Category: শিক্ষাঙ্গন

  • বিএম কলেজের ৬ ছাত্রলীগ কর্মীকে হল ছাড়ার নির্দেশ

    বিএম কলেজের ৬ ছাত্রলীগ কর্মীকে হল ছাড়ার নির্দেশ

    বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের ডা. বনমালী গাঙ্গুলী ছাত্রী নিবাসে আবাসিক বাসিন্দা ৬ ছাত্রলীগ কর্মীকে হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. শফিকুর রহমান সিকদার শুক্রবার সকালের মধ্যে ওই ছাত্রীদের হলত্যাগের নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় অন্যান্য আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

    ডা. বনমালী গাঙ্গুলী ছাত্রী নিবাসের আবাসিক বাসিন্দা কথিত ছাত্রলীগ নেতা ফারজানা আক্তার ঝুমুর। ছাত্রী নিবাস সূত্র জানায়, বিভিন্ন সময় নানা অজুহাতে অন্যান্য আবাসিক শিক্ষার্থীদের উপর মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতন করতো সে। অনেককে অনৈতিক কাজে প্রলোভন দেখানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব ঘটনায় হয়ে সাধারণ আবাসিক শিক্ষার্থীরা গত ২১ এপ্রিল কলেজ অধ্যক্ষের কাছে ঝুমুরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করে। লিখিত অভিযোগ দেওয়ায় আরও ক্ষিপ্ত হয় ঝুমুর। এ ঘটনায় সব শেষ ২২ এপ্রিল সাধারণ শিক্ষার্থীরা কর্তৃপক্ষের কাছে দ্বিতীয় দফায় ঝুমুরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেয় এবং তাকে হল থেকে বহিস্কারের দাবি জানায়। এ ঘটনা নিয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে দ্বন্ধে জড়িয়ে পড়ে ঝুমুর। এক পর্যায়ে অন্যান্য আবাসিক শিক্ষার্থীরা একজোট হয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় ঝুমুরকে বেদম মারধর করে এবং তার বিছানাপত্র পুড়িয়ে দেয়। ওই ঘটনার পর থেকে ঝুমুর হলের বাইরে রয়েছে।

    এ ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কমিটির কাজে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ওঠে দুই পক্ষের বিরুদ্ধে। এ কারণে কর্তৃপক্ষ ঝুমুরকে হলে ফিরতে নিষেধ করে। নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে কর্তৃপক্ষ প্রতিপক্ষের আবাসিক ছাত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসি, রহিমা আফরোজ ইভা, ফাতিমা শিমু, শাকিলা আক্তার, তানজিলা আক্তার মিষ্টি ও শারমিন আক্তারকে হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়।

    ফাতেমা শিমু জানান, তদন্তের স্বার্থে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের আদেশ মেনে নিয়েছেন।

    তানজিলা আক্তার মিষ্টি জানান, অধ্যক্ষ তদন্তের স্বার্থে তাদের ছয় জনকে কয়েক দিনের জন্য হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তারা সুষ্ঠু তদন্তের জন্য হল ছেড়ে দিয়েছেন।

    বিএম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. শফিকুর রহমান সিকদার জানান, শিক্ষক কাউন্সিলের সভায় ওই মারামারির ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে জড়িতদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বরিশাল  বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী বহিষ্কার

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী বহিষ্কার

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) তিন শিক্ষার্থীকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের সভায় ‘উত্যক্ত ও উৎপীড়ণ’ এর অভিযোগে অভিযুক্ত ওই তিন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বুধবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিসের উপ-পরিচালক (চ.দা.) মো. ফয়সাল মাহমুদ রুমি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত শনিবার (২১ এপ্রিল) ববির ঢাকাস্থ লিয়াজোঁ অফিসে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৫৪তম সভা উপাচার্য প্রফেসর ড. এস এম ইমামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় “র্যাগিং” শব্দটি পরিহার করে এর বাংলা প্রতিশব্দ “উত্যক্ত ও উৎপীড়ণ” শব্দ ব্যবহার এবং এ জাতীয় হয়রানি ও উৎপীড়নমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে “জিরো টলারেন্স” নীতি অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের একই বিভাগের ২য় বর্ষের তিন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে করা “উত্যক্ত ও উৎপীড়ণ” এর অভিযোগে বিভাগীয় একাডেমিক কমিটি ও ডিনের সমন্বয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা সভা হয়।

    সভাশেষে ববি সিন্ডিকেট “উত্যক্ত ও উৎপীড়ণ” এর অভিযোগে অভিযুক্ত কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের তিন শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান শিফা,কল্যাণ হালদার ও মো. নাজমুল হাসানকে এক বছরের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। যে বিষয়টি সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে সতর্ক করার জন্য অভিযুক্তদের শাস্তির বিষয়টি নোটিশবোর্ডে টাঙিয়ে দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নেন। আর এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই তিন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।

  • কেন্দ্রে ঢুকে এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে মারধর

    কেন্দ্রে ঢুকে এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে মারধর

    বরগুনার আমতলীতে এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে ঢুকে  রেদওয়ান নামের এক পরীক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত নাঈম (২৫) আমতলী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বসিন্দা মো. মনিরুল ইসলাম টুকুর ছেলে।

    বুধবার সকালে আমতলীর বকুলনেছা মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

    আমতলী বকুলনেছা মহিলা কলেজ কেন্দ্রর সচিব ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মজিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

    আমতলী থানার ওসি শহিদ উল্যাহ জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকে পরীক্ষার্থীকে মারধরের খবর শুনে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।

  • শিক্ষকের কান্ডে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন ও মানববন্ধন

    শিক্ষকের কান্ডে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন ও মানববন্ধন

    শেখ সুমন:

    শিক্ষকের কুকৃতির প্রতিবাদ জানিয়ে ক্লাস বর্জনও মানববন্ধন করেছে বরিশালের পলাশপূর বৌবাজার এলাকার আলহাজ্ব দলিল উদ্দিন বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

    গতকাল সহকারী শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম নিয়োমিত ক্লাস নিতে গেলে শিক্ষার্থীরা শ্রেণী কক্ষ থেকে বেড়িয়ে বিদ্যালয়ের মাঠে অবস্থান নেয় এবং শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের শ্লোগান দিতে থাকে।এবং আজ মানববন্ধন করেন।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে,শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থী তাবাচ্ছুম জানান,রফিকুল ইসলাম শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের সময় তিনি বিভিন্ন ধরনের অশ্লীল কথা বলেন।শাস্তি দেওয়ার নামে শিক্ষার্থীদের গায়ে হাত দেন। আরেক শিক্ষার্থী সাদিয়া জানান, শিক্ষক রফিকুল ইসলাম তাদেরকে মারধর করেন।তাদের সাথে অশ্লীল ও অশালীন ব্যাবহার করেন।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী এই প্রতিবেদককে জানান, রফিক স্যারের বাসায় কোচিং করার সময় রফিক স্যার তার গায়ে হাত দিতো।পায়ের সাথে পা লাগাতো এবং বিভিন্ন সময়ে তাকে স্পর্শ করতো। এ ব্যাপারে ঐ শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে অভিযোগ করেন।

    বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ জসিমউদ্দিন জানান, রফিকুল ইসলাম একজন অর্থ আত্মসাৎ কারী এবং অসৎ চরিত্রের ।তিনি শিক্ষার্থীদের সাথে বাজে ব্যাবহার করেন।

    আরেকজন শিক্ষক শামিমা ফেরদৌস বলেন, রফিকুল ইসলাম একজন নারী লোভী।অসৎ চরিত্রের।আমরা তার সাথে একত্রে কাজ করতে পারবোনা।

    প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক,কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে।তার অব্যাহতি দাবি করছে।

    স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রিয়াজুল কবীর বলেন,আমি শিক্ষক,কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি।আমি কমিটির সাথে বসে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যাবস্থা নিবো।আমি ইতিমধ্যেই তাকে ক্লাস নিতে নিষেধ করেছি।

    প্রসংগত, রফিকুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানি করেন।বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।বিদ্যালয় থেকে এক লক্ষ পঁচিশ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।এবং কিছুদিন আগে এক প্রবাসীর স্ত্রী ও প্রাত্তন ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যান।বিভিন্ন মহিলাদের সাথে পরোকীয়ায় আসক্ত আছেন শিক্ষক রফিকুল ইসলাম।তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা রয়েছে।

  • বরিশাল বিএম কলেজ ছাত্রলীগ নেত্রীকে মারধর ; বিছানাপত্রে অগ্নিসংযোগ

    বরিশাল বিএম কলেজ ছাত্রলীগ নেত্রীকে মারধর ; বিছানাপত্রে অগ্নিসংযোগ

    বরিশাল ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের বনমালী গাঙ্গুলী ছাত্রীনিবাসের এক ছাত্রীকে মারধর ও বিছানাপত্রে অগ্নিসংযোগ করে ছাত্রীনিবাস থেকে বের করে দিয়েছে প্রতিপক্ষ ছাত্রীরা। রোববার বিকাল সাড়ে ৫টায় ছাত্রীরা বিক্ষোভের এক পর্যায়ে ফারজানা আক্তার ঝুমুরের বিছানাপত্র এনে ছাত্রীনিবাস সংলগ্ন নতুন বাজার সড়কে অগ্নিসংযোগ করে। এর আগে দুপুরে ছাত্রীনিবাস থেকে ঝুমুরের বহিস্কারের দাবী করে কলেজ অধ্যক্ষর কাছে স্মারকলিপি দেয় তারা। এনিয়ে ছাত্রীনিবাসের উত্তেজনা সৃস্টি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঝুমুরকে নিয়ে ছাত্রীনিবাসে প্রবেশ করে। ছাত্রীদের উভয় গ্রুপ ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।
    ঝুমুরের প্রতিপক্ষ গ্রুপের ছাত্রীরা অভিযোগ করেছেন, ঝুমুর দীর্ঘদিন যাবত অন্যান্য ছাত্রীদের অনৈতিক কাজে জড়িত হতে চাপ প্রয়োগ করত। তার প্রস্তাবে রাজী না হলে সে ছাত্রীদের মারধর করে। এছাড়া ঝুমুর সাধারণ ছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা আদায়সহ ছাত্রীনিবাসে নৈরাজ্য সৃস্টি করতো। ঝুমুরের প্রতিপক্ষ গ্রুপ আরো জানায়, তার প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় গত ১ জানুয়ারি ২ নম্বর ভবনের ছাত্রী ঐশি ও ১৯ মার্চ শারমিনকে মারধর করেছে। ২০ নভেম্বর জান্নাত ও ইভা নামের দুই ছাত্রীকে মারধরের হুমকি দেয় সে। এসব অভিযোগ জানিয়ে রোববার দুপুরে ঝুমুরের বহিস্কারের দাবী করে কলেজ অধ্যক্ষ’র কাছে স্মারকলিপি দেন প্রতিপক্ষ গ্রুপের ছাত্রী শারমিন আক্তার, রহিমা আক্তার ইভা, ইসরাত জাহান, ফাতিমা, শাকিলা আক্তার ও মিষ্টি।
    কলেজ অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগপত্র জমা দিয়ে হোস্টেলে ঢুকে ফারজানা আক্তার ঝুমুরকে মারধর করে ও তার বিছানাপত্র পুড়িয়ে ফেলে প্রতিপক্ষরা। ফারজানার উপর হামলার খবরে বরিশাল কোতয়ালী থানা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার শাহানাজ পারভীন ও ওসি আওলাদ হোসেন মামুনসহ শতাধীক পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

     

    পরে বনমালী গাঙ্গুলী ছাত্রী নিবাসে উভয়পক্ষকে নিয়ে সমঝোতা বৈঠকে বসে পুলিশ ও কলেজ প্রশাসন।
    ঘটনার বিষয়ে ছাত্রীনিবাসের তত্ত্বাবধায়ক সহকারী অধ্যাপক এসএম শাহ আলম বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রীনিবাসে দু’দল ছাত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছে। এর জের ধরে রবিবার বিকালে ঝুমুরকে মারধর ও তার বিছানাপত্রে অগ্নিসংযোগ করে প্রতিপক্ষরা। পরে প্রশাসন ও কলেজ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সমস্যার সমাধান করা হয়।
    ঘটনার বিষয়ে কোতয়ালী থানা পুলিশের সেকেন্ড অফিসার সত্তরঞ্জন খাসকেল জানায়, বনমালী গাঙ্গুলী ছাত্রী নিবাসে ছাত্রীদের মধ্যে ঝামেলার সংবাদে থানার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। পরে কলেজ প্রশাসনকে সমাধান করবে এমন আশসে ফিরে আসে পুলিশ কর্মকর্তারা।

     

    ঘটনার বিষয়ে আহত ফারজানা আক্তার ঝুমুর জানায়, ছাত্রীরা হোস্টেলে বসে মাদক পান করে, আমি তার প্রতিবাদ করতে গেলে জান্নাত, ইভা, সারমিন ও ফাতেমা আমার উপর হামলা করে এবং আমার জামাকাপড় ও বিছানাপত্র রাস্তায় নিয়ে পুড়ে ফেলে। তিনি জানান, তার উপর হামলা করে তার কাছে থাকা একটি মোবাইল ফোন ও একটি চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তিনি আরও জানান, কলেজ প্রশাসন তাকে ২ থেকে ৩ দিনের জন্য হোস্টেলের বাহিরে থাকার জন্য বলে।

  • এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ৬ মে প্রকাশ হতে পারে

    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ৬ মে প্রকাশ হতে পারে

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ৬ মে প্রকাশ করা হতে পারে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা  এ কথা জানান।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক স্বপন কুমার সরকার বলেন, তাঁরা আগামী ৩ থেকে ৭ মের মধ্যে ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। এখন সরকারপ্রধান যেদিন সম্মতি দেবেন, সেদিন ফল প্রকাশ করা হবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা বলেন, ৪ ও ৫ মে ছুটির দিন । এ কারণে ৬ মে ফল প্রকাশের জন্য তাঁদের বলা হয়েছে। ৬ মে ফল প্রকাশ করা হবে, এটা ধরেই তাঁরা প্রস্তুতি শুরু করেছেন।

  • প্রতিটি উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে

    প্রতিটি উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে

    শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, দেশের প্রতি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ, ২৩টি জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং বিভাগীয় শহরে আরো ৪টি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।  আজ রবিবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইডিইবি) মিলনায়তনে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্ততায় তিনি এ কথা বলেন।

    নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, শিক্ষা আমাদের অগ্রাধিকার কিন্তু কারিগরি শিক্ষা হলো অগ্রাধিকারের অগ্রাধিকার। কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন সম্ভব নয়। ভিশন ২০২১ অর্জন করার লক্ষ্যে এবং দেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করতে কারিগরি শিক্ষা বিস্তারের কোনো বিকল্প নেই।

    তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্যে কারিগরি শিক্ষায় ১৪ শতাংশ ভর্তি হার নিশ্চিত হয়েছে। এই হার ২০২০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ ও ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ করার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও ডিজিটাইজেশনের লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। যুগোপযোগী জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন এবং শিক্ষা প্রশাসনের আধুনিকায়ন করা হয়েছে ।

    ন্যাশনাল স্কিলস ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল পুনর্গঠন করে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

    কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অশোক কুমার বিশ্বাস।

  • ৩৯তম বিসিএস : আবেদন সমস্যার সমাধানে পিএসসির হেল্পলাইন চালু

    ৩৯তম বিসিএস : আবেদন সমস্যার সমাধানে পিএসসির হেল্পলাইন চালু

    ৩৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার অনলাইন আবেদনসংক্রান্ত সমস্যার সমাধানের জন্য চারটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। টেলিটকের এই চারটি নম্বর হচ্ছে : ০১৫৫৫৫৫৫১৪৯-৫২। আজ রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দিয়েছে পিএসসি।

    পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারছেন প্রার্থীরা। আগামী ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। এ সময়ের মধ্যে অনলাইন আবেদনসংক্রান্ত কোনো সমস্যায় পড়লে তারা এ নম্বরে কথা বলে সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।

    সূত্রে আরো জানা গেছে, এ পরীক্ষায় আবেদনের জন্য সাধারণ পরীক্ষার্থীদের ৭০০ টাকা ফি দিতে হবে। তবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের ১০০ টাকা ফি দিতে হবে।

    স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এই বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে  ৪ হাজার ৫৪২ জন সহকারী সার্জন এবং ২৫০ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জন নেওয়া হবে। তবে এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

  • ছাত্রীদের ওপর নির্যাতনকারী এশার বাড়ি ঝিনাইদহে

    ছাত্রীদের ওপর নির্যাতনকারী এশার বাড়ি ঝিনাইদহে

    কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগে বহিষ্কৃত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হল ছাত্রলীগের সভাপতি ইফফাত জাহান এশার বাড়ি ঝিনাইদহে। গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ৩নং দিগনগর ইউনিয়নের দেবতলা গ্রামে। বর্তমান তারা পুরো পরিবার নিয়ে ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুরের জামতলায় বসবাস করেন। তার মা গৃহণী।

    বাবা মো. ইসমাইল হোসেন বাদশা সাবেক ঝিনাইদহ জেলা জাসদের সভাপতি ছিলেন। ২০০১ সালে শৈলকুপার গাড়াগঞ্জ একটি জনসভায় তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। পরে তাকে পিছনের ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমানে ইসমাইল হোসেন ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিববেশক বিষয়ক সম্পাদক এবং জেলা দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি)। তিনি আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর একটানা পিপির দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চার ভাই বোনের মধ্যে এশা তৃতীয়। তার দুই বোনের বিয়ে হয়ে গেছে ও সবাই ছোট ভাই ঝিনাইদহ সরকারি বালক বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণির ছাত্র।

    এশা ঝিনাইদহ সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে ২০১০ সালে মানবিক বিভাগ থেকে এসএসসি ও ২০১২ সালে ঝিনাইদহ সরকারি নুরুন্নাহার মহিলা কলেজ থেকে মানবিক বিভাগ নিয়ে এইচএসসি পাস করেন। এরপর ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। এশা ঢাকায় বসবাসের পর থেকে কিছুটা পাল্টিয়ে যান। আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান হিসাবে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগে যোগ দেন।

    ছাত্রলীগ নেত্রী এশার বাবা ইসমাইল হোসেন বাদশা দাবি করেন, আমার মেয়ে এশার বিরুদ্ধে অভিযোগ মিথ্যা করা হচ্ছে। সে ষড়যন্ত্রের স্বীকার। ভিসির বাসভবনে যারা হামলা করে মিথ্যা রটিয়েছে এটাও এমন মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তিনি শাস্তিমূলক ব্যবস্থার আগে পুরো বিষয়টি সঠিক ভাবে তদন্তের দাবি করেন।

    উল্লেখ্য, এক শিক্ষার্থীর ওপর নির্যাতনের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেত্রী এশাকে বহিষ্কার করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী।এর আগে তিনি এশাকে হল থেকে বহিষ্কারের আদেশ দেন। একইসাথে তাকে সুফিয়া কামাল হলের সভাপতি পদ থেকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

  • বাকেরগঞ্জে শিক্ষক কর্তৃক শিশু ধর্ষন- আটক

    বাকেরগঞ্জে শিক্ষক কর্তৃক শিশু ধর্ষন- আটক

    শেখ সুমন :

    নরপিশাচ শিক্ষকের লালসার শিকার হলো তৃতীয় শ্রেনির ছাত্রি আতিকা ইসলাম মিম(৭)। ঘটনাটি ১১ এপ্রিল বুধবার দুপুরে বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাঁড়িয়াল ইউনিয়নের কামারখালি বাজারে।

    ঘটনাসূত্রে জানা যায় কামারখালি বাজারে ইলিয়াস মাওলানা পরিচালিত ইসলামিক প্রি ক্যাডেট কিন্ডারগার্ডেন এর শিক্ষক শহিদুল ইসলাম (৫০)’র লালসার শিকার হন ঐ স্কুলের তৃতীয় শ্রেনির ছাত্রী মিম, ঘটনার জানাজানি হলে স্থানীয় জনগন উত্তমমধ্যম দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।

    এ ব্যাপারে ঘটনার সত্যতা শিকার করে শর্শি ফাঁড়ির ইনচার্জ মো: আনোয়ার হোসেন বলেন ধর্ষক শহিদুল ইসলাম কে আমরা হেফাজতে নিয়েছি তার বিরুদ্ধে নারী শিশু নির্যাতন ও ধর্ষনের অপরাধে মামলা রুজু করা হচ্ছে।