Category: শিক্ষাঙ্গন

  • জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় নম্বর ও বিষয় কমছে: সচিব

    জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় নম্বর ও বিষয় কমছে: সচিব

    ছাত্র-ছাত্রীদের উপর চাপ কমাতে আগামী জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা থেকে নম্বর ও বিষয় কমানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    রবিবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এনসিসিসি’র সভা শেষে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভগের সচিব মো. সোহরাব হোসোইন সাংবাদিকদের একথা জানান। তবে এবছর পরীক্ষায় এমসিকিউ থাকবে বলেও তিনি জানান।

    সোহরাব হোসোইন বলেন, শিশু শিক্ষার্থীদের উপর চাপ কমানোর উদ্যোগ নিয়েছি। আপাতত কিছু বিষয় কমানো যায় কি-না, কমালে এবছর থেকে বাস্তবায়ন করা হবে বলেও তিনি জানান।

    বিষয় কমানো কেমন হবে তারও একটা ধারণা দেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভগের সচিব বলেন, এমন হতে পারে যে সিলেবাসের পুরোটাই থাকবে, কিন্তু এক বছর এক অংশ থাকবে, পরের বছর অপর অংশ।

  • প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষক পদায়নে স্থবিরতা

    প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষক পদায়নে স্থবিরতা

    আইনি জটিলতায় আটকে গেছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ-পদোন্নতি কার্যক্রম। তাই সংকট নিরসনে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের চলতি দায়িত্বে বসানোর সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় সেই কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়েছে।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে প্রায় ২০ হাজার প্রধান শিক্ষক সংকট রয়েছে। এ সংকটের কারণে সহকারী শিক্ষককে ওই পদের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে বলে শ্রেণিকক্ষে নানা সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান শিক্ষক ছাড়া বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজ সাধারণত সহকারী শিক্ষক চালিয়ে নিচ্ছেন। সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নিলে কর্মঘণ্টার বেশির ভাগ সময় ব্যস্ত থাকতে হয় প্রশাসনিক কাজে। ফলে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ব্যাহত হয়। এর মাশুল দিচ্ছে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা।

    এ সংকট থেকে উত্তরণের জন্য এক বছর আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের চলতি দায়িত্বে পদায়ন করার ঘোষণা দেন। এ প্রেক্ষিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের তালিকা পাঠাতে বলা হয়। সেই তালিকার ভিত্তিতে পদোন্নতিপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন জেলার প্রধান শিক্ষক শূন্য প্রতিষ্ঠানে পদায়ন কার্যক্রম শুরু করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক নেই এমন প্রায় ২০ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হযবরল অবস্থা হলেও গত এক বছরে মাত্র ১৫ জেলায় চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন করা হয়েছে। এসব জেলার মধ্যে ২০১৭ সালের ২৩ মে ঢাকা মহানগরে ৮৭ জন, ১২ জুলাই ভোলার ১১৬ জন, ২২ জুলাই লক্ষ্মীপুরে ১১৭ জন, ২৫ অক্টোম্বর মেহেরপুরে ৭৮ জনকে প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে ১৮ জানুয়ারি নেত্রকোনায় ৩১৬ জন, ৮ ফেব্রুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে ২৭৬ জন, ১৩ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়ায় ১৫২ জন, ২৭ ফেব্রুয়ারি মানিকগঞ্জে ২৬৮ জনকে পদায়ন করা হয়।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, চলতি দায়িত্ব কার্যক্রমে নানা ধরনের অনিয়ম ওঠায় ডিপিই থেকে পদায়নের দায়িত্ব মাঠ পর্যায়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রণালয়। জ্যেষ্ঠতা নির্বাচনে অনিয়ম করা হয়েছে উল্লেখ করে অনেক শিক্ষক আদালতে মামলাও করেছেন। এরপর চলতি বছরের মার্চে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে মাঠ পর্যায়ে পদায়নের দায়িত্ব দেয়া হয়। সেই নির্দেশনা মোতাবেক কিশোরগঞ্জে আংশিক ১৯৪ জন, শেরপুরে ১৭০ জন, ময়মনসিংহে ৫৯২ জন, দিনাজপুরে ৫৬৮ জন, মাগুরায় ১২৪ জন, যশোরে ৩৮০ জন এবং গোপালগঞ্জে ১৯১ জনকে চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক পদে বসানো হয়।

    ডিপিই থেকে জানা গেছে, বর্তমানে কুমিল্লা, সিরাজগঞ্জ, পঞ্চগড়, সুনামগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুড়িগ্রাম, বগুড়া, নোয়াখালী ও কিশোরগঞ্জের চার উপজেলার জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের তালিকা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা ও ফরিদপুরের তালিকা যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। টাঙ্গাইল, সাতক্ষীরা, জয়পুরহাট ও ঝালকাঠির ফাইল চলমান। জামালপুর, মাদারীপুর, বাগেরহাট, বরিশাল, পটুয়াখালী, হবিগঞ্জ, চট্রগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, চাঁদপুর, শরীয়তপুর, চাপাইনবাবগঞ্জ, রাজবাড়ী, নাটোর খাগড়াছড়ি, নীলফামারী ও মুন্সীগঞ্জসহ ১৭ জেলার তালিকা যাচাই-বাছাই চলছে। ঢাকা, গাজীপুর, রংপুর, ঝিনাইদহ, পিরোজপুর, নওগাঁ, রাজশাহী, ঝালকাঠি, বরগুনা, খুলনা, গাইবান্ধা ও লালমনিরহাটসহ ১২ জেলার গ্রেডেশন তালিকা পাওয়া গেছে। পর্যায়ক্রমে তালিকা তৈরি করা হবে। সিলেট, মৌলভীবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, পাবনা, নড়াইল, কক্সবাজার ও ফেনীসহ আট জেলার তথ্য-উপাত্তে কিছু ভুল পাওয়া গেছে। তা সংশোধনের জন্য জেলায় ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আগামী ৩০ মে’র মধ্যে বাকি জেলার জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের তালিকা পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।

    ডিপিই’র একাধিক কর্মকর্তা জানান, প্রতি সপ্তাহে দুটি করে জেলায় প্রধান শিক্ষক পদে চলতি দায়িত্বে বসানের প্রজ্ঞাপন জারি করার কথা থাকলেও নানা কারণে এ কাজে বিলম্ব হচ্ছে। অধিকাংশ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের পাঠানো তথ্যে নানা ভুল-ভ্রান্তি থাকছে। তা আবারো সেই জেলায় পাঠানো হয়, তারপর তা সংশোধন করে পাঠানো হয়। তারা জানান, এ কার্যক্রমে একটি জেলার ফাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালকসহ একাধিক কর্মকর্তার শতাধিক সাক্ষর প্রয়োজন হয়। কেউ ছুটিতে থাকলে ফাইল আর উপরে-নিচে উঠা-নামা করে না। অনেকে আবার দীর্ঘদিন ছুটিতে থাকায় পুরো প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে পড়ে। এরপর তালিকা চূড়ান্ত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলে সেখানেও অনেক সময়ক্ষেপণ হয়। এসব কারণে চলতি দায়িত্বে পদায়নের কাজে স্থবির অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

    জানা গেছে, আইনি জটিলতায় ২০১১ সাল থেকে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ হয়ে গেছে। প্রধান শিক্ষক পদ দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় বিধি মোতাবেক নিয়োগ ও পদোন্নতি সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অধীনে চলে যায়। নিয়ম অনুযায়ী, এ পদে ৩৫ শতাংশ সরাসরি নিয়োগ ও ৬৫ শতাংশ জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পদোন্নতি দেয়ার কথা থাকলেও নিয়োগ বিধি না থাকায় ২০১১ সাল থেকে পদোন্নতি বন্ধ রয়েছে। সারা দেশের ৬৪ হাজার সরকারি বিদ্যালয়ের মধ্যে ২০ হাজারই চলছে প্রধান শিক্ষক ছাড়া। সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া সম্ভব হলেও আইনি জটিলতার কারণে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছে না মন্ত্রণালয়। অন্যদিকে প্রতি বছর পিএসসি আয়োজিত বিসিএস পরীক্ষার নন-ক্যাডার থেকে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করা হলেও তা পর্যাপ্ত নয়। শুধু তাই নয়, যাদের সুপারিশ করা হচ্ছে তাদের অনেকে অন্য দফতর, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানে যোগদান করায় তাদেরও পাওয়া যাচ্ছে না।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এফ এম মনজুর কাদির  বলেন, প্রধান শিক্ষকের পদ দ্বিতীয় শ্রেণি হওয়ায় বিধি মোতাবেক পিএসসি’র মাধ্যমে নিয়োগ ও পদোন্নতি দেয়া হচ্ছে। ফলে এ প্রক্রিয়ায় নানা জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, পিএসসি’র একটি বিসিএস প্রক্রিয়া শেষ করতে দুই বছর পার হচ্ছে। সেখান থেকে নন-ক্যাডারে কিছু সুপারিশ আসলেও তাদের পাওয়া যাচ্ছে না। তাই এ প্রক্রিয়া বিকেন্দ্রীকরণ করে নিয়োগ দেয়া জরুরি। বর্তমানে পদোন্নতি প্রাপ্তদের চলতি দায়িত্ব প্রধান শিক্ষক পদে বসিয়ে এ সমস্যা দূরীকরণের চেষ্টা চলছে। এছাড়া শিক্ষক নিয়োগে জাতীয়ভাবে একটি কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও বলেন, প্রতিটি কাজের জন্য একটি নির্ধারিত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়। চলতি দায়িত্ব দেয়ার ক্ষেত্রেও তা করতে হচ্ছে। তবে এ প্রক্রিয়া আরও সহজ করা প্রয়োজন। ডিপিই থেকে তালিকা পাঠানোর পরবর্তী এক সপ্তাহের মধ্যে তা চূড়ান্ত করা হয় বলে জানান এ অতিরিক্ত সচিব।

  • রেজিষ্ট্রেশন কার্ড না আসায় জরিমানা ধার্য্য : বরিশালে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

    রেজিষ্ট্রেশন কার্ড না আসায় জরিমানা ধার্য্য : বরিশালে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

    বরিশাল :

    পূর্বের ভর্তি বাতিল করে নতুন সেশনে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের রেজিষ্ট্রেশন কার্ড না আসায় বিপাকে পড়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা। তাদের প্রত্যেকের মাথাপিছু ১০ হাজার ৭’শত টাকা জরিমানা ধার্য্য করেছে কর্তৃপক্ষ।

    এই ঘটনার প্রতিবাদে  বৃহষ্পতিবার (২৪ মে) বেলা ১২টায় বরিশাল নগরের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে সদর রোডে মানববন্ধন করেছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা।

    শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তারা কলেজ থেকে পূর্বের সেশনে ভর্তি বাতিল করেই পরের সেশনে ভর্তি হয়েছেন। এতে কলেজ কর্তৃপক্ষও তাদের কাছ থেকে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা গ্রহণ করেছে। কিন্তু কলেজ থেকে আদৌ ভর্তি বাতিল করা হয়নি। এতে রেজিষ্ট্রেশন কার্ড না আসায় বিপুল পরিমান টাকা জরিমানা ধার্য্য করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। তারা তাদের উপর ধার্য্যকৃত জরিমানা বাতিল ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড পাওয়ার জন্য দাবী জানিয়েছেন।

    মানববন্ধন শেষে নগরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

  • বাঁধন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের ইফিতার ও দোয়া মাহফিল- ২০১৮

    বাঁধন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের ইফিতার ও দোয়া মাহফিল- ২০১৮

    ২৪ মে ২০১৮ স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন বাঁধন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিট এর ইফতার ও মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে। প্রতি বছরের মতন এবার ও সংগঠনটি অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের নিয়ে ইফতার মাহফিল করেছে।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের স্বেচ্ছায় রক্তদাতাগণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিগণ এক সাথে ইফতার করেন। ওয়াহিদুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় এবং মুজাহিদুল ইসলাম তিমু’র সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির শিক্ষক উপদেষ্টা জনাব উজ্জ্বল হোসেন, প্রভাষক উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ জনাব মোঃ সিরাজিস সাদিক, প্রভাষক লোক প্রশাসন বিভাগ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। ছাত্র উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ এমদাদুল হক এবং অনুপ চক্রবর্তী।

    ইফতার মাহফিলে সকল মুমূর্ষু মানুষের রোগমুক্তি এবং এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কাজের আরো সম্প্রসারণ এর জন্য দোয়া করা হয়।

    উল্লেখ্য  বাঁধন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিট বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এর অন্যতম প্রধান একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যারা স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে মুমূর্ষু মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য বিনামূল্যে মানুষদের রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করে জানিয়ে দেওয়া, স্বেচ্ছায় রক্তদানে উদ্বুদ্ধকরণ এবং রক্তদান সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক নানান কর্মসূচী পরিচালনা করে থাকে।

  • কর্মসূচিতে না যাওয়ায় মধ্যরাতে ৩৫ ছাত্রকে পেটাল ছাত্রলীগ

    কর্মসূচিতে না যাওয়ায় মধ্যরাতে ৩৫ ছাত্রকে পেটাল ছাত্রলীগ

    কর্মসূচিতে না যাওয়ায় ও গেস্টরুমে দেরি করে উপস্থিত হওয়ায় মধ্যরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ৩৫জন ছাত্রকে পিটিয়েছে ছাত্রলীগ কর্মীরা। বুধবার দিবাগত রাত ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মাসুদ লিমনের অনুসারীরা এই ঘটনা ঘটায়।
    জানা যায়, বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম সমন্বয় পরিষদের এক বিক্ষোভ সমাবেশ ছিল। হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লিমন এই কর্মসূচিতে তার অনুসারীদের যাওয়ার নির্দেশ দেন। কিন্তু প্রথম বর্ষের কম সংখ্যক অনুসারী ওই কর্মসূচিতে হাজির হন। এতে রাতে ১১টায় হলের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রলীগ কর্মীরা হল সাধারণ সম্পাদক লিমনের নির্দেশনা ছাড়াই হলের ২০৮ নম্বর কক্ষে গেস্টরুমে আহ্বান করেন। ওই গেস্টরুমে প্রথম বর্ষের কয়েকজন দেরি করে উপস্থিত হন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রলীগ কর্মীরা উপস্থিত প্রায় ৩৫জনের সবাইকে এলোপাতাড়ি লাথি, কিল, ঘুষি মারতে থাকেন। মুনতাসির, স্মরণ, মাহিন, ইসতিয়াক, আলআমিন, সজীব, সাকিন এদের নেতৃত্বে আরও কয়েকজন ছাত্রলীগকর্মী প্রথম বর্ষের ছাত্রদের থেমে থেমে দেড় ঘণ্টা ধরে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা মারধরের কথা স্বীকার করেছেন।
    মারধরকারী ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের মুনতাসির, পপুলেশন সাইয়েন্স বিভাগের স্মরণ ও হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লিমন ছাত্রদের মারধর করার কথা স্বীকার করেন।
    এ বিষয়ে হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মাসুদ লিমন বলেন, রমজান মাসে গেস্টরুম করার নির্দেশ ছিল না। ছাত্রদের মারধর করা ঠিক না। আমি এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিব।
    এ বিষয়ে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জিয়া রহমান ও প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রাব্বানীকে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তারা রিসিভ করেন নি।
  • লোক প্রশাসন বিভাগে SWAP নির্বাচন সম্পন্ন

    লোক প্রশাসন বিভাগে SWAP নির্বাচন সম্পন্ন

    অনুপ চক্রবর্তী:

    বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মাধ্যমে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের Student Welfare Association of Public Administration (SWAP) নির্বাচন আজ সম্পন্ন হয়েছে।

    বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের নানামুখী উন্নয়ন সাধনের উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করবে এই প্রতিষ্ঠান। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্য বিভাগ গুলোতেও এ ধরণের কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান থাকলে কোন বিভাগেই এভাবে শতভাগ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধি বাছাই এই প্রথম। গত ১৯ মে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কর্তৃক নির্বাচনী বিধিমালা এবং তফসিল ঘোষণা করে বিভাগের ছ’টি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন পদের জন্য মনোনয়নপত্র আহ্বান করেন।

    মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে ২২ মে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। সকাল ১২ টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় এর ২০১৭ নম্বর কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জনাব রিফাত মাহমুদ, সহকারী অধ্যাপক, লোক প্রশাসন বিভাগ এবং নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য শিক্ষক মহোদয়ের উপস্থিতিতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়।

    বিভাগের সকল ব্যাচের সকল শিক্ষার্থী এ নির্বাচনের বৈধ ভোটার হিসাবে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানের জন্য বিভিন্ন প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য ভোট দেন। বিকাল ৩ টা পর্যন্ত চলা এই নির্বাচনে বিভাগের প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থীদের ভিতর ৩১৭ জন শিক্ষার্থী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

    আগামি ২৭ তারিখ, রবিবার বিভাগের ইফতার মাহফিলের দিনে এই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

  • বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুস

    বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুস

    বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেলেন মোহাম্মদ ইউনুস। সোমবার (২১ মে) মহামান্য রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের আদেশক্রমে সিনিয়র সহকারি সচিব ফাতেমা তুল জান্নাত স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

    মোহাম্মদ ইউনুস মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের বরিশাল অঞ্চলের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্বরত রয়েছেন।

    ওই প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে- পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।

    এর আগে বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হককে গত মাসে ঢাকা বোর্ডে বদলি করা হয়। তিনি সেখানে যোগদানের পরে এই বোর্ডে চেয়ারম্যানের পদটি দীর্ঘদিন যাবত শূন্য ছিল বলে জনিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

    বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হয়েছেন অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস। তিনি বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত সরকারি কলেজের শিক্ষক। বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে তাকে বদলিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

    সোমবার (২১ মে) মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশকক্রেম শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    দুই মাস শূন্য থাকার পর বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হল। গত ১৯ মার্চ বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হককে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হলে বরিশাল বোর্ডের চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হয়।

    বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকল্প সেসিপের বরিশাল অঞ্চলের পরিচালক ছিলেন।’

  • কোটার প্রজ্ঞাপন দাবিতে দ্বিতীয় দিনে ধর্মঘটে ছাত্ররা

    কোটার প্রজ্ঞাপন দাবিতে দ্বিতীয় দিনে ধর্মঘটে ছাত্ররা

    প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথার বিলুপ্তির প্রজ্ঞাপন চেয়ে দেশের সকল কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ধর্মঘট পালন করছে শিক্ষার্থীরা।

    মঙ্গলবার সকাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও ক্লাস বর্জন করে এ ধর্মঘট পালন করছে শিক্ষার্থীরা। তবে কয়েকটি বিভাগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

    এর আগে গত রোববার বিক্ষোভ শেষে অনির্দিষ্টকালের ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দেয় কোটা সংস্কারের দাবিতে গঠিত শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে বেশ কয়েক দফায় অাল্টিমেটাম শেষে গত রোববার এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

    গতকালও (সোমবার) ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের পাশাপাশি বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা। ৬ ঘণ্টা অবরোধ করা হয় শাহবাগ মোড়। অবরোধ শেষে সন্ধ্যা ৭টায় বিক্ষোভ কর্মসূচি স্থগিত করে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেয় আন্দোলনকারীদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুলহক নুর।

    আন্দোলনকারীদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বলেন, আমরা কোটা সংস্কার চেয়েছি। সরকার চাইলে সেটি একেবারেও বাতিল করতে পারে। আবার সংস্কারও করতে পারে। তবে আমাদের ৫ দফার ভিত্তিতে সংস্কার করতে হবে।

    এদিকে গতরাতে আন্দোলনকারীদের ফেসবুক ভিত্তিক ‘কোটা সংস্কার চাই (সকল চাকরি পরীক্ষায়)’ গ্রুপটি হ্যাক হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। তবে সকাল নাগাদ সেটি উদ্ধার করা হয়েছে।

  • ছাত্রলীগের কারণে রাবি প্রশাসনের লক্ষাধিক টাকা লোকসান

    ছাত্রলীগের কারণে রাবি প্রশাসনের লক্ষাধিক টাকা লোকসান

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আম ও লিচুর ৩টি বাগান বিনা টেন্ডারে দখল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। শুধু দখলই নয় বাগানের সব লিচু স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে তারা। প্রতি বছর বাগানগুলোর টেন্ডার থেকে বেশ কিছু টাকা আয় করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কিন্তু এবছর ছাত্রলীগের অবৈধ দখলদারিত্বে প্রায় লক্ষাধিক টাকা লোকসান হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, এই বেআইনিভাবে যারা বাগানগুলো দখল করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রয়োজনে তদন্ত কমিটিও করা হবে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরের ৭টি আম-লিচু বাগানের মধ্যে ৪টির টেন্ডার হলেও বাকি তিনটির টেন্ডারের জন্য পর পর তিনবার বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। প্রথম বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয় গত ১৩ মার্চে। এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ৮ এপ্রিল ও ২৫ এপ্রিল তারিখে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। তৃতীয় ও শেষ বিজ্ঞপ্তির আবেদনের সময়সীমা গত ৩০ এপ্রিলে শেষ হয়। এরপরও কোনো আবেদনপত্র জমা পড়েনি। যেহেতু তিনবারের বেশি কোটেশন বিজ্ঞপ্তি দেয়ার নিয়ম নেই তাই টেন্ডারবিহীন থেকে যায় সেই তিনটি বাগান।

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বাগানগুলোর টেন্ডারের জন্য অনেকেই আবেদনের জন্য এসেছিল। কিন্তু ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের আবেদনপত্র জমা দিতে বাধা দেয়ায় বাইরের কেউ আবেদন করতে পারেনি। এরপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ৩টি বাগান লিজ নেয়ার জন্য ৩ হাজার টাকা জমা দিতে চেয়েছিল। কিন্তু প্রশাসনের কাছে সেই আবেদন গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় তৎক্ষণাত ফিরিয়ে দেয়। অবশেষে লিজ ছাড়াই সেই বাগানগুলো দখলে নেয় ছাত্রলীগ।

    কৃষি প্রকল্পের এক কর্মকর্তা বলেন, তিনবার বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার পরেও কোনো আবেদনপত্র জমা না পড়ায় নির্বাহী আদেশের জন্য টেন্ডারের ফাইল উপ-উপাচার্যের কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত সেই ৩টি বাগান কেউ টেন্ডার পায়নি।

    এদিকে প্রশাসনের কাছে টেন্ডারের আবেদনপত্র ও জামানত কিছু জমা না দিলেও গাছের লিচু পেড়ে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে ছাত্রলীগের নেতারা। প্রতিদিনই বিভিন্ন গাছের লিচু পেড়ে স্থানীয় ছেলেদের দিয়ে বিক্রি করাচ্ছেন শাখা ছাত্রলীগের তিনজন নেতা। এর পাশাপাশি ছাত্রলীগের গার্ডরা গাছের নিচে অনুপস্থিত থাকলেই শিক্ষার্থীরাও লিচু পেড়ে খাচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে ছাত্রলীগ নেতাদের চোখে ধরা পড়লেই শিক্ষার্থীদের নানা রকম হুমকি ও গালিগালাজ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন শিক্ষার্থীরা।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর বাজারে মনির নামের স্থানীয় এক ছেলে লিচু বিক্রি করছে। প্রতি কেজি লিচু ২৪০ টাকা দামে বিক্রি করছে সে। তার বাড়ি বিনোদপুরেই।

    মনির জানান, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা সারোয়ার আমাকে লিচু বিক্রির দায়িত্ব দিয়েছে। আমরা কয়েকজন মিলেই লিচু বিক্রির কাজ করছি। এর বিনিময়ে প্রতিদিন লিচু ও মজুরি হিসেবে টাকা দেয়া হয়।’

    আম-লিচু বাগান দখলের সাথে জড়িত শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সারোয়ার হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমরা বাগানগুলোর টেন্ডারের জন্য আবেদন করেছিলাম। যেহেতু অন্য কেউ টেন্ডার নেয়নি, তাই আমাদের আমাদের আবেদনই গ্রান্টেড হবে বলে মনে করেছিলাম।

    তবে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বাগানগুলো থেকে প্রকাশ্যে লিচু পাড়তে দেখা গেলেও বরাবরই লিচু বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন তারা।

    এ প্রসঙ্গে সারোয়ার হোসেন বলেন, ছাত্রলীগের কেউ লিচু বিক্রির সাথে জড়িত না। স্থানীয় ছেলেরাই হয়তো এই কাজ করে ছাত্রলীগের নাম বলছে।’

    জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা বলেন, বাগানগুলো দখল করার পরে আমাদের কাছে কয়েকজন আবেদন করেছিল। তাদের সেই আবেদনও আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় তাদের ফিরিয়ে দিয়েছিলাম। কারণ তারা আমাদের না জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বাগানগুলো দখলে নিয়েছে। একজন শিক্ষার্থী কিভাবে একাজ করতে পারে তা আমাদের বুঝে আসে না। তাই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলরকে আমি নোট দিয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ নষ্টকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসন অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করবে। প্রয়োজনে তদন্ত কমিটি করে বিষয়টি তদন্ত করা হবে।

  • একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হচ্ছে ১৩ মে, ক্লাস শুরু ১ জুলাই

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হচ্ছে ১৩ মে, ক্লাস শুরু ১ জুলাই

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ১৩ মে থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ২৪ মে পর্যন্ত। জুনের মধ্যে ভর্তির কাজ শেষ করে আগামী ১ জুলাই থেকে ক্লাস শুরু হবে।

    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরদিন আজ সোমবার ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    এবারও একাদশ শ্রেণিতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। ভর্তির জন্য একজন শিক্ষার্থীকে অনলাইনে কমপক্ষে পাঁচটি ও সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য পছন্দক্রম দিয়ে আবেদন করতে হবে। এর মধ্যে শিক্ষার্থীর ফল ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য নির্বাচন করে দেওয়া হয়।

    অনলাইনে আবেদন করতে হবে www.xiclassadmission.gov.bd ঠিকানায়। এসএমএস করতে হবে টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে। অনলাইনে ১৫০ টাকা দিয়েই ৫ থেকে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করা যাবে। তবে এসএমএসের জন্য প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ১২০ টাকা করে ফি দিতে হবে।

    প্রথম পর্যায়ে ১৩ মে থেকে ২৪ মে পর্যন্ত আবেদন করতে হবে। তবে ফল পুনর্নিরীক্ষণে যাদের ফল পরিবর্তন হবে, তাদের আবেদন আগামী ৫ ও ৬ জুন গ্রহণ করা হবে। প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১০ জুন। এবার শিক্ষার্থী ভর্তির নিশ্চায়ন না করলে নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হবে। এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হবে ১৯ ও ২০ জুন। দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে ২১ জুন। তৃতীয় পর্যায়ে আবেদন গ্রহণ করা হবে ২৪ জুন। এই পর্যায়ের ফল প্রকাশ হবে ২৫ জুন। প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনসহ (মাইগ্রেশন) অন্যান্য কাজ শেষ করে ২৭ জুন থেকে ৩০ জুনের মধ্যে ভর্তির কাজ শেষ করা হবে।

    এবার বিভাগীয় ও জেলা সদরের কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানে শতভাগ আসন মেধার ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। তবে মেধার ভিত্তিতে ভর্তির পর যদি বিশেষ অগ্রাধিকার কোটার কোনো আবেদনকারী থাকে, তাহলে মোট আসনের অতিরিক্ত হিসেবে নির্ধারিত কোটায় শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে। বিভিন্ন ধরনের অগ্রাধিকার কোটা আছে ১১ শতাংশ। তবে এবার এসব কোটায় যদি প্রার্থী না পাওয়া যায়, তবে এ আসনগুলোর আর কার্যকারিতা থাকবে না। আগে এসব কোটায় প্রার্থী না পাওয়া গেলে আসনগুলো সাধারণ কোটার প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করা হতো।
    স্কুল অ্যান্ড কলেজের ক্ষেত্রে নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভর্তি হবে। এলাকাভেদে ভর্তির ফিও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।