Blog

  • ৯ বছরে ১২ হাজার নেতা-কর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার

    ৯ বছরে ১২ হাজার নেতা-কর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গত ৯ বছরে ১২ হাজার ৮৫০ জনের বেশি নেতা-কর্মী রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। তিনি বলেন, ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলমসহ অসংখ্য নেতাকর্মীদের গুম করা হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন প্রণীত প্রতিবেদনেও বাংলাদেশে বিরাজমান মানবাধিকার পরিস্থিতির উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

    শনিবার দুপুরে রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভায় সাংগঠনিক প্রতিবেদনে এ তথ্য দিয়েছেন ফখরুল।

    বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, সারা দেশে অসংখ্য বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করে নির্যাতন করে এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে। বিচারবহির্ভুত হত্যাকাণ্ড (ক্রসফায়ার) আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। নিরাপত্তা হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে।

  • পদত্যাগ করলেন ওয়াহ্‌হাব মিঞা

    পদত্যাগ করলেন ওয়াহ্‌হাব মিঞা

    দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে আপিল বিভাগের দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারির পরপরই পদত্যাগ করেছেন গত ২ অক্টোবর থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করে আসা আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা। দৃশ্যত প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগ না পেয়ে চাকরির মেয়াদের ১০ মাস আগেই পদত্যাগ করলেন ওয়াহ্হাব মিঞা। তবে গতকাল রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো চিঠিতে তা প্রকাশ করেননি তিনি। পদত্যাগের কারণ দেখিয়েছেন ব্যক্তিগত।

    তার আগে গতকাল দুপুরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের বলেন, ‘নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নিয়োগের আদেশে রাষ্ট্রপতি সই করেছেন। শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় নতুন প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি।’ এরপর বিকালে আইন মন্ত্রণালয় নতুন প্রধান বিচারপতি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করে। ১৯৯৯ সালের ২৪ অক্টোবর হাই কোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান বিচারপতি ওয়াহ্হাব মিঞা। তার দুই বছর পর ২০০১ সালের শুরুতে হাই কোর্ট বিভাগে বিচারপতির দায়িত্ব শুরু করেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। এদিকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা মাহবুবে আলম।

    এদিকে গতকাল সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে বঙ্গভবনের ফটকের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা বিচারপতি ওয়াহ্হাব মিঞার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন।  রাষ্ট্রপতি বরাবরে দেওয়া ওই পদত্যাগপত্রে তিনি লিখেছেন, ‘আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী, আমার অনিবার্য ব্যক্তিগত কারণবশত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকের পদ হইতে এতদ্বারা পদত্যাগ করিলাম। অনুগ্রহপূর্বক এই পদত্যাগপত্রখানা গ্রহণ করিয়া আমাকে বাধিত করিবেন।’ বিকালে আপিল বিভাগের এই জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের কার্যালয় থেকে নিজের জিনিসপত্র নিয়ে গেছেন বলেও সূত্র নিশ্চিত করেছে। পরে রাতে বিচারপতি ওয়াহ্হাব মিঞার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সদ্য নিয়োগ পাওয়া প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

    বিচারপতি আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার পদত্যাগপত্র পেয়েছেন কিনা— এ বিষয়ে জানতে চাইলে তা স্পষ্ট না করে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন  বলেন, ‘শুক্রবার ছুটির দিন, তাই রাষ্ট্রপতির কাছে এমন কিছু পৌঁছার সম্ভাবনা নেই।’

    বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞাকেই দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে বলা হচ্ছিল। শেষের দিকে তার নিয়োগ অনেকটাই চূড়ান্ত বলে জানিয়েছিল সূত্রগুলো। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম উপস্থিত ছিলেন। এ বৈঠকের পরই রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে নিশ্চিত হওয়া যায়। বিচারপতি ওয়াহ্হাব মিঞাকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ না দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে কিছু মতামত পাওয়া গেছে। তারা মনে করেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিলে আপিল বিভাগের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকের মতে রায় এসেছিল, ওই রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাখার পক্ষে মত জানিয়েছিলেন বিচারপতি ওয়াহ্হাব মিঞা। যুদ্ধাপরাধী আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির রায়ের সময় একমাত্র বিচারপতি ওয়াহ্হাব মিঞার দ্বিমত ছিল। এ ছাড়া যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে আপিল বিভাগের অন্য বিচারপতিরা দণ্ড দিলেও তিনি দিয়েছিলেন খালাস। সুপ্রিম কোর্টের তথ্যানুসারে, জামালপুরের প্রয়াত আবদুস সাত্তার মিঞা ও প্রয়াত সৈয়দা তাহেরা বেগমের ঘরে ১৯৫১ সালের ১১ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন আপিল বিভাগের এই জ্যেষ্ঠ বিচারপতি। ১৯৯৯ সালের ২৪ অক্টোবর তিনি হাই কোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। পরে ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তাকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

    পদত্যাগের নজির : জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. রুহুল আমিন ও বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করিমকে ডিঙিয়ে যথাক্রমে বিচারপতি কে এম হাসান ও বিচারপতি সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছের হোসেনকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও বিচারপতি এম এম রুহুল আমিনকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয় জ্যেষ্ঠ বিচারক বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করিমকে ডিঙিয়ে। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের আমলে বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করিমকে ডিঙিয়ে বিচারপতি তাফাজ্জাল ইসলামকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। যদিও পরে বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করিমকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে নিয়োগ দেওয়া হয় বিচারপতি এম এ মতিন ও বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মোমিনুর রহমানকে ডিঙিয়ে। এ ছাড়া সাবেক প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনকে নিয়োগের সময়ও ফের বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মোমিনুর রহমানকে ডিঙানো হয়। যার ফলে দীর্ঘ ছুটিতে গিয়ে পরে বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মোমিনুর রহমান মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করেন। এরপর জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের ঘটনায় সবশেষ গতকাল বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা পদত্যাগ করলেন।

    নতুন প্রধান বিচারপতির শপথ আজ : আপিল বিভাগের দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। গতকাল তার এই নিয়োগ চূড়ান্ত করার পর আজ তাকে শপথের জন্য ডাকা হয়েছে। সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গভবনে নতুন প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি।

    আড়াই মাস আগে বিচারপতি এস কে সিনহার পদত্যাগের পর আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতম বিচারপতি হিসেবে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা। নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণের পর সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে হবে তাঁকে। নতুন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন অবসরে যাবেন ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর।

    নানা নাটকীয়তার মধ্যে বিচারপতি এস কে সিনহা গত নভেম্বরে পদত্যাগ করার পর থেকে প্রধান বিচারপতির পদটি শূন্য ছিল। রাষ্ট্রপতি তখন আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারক মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞাকে দায়িত্ব পালন করে যেতে বলেন। সময় গড়ালেও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ না হওয়ায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রতিনিয়ত প্রশ্নের মুখে পড়ছিলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সব সময়ই প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিষয়টি রাষ্ট্রপতির এখতিয়ার বলে জানিয়েছেন তিনি। এমনকি গতকাল দুপুরেও বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘আমার মনে হয় রাষ্ট্রপতি আজকেই কিছুক্ষণের মধ্যে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির নাম ঘোষণা করবেন।’ এর ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বঙ্গভবন থেকে তা নিশ্চিত করা হয়। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের বলেন, ‘নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নিয়োগের আদেশে রাষ্ট্রপতি সই করেছেন। শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় নতুন প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি।’

    এদিকে গতকাল সন্ধ্যায় প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সংবিধানের ৯৫(২) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন। এই নিয়োগ তার শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।’ সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।’ আওয়ামী লীগ সরকার আমলে নিয়োগ পাওয়া সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বিএনপি সরকার আমলে ২০০৩ সালে হাই কোর্টের স্থায়ী বিচারক হন। ২০১১ সালে তিনি আপিল বিভাগের বিচারক পদে উন্নীত হন। বিচারক হিসেবে কাজ শুরুর আগে তিনি আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে কাজ করেছিলেন।

    বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের জন্ম ১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর। বিএসসি ডিগ্রি নেওয়ার পর এলএলবি ডিগ্রি নিয়ে ১৯৮১ সালে আইন পেশায় যুক্ত হন তিনি। তার দুই বছর পর আইন পেশা শুরু করেন হাই কোর্টে। নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতি গঠিত দুটি সার্চ কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। আপিল বিভাগে এখন যে পাঁচজন বিচারপতি রয়েছেন, তার মধ্যে আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা জ্যেষ্ঠতম। তার পরেই বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। জ্যেষ্ঠতার ক্রমে এর পরে রয়েছেন বিচারপতি মো. ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

    অ্যাটর্নি জেনারেলের স্বস্তি : নতুন প্রধান বিচারপতি নিয়োগে স্বস্তিবোধ করছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা মাহবুবে আলম। গতকাল বিকালে সাংবাদিকদের দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ‘আমি খুব খুশি। স্বস্তিবোধ করছি। অপেক্ষার অবসান হলো।’ তিনি বলেন, এখন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে। তিনি আরও বলেন, শনিবার নতুন প্রধান বিচারপতির শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেব। এ ছাড়া রবিবার অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের পক্ষ থেকে প্রধান বিচারপতির কোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতিকে অভিনন্দন জানাব। প্রধান বিচারপতি নিয়োগে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করা হলেও কোনো বিব্রতকর পরিস্থিতি ঘটবে না বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

  • আইপিএলে মনের মতো দল গড়লেও হতাশ প্রীতি

    আইপিএলে মনের মতো দল গড়লেও হতাশ প্রীতি

    আইপিএলে এবার একদম ঢেলে দল সাজিয়েছে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। সাফল্য পেতে নিলামের টেবিলে মরিয়া ছিলেন প্রীতি জিনতারা। তাই রবিচন্দ্রন অশ্বিন, লোকেশ রাহুল, হরভজন সিংদের মতো জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটারদের দলে নিয়েছে তারা।

    তবে মনের মতো দল গড়লেও এখনও আফসোস করছেন প্রীতি জিনতা। নিলামের পরেই কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। সেখানেই প্রীতি জিনতাকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘‘নিলামের পরে যে বিষয়ে আমার খারাপ লেগেছে তা হল সন্দীপ শর্মাকে ধরে রাখতে না পারা। তাকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তটা ভীষণ দুঃখজনক ছিল। তবে এটাই দেখে ভাল লাগছে যে নিলামে তার জন্য রীতিমতো যুদ্ধই বেধে গিয়েছিল।’’

    এখানেই না থেমে প্রীতি আরও বলেছেন, ‘‘এটাই প্রমাণ করে যে কঠোর পরিশ্রমী, যার সঙ্গে কাজ করাটাই মজার, সে পুরস্কৃত হবেই। আমরা তাকে হারালেও দিনের শেষে ও কিন্তু বিজয়ী। স্যান্ডি তোমাকে অভিনন্দন, তোমাকে আমি মিস করব।’’

    সন্দীপ শর্মাকে নিলামের টেবিলে ৩ কোটি টাকা দিয়ে কিনে নেয় সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। শুধুমাত্র প্রীতি জিনতাই নন, ‘বন্ধু’ হরভজনকে ধরে রাখতে না পেরে একইভাবে হতাশ হয়েছেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মালিক নীতা আম্বানীও। ‌‌

  • অসুস্থ আল্লামা শফীকে দেখতে গেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    অসুস্থ আল্লামা শফীকে দেখতে গেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    অসুস্থ হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসায় আল্লামা শফীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। পরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, রাজনৈতিক কোনো উদ্দেশ্যে নয়, শুধু অসুস্থতার জন্যই তাকে (আল্লামা শফী) দেখতে গিয়েছিলেন তিনি।

    এসময় আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানান, আইন অনুযায়ী খালেদা জিয়ার বিচার হচ্ছে। বিচারের রায় যা হবে, তা কার্যকর হবে। এখন সেটার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রোপাগান্ডা চালানোর প্রশ্নই আসে না।

    হেফাজতে ইসলাম প্রধানের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাতের সময় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ফটিকছড়ির নানুপুরে জামেয়া ইসলামিয়া ওবায়দিয়া মাদরাসার মিলাদ মাহফিলে যোগ দেন।

  • ফেসবুক লাইভে আসছেন খালেদা জিয়া

    ফেসবুক লাইভে আসছেন খালেদা জিয়া

    ফেসবুক লাইভে আসছেন বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভায় তার বক্তব্য ফেসবুকে লাইভ করা হবে। শনিবার সকাল ১০টা থেকে সভা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও খালেদা জিয়ার এই ভাষণ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লাইভ করা হবে।

    বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি  নিশ্চিত করে জানান, ফেসবুকের তিনটি পেজ থেকে বিএনপি প্রধানের ভাষণ দেখা যাবে। এগুলো হলো: Facebook.com/bnp.communicationFacebook.com/bnpbd.org ও Facebook.com/bnplivenettv

    রাজধানীর খিলক্ষেতে হোটেল লা মে‌রি‌ডিয়ানে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির এই সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ইতোমধ্যে নির্বাহী কমিটির সভার সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।

  • বিএনপি নেতা আমান-আলম গ্রেফতার

    বিএনপি নেতা আমান-আলম গ্রেফতার

    গ্রেফতার হলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান ও নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম। আজ রাত সাড়ে ৯টার দিকে নাজিম উদ্দিনের মহাখালীর ডিওএইচসের বাসা থেকে র‌্যাব-১ তাদের গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। আমান উল্লাহ আমানের ব্যক্তিগত সহকারি ইসরাফিল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, র‌্যাব সদস্যরা দুই নেতাকে র‌্যাব-১ কার্যালয়ের দিকে নিয়ে গেছে।

    এর আগে বিকালে ঢাকা ফেরার পথে উত্তরা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে দলের প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেনকে। নয়া পল্টনের কার্যালয় থেকে নির্বাহী কমিটির সভার পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে কার্যালয়ে নিচ থেকে গ্রেফতার করা হয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রাজশাহী জেলা সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মন্টুকে।

    এ প্রসঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী আহমেদ বলেন, নির্বিচারে একের পর এক নেতা-কর্মীদের পুলিশ গ্রেফতার করছে। এ ছাড়া নেতাদের বাসায় পুলিশ তল্লাশির নামে তান্ডব অব্যাহত রেখেছে।’

  • মানুষের মৌলিক অধিকার সমুন্নত রাখতে পুলিশকে কাজ করতে হবে

    মানুষের মৌলিক অধিকার সমুন্নত রাখতে পুলিশকে কাজ করতে হবে

    রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বলেছেন, মানুষের মৌলিক অধিকার সমুন্নত রাখতে এবং গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে পুলিশকে জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করতে হবে।

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ৪৩তম প্রতিষ্ঠা দিবসের প্রাক্কালে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।

    ডিএমপি’র ৪৩তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সকল সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে আবদুল হামিদ বলেন,বাংলাদেশ পুলিশ দেশের প্রাচীণতম প্রতিষ্ঠান। তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ দেশের সার্বিক উন্নয়নে পুলিশের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    রাষ্ট্রপতি বাণীতে উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের অভ্যুদয়লগ্নে বাংলাদেশ পুলিশের প্রথম ‘সশস্ত্র প্রতিরোধ’ দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

    মো: আবদুল হামিদ বলেন, বিগত বছরগুলোতে অকুতোভয় পুলিশ সদস্যগণ জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় বীরত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সদস্য মৃত্যুবরণ করেছেন, আহত হয়েছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। ‘আমি তাদের এ বীরত্বপূর্ণ অবদানকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি’।

    বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনে এগিয়ে যাচ্ছে এ তথ্য তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, উন্নয়নের এ গতিকে ত্বরান্বিত করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ যথাযথ ভূমিকা পালন করবে- এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা।

  • হিজরাদের টাকা না দেয়ায় ১৫ দিনের শিশুকে পানিতে ফেলে হত্যা

    হিজরাদের টাকা না দেয়ায় ১৫ দিনের শিশুকে পানিতে ফেলে হত্যা

    তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের জন্য সমাজ এবং সরকার থেকে নেয়া হয়েছে নানা পদক্ষেপ। তাদেরকে যেন অবহেলিত ভাবা না হয়, সেজন্য দেয়া হয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা। তাও তারা যেন থেমে নেই। বাসাবাড়িতে গিয়ে তাকা চাওয়া, রাস্তা-ঘাট, দোকানপাট থেকে জোর করে টাকা আদায় করা যেন তাদের নিত্য কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    টাকা দিতে না চাইলেই শুরু হয় নানা রকম নির্যাতন। অনেক সময় মানসম্মানের ভয়ে অনেকে টাকা দিয়ে দেয়। আর যারা দেয় না তাদের হেনস্থা করে ছাড়া হয়। কিন্তু এবার তারা অপরাধের মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।

    যাত্রাবাড়ীর একটি এলাকায় টাকা না দেয়ায় হিজরারা ১৫ দিনের শিশুকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করেছে। এমন মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে যাত্রাবাড়ীর শনিআখড়ার শেখদী এলাকায়। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় তুলেছে। সবাই এই ঘটনায় অভিযুক্ত হিজরাদের শাস্তি দাবি করছে।

    জানা গেছে, গত বুধবার দুপুরে আনুমানিক প্রায় একটার দিকে যখন কেউ বাসায় ছিলোনা তখন হিজরারা বাসায় আসে এবং তারা টাকা দাবি করে। দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় শিশুটির বাক প্রতিবন্ধী মাকে বেঁধে তার ১৫ দিনের শিশুকে টয়লেটের বালতিতে উপুড় করে ফেলে তালা মেরে চলে যায়। প্রায় ১০ মিনিট পর তালা ভেঙ্গে শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তার শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করে।

  • ‘কোনো অনির্বাচিত সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না’

    ‘কোনো অনির্বাচিত সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না’

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি বলেছেন,  জিয়াউর রহমান চেয়েছিলেন বাংলাদেশ একটি সন্ত্রাসী জঙ্গী রাষ্ট্রে পরিণত হোক।
    জিয়া যা করেছে, এরশাদ এবং খালেদা জিয়াও তাই করেছেন। ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধু হত্যা, জেল হত্যা ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পথ বন্ধ করে দেন। বলেন, দেশে আর কোনোদিন তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসবে না, কোনো অনির্বাচিত সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না। ভারত, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকায় যে প্রক্রিয়ায় নির্বাচন হয় একই প্রক্রিয়ায় সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশেও আগামী নির্বাচন হবে। গত নির্বাচন বানচাল করতে বিএনপি-জামায়াত কি করেছে তা এদেশের মানুষ দেখেছে। তারা আন্দোলনের নামে মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে।
    শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা টাউন হল মাঠে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি এসব কথা বলেন।
    কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সদর আসনের এমপি হাজী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মীসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম, রেলপথ মন্ত্রী ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল হক মুজিব এমপি, দলের কেন্দ্রীয় নেতা সুজিত রায় নন্দী, ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সরকার, কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত প্রমুখ।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ সেলিম আরও বলেন, পাকিস্তানীরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারেনি। অথচ দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে এদেশের মির্জাফররা তাকে হত্যা করে। তারা শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেনি, তারা পুরো বাঙালি জাতির আশা-আকাংখাকেও হত্যা করেছে। বঙ্গবন্ধুর খুনী বলেই জিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পথ বন্ধ করে দিয়ে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেছিলেন। তিনি বলেন, যারা মার্শাল-ল জারি করে ক্ষমতায় আসে তাদের মুখে গণতন্ত্র শোভা পায় না। জিয়াউর রহমান পাকিস্তানীদের নীলনকশা বাস্তবায়ন করেছিলেন, আর খালেদা জিয়া গোলাম আজম, নিজামী, মুজাহিদসহ যুদ্ধাপরাধী জামায়াতকে আশ্রয়-প্রশ্রয় ও মন্ত্রীত্ব দিয়ে পুরস্কৃত করেছেন। তিনি বলেন, একসময় এ বাংলাদেশ ছিল জঙ্গী সন্ত্রাসীর দেশ, আমেরিকা এদেশকে কালো তালিকাভূক্ত করেছিল। এখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করছেন বিশ্বনেতারা। দুর্নীতির মামলায় খালেদার যখন বিচার করা হচ্ছে, তখন পুলিশের উপর হামলা করছে বিএনপি।
    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রেলপথমন্ত্রী মুজিবুল হক এমপি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে শিক্ষা, কৃষি, যোগাযোগসহ সকল ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব ও নজিরবিহীন উন্নয়ন হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে দেশকে এত উন্নয়ন এত অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়করা শেখ হাসিনার প্রশংসা করছে। তিনি আরও বলেন, নেতা-কর্মীদেরকে বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ এবং দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির তথ্য প্রচারসহ তা জনসম্মুখে তুলে ধরতে হবে। সকল ভেদাভেদ ভুলে সংগঠনকে মজবুত করে শেখ হাসিনাকে বারবার ক্ষমতায় এনে ২০৪১ সালে দেশকে উন্নত দেশে রূপান্তর করতে হবে।

  • ২২তম প্রধান বিচারপতি “সৈয়দ মাহমুদ হোসেন”

    ২২তম প্রধান বিচারপতি “সৈয়দ মাহমুদ হোসেন”

    অবশেষে দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। গতকাল রাতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতির নিয়োগ ফাইলে স্বাক্ষর করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।

    আগামী কর্মদিবসেই এই নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানা গেছে। এর আগে দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নাম শোনা যাচ্ছিল। তার নিয়োগ প্রায় চূড়ান্ত বলেই নিশ্চিত করেছিল সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র। তবে শেষ পর্যন্ত আপিল বিভাগের দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকেই দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে বেছে নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

    এর আগে আইন মন্ত্রণালয় থেকে দুজনের নাম প্রস্তাব দিয়েই সার-সংক্ষেপ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগের একমাত্র ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতেই। সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।

    ’ এদিকে গতকাল রাতে বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকের পরেই রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির নিয়োগের ফাইলে স্বাক্ষর করেন বলে জানা গেছে। ওই বৈঠকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম উপস্থিত ছিলেন।