Category: শিক্ষাঙ্গন

  • এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের কোনও ঘটনা ঘটবে না: শিক্ষামন্ত্রী

    এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের কোনও ঘটনা ঘটবে না: শিক্ষামন্ত্রী

    এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের কোনও ঘটনা ঘটবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মন্ত্রী বলেন, ‘আমি আশা করি এসএসসি পরীক্ষার মতোই এইচএসসি পরীক্ষাও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে। সবার সহযোগিতায় প্রশ্ন ফাঁসের কোনও ঘটনা ছাড়াই আমরা পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করতে পারব। এ বিষয়ে শিক্ষক, পরীক্ষার্থী, অভিভাবক এবং গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা চাই।

    সোমবার (১ এপ্রিল) এইচএসসি পরীক্ষা উপলক্ষে রাজধানীর বেইলি রোডের সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    সকাল ১০টা থেকে সারাদেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। এবার দেশের ২ হাজার ৫৭৯টি কেন্দ্রে মোট ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৪৯৬ এবং ছাত্রী রয়েছেন ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৯ জন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা বাদ দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। এটি প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করবে। আমরা শিক্ষানীতি অবশ্যই বাস্তবায়ন করব। তবে একবারে তো করা সম্ভব হবে না, পর্যায়ক্রমে করা হবে।’

    এসএসসি পরীক্ষার সময় প্রশ্নপত্র ছাপা নিয়ে যে সমস্যা হয়েছিল সে প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘একটি জায়গায় ছাপা কিছু অস্পষ্ট ছিল, একটি প্রশ্নপত্রে দুই পৃষ্ঠায় দুই রকম প্রশ্ন ছাপা হয়েছিল, সেই পরীক্ষা বাতিল করে আবার নেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করছি এবার কোনও সমস্যা হবে না।’

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘গোয়েন্দা সংস্থা নজরদারি করছে। কেউ যদি কোনও অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকে, প্রতারণা করে, গুজব ছড়ায় তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে অভিভাবকদের কোনও রকম গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। কারও ফাঁদে পা দেবেন না, কারণ আমরা বিশ্বাস করি প্রশ্নপত্র ফাঁস হবে না। প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্তভাবেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।’

    কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘১ এপ্রিল থেকে ৬ মে পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। আমি আশা করছি প্রতিটি জেলা, উপজেলার প্রশাসন বিষয়টি মনিটরিং করবে। কোচিংগুলো সত্যিই বন্ধ থাকছে কিনা বিষয়টি তারা নিশ্চিত করবে।’

    এসএসসি পরীক্ষার বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন এসেছে। আমরা সেগুলো দেখে সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।

    ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এর জন্য নির্দিষ্ট পদ্ধতি রয়েছে, সেই পদ্ধতি অনুযায়ী মূল্যায়ন হবে।

  • ঝড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা

    ঝড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা

    কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় মোমবাতি জ্বালিয়ে এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১ এপ্রিল) রংপুরের সবগুলো পরীক্ষা কেন্দ্রে একই অবস্থা থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

    রংপুর নগরীর শালবন এলাকায় সরকারি রোকেয়া কলেজ কেন্দ্রে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা মোমবাতি নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করছে। কয়েকজন পরীক্ষার্থী জানান, সকাল থেকে পরীক্ষা কেন্দ্রে বিদ্যুৎ নেই। ঘরগুলো অন্ধকার তাই বাধ্য হয়ে মোমবাতি নিয়ে পরীক্ষা দিতে যাচ্ছেন তারা।

    কলেজের অধ্যাক্ষ মোবাখখারুল ইসলাম জানান, রাতে ঝড় হওয়ায় নগরীর বেশিরভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীরা মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছেন। এতে তাদের ভীষণ সমস্যা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    একইভাবে অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, কর্তৃপক্ষের আগে থেকে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। অন্ধকারে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেবে কীভাবে?

    এ ব্যাপারে পিডিবির কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করা হলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা সাহাদত আলী বলেন, ‘রবিবার মধ্যরাতে ঝড় হওয়ায় বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে যায়। এছাড়া বিদ্যুৎ লাইনে গাছপালা পড়ায় দুটি ফিডার ছাড়া সব ফিডারে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

    রংপুর বিভাগের আট জেলার ১৯৯টি কেন্দ্রের এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে ২৮ হাজার ৫৬ জন, মানবিক বিভাগে ৮১ হাজার ১৩৭ জন এবং ব্যবসা শিক্ষা বিভাগে ১৫ হাজার ৬৮৬ পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।

    এদিকে নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠান এবং প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা শুরুর আধাঘণ্টা আগে প্রবেশ করাসহ তল্লাশি করে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে।

    এছাড়া রংপুর জেলায় আলিম ১০টি কেন্দ্রে ১৯৩২ জন এইচএসসি (বিএম) ১৭টি কেন্দ্রে ৮৬৪২ জন এবং এইচএসসি (বিজনেস স্টাডিজ ও ভোকেশনাল) দুটি কেন্দ্রে ২১২ জন পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

  • ববি ভিসির পদত্যাগের জন্য ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম

    ববি ভিসির পদত্যাগের জন্য ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম

    এক দফা এক দাবী “ভিসি তুই কবে যাবি” এ শ্লোগান নিয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য এসএম ইমামুল হক এর পদত্যাগের দাবীতে বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে অস্থান কর্মসূচি ও রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
    সোমবার (০১ এপ্রিল) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরীর বান্দ রোডস্থ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মরকলিপি প্রদান করে শিক্ষার্থীরা।
    পরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এক সংবাদ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ভিসিকে ৪৮ ঘন্টার অাল্টিমেটাম দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
    এময়ের মধ্যে ভিসি পদত্যাগ না করলে আরো কঠোর আন্দোলন কর্মসূচির হুমকি দিয়েছেন তারা।
    এর আগে রোববার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান ও মুখে কালো কাপড় বেঁধে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। ভিসির পদত্যাগ দাবিতে গত সাত দিনের টানা আন্দোলনের ফলে অচল অবস্থায় পরিনত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।
    শিক্ষার্থীরা জানায়, শুধু দুঃখ প্রকাশ করলে চলবে না, ভিসি আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়া এবং বক্তব্য প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।  ক্ষমা না চাইলে উপাচার্যের পদত্যাগ করতে বাধ্য করাবেন বলেও হুমকি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
     তারা আরো বলেন, সোমবার সকালে আমরা আমাদের দাবী দাওয়া সংবলিত একটি স্মারকলিপি বিভগীয় কমিশনার বরাবর দিয়েছি। পাশাপাশি সেখানে অবস্থান নিয়ে এক দফা এক দাবি ভিসি’র পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ করেছি।
    উল্লেখ্য, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বাদ দিয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রতিবাদ করায় ভিসি এসএম ইমামুল হক শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকারের সন্তান’ বলে গালি দেন। এর প্রতিবাদে গত ২৬ মার্চ থেকে তারা লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে আসছেন।
    মাঝে ২৮ মার্চ থেকে প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষনা করে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দিলেও তা প্রত্যাক্ষান করে আন্দোলনকারীরা। তারা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করে  হলেই অবস্থান করছেন।
    ধারবাহিকতায় শুক্রবার দিবাগত রাতে দুঃখ প্রকাশ করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম ইমানুল হকের পক্ষে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।  তবে তাতেও বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শিক্ষার্থীরা হলে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন কর্মসূচী চালিয়ে যাচ্ছে।
    তবে দুঃখ প্রকাশ করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের দেয়া বক্তব্য ও আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। উপাচার্য বক্তব্যের মাধ্যমে মিথ্যাচার করেছে বলে অভিযোগ তাদের।
  • এইচ এস সি পরীক্ষা শুরু আজ

    এইচ এস সি পরীক্ষা শুরু আজ

    স্টাফ রিপোর্টার//শাওন অরন্য:

    ২০১৯ সালের এইচ এস সি পরীক্ষা শুরু আজ ০১লা এপ্রিল ২০১৯। এ বছর ৬৪ হাজার ৯১৯ জন ছাত্রছাত্রী মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড বরিশাল থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। এর মধ্যে নিয়মিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫১ হাজার ৪৩৬ জন, অনিয়মিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১২ হাজার ৫৮২ জন।

    ছবি: শাওন অরন্য।

    এছারাও রয়েছে জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থী ৮৭১ জন এবং প্রাইভেট পরীক্ষার্থী ৩০ জন। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩১ হাজার ৮৯০ জন ছাত্রী এবং ৩০ হাজার ২৯ জন ছাত্র।

    এ বছর বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১৪ হাজার ৫০৮ জন, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ১৫ হাজার ৯২৩ জন এবং মানবিক বিভাগ থেকে ৩৪ হাজার ৪৮৮ জন পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৩ হাজার ৪৬০ জন বরিশাল জেলায়, ৫ হাজার ১৪৫ জন ঝালকাঠি জেলায়, ৮ হাজার ২৮৬ জন পিরোজপুর জেলায়, ১২ হাজার ৬১৭ জন পটুয়াখালী জেলায়, ৬ হাজার ৫২৪ জন বরগুনা জেলায় এবং ৮ হাজার ৮৮৭ জন ভোলা জেলায় পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

  • বরিশাল বোর্ডে বাংলা প্রথম পত্রে অনুপস্থিত ৮০৩ শিক্ষার্থী

    বরিশাল বোর্ডে বাংলা প্রথম পত্রে অনুপস্থিত ৮০৩ শিক্ষার্থী

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার বাংলা প্রথম পত্রে ৮০৩ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলো। তবে এই পরীক্ষায় কোনো শিক্ষক ও পরীক্ষার্থী বহিষ্কার হওয়ার খবর নেই।

    অনুপস্থিতির মধ্যে ভোলা জেলায় ১১৭ জন, বরগুনায় ৮৪, পটুয়াখালীতে ১৫০, পিরোজপুরে ৯৬, ঝালকাঠিতে ৬৬ ও বরিশালে ২৯০ জন রয়েছে। এর ফলে সোমবার বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় মোট ৫৮ হাজার ১০৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৭ হাজার ৩০৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

    এই তথ্য নিশ্চিত করে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আনোয়ারুল আজিম জানিয়েছেন, ২০১৯ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের আওতায় বিভাগের ৬ জেলায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬৪ হাজার ৯১৯ জন। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৩০ হাজার ২৯ জন এবং ছাত্রী ৩১ হাজার ৮৯০ জন। যার মধ্যে নিয়মিত ৫১ হাজার ৯৩৬, জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থী ৮৭১, প্রাইভেট পরীক্ষার্থী ৩০ ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থী ১২ হাজার ৫৮২ জন।

  • বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার মূল চালিকাশক্তি যুবসমাজ

    বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার মূল চালিকাশক্তি যুবসমাজ

    শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে যুবসমাজকেই মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করতে হবে। ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সমাজ তথা দেশ গঠনে এ তরুণ সমাজ সর্বদা অগ্রগামী ছিল।

    আজ রবিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশে দি কিং অব চিটাগং কমিউনিটি হলে পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু যুবসমাজসহ সকলকে নিয়ে দেশ গঠনের জন্য নেমে পড়েন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের পর যুবসমাজ দিকহারা হয়েছিল। ফলে দেশ অনেক পিছিয়ে পড়ে। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে যুবসমাজ আবার আশার আলো দেখতে শুরু করেছে।

    কৃতি স্নাতকদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে ডা. দীপু মনি বলেন, স্বাধীন চিন্তা, সৃজনশীলতার পাশাপাশি শৃঙ্খলা খুব জরুরি। শৃঙ্খলাকে বলা হয় লক্ষ্য ও অর্জনের সিঁড়ি। সবাইকে শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবন যাপন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের অর্জনের পেছনে পিতা-মাতা, শিক্ষকমণ্ডলী, সর্বোপরি দেশের অনেক ত্যাগ ও শ্রম, রয়েছে।

    বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয় আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে সব সময় শিক্ষার মানের দিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। একাডেমিক পড়ালেখার পাশাপাশি বিভিন্ন কার্যক্রমের সাথে শিক্ষার্থীদের জড়িত করতে হবে। এতে তারা সৃজনশীল ও মানবিক গুণ সম্পন্ন মানুষে পরিণত হবে।

    সমাবর্তনে বিশেষ অতিথি ছিলেন পানিসম্পদ উপমন্ত্রী ও পিসিআইইউ’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট এবং বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান এনামুল হক শামীম, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান।

    সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল আনোয়ার। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমিরেটাস অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী।

    এ বারের সমাবর্তনে ২ হাজার ৮৮ জন শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি দেওয়া হয়। এ ছাড়াও ৭ জন শিক্ষার্থীকে চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক ও ১২ জন শিক্ষার্থীর হাতে প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান স্বর্ণপদক তুলে দেওয়া হয়।

  • সোমবার এইচএসসি পরীক্ষায় বসছেন সাড়ে ১৩ লাখ পরীক্ষার্থী

    সোমবার এইচএসসি পরীক্ষায় বসছেন সাড়ে ১৩ লাখ পরীক্ষার্থী

    এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল সোমবার (১ এপ্রিল)। প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তত্ত্বীয় পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত চলবে। এ বছর পরীক্ষায় বসছেন ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ পরীক্ষার্থী। গতবারের চেয়ে এবার ৪০ হাজার ৪৮ জন পরীক্ষার্থী বেড়েছে বলে জানা গেছে।

    এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল সোমবার (১ এপ্রিল)। প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তত্ত্বীয় পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত চলবে। এ বছর পরীক্ষায় বসছেন ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ পরীক্ষার্থী। গতবারের চেয়ে এবার ৪০ হাজার ৪৮ জন পরীক্ষার্থী বেড়েছে বলে জানা গেছে।

    এবার পরীক্ষা নির্বিঘ্নে পরিচালনা করতে কোচিং সেন্টার বন্ধসহ ২২ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। পরীক্ষা চলাকালীন প্রশ্নফাঁসের গুজবে কান না দিতে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

    পরীক্ষার সময়সূচি ১ এপ্রিল থেকে ১১ মে পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে লিখিত পরীক্ষা। ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা হবে। এবার দুই হাজার ৫৭৯টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৮১টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী দ্বাদশ শ্রেণির এই চূড়ান্ত পরীক্ষা দেবে। গতবারের চেয়ে এবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেড়েছে ১১৮টি, কেন্দ্র বেড়েছে ৩৮টি। ঢাকার বাইরে এবার বিদেশের আটটি কেন্দ্রে ২৭৫ শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেবে, এর মধ্যে ১২৭ জন ছাত্র, ১৪৮ জন ছাত্রী।

    এবার এইচএসসি সমমানের মোট ৫১টি বিষয়ে ১০১টি পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিভিন্ন সিলেবাসে পত্রের সংখ্যা ১৫১টি। সারাদেশে মোট দুই হাজার ৫৮০টি কেন্দ্রের প্রায় ৪০ হাজার কক্ষে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে এক লাখ শিক্ষক পরীক্ষার কাজে নিয়োজিত থাকবেন। পরীক্ষা নিতে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সন ও ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য মোট তিন হাজার ৯৩২ ধরনের প্রশ্ন ছাপা হয়েছে।

    অন্যান্যবারের মতো এবারও পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ করে নির্ধারিত আসনে বসতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থীর দেরি হলে রেজিস্ট্রারে নাম, ক্রমিক নম্বর ও দেরির কারণ উল্লেখ করতে হবে। দেরিতে আসা পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রতিদিন কেন্দ্র সচিব সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে পাঠাবেন। কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবে না।

    ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমন একটি ফোন ব্যবহার করবেন, যা দিয়ে ছবি তোলা বা ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় না। ট্রেজারি বা থানা থেকে প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও পরিবহন কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-শিক্ষক-কর্মচারীরাও কোনো ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। প্রশ্নপত্র বহনের কাজে কালো কাচের মাইক্রোবাস বা এ ধরনের কোনো যানবাহন ব্যবহার করা যাবে না। কোন সেটের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়া হবে তার কোড পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে এসএমএসের মাধ্যমে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানিয়ে দেয়া হবে।

    এছাড়া পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রে ২০০ গজের মধ্যে শিক্ষক, ছাত্র ও কর্মচারীদের মোবাইল ফোনের সুবিধাসহ ঘড়ি, কলমসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে। ট্রেজারি বা থানা থেকে প্রশ্ন কেন্দ্রে পৌঁছানোর জন্য দূরত্ব অনুযায়ী বেশি সময় আগে প্রশ্ন বিতরণ না করে প্রয়োজনীয় সময় নির্ধারণ করে প্রশ্নপত্র বিতরণ করতে হবে। প্রত্যেক কেন্দ্রের অভ্যন্তরে একটি ফটোকপি মেশিন রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বোর্ড কর্তৃপক্ষ প্রত্যেক কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশনা প্রদান করেছে।

    যদি কোনো মোবাইল নম্বরে একাধিকবার একই অংকের টাকার সন্দেহজনক লেনদেন করা হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট এজেন্টকে নিকটস্থ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করতে হবে। অনিবার্য কারণে পরীক্ষা শুরু করতে বিলম্ব হলে প্রশ্নে উল্লিখিত নির্ধারিত সময় শিক্ষার্থীদের দিতে বলা হয়েছে।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে মুখে কালো কাপড় বেঁধে বিক্ষোভ

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে মুখে কালো কাপড় বেঁধে বিক্ষোভ

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য প্রফেসর ড. এসএম ইমামুল হকের পদত্যাগ দাবিতে পঞ্চম দিনের মত শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

    রোববার দুপুরে শিক্ষার্থীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে ক্যাম্পাসে এবং বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে বিক্ষোভ করেন।

    এর আগে সকাল ১০টার দিকে ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবনের নিচে অবস্থান নেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। তারা উপচার্যের পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। কর্মসূচি চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক তরিকুল ইসলাম, লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষক রিফাত মাহামুদ, আইন বিভাগের শিক্ষাক সুপ্রভাত হালদারসহ কয়েকজন শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে আসেন।তারা আন্দোলন প্রত্যাহারের জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা সাফ জানিয়ে দেন উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।

    এদিকে আবাসিক হল বন্ধের পর এবার শিক্ষার্থীদের ডাইনিং বন্ধ করে দিয়ে আন্দোলন উস্কে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বৈকালীন চা চক্র ও আলোচনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের আমন্ত্রণ না জানানোয় অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে প্রতিবাদ জানান শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অপর একটি অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান পণ্ড করার চেষ্টাকারীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলেন উপাচার্য। উপাচার্যের ওই মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে পরদিন ২৭ মার্চ সকাল থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। ওইদিন আরও কিছু দাবি যুক্ত করে ১০ দফা দাবি আদায়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য আন্দোলনের শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ছাত্র আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করতে ২৭ মার্চ রাত ৩টার দিকে উপাচার্য তার একক ক্ষমতা বলে ২৮ মার্চ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ এবং বিকেল ৫টার মধ্যে সকল আবাসিক শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেন।

    bb-university

    ছবি: সংগ্রহ।

    ২৭ মার্চ রাত ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মো. হাসিনুর রহমান স্বাক্ষরিত এক নোটিশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশের ঘটনায় আরও ক্ষুব্ধ হন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। কর্তৃপক্ষের নির্দেশ উপেক্ষা করে ২৮ মার্চ (বৃহস্পতিবার) আবাসিক শিক্ষার্থীরা হল ত্যাগ না করে নিজ নিজ হলে অবস্থান নেন এবং উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন।

    শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের মুখে তৃতীয় দিনের মাথায় উপাচার্য তার বক্তব্যের জন্য প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দুঃখ প্রকাশ করেন। তবে এতে সন্তুষ্ট নয় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। ওইদিন উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল এবং তার কুশপুত্তলিকা দাহ করেন। চতুর্থ দিনে বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তারা। এরপর ওই রাতে হলের ডাইনিং চালু থাকলেও সকাল থেকে সকল আবাসিক হলের ডাইনিং বন্ধ করে দেয়া হয়।

    ঢাকায় অবস্থানরত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এসএম ইমামুল হক মুঠোফোনে বলেন, দুঃখ প্রকাশের পরও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অযৌক্তিক। এই আন্দোলন এখন আর শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর থেকে একটি মহল এই আন্দোলনে ইন্ধন যোগাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক একেএম মাহবুব হাসান ষড়যন্ত্র করছেন বলে শোনা যাচ্ছে। তিনি পরবর্তী উপাচার্য হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন বলে অনেকেই জানিয়েছেন। বিষয়টি আমি শিক্ষামন্ত্রীকে অবহিত করেছি।

  • বিদেশি মিডিয়ায় নাঈম এখন ‘সুপারম্যান’

    বিদেশি মিডিয়ায় নাঈম এখন ‘সুপারম্যান’

    বনানীর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সময় পানির পাইপের ফুটো চেপে ধরে রাস্তায় বসেছিল ছোট্ট বালক নাঈম। তার সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। পরনে নীল পোশাক, মুখায়ববে ফুটে উঠেছে দৃঢ়তা; যেন সুপারম্যান হাজির ঢাকার রাস্তায়। বাংলাদেশের গরীব পরিবারের সন্তান নাঈম এখন বিশ্ব মিডিয়ায় পরিচিতি পাচ্ছে ‘ছোট্ট সুপারম্যান’ হিসেবে।ওপার বাংলার জনপ্রিয় দৈনিক আনন্দবাজার তাকে নিয়ে ‘ঢাকার রাস্তায় ছোট্ট সুপারম্যান’ শিরোনামে নিউজ করেছে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে লাগা আগুন কেড়ে নিয়েছে ২৫টি প্রাণ। আগুন নেভানো এবং উদ্ধার অভিযানে দমকল, পুলিশ তো ছিলই, ছিলেন সেনা, নৌ এবং বিমান বাহিনীর সদস্যরাও। কিন্তু সাধারণ মানুষও যে পিছিয়ে ছিলেন না, সেই ছবি রাতেই ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। ছোট্ট একটি ছেলে এক দলা প্লাস্টিক নিয়ে লিক বন্ধ করতে বসে রয়েছে দমকলের পানির পাইপের ওপরে। সেই ছবিই কার্টুনে ফিরে আসে, ছোট্ট ছেলেটি যেন সুপারম্যান!

    ১১ বছরের ছেলেটি থাকে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে। মাঝে মাঝে এসে আলাপ জমায় পুলিশ বক্সে। কারণ বড় হয়ে সে পুলিশ হতে চায়। যে কারণে অনেক কষ্টের মাঝেও বস্তির আনন্দ স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে। নাঈমের পরিচিত এক পুলিশ সার্জেন্ট তাই লিখেছেন, ‘আমরা তাকে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে উৎসাহ দিই। আমার সঙ্গে থাকতে ভালবাসে সে। তার দুঃখের কথা বলে। ছোট্ট ছেলে, কিন্তু বড় সুন্দর কথা বলে নাইম।

    উল্লেখ্য, নাঈমের ছবিটি ভাইরাল হওয়ার পর তাকে পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এক বাংলাদেশি। একইসঙ্গে তিনি নাঈমের পড়াশোনার সমস্ত ব্যয়ভার গ্রহনের ঘোষণাও দিয়েছেন।

  • ছাত্র-ছাত্রীদের বইয়ের বোঝা বহন করতে হবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    ছাত্র-ছাত্রীদের বইয়ের বোঝা বহন করতে হবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, তথ্য-প্রযুক্তির এ যুগে ই-লার্নিংয়ের মাধ্যমে সারাবিশ্ব হবে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠশালা। এতে আগামীতে ছাত্র-ছাত্রীদের বইয়ের বোঝা বহন করতে হবে না। একটি আইপ্যাড নিয়েই তারা স্কুলে যেতে পারবে। আমরা গঠন করতে পারবো একটি উন্নত জাতি। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে ছাত্র-ছাত্রীদের ‘আমি পারি’ এই বিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

    শনিবার দুপুরে সিলেট পুলিশ লাইন্স উচ্চ বিদ্যালয়ে সেসিপ-এর আওতায় সিলেট অঞ্চলের ই-লার্নিং মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, টেকনোলজির যথাযথ ব্যবহার ও ই-লার্নিংয়ের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীরা উৎকর্ষতা ও পরিপক্কতা অর্জন করবে এবং আমরা পাব একটি উন্নত জাতি। টেকনোলজিই হলো আমাদের প্রধান হাতিয়ার, যার মাধ্যমে আমরা আমাদের জনগণকে জনসম্পদে পরিণত করতে পারব। ডিজিটাল টেকনোলজি শিক্ষকদের সতর্কতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে শিখতে হবে এবং সে অনুযায়ী ছাত্র-ছাত্রীদের শেখাতে হবে।

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর সিলেট অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক মো. হারুনুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্যে দেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মাহামুদ-উল হক, সিলেটের পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের উপ-পরিচারক অধ্যাপক ড. সামসুন নাহার, ইথিক্র অ্যাডভান্সড টেকনোলজি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মুবিন খান প্রমুখ।