Blog

  • ৩০ দেশের কূটনীতিককে যা বলল বিএনপি

    ৩০ দেশের কূটনীতিককে যা বলল বিএনপি

    দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ৩০টি দেশের প্রতিনিধিদের জানিয়েছে বিএনপি। গতকাল বিকালে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও দাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠক সূত্র জানায়, কূটনীতিকদের কাছে বিএনপি বলেছে, ‘দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা মামলা পুরোটাই সাজানো। তাকে হয়রানি করতে এই মামলা করা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় তাকে নির্বাচনে অযোগ্য করতে সরকার শাস্তি দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে।’

    বৈঠক শেষে কার্যালয়ের বাইরে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বৈঠক সম্পর্কে বলেছেন, ‘দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে আমরা কূটনীতিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। নাথিং মোর।’

    এ সময় দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিলেট থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ করে বলেন, সরকারি খরচে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রচারাভিযান বন্ধ করতে হবে। না হলে বিএনপিকে জনসভা করার সুযোগ দিতে হবে। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারাভিযানে নেমে গেছেন। স্পষ্টভাবে নৌকায় ভোট চেয়েছেন। তার এই অবস্থানে প্রশ্ন জাগে, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা আসলে কী। সাধারণত তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনী প্রচার শুরু হয়। কিন্তু প্রায় এক বছর আগেই সরকারি দল রাষ্ট্রীয় খরচে নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরু করেছে। তাহলে প্রশ্ন জাগে, নির্বাচন কমিশন কতটুকু শক্ত!’

    ইসির প্রতি মওদুদ আহমদ বলেন, তাদের এ ধরনের সরকারি খরচে প্রচারাভিযান করা বন্ধ করতে হবে। না হলে বিএনপিকেও জনসভা করার সুযোগ দিতে হবে। লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রচারাভিযান লেবেল প্লেয়িং ফিল্ডের নমুনা নয়। এখন দেখা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী  আনুষ্ঠানিকভাবে সিলেটে ভোট চাইছেন, আর বিএনপি আদালতের বারান্দায়।

    এদিকে বৈঠক সম্পর্কে দলটির একাধিক নেতা আলাপকালে জানান, রাজনৈতিক ও মানবাধিকার পরিস্থিতি, বিচারবহির্ভূত হত্যাসহ বিশেষ করে খালেদা জিয়ার মামলার বিষয়টি কূটনীতিকদের অবহিত করা হয়। কূটনৈতিকদের হাতে এ-সম্পর্কিত একটি ফাইলও হস্তান্তর করেছে দলটি।

    বৈঠকে উপস্থিত এক নেতা জানান, সরকার যে প্রতিহিংসামূলকভাবে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা সাজিয়ে বিচারকাজ চালাচ্ছে, বিশেষ করে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সম্পৃক্ত করার কোনো তথ্য-প্রমাণ না থাকার বিষয়টি কূটনীতিকদের কাছে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে নির্বাচন সামনে রেখে ‘তড়িঘড়ি’ করে এ মামলার রায় ঘোষণার তারিখ ঠিক করার বিষয়টি বলা হয়েছে কূটনীতিকদের।

    বৈঠকে জাপান, নেদারল্যান্ড ও নেপালে রাষ্ট্রদূত ছাড়া ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনারসহ জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, স্পেন, ডেনমার্ক, সুইজারল্যান্ড, মরক্কো, ভারত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, থাইল্যান্ড, ফ্রান্স, তুরস্ক, কুয়েত, ভ্যাটিকান সিটি, ভিয়েতনামসহ ৩০টির বেশি দেশের কূটনীতিক ও দাতা সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বৈঠকে বেশ কয়েকটি প্রভাবশালী দেশের প্রতিনিধিদের অংশ নিতে দেখা যায়নি।

    বিএনপি মহাসচিব ছাড়া বৈঠকে স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান ইনাম আহমেদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য রিয়াজ রহমান, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী, বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক ফাহিমা মুন্নী ও রুমিন ফারহানা উপস্থিত ছিলেন।

  • ফেঁসে যাচ্ছেন পুলিশের দুই সাবেক কর্মকর্তা

    ফেঁসে যাচ্ছেন পুলিশের দুই সাবেক কর্মকর্তা

    অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও জব্দ করা ভারতীয় রুপি আত্মসাৎ করে ফেঁসে যাচ্ছেন পুলিশের দুই সাবেক কর্মকর্তা। এসব অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে থাকা মামলার অভিযোগপত্র দাখিলের প্রক্রিয়া চলছে। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয় এই আলাদা দুটি অভিযোগপত্রের অনুমোদন দিয়েছে। দুদকের রাজশাহী ও রংপুরের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের দুই তদন্ত কর্মকর্তা মামলা দুটি তদন্ত করেছেন। এরপর দুদকের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক আবদুল আজিজ ভুঁইয়া খসড়া অভিযোগপত্র অনুমোদনের আবেদন করলে প্রধান কার্যালয়ে তা অনুমোদন হয়। দুদক কর্মকর্তা আবদুল আজিজ ভুঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    অভিযুক্ত দুজন হলেন অবসরপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার আবদুস শুকুর আকন্দ ও চাকরিচ্যুত উপ-পরিদর্শক (এসআই) এহসানুল ইসলাম। আবদুস শুকুর গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার জিরাই গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদিন আকন্দের ছেলে। আর এহসানুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ইসলামিয়া কলেজ রোড এলাকার মৃত আনোয়ারুল ইসলামের ছেলে। দুদক সূত্রে জানা গেছে, চাকরিতে থাকাকালীন আবদুস শুকুরের বিরুদ্ধে আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি তদন্ত করে দুদক। ওই সময় আবদুস শুকুর দুদকে তার সম্পদের যে বিবরণ জমা দেন তার চেয়েও বেশি সম্পদ খুঁজে পায় দুদক। এ নিয়ে ২০১৫ সালের ৩০ মার্চ রংপুরের কোতোয়ালি থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। দুদকের রংপুরের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিরুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করেন। অন্যদিকে এহসানুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর কোর্ট মালখানার দায়িত্বে নিয়োজিত হওয়ার পর সেখান থেকে ভারতীয় ৯৯ হাজার রুপি আত্মসাৎ করেছেন। জেলার শিবগঞ্জ থানার ২০০৭ সালের একটি মামলার আলামত হিসেবে মালখানায় মোট এক লাখ ভারতীয় রুপি ছিল। কিন্তু ২০১০ সালে এহসানুল ইসলাম মালখানার দায়িত্ব পেলে সেখান থেকে ৯৯ হাজার রুপি সরিয়ে দেন। পরবর্তীতে বিষয়টি ধরা পড়লে চাঁপাইনবাবগঞ্জের তৎকালীন কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মাহবুব আলম তার বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেন। এরপর মামলাটি তদন্তের জন্য দুদকের রাজশাহীর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুর রহমানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরই মধ্যে পুলিশের বিভাগীয় তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৫ সালে এহসানুল ইসলামকে চাকরিচ্যুত করা হয়। দুদকের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক আবদুল আজিজ ভুঁইয়া বলেন, অনুমোদন পাওয়ার পর মামলা দুটির তদন্ত কর্মকর্তারা সাবেক দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র প্রস্তুত করছেন। কয়েক দিনের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট থানা দুটিতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে। যে কোনো সময় ওই দুই সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হবে বলেও জানান তিনি।

  • উত্তর কোরিয়ার নাম মানচিত্র থেকে মুছে যাবে : দক্ষিণ কোরিয়া

    উত্তর কোরিয়ার নাম মানচিত্র থেকে মুছে যাবে : দক্ষিণ কোরিয়া

    দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সং ইয়ং-মু হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, উত্তর কোরিয়া পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করলে দেশটির নাম বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে যাবে। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বরাত দিয়ে দেশটির বার্তা সংস্থা ইওনহ্যাপ এ খবর জানিয়েছে।

    সং ইয়ং-মু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

    উত্তর কোরিয়া নিজের পরমাণু সক্ষমতাকে শক্তিশালী করার যে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সেকথা উল্লেখ করে ইয়ং-মু বলেন, আমেরিকা কিংবা দক্ষিণ কোরিয়া যার বিরুদ্ধেই পিয়ংইয়ং পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করুক না কেন তা হবে দেশটির জন্য আত্মহত্যার শামিল।

    দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী এর আগে উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে পরমাণু অস্ত্রের সম্ভাব্য ব্যবহারের ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন।

    সম্প্রতি তিনি যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে দেশটির হাওয়াই অঙ্গরাজ্যে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতে দুই প্রতিরক্ষমন্ত্রী কোরীয় উপদ্বীপকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার ব্যাপারে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করতে অঙ্গীকারবদ্ধ হন।

    সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর কোরিয়া নিজের পরমাণু সক্ষমতা ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মাত্রা শক্তিশালী করেছে। দেশটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, আমেরিকা ও তার মিত্রদের পক্ষ থেকে যতদিন হুমকি বজায় থাকবে ততদিন নিজের সামরিক সক্ষমতা জোরদার করে যাবে পিয়ংইয়ং।

  • বরিশালে ইয়াবাসহ ৪ তরুণী আটক

    বরিশালে ইয়াবাসহ ৪ তরুণী আটক

    বরিশাল নগরীর হাসপাতাল রোড সংলগ্ন এলাকা থেকে ইয়াবাসহ ৪ তরুণীকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে ওই এলাকার মায়া কানন নামে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

    আটকদের মধ্যে একজন স্কুলছাত্রী। বাকি তিনজন স্থানীয় বাসিন্দা।

    বরিশাল মহানগর পুলিশের (বিএমপি) কোতোয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরাফাত হাসান জানান, আটকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে।

  • বরিশালে খুন ও গুমের ১১ বছর পর মা-মেয়েকে চরমোনাই থেকে উদ্ধার

    বরিশালে খুন ও গুমের ১১ বছর পর মা-মেয়েকে চরমোনাই থেকে উদ্ধার

    খুন ও গুমের অভিযোগে দায়ের করা মামলার ১১ বছর পরে মা-মেয়েকে উদ্ধার করেছে সর্বোচ্চ তদন্ত সংস্থা সিআইডি।

    মঙ্গলবার বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ইছাগুড়া গ্রাম থেকে ১১ বছর ধরে নিখোঁজ জোৎসনা বেগম ও তার মেয়ে জিবাকে উদ্ধার করা হয়। মামলা সূত্রে জানা যায়, যৌতুকের দাবীতে জোৎসনা বেগমকে বিভিন্ন সময় মারধর করত তার স্বামী বরিশাল সদর উপজেলার ৪নং শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের আ: রশীদ মুন্সীর ছেলে মো: আহাম্মদ উল্লাহ মুন্সী। সর্বশেষ ২০০৭ সালের ৯ই জুলাই জোৎসনা বেগমকে পুনরায় যৌতুকের দাবীতে পুনরায় মারধর করে তাকে বেহুশ করে ফেলা হয়। সেই থেকেই জোৎসনা বেগম ও তার মেয়ে জিবার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এই ঘটনায় জোৎসনা বেগমের ভাই সরোয়ার খান বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় ২০০৭ সালের ৩১ জুলাই জোৎসনা বেগমের স্বামী আহাম্মদ উল্লাহ মুন্সীসহ ৬ জনকে নামধারী আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

    মামলাটি এতদিন বরিশাল আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীণ ছিল। মামলার অন্যান্য আসামীরা হল, শহীদ মুন্সী, ইউনুছ মুন্সী, সালেমা বেগম, আসমা বেগম ও জাহেদা বেগম। যাদের সবার ঠিকানা কোতয়ালী মডেল থানাধীণ শায়েস্তাবাদের চরআইচায়। মামলা সূত্রে জানা যায়, মামলা দায়েরের প্রায় ৯ বছর পূর্বে আহাম্মদ উল্লাহ মুন্সীর সাথে কোতয়ালী মডেল থানাধীন এলাকার মৃত ওয়াজেদ আলী খানের মেয়ে জোৎসনা বেগমের বিবাহ হয়। তখন জোৎসনা বেগমের স্বামী শায়েস্তাবাদ হায়াৎসর মসজিদে ইমামতি করতেন। এরই মধ্যে জোৎসনার স্বামী তার ভাইকে মালেশিয়া পাঠানোর জন্য জোৎসনার কাছে ১ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করে। তখন সে তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে এবং তার মেয়েকে মারধর করে পিত্রালয়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়। পরে মীমাংসার মধ্যে দিয়ে জোৎসনা ও তার মেয়েকে পুনরায় ফিরিয়ে নেয় আহাম্মদ উল্লাহ মুন্সী। সর্বশেষ ২০০৭ সালের ৯ই জুলাই সন্ধ্যা ৮টার দিকে মামলার বিবাদীরা পুনরায় ১ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য তার মুখ বেঁধে বেধরক মারধর করে। এতে জোৎসনা বেহুশ হয়ে পড়লে তার মেয়ে জিবার ডাকচিৎকারে বিষয়টি সকলেই টের পায়।

    পরেরদিন জোৎসনার ভাই সরোয়ার খান বোনের শ্বশুড় বাড়ি গিয়ে ১ থেকে ৬নং বিবাদীদের উপস্থিত পেয়ে তার বোন এবং ভাগ্নির কথা জিজ্ঞাসা করলে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাদের পাওয়া যায়নি। এছাড়া দায়ের করা মামলায় জোৎসনা বেগম ও তার মেয়ে জিবাকে খুন করে লাশ গুম করে ফেলার অভিযোগ আনেন জোৎসনা বেগমের ভাই সরোয়ার খান। মামলাটির প্রথম পর্যায়ে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের এসআই মাহাবুবুর রহমানকে। তিনি আহাম্মদ উল্লাহ মুন্সী ও তার ভাই শহীদ মুন্সীকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। মামলাটি বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারের জন্য এলে মামলার মূল উপাদান বা ভিকটিম না পাওয়ায় আদালতের বিচারকের কাছ থেকে মামলাটি চলতি বছরের ৩ই জানুয়ারী অধিক তদন্তের জন্য সিআইডির কাছে নির্দেশ আসে। বিষয়টি তদন্তের পর সিআইডি বরিশালের পুলিশ পরিদর্শক মো: ফরিদুজ্জামান মূল ভিকটিম জোৎসনা বেগম ও বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষার্থী তার মেয়ে জিবাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেন।

  • রাসূল (সাঃ) এর খাদ্য গ্রহনে সাবধানতা ও আধুনিক বিজ্ঞান

    রাসূল (সাঃ) এর খাদ্য গ্রহনে সাবধানতা ও আধুনিক বিজ্ঞান

    বর্তমানে বারবার জোর দিয়ে বলা হচ্ছে, কম আহার করুন । বেশিদিন বাঁচতে পারবেন । মানুষের কাছে বারবার এ কথার উপকারিতা বর্ননা করা হচ্ছে । বেশি খেলে যেসব রোগ-ব্যাধি সৃষ্টি হয়, তার একটি তালিকা প্রণয়ন করেছেন প্রফেসর রিচার বার্ড । নিম্নে তা দেওয়া হল :

    (১) মস্তিষ্কের ব্যাধি (Brain Diseases); (২) চক্ষু রোগ (Eyes Diseases) (৩) জিহবা ও গলার রোগ (E.N.T. Diseases) (৪) বক্ষ ও ফুসফুসের ব্যাধি (Chest and Lungs Diseases) (৫) হৃদ রোগ (Heart and Valves Diseases); (৬) যকৃত ও পিত্তের রোগ (Liver and Gall bladder diseases); (৭) ডায়াবেটিস (Diabetec) (৮) উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure); (৯) মস্তিষ্কের রক্তক্ষরন (Brain Hemorrhage); (১০) দুশ্চিন্তাগ্রস্থ (Depression) (১১) অর্ধাঙ্গ রোগ (Paraliysis) (১২) মনস্তাত্ত্বিক রোগ (Psychological Diseases) (১৩) নিম্নাংশ অবশ হয়ে যাওয়া (সান উইকলি সুইডেন)

    গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখা যাবে, এ লিস্ট প্রকৃতপক্ষে মৃত্যুর লিস্ট, যা প্রফেসর সাহেব গভীর চিন্তা ও গবেষনার পর প্রকাশ করেছেন । কিন্তু অপরদিকে রাসূল (সাঃ) এর বর্ননার প্রতি দৃষ্টিপাত করুন । রাসূল (সাঃ) বলেন, পেটের এক-তৃতীয়াংশ আহারের জন্য এক-তৃতীয়াংশ পানির জন্য আর এক-তৃতীয়াংশ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য ।

    (মযাকুল আরেফীন) একজন দার্শনিকের নিকট যখন হুজুর (সাঃ) এর নির্দেশের কথা শুনানো হল তখন সে বলতে লাগল, এর চেয়ে উওম ও শক্তিশালী কথা আমি আজ পর্যন্ত শ্রবন করিনি ।

    লেখকঃ হুজাইফা রহমান

    কবি ও সাংবাদিক

  • নৌকায় ভোট দিতে ওয়াদা করালেন প্রধানমন্ত্রী

    নৌকায় ভোট দিতে ওয়াদা করালেন প্রধানমন্ত্রী

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে সিলেটে লাখো জনতাকে ওয়াদা করিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘আগামী যে নির্বাচন হবে, সে নির্বাচনে আমরা সবার কাছে নৌকা মার্কার পক্ষে ভোট চাই। নৌকা স্বাধীনতা দিয়েছে, উন্নয়নের পক্ষে নৌকা এগিয়ে নিচ্ছে।’

    মঙ্গলবার সিলেটে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    এর আগে, সিলেট নগরীর আলিয়া মাদরাসা মাঠে বিকাল ৪টায় বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে সিলেট সফর করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণায় নামলেন শেখ হাসিনা। তিনি নিজের বক্তব্যেও এ বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।

    দীর্ঘ ৩৯ মিনিটের বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে জয়লাভ করে চারবছর পূর্ণ করে এখন পাঁচ বছরে পদার্পণ করেছি। আগামী ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনকে সামনে নিয়ে আমরা নির্বাচনী প্রচারণা পূণ্যভূমি সিলেট থেকে শুরু করেছি। বিগত নির্বাচনে নৌকায় সবাই ভোট দিয়েছিলেন। তাই আজ বাংলার সর্বত্র উন্নয়নের ছোঁঁয়া লেগেছে।’

    মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় আলিয়া মাঠে জনসভাস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে ৩৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন তিনি। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদের যৌথ পরিচালনায় সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের পর ধ্বংসস্তূপ বাংলাদেশকে গড়ার কাজ শুরু করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, জাতির জনককে ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট নির্মমভবে হত্যা করা হয়। ১৯৭৫ এর পর বাংলার মানুষের উন্নয়নের চাকা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সংবিধান লঙ্ঘন করা শুরু হয়েছিল। ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশে উন্নয়ন শুরু হয়।’

    প্রধানমন্ত্রীর এই সমাবেশকে ঘিরে গত কয়েকদিন ধরে সিলেটে চলছিল সাজ সাজ রব। মঙ্গলবার সকাল থেকে হাজার হাজার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী আলিয়া মাদরাসা মাঠে জড়ো হতে শুরু করেন।

    আলিয়া ময়দানের জনসমুদ্রে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি সিলেটসহ সারাদেশে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। ২০০৪ সালে হযরত শাহজালালের মাজারে গ্রেনেড হামলা হয়। পরপর দুবার গ্রেনেড হামলায় ৯ জন মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। ৭ আগস্ট আমাদের সাবেক মেয়র কামরানের উপর আক্রমণ হয়। সে আক্রমণে আওয়ামী লীগ নেতা ইব্রাহিম মৃত্যুবরণ করেন। এছাড়া একাধিকবার কামরানের উপর হামলা হয়েছে। মহিলা আওয়ামী লীগের উপর বোমা হামলা হয়।’

    বঙ্গবন্ধুকন্যা আরও বলেন, ‘২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির হত্যাযজ্ঞ সারাদেশে চলে। তাদের হাত থেকে মা-বোনেরা রেহাই পায়নি। সারাদেশে অপারেশন ক্লিনহার্টের নামে আমাদের নেতাকর্মীদের হত্যা করা হয়, গ্রেফতার করে নির্যাতন চালানো হয়, বহু নেতাকে গুম করা হয়।’

    তিনি বলেন, ‘বিগত ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সে নির্বাচন ঠেকানোর নামে সন্ত্রাস-নাশকতা চালায়। সিলেটে শহীদ মিনারে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। ২০১৩. ২০১৪ ও ২০১৫ সালে বিএনপি দেশে ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ড চালায়। আমরা গাছ লাগাই, তারা গাছ কাটে; আমরা রাস্তা বানাই, তারা রাস্তা কাটে। আমরা কঠোর হস্তে সেসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিহত করি। বিএনপির সময় বাংলা ভাই, আবদুর রহমান তৈরী হয়, সারাদেশে একযোগে বোমা হামলা হয়। বিএনপি ঢাকায় ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালায়। এতে আমাদের নেত্রী আইভি রহমানসহ ২২ জন নিহত হন।’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি ধ্বংস করতে জানে, সৃষ্টি করতে জানে না। মানুষের জীবন অতিষ্ঠ করতে জানে। বিএনপি পেট্রোল বোমায় মানুষ মেরেছে। তাদের আগুন, পেট্রোলবোমায় বহু মানুষ জীবন দিয়েছে। তারা প্রায় ৫শ’ মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে। প্রায় তিন হাজার মানুষ তাদের আগুন সন্ত্রাসের শিকার হয়ে এখন ধুঁকছেন। তাদের অগ্নিসন্ত্রাসের কারণে তিন হাজার ৩৬ জন অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন। তারা হাজার হাজার গাড়ি, সরকারি অফিস জ্বালিয়ে দিয়েছে। এরকম ধ্বংসাত্মক আন্দোলন আমরা দেখিনি।’

    তিনি বলেন, ‘আন্দোলন হবে মানুষের জন্য। কিন্তু বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলন ধ্বংস করার জন্য। তারা পারে দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করতে। বিপরীতে আওয়ামী লীগ উন্নয়ন করে, উন্নয়নে বিশ্বাস করে, জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন করে।’

    ‘আজ সিলেট থেকেই নির্বাচনী প্রচারণা শুরু’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি সিলেট এসেছি আপনাদের উপকার করতে। আজ অনেক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেছি। সামনে আরো কিছু উন্নয়ন প্রকল্প হবে, সেগুলোর ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করা হয়েছে।’ নিজের বক্তব্যে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ককে চারলেনে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, ‘দেশে বিদ্যুতের জন হাহাকার ছিল। ২০০৯ সালে আমরা ক্ষমতায় এসে পেয়েছিলাম মাত্র ১৬শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। আজ আমরা দেশে ১৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছি। আমরা কম্পিউটারের উপর থেকে ট্যাক্স প্রত্যাহার করে তা সহজলভ্য করেছি। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে আমরা শিক্ষার হার ৬৫.৫ ভাগে উন্নীত করেছিলাম। বিএনপি ক্ষমতায় এসে সাক্ষরতার হার কমিয়ে ৪৫ ভাগে নিয়ে আসেন। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে আমরা এ হারকে ৭২ ভাগের উপরে নিয়ে গেছি। আমরা প্রতিটি এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছি। বিভিন্ন বহুমুখী বিশ্ববিদ্যালয় করছি, টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করে শিক্ষাকে বহুমুখী করে দিচ্ছি।’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজ দেশে ১৪ কোটি সিমকার্ড ব্যবহৃত হয়। ৮ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। আমরা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করবো। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করছি। মাত্র ১০টাকায় কৃষক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে। দুই কোটির উপর কৃষক উপকরণ কার্ড পাচ্ছে। এক কোটির উপর কৃষক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে ভর্তুকির টাকা পাচ্ছে। যেখানে যে বন্যায় আক্রান্ত, সেখানে বীজ, সারসহ অনান্য উপকরণ আমরা দিচ্ছি। কৃষকের ঋণ আদায় যেন স্থগিত থাকে তার ব্যবস্থা করছি। সিলেটের চা উৎপাদন যেন বৃদ্ধি পায়, তার ব্যবস্থা করছি। চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, তাদের সন্তানদের শিক্ষার ব্যবস্থা করছি। সিলেট থেকে যাতে চায়ের নিলাম হয়, তার জন্য নিলাম কেন্দ্র করছি। দেশের প্রত্যেক এলাকায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল করছি। সিলেটে শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল করছি। ঘরে বসে প্রবাসে থাকা স্বজনদের সাথে কথা বলার প্রযুক্তিগত সুযোগ আমরা দিয়েছি। ৮ হাজার ৫শ’ পোস্ট অফিসকে আমরা ডিজিটাল সেন্টারে রূপান্তর করেছি। ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে বিনা পয়সায় স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছি, ওষুধ দিচ্ছি।  সিলেটে আমরা একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছি।’

    তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য, গ্রামের জনগণের উন্নতি। সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন, দশের প্রতিটি মানুষ পেট ভরে খাবার খাবে। একটি মানুষও গৃহহারা থাকবে না। আমরা জাতির জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছি। আজ আমরা বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করেছি। যারা হতদরিদ্র, শ্রমিকশ্রেণি, সেই সব মায়েদের জন্য মাতৃত্বকালীন সময়ের জন্য ভাতা দিচ্ছি। ছেলে মেয়েরা যেন উচ্চশিক্ষা নিতে পারে, সেজন্য প্রাইমারি থেকে উচ্চ শিক্ষা পর্যন্ত বৃত্তি দিচ্ছি। দেশকে উন্নত করতে হলে, জাতিকে দারিদ্রমুক্ত করতে হলে জাতিকে শিক্ষিত করে তুলতে হবে।’

    তিনি বলেন, ‘প্রবাসীদের টাকায় আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি পায়। প্রবাসীদের জন্য তিনটি ব্যাংক স্থাপনের অনুমতি হয়ে গেছে। আমরা চাই, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আ.লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশেল সুনাম হয়। দেশ পুরস্কার পায়। বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে জঙ্গিবাদ , সন্ত্রাস হয়ে যায় তাদের মূল কাজ। এই দেশকে উন্নয়নের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ২০০৯ সালে আ.লীগ ক্ষমতায় না আসলে দেশে এতো উন্নয়ন হতো হনা। আ.লীগ ক্ষমতায় না থাকলে দেশের উন্নয়ন হয় না। নৌকায় ভোট দিয়ে মানুষ স্বাধীনতা পেয়েছে। নৌকায় ভোট দিয়ে দেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোলমডেল হয়েছে। আমরা কথা দিয়েছিলাম, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবো। তা করেছি। জাতির জনকের খুনিদের বিচার করেছি। বাংলার মাটিতে জঙ্গিবাদের স্থান হবে না। প্রত্যেক মা, বোন, শিক্ষক, সচেতন নাগরিক, সকল অভিভাবক সবাইকে নিজেদের ছেলেমেয়েদে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তারা কোথায় যায়, কার সাথে মিশে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী বেশিদিন অনুপস্থিত কিনা, তা খেয়াল রাখতে হবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। ইসলাম জঙ্গিবাদ সমর্থন করে না।’

    শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘সিলেট আজ শান্তির নগরী। এই শান্তি যেন বজায় থাকে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে একসাথে মিলে কাজ করতে হবে, যাতে সিলেটের সকল পাড়া-মহল্লায় শান্তি বজায় থাকে। আমরা বীরের জাতি, বিজয়ী জাতি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এ দেশকে আমরা উন্নত করে গড়ে তুলবো। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের দেশ। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ জাতিতে পরিণত করবো।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খাদ্যের জন্য বাংলাদেশকে কারো কাছে ভিক্ষা চাইতে হবে না। আমরা দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছি। আপনারা শুনলেন অবাক হবেন, বিএনপির খালেদা জিয়া, তাদের অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান বলেছিলেন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া ভালো না। তাতে বিদেশি সাহায্য পাওয়া যাবে না। কিন্তু আমরা ভিক্ষা করতে চাই না। যারা নিজেদেরকে ভিক্ষুক হিসেবে অন্যের কাছে পরিচিত করতে চায়, তারা কিভাবে দেশের উন্নয়ন করবে। বাংলাদেশের মানুষ বিশ্ব দরবারে সম্মানের সাথে এগিয়ে যাবে, এটাই আমাদের লক্ষ্য।’

    আগামী নির্বাচনে নৌকায় ভোট চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী যে নির্বাচন হবে, সে নির্বাচনে আমরা সবার কাছে নৌকা মার্কার পক্ষে ভোট চাই। নৌকা স্বাধীনতা দিয়েছে। উন্নয়নের পক্ষে নৌকা এগিয়ে নিচ্ছে।’ তিনি হাত তুলিয়ে উপস্থিত জনতাকে নৌকায় ভোট দেয়ার ওয়াদা করান।
    নিজের বক্তব্যে প্রয়াত মন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদ, শাহ এএমএস কিবরিয়া, হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, দেওয়ান ফরিদ গাজী, আহসান উল্লাহ মাস্টারসহ প্রয়াত জাতীয় নেতাদের স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন আ.লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, অর্থ প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান, আ.লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ড. একে মোমেন প্রমুখ।

    সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, তৌফিক-ই-এলাহী, আওয়ামী লীগ সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ, সংসদ সদস্য শেখ হেলাল, সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপদপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য গোলাম কবির রব্বানি চিনু, আনোয়ার হোসেন, ইকবাল হোসেন অপু, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রিজনভ্যান থেকে ২ নেতাকে ছিনিয়ে নিল বিএনপি কর্মীরা!

    প্রিজনভ্যান থেকে ২ নেতাকে ছিনিয়ে নিল বিএনপি কর্মীরা!

    বিএনপি খালেদা জিয়ার আদালতে হাজিরাকে কেন্দ্র করে আটক দুই নেতাকে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে প্রিজনভ্যান থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে বিএনপির কর্মীরা। তবে আটক আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার খবর অস্বীকার করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া আদালতে হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে হাইকোর্টের ঈদগাহ গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। খবর বাংলা নিউজের।

    বিএনপির নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে এসে প্রিজনভ্যানটি ভাঙচুর করে ওই দুইজনকে ছিনিয়ে নেন।

    তবে এ খবর অস্বীকার করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) নাবিদ কামাল শৈবাল। তিনি বলেন, একটি প্রিজনভ্যান ভাঙচুর করা হলেও ভ্যানে কোনো আসামি ছিল না। কাউকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেনি।

    শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাফর আলী বিশ্বাস বলেন, খালেদা জিয়া আদালতে হাজিরা দিয়ে ফেরার সময় একটি প্রিজনভ্যান ভাঙচুর করে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করে বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। জড়িত অন্যান্যদের আটক করতে অভিযান চলছে।

  • কর্তৃপক্ষের ভুলে বিশ্বনাথে দাখিল পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত দুই ছাত্র

    কর্তৃপক্ষের ভুলে বিশ্বনাথে দাখিল পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত দুই ছাত্র

    সিলেটের বিশ্বনাথে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের রহস্যজনক গাফিলতির কারণে ১লা ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠেয় দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে না দুই ছাত্র। কামরান আহমদ ও আবদুল গাফ্ফার লিমন নামের এই দুই ছাত্র উপজেলার তেলিকোনা এলাহাবাদ আলিম মাদরাসা থেকে এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেবার কথা ছিল।

    দু’ছাত্রের পরীক্ষা অনিশ্চিতের খবর ছড়ানোর পর মঙ্গলবার সকালে রীতিমত তুলকালাম কাণ্ড ঘটে তেলিকোনা এলাহাবাদ আলিম মাদরাসায়। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের হাতে প্রহৃত হন অফিস সহকারী দিলহুর আলম। এসময় তাদের সাথে যোগ দেন এলাকাবাসীও। পরে খাজাঞ্চী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় গণ্যমান্যদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তাৎক্ষণিক সাময়িক বরখাস্ত করা হয় মাদরাসার অফিস সহকারীকে। এছাড়া, ঘটনার তদন্তে মাদরাসার উপাধ্যক্ষকে প্রধান করে ৩ সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়।

    জানা যায়, ২০১৮ সালের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেবার জন্যে রেজিস্ট্রেশন করে উপজেলার তেলিকোনা আলিম মাদরাসার ৬২ শিক্ষার্থী। তারা যথারীতি প্রি-টেস্ট ও টেস্টেও অংশ নেয়। গত ২৯ জানুয়ারী সোমবার ৬০ জন শিক্ষার্থীর এডমিট কার্ড এলেও সেটা পাননি দাখিল পরীক্ষার্থী উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের হাজী জমশিদ আলীর পুত্র কামরান আহমদ ও সিলেটের খাদিমনগর নোয়াগাঁও গ্রামের আবদুন নুরের পুত্র আবদুল গাফ্ফার লিমন। মঙ্গলবার সকালে মাদরাসায় এসে তারা এ বিষয়ে শিক্ষকদের উপস্থিতিতে অফিস সহকারী দিলহুর আলমের কাছে এর কারণ জানতে চান। এসময় তিনি কোনো সদুত্তর না দেয়ায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার উপর চড়াও হয়।

    খবর পেয়ে খাজাঞ্চী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তালুকদার গিয়াস উদ্দিন, স্থানীয় ইউপি সদস্য আমির উদ্দিনসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ পরিস্থিতি সামাল দেন। এসময় সকলের উপস্থিতিতে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ অফিস সহকারী দিলহুর আলমকে সাময়িক বরখাস্ত করেন এবং ঘটনাটি তদন্তে মাদরাসার উপাধ্যক্ষ ও ম্যানেজিং কমিটির দায়িত্বশীল মাওলানা মুখলিছুর রহমানকে প্রধান করে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেন। কমিটির অপর দুই সদস্য করা হয় ইংরেজীর প্রভাষক ফরিদুল ইসলাম ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আমির উদ্দিনকে।

    এব্যাপারে দাখিল পরীক্ষা অনিশ্চিত হওয়া দুই ছাত্র কামরান আহমদ ও আবদুল গাফ্ফার লিমন কান্নাজড়িত কন্ঠে  জানান, তারা যথাক্রমে
    ৩৮০০টাকা ও ৩০০০টাকা দিয়ে দাখিলের রেজিস্ট্রেশন করেন। তবে, সে সময় শুধুমাত্র তাদের ছবি নেয়া হলেও রহস্যজনক কারণে তাদের দস্তখত নেয়া হয়নি।

    অফিস সহকারী দিলহুর আলম নিজেই সব পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন ফরমে ডান হাতে বাম হাতে দস্তখত করেন। এছাড়াও, কামরান ও লিমন সব পরীক্ষার্থীর সাথে
    প্রি-টেস্ট ও টেস্টে অংশ নেন। অথচ, সোমবার অন্যদের এডমিট কার্ড এলেও তাদের এডমিট কার্ড আসেনি। খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন তাদের নামে রেজিস্ট্রেশনই হয়নি। এসময়
    তারা দিলহুর আলমের বিরুদ্ধে বৃত্তির টাকা আত্মসাতেরও অভিযোগ করেন।

    এদিকে অভিযুক্ত অফিস সহকারী দিলহুর আলম তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ৬০ জনের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। ৬২ জনের
    ছবি ও টাকা নেয়া হলেও ৬০ জনের রেজিস্ট্রেশন কেন কেন্দ্রে পাঠানো হল-এমন প্রশ্নের কোনো উত্তরই দিতে পারেননি দিলহুর আলম। তবে বিষয়টি মাদরাসার অধ্যক্ষ ও শ্রেণিশিক্ষকরা জানেন বলে তিনি জানান।

    মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবু তাহির মো. হুসাইন ঘটনার দায় স্বীকার করে বলেন, অফিস সহকারীর ভুলের কারণেই এমনটি ঘটেছে। তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্থ দুই ছাত্র ও তাদের অভিভাবকদের সাথে আমরা কথা বলে একটা সমাধানের চেষ্টা করছি।

    খাজাঞ্চী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তালুকদার গিয়াস উদ্দিন বলেন, দু’ছাত্রের দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হওয়াটা দুঃখজনক। এর দায় মাদরাসা কর্তৃপক্ষের। আমরা বিষয়টি নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করেছি। সকলের সাথে কথা বলেছি। একটা সুষ্ঠু সমাধান হবে ইনশাআল্লাহ।

    এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিতাভ পরাগ তালুকদার বলেন, বিষয়টি দেখার জন্যে এখনই উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিচ্ছি। এ ঘটনায়
    দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • বিশ্বাস করি আমরাই এগিয়ে থাকব: মাহমুদুল্লাহ

    চট্টগ্রামে আগামীকাল থেকে মাঠে গড়াবে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার টেস্ট সিরিজ। বাংলাদেশকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল জিতে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে টিম শ্রীলঙ্কা। অন্যদিকে, স্বাগতিক টাইগাররাও ছেড়ে কথা বলতে নারাজ।

    ঘরের মাঠে খেলা বলে নিজেদের এগিয়ে রেখেছেন টাইগার অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশকে ফেবারিট হিসেবে আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারবো না। শ্রীলঙ্কা টেস্টে ভালো করছে। আমাদের হোম কন্ডিশনে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এবং বিশ্বাস করি আমরা এগিয়ে থাকব। আমি বিশ্বাস করি আমাদের যে টিম ব্যালেন্স আছে…যদিও সাকিব নেই, তারপরও দল ব্যালেন্স আছে। ভালোমানের স্পিনার এবং পেস বোলার আছে। এবং ইতিবাচক ব্যাটসম্যান আছে। আশা করছি আমরা যে কোনো মূহুর্তে ভালো কিছুর আশা করতে পারি।’

    ভালো ফলের জন্য মাহমুদুল্লাহ দলগত পারফরম্যান্সকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তার মতে, ‘সবাই দলগতভাবে ভালো পারফরম্যান্স করে তাহলে অধিনায়কত্ব করা খুব সহজ হয়ে যায়। আমরা সব সময় দল হিসেবে ভালো পারফর্ম করি। এবারও আমাদের লক্ষ্য থাকবে দলগতভাবে ভালো পারফর্ম করা। ওই জিনিসটা যদি করতে পারি তাহলে আমার জন্য সহজ হয়ে যাবে। দলে কম-বেশি অভিজ্ঞ ক্রিকেটার আছে এবং জুনিয়র ক্রিকেটাররা সবাই বেশ সহায়ক। সেদিক থেকে আমি বলবো আমার জন্য ভালো হবে।’

    উল্লেখ্য, ইনজুরির কারণে দলের সেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে পাচ্ছে না দল। সাকিবের অভাব পূরণ সম্ভব নয়।