Category: শিক্ষাঙ্গন

  • পটুয়াখালীতে নকল সরবরাহের অপরাধে যুবকের কারাদণ্ড, পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

    পটুয়াখালীতে নকল সরবরাহের অপরাধে যুবকের কারাদণ্ড, পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

    অনলাইন ডেস্ক:

    চলমান উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ইংরেজি প্রথমপত্রে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে ও অপর একজনকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    শনিবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে পটুয়াখালী সরকারি কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

    এসময় তানিয়া ইসলাম নামে এক পরীক্ষার্থী প্রশ্ন বাইরে পাঠানোর অপরাধে তাকে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কার হওয়া শিক্ষার্থী পটুয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়।

    এদিকে নকল সরবরাহের চেষ্টা ও পাবলিক পরীক্ষা আইন ভঙ্গের অপরাধে মাহমুদ হাসান মিঠু (২৫) নামে যুবককে এক আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ওই যুবককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    পটুয়াখালী সদর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ওয়াসিম বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত মিঠুকে কেন্দ্রে ঢুকে নকল সরবরাহ করার সময় হাতেনাতে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ ইংরেজি প্রশ্নপত্র পাওয়া যায়।

    জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • বরিশাল পলিটেকনিক কলেজে বহিরাগতদের হামলা, আহত ৬

    বরিশাল পলিটেকনিক কলেজে বহিরাগতদের হামলা, আহত ৬

    অনলাইন ডেস্ক:

    আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বরিশাল সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের ওপর বহিরাগতদের হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে শিক্ষকদের দাবি ছাত্রদের দুই গ্রুপের মধ্যে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

    এ ঘটনায় ছয়জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে শিক্ষার্থীরা, আহত ছয়জনের মধ্যে রাব্বী গাজী নামে শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    এদিকে হামলার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছে।

    শনিবার (৬ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ১টার দিকে নগরের বটতলা এলাকায় সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ক্যাম্পাসে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

    আহতরা ছয় শিক্ষার্থীরা হলেন- বরিশাল সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রনিক্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রাব্বী গাজী, সৈয়দ সাহরুল শান্ত, তানভীর, ট্যুরিজম বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র ওমর, নাঈমুল ইসলাম ও মাহিন।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত শিক্ষার্থীরা জানান, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র সৈয়দ সাহরুল শান্ত, রাব্বি ও তানভির ক্লাস শেষে হোস্টেলে যাচ্ছিলেন। এ সময় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সাবেক ছাত্র ও বহিরাগত ছাত্রলীগ নেতা সাজ্জাদ হোসেন শান্ত ও রাফিসহ ১০ থেকে ১২ জন বহিরাগত ক্যাম্পাসে ঢুকে ওই তিন শিক্ষার্থীকে ডেকে এনে মারধর করেন। এর প্রতিবাদ করেন ওই ছাত্রদের সহপাঠীরা। এমনকি তারা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রোমেডিক্যালের চিফ ইন্সট্রাক্টর আনিসুর রহমানের কাছে বিচার দিতে যান।

    এ সময় শিক্ষক আনিসুর তাদের অভিযোগ না শুনে বহিরাগতদের পক্ষ নিয়ে ওমর ও নাঈমলকে পিটিয়ে আহত করে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    এ বিষয়ে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রোমেডিক্যালের চিফ ইন্সট্রাক্টর আনিসুর বলেন, বহিরাগত নয়, বরং ক্যাম্পাসে ছাত্রদের মধ্যে একটু ঝামেলা হয়েছে। ছাত্ররা মহিন নামে এক শিক্ষার্থীকে মারধর করে। ভয়ে মহিন দৌড়ে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ছাত্রাবাসের একটি কক্ষে পালিয়ে থাকে। পরে আমি ওই ছাত্রাবাস থেকে মহিনকে উদ্ধার করি।

    তিনি বলেন, সাজ্জাদ নামে আমাদের সাবেক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা ভিত্তিহীন। ঝামেলা সাজ্জাদের সঙ্গে নয়, ছাত্ররা নিজেরাই ঝামেলা করেছে। আমি তাদের থামাতে গেলে শিক্ষার্থীদের একপক্ষ আমার সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। তবে হামলার অভিযোগ সত্য নয়।

    বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থী ও বহিরাগতদের মধ্যে একটু ঝামেলা হয়েছে। এর জের ধরে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসির পদত্যাগ দাবিতে অনশনে শিক্ষার্থীরা

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসির পদত্যাগ দাবিতে অনশনে শিক্ষার্থীরা

    নিউজ ডেস্ক:

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. এসএম ইমামুল হকের পদত্যাগ দাবিতে প্রতীকী অনশনে বসেছেন শিক্ষার্থীরা।

    শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি শুরু করেন তারা। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অনশন চলবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

    অনশনরতরা জানান, ভিসির পদত্যাগ দাবিতে ১১তম দিনের মতো আন্দোলন করছেন তারা। গত ১ এপ্রিল জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কাছে তারা স্মারকলিপি দেন। এরপর সোমবার ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন। বুধবার বেলা ২টায় ওই আল্টিমেটাম শেষ হয়। তবে ওই সময়ের মধ্যে ভিসি পদত্যাগ না করায় তদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

    শিক্ষার্থীরা জানান, এর আগে প্রতিদিনের মতো শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ক্যাম্পাসে একাডেমিক ভবনের প্রশাসনিক শাখার সামনে জড়ো হন তারা। পরে তারা বেলা ১১টার দিকে ভিসির পদত্যাগ দাবিতে প্রতীকী অনশন শুরু করেন।

    তারা আরও জানান, যতদিন তাদের দাবি অনুযায়ী ভিসি পদত্যাগ না করবেন-ততদিন তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। তারা তাদের আন্দোলন থেকে কোনোভাবেই সরে আসবেন না। প্রয়োজনে আন্দোলন আরও কঠোর করা হবে।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বৈকালিক চা চক্র ও আলোচনা অনুষ্ঠানে’ শিক্ষার্থীদের আমন্ত্রণ না জানানোয় এবং তাদের খাবার প্যাকেট না দেয়ায় অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে প্রতিবাদ জানান শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অপর একটি অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান পণ্ডু করার চেষ্টাকারীদের ‘রাজাকারের বাঁচ্চা’ বলেন উপাচার্য। উপাচার্যের ওই উক্তির প্রতিবাদে এবং ওই মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে পরদিন ২৭ মার্চ সকাল থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

    barishal-university-2

    ছবি: সংগ্রহ।

    ওইদিন আরও কিছু দাবি যুক্ত করে ১০ দফা দাবি আদায়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য আন্দোলনের শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এমন পরিস্থিতিতে ছাত্র আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করতে ২৭ মার্চ রাত ৩টার দিকে উপাচার্য তার একক ক্ষমতাবলে ২৮ মার্চ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ এবং ওইদিন (২৮ মার্চ) বিকেল ৫টার মধ্যে সব আবাসিক শিক্ষার্থীকে হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়। ২৭ মার্চ রাত ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মো. হাসিনুর রহমান স্বাক্ষরিত এক নোটিশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের হলত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের হলত্যাগের নির্দেশের ঘটনায় আরও ক্ষুব্ধ হন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। কর্তৃপক্ষের নির্দেশ উপেক্ষা করে ২৮ মার্চ (বৃহস্পতিবার) আবাসিক শিক্ষার্থীরা হল ত্যাগ না করে স্ব-স্ব হলেই অবস্থান নেন। একই সঙ্গে ভিসির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

    এদিকে শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এস এম ইমামুল হক। গত ২৯ মার্চ রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভিসি প্রফেসর ড. এস এম ইমামুল হকের উদ্ধৃতি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ রুমি স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো ই-মেইল বার্তায় এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করা হয়।

    এ ছাড়া গত মঙ্গলবার দুপুরে উপচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. এসএম ইমামুল হক বিবৃতি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান পরিস্থিতি নিরসনে বরিশালের রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষানুরাগী, সুশীল সমাজ, স্থানীয় প্রশাসন, গণমাধ্যমসহ সমগ্র সচেতন বরিশালবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

    অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে কোনো ধরনের অনাকঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় ও তার আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

  • জালিয়াতির শাস্তি পেলেন হাতেম আলী কলেজ অধ্যক্ষ সচীন

    জালিয়াতির শাস্তি পেলেন হাতেম আলী কলেজ অধ্যক্ষ সচীন

    অনলাইন ডেস্ক:

    বয়স জালিয়াতি করে অতিরিক্ত দুই বছর চাকরি করা সরকারী সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সচীন কুমার রায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    তার পেনশন হতে দুই বছরের টাকা কর্তনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। যদিও তিনি জালিয়াতি করে অতিরিক্ত দুই বছর চাকরিতে বহাল ছিলেন। কিন্তু গুরু পাপে লঘু শাস্তি পেয়েছেন তিনি।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সোহরাব হোসাইন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে ‘বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা প্রফেসর সচীন কুমার রায় (অধ্যাপক ইতহাস), অধ্যক্ষ সরকারী সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের অধ্যক্ষর বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে জন্ম তারিখ পরিবর্তন করার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণ হওয়ায় সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল ) বিধিমালা ১৯৮৫ এর ৩(বি) ৩(ডি) মোতাবেক “অসধাচরণ” ও “দুর্নীতি” এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়। তাকে কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদান করা হলে তিনি ব্যক্তিগত শুনানীর আবেদন করেন।

    ২০১৮ সালের ৩ মে ব্যক্তিগত শুনানী গ্রহণ করা হয়। শুনানীকালে তিনি যুক্তিসংগত কারণ তথ্য/উপাথ্য উপস্থাপন করতে পারেননি।

    পরবর্তীতে এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হলে সেখান থেকে জানানো হয় সচীন কুমার রায়ের চাকরিতে আবেদনের সময় জন্ম তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৮ ঘোষণা করায় বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস পার্ট-১ এর বিধি ৯ অনুযায়ী জন্ম তারিখ পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই।

    তার জন্ম তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৬০ অনুযায়ী ২০১৯ সালের ৩১ জানুয়ারি তিনি পিআর এল গমন করেছেন।সার্বিক বিবেচনায় প্রকৃত জন্ম তারিখ হিসেব করে অতিরিক্ত দুই বছরের বেতন ভাতাদি বাবদ গৃহীত সমুদয় অর্থ পেনশন হতে কর্তনপূর্বক বিভাগীয় মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয় বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সচীন কুমার রায় ৭ম বিসিএস দিয়ে চাকরিতে যোগ দেন ১৯৮৭ সালে। যোগদানের সময় সকল কাগজপত্র অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৮ সাল। এভাবে চলে আসছিল দীর্ঘদিন। হঠাৎ করে তার জন্ম তারিখ নিয়ে ঘটে তেলেসমাতি ঘটনা। অর্থাৎ তার বয়স ২ বছর কমে যায়।

    ২৭ বছর পর ২০১৪ সালে সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক হওয়ার পর জন্ম তারিখ নিয়ে এই কেলেঙ্কারি ঘটনা ধরা পড়ে।

    পদোন্নতি পাওয়া কাগজপত্রে দেখা যায়, তার জন্ম তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৮ থেকে ২ বছর কমে হয়েছে ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৬০ সাল।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তার বয়স আগেই কমানো হলেও মন্ত্রণালয় তা সংশোধন করেছে সম্প্রতি। গেল বছর অবসরে যাওয়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব যার স্ত্রী সচীন কুমারের চাকরির ব্যাচমেট। সেই সূত্র ধরে তিনি যখন ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্ব পান তখন তার ফাইলটি অনুমোদন করিয়ে দেন।

    এরপর থেকে এটি নিয়ে মন্ত্রণালয়, মাউশি এবং সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে তোলপাড় শুরু হয়। সরকারি চাকরিতে এফিডেভিট (বয়স কমানোর দালিলিক প্রমাণ) গ্রহণযোগ্য নয়।এটা জেনে তিনি চাকরিতে যোগদানের পর বয়স কমিয়েছেন। অর্থাৎ তিনি অতিরিক্ত আরও দুই বছর চাকরি করছেন।

    এ ছাড়া তিনি যে প্রক্রিয়ায় বয়স কমিয়েছেন পুরোটাই সন্দেহজনক ছিল। প্রথমত এসএসসি থেকে এইচএসসি পর্যন্ত বোর্ড একজন শিক্ষার্থীর বয়স নির্ধারণ করে ১৪ থেকে ২০ বছর। এর মধ্যে কেউ যদি বয়স কমানোর আবেদন করে সেখানে সর্বোচ্চ ১ থেকে ১১ মাস পর্যন্ত কমানো হয়।

    এর বেশি হলে সকল কাগজপত্র থাকার পরও বাতিল বলে ধরে নেয়া হয়। দ্বিতীয়ত, ওই কর্মকর্তা এসএসসি, এইচএসসি, স্নাতক পাস করার পর বিসিএস পরীক্ষা অংশগ্রহণ করেন এবং চাকরিতে যোগদান করেন। বয়স কমাতে এই দীর্ঘসময় লাগার কথা নয়।

    তা ছাড়া চাকরিতে এফিডেভিট শর্ত জুড়ে দেয়া ছিল। তৃতীয়ত, তার বয়স কমার পর তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়, হিসাবরক্ষক (এজি) অফিস তা গ্রহণ করতে হবে।

  • রক্ত দিয়ে ভিসির পদত্যাগ দাবি শিক্ষার্থীদের

    রক্ত দিয়ে ভিসির পদত্যাগ দাবি শিক্ষার্থীদের

    বেঁধে দেয়া ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম শেষ হওয়ার পরও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য পদত্যাগ না করায় নিজেদের রক্ত দিয়ে দেয়াল লিখন করেছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

    ববি উপাচার্য ড. এসএম ইমামুল হকের পদত্যাগ দাবিতে স্বেচ্ছায় রক্ত দিয়ে দেয়াল লিখনের এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। টানা আন্দোলনের নবম দিনের মাথায় বুধবার বেলা আড়াইটায় নিজেদের শরীরের রক্ত দিয়ে দেয়াল লিখনের এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

    বেলা আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে এ কর্মসূচি শুরু হয়। লাইনে দাঁড়িয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী স্বেচ্ছায় রক্ত দেন। এরপর সেই রক্ত দিয়ে পদত্যাগ দাবি জানিয়ে দেয়াল ও ব্যানার লেখা হয়।

    একাডেমিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা এক এক করে রক্ত দিতে থাকেন। সেই রক্ত দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়ালে ভিসির পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান লেখা হয় এবং ক্যাম্পাসজুড়ে পোস্টারিং করা হয়।

    barishal-Writing1

    এর আগে প্রতিদিনের মতো সকাল ১০টায় ক্যাম্পাসে একাডেমিক ভবনের প্রশাসনিক শাখার সামনে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। ববি ভিসির পদত্যাগের এক দফা দাবিতে সেখানে স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।

    গত ১ এপ্রিল জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি দেন তারা। এর পরপরই ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন তারা।

    বুধবার বেলা ২টায় আলটিমেটামের সময় শেষ হয়। আলটিমেটামের সময় শেষ হলেও ভিসি পদত্যাগ না করায় এ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। ভিসি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা।

    barishal-Writing1

    স্থানীয় সূত্র জানায়, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোচনা অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের আমন্ত্রণ না দেয়া এবং তাদের খাবার প্যাকেট না দেয়ায় অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে প্রতিবাদ জানান শিক্ষার্থীরা।

    এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অপর একটি অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান পণ্ড করার চেষ্টাকারীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলেন উপাচার্য। উপাচার্যের এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে এবং বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে ২৭ মার্চ সকাল থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

    ওইদিন আরও কিছু দাবি যুক্ত করে ১০ দফা দাবি আদায়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য আন্দোলন শুরু করেন তারা। এ পরিস্থিতিতে ছাত্র আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করতে ২৭ মার্চ রাত ৩টার দিকে উপাচার্য তার একক ক্ষমতাবলে ২৮ মার্চ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। একই সঙ্গে ২৮ মার্চ বিকেল ৫টার মধ্যে আবাসিক শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেন।

    barishal-Writing1

    বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের হলত্যাগের নির্দেশের ঘটনায় আরও ক্ষুব্ধ হন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। কর্তৃপক্ষের নির্দেশ উপেক্ষা করে ২৮ মার্চ আবাসিক শিক্ষার্থীরা হল ত্যাগ না করে হলেই অবস্থান নেন। একই সঙ্গে ভিসির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন।

    এদিকে শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. এসএম ইমামুল হক।

    মঙ্গলবার দুপুরে উপাচার্য ইমামুল হক বিবৃতি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান পরিস্থিতি নিরসনে বরিশালের রাজনৈতিক ব্যক্তি, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষানুরাগী, সুশীল সমাজ, স্থানীয় প্রশাসন ও গণমাধ্যমসহ সচেতন বরিশালবাসীর সহযোগিতা চান।

    barishal-Writing1

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. আল-আমিন বলেন, এখন আর পাঁচ দফা বা ১০ দফা নয়, এখন একটাই দাবি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ। ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম শেষ হলেও পদত্যাগ করেননি ভিসি। তিনি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব আমরা।

    তবে ভিসি ড. এসএম ইমামুল হক বলেছেন, কোনো অবস্থাতে পদত্যাগের প্রশ্নই আসে না। শিগগিরই একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করা হবে।

  • ফ্রি টেলিটক সিম “মায়ের হাসি” বিতরণ

    ফ্রি টেলিটক সিম “মায়ের হাসি” বিতরণ

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য:

    গতকাল ০২ এপ্রিল সকাল ১১টায় ঠাকুরগাও সদর উপজেলার ১২৭ নং গড়েয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে সকল ছাত্র/ছাত্রীর অভিভাবকদের মাঝে বিনামূল্যে ২৩২টি টেলিটক মোবাইল সিম বিতরণ করা হয়।

    সিমের নাম “মায়ের হাসি”। বিনামূল্যে সিম বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এর ঠাকুরগাঁও জেলা ডিস্ট্রিবিউটর ও দৈনিক আলোর কন্ঠের সম্পাদক মোঃ রবিউল ইসলাম (রুবেল),প্রধান শিক্ষক মোঃ মোরশেদুল ইসলাম ( মানিক),স্কুলের সভাপতি আলহাজ্ব মজিবুর রহমান মাষ্টার,গড়েয়া ইউনিয়নের সাবেক যুবলীগ সভাপতি মোঃ রসেল আনোয়ার সহ স্থানীয় গন্যমান ব্যক্তি বর্গ।

    মায়ের হাসি টেলিটক সিম ফ্রী পেয়ে অভিভাবকরা অনকে আনন্দিত এবং বর্তমান সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ডাকসু নেতাদের একাত্মতা

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ডাকসু নেতাদের একাত্মতা

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের সঙ্গে আকত্মতা প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।

    মঙ্গলবার রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের সঙ্গে আকত্মতা প্রকাশ করে নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দেন তিনি।

    পোস্টে গোলাম রাব্বানী বলেন, শিক্ষার্থীদের সকল নৈতিক এবং যৌক্তিক দাবির সঙ্গে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছি।

    এর আগে ফেসবুকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের সঙ্গে আকত্মতা প্রকাশ করেন ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক রাশেদ খান।

    এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য মাহমুদুল হাসান শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে শিক্ষার্থীদে দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।

    এদিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. এসএম ইমামুল হকের পদত্যাগ দাবিতে ৮ম দিনের মতো আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

    facebook

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বৈকালিন চা চক্র ও আলোচনা অনুষ্ঠানে’ শিক্ষার্থীদের আমন্ত্রণ না জানানোয় এবং তাদের খাবারের প্যাকেট না দেয়ায় অনুষ্ঠান স্থলের বাইরে প্রতিবাদ জানায় শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকারের বাঁচ্চা’ বলেন উপাচার্য।

    উপাচার্যের এই উক্তির প্রতিবাদে এবং ওই মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে পরদিন ২৭ মার্চ সকাল থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। ওইদিন আরও কিছু দাবি যুক্ত করে ১০ দফা দাবি আদায়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

    উদ্ভুত পরিস্থিতিতে ছাত্র আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করতে ২৭ মার্চ রাত ৩টার দিকে উপাচার্য তার একক ক্ষমতা বলে ২৮ মার্চ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ এবং ওইদিন (২৮ মার্চ) বিকেল ৫টার মধ্যে সকল আবাসিক শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেন।

    বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের হলত্যাগের নির্দেশের ঘটনায় আরও ক্ষুব্ধ হন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। কর্তৃপক্ষের নির্দেশ উপেক্ষা করে ২৮ মার্চ (বৃহস্পতিবার) আবাসিক শিক্ষার্থীরা হল ত্যাগ না করে স্ব-স্ব হলেই অবস্থান নেন। একইসঙ্গে ভিসির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা ।

    এদিকে শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের বাঁচ্চা’ বলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এস এম ইমামুল হক।

  • ৩৮ তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ প্রশিক্ষণার্থীদের শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করেন বিএমপি পুলিশ কমিশনার মোশারফ হোসেন

    ৩৮ তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ প্রশিক্ষণার্থীদের শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করেন বিএমপি পুলিশ কমিশনার মোশারফ হোসেন

    নিউজ ডেস্ক:

    আজ ০২/০৪/২০১৯ তারিখ ৩৮ তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের প্রশিক্ষণার্থী সহকারী জজগণ, প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে মেট্রোপলিটন পুলিশের কার্যক্রম সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান আহরনের লক্ষে পুলিশ কমিশনার কার্যালয় বরিশালে আগমন করেন।

    ছবি: সংগ্রহ।

    পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত আইজিপি) মোশারফ হোসেন বিপিএম ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান বিপিএম তাঁদের স্বাগত জানিয়ে মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে সম্যক ধারণা প্রদান করেন।বিএমপি পুলিশ কমিশনার আগত প্রশিক্ষণার্থীদের শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করেন, প্রশিক্ষণার্থীদের পক্ষ থেকে বিএমপিকে কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে উপাচার্যের বিবৃতি

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে উপাচার্যের বিবৃতি

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান পরিস্থিতি নিরসনে সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষানুরাগী, সুশীল সমাজ, স্থানীয় প্রশাসন এবং গণমাধ্যমসহ সচেতন বরিশালবাসীকে সার্বিক সহযোগিতার জন্য উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন উপাচার্য প্রফেসর ড. এসএম ইমামুল হক।

    মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের উপ-পরিচালক ফয়সল মাহমুদ রুমি স্বাক্ষরিত ও ই-মেইলে প্রেরিত উপাচার্যের এক বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়।

    বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে ‘বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আমার (উপাচার্য) প্রদত্ত বক্তব্যের মধ্যে অনুক্ত একটি শব্দ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। এর সুযোগ নিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করে তোলার প্রয়াস চালায়। এই ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ বিশ্ববিদ্যালয় সার্বিক নিরাপত্তাহীনতায় পড়ে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হই। এই সিদ্ধান্ত নিতে আমার অনেক মানসিক কষ্ট করতে হয়, কারণ আমি নিজেও একজন শিক্ষক, শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখাই আমার কাজ। একই কারণে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশনাও প্রদান করা হয়েছিলো।

    পরবর্তীতে গত ২৯ মার্চ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আমার বক্তব্যের কারণে কেউ আহত হয়ে থাকলে তার জন্য আমি দুঃখ প্রকাশও করি। যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত উদ্বেগের সহিত লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বল্প সংখ্যক শিক্ষার্থী এখন পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি অব্যহত রাখার নামে একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনসমূহ তালা দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করেছে। এ অবস্থায় একাডেমিক কার্যক্রম চালু করাও সম্ভব হবে না। আমি আমার শিক্ষার্থীদের নিশ্চিত করতে চাই অতিদ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম চালু হবে। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দক্ষিণ বাংলার গর্ব। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয় তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সক্রিয় ফল। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুন্ন রাখা আমাদের সকলের পবিত্র দায়িত্ব।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম সচল রাখার দায়িত্ব আমাদের সকলের। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সার্বিক সহযোগিতা কাম্য। একইসাথে আমি বরিশালের রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, বীরমুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষানুরাগী, সুশীল সমাজ, স্থানীয় প্রশাসন, গণমাধ্যমসহ সমগ্র সচেতন বরিশালবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান রেখে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান পরিস্থিতি নিরসনে সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।

  • ভিপি নুর অবরুদ্ধ ও লাঞ্ছিত

    ভিপি নুর অবরুদ্ধ ও লাঞ্ছিত

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহ সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর ও ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আকতারসহ বিভিন্ন প্যানেলের শিক্ষার্থী অবরুদ্ধ করে রাখেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।

    এ সময় ভিপি নুরকে লাঞ্ছিত করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. ফরিদ হাসানকে মারধরের প্রতিবাদ জানাতে মঙ্গলবার বিকালে সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হলে গেলে এ ঘটনা ঘটে। প্রায় দু’ঘণ্টা পর তারা অবরুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসেন।

    জানা গেছে, সোমবার রাতে এসএম হলে ফরিদ হাসানকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে বিকালে নুরের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল হয়। মিছিল শেষে হল প্রভোস্টের কাছে বিচার দাবি করেন।

    এ সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এসএম হলে জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নুরকে গালিগালাজ এবং লাঞ্ছিত করেন।