেতনা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখার সহযোগিতায় বরিশাল রাজধানী নার্সিং কলেজে অনুষ্ঠিত হল সেইভ ডিজিটাল স্পেস নামক ক্যাম্পেইন।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    উক্ত ক্যাম্পেইনে অংশ গ্রহন করেন, রাজধানী নার্সিং কলেজের প্রায় ১১০ জন ছাত্র ছাত্রী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দা মাহফুজা মিষ্টি, ইয়ুথ এনগেজমেন্ট টিম বরিশাল,ইয়ুথ ফর চেইঞ্জ। আনজুম হোসেন রিমন, বরিশাল ডিভিশনাল মেম্বার,ইয়ুথ ফর চেইঞ্জ।ফজলে রাব্বি, বরিশাল ডিভিশনাল মেম্বার,ইয়ুথ ফর চেইঞ্জ।তৌসিফ ইসলাম শাওন, বরিশাল ডিভিশনাল মেম্বার, ইয়ুথ ফর চেইঞ্জ।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন,বাহাউদ্দীন গোলাপ,সহকারী রেজিস্ট্রার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। আরো উপস্থিত ছিলেন,রাজধানী নার্সিং কলেজের উপদেষ্টা বিশিষ্ট সাংবাদিক সাইফুর রহমান মিরন। সুদীপ কুমার নাথ, একাডেমিক ডিরেক্টর, ফারজানা আক্তার,প্রভাষক।

    ফাইল ছবি।

    সেইভ ডিজিটাল স্পেস এর উপর বক্তব্য রাখেন, তৌসিফ ইসলাম শাওন এবং ফজলে রাব্বি।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    সৈয়দা মাহফুজা মিষ্টি বলেন, ইয়ুথ ফর চেইঞ্জ বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে ২০১৫ সালে। বর্তমানে ইয়ুথ ফর চেইঞ্জ যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশ এবং তানজানিয়া তে কাজ করে।

    তিনি আরো বলেন, শুধু মাত্র সঠিক তথ্যজ্ঞানের অভাব বা সচেতনতার অভাবে আমরা বিভিন্ন সময় ভার্চুয়ালি নানা বিপদে পরি, এ ধরনের বিপদ থেকে নিরাপদ থাকার জন্য সচেতনতা এবং ভার্চুয়াল জগতের সঠিক ব্যবহার শেখানোর জন্যই সেইভ ডিজিটাল স্পেস।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    ছবি: শাওন অরন্য।

  • রাজধানী ম্যাটস এর ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হল সেইভ ডিজিটাল স্পেস ক্যাম্পেইন

    রাজধানী ম্যাটস এর ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হল সেইভ ডিজিটাল স্পেস ক্যাম্পেইন

    স্টাফ রিপোর্টার//কায়ুম খান:

    বরিশাল রাজধানী ম্যাটস এর ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হল সেইভ ডিজিটাল স্পেস নামক ক্যাম্পেইন। আয়োজনে ছিল ইয়ুথ ফর চেইঞ্জ। সহোযোগিতায় ছিল ৭১ এর চেতনা, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দা মাহফুজা মিষ্টি, ইয়ুথ এনগেজমেন্ট টিম বরিশাল,ইয়ুথ ফর চেইঞ্জ। আনজুম হোসেন রিমন, বরিশাল ডিভিশনাল মেম্বার,ইয়ুথ ফর চেইঞ্জ।ফজলে রাব্বি, বরিশাল ডিভিশনাল মেম্বার,ইয়ুথ ফর চেইঞ্জ।তৌসিফ ইসলাম শাওন, বরিশাল ডিভিশনাল মেম্বার, ইয়ুথ ফর চেইঞ্জ।মোঃ কামরুল হোসেন,সভাপতি ৭১ এর চেতনা, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এবং মো. মাঝহারুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক, ৭১ এর চেতনা, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ড. স্বপন কুমার মিত্র, অধ্যক্ষ রাজধানী ম্যাটস, বরিশাল। আরো উপস্থিত ছিলেন,রাজধানী ম্যাটস এর কোর্স কোর্স-সমন্বয়কারি মানস কুমার নাথ,মোসাঃ কুলসুম জাহান,প্রভাষক।মো.মাঝহারুল ইসলাম,প্রভাষক।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    এ ক্যাম্পেইনে রাজধানী ম্যাটস এর প্রায় ৯৫ জন ছাত্র ছাত্রী অংশ গ্রহন করে। সেইভ ডিজিটাল স্পেস এর উপর বক্তব্য রাখেন তৌসিফ ইসলাম শাওন এবং ফজলে রাব্বি।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    সৈয়দা মাহফুজা মিষ্টি বলেন, ইয়ুথ ফর চেইঞ্জ বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে ২০১৫ সালে। বর্তমানে ইয়ুথ ফর চেইঞ্জ যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশ এবং তানজানিয়া তে কাজ করছে। তিনি আরো বলেন, আমরা চাই তরুন সমাজ ভার্চুাল জগতেও যেন নিরাপদ থাকে। শুধু মাত্র সঠিক তথ্যজ্ঞানের অভাব বা সচেতনতার অভাবে আমরা বিভিন্ন সময় ভার্চুয়ালি নানা বিপদে পরি, এ ধরনের বিপদ থেকে নিরাপদ থাকার জন্য সচেতনতা এবং ভার্চুয়াল জগতের সঠিক ব্যবহার শেখানোর জন্যই সেইভ ডিজিটাল স্পেস।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    রাজধানী ম্যাটস এর অধ্যক্ষ ড. স্বপন কুমার মিত্র বলেন, সেইভ ডিজিটাল স্পেস একটা চমৎকার উদ্যোগ ইয়ুথ ফর চেইঞ্জ এর। এর ফলে সাইবার ক্রাইম অনেক অংশে কমে যাবে। তিনি এই উদ্যোগের জন্য ইয়ুথ ফর চেইঞ্জকে ধন্যবাদ জানান।

  • বরিশালে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে প্রধান শিক্ষকের যৌন নির্যাতন

    বরিশালে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে প্রধান শিক্ষকের যৌন নির্যাতন

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের মামলায় ধামসর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুক্তাল হোসেন হাওলাদারকে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

    শনিবার বিকেলে উজিরপুর থানা পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করে। এ সময় আদালত মুক্তাল হোসেন হাওলাদারের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগার পাঠান। এর আগে সকালে উপজেলা চত্বর থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    উজিরপুর মডেল থানা পুলিশের ওসি শিশির কুমার পাল বলেন, ২ মে স্কুল চলাকালীন প্রধান শিক্ষক মুক্তাল হোসেন চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করেন। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে শনিবার থানায় মামলা করেন।

    মামলায় উল্লেখ করা হয়, প্রধান শিক্ষক মুক্তাল হোসেন হাওলাদার চতুর্থ শ্রেণির সমাজ বিজ্ঞান ক্লাস নেয়ার সময় ওই ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করেন। ছাত্রীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত দেন। ঘটনাটি কাউকে জানালে স্কুল থেকে ছাত্রীর নাম কেটে দেয়ার হুমকি দেন প্রধান শিক্ষক মুক্তাল হোসেন। এ ঘটনার পর ওই ছাত্রী ভয়ে চুপ থাকে। ৯ মে ওই ছাত্রীর মন খারাপ দেখে স্বজনরা কারণ জিজ্ঞেস করেন। একপর্যায়ে স্বজনদের কাছে যৌন নির্যাতনের কথা বলে দেয় ছাত্রী।

    শিক্ষার্থীর বাাবা বিষয়টি জানতে পেরে ওই দিনই (৯ মে) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১০ মে উভয়পক্ষকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত করে জবানবন্দি নেয়া হয়। ওই দিন দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুমা আক্তার, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কাজী ইসরাত জাহান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুমা আক্তার বলেন, প্রাথমিকভাবে তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। তাই ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিভাবককে আইনের আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।

    এদিকে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুক্তাল হোসেন হাওলাদারের স্বজনরা পুরো বিষয়টিকে ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করে বলেছেন, স্কুলের নিয়ন্ত্রণ নিতে একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে নানা ষড়যন্ত্র করে আসছে। এর আগেও প্রধান শিক্ষক মুক্তাল হোসেন হাওলাদারকে ফাঁসানোর চেষ্টা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় যৌন নিপীড়নের মিথ্যা নাটক সাজিয়েছে ষড়যন্ত্রকারীরা।

  • প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন পূরণ করবে তোমরা: বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন পূরণ করবে তোমরা: বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী এমন একজন, যিনি সর্বকালের সেরা বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। সেই সঙ্গে নিজের এবং তার পরের প্রজন্ম অর্থাৎ সজীব ওয়াজেদ জয় ভাইয়ের দেখা ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণেও কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন পূরণ এমনি হয়ে যাবে না। তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে তোমাদের।

    উদ্যোক্তা খুঁজে বের করার সর্বোচ্চ আয়োজন ‘স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ: চ্যাপ্টার ওয়ান’ এর বিশ্ববিদ্যালয় পর্বের ওয়ার্কশপে বুধবার বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি এ কথাগুলো বলেন।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে হওয়া এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ। আরও ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. একেএম মাহবুব হাসান, প্রোক্টর ও উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সুব্রত কুমার মণ্ডল, আইসিটি ডিভিশনের আইডিয়া প্রকল্প কনসালটেন্ট মো. আরাফাত হোসেন, ইয়াং বাংলার স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ চেপ্টার ওয়ানের পাবলিক রিলেশন অফিসার এস এম আমানূর রহমান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ। বিশ্ববিদ্যালয়ে এই আয়োজনে ছিলো ইয়াং বাংলার ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর রুদ্র দেবনাথ।

    উদ্ভাবনী ভাবনা, উদ্যোগ ও স্টার্টআপকে ব্যবহার করার লক্ষ্যে ‘আমার উদ্ভাবন, আমার স্বপ্ন’ স্লোগানে আলোকিত হয়ে ৮ মার্চ কেন্দ্রীয় সমন্বয় কর্মশালার মাধ্যমে শুরু হয় ‘স্টুডেন্ট টু স্টার্টআাপ: চেপ্টার ওয়ান’ এর যাত্রা।

    দেশের ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে পরিচালিত হচ্ছে ‘স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ: চেপ্টার ওয়ান’ প্রতিযোগিতা। নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকেও অংশ নিতে পারবে শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাস পর্যায়ের এ প্রতিযোগিতায় প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাছাই করা হবে ৩টি দল। ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২০ দল নিয়ে সাভারে অনুষ্ঠিত হবে ‘জাতীয় স্টার্টআপ ক্যাম্প’। পরবর্তীতে দর্শক এবং বিচারকদের ভোটে বাছাই করা হবে মূল প্রতিযোগিতার শীর্ষ ৩০ স্টার্টআপ। সর্বশেষে জাতীয় পর্যায়ে সেরা ১০ উদ্ভাবনী ভাবনা বা স্টার্টআপ নির্বাচন করা হবে যাদের সব ধরণের সহায়তা প্রদান করবে ‘আইডিয়া’ প্রজেক্ট।

    ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আইসিটি বিভাগের ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ একাডেমি (আইডিয়া) প্রজেক্ট এবং দেশের তরুণদের জন্য সবচেয়ে বড় প্লাটফর্ম ইয়াং বাংলার যৌথ উদ্যোগে শুরু হওয়া এই স্টার্টআপ প্রতিযোগিতার প্রথম অধ্যায় ৪০ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলেও পরবর্তী অধ্যায়ে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়েও এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।

  • বরিশালে গণিতে ফেল করে ছাত্রীর আত্মহত্যা, আরেক ছাত্রীর চেষ্টা

    বরিশালে গণিতে ফেল করে ছাত্রীর আত্মহত্যা, আরেক ছাত্রীর চেষ্টা

    এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় বরিশালের মুলাদী উপজেলায় হেপি আক্তার নামে এক ছাত্রী ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। অন্যদিকে আগৈলঝাড়া উপজেলায় তারপিন খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে তামানা আক্তার নামের আরেক ছাত্রী।

    সোমবার বিকেলে বরিশালের দুই উপজেলায় পৃথক এ দুটি ঘটনা ঘটে।

    মুলাদী থানা পুলিশের পরিদর্শক সাইদ আহমেদ তালুকদার জানান, মুলাদী উপজেলার দক্ষিণ বালিয়াতলী গ্রামের মন্টু বেপারীর মেয়ে হেপি আক্তার ছবিপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল।

    ২০১৮ সালে এসএসসি পরীক্ষার সময় মা মারা যাওয়ায় হেপি আক্তার ৪ বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। ২০১৯ সালে সে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পুনঃরায় ফেল করায় হতাশ হয়ে পড়ে।

    সোমবার বিকেলে সবার অজান্তে ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

    অপরদিকে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের ওসি মো. আফজাল হোসেন জানান, এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় তামান্না আক্তার নামের এক ছাত্রী তারপিন খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। তামান্না ফুল্লশ্রী গ্রামের মৃত হান্নান ফকিরের মেয়ে ও শ্রীমতি মাতৃ মঙ্গল বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

    ওসি মো. আফজাল হোসেন জানান, এসএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে গণিতে ফেল দেখতে পেয়ে তামান্না ঘরে থাকা তারপিন খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা তাকে স্থানীয় একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিলে সেখান থেকে তাকে উপজেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। উপজেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তামান্নার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠায়।

  • রাজাপুরে নদীভাঙনের কবলে মঠবাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়

    রাজাপুরে নদীভাঙনের কবলে মঠবাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়

    বিষখালি নদীর ভাঙনে পড়েছে ঝালকাঠির রাজাপুরের মঠবাড়ী ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ইতোমধ্যে বিদ্যালয়ের পূর্বপাশের একটি কক্ষ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

    ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাঙন শুরু হয়। এতে হারিয়ে যেতে বসেছে ‘বাদুরতলা স্কুল’ নামে পরিচিত বিদ্যালয়টি।

    স্থানীয়রা বলেন, জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধ করা না গেলে যেকোনো সময় পুরো বিদ্যালয় ও পাশের জামে মসজিদ নদীগর্ভে চলে যাবে। এতে অনিশ্চিত হয়ে পড়বে বিদ্যালয়ের তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর লেখাপড়া।

    শিক্ষার্থীরা বলেন, বিদ্যালয়টি ভেঙে গেলে আমাদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই এটি রক্ষায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

    প্রধান শিক্ষক আইয়ুব আলী বলেন, বিদ্যালয়টি রক্ষার জন্য একাধিকবার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ব্লক বা বড় গাছের পাইলিং না হলে পুরো বিদ্যালয় ভবনটি নদীতে তলিয়ে যাবে।

    স্থানীয়রা বলেন, ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে পানি বেড়ে যাওয়ায় বর্ষা মৌসুমের আগেই বিষখালী নদীর বিভিন্ন স্থানে ভাঙন শুরু হয়েছে। তীব্র ভাঙনে বাদুরতলা লঞ্চ টার্মিনাল, বাদুরতলা বাজার ও আশপাশের এলাকার সড়ক, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে একাধিক বসতবাড়ি, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বাদুরতলা জামে মসজিদসহ বেশ কিছু স্থাপনা।

    মঠবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল সিকদার বলেন, বিদ্যালয় ও বিষখালির ভাঙনের বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই বিদ্যালয়টি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে জমি অধিগ্রহণের চেষ্টা করছি। অর্থাভাবে সেটাও সম্ভব হবে কি-না তা নিয়েও শঙ্কা রয়েছে।