Blog

  • কীর্তনখোলার তীরে কবি শফিক আমিন এর জন্মদিন পালন

    কীর্তনখোলার তীরে কবি শফিক আমিন এর জন্মদিন পালন

    হুজাইফা রহমান:

    এক ঝাঁক তরুন কবি সাহিত্যিকদের নিয়ে কীর্তখোলার পাড়ে (ত্রিশ গোডাউন) উদযাপন করা হলো কবি ও কথা সাহিত্যিক শফিক আমিন এর জন্মদিন। বিকেল সাড়ে চারটায় সবুজ ঘাসের গালিচায় আসন করে বসে মোম জ্বেলে কেক কেটে উৎসব শুরু হয়। কেক খাওয়া শেষে কবি’র বন্ধু রাকিব হাসান বাদল সুমধুর কণ্ঠে একটি গান শোনাল।

    তারপরেই তরুণ শিল্পী হুজাইফা রহমান শোনাল রবীন্দ্র সংগীত। ফাকে ফাকে রঙ্গ-তামাশায় মাতিয়ে রাখেন কবি আতিকুর রহমান হিমু। পুরো অনুষ্ঠান জুড়ে নিরব শ্রোতার ভূমিকায় ছিল কবি আবদুর রহমান। অনন্দকে খুব বেশী উজ্জীবিত করেন সাহিত্য প্রেমি শান্ত রয় ও মিসেস রয়। গোটা উৎসবকে ঘিরে স্থীর হাস্যোজ্জল মুখ নিয়ে মাথা উঁচু করে বসে ছিল কবি অনিন্দ্য দ্বীপ।

    কবি ছোটন্দ্রনাথ চক্রবর্তী সদ্য মওলানার ভূমিকায় চাতুরতার শীর্ষে অবস্থান করেছে। যদিও মলানার ব্যপক প্রতাশার আংশিক অপূর্ণই থেকে গেছে। কবি লুনা আহমেদ একটা গান শোনাবার প্রস্তুতি নিয়ে সবাইকে কথার প্যাঁচে ভুলিয়ে রাখেন। সার্বক্ষণিক অনুষ্ঠানটি ধারণে ব্যস্ত ছিলেন সর্ব কণিষ্ঠ কবি হুজাইফা রহমান।

    যদিও এ সবের মধ্যে সে পাঠ করে শুনিয়েছে কবি শফিক আমিন এর সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত। অতঃপর চা-চক্রের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

  • মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলার উদ্বোধন

    মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলার উদ্বোধন

    মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলা উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলা একাডেমি চত্বরে এ মেলা উদ্বোধন করেন তিনি।
    ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান। আরও বক্তব্য দেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি আরিফ হোসেন ছোটন ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব ইব্রাহিম হোসেন খান।
    অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র, ক্যামেরুন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সুইডেনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আগত কবি ও সাহিত্যিকরা কবিতা আবৃতি করেন।
    বাংলা একাডেমি চত্বর ও ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রায় ৫ লাখ বর্গফুট জায়গাজুড়ে আয়োজন করা হয়েছে এবারের মেলা। উদ্বোধনের আগে প্রধানমন্ত্রী এবছর বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।
    সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশকে ১২টি চত্বরে বিন্যস্ত করা হয়েছে। একাডেমি প্রাঙ্গণে ৯২টি প্রতিষ্ঠানকে ১৩৬টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৩৬৩টি প্রতিষ্ঠানকে ৫৮৩টি ইউনিটসহ মোট ৪৫৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৭১৯টি ইউনিট এবং বাংলা একাডেমিসহ ২৪টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৫ হাজার ৫৩৬ বর্গফুট আয়তনের ২৪টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
    গ্রন্থমেলা ১ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। ছুটির দিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা এবং ২১শে ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে। ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে সেমিনার। শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি-রাজনীতি-সমকালীন প্রসঙ্গ এবং বিশিষ্ট বাঙালি মনীষীর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া মাসব্যাপী প্রতিদিন সন্ধ্যায় থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অমর একুশে গ্রন্থমেলা উপলক্ষে বাংলা একাডেমি শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন, সাধারণ জ্ঞান ও উপস্থিত বক্তৃতা এবং সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।

  • বঙ্গভবনে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

    বঙ্গভবনে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

    রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সাথে দেখা করতে বঙ্গভবনে গেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৪ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাকে স্বাগত জানান।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সাথে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং উপ দফতর সম্পাদক বিল্পব বড়ুয়া।

    জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রপতি হিসেবে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দিয়েছে। আওয়ামী লীগের এই সিদ্ধান্ত সরাসরি রাষ্ট্রপতিকে জানাতেই বঙ্গভবনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।

    বুধবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সভায় রাষ্ট্রপতি হিসেবে আওয়ামী লীগ সর্বসম্মতিক্রমে মনোনয়ন দেয়।

    এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। তফসিল অনুযায়ী ১৮ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

  • যশোরে ৮ থানায় ১৪ মামলা, আটক ৯০

    যশোরে ৮ থানায় ১৪ মামলা, আটক ৯০

    যশোর কোতোয়ালীসহ ৮টি থানায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ১৪টি নাশকতার মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এসব মামলায় ৩৮১ জনকে আসামি করা হয়েছে। বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এসব মামলার আসামিদের মধ্যে ৯০ জনকে আটক করা হয়েছে।

    নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে তিনটি। এসব মামলায় ৯০ জনকে আসামি করা হয়েছে এবং আটক করা হয়েছে ১৭ জনকে। কোতোয়ালী থানার ওসি (অপারেশন) শামসুদ্দোহা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
    মণিরামপুর থানায় নাশকতার মামলা হয়েছে দুটি। মামলা দুটিতে ৪৭ জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও অজ্ঞাত আরও ৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে বিএনপি ৮ নেতা-কর্মীকে।
    ঝিকরগাছা থানার ওসি মেহেদি মাসুদ জানান, নাশকতার অভিযোগে এ থানায় মোট তিনটি মামলা হয়েছে। মামলাগুলোতে আসামি করা হয়েছে ৬০ জনকে। আসামিদের মধ্যে ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
    অভয়নগর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুর রহিম জানান, নাশকতা পরিকল্পনার অভিযোগে এ থানায় একটি মামলা হয়েছে। যেখানে ৬৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে ৭ জনকে।
    কেশবপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. শাহজাহান জানান, কেশবপুর এলাকায় নাশকতা পরিকল্পনার অভিযোগে দায়ের হওয়া দুই মামলায় ৪২ জনকে আসামি করা হয়েছে। যাদের মধ্যে ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
    বাঘারপাড়া থানায় দায়ের হওয়া একটি নাশকতার মামলায় আসামি করা হয়েছে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক টিএস আইয়ুবসহ ১৮ নেতা-কর্মীকে। ওসি মঞ্জুরুল আলম বলেন, এ মামলার আসামিদের মধ্যে ১১ জনকে আটক করা হয়েছে।
    শার্শা থানার ওসি এম মসিউর রহমান জানান, নাশকতা পরিকল্পনার অভিযোগে এ থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলাটিতে ২২ জনকে আসামি করা হয়েছে এবং আটক করা হয়েছে ১৪ জনকে।
    বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি অপূর্ব হাসান জানান, পোর্ট থানা এলাকায় নাশকতার অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি মামলায় ৩৪ জনকে আসামি করা হয়েছে, আটক করা হয়েছে ৭ জনকে।

  • ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে বইমেলা স্থগিত

    ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে বইমেলা স্থগিত

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অতিথি করাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে অনুষ্ঠানের চেয়ার, টেবিল, মঞ্চ, বইয়ের স্টল ভেঙে ফেলা হয়েছে। এসময় ছাত্রলীগের একপক্ষ চেয়ার ভাঙ্গার পর কলেজের পুকুরে ছুঁড়ে ফেলে দেয়।

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। সংঘর্ষের পর থেকে কলেজের স্টাফ কাউন্সিলের বৈঠক থেকে বইমেলা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।

    বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জানান, ভাষার মাসের শুরুতে ভাষা শহীদদের স্মরণ করে গত দুই তিন বছর ধরে ২১ দিনব্যাপী বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজে বইমেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে। কলেজের ক্যাম্পাসের এক অংশে বইমেলার স্টল, খাবারের দোকানসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনও করা হয়। এবছর কলেজের বইমেলার প্রধান অতিথি করা হয় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ মমতাজ উদ্দিনকে।
    আজ বিকেল তিনটায় বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আলম মোহনের নাম অতিথি তালিকায় না থাকায় অনুষ্ঠান শুরুর আগে অতিথি করা আর না করা নিয়ে কলেজ ছাত্রলীগের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়।

    কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মোজাম্মেল হক বুলবুল এবং ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ গ্রুপের সাথে তর্ক বিতর্কে জড়িয়ে যায়। এর এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ইটপাটকেল ও লাঠিসোটা নিয়ে উভয় গ্রুপে সংঘর্ষ চলাকালে ইটপাটকেল ও লাঠির আঘাতে কমপক্ষে ৬ নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদের মধ্যে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মোজাম্মেল হক বুললু (২৩) ও কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মিথেলস প্রসাদকে (২২) বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ। লাঠিহাতে থাকা কিছু বহিরাগত যুবকদের তাড়া করে বের করে দিয়ে পুলিশ ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ নেয়। সংঘর্ষে ছাত্রলীগ নেতা মিথেলস প্রসাদ, আব্দুস সবুর, আরিফুজ্জামান মৃদুল, মুকুল ইসলামসহ ৬ জন আহত হয়েছে।

    বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মোজাম্মেল হক বুলবুল জানান, তিনিসহ ছাত্রলীগ নেতা মিথেলস প্রসাদ, আব্দুস সবুর, আরিফুজ্জামান মৃদুল, আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, তাদের উপর অন্যায়ভাবে অতর্কিত হামলা চালিয়ে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করেছে।

    বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ জানান, কলেজ শাখা ছাত্রলীগের মধ্যে বিরোধ নেই। কিন্তু কী কারণে এ ঘটনা ঘটলো তা তিনি বলতে পারেন না। তিনি দাবি করেন মুকুল ইসলাম নামের জেলা ছাত্রলীগের এক নেতাও আহত হয়েছেন।

    বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শাহজাহান আলী জানান, কলেজের স্টাফ কাউন্সিলের বৈঠক থেকে বইমেলা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।

  • বার্তা সম্পাদক শেখ সুমন ও সাংবাদিক সিমু আক্তার এর জন্মদিন পালন

    বার্তা সম্পাদক শেখ সুমন ও সাংবাদিক সিমু আক্তার এর জন্মদিন পালন

    বাংলার মুখ ২৪.কম পত্রিকার বার্তা সম্পাদক শেখ সুমন ও সাংবাদিক সিমু আক্তার এর জন্মদিন পালন করলো বাংলার মুখ পরিবার।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলার মুখ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মুহা: পলাশ চৌধুরী,বস্থাপনা সম্পাদক প্রদীপ কুমার পাল, নির্বাহী সম্পাদক বাবলু মিয়া, কবি ও সাহিত্যিক,সাংবাদিক শিবলু মোল্লা,বাংলার মুখ পত্রিকার সাংবাদিক হুজাইফা রহমান,সিফাত,ফেরদৌস,তিন্নি আক্তার,তানজিল শুভ,কাজী সাইফুল,রাকিব সিকদার,ফাইজুল ইসলাম,প্রিন্স মুন্সী সহ অন্নান্য অতিথি বৃন্দ।

  • ভিয়েতনাম যুদ্ধের মোড় পাল্টে দেয়া সেই ছবি, এরপর যা ঘটেছিল

    ভিয়েতনাম যুদ্ধের মোড় পাল্টে দেয়া সেই ছবি, এরপর যা ঘটেছিল

    ফটো সাংবাদিক এডি এডামস ভিয়েতনাম যু্দ্ধের সবচেয়ে বিতর্কিত এবং আলোচিত ছবিগুলোর একটি তুলেছিলেন। ৫০ বছর আগে ভিয়েতকং গেরিলারা যখন তাদের ‘টেট অফেনসিভ’ শুরু করে, সেই যুদ্ধের সময়েই ঘটেছিল ঠাণ্ডা মাথায় এক ভিয়েতকং বন্দীকে গুলি করে হত্যার ঘটনা। এই একটি মাত্র ছবি কিভাবে মার্কিন জনমত ঘুরিয়ে দিয়েছিল, বিশ্ব বিবেককে নাড়া দিয়েছিল, তা নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে। কিন্তু ঠিক কিভাবে ছবিটি তোলা হয়েছিল আর কি ঘটেছিল এই ছবিটি তোলার পরে?

    ভোঁতা নাকের পিস্তল থেকে গুলিটি বেরিয়ে গেছে। যে হাতে পিস্তলটি ধরা, গুলি বেরিয়ে যাওয়ার পরের মূহুর্তের ধাক্কা সামলাচ্ছে সেই হাত। আর যার মাথার খুলিতে গিয়ে গুলিটি ঢুকছে, সেই বন্দীর মুখ কুঁকড়ে যাচ্ছে গুলির আঘাতে।

    ছবির ফ্রেমে বাঁ দিকে দাঁড়িয়ে এক সৈন্য। ঘটনার আকস্মিকতায় তার মুখ যেন বিকৃত হয়ে গেছে। একটা মানুষ যে মুহূর্তে মারা যাচ্ছে, ঠিক সেই মুহূর্তের এই ছবিটির দিকে তাকিয়ে অনেকের মনেই হয়তো বিচিত্র সব অনুভূতি খেলা করবে: একটা ধাক্কা, এক ধরণের মানসিক পীড়ন এবং কিছুটা অপরাধবোধ।

    ব্যালিস্টিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা এই ছবিটিতে ঠিক সেই মুহূর্তটি ধরা পড়েছে যে মুহূর্তে আসলে বুলেটটি গিয়ে ঢুকছিল লোকটির মাথায়। এই ঘটনাটি ‘সায়গন এক্সিকিউশন’ নামে পরিচিত।

    ছবিতে যাকে গুলি করতে দেখা যাচ্ছে তিনি দক্ষিণ ভিয়েতনামের সামরিক গোয়েন্দা প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নুয়েন নক লোয়ান। আর যাকে গুলি করা হচ্ছে তিনি একটি ভিয়েতকং গেরিলা গ্রুপের নেতা নুয়েন ভ্যান লেম।

    এই ছবিটি ফটোসাংবাদিক এডি এডামসকে রাতারাতি বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দিয়েছিল। সারা দুনিয়ায় বিভিন্ন ভাষার সংবাদপত্রে এটি ছাপা হয়। ভিয়েতনাম যুদ্ধের নিষ্ঠুরতা এবং নৈরাজ্য এই একটি ছবিতে যেভাবে ধরা পড়েছিল, তার তুল্য আর কোন ছবি নেই।

    যুদ্ধের বিরুদ্ধে মার্কিন জনমত গড়ে তুলতেও অবদান রাখে ছবিটি। ভিয়েতনাম যুদ্ধ যে আসলে জেতার নয়, সেই মনোভাব প্রবল হতে থাকে মানুষের মধ্যে।

    যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ডলফ ব্রিসকো সেন্টার ফর আমেরিকান হিস্টরি’তে সংরক্ষণ করা আছে এডি এডামসের অনেক আর্কাইভ ছবি, দলিল এবং চিঠিপত্র।

    গুলি করার নিচে পড়ে চিৎকার করছেন নুয়েন ভ্যান লেম।

    এই সেন্টারের পরিচালক বেন রাইট বলেন,একটা স্থিরচিত্রে এমন একটা ব্যাপার থাকে, যা ছবিটি যারা দেখছেন তাদেরকে খুব গভীরভাবে নাড়া দেয় এবং সেটা তাদের সঙ্গে থেকে যায় বহু বছর। “এই একই ঘটনার যে ভিডিও ফুটেজ আছে, সেটিও কিন্তু বীভৎস। কিন্তু সেটা দেখে দর্শকের মধ্যে একই ধরণের প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় না।”

    কী ঘটেছিল সেদিন: 
    ১৯৬৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ভিয়েতনামের সায়গনের রাস্তায় এই ছবিটি তুলেছিলেন এডি এডামস। পিপলস আর্মি এবং ভিয়েতকং গেরিলারা টেট অফেনসিভ শুরু করার দুদিন পরের ঘটনা সেটি। সেদিন আসলে ঠিক কী ঘটেছিল, তার পুরোটা এই ছবি দেখে বোঝা সম্ভব নয়।

    ‘টেট অফেনসিভ’ ছিল কমিউনিষ্ট গেরিলাদের এক আকস্মিক অভিযান। অনেকগুলো শহর টার্গেট করে একযোগে হঠাৎ এই আক্রমণ চালানো হয়। দক্ষিণ ভিয়েতনামের বাহিনী এবং মার্কিন বাহিনী রীতিমত হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে এই হামলার মুখে।

    সায়গনের রাস্তায় রাস্তায় চলছিল খন্ড লড়াই। দক্ষিণ ভিয়েতনামের বাহিনী ভিয়েতকং গেরিলাদের একটি গ্রুপের নেতা নুয়েন ভ্যান লেমকে একটি গণকবরের পাশ থেকে আটক করে। সেই গণকবরে ছিল ৩০ জন বেসামরিক মানুষের লাশ।

    লেমকে যখন সেনারা ধরে নিয়ে যাচ্ছে, তখন এডি এডামস তার ক্যামেরা হাতে তাদের অনুসরণ করেন। তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নুয়েন নক লোয়ানের জীপের কাছে।

    ব্রিগেডিয়ার লোয়ান দাঁড়িয়ে ছিলেন লেমের পাশে। এরপর তিনি তার পিস্তলটি লেমের দিকে তাক করেন।

    “আমি ভেবেছিলাম হয়তো লেমকে ভয় দেখানোর জন্যই তিনি পিস্তল তুলেছেন। তাই আমি স্বাভাবিকভাবেই আমার ক্যামেরা দিয়ে ছবিটা তুলি”, পরবর্তীকালে বলেছিলেন এডি এডামস।

    বলা হয়ে থাকে লেম নাকি ব্রিগেডিয়ার লোয়ানের এক বন্ধুর স্ত্রীসহ ছয়জনকে খুন করেছিলেন।

    ব্রিগেডিয়ার লোয়ান তাক করা পিস্তলের ট্রিগার টানলেন। “যদি আপনি দ্বিধা করেন, যদি আপনি আপনার দায়িত্ব পালন না করেন, তাহলে সৈন্যরা আপনাকে মানবে না”, নিজের কাজের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছিলেন তিনি।

    ‘টেট অফেনসিভ’ শুরু হওয়ার প্রথম ৭২ ঘণ্টায় ব্রিগেডিয়ার লোয়ান খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন। সায়গনের যেন পতন না হয়, সেজন্যে তিনি সৈন্যদের উজ্জীবিত করার চেষ্টা করছিলেন।

    এডি এডামস বলেছিলেন, এই ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে তার মনে হয়েছিল ব্রিগেডিয়ার লোয়ান একজন ঠাণ্ডা মাথার হত্যাকারী। তবে ভিয়েতনামের বেশ কিছু এলাকা তার সঙ্গে ঘুরে বেড়ানোর পর এডি এডামস তার মনোভাব বদলান।

    ভিয়েতনাম থেকে পাঠানো এক লেখায় তিনি বলেছিলেন, ব্রিগেডিয়ার লোয়ান ছিলেন সেই সময়ের ভিয়েতনামের সৃষ্টি।

    এই ছবির জন্য পরের বছর পুলিৎজার পুরস্কার পান এডি এডামস। এই ছবির জন্য প্রচুর প্রশংসা কুড়ালেও সারা জীবন এটির স্মৃতি তাকে তাড়া করে ফিরেছে।

    “একজন মানুষ আরেক মানুষকে হত্যা করছে, আর এই ছবি দেখিয়ে আমি অর্থ পাচ্ছি”, দুঃখ করে তিনি বলেছিলেন।

    কী ঘটেছিল ব্রিগেডিয়ার লোয়ানের ভাগ্যে:
    এডি এডামস এবং ব্রিগেডিয়ার লোয়ানের মধ্যে যোগাযোগ অক্ষুন্ন ছিল আরও বহু বছর। ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষের দিকে ব্রিগেডিয়ার লোয়ান পালিয়ে যান যুক্তরাষ্ট্রে। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে ফেরত পাঠাতে চেয়েছিল বিখ্যাত এই ছবিটির কারণেই। তারা এডি এডামসে অনুরোধ করেছিলেন ব্রিগেডিয়ার লোয়ানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে। কিন্তু এডি এডামস উল্টো ব্রিগেডিয়ার লোয়ানের পক্ষে সাক্ষ্য দেন।

    তবে শেষ পর্যন্ত ব্রিগেডিয়ার লোয়ানকে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি দেয়া হয়। তিনি ওয়াশিংটন ডিসি-তে ভিয়েতনামী খাবারের একটি রেস্টুরেন্ট খোলেন।

    তবে অতীত তাকে ছাড়েনি। তার বিগত দিনের ইতিহাস জানাজানি হওয়ার পর রেস্টুরেন্ট ব্যবসা মার খায়। অনেকে নাকি তার রেস্টুরেন্টের টয়লেটে তার বিরুদ্ধে আজে বাজে কথা লিখে আসতো।

    এপি বার্তা সংস্থায় সেসময় এডি এডামসের ফটো এডিটর ছিলেন হল বুয়েল। তিনি বলেন, এই একটি ছবি পুরো ভিয়েতনাম যু্দ্ধের নিষ্ঠুরতাকে ধরে রেখেছে।

    “যে কোন প্রতীকের মতোই এই একটি ছবি আসলে অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যত সব যুদ্ধের বর্বরতাকে মূর্ত করে রেখেছে।”

  • মিয়ানমারে সু চি’র বাড়িতে বোমা হামলা

    মিয়ানমারে সু চি’র বাড়িতে বোমা হামলা

    মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি’র বাড়িতে পেট্রোল বোমা হামলার ঘটনার ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে ইয়াংগুনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। অবশ্য এ সময় সু চি বাড়িতে ছিলেন না।

    সরকারের মুখপাত্রের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এ খবর জানিয়েছে সিএনএন। তবে মুখপাত্র জুও তাই এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানাননি বলেও খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

    মিয়ানমারের নেত্রীর দফতরের কর্মকর্তারা জানিয়ে, বোমা নিক্ষেপের পর পরই দ্রুত আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়েছে। একই সঙ্গে সন্দেহভাজনদের খোঁজে নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপক তল্লাশি শুরু করেছে।

    প্রসঙ্গত, রাখাইন রাজ্যের সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন চালিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে পড়েছেন।

    সর্বশেষ গত সপ্তাহে সাবেক মার্কিন কূটনীতিক বিল রিচার্ডসন অভিযোগ তুলেছেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের ক্ষেত্রে সু চি’র আন্তরিকতার অভাব আছে।

  • মাহমদুল্লাহ’র ব্যাটে চড়ে ৫০০ ছাড়াল বাংলাদেশ

    মাহমদুল্লাহ’র ব্যাটে চড়ে ৫০০ ছাড়াল বাংলাদেশ

    চট্টগ্রাম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে মাহমদুল্লাহ’র ব্যাটে চড়ে ৫০০ রানের ঘর ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ। এদিন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৫তম অর্ধশতকের দেখা পেয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বাংলাদেশের ‘সাইলেন্ট কিলার’ খ্যাত এ ক্রিকেটার ৯২ বল খেলে ১টি ছক্কা ও ৪টি চারের মারে অর্ধশতক পূর্ণ করেন।

    এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৯ উইকেটে ৫০০ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। উইকেটে আছেন মাহমুদউল্লাহ ৭৭  ও মুস্তাফিজুর রহমান ২ রানে অপরাজিত আছেন।

    এদিেকে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই মুমিনুল হকের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তারপর মোসাদ্দেকও ফিরে গেছেন ব্যক্তিগত ৮ রানে। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ ও মিরাজের দৃঢ়তায় ৪০০ রানের ঘর ছাড়ায় বাংলাদেশ। তবে বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি মিরাজ-মাহমুদউল্লাহর জুটিও। অযথা তৃতীয় রান নিতে গিয়ে রান আউটের শিকার হন মিরাজ। ব্যক্তিগত ২০ রানে ফিরেন তিনি।

    এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিন চার উইকেট হারিয়ে ৩৭৪ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। মুমিনুল হক ১৭৫ ও মাহমুদুল্লাহ ৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন। তবে আজ ১৭৬ রানে ফিরে যান মুমিনুল।

  • অভিন্ন প্রশ্নে এসএসসি পরীক্ষা চলছে

    অভিন্ন প্রশ্নে এসএসসি পরীক্ষা চলছে

    অভিন্ন প্রশ্ন এবং কড়া নজরদারিতে এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় দেশব্যাপী একযোগে শুরু হওয়া এই পরীক্ষা চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

    শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এদিন সকাল ৯টায় ধানমন্ডি গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলে পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে যান। এসময় তিনি পরীক্ষার্থীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।

    আজ এসএসসিতে বাংলা (আবশ্যিক) প্রথমপত্র, সহজ বাংলা প্রথমপত্র এবং বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দাখিলে কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ বিষয়ের পরীক্ষা রয়েছে।

    এ বছর পরীক্ষার একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্বে অবশ্যই কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না। এছাড়া প্রশ্ন ফাঁস রোধে পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে পরীক্ষার শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।