Category: শিক্ষাঙ্গন

  • আজকের শিশুরাই আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী

    আজকের শিশুরাই আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকের শিশুরা, আমার সোনার ছেলেমেয়েরাই জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। আজকের শিশুদের মধ্যে থেকেই আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী হবে।

    তিনি বলেন, একটি সুশিক্ষিত জাতি হিসেবে বাঙালি জাতি বিশ্বে মর্য়াদার সঙ্গে মাথা উঁচু করে চলবে। জাতির পিতা সোনার বাংলা গড়ার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন সে স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে দেশ এগিয়ে চলছে।

    আজ শনিবার গণভবনে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, ইবতেদায়ি ও উপজাতিদের মধ্যে ২০১৮ শিক্ষাবর্ষে বিনামূল্যের বই বিতরণ কর্মসূচির অানুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    ২০১৮ সালের প্রথম দিন অর্থ্যাৎ ১ জানুয়ারি রাজধানীসহ সারা দেশে বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হবে। এর আগে আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থীদের হাতে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও ইবতেদায়ী ও উপজাতিদের জন্য ছাপানো বই আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দিয়ে বই উৎসবের উদ্বোধন করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরত্ব দিয়েছিলেন। কারণ শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি উন্নত জাতি হতে পারে না। তাছাড়া জাতির পিতার ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণেও শিক্ষার বিকল্প নেই।

    তিনি বলেন, জাতির পিতা সংবিধানে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পূর্ণ অবৈতনিক করে দিয়েছিলেন। মেয়েদের শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্য়ন্ত অবৈতনিক করে দিয়েছিলেন। বর্তমান সরকার ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ফলে স্বাক্ষরতার হার শতকরা ৭২ ভাগ হয়েছে। স্কুলে ঝরে পড়ার হার কমেছে।

  • প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫.১৮ শতাংশ

    প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫.১৮ শতাংশ

    প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষায় এবার পাস করেছে ৯৫.১৮ শতাংশ শিক্ষার্থী। গত বছরের চেয়ে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা শতকরা সোয়া ৩ ভাগ কমেছে। এ বছরের পরীক্ষায় ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ফল ভাল হয়েছে। ছেলেদের পাসের হার ৯৪ দশমিক ৯৩ ও মেয়েদের ৯৫ দশমিক ০৩ ভাগ।

    শনিবার বেলা ১১টায় গণভবনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন।

    বিস্তারিত আসছে…

  • বাবা মায়ের নামে কলেজ স্থাপন করলেন বাণিজ্য মন্ত্রী

    বাবা মায়ের নামে কলেজ স্থাপন করলেন বাণিজ্য মন্ত্রী

    ভোলা প্রতিনিধি :

    মায়ের ১১ তম মৃত্যু বার্ষিকীতে মা-বাবার নামে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসাপাতালের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। সোমবার দুপুরে ভোলার উপ-শহর বাংলাবাজার ফাতেমা খানম কমপ্লেক্সে’র তিন একর জমির ওপর আজহার-ফাতেমা মেডিকেল কলেজ ও হাসপতালের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

    এসময় মন্ত্রী বলেন, এক সময়ের পিছিয়ে পড়া জনপদ ভোলার বাংলাবাজারে প্রতিষ্ঠিত করা হবে মেডিকেল কলেজ। এখান থেকে ভোলার সাধারণ মানুষের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা যাবে। ভোলার মানুষ সব ধরনের বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই করতে পারবে।

    ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন কালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মমিন টুলু, বাণিজ্যমন্ত্রীর মেয়ে ডাঃ তাসনিমা আহমেদ জামান, সিভিল সার্জন ডাঃ রথিন্দ্রনাথ মজুমদার, জেলা প্রশাসক মোহাং সেলিম উদ্দিন, পুলিশ সুপার মোঃ মোকতার হোসেন, ভোলা পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনির, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল হোসেন বিপ্লব প্রমুখ।

  • বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি সরিয়ে ছাত্রলীগ নেতার ব্যানার

    বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি সরিয়ে ছাত্রলীগ নেতার ব্যানার

    পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি গাছ থেকে খুলে ফেলে একই স্থানে নিজের ছবি টাঙ্গিয়ে দিয়েছেন পবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব। এছাড়াও খুলে ফেলা বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি বুধবার সারাদিন ও সারা রাত ফেলে রাখা হয়েছে ঐ ছাত্রলীগ নেতার ছবির নিচে মাটির উপর।

    বুধবার রাতে দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক ভবনের সামনে থাকা সারিবদ্ধ নারিকেল গাছের গোড়ায় পড়ে আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। আর এসব গাছেই তাদের ছবির ওপর টাঙ্গানো হয়েছে ভর্তিচ্ছুদের শুভেচ্ছা সংবলিত পবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদকের ব্যানার ও প্লাকার্ড।

    এসব ব্যানারে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারন সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইনের ছবিও দেখা যায়। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি মাটিতে পড়ে থাকার বিষয়টি ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে। বঙ্গবন্ধুর ছবি অবমাননার ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রয়া ব্যক্ত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থী ও তাদের অভিবাবকরা।

    বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সূত্রে জানা যায়, পবিপ্রবি ইউনিট ছাত্রলীগের সভাপতি থাকাকালীন বঙ্গবন্ধুর ছবি সংবলিত প্লাকার্ড লাগিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক মো.আনিসুজ্জামান আনিস। তবে গত মঙ্গলবার রাতে সেই প্লাকার্ডগুলো খুলে নিজের ছবি লাগিয়েছেন বর্তমান সাধারন সম্পাদক রাকিব। সাবেক সভাপতি আনিসুজ্জামান আনিস একাডেমিক ভবনের সামনে তার নিজের প্লাকার্ড থাকার বিষয়টি নিশ্চত করেছেন।

    অভিযুক্ত পবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব(০১৭১৯০১১৬৩৯) বলেন, আবহাওয়া খারাপ থাকায় বাতাস ও বৃষ্টিতে ব্যানারগুলো মাটিতে পড়ে যায়। তবে স্থানীয় লোকজন ও আবহাওয়া অফিসের সাথে কথা বলে ঐদিন বাতাস-বৃষ্টি থাকার কোন প্রান পাওয়া যায়নি।

  • শিক্ষার মানোন্নয়নের বিকাশ ঘটিয়েছে আ’লীগ – আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ

    শিক্ষার মানোন্নয়নের বিকাশ ঘটিয়েছে আ’লীগ – আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ৫৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ প্রদান করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাংসদ আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এসব ল্যাপটপ বিতরণ করেন।

    বৃহস্পতিবার  সকালে গৌরনদী উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বত্তৃতায় আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার ডিজিটাল পদ্ধতিতে শিক্ষার প্রসার ও মানোন্নয়নের বিকাশ ঘটিয়েছে। ফলে শিক্ষার মান দিন দিন উন্নত হচ্ছে।

    উপজেলা শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুমা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুল নাহার মেরী, পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হারিছুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এইচ এম জয়নাল আবেদীন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফয়সল জামিল এবং বাউরগাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সৈয়দ মাহাবুর রহমান প্রমুখ

  • বরিশালে সরকারি হচ্ছে আরও ৫ মাধ্যমিক বিদ্যালয়

    বরিশালে সরকারি হচ্ছে আরও ৫ মাধ্যমিক বিদ্যালয়

    বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাখেরগঞ্জ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গৌরনদী উপজেলার গৌরনদী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরগুনার তালতলী উপজেলার তালতলী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পটুয়াখালীর রাঙ্গবালী উপজেলার মৌডুবী মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ নতুন করে দেশের আরও ৩৭ টি উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হবে। এসব স্কুল জাতীয়করণে প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন। একই সঙ্গে নতুন করে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, পদোন্নতি ও সম্পত্তি হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদফতরকে (মাউশি) নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনার চিঠি মাউশিতে পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ সাজ্জাদুল হাসান স্বাক্ষরিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ৩৭টি হাইস্কুল জাতীয়করণ করতে প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন।

    স্কুলগুলো হলো, মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার শহীদ আসাদ কলেজিয়েট বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার সখীপুর পিএম পাইলট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কক্সবাজার পেকুপা উপজেলার পেকুয়া মডেল জিএসসি ইনস্টিটিউশন, ফেনীর পরশুরাম উপজেলার পরশুরাম মডেল পাইলট হাইস্কুল, কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার চান্দিনা মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, নালঙ্গকোট উপজেলার নাঙ্গলকোট এআর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, তিতাস উপজেলার গাজীপুর খান মডেল বহুমুখী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, মনোহরগঞ্জ উপজেলার মনোহরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার শাহারাস্তি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার দেবগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, বিজয়নগর উপজেলার দাউদপুর উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, কমলনগর উপজেলার হাজীরহাট মিল্লাত একাডেমী, সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার মঙ্গচণ্ডী নিশিকান্ত মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুণ্ডুমালা উচ্চ বিদ্যালয়, বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার দুপচাঁচিয়া মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার শাহজাদপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার শাহজাদপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, পঞ্চগড়ের তেতুঁলিয়া উপজেলার তেতুঁলিয়া পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, খুলনার তেরখাদা উপজেলার ইখড়ি কাটেংগা ফজলুল হক মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বাগেরহাটের মোল্লারহাট উপজেলার ওয়াজেদ মেমোরিয়াল মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, যশোরের চৌগাছা উপজেলার চৌগাছা শাহাদাৎ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঝিকরগাছার ঝিকরগাছা পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কেশবপুর উপজেলার কেশবপুর পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, শার্শা উপজেলার শার্শা পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার দৌলতপুর পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার কোটচাঁদপুর মডেল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মহেশপুর উপজেলার মহেশপুর পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার মুজিবনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার জীবননগর থানা পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাখেরগঞ্জ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গৌরনদী উপজেলার গৌরনদী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরগুনার তালতলী উপজেলার তালতলী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পটুয়াখালীর রাঙ্গবালী উপজেলার মৌডুবী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নাটোরের লালপুর উপজেলার করিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়।

    মাউশিকে দেয়া নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি স্কুল-কলেজবিহীন উপজেলায় একটি করে স্কুল ও কলেজ জাতীয়করণের ধারাবাহিকতায় ৩৭টি স্কুল জাতীয়করণে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিপ্রাপ্ত ৩৭টি স্কুল দ্রুত পরিদর্শন করে সুস্পষ্ট মতামতসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে এসব স্কুলে সব ধরনের নিয়োগ, পদোন্নতি ও স্থাবর-অস্থাবর সম্মতি হস্তান্তরে দ্রুত নিষেধাজ্ঞা জারি করতে বলা হয়েছে।
    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান বলেন, স্কুলগুলো দ্রুত পরিদর্শন করে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠাব। শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, পদোন্নতি ও স্থাবর-অস্থাবর সম্মতি হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা জারি করব।

  • পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মুখ ফেরাচ্ছে বিদেশি শিক্ষার্থীরা

    পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মুখ ফেরাচ্ছে বিদেশি শিক্ষার্থীরা

    দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে বিদেশি শিক্ষার্থীরা। এ কারণে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে ইচ্ছুক বিদেশিদের ভর্তি সংখ্যা গত কয়েক বছর থেকে হ্রাস পাচ্ছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) বার্ষিক প্রতিবেদনে জানা গেছে।

    তবে আশার কথা হচ্ছে, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখার মান বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীরা সেদিকে ছুটছেন। ফলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সংখ্যা কমলেও বিদেশি শিক্ষার্থী সংখ্যা বেড়েছে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে।
    সূত্র মতে ইউজিসির বার্ষিক প্রতিবেদন-২০১৬ এর এক পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে দেশের ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১৯টিতে মাত্র ৩৫৫ বিদেশি শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করেছে। অন্যদিকে দেশের চলমান ৯০ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করছে ১৯২৭ বিদেশি শিক্ষার্থী ।

    পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১০ সালে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশি শিক্ষার্থী ছিল ৩৫৯ জন, ২০১১ সালে তা কমে দাঁড়ায় ২১০ জনে, আবার ২০১২ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৫২৫ জনে, ২০১৩ সালে আবারও প্রায় দুইশত শিক্ষার্থী কমে দাঁড়ায় ৩২৬ জনে, ২০১৪ সালে একশ বেড়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৩২ জনে, ২০১৫ সালেও অন্তত দেড়শ বেড়ে দাঁড়ায় ৫৯৩ জন এবং সর্বশেষ ২০১৬ তে শিক্ষার্থী কমে দাঁড়িয়েছে ৩৫৫ জনে। অর্থাৎ ছয় বছর আগে ২০১০ সালে যা ছিল তার চেয়ে চারজন কম শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করেছে ২০১৬ সালে।

    এদিকে, ২০১৫ সালে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থী ছিল ১৫৪৮ জন। ২০১৬ সালে ৩৭৯ শিক্ষার্থী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯২৭ জনে।

    ২০১৬ সালে সব থেকে বেশি অন্তত ৩৪ শিক্ষার্থী এসেছে মিসর থেকে। তারা ৩৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। এছাড়া ইউনাইটেড আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে এসেছে ৩২, ফিলিপাইনের ৩১, মিয়ানমারের ৩০ জন।

    এ ছাড়া জিম্বাবুয়ে, জাম্বিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, গিরিসন, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান এবং ভরত থেকেও পড়াশোনা করতে দেশে এসেছে শিক্ষার্থীরা। সব থেকে কম শিক্ষার্থী মাত্র একজন এসেছে ভারত থেকে।

    ইউজিসির প্রতিবেদন থেকে দেখা গেছে, প্রতিবছরই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ বর্তমানে দেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যাপক ডিজিটালাইজেশন হয়েছে। ফলে বিদেশি শিক্ষার্থীরা তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত থেকে উচ্চশিক্ষার কোর্স-কারিকুলাম, সিলেবাস ইত্যাদি দেখে বাংলাদেশে পড়তে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।

    পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, বেশ কয়েকটি উন্নত দেশ  (যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, চীন, কানাডা, ইত্যাদি) থেকে শিক্ষার্থীরা পড়তে এসেছে। সে কারণে বর্হিবিশ্বে একদিকে যেমন দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হচ্ছে অপরদিকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের হারও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি বিদেশি শিক্ষার্থীদের এমন আগ্রহের পেছনে চারটি কারণ রয়েছে বলে মনে করেন বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সহ-সভাপতি ও ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী।

    তিনি বলেন, দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে খরচ কম, আফ্রিকান দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আবহাওয়া-পরিবেশ অনেক ভালো, শিক্ষার গুণগতমান ঠিকঠাক রাখার চেষ্টা এবং উচ্চ শিক্ষার মান নিশ্চিতে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে।

    এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিশ্বের অন্যান্য দেশে ক্যাম্পেইন করে। যেটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পক্ষে সম্ভব নয়। এছাড়া বিদেশি শিক্ষার্থীদেরকে তারা আলাদাভাবে হোস্টেল সুবিধাসহ অন্যান্য সুবিধা দেয়। ভর্তির যোগ্যতায় যা চাওয়া হয় তা পাবলিকের চেয়ে অনেকটা সহজ। ফলে বিদেশি শিক্ষার্থীরা সে দিকেই যাচ্ছে।

    বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থী না বাড়ার কারণ হচ্ছে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য তেমন প্রচার প্রচারণা করে না। তাছাড়া যেসব দেশে এক সময় উচ্চশিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না সেসব দেশে এখন বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। ফলে ওইসব দেশ থেকে শিক্ষার্থী তেমন আসে না। যেমন, ভুটান, নেপাল, মালায়শিয়াতে এক সময় উচ্চ শিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না। এখন তারা অনেক উন্নত। আবার বেশিরভাগ দেশে উচ্চশিক্ষার চেয়ে কারিগরি ও কর্মমূখী শিক্ষার প্রতি জোর দিয়েছে। এ কারণেও তারা উচ্চশিক্ষা নিতে বাংলাদেশে আসে না।

  • বরিশাল নগরীতে কোচিং বাণিজ্য বন্ধের দাবীতে মানববন্ধ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    বরিশাল নগরীতে কোচিং বাণিজ্য বন্ধের দাবীতে মানববন্ধ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    শিশুর হাসিতে উজ্জল দিন চাই, শিশুর শারীরিক মানসিক বিকাশে সহায়ক কর্মসূচির দাবী জানিয়ে বরিশাল নগরীর কোচিং বাণিজ্য বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে সচেতন বরিশাল বাসী। আজ সকাল ১১টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়।

    বরিশাল জেলা মানবাধিকার জোট সভাপতি ডাঃ সৈয়দ হাবীবুর রহমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধন সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বরিশাল সচেতন নাগরীক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক গাজী জাহিদ হোসেন, সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদ সভাপতি এ্যাড.এস এম ইকবাল, সাধারন সম্পাদক মিন্টু কুমার কর,উন্নয়ন সংগঠন সেন্ট বাংলাদেশ এর নির্বাহী পরিচালক কাজী জাহাঙ্গির কবীর, শিক্ষক নেতা দাশ গুপ্ত আশিষ কুমার, শুভংকর চক্রবর্তী,সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সাধারন সম্পাদক কাজী এনায়েত হোসেন শিপলুু,বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সাংবাদিক শুশান্ত ঘোষ,সাংস্কৃতিক ব্যাক্তি কাজল ঘোস,সচেতন নাগরীক কমিটির প্রোগ্রাম ম্যানেজার ফিরোজ উদ্দিন,উন্নয়ন সংগঠন কর্মী সিরাজুল ইসলাম।

    বক্তরা বলেন অবিলম্বে এই নগরীতে অবৈধ কোচিং বাণিজ্য ব্যাবসা বন্ধ করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।

  • ছাত্রীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, রাজশাহী আইএইচটি বন্ধ ঘোষণা

    ছাত্রীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, রাজশাহী আইএইচটি বন্ধ ঘোষণা

    ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের উৎপাত বন্ধ ও নিরাপত্তার দাবিতে রাজশাহী ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজিতে (আইএইচটি) আন্দোলনরত ছাত্রীদের ওপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বুধবার সকালে অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগ জানিয়ে হোস্টেলে ফেরার পথে এ হামলার শিকার হয় ছাত্রীরা। এতে পাঁচ ছাত্রী আহত হয়েছেন।

    হামলায় আহতরা হলেন, আইএইচটির ফার্মেসী বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী রুপা (১৯), নাজনিন আক্তার (১৮), ল্যাব বিভাগের ছাত্রী নিশাত (১৮), ল্যাবের প্রথম বর্ষের ছাত্রী মোহনা, আফরিন শারমিন ও বৃষ্টি।

    এরপরই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। ছাত্রদের দুপুর ১টার ও ছাত্রীদের বিকলে ৩টার মধ্যে হোস্টেল খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। ক্যাম্পাসে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বহিরাগতদের উৎপাত ও নিরাপত্তরার দাবিতে আইএইচটি’র ছাত্রীরা সকাল ১০টার দিকে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের কাছে যান। লিখিত অভিযোগ করার পরেও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ছাত্রীরা অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। এক পর্যায়ে অধ্যক্ষকের কক্ষে প্রবেশ করে তাকে অবরুদ্ধ করেন বিক্ষুব্ধ ছাত্রীরা। এ সময় ছাত্রলীগের একটি পক্ষ ছাত্রীদের পাশেই অবস্থান নেয়।

    পরে পুলিশ আন্দোলনরত ছাত্রীদের অধ্যক্ষের কক্ষ থেকে বের করে আনার সময় তাদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

    আহত ছাত্রীরা জানান, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা প্রায় ছাত্রীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন। ছাত্রী হোস্টেল হলেও তাতে তারা ঢুকে পড়ে। এনিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে তারা অধ্যক্ষের কাছে মৌখিক অভিযোগ করে আসছেন। বুধবার তারা লিখিত অভিযোগ নিয়ে যান। অধ্যক্ষ তাদের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস না দিলে, তারা সেখানে অবস্থান করে বিক্ষোভ করেন। এরপর পুলিশ ও অধ্যক্ষের আশ্বাসে তারা হোস্টেলে ফেরার পথে আইএইচটি ছাত্রলীগ সভাপতি জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।

    নগরীর রাজপাড়া জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রাশিদুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ থাকায় পরিস্থিতি বেশি দূর গড়াতে পারেনি। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইএইচটি ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    আইএইচটি অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘বিভিন্ন দাবি নিয়ে ছাত্রীরা আমার কাছে এসেছিল। তবে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে তাদের হোস্টেলের ভেতরে চলে যেতে বলা হয়। কিন্তু এখান থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনার জের ধরে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।

    অধ্যক্ষ আরও বলেন, ‘এ ঘটনার পরে তাৎক্ষণিকভাবে একাডেমিক কাউন্সিলের সভা ডাকা হয়। সভা শেষে ক্যাম্পাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ছাত্রদের দুপুর ১টা ও ছাত্রীদের বিকেলে ৩টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি খুলে দেওয়া হবে।

  • মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে জাবিতে পিতা-পুত্র আহত

    মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে জাবিতে পিতা-পুত্র আহত

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৪২ তম আবর্তনের ছাত্র ও শাখা ছাত্রলীগের কর্মী শরীফ হোসেন লস্কর এবং তার পিতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন অফিসের কর্মচারী মোক্তার হোসেনকে মারধর করেছে শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের রাঙামাটি এলাকায় বুধবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।

    আহত মোক্তার হোসেন বর্তমানে সাভারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাদক কেনাবেচা নিয়ে বনিবনা না হওয়াতেই এ ধরণের ঘটনা ঘটে।

    এদিকে এ ঘটনায় লিখিত প্রতিবাদ জানিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সমিতি ও কর্মচারী ইউনিয়ন।

    কর্মচারী সমিতির সভাপতি অমর চাঁদ মন্ডল বলেন, “ ২ ডিসেম্বরের মধ্যে ঘটনার তদন্ত এবং সুষ্ঠু সমাধান না হলে আমরা বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করবো। ”

    অনুসন্ধানে জানা যায়, লস্কর বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদক সরবরাহকারী চক্রের একজন সদস্য ও শাখা ছাত্রলীগের কর্মী। শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান চঞ্চলের নির্দেশে কতিপয় ছাত্রলীগ কর্মী লস্করকে মারধর করে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

    ছাত্রলীগকর্মী নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের ৪২ তম আবর্তনের রবিউল ইসলাম, ৪৩ তম আবর্তনের শাওন (আইআইটি), আরিফুল ইসলাম (বাংলা), সৈয়দ লায়েব (দর্শন), জুনায়েদ (একাউন্টিং) ও আসিফ (প্রত্নতত্ত্ব) লস্করকে তার নিজ বাড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশ্ববর্তী এলাকা রাঙামাটি থেকে ডেকে নিয়ে এসে মারধর করে।

    লস্করের বাড়িতে মারধরের খবর পৌঁছালে তার বাবা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহণ অফিসের সিনিয়র বাস কনডাক্টর মোক্তার হোসেন ও তার স্ত্রী ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে তাদেরকেও মারধর করা হয়।

    অভিযুক্তদের কাছে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা বলেন, “মাদক বিক্রয়কালে তাকে হাতেনাতে ধরে মারধর করা হয়েছে।

    তবে তার পরিবারকে মারধর করা হয়নি। একটু ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। ”

    শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম আবু সুফিয়ান চঞ্চল মারধরের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “মাদকের বনিবনার বিষয়টি ভিত্তিহীন। তবে লস্কর আগে থেকে মাদকের সাথে সম্পৃক্ত। আর যারা ওখানে গিয়েছিলো তাদের সাথে তার আক্রমণাত্মক কোনো কথাবার্তার কারণে মারধরের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। ”

    উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত এক সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় লস্কর ইতোপূর্বে ২০১৬ সালের ২২ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক দুই বছরের জন্য বহিস্কৃত হয়।