Category: শিক্ষাঙ্গন

  • ২ এপ্রিল শুরু এইচএসসি পরীক্ষা

    ২ এপ্রিল শুরু এইচএসসি পরীক্ষা

    উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা আগামী ২ এপ্রিল শুরু হবে। চলবে ১৩ মে পর্যন্ত। ১ এপ্রিল সরকারি ছুটি হওয়ায় একদিন পিছিয়ে পরীক্ষার রুটিন তৈরি করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    সূত্র জানায়, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আয়োজনে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড বা ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে পরীক্ষার রুটিন তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে প্রস্তাবিত রুটিনের সময়সূচি এক বা দুদিন আগে পিছে করা হতে পারে। প্রস্তাবিত রুটিন অনুযায়ী আগামী ২ এপ্রিল বাংলা প্রথম পত্র (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১৩ মে পর্যন্ত তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে। এরপর টানা পাঁচদিন চলবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।

    এ বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রায় ১২ লাখ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে। ঢাকা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবার কম্পিউটার বিষয়ে আলাদাভাবে পরীক্ষা আয়োজন করা হবে না। আইসিটি বিষয়ের মধ্যে কম্পিউটার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ কারণে প্রতি বছর এ পরীক্ষা মোট ৪৪ দিন ধরে আয়োজিত হলেও এবার দুদিন কমিয়ে ৪২ দিন পর্যন্ত চলবে এইচএসসি পরীক্ষা।

    জানা গেছে, এ বছর ঢাকা বোর্ডে মোট ৫৮টি কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রশ্নফাঁস ও নানা অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ায় গত বছরের চাইতে এবার মোট ছয়টি কেন্দ্র কমানো হয়েছে। বাতিল কেন্দ্রগুলো মধ্যে ড. শহীদুল্লাহ কলেজ, লালমাটিয়া মহিলা কলেজ, ধানমন্ডির নিউ মডেল কলেজ, ঢাকা ক্যান্ট গালর্স কলেজ, আবতাব নগরের ইমপেরিয়াল কলেজসহ আরো একটি কলেজ রয়েছে।

    ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার জাগো নিউজকে বলেন, চলতি বছর শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি পরীক্ষা রুটিন তৈরি করা হয়েছে। সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন দেয়া হলেই তা প্রকাশ করা হবে। তিনি আরও বলেন, প্রতি বছর ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়ে থাকে। কিন্তু এবার সেদিন স্টার সানডে হওয়ায় পরীক্ষার রুটিন একদিন পিছিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

  • প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তত্পর’

    প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তত্পর’

    শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তত্পর রয়েছে। যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের অপপ্রয়াস চালায় তাদের বিরুদ্ধেও ইতিমধ্যে মামলা করা হয়েছে। এ ধরণের অপরধের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের চার বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড কিংবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে।
    রবিবার সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সংসদে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
    নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষাসহ পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত তত্পর রয়েছে। তারা ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত একটি চক্রকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে এসেছে। শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, ইতিপূর্বে পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত কিছু অসাধু শিক্ষককেও আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অপরাধীদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র আপলোডকারীদের গ্রেফতার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মামলা করা হয়েছে।
    প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধে গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী সংসদকে জানান, প্রশ্নপত্র প্রণেতা সংশ্লিষ্ট বোর্ডে উপস্থিত থেকে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করছেন। প্রশ্নপত্র প্রণয়নকারীর ও পরিশোধনকারীর গোপনীয়তা রক্ষায় শপথ এবং এ বিষয়ে লিখিত অঙ্গীকারনামা নেওয়া হচ্ছে। অধিকাংশ বোর্ডের মডারেশন কক্ষে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র প্রণয়নকারী ও পরিশোধনকারী মনোয়নের ক্ষেত্রে সত্, যোগ্য মেধাবী এবং মাস্টার ট্রেনিংপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অগ্রাধিকার প্রদান করা হচ্ছে। বিজি প্রেসে প্রশ্নপত্র মুদ্রণের সঙ্গে জড়িতদেরকে গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারীতে রাখা হয়েছে।
  • বর্ষসেরা শিক্ষক অ্যাওয়ার্ড-২০১৮ এর জন্য মনোনীত হয়েছেন অধ্যাপক ড. মুসতাক আহমেদ

    বর্ষসেরা শিক্ষক অ্যাওয়ার্ড-২০১৮ এর জন্য মনোনীত হয়েছেন অধ্যাপক ড. মুসতাক আহমেদ

    ফিরোজ

    বর্ষসেরা শিক্ষক অ্যাওয়ার্ড-২০১৮ এর জন্য মনোনীত হয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুসতাক আহমেদ।

    গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ড. মুসতাক আহমেদকে এ পুরষ্কার দেওয়া হচ্ছে বলে মনোনয়ন কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়। আগামী ২৭-২৯ জানুয়ারি প্রতিবেশী দেশ ভারতের উত্তর প্রদেশের বারাবাংকি শহরে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক ৯ম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তাকে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে। এ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন বারাবাংকির সরকারি মুন্সি রঘুনন্দন প্রসাদ সরদার প্যাটেল মহিলা পিজি কলেজ এবং সাউথ এশিয়া ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। সম্মেলনের প্রথমদিন ২৭ জানুয়ারি ‘বেস্ট টিচার অফ দ্যা ইয়ার’ অ্যাওয়ার্ড-২০১৮ দেওয়া হবে।

    ড. মুসতাক আহমেদ ‘অ্যাকাডেমিক প্রোফাইল দেখে তারা তাকে অ্যাওয়ার্ড দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। একজন শিক্ষক হিসেবে এমন স্বীকৃতি পাওয়া খুবই আনন্দের। এটি তার বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গৌরবের বিষয়।

     

  • শিক্ষা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান

    শিক্ষা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান

    হুজাইফা রহমান :
    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের চলতি দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. মাহবুবুর রহমানকে। রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ নিয়োগ আদেশ জারি করে।
    বিসিএস সপ্তম ব্যাচের কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান ১৯৮৫ সালে রাজেন্দ্র কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। তিনি সরকারি বিএম কলেজ ও শরীয়তপুরের একটি মহিলা কলেজ শিক্ষকতা করেন। পরে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজে উপাধ্যক্ষ এবং একই কলেজে পাঁচ বছর অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে যোগ দেন তিনি। ১৯৭৮ সালে বাগেরহাট পিসি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮১ সালে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক ও ১৯৮২ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।
    রবিবার মাহবুবুর রহমান এই নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তার এ দায়িত্ব কোনো পদোন্নতি নয়। এ চলতি দায়িত্বের কারণে তিনি পদোন্নতিও দাবি করতে পারবেন না।  সংশ্লিষ্ট পদে নিয়মিত পদোন্নতির মাধ্যমে কর্মকর্তা নিয়োগ করা হলে এ চলতি দায়িত্বের আদেশটি বাতিল বলে গণ্য হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।
    মহাপরিচালকের পদটি সচিব পদ মর্যাদার প্রথম গ্রেডের কিন্তু বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে ১ম গ্রেডের কোনো কর্মকর্তা নেই। এ কারণে নিচের গ্রেডের শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের মহাপরিচালকের চলতি দায়িত্বে দেয়া হয়।
  • পরীক্ষা শুরুর ত্রিশ মিনিট আগে কেন্দ্রে না গেলে বাদ

    পরীক্ষা শুরুর ত্রিশ মিনিট আগে কেন্দ্রে না গেলে বাদ

    এসএসসি পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কেউ কেন্দ্রে প্রবেশ না করলে তাকে আর পরীক্ষাকক্ষে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইনের সভাপতিত্বে বুধবার সচিবালয়ে এক সভায় এই সিদ্ধান্ত হয় বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা আগে অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। অন্যথায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।

    নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

    আগামী ১ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসএসসি ও সমমানের তত্ত্বীয় বিষয়ের পরীক্ষা হবে।

    মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে পাবলিক পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকা বাধ্যতামূলক করার কথা গত বছরের ২৪ অক্টোবর জানায় সরকার।

  • এনায়েত উল্লাহ সরকারি বিদ্যালয়ে নতুন বই পেল ৩০০’শ জন শিক্ষার্থী

    এনায়েত উল্লাহ সরকারি বিদ্যালয়ে নতুন বই পেল ৩০০’শ জন শিক্ষার্থী

    তানজীল শুভ :

    শিক্ষা নিয়ে গড়বো দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ। এই শিক্ষা যেন আজ প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে পৌছে গিয়েছে। কেননা সরকার প্রতিবছরই এই শিক্ষাকে বেগবান করার জন্য প্রতিবছর অনেক বই বিনামূল্যে বিতরণ করে থাকেন।প্রতিবছরের ন্যায় এইবার ও বছরের শুরুতে সারাদেশব্যপী নতুন বই বিতরণ করা হয়।

    আর সারাদেশের মত এইবছর ও নতুন বই পেয়ে খুশিতে আত্মহারা বরিশালের অনেক আলোচিত প্রাইমারী স্কুল এনায়েত উল্লাত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা।১ জানুয়ারি সকাল ১০ ঘটিকার সময় শিক্ষর্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয় স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা , সভাপতি, জমির দাঁতা জনাবএস এম রফিক উল্লাহ সহ অন্যান্য শিক্ষিকা বৃন্দ।স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমরা চাই শিক্ষার্থীরা যেন নতুন বই পাওয়ার আনন্দে বই গুলো বাসায় রেখে না দিয়ে পড়তে বসে। এবং বই গুলো যত্ন করে রাখে। এবং প্রতিদিন স্কুলে আসে। তিনি গার্ডিয়ানদের উদ্দেশ্য করে বলেন। তারা যেন তাদের শিশুদের ভাল ভাবে দেখা শুনা করে যাতে করে তারা প্রতিদিন স্কুলে আসে এবং নিয়মিত ক্লাসের পড়া শিখে আসে। তাহলে তারা আরো ভাল ফলাফল করতে পারবে।সবশেষে তিনি সরকারকে কৃতজ্ঞতা জানান এবং শিক্ষার্থীদের উজ্জল ভবিষৎ কামনা করেন।

  • পরীক্ষায় মেয়ে দ্বিতীয় হওয়ায় শিক্ষক পেটালেন বাবা!

    পরীক্ষায় মেয়ে দ্বিতীয় হওয়ায় শিক্ষক পেটালেন বাবা!

    সিলেটে চতুর্থ শ্রেণীর এক ছাত্রী বার্ষিক পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান পাওয়ায় এক শিক্ষককে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছেন মেয়েটির বাবা। সোমবার জকিগঞ্জ উপজেলার গোটারগ্রাম ত্রিমোহনীতে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

    জানা যায়, স্থানীয় হাড়িকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী নাঈমা হক লস্করের রোল ছিল এক। গেল বার্ষিক পরীক্ষায় সে দ্বিতীয় হয়। এ নিয়ে গত রবিবার তার বাবা বদরুল হক লস্কর বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষকদের প্রতি উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। এ বিষয়ে গত সোমবার শিক্ষকরা বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোস্তাক আহমদ লস্করের কাছে বিচার দেন। তখন সেখানে থাকা বদরুল হক লস্কর বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবু সালমান শিব্বিরকে পিটিয়ে আহত করেন।

    সহকারী শিক্ষক আবু সালমান শিব্বির বলেন, জনসম্মুখে আমাকে পিটুনি দিয়েছেন বদরুল হক লস্কর। বিষয়টি মীমাংসার জন্য বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি চেষ্টা করছে।

    অভিযুক্ত বদরুল হক লস্কর বলেন, আমি বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার মান নিয়ে কথা বললে ওই শিক্ষক আমার উপর রাগান্বিত হয়ে খারাপ আচরণ করেন। তিনি আমাকে ঘুষি মারলে আমিও শিক্ষককে পাল্টা জবাব দেই।

    হাড়িকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহজাহান আলম বলেন, শিক্ষক আবু সালমান শিব্বির জনসম্মুখে লাঞ্ছিত হয়েছেন। এ ঘটনা দুঃখজনক।

    জকিগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দুস শহীদ তাপাদার বলেন, আমরা শিক্ষকের উপর নির্যাতনকারী অভিভাবকের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

    জকিগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার কাজী সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি অফিসের কাজে ঢাকায় রয়েছি। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করছেন এলাকার বিশিষ্টজনরা। সম্মানজনকভাবে সমাধান না হলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

  • ফলে ছন্দপতন : দায়ী প্রশ্ন ফাঁস ও নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি

    ফলে ছন্দপতন : দায়ী প্রশ্ন ফাঁস ও নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি

    প্রশ্ন ফাঁস ও খাতা মূল্যায়নে নতুন পদ্ধতির কারণেই জেএসসি-জেডিসি ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর ফলাফলে বড় প্রভাব পড়েছে। এ কারণেই কমেছে পাসের হার ও জিপিএ ৫। এবারের জেএসসি ও জেডিসিতে পাসের হার কমেছে প্রায় ১০ শতাংশ। আর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে কমেছে তিন শতাংশের বেশি।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্যায়ন পদ্ধতির পরিবর্তন, প্রশ্ন ফাঁস এবং খাতা দেখায় কড়াকড়ির কারণে এবারের জেএসসি-জেডিসি ও প্রাথমিক সমাপনীর ফল তুলনামূলক খারাপ হয়েছে। এসএসসি, এইচএসসিতেও মূল্যায়ন পদ্ধতি পরিবর্তন করায় পাসের হারে ধ্বস নামে। সেই প্রভাব জেএসসি-জেডিসি ও সমাপনীর ফলেও পড়েছে।

    শিক্ষাবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম  বলেন, খাতা মূল্যায়নে পরিবর্তন আনায় জেএসসি-জেডিসি ও সমাপনী পরীক্ষার ফলে বড় প্রভাব পড়ছে। এছাড়া প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছে। ফলাফলে এর প্রভাবও পড়েছে। কেন না পরীক্ষার্থী যখন শোনে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে তখন প্রস্তুতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তখন সে এক ধরনের আতংকের মধ্যে পড়ে যায়।

    তিনি আরও বলেন, এ পরীক্ষা কতটা প্রয়োজন তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এসব পরীক্ষায় মেধা যাচাই হচ্ছে না। বরং কোচিং-গাইডের বাণিজ্য জমে উঠছে। এ দুই পরীক্ষা বাতিল করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার বলেন, এবারে পরীক্ষার ফলাফলে সামগ্রিক পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে। এ বছরে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলও তুলনামূলকভাবে খারাপ হয়েছে। এসব হয়েছে নানা পরিবর্তনের ফলে। উত্তরপত্র মূল্যায়নে পরিবর্তন এসেছে। পরীক্ষায় বিভিন্ন সময় নানা বিষয় পরিবর্তন করা হচ্ছে। এখন শিক্ষকরা খাতা মূল্যায়নে বেশ সতর্ক। এসব কারণেই ফলাফলে ধারাবাহিক প্রভাব পড়ছে।

    তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. সিদ্দিকুর রহমান এ ফলাফলকে বিপর্যয় বলে মনে করেন না । তার মতে, গত পাঁচ-ছয় বছরে হাইব্রিড ফল প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের যোগ্যতার চেয়ে বেশি নম্বর দেয়া হয়েছিল। তাই জিপিএ প্রাপ্তি ও পাসের হার বেড়েছিল। এ বছরও যথাযথভাবে খাতা মূল্যায়ন হয়েছে বিষয়টা এমন নয়। তবে এবারের ফল সত্যের কাছাকাছি গেছে।

    এ শিক্ষাবিদ আরও বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রশ্ন পদ্ধতি প্রণয়ন, পরীক্ষা গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে নানা প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করা উচিত। এবার জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় পাস করেছে ৮৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৯১ হাজার ৬২৮ শিক্ষার্থী। সে হিসেবে এবার এ পরীক্ষায় পাসের হারে বড় পতন হয়েছে, সঙ্গে কমেছে পূর্ণাঙ্গ জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও।

    আট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে এবার পাসের হার ৮৩ দশমিক ১০ শতাংশ। আর মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৮৬ দশমিক ৮০ শতাংশ।

    গত বছর জেএসসি-জেডিসিতে সম্মিলিতভাবে ৯৩ দশমিক ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে। এর মধ্যে জেএসসিতে ৯২ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং জেডিসিতে ৯৪ দশমিক ২ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়। জেএসসি-জেডিসিতে এবার মোট এক লাখ ৯১ হাজার ৬২৮ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মধ্যে জেএসসিতে এক লাখ ৮৪ হাজার ৩৯৭ এবং জেডিসিতে সাত হাজার ২৩১ জন পূর্ণ জিপিএ পেয়েছে। জেএসসি-জেডিসি মিলিয়ে গত বছর দুই লাখ ৪৭ হাজার ৫৫৮ জন পূর্ণ জিপিএ পেয়েছিল।

    আর পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সমাপনী পরীক্ষায় ৯৫ দশমিক ১৮ শতাংশ ও ইবতেদায়ীতে ৯২ দশমিক ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে এ বছর। এর মধ্যে প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৬০৯ জন। আর ইবতেদায়ীতে ৫ হাজার ২৩ জন পূর্ণ জিপিএ পেয়েছে।

    গত বছর প্রাথমিক সমাপনীতে ৯৮ দশমিক ৫১ শতাংশ ও ইবতেদায়ীতে ৯৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল। প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২ লাখ ৮১ হাজার ৮৯৮ জন, আর ইবতেদায়ীতে ৫ হাজার ৯৪৮ জন। এ হিসাবে এবার পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হারের সঙ্গে সঙ্গে পূর্ণ জিপিএ পাওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে।

     

  • যেভাবে পাওয়া যাবে পিএসসি-জেএসসির ফল

    যেভাবে পাওয়া যাবে পিএসসি-জেএসসির ফল

    প্রথমিক সমাপনী পিএসসি ও অষ্টম শ্রেণির সার্টিফিকেট জেএসসি’র ফল প্রকাশ করা হয়েছে।এ বছর জেএসসিতে পাসের হার ৮৩ দশমিক ১০ শতাংশ আর জেডিসিতে পাসের হার ৮৬ দশমিক ৮০ শতাংশ। অন্যদিকে পিএসসিতে ৯৫ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং ইবতেদায়ীতে ৯২ দশমিক ৯৪ শতাংশ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।

    আজ শনিবার সকালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার প্রথমে ক্ষুদে শিক্ষার্থীর ফল প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেন। এরপর বেলা ১২টার দিকে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ প্রধানমন্ত্রীর হাতে জেএসসি-জেডিসির ফল তুলে দেন।

    শনিবার দুপুর ১টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী। আর দুপুর ২টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী।

    এরপরই শিক্ষার্থীরা বোর্ডের এবং মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে ও মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।

    যেভাবে পাওয়া যাবে ফল

    ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট ও দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জেএসসি এবং মাদ্রসা শিক্ষা বোর্ডের বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট সকল পরীক্ষা কেন্দ্র/শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ই-মেইল/ওয়েব মেইল) এবং এসএমএসের মাধ্যমে দুপুর আড়াইটায় একযোগে প্রকাশ করা হবে।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি পরীক্ষার্থীরা মোবাইল ফেনে এসএসএম, শিক্ষাবোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট www.educationboardresults.gov.bd এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারবেন।

    মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে জেএসসির ফল পেতে যেকোনো মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে JSC লিখে স্পেস দিয়ে নিজ বোর্ডের নামের প্রথম ইংরেজি তিন অক্ষর, স্পেস দিয়ে রোল নম্বর, স্পেস দিয়ে পাসের বছর 2017 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

    এসএমএসের মাধ্যমে জেডিসির ফল পেতে JDC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম ইংরেজি তিন অক্ষর (MAD), স্পেস দিয়ে রোল নম্বর, স্পেস দিয়ে পাসের বছর 2017 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

    প্রাথমিক-ইবতেদায়ি সমাপনীর ফল জানতে, প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনীর ফলwww.dpe.gov.bd ও dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে এবং এসএমএসের মাধ্যমে সংগ্রহ করা যাবে।

    এসএমএসর মাধ্যমে প্রাথমিক সমাপনীর ফল পেতে যেকোন মোবাইল থেকে DPE লিখে স্পেস দিয়ে স্টুডেন্ট আইডি লিখে স্পেস দিয়ে 2017 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি ম্যাসেজে পরিক্ষার্তীর ফল জানানো হবে।

    ইবতেদায়ী পরীক্ষার ফলাফল জানতে মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে EBT লিখে স্পেস দিয়ে স্টুডেন্ট আইডি লিখে স্পেস দিয়ে 2017 লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

  • বিজয়ের মাসে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের বিশেষ আড্ডা

    বিজয়ের মাসে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের বিশেষ আড্ডা

    হুজাইফা রহমান:

    বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের আয়োজনে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ “একাত্তরের দিনগুলি”র উপর আড্ডা সম্পন্ন হয়েছে। মহান বিজয়ের মাসে গতকাল শহরের শিক্ষক ভবনের আব্দুল গফুর স্মৃতি মিলনায়তনে “একাত্তরের দিনগুলি ও একটি স্বাধীন ভূখন্ডের জন্মাখ্যান” শীর্ষক এই বিশেষ পাঠক আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়। আড্ডার শুরুতেই বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের সমন্বয়কারী জনাব বাহাউদ্দীন গোলাপ মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকল শহীদদের পূণ্যস্মৃতিকে স্মরণ করে একাত্তরের দিনগুলি’র পটভূমি ব্যাখ্যা করেন। এরপর একে একে পাঠচক্রের নিয়মিত পাঠক হুজাইফা রহমান, দেব, কামরুল হাসান, নজরুল ইসলাম ও লোকমান হোসাইন বইটি নিয়ে তাদের পাঠোপলব্ধি বর্ণনা করেন। পরে উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর সম্মানিত শিক্ষক জনাব জাজ জাফর, কবি শফিক আমিন এবং বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের সহ-সমন্বয়কারী জনাব ছোটন্দ্রনাথ চক্রবর্তী একাত্তরের দিনগুলির আলোকে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা করেন।

    সবশেষে আজকের বিশেষ আড্ডার সম্মানিত বিশেষ আলোচক, সর্বজন শ্রদ্ধেয় সরকারি ব্রজমোহন কলেজের ইংরেজী বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক এইচ. এম মাহবুবুল আলম একাত্তরের দিনগুলি’র উপর বিশেষ আলোচনা করেন। ব্রজমোহন কলেজের শিক্ষার্থীপ্রিয় এই শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জেনে তার আলোকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে নিজেদেরকে সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তোলার তাগিদ দেন এবং বই পড়ার মাধ্যমে জ্ঞানের রাজ্যকে বিস্তৃত করার উপদেশ দেন। পরিশেষে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের সমন্বয়কারী মুক্ত জ্ঞানের চর্চার তাগিদ দিয়ে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে আড্ডার সমাপ্তি করেন। আড্ডায় আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব তপন কুমার বৈরাগী, রাকিবুল ইসলাম সহ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের বেশ কয়েকজন স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী এবং ঐতিহ্যবাহী উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কাশিপুর হাইস্কুল এন্ড কলেজ এর এক ঝাক শিক্ষার্থী।