Category: শিক্ষাঙ্গন

  • স্কুল-কলেজের সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন

    স্কুল-কলেজের সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন

    নতুন কারিকুলাম আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মাধ্যমিক স্তরে ২২ ফেব্রুয়ারি শুরু হলেও প্রাথমিকে তা মার্চ থেকে শুরু হবে।

    আর নতুন কারিকুলামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন কাটাতে পারবেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। আগে ছুটি ছিল শুধু শুক্রবার, এখন শনিবারও ছুটি থাকবে।

    বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।


    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানায়, ২০২২ সালে নতুন শিক্ষাক্রমের পাইলটিং করার কথা। আর ২০২৩ সাল থেকে পরিমার্জিত নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্পন্ন হবে। উচ্চ মাধ্যমিকের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা হবে ২০২৬ ও ২০২৭ সালে। নতুন শিক্ষাক্রম অনুসারে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন করা হচ্ছে।

    সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নতুন কারিকুলাম ট্রাইআউট ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে। প্রাথমিকে মার্চ থেকে শুরু হবে। মাধ্যমিকে ৬২টি এবং প্রাথমিকেও একই সংখ্যায় করার কথা রয়েছে।

    মহামারির ছুটির আগে ও পরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাধারণ ছুটিগুলো এখনো আছে। সাপ্তাহিক ছুটিও দুই দিন। এ বিষয়ে দুষ্টি আকর্ষণ করা হলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকে শনিবার ছুটি রাখেন না। এখন থেকে রাখবেন সেই সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা মনে করি, একজন শিক্ষক বা শিক্ষার্থীর সপ্তাহে দুটা দিন…, একটু যদি ব্রেক না হয়। এখন তো কম সময়ে ক্লাস করছিল তারপরও একটু ব্রেকটার দরকার আছে। সেটাকে যদি বাদ দিয়ে দিতে পারতাম, তাহলে কয়েকটা দিন বেশি পেতাম। মাসে চারটা দিন বেশি পেতাম সেটা ঠিক। আবার ধর্মীয় কিছু ছুটি আছে, নানা রকম বিষয় আছে।

    তিনি বলেন, আমাদের যেগুলো জাতীয় দিবস, সেই দিনে খুলে রাখার কথা ভাবিনি। জাতীয় দিবসে অনেক সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকে। কিন্তু শ্রেণিকক্ষে পাঠদান হয় না। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, রিকভারি প্ল্যানের মধ্যে যদি দেখি যেকোনো জায়গায় দিন কমালে আরও বেশি সুবিধা হবে, সেটা ভেবে দেখব। কিন্তু ঢালাওভাবে ভাবতে পারছি না। কারণ যারা কাজটি করেন তাদেরও তো সঠিকভাবে ডেলিভারি দিতে হবে। অনলাইনের চাপটাও আছে। শিক্ষকেরা ক্লাসেও পড়িয়েছেন আবার অনলাইনেও ক্লাস নিয়েছেন।

  • স্কুল-কলেজের সামনে সিগারেট বিক্রি বন্ধ চায় তরুনরা

    স্কুল-কলেজের সামনে সিগারেট বিক্রি বন্ধ চায় তরুনরা

    শিক্ষার্থীদের তামাক থেকে দূরে রাখতে স্কুল-কলেজসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে থেকে সিগারেট বিক্রি বন্ধ চায় বরিশালের তরুনরা। বর্তমান সমাজ ব্যবস্থাকে ঘিরে ধরেছে মাদক। আর এই শিকার যুব সমাজ। তামাক বা সিগারেটই মাদক প্রহনের ১ম স্তর। প্রথমে বন্ধুদের সাথে একটা দুইটি সিগারেট। পরে তাদেরই পাল্লায় পরে মাদকের অন্য অন্য শাখায় প্রবেশ। বরিশালের সর্বত্ব মাদকের হাতছানি। তার মধ্যে অলিতে গলিতে সিগারেট ও তামাকের দোকান। এমনকি প্রায় প্রতিটি স্কুল কলেজের সামনেও চলছে এর ক্রয় বিক্রয়। নেই কোন আইনের বালাই। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে নগরীর স্কুল ও কলেজের সামনে যেন সিগারেট বিক্রি না হয় এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্মারকলিপি দিয়েছে তরুনদের সংগঠন ‘দি অডেশাস্’।

    আজ সোমবার অমৃত লাল দে মহা বিদ্যালয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিন হায়দার’র কাছে তারা এই স্মারকলিপি প্রদান করেন।


    স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রন আইন এর ৬ এর ক ধারায় বলা আছে, অপ্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছরের নিচে) কোন ব্যক্তির নিকট তামাক বা তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করবেন না, অথবা ওই ব্যক্তিকে তামাক বা তামাকজাত দ্রব্য বিপণন বা বিতরন কাজে নিয়োজিত করবেন না বা করাবেন না। এ বিধান লংঘন করলে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয় হবে এবং ওই ব্যক্তি দ্বিতীয়বার বা পুনঃ পুনঃ একই ধরনের অপরাধ সংঘটন করিলে পর্যায়ক্রমে উক্ত দন্ডের দ্বিগুণ হারে দন্ডনীয় হবে।

    দি অডেশাস্ এর সভাপতি সাংবাদিক সাঈদ পান্থ এর সভাপতিত্বে স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ প্রফেসর সুভাষ চন্দ্র পাল, বিজয় কৃষ্ণ দে, বরিশাল আইনজীবী সমিতির নব নির্বাচিত সভাপতি লস্কর নুরুল হক, অমৃত ফুড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ভানু লাল দে, সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দেবাষীশ চক্রবর্তী, ‘দি অডেশাস্’ এর সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয় শিংহানীয়া, সহ অর্থ সম্পাদক অয়ন রায় প্রমুখ।

  • এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাশের হার ৯৫.২৬

    এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাশের হার ৯৫.২৬

    ২০২১ সালের উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ রবিবার প্রকাশ করা হয়েছে। ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবার পাশের হার ৯৫.২৬।

    প্রাপ্ত ফলাফলে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৯৭.২৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩২ হাজার ৮০০ জন। এছাড়া বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৯৫.৭৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯ হাজার ৯৭১ জন। কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৯৭.৪৯, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৪ হাজার ১৫৩ জন।

    দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৯২.৪২, সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৯৪.৪০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪ হাজার ৭৩১ জন। চট্টগ্রামে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৩ হাজার ৭২০ জন

  • বরিশালে পাসের হার ৯৫.৭৬ শতাংশ, এগিয়ে মেয়েরা

    বরিশালে পাসের হার ৯৫.৭৬ শতাংশ, এগিয়ে মেয়েরা

    উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে নয় হাজার ৯৭১ জন শিক্ষার্থী।

    রোববার (১৩ ফেব্রুয়া‌রি) বেলা সোয়া ১১টার দিকে ফলাফলের পরিসংখ্যান ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুন কুমার গাইন।

    তিনি জানান, এ বছর পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৬৬ হাজার ৭৯৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ৩২ হাজার ৫৭ জন এবং ছাত্রী ৩৪ হাজার ৭৩৯ জন। পাস করেছে ৬৩ হাজার ৯৬৪ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৩০ হাজার ২৮৯ জন আর ছাত্রী ৩৩ হাজার ৬৭৫ জন।

    বিভাগে পা‌সের হারে এগিয়ে রয়েছে ব‌রিশাল জেলা। প্রতিবারের মতো এবারও এই শিক্ষা বোর্ডে ফলাফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা পাস ও জিপিএর হারে এগিয়ে। গত বছর বোর্ডে পাসের হার ছিল শতভাগ। ত‌বে এবা‌রে জিপিএ-৫ বে‌ড়ে‌ছে চার হাজার ৪০৩ জনের।

    এ বছর কোনো ক‌লেজ শতভাগ ফেল না থাক‌লেও ৫৬টি প্রতিষ্ঠা‌নে পা‌শের হার শতভাগ র‌য়েছে।

    বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুন কুমার গাইন ব‌লেন, ভা‌লো ফলাফ‌লের কৃ‌তিত্ব ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবক‌দের। আর যারা খারাপ ক‌রে‌ছে, তারা মূলত যে তিন বিষ‌য়ে পরীক্ষা অনু‌ষ্ঠিত হ‌য়ে‌ছে সে বিষয়গু‌লো‌তে খারাপ ক‌রে‌ছে।

  • শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: শিক্ষামন্ত্রী

    শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: শিক্ষামন্ত্রী

    খুব শিগগিরই দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এছাড়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সমস্যা সমাধানে সরকার সব ধরনের চেষ্টা করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

    শুক্রবার সকালে সিলেট সার্কিট হাউস মিলনায়তনে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

    ডা. দীপু মনি বলেন, করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন কমছে, আশা করা যাচ্ছে খুব শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা সমাধানে সরকার সব ধরনের চেষ্টা করছে। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদেরও অধিকারের পাশাপাশি দায়িত্বও রয়েছে। সকল সমস্যাই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। শাবির মতো সমস্যা প্রায় সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই হয়। জাতীয় উদ্যোগের মাধ্যমে সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। এছাড়া সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    জানা গেছে, দুপুরে হযরত শাহজালাল (র.) মাজার জিয়ারত শেষে সার্কিট হাউজে মধ্যাহ্নভোজ শেষে বিকেল ৪টায় মন্ত্রী শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    এর আগে শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে দীপু মনি বিমানযোগে সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন। তার সঙ্গে রয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মুহিবুল ইসলাম নওফেল।

  • স্কুল-কলেজের ছুটি দুই সপ্তাহ বাড়তে পারে

    স্কুল-কলেজের ছুটি দুই সপ্তাহ বাড়তে পারে

    অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে স্কুল-কলেজ খোলার চাপ বাড়ছে। করোনা মহামারির মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ শিশু তহবিলও (ইউনিসেফ)।

    দুই সপ্তাহের জন্য স্কুল ও কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হলেও করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় ছুটি অন্তত দুই সপ্তাহ বাড়ানো হতে পারে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব স্কুল, কলেজ ও সমপর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজ নিজ ক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যবস্থা নেবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

    স্কুল-কলেজ বন্ধের পর অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম এবং অনলাইনে ক্লাস চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে এই পদ্ধতিতে বৈষম্য দেখা দিয়েছে বলে ইউনিসেফও মনে করে।

    ওমিক্রন থেকে মানুষকে রক্ষায় স্কুল-কলেজ বন্ধসহ কিছু বিধিনিষেধের শর্ত দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। তবে স্কুল-কলেজ ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়নি।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বাংলানিউজকে বলেন, শিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রম জোরদার করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলা রাখার চিন্তা করা হয়েছিল। কিন্তু সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় শুধু স্কুল-কলেজ পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

    তিনি বলেন, করোনার সংক্রমণ ঊর্ধ্বগতি। তবে দু’দিন ধরে স্থিতিশীল। অন্যদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলারও চাপ আছে। এসব বিবেচনায় নিয়ে ধাপে ধাপে ছুটি বাড়ানো হতে পারে। সেক্ষেত্রে আপাতত আরও দুই সপ্তাহের জন্য স্কুল-কলেজগুলো বন্ধ ঘোষণা আসতে পারে। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারির আগেই আরও ২-৩ দিন দেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকেই নেওয়া হবে।

    সংক্রমণ কমতে থাকলে অভিভাবকদের পক্ষ থেকেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি না বাড়ানোর দাবি উঠেছে।

    অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিয়াউল কবির দুলু বাংলানিউজকে বলেন, শিক্ষার্থীদের যেমন ঝুঁকির মধ্যে ফেলা যাবে না তেমনি সংক্রমণ কমে গেলে ঘরে বন্দি রাখাও ঠিক হবে না। কারণ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ক্ষতি হচ্ছে এবং মানসিক দিক দিয়েও তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    তিনি বলেন, সংক্রমণ কমতে থাকলে আগামী আরও ৩-৪ দিন দেখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। আর একান্তই ছুটি বাড়াতে হলে তা ১৫ দিনের বেশি না করাই ভালো।

    গত ২৮ জানুয়ারি ইউনিসেফ এক বিবৃতিতে জানায়, স্কুলগুলো পুরোপুরি বা আংশিক বন্ধ থাকার কারণে বর্তমানে প্রায় ৬১ কোটি ৬০ লাখ শিশু ক্ষতিগ্রস্ত। শিক্ষক এবং স্কুল কর্মীদের অবিলম্বে টিকা দিন। প্রথম সারির স্বাস্থ্যকর্মী এবং উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীকে কোভিড-১৯ এর টিকাদানের পরপরই এই টিকা প্রদানের ক্ষেত্রে শিক্ষক এবং স্কুল কর্মীদের সম্পূর্ণরূপে সমর্থন ও অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অগ্রাধিকার প্রাপ্য জনগোষ্ঠীকে পুরোপুরি সুরক্ষিত করার পর এবং টিকার যথেষ্ট প্রাপ্তি নিশ্চিত হলে ইউনিসেফ শিশুদের টিকাদানকে সমর্থন করে। সশরীরে স্কুলে যাওয়ার জন্য টিকাদানকে পূর্বশর্ত করবেন না। কোভিড-১৯ টিকা প্রাপ্তি সাপেক্ষে সশরীরে স্কুলে যাওয়ার শর্ত আরোপ করলে তা শিশুদের শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ না পাওয়া এবং ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে ফেলে।

  • এসএসসির ফল প্রকাশ ৩০ ডিসেম্বর

    এসএসসির ফল প্রকাশ ৩০ ডিসেম্বর

    মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার ফল ৩০ ডিসেম্বর প্রকাশ হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মঙ্গলবার জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান মন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়ায় এদিন ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    এর আগে ২৭ ডিসেম্বর ফল প্রকাশের তারিখ ধরে নিয়েছিল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করায় ৩০ ডিসেম্বর ফল প্রকাশের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে বোর্ড।

    আগামী ২ মার্চ একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু করা হবে। এর আগে এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদন নিয়ে ভর্তি করা হবে। আবেদন নেওয়ার কাজটি শুরু হবে ৫ জানুয়ারি।

    নিয়ম অনুযায়ী ভর্তি কার্যক্রম শুরুর আগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।

    এর আগে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান নেহাল আহমেদ জানিয়েছিলেন, এ মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হবে।

  • ডিআইইউতে অনলাইন গ্র‍্যাস হোপার গার্লস প্রোগ্রামিং ক্যাম্প

    ডিআইইউতে অনলাইন গ্র‍্যাস হোপার গার্লস প্রোগ্রামিং ক্যাম্প

    ই এম রাহাত ইসলাম,ডিআইইউ প্রতিনিধিঃ-

    প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহী মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক আয়োজন করে থাকে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং প্রশিক্ষন ক্যাম্প।

    সেটিরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক ও ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ক্লাব’ আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী ‘অনলাইন গ্র‍্যাসহোপার গার্লস প্রোগ্রামিং ক্যাম্প” শুরু হয়ে গেলো।

    মঙ্গলবার (২৮সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩ টা থেকে জুম প্ল্যাটফর্মে শুরু হয় এ ‘অনলাইন গ্র‍্যাস হোপার গার্লস প্রোগ্রামিং ক্যাম্প’টি।
    প্রতিদিন বিকেল ৩-৫ টা পর্যন্ত ৩ দিনব্যাপী ভার্চুয়াল এ ক্যাম্পটি অনুষ্ঠিত হবে।

    এ ক্যাম্পটি শুধুমাত্র বিগিনারদের (একদমই নতুনদের) জন্য সাজানো হয়েছে। ক্যাম্পটিতে এলগরিদম এবং ডাটা স্ট্রাকচার সহ প্রবলেম সলভিংয়ের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক আলোচনা হবে। ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া প্রোগ্রামিং শিখতে ইচ্ছুক এমন যে কেউ এ ক্যাম্পটিতে অংশ নিতে পারবে। ক্যাম্পটি শুধু মাত্র মেয়েদের জন্য।

    এ ক্যাম্প নিয়ে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কম্পিউটার অ্যান্ড প্রোগ্রামিং ক্লাবের উপদেষ্টা সহকারী অধ্যাপক খন্দকার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, ‘ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ককে এমন সুন্দর একটি প্রোগ্রাম আয়োজনের জন্য। আশা করি এরকম আয়োজনের মধ্য দিয়ে মেয়েরা তথ্য ও প্রযুক্তিখাতে আরও দূর্দান্ত ভাবে এগিয়ে যাব!”

    ক্যাম্পটি চূড়ান্তভাবে শেষ হবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টায়।

  • “৩১ অক্টোবরের পর খুলবে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি”

    “৩১ অক্টোবরের পর খুলবে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি”

    ই এম রাহাত ইসলামঃ আজ ২২ই সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, আগামী ১লা নভেম্বর থেকে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) তে স্ব-শরীরে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকার কর্তৃক নির্দেশনা পাওয়া সাপেক্ষে ১লা নভেম্বর হতে পুনরায় স্ব-শরীরে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক ক্লাশসহ সকল শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সেই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সকল শিক্ষার্থীরা এখনও করোনা টিকার জন্য রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করেননি তাদেরকে দ্রুত রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য বলা হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে।

  • এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা হবে ৩ বিষয়ে

    এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা হবে ৩ বিষয়ে

    গ্রুপভিত্তিক (বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্যসহ অন্যান্য গ্রুপ) নৈর্বাচনিক তিনটি বিষয়ে ২০২১ সালের এসএসসি ও এইচএসসি সমমানের পরীক্ষা সময় ও নম্বর কমিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নেওয়া হবে।

    এছাড়াও, এবার নেওয়া হবে না আবশ্যিক ও চতুর্থ বিষয়ের পরীক্ষা। তবে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে আবশ্যিক বিষয় এবং চতুর্থ বিষয়ের নম্বর দিয়ে ফলাফলে যোগ করা হবে।

    সোমবার (২৬ জুলাই) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম আমিরুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি বছরের এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষা শুধু গ্রুপভিত্তিক তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে পরীক্ষার সময় ও পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেওয়া হবে। বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ জনিত অতিমারির কারণে এ সিদ্ধান্ত  নেওয়া হয়েছে। আবশ্যিক বিষয় ও চতুর্থ বিষয়ের কোনো পরীক্ষা নেওয়া হবে না।

    এতে আরও বলা হয়েছে, জেএসসি বা সমমান ও এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে চতুর্থ বিষয়ের নম্বর সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে ২০২১ সালের এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফলে নম্বর দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে উচ্চ শিক্ষায় ভর্তিতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।

    এ মুহূর্তে শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন কার্ডে চতুর্থ বিষয় পরিবর্তন বা সংশোধনের সুযোগ নেই বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।