Blog

  • বরিশালে বাস-ট্রলি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১০

    বরিশালে বাস-ট্রলি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১০

    বরিশালের উজিরপুরের মুন্ডপাশা এলাকায় (ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক) সাকুরা পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাস ও ইট বহনকারী একটি ট্রলির সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

    নিহতদের পরিচয়- সোহরাব হাওলাদার (২৮) ও হেলপার রুবেল হাওলাদার (২০)। ট্রলিচালক সোহরাব বামরাইল ইউনিয়নের বরতা গ্রামের আয়নাল হাওলাদারের ছেলে ও রুবেল একই গ্রামের ইউসুফ হাওলাদারের ছেলে।

    রোববার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল পৌনে সাতটার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মুন্ডপাশায় এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, বরিশাল থেকে ছেড়ে আসা সাকুরা পরিবহন (ঢাকা মেট্রো-ব ১১-৫৬৩৩) ঢাকার উদ্দেশে ১০ যাত্রী নিয়ে রওনা দিয়ে উজিরপুরের মুন্ডপাশায় পৌঁছালে উল্টোদিক থেকে আসা ইট বহনকারী ট্রলির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় ট্রলিটি ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে সড়কে ছিটকে পড়ে। বাসটির সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে গেছে। সেই সঙ্গে বাসটি সড়কের পাশে বড় বড় গাছের সঙ্গে আটকে গেছে।

    সাকুরা পরিবহনের চালক পালিয়ে গেলেও সুপারভাইজার ও হেলপারসহ আহত ১০ জনকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    উজিরপুর ফয়ার সার্ভিস, থানার পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় হতাহতদের উদ্ধার করে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের যান চালচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।

    উজিরপুর মডেল থানার ওসি মো. জাফর উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঘন কুয়শা ও বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • ধীর গতির চীনা ঋণে যেভাবে প্রকল্প ব্যয় বাড়ে

    ধীর গতির চীনা ঋণে যেভাবে প্রকল্প ব্যয় বাড়ে

    সরকার থেকে সরকারের (জিটুজি) পর্যায়ে চুক্তির একটি প্রকল্প: ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে প্রজেক্ট’ ২০১৭ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশের শীর্ষ অর্থনৈতিক কর্তৃপক্ষ একনেক- এর অনুমোদন পায়। এ প্রকল্পে বাজেট থেকে বরাদ্দ রাখা হয় ১৬ হাজার ৯০১ কোটি টাকা।

    প্রকল্পের অর্থায়ন চুক্তিতে চায়না এক্সিম ব্যাংক ১.১ বিলিয়ন ডলার বা ৯ হাজার ৪৭২ কোটি টাকার তহবিল অনুমোদন দেয়। ব্যয়ের বাকি অংশ নির্বাহ করবে বাংলাদেশ। তবে অনুমোদনের চার বছর পরে ২০২১ সালের অক্টোবরে চায়না এক্সিম ব্যাংকের সাথে ঋণচুক্তি হয় সরকারের।

    ঋণচুক্তি করতে এই বিলম্বের কারণে মূল্যও দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে, কারণ এই চার বছরে প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে গেছে ৬২৫ কোটি টাকা।

    ঋণচুক্তি চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় এ ধরনের ধীরগতির ফলে প্রকল্পের ব্যয় বাড়ছে ও বাস্তবায়ন পেছাচ্ছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)-র মতে, চীনের ২.৪৭ বিলিয়ন ডলার ঋণের জন্য নির্ধারিত পাঁচ প্রকল্পের বাস্তবায়ন বিলম্বিত হতে পারে।

    ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের পরিচালক মো. শাহাবুদ্দিন খান বলেন, ‘চীন ৩ শতাংশ সুদহারের প্রস্তাব দিয়েছিল। সুদ-সংক্রান্ত আলোচনায় কারণে ঋণ চুক্তি হতে সময় লেগেছে। প্রায় এক বছর আলোচনার প্রেক্ষিতে ২ শতাংশ সুদ নির্ধারণ হয়।’

    তবে চুক্তি পর ঋণ কার্যকর হতেও সময় লাগে। ‘ঋণটি কার্যকর হয় ২০২২ সালের ১০ মে। ফলে অনুমোদনের পরে বাস্তবায়ন কাজ শুরু করতেই প্রায় ৫ বছর লেগেছে। দেরিতে বাস্তবায়ন কাজ শুরু হওয়ার এই প্রকল্পের বর্তমান ভৌত অগ্রগতি ১২ শতাংশ’- বলে জানান তিনি।

    রাজশাহী ওয়াসা সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান’ শীর্ষক আরেকটি প্রকল্প অনুমোদন পায় ২০১৮ সালের অক্টোবরে। কিন্তু, এর ৫৫ মাস পরে এই বছরের ১০ মে মাসে চীনের সাথে ২৭৬.২৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি হয়েছে।

    এই প্রকল্পের পরিচালক, পারভেজ মামুদ বলেন, প্রকল্পটি ২০২২ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, সময়মতো ঋণচুক্তি না হওয়ার কারণে প্রকল্প বিল্মবিত হয়েছে। ‘প্রকল্পটি এখন শেষ করতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত লাগবে।’

    চীনের অর্থায়নে পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পও অনুমোদনের দুই বছর পর ঋণ চুক্তি হয়।

    ঋণ চুক্তিতে দেরি হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়ে নাম না প্রকাশের শর্তে ইআরডির সিনিয়র একজন কর্মকর্তা জানান, মূলত চীনা পক্ষের কারণেই এমনটা হচ্ছে। বিলম্বের নানান কারণের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে– ঋণ চুক্তির অধীনে থাকা প্রকল্পগুলোর পর্যালোচনা।

    দীর্ঘ পর্যালোচনা প্রক্রিয়া

    ইআরডির কর্মকর্তারা জানান, অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে ঋণচুক্তির দ্রুত প্রক্রিয়ার তুলনায়– ঋণ অনুমোদন দিতে দীর্ঘ সময় নেয় চীন।

    তাঁরা বলেন, বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বা জাইকার মতো বহুপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগীদের প্রকল্প সাধারণত একনেকে অনুমোদনের মাসখানেকের মধ্যে চুক্তি হয়ে যায়। এর বিপরীতে, অনেক সময় নিয়ে প্রকল্প প্রস্তাব এবং ঋণ প্রস্তাব পর্যালোচনা করে চীন।

    চীনের ঋণ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধাপ রয়েছে। এরমধ্যে শুরুতে কোন প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য চীনকে প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ। চীন তখন প্রকল্প প্রস্তাব চায়, এরপর সেটিকে অনুমোদন দিলে, পরের পর্যায়ের কাজ শুরু হয়।

    এরপর চীন প্রকল্পের ওপর বিস্তৃত সমীক্ষা ও বাংলাদেশের কাছে আনুষ্ঠানিক ঋণ প্রস্তাব চায়। ঋণ অনুমোদনের আগে একের পর এক এসব ধাপ সম্পন্ন হতে সাধারণত ২ থেকে ৩ বছর লেগে যায়। এরপর চুক্তি সই হলেও, তহবিল পেতে আরও এক বছর লাগে।

    ইআরডির একজন সিনিয়র কর্মকর্তার মতে, ‘বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) মতো বহুপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগীদের প্রকল্পে সরকারের অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং ঋণ প্রক্রিয়া সমান্তরালভাবে হয়। যে কারণে সরকারের অনুমোদন পাওয়া পর পর ঋণ চুক্তি হয়ে যায়। তাছাড়া, চীন বিভিন্ন দেশকে ঋণ দেয়। সেক্ষেত্রে একসঙ্গে বাংলাদেশে একাধিক প্রকল্পে অর্থায়ন দেওয়া সম্ভব হয় না। সাধারণত দেখা যায়, বাংলাদেশকে বছরে একটি প্রকল্পে ঋণ দেয় দেশটি’ – যোগ করেন তিনি।

    বিলম্বিত ঋণচুক্তি

    ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন এবং ছয়টি জাহাজ ক্রয়- বর্তমানে এ দুটি প্রকল্পে ঋণ পেতে চীনের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইআরডি।

    চীন বছরে সাধারণত একটি করে প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়ায়, এই অর্থবছরেই একটি ঋণচুক্তি হতে পারে। অন্য প্রকল্পগুলোর জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।

    সারা দেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের জন্য ‘ডিজিটাল সংযোগ প্রকল্পটি ২০২১ সালের ২৩ নভেম্বর অনুমোদন দেওয়া হয়, ২০২৪ সালে যার বাস্তবায়ন কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এই প্রকল্পের জন্য ৪৭৩.৭৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন। তবে অনুমোদনের দুই বছর পরেও বৈদেশিক অর্থায়নের মন্থর অবস্থার কারণে প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু করা যায়নি।

    ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে চীনের ২৫০ মিলিয়ন ডলার ঋণের আওতায় ছয়টি জাহাজ কেনার অনুমোদন দেয় সরকার। বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের মহাব্যবস্থাপক জামাল হোসেন তালুকদার জানান, কবে এই ঋণচুক্তি হবে সেটি তিনি জানেন না।

    ছয়টি টিভি স্টেশন স্থাপনের জন্য ২০১৭ সালের ১৫ মার্চ চীনের অর্থায়নে আরেকটি প্রকল্পের অনুমোদন দেয় সরকার। তবে পাঁচ বছর পরেও ১২৫.১২ মিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি সম্পন্ন হয়নি।

    ইআরডির কর্মকর্তারা জানান, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রকল্পটির গুরুত্ব কমেছে। এই কারণে প্রকল্পটি আদৌ বাস্তবায়ন হবে কিনা– তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

    এদিকে কার্গো হ্যান্ডলিং বাড়িয়ে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে। চলতি বছরের ১২ সেপ্টেম্বর চীনা অর্থায়নে মোংলা বন্দরের সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের জন্য ৪ হাজার ২৮৩ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন করে সরকার। ২০২৭ সালের মধ্যে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাজ শেষ করার কথা থাকলেও, কবে নাগাদ বাস্তবায়ন কাজ শুরু করা যাবে জানে না মোংলাবন্দর কর্তৃপক্ষ।

    মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য এ কে এম আনিসুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সম্মতি পাওয়া গেলেই ইআরডির মাধ্যমে চায়না এক্সিম ব্যাংকের কাছে ঋণ প্রস্তাব পাঠানো হবে।

    এ ছাড়া, আখাউড়া থেকে সিলেট সেকশনে মিটারগেজ রেলপথকে ডুয়েল গেজে রূপান্তর করার প্রকল্পটি চীনের ১,২৭২.৯৩ মিলিয়ন ডলার অর্থায়নে বাস্তবায়নের জন্য ২০১৮ সালের এপ্রিলে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। ২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে এই প্রকল্পের ব্যয় পর্যালোচনা করে তা কমানো হয়। এ অবস্থায়, এই প্রকল্পে শেষপর্যন্ত চীনের সঙ্গে ঋণচুক্তি হবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

    বাংলাদেশের মোট চীনা ঋণের স্থিতি

    ইআরডির তথ্যমতে, ৩০ জুন পর্যন্ত বহুপাক্ষিক এবং দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে বাংলাদেশের মোট ঋণের স্থিতি (আউটস্ট্যান্ডিং) ছিল ৬২.৩১ বিলিয়ন ডলার। এরমধ্যে চীনের অংশ ৫.৩৭ বিলিয়ন ডলার, যা মোট ঋণের ৮.৬২ শতাংশ। বাংলাদেশের ঋণের স্থিতিতে চীনের অবস্থান চতুর্থ।

    বিশ্বব্যাংকের সহযোগী সংস্থা- ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) স্বল্প-সুদে ঋণ দেয়। বাংলাদেশকে দেওয়া তাদের ঋণের স্থিতি ১৯.৫৩ বিলিয়ন ডলার, যা মোট পরিমাণের ৩১.৩৪ শতাংশ। তারপরেই এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের ঋণের স্থিতি ১৪.১১ বিলিয়ন ডলার, বা মোট অংকের ২২.৬৫ শতাংশ। এরপর জাপানের রয়েছে ১০.৯৯ বিলিয়ন ডলার, যা মোট স্থিতির ১৭.৬৫ শতাংশ।

    চীনের ঋণের ধরন ও সুদহার

    চীন সরকার সাধারণত দু’ধরনের ঋণ দেয়, এর একটি হলো- মার্কিন ডলারে প্রেফারেন্সিয়াল বায়ার্স ক্রেডিট (পিবিসি) এবং অপরটি হলো– চীনের নিজস্ব মুদ্রায় গভর্নমেন্ট কনসেশনাল লোন (জিসিএল) বা সরকারিভাবে দেওয়া রেয়াতি ঋণ।

    উভয় ধরনের ঋণের সুদহারই ২ শতাংশ, যা বিশ্বব্যাংক ও এডিবির সুদহারের কাছাকাছি। এর সাথে কমিটমেন্ট ফি যুক্ত হয় আরও শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ।

    আইডিএ’র ঋণে সুদহার ১.২৫ শতাংশ, এর সাথে সার্ভিস চার্জ যোগ হয় শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ। জাপানের দ্বিপাক্ষিক ঋণের সুদহার সবচেয়ে কম, বা ১.৬ শতাংশ।

    বিশ্বব্যাংকের কিছু ঋণের সুদহার আবার বাজার-ভিত্তিক, যা বর্তমানে ৫ শতাংশের বেশি। অন্যদিকে, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের দুই-তৃতীয়াংশ ঋণের সুদহার হচ্ছে বাজার-ভিত্তিক।

  • সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও বাড়ল পেঁয়াজের দাম

    সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও বাড়ল পেঁয়াজের দাম

    বাজারে ফের বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। কয়েকদিনের ব্যবধানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটির দাম বেড়েছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা।

    এর আগে ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের খবর পাওয়া মাত্রই পেঁয়াজের বাজার অস্থির করে তোলে দেশের ব্যবসায়ীরা। পরে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কঠোরতা ও ভোক্তারা পেঁয়াজ কম কেনায় দুই দিনের মধ্যেই সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করে। তবে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের পেয়াঁজের দাম কিছুটা বেড়েছে।

    বিভিন্ন বাজারে দেশি পুরনো পেঁয়াজ পাইকারি ১৩০ টাকা দরে আর খুচরা বিক্রি হয় ১৪০ টাকা করে। ভারতীয় পেঁয়াজ প্রকারভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হয় ১০৫ থেকে ১১০ টাকা দরে। এক সপ্তাহ পর আজ রাজধানীর কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, এসব পেঁয়াজ বাড়তি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতি কেজি দেশি পুরনো পেঁয়াজ খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা করে, নতুন পেঁয়াজ ১২০, ভারতীয় পেঁয়াজ প্রতি কেজি খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা করে। এ ছাড়া প্রতি এক পাল্লা দেশি নতুন পেয়াঁজ পাইকারি ধরে বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা ধরে।

  • এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১৫ ফেব্রুয়ারি

    এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১৫ ফেব্রুয়ারি

    ২০২৪ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি (রুটিন) প্রকাশ করা হয়েছে। সূচি অনুযায়ী আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পরীক্ষা শুরু হবে।

    বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকারও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক এবং ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আবুল বাশারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ রুটিন প্রকাশ করা হয়।

    প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী, ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১২ মার্চ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে।

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হয় গত ৩০ অক্টোবর। দুই দফায় সময় বাড়িয়ে ফরম পূরণ প্রক্রিয়া গত ১৯ নভেম্বর শেষ হয়। তবে ঠিক কতজন শিক্ষার্থী এবার পরীক্ষায় অংশ নিতে ফরম পূরণ করেছে, তা এখনো জানায়নি শিক্ষা বোর্ডগুলো।

  • পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের স্ত্রীর ইন্তেকাল

    পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের স্ত্রীর ইন্তেকাল

    পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বরিশাল জেলা শাখার সহ-সভাপতি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুকের সহধর্মিণী লায়লা শামীম আরা মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    ভারতের চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) ভোরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন বলে জানিয়েছেন জাহিদ ফারুকের ঘনিষ্ঠজন ও বরিশাল মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন।

    তিনি বলেন, লায়লা শামীম আরা ভাবী দীর্ঘদিন লিভার সিরোসিস রোগে ভুগছিলেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতে নিয়ে যান স্বজনরা।

    সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে, শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে তার মরদেহ ঢাকায় পৌঁছাবে, এর পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে জানাজা ও দাফন কোথায় করা হবে। বরিশালে মরদেহ নিয়ে আসা হবে কি না সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।

    এদিকে প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের স্ত্রী লায়লা শামীম আরার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর ভাগনে ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত, তার স্ত্রী লুনা আব্দুল্লাহ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দারসহ বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

    পাশাপাশি তারা মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

  • আমতলীতে বাস ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ নিহত ১ আহত-১৫

    আমতলীতে বাস ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ নিহত ১ আহত-১৫

    আমতলী-পটুয়াখালী মহাসড়কের উরশিতলা নামক স্থানে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার সময় বাস ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে বাসের হেলপার ঘটনাস্থলে নিহত ও ১৫ যাত্রী আহত হয়েছে। আহতরা আমতলীসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

    জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার সময় আমতলী চৌরস্তা থেকে বিসমিল্লাহ (ঢাকা মেট্ট্রো-ব-১১-৩৮৮৪) নামে একটি বাস যাত্রী বোঝাই করে পটুয়াখালীর দিকে যাচ্ছিল।

    বাসটি উরশিতলা বিএম অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশনের সামনে পৌছামাত্র বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

    এসময় বাসটি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে পাশের খাদে উল্টে পরে বাসের হেলপার আফজাল (৩৫) ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এসময় বাসে থাকা ১৫ যাত্রী আহত হয়েছে।

    আহতরা হল তহমিনা (৫০), লাইজু (৫০), মাকসুদা (৩৮), হিরা মনি (২৬), জুবায়ের (৬), সোহাগ (৩০) ও ফারজিন কবির শিফা (১৬) ৮ জনের নাম জানা গেলেও অন্যদের নাম জানা যায়নি। তারা পটুয়াখা এবং স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

    আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী শাখয়াত হোসেন তপু বলেন, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

  • সংসদ নির্বাচন: প্রার্থীরা সমান ভোট পেলে লটারিতে বিজয়ী নির্ধারণ

    সংসদ নির্বাচন: প্রার্থীরা সমান ভোট পেলে লটারিতে বিজয়ী নির্ধারণ

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী সমান ভোট পেলে লটারি করে বিজয়ী নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান নির্দেশনাটি সব রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছেন।

    এতে বলা হয়েছে, যদি কোনো নির্বাচনী এলাকার ফলাফল একত্রীকরণের পর দেখা যায় যে, দুই বা ততোধিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সম সংখ্যক ভোট পেয়েছেন এবং তাদের কোনো একজনের জন্য একটি ভোট দেওয়া হলে তিনি নির্বাচিত ঘোষিত হওয়ার অধিকারী হবেন সেক্ষেত্রে, রিটার্নিং অফিসার তাৎক্ষণিক অনুরূপ প্রার্থীদের সম্পর্কে লটারির মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণ করবেন।

    লটারি যে প্রার্থীর অনুকূলে পড়বে তিনি সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন বলে গণ্য হবেন, যা তাকে নির্বাচিত বলে ঘোষিত হওয়ার অধিকারী করবে। উপস্থিত সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং তাদের নির্বাচনী এজেন্টের সামনে লটারি হবে। এই লটারির পুরো কার্যক্রমটি কার্যবিবরণীতে লিপিবদ্ধ করবেন। লিপিবদ্ধ কার্যবিবরণীতে উপস্থিত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং তাদের নির্বাচনী এজেন্টেদের সই নিতে হবে।

    আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

  • সশস্ত্র বাহিনীর অগ্রবর্তী টিমকে মাঠে নামতে বলল ইসি

    সশস্ত্র বাহিনীর অগ্রবর্তী টিমকে মাঠে নামতে বলল ইসি

    নির্বাচনের তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর অগ্রবর্তী টিমকে ভোটের মাঠে নেমে যেতে বলেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে (পিএসও) এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছেন।

    এর আগের সেনা মোতায়েন জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল অনুরোধ জানালে রাষ্ট্রপতি এতে সম্মতি দেন।

    পিএসওকে লেখা চিঠিতে আতিয়ার রহমান উল্লেখ করেছেন, আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান করার নিমিত্ত নির্বাচন কমিশন সম্ভব সব আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়েছে।

    নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার জন্য সার্বিক প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।

    ভোটগ্রহণের আগে, দিন ও ভোটগ্রহণের পরে শান্তি-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার নিমিত্ত ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সমগ্র বাংলাদেশের ৩শ’টি নির্বাচনী এলাকায় ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত (যাতায়াত সময়সহ) সশস্ত্র বাহিনী নিয়োজিত হবে মর্মে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    এলক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনের কয়েকদিন আগ থেকে নির্বাচনী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভৌত অবকাঠামো এবং নির্বাচনী পরিবেশ পরিস্থিতির ওপর প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করার নিমিত্ত প্রতি জেলায় সশস্ত্র বাহিনীর ছোট আকারের একটি করে অগ্রবর্তী টিম পাঠানো যেতে পারে।

    চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি ও অন্যান্য আইনে বিধান অনুসারে এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনী পরিচালিত হবে।

    মোতায়েনকৃত সশস্ত্র বাহিনী নির্বাচনী কাজে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের পরামর্শে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী বেসামরিক প্রশাসনকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যেভাবে সহায়তা করবে:

    (ক) সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা প্রতিটি জেলা/উপজেলা/মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট এবং সুবিধাজনক স্থানে নিয়োজিত থাকবে।
    (খ) রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে সমন্বয় করে উপজেলা/থানায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।
    (গ) সশস্ত্র বাহিনীর টিমের সঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত করা হবে এবং আইন, বিধি ও পদ্ধতিগতভাবে কার্যক্রম গৃহীত হবে।
    (ঘ) সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের নির্দেশনা অনুসারে এলাকাভিত্তিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান চূড়ান্ত করা হবে।
    (ঙ) ভোটগ্রহণের দিন, তার আগে ও পরে কার্যক্রম গ্রহণ ও মোতায়েনের সময়কালসহ বিস্তারিত পরিকল্পনা অবহিত করতে হবে।
    (চ) বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের অনুরোধক্রমে চাহিদামতো আইনানুগ অন্যান্য কার্যক্রম সম্পাদন করতে হবে।

    চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, সেনা মোতায়েনের বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত নির্দেশনা জারি করা হবে।

    সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে পিএসও জানিয়েছিলেন, তারা ১৩ দিনের জন্য ভোটের দায়িত্ব পালন করবেন বলে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়েও অধিক সংখ্যক ফোর্স মোতায়েন করা হতে পারে।

  • বরিশালের ছয়টি আসনে ৩৫ নেতার মধ্যে প্রতীক বরাদ্ধ

    বরিশালের ছয়টি আসনে ৩৫ নেতার মধ্যে প্রতীক বরাদ্ধ

    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে বরিশালের ছয়টি আসনের প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রমের শুরু করা হয়। শেষ হয় দুপুর সাড়ে ১২টায়।

    এসময় জেলার ছয়টি আসনে ৩৫ জন প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম।

    প্রতীক পাওয়া প্রার্থীরা হলেন, বরিশাল-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ (নৌকা) জাতীয় পার্টির সেরনিয়াবাত সেকান্দার আলি (লাঙ্গল) ও এনপিপির মো. তুহিন (আম)।

    বরিশাল-২ আসনে তৃণমূল বিএনপির শাহজাহান সিরাজ (সোনালি আঁশ), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নকুল কুমার বিশ্বাস (গামছা), জাতীয় পার্টির মো. ইকবাল হোসেন (লাঙ্গল), আওয়ামী জোটের রাশেদ খান মেনন (নৌকা), এনপিপির সাহেব আলী (আম), স্বতন্ত্র প্রার্থী একে ফাইজুল হক (ঈগল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল ইসলাম (ঢেঁকি)।

    বরিশাল-৩ আসনে জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া (লাঙ্গল), ওয়ার্কাস পার্টির টিপু সুলতান (হাতুড়ি), বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির আজমুল হাসান জিহাদ (ছড়ি), তৃণমূল বিএনপির শাহানাজ হোসেন (সোনালি আঁশ), স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল হক (ঈগল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুর রহমান (ট্রাক)।

    বরিশাল-৪ আসনে জাতীয় পার্টির মো. মিজানুর রহমান (লাঙ্গল), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের হৃদয় ইসলাম চুন্নু (ছড়ি) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী পঙ্কজ দেবনাথ (ঈগল)।

    বরিশাল-৫ আসনে এনপিপির আব্দুল হান্নান (আম), আওয়ামী লীগ মনোনীত জাহিদ ফারুক শামিম (নৌকা), বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির মাহাতাব হোসেন (ডাব), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. আসাদুজ্জামান (ছড়ি), জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন (লাঙ্গল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রিপন (ট্রাক)। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হাইকোর্টে সাদিক আব্দুল্লাহর প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণার কাগজ রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে না পৌঁছানোর কারনে তার প্রতীক বরাদ্ধ হয় নি।

    বরিশাল-৬ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেজর হাফিজ মল্লিক (নৌকা), তৃণমূল বিএনপির টিএম তুহিন (সোনালি আঁশ), জাতীয় পার্টির নাসরিন জাহান রত্না (লাঙ্গল), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের মো. মহসীন (মশাল), বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির মাইনুল ইসলাম (ডাব), এনপিপির মোশাররফ হোসেন (আম), স্বতন্ত্র প্রার্থী সামচুল আলম চুন্নু (ট্রাক), স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকির হোসেন সাগর (রকেট), স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাবাজ মিঞা (ঈগল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল ইসলাম খান (তরমুজ)।

    প্রতীক বরাদ্দ শেষে সকল প্রার্থীকে নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলার অনুরোধ করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম।

  • ভোটের দিন সকালে কেন্দ্রে যাবে ব্যালট পেপার

    ভোটের দিন সকালে কেন্দ্রে যাবে ব্যালট পেপার

    দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন সকালে কেন্দ্রে পৌঁছাবে ব্যালট পেপার।

    সোমবার (১৮ জানুয়ারি) এক পরিপত্রে এ তথ্য জানায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বলা হয়, নির্বাচনী দ্রব্যাদি পরিবহন ও বিতরণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণের দিন সকালে ব্যালট পেপার প্রেরণ করা হবে।

    নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে জেলা পর্যায়ে ও জেলা পর্যায় থেকে উপজেলা পর্যায়ে এবং উপজেলা পর্যায় থেকে ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী দ্রব্যাদি পরিবহন ও বিতরণের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    এতে আরও বলা হয়, এ লক্ষ্যে পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। প্রয়োজন অনুসারে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় হতে বিভাগ/আঞ্চলিক বা জেলা পর্যায়ে নির্বাচনী দ্রব্যাদি পরিবহনে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

    বিভাগ/আঞ্চলিক পর্যায় হতে জেলা সভায় এবং জেলা পর্যায় হতে উপজেলা পর্যায়ে দ্রব্যাদি পরিবহন ও বিতরণে অনুরূপ নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।