Blog

  • গৌরনদীতে এসএসসি পরীক্ষায় প্রবেশপত্র নিতে গুনতে হয় টাকা

    গৌরনদীতে এসএসসি পরীক্ষায় প্রবেশপত্র নিতে গুনতে হয় টাকা

    তানজীল শুভ:

    বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র সরবরাহের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কেন্দ্র ফি’র নামে ৩শ থেকে ৫শ করে টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, গৌরনদী উপজেলায় ২৩টি হাইস্কুলের ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষায় প্রায় ৪ হাজার ও ৪শ পরীক্ষার্থী রয়েছে।

    ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু । উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের খাঞ্জাপুর পাঙ্গাশিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক খাঞ্জাপুর গ্রামের মো. কামাল হোসেন (৪৮)জানান, তার ভাতিজার প্রবেশপত্র আনতে গিয়ে তিনশত পঞ্চাশ টাকা দিতে হয়েছে। অভিভাবক মিজান মুন্সী জানান, তার কন্যার ফরম পুরনে ৪ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। এখন আবার প্রবেশপত্র আনতে সাড়ে তিন শত টাকা দিতে হয়েছে। তবে প্রধান শিক্ষক মো. ফরিদ উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। গৌরনদী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক মো. জামাল হাওলাদার জানান, তার পুত্রের প্রবেশ পত্র আনতে গেল স্যারেরা ৪শত টাকা দাবি করেন। একই অভিযোগ করেন কমপক্ষে আরো চার অভিভাবক। প্রধান শিক্ষক মো. অলিউল্লাহ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রবেশ পত্রের জন্য নয়, কেন্দ্র ফি বাবদ টাকা রাখা হচ্ছে।

    বার্থী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক আসাদুজ্জামান অভিযোগ করেন, তার ভাতিজার প্রবেশ পত্র আনতে চারশত টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। গৌরনদী উপজেলার প্রায় সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকদের কাছ থেকে একই অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির গৌরনদী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান বলেন, এবারে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পুরনের সময় অধিকাংশ পরীক্ষার্থীই কেন্দ্র ফির টাকা বাকি রেখে ফরম পুরন করেছে। তাদের কাছ থেকে কেন্দ্র ফি’র টাকা রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রবেশপত্রের জন্য কোন টাকা রাখা হচ্ছে না গৌরনদী উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লিটু ব্যানার্জি বলেন, প্রবেশপত্র প্রদানে টাকা নেওয়ার কোন বিধান নেই। অভিভাবকগণ লিখিত অভিযোগ দিলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

  • বরিশালে স্ত্রী সন্তান রেখে স্কুলছাত্রী নিয়ে উধাও শিক্ষক

    বরিশালে স্ত্রী সন্তান রেখে স্কুলছাত্রী নিয়ে উধাও শিক্ষক

    বরিশালের মুলাদী উপজেলায় স্ত্রী সন্তান রেখে ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে নিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছেন দুই সন্তানের জনক এক প্রাইভেট শিক্ষক। গত ২৯ জানুয়ারি প্রাইভেট শিক্ষক মিজানুর রহমান ফকির চরপদ্মা রাশিদিয়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে নিয়ে উধাও হন।

    মিজানুর রহমান উত্তর পাতারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্যারা শিক্ষক ছিলেন এবং ওই ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়াতেন। মিজানুর রহমানের স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছাত্রীর দাদা আবু তালেব রাঢ়ি মুলাদী থানায় নিখোঁজের বিষয়ে অভিযোগ করে সাধারণ ডায়েরি করলে পুলিশি তদন্তে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বেরিয়ে আসে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পঞ্চম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় ওই ছাত্রীর দিকে নজর পড়ে মিজানের। বিভিন্ন অজুহাতে মিজান ফকির ছাত্রীর বাড়িতে যায় এবং সম্পর্ক গড়ে তুলে। পরে ভালো ফলাফল পাইয়ে দেয়ার লোভ দেখিয়ে মিজান ফকির ওই ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়ানো শুরু করে।

    গত সোমবার ছাত্রী মাদরাসায় গিয়ে আর বাসায় না ফেরায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি করে। কোথাও না পেয়ে ছাত্রীর দাদা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুলাদী থানায় এ বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি করে। বুধবার সকালে থানা পুলিশের এএসআই আল আমিন উত্তর চরপদ্মা ও উত্তর পাতারচর গ্রামে তদন্ত চালিয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে নিয়ে মিজান ফকিরের উধাওয়ের বিষয়টি জানতে পারেন। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়। মুলাদী থানা পুলিশের এসআই আল আমিন জানান, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় নিখোঁজের দিন তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে। এছাড়া বিভিন্ন তথ্য থেকে তাদের একসঙ্গে পালানোর বিষয়টি প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

  • উজিরপুরে মিথ্যা অপবাদ ও পরিবারকে হুমকী দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহত্যা

    উজিরপুরে মিথ্যা অপবাদ ও পরিবারকে হুমকী দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহত্যা

    বরিশালের উজিরপুরের হারতার নাথারকান্দিতে সমাজপতিদের মিথ্যা অপবাদ ও পরিবারকে হুমকী দেয়ায় ৭ম শ্রেণিতে পড়ুয়া কিশোরীর আত্মহত্যা, ধামাচাপা দিতে পরিবারের প্রতি চাপ প্রয়োগ, ময়না তদন্ত ছাড়া লাশ দাফন, সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি। সূত্র জানায় উপজেলার হারতা ইউনিয়নের নাথারকান্দি গ্রামের মৃত নুরুল হক হাওলাদারের তিন কন্যা ও এক ছেলের মধ্যে সবার ছোট মেয়ে নাথারকান্দি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণিতে পড়ুয়া কন্যা তানজিলা একই এলাকার শাহালমের পুত্র সাহাবুদ্দিনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে।

    এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৩ জানুয়ারী প্রেমিক শাহাবুদ্দিনের সাথে দেখা করতে গেলে এলাকার প্রভাবশালী শহিদ মৃধা,মাসুদ খান, মেহেদী, মিরাজ, সুমন, সাইদুল সহ বেশ কয়েকজন প্রেমিক যুগলকে আটকে শারিরীক নির্যাতন চালায় ও মুক্তিপন আদায় করে । তানজিলাকে কুচরিত্রা আখ্যা দিয়ে তার মায়ের কাছে পাঠিয়ে দেয়। বিষয়টি এলাকায় ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে প্রচারণা চালায় নির্যাতনকারীরা। এতে তানজিলা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে ও ঘটনার একদিন পড়ে ২৫ জানুয়ারী সন্ধ্যা ৬টার দিকে নিজ বাড়ীর আঙিনায় আম গাছের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। কিশোরীর আত্মহত্যার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

    এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করা শর্তে একাধীক এলাকাবাসী জানিয়েছে নির্যাতনকারীরা এলাকার প্রভাবশালি হাওয়ায় তারা ধরাকে সরাজ্ঞান না করে বিভিন্ন রকমের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রেমিক যুগলকে নির্যাতনের সময় অনেকেই প্রত্যক্ষ করলেও প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি, ঘটনার সময় সহিদ মৃধা সহ একাধীক লোক উপস্থিত ছিল এবং তানজিলার মায়ের কাছে ফোন করে অশালীন মন্তব্য করে শাসায় তারা। তানজিলার মৃত্যুর পরে বিষয়টি নিয়ে বারাবারি না করতে পরিবারকে বিভিন্ন রকমের চাপ প্রয়োগ করতে থাকে নির্যাতন কারিরা।

    এ বিষয়ে তানজিলার মা কান্না জড়িত কন্ঠে জানান পিতৃ হারা কন্যাকে বহু কষ্টে মানুষ করেছি, এভাবে মৃত্যু কামনা করিনি। লাশ ময়না তদন্ত ছাড়া দাফনের বিষয়ে জানতে চাইলে বিভিন্ন চাপের কথা স্বীকার করে বলেন যে যাবার সে চলে গেছে কিন্তু আমাদের এলাকায় থাকতে হলে তাদের কথামত চলতে হবে।

    এ বিষয়ে লাশের সুরাতাহালকারী কর্মকর্তা এস,আই জাফর জানিয়েছেন আত্মহত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ ময়না তদন্তের জন্য নিতে চাইলে পরিবার অপারগতা প্রকাশ করায় ও নিজ দায়িত্বে দাফন করবে বলে মুসলেকা দেয়। পরিবার যদি কোন অভিযোগ না করে তাহলে আমাদের কী বা করার আছে। এলাকার সাধারন মানুষ বিষয়টি সহজভাবে না দেখে অন্যায়কারীর বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান।

  • সহপাঠীর পা ও জুতা ধুয়ে অন্য শিক্ষার্থীদের পানি খাওয়ানো সেই শিক্ষক কারাগারে

    সহপাঠীর পা ও জুতা ধুয়ে অন্য শিক্ষার্থীদের পানি খাওয়ানো সেই শিক্ষক কারাগারে

    ঝালকাঠিতে সহপাঠীর পা ও জুতা ধুয়ে অন্য শিক্ষার্থীদের পানি খাওয়ানোর অভিযোগ ওঠা সেই অঙ্কের স্যারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার শিক্ষকের নাম মো. মনিরুজ্জামান। তিনি ঝালকাঠির বিকনা দ্বিনিয়া মুহিব্বুল্লাহ মাদরাসার অঙ্কের শিক্ষক। বুধবার সন্ধ্যায় তাকে বিকনা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

    বুধবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর থানা পুলিশের এসআই হানিফ জানান, লিখতে না পারায় সহপাঠীর পা ও জুতা ধুয়ে শিক্ষার্থীদের পানি খাইয়েছেন মনিরুজ্জামান নামের ওই শিক্ষক। তাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ভিকটিম নাসরুল্লাহ’র মা শাহিদা বেগমের দেয়া অভিযোগের ভিত্তিতে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    গত ২৮ জানুয়ারি শনিবার অঙ্ক ক্লাসে পাঠদানের সময় পড়া না পারায় সহপাঠীর পা এবং জুতা ধুয়ে শিক্ষার্থীদের পানি পান করার অঙ্কের শিক্ষক মনিরুজ্জামান। এতে শিশু শিক্ষার্থীরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে পড়ে। এ বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। পরে সদর থানা পুলিশের নজরে এলে আইনগত ব্যবস্থা নেয় পুলিশ।

  • আইজিপি শহীদুল হকের বিদায়, দায়িত্ব নিলেন জাবেদ পাটোয়ারী

    আইজিপি শহীদুল হকের বিদায়, দায়িত্ব নিলেন জাবেদ পাটোয়ারী

    বাংলাদেশ পুলিশের নবনিযুক্ত ইন্সপেক্টর জেনারেলের (আইজিপি) দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাবেদ পাটোয়ারী। বুধবার দুপুরে পুলিশ সদরদফতরে আনুষ্ঠানিকভাবে তার কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন সদ্য সাবেক আইজিপি একেএম শহীদুল হক। দায়িত্ব হস্তান্তরের মাধ্যমে ৩২ বছরের কর্মজীবনের ইতি টানেন একেএম শহীদুল হক।

    বুধবার পুলিশ সদর দফতরে আয়োজিত ‘বিদায় সংবর্ধনা’ অনুষ্ঠানে শহীদুল হক বলেন, আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব শেষ হওয়ার মাধ্যমে পূর্ণ সন্তুষ্টি নিয়ে ৩২ বছরের চাকরি জীবনের ইতি টানছি। তিনি আরও বলেন, গত তিন বছর এক মাস আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে চেষ্টা করেছি পুলিশের সক্ষমতা উঁচুমাত্রায় নিয়ে যেতে এবং পুলিশকে জনবান্ধব করতে। দায়িত্ব পালনকালে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে, কিন্তু সাহকিতার সঙ্গে সব সংকট মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি।

    ‘গত তিন বছরে পুলিশে যা অর্জন তার কৃতিত্ব কনস্টেবল থেকে আইজি পর্যন্ত সবার। আর সব ব্যর্থতার দায় আমার। দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের সবাইকে হয়তো খুশি করতে পারিনি। একটা প্রশাসনিক কাঠামোতে কাজ করতে হয়েছে। এর বাইরে কিছু চাপ, কিছু গাইডলাইন থাকে। ব্যক্তিগতভাবে আমি কারো প্রতি বিরাগভাজন ছিলাম না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শহীদুল হক বলেন, স্বপ্ন অনেক থাকে কিন্তু সব তো পূরণ হয় না। তবে অধিকাংশ কর্মপরিকল্পনাই বাস্তবায়ন করেছি। পুলিশের পেশাদারিত্বের জন্য ২০টি নির্দেশনা দিয়ে গেছি। ৯৯৯- জরুরি সেবা ছিল সবচেয়ে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। তবে থানা লেভেলে পরিবর্তন সম্ভব হয়নি। আমি চেয়েছিলাম মানুষ যেখানে অভিযোগ নিয়ে যায়, যেটা মানুষের শেষ ভরসা, সেখানে সেবা পেয়ে যেন সন্তুষ্টি নিয়ে ফিরে।

    আমি থানা পর্যায়ে সেবার মান বাড়াতে অনেক চেষ্টা করেছি, অনেক উন্নতি হয়েছে কিন্তু পুরোপুরি পরিবর্তন হয়নি। যদিও এটা সময় সাপেক্ষ ব্যপার। পুলিশে নতুন ছেলেরা আসছে, আশা করব তারাই মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবে। একই অনুষ্ঠানে নবনিযুক্ত আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, বিগত দিনগুলোতে আইজিপিকে সবাই যেভাবে সহায়তা করেছেন, দেশকে এগিয়ে নিতে সামনের দিনগুলোতেও সে সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি। মানুষের কাছাকাছি যাওয়ার পুলিশের যে প্রয়াস, সেটা অব্যাহত রাখতে পারলে আরও এগিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেন সদ্য দায়িত্ব নেয়া জাবেদ পাটোয়ারী।

  • বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাবের ৭ম বর্ষপূর্তি শোভাযাত্রা ও রক্ত ক্রয় বিক্রয় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

    বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাবের ৭ম বর্ষপূর্তি শোভাযাত্রা ও রক্ত ক্রয় বিক্রয় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

    তানজীল শুভ:

    ‘যা কিছু ভালো বিবিডিসি’ এ শ্লোগানে ২০১২ ইং সনের ৩১ জানুয়ারি বরিশালে প্রতিষ্ঠালাভ করে ‘বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাব’। বিনামূল্যে এবং সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে এক ঝাঁক তরুনের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগের বিনিময়ে গড়ে উঠা এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অধ্যাবদি প্রায় ২৫,০০০ ( পঁচিশ হাজার) ব্যাগ রক্তদান করেছেন বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঢাকা ও কলাপাড়ার বিভিন্ন হসপিটাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন মানুষদের।

    ৭ বছরের এ যাত্রায় ‘বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাব’ গড়েছে প্রায় পঁচিশ হাজার স্বেচ্ছা রক্তদাতার সুসংগঠিত ডোনার পুল। যাদের মধ্যে অর্ধেকই নিয়মিত রক্তদাতা এবং অঙ্গীকার করেছেন আজীবন রক্তদানে। আজ বুধবার বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে । সকাল ১০:০০ টায় নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যান থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মহাত্বা অশ্বিনী কুমার টাউন হলে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় বিবিডিসির সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক, বিভিন্ন সংগঠনের শুভাকাঙ্খীসহ গনমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেয়।

    শোভাযাত্রা শেষে মহাত্বা অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে কেক কেটে বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাবের ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। পরবর্তীতে রক্ত ক্রয় বিক্রয় বন্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বরিশালের স্বেচ্ছাসেবী। রক্তদানের পাশাপাশি, বিনামূল্যে ব্লাড গ্রুপ ক্যাম্পেইন, বন্যাদুর্গতের জন্য সাহায্য উত্তোলন, শীতার্থদের শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরন, ঈদে অসহায়দের নতুন জামা প্রদান, দুস্থ ও অসহায়দের জন্য নগদ টাকা বিতরনসহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক ও মানবিক কাজ করে অত্র সংগঠন বরিশাল বিভাগ ব্যাপী ব্যাপক পরিচিতি লাভসহ বরিশালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা মুমূর্ষু রোগীদের ভরসার প্রতীক হিসেবে নিজেদের দাড় করিয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সংগঠনের সভাপতি আওলাদ খান প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে জানান, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের রক্তের গ্রুপ নির্নয় ও নতুন রক্ত দাতা সৃষ্টিতে বিভিন্ন ব্যক্তিকে উদ্বুদ্ধ করণের জন্য ‘বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাব’ কাজ করে যাচ্ছে। একজন সুস্থ মানুষকে প্রতি তিন মাস অন্তর রক্ত দানে উৎসাহ প্রদানের জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে সচেতনা সৃষ্টি করা হয়ে থাকে। প্রয়োজনের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে আমাদের রক্তদাতারা স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে রক্ত সরবরাহ করেন। এই রক্তের সূত্রে মানুষে-মানুষে আত্মিক বন্ধন গড়ে তোলাতেই ‘বরিশাল ব্লাড ডোনারস ক্লাব’ এর সার্থকতা।

  • বরিশালে বিদ্যালয়ে শিশুর প্রতি শারীরিক সহিংসতা বিষয়ক প্রতিবেদন দিলো ওয়াল্ড ভিশন

    বরিশালে বিদ্যালয়ে শিশুর প্রতি শারীরিক সহিংসতা বিষয়ক প্রতিবেদন দিলো ওয়াল্ড ভিশন

    বরিশালে বিদ্যালয়ে শিশুর প্রতি শারীরিক সহিংসতা বিষয়ক প্রতিবেদন দিলো ওয়াল্ড ভিশন বাংলাদেশ বরিশাল এপিসি।বুধবার সকাল ১১টার সময় বরিশাল জেলা প্রশাশক সম্মেলন কক্ষে েএই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল জেলার জেলা প্রশাসক মো:হাবিবুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল সেন্ট্রাল চাইল্ড ফোরামের সম্পাদক ও বরিশাল সেন্ট্রাল চাইল্ড ফোরামের সভাপতি মোঃ আবু সুফিয়ান শেখ।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মো:আরিফ বিল্লাহ, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা পঙ্কজ রায় চৌধুরী এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নারী বিষয়ক কর্মকর্তা,সরকারি উর্ধতর কর্মকর্তা বৃন্দ,সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর মাকসুদা আক্তার মিতু,প্লান ইন্টারন্যাশনাল এর প্রতিনিধি,বিভিন্ন এনজিও এর প্রতিনিধি,ধর্মীয় প্রতিনিধি,শিক্ষক প্রতিনিধি,বরিশাল উপজেলার ইএনও,ওয়াল্ড ভিশন বাংলাদেশের কর্মকর্তা,ওয়াল্ড ভিশন বাংলাদেশের বরিশাল, কোটালিপাড়া,মোরলগঞ্জ,আসাশুনি,ভান্ডারিয়া ও পিরোজপুর এপি এর কর্মকর্তা ও শিশু প্রতিনিধি।

  • সরকারি বরিশাল মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজের ১১তম বার্ষিক ক্রীয়া প্রতিযোগিতা ও পুরুষ্কার বিতরন অনুষ্ঠান উৎযাপিত

    সরকারি বরিশাল মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজের ১১তম বার্ষিক ক্রীয়া প্রতিযোগিতা ও পুরুষ্কার বিতরন অনুষ্ঠান উৎযাপিত

    কলেজ প্রতিবেদকঃ

    বরিশাল মাহানগরের অন্যতম বিদ্যাপীঠ বরিশাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ। আজ এই প্রতিষ্ঠানে উৎসাহ,উচ্ছাস ও উদ্দীপনার সাথে পালিত হয়ে গেল ১১তম বার্ষিক ক্রিয়া প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ড ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার(অতিরিক্ত সচিব) জনাব মোঃ শহিদুজ্জামান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ হাবিবুর রহমান। উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মেজর ড. সিরাজুল ইসলাম উকিল অধ্যক্ষ, সরকারি বরিশাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ।

    সকাল ১০টা ৫মিঃ এ পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াত ও গীতা থেকে পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। পরবর্তীতে জাতীয় সংগীত পরিবেশ এবং ক্রীয়াবিদদের মার্চপাস্ট হয়। তারপর সভাপতি স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং তিনি সকলকে লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রিয়া ও সহ-শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বলেন। তারপর সকাল ১০.৪০মি এ বেলুন উড্ডয়ন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উরিয়ে ক্রীয়া অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করেন। তারপর মনজ্ঞ ডিসপ্লে এবং গ্রুপভিত্তিক উল্লখযোগ্য ক্রীয়া নৈপুন্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রদর্শন করে। পরবর্তীতে পুরুষ্কার বিতরনী ও সভাপথির সমাপনী বক্তব্যের দ্বারা অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোসনা করা হয়।

  • মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশিদের মুখপাত্র হতে চান ড. নীনা

    যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া অঙ্গরাজ্যের ফিলাডেলফিয়া সিটি এলাকা (কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট-পিএ-০১) থেকে ডেমক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়ন লড়াইয়ে অবতীর্ণ ড. নীনা আহমেদ বলেছেন, ‘ভাগ্য গড়ার দেশ আমেরিকার নীতি-নির্ধারণে কোন বাংলাদেশি নেই। এই শূন্যতা পূরণ করতে চাই এবং কংগ্রেসে বাংলাদেশ তথা দক্ষিণ এশিয়ানদের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করতে চাই।’

    এই আসনের বর্তমান কংগ্রেসম্যান রোবার্ট ব্র্যাডি (Bob Brady) ১৯৯৮ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। ডেমক্র্যাটিক পার্টির এই কংগ্রেসম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে এফবিআই। এর ফলে নভেম্বরের নির্বাচনে তার জয়ী হবার কোন সম্ভাবনা নেই বলে ড. নীনা মাঠে নেমেছেন।

    উল্লেখ্য, সাড়ে ৬ লাখ জনঅধ্যুষিত এই এলাকাটির সিংহভাগ ভোটারই ডেমক্র্যাট। অর্থাৎ দলীয় মনোনয়ন পেলেই জয় অনেকটা নিশ্চিত। আরও উল্লেখ্য, এই এলাকার মানুষের ৩৭.১ শ্বেতাঙ্গ। কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারের হার ৪৯.৫%। এশিয়ান-৪.৯%। ১৫% হলেন হিসপ্যানিক। অর্থাৎ অভিবাসীরা হলেন সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং অশ্বেতাঙ্গরাই হচ্ছেন ড. নীনার ভোট ব্যাংক। দীর্ঘ ৩০ বছর যাবত এ এলাকার অভিবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে কাজ করছেন ড. নীনা। তাকে ফিলাডেলফিয়া সিটি মেয়রের ইমিগ্রেশন কমিশনার এবং সর্বশেষ ডেপুটি মেয়র হিসেবেও অধিষ্ঠিত করা হয়েছিল। এরই মধ্যে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করেছেন দীর্ঘ কয়েক বছর। সেই মেয়াদ ফুরোনোর আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণের দিনই তিনি পদত্যাগ করেন। এসব কারণে ফিলাডেলফিয়ায় ব্যাপক জনপ্রিয় ড. নীনাকে ডেমক্র্যাটিক পার্টির নীতি-নির্ধারকরাই প্রার্থী হবার গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    গত শনিবার সন্ধ্যায় নিউজার্সী রাজ্যের প্রিন্সটনের বাংলাদেশিরা ড. নীনা আহমেদের নির্বাচনী তহবিল গঠনের অনুষ্ঠান করেন। এটি পরিচালনা করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মিয়া হেলালি এবং শামসুন হেলালি। সঞ্চালনায় ছিলেন নিউজাসীর্র প্লেইন্স বরো থেকে দুই দুইবার নির্বাচিত কাউন্সিলম্যান ও বিজ্ঞানী ড. নুরুন্নবী।

    অনুষ্ঠানে ড. নীনা তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, আসছে মে মাসে প্রাইমারি নির্বাচনে জয়ী হবার জন্য আপনাদের সকলের দোয়া এবং সহযোগিতা চাই।

    এই আসনের বর্তমান কংগ্রেসম্যান রবার্ট ব্র্যার্ড দীর্ঘ উনিশ বছর যাবৎ আছেন। তার এই উনিশ বছরে ফিলাডেলফিয়ায় সেই রকম উন্নয়নের কোন ছোঁয়া লাগেনি। এর মধ্যে আবার বর্তমানে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির মামলা চলছে। সব মামলার তদন্ত হচ্ছে-এ অবস্থায় আমি সেই আসনটি ধরে রাখতে চাই-বলেন ড. নীনা।

  • পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে বন্ধ হচ্ছে বাংলা ছবির প্রদর্শনী!

    পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে বন্ধ হচ্ছে বাংলা ছবির প্রদর্শনী!

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সিনেমা হলেই বাংলা ছবির প্রদর্শন ১৫ ফেব্রুয়ারির পরে কার্যত বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে প্রযোজক, পরিচালক, কলাকুশলী, প্রদর্শকদের সংগঠন ইম্পা-র মঙ্গলবারের বৈঠকের পরে।

    সমস্যার সূত্রপাত সাত মাস আগে। তখন কেন্দ্রের জিএসটি (পণ্য ও সেবা কর) ব্যবস্থা চালু হওয়ার পরে বাংলা ছবির টিকিটের দাম কম রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য।

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী জানিয়েছিলেন, ১০০ টাকার কম দামের টিকিটে রাজ্য জিএসটি বাবদ তার ভাগের ৯% করের মধ্যে ৭% ছাড় দেবে। এর আগে রাজ্য যে-দু’শতাংশ বিনোদন কর নিত, এখনও বাংলা ছবির টিকিটের দামে তার বেশি নেবে না। ফলে সিনেমা হলগুলি দর্শকদের কাছ থেকে কেন্দ্রের ভাগের ৯% এবং রাজ্যের জন্য ২% আদায় করলেই চলবে। তবে জিএসটি বাবদ মোট ১৮% টাকা করই হলগুলিকে জমা দিতে হবে। পরে রাজ্য তাদের ছাড়ের ৭% টাকা হলগুলিকে ফিরিয়ে দেবে।

    ইম্পা-র সভাপতি কৃষ্ণনারায়ণ দাগা জানান, গত সাত মাসে হলগুলি ছাড়ের টাকার কানাকড়িও পায়নি। দর্শকদের কাছ থেকে কম কর নিয়ে হল-মালিকেরা বেশি টাকা জমা দিতে বাধ্য হচ্ছেন।হল-মালিকেরা আর পারছেন না। কিছু করার নেই। এমনিতেই সিনেমা হলগুলির ব্যবসা ভাল নয়। বাড়তি টাকা খেসারত দিয়ে বাংলা ছবি চালানো সম্ভব নয়।

    বিভিন্ন সিনেমা হল সূত্রের খবর, রাজ্যের কাছ থেকে ৩৫০-এর বেশি হলের প্রাপ্য এখন কমবেশি ১০ কোটি টাকা। ইম্পা-র সভাপতি কৃষ্ণনারায়ণ দাগা জানান, হল-মালিকেরা বলছেন, হয় তারা বাংলা ছবি না-দেখিয়ে হিন্দি ছবি চালাবেন। নয়তো বাংলা ছবির দর্শকদের থেকেও জিএসটি বাবদ পুরো ১৮% করই আদায় করতে বাধ্য হবেন। ইম্পা-র এ দিনের বৈঠকের পরে নবান্নকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানানো হবে। সূত্র : আনন্দবাজার