Blog

  • যুক্তরাজ্যে বড়দিনে হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ, গ্রেফতার ৪

    যুক্তরাজ্যে বড়দিনে হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ, গ্রেফতার ৪

    যুক্তরাজ্যে বড়দিনে একটি সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা নস্যাত্ করা হয়েছে। সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে পুলিশ হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার সকালে সাউথ ইয়র্কশায়ার ও ডার্বিশায়ার থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

    আসছে ২৫ ডিসেম্বর বিশ্বজুড়ে পালিত হবে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। এই উৎসবকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য হামলাটি চালানো হতো বলে ব্রিটিশ কাউন্টার টেরোরিজম পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে। এ পরিকল্পনার অভিযোগে মঙ্গলবার সকালে সাউথ ইয়র্কশায়ার ও ডার্বিশায়ার থেকে সন্দেহভাজন ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

    বিবিসি জানায়, ৩১ বছর বয়সী একজনকে আটক করার পর বোমা নিস্ক্রিয়কারী দলকে চেষ্টারফিল্ডের একটি রাস্তা ঘিরে রাখতে এবং আশপাশের ঘরবাড়ি খালি করে ফেলতে দেখা গেছে।

    শেফিল্ড শহরের বার্নগ্রিভ ও মিরসব্রুক থেকে পরে ২২, ৩৬ ও ৪১ বছর বয়সী আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ চারজনের বিরুদ্ধে ২০০০ সালে প্রণীত সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদেরকে ওয়েস্ট ইয়র্কশায়ারের একটি থানায় নেয়া হয়। খবর ইন্ডিপেনডেন্ট।

  • উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে রসিক নির্বাচনে ভোটগ্রহণ

    উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে রসিক নির্বাচনে ভোটগ্রহণ

    শীতের সকালে উৎসবমুখর পরিবেশে রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ চলবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে এখন শুধুই উৎসবের আমেজ। তবে সহিংস ঘটনারও আশঙ্কা করা হচ্ছে। ১৯৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১০৮টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে থাকছে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে রয়েছেন বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।
    প্রথম বারের মত দলীয় প্রতীকে এই ভোটযুদ্ধের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন রংপুরের দ্বিতীয় নগর পিতা। কে হচ্ছেন নগর পিতা- এনিয়ে গোটা শহরে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু, জাতীয় পার্টির (এ) মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ও বিএনপির মেয়র প্রার্থী কাওসার জামান বাবলার মধ্য থেকেই নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন নগর পিতা।
    এবার নির্বাচনে মোট  ১৯৩টি ভোটকেন্দ্রের ১ হাজার ১৭৭টি ভোট কক্ষে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে ভোটার রয়েছেন ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৯৯৪ জন। মেয়র পদে মোট ৭ জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন। এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের ৩৩টি ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২১১ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৬৫ জন প্রার্থী বিভিন্ন প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বাংলাদেশে এই প্রথম সিটি নির্বাচনে রংপুর বেগম রোকেয়া কলেজ কেন্দ্রে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোট নেয়া হবে বলে জানা গেছে। এছাড়া ওই কেন্দ্রসহ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে থাকবে সিসি ক্যামেরা।
    গতকাল বুধবার রাতে রংপুর অফিসে সংবাদ সম্মেলন করে রিটার্নিং ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার বলেছেন, উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানে সকল ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত মাত্র ২৭ জন প্রার্থীকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে সামান্য জরিমানা করা হয়েছে। এর বাইরে বড় ধরনের কোন আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি।
  • কবি ও কথা সাহিত্যিক শফিক আমিন এর ধারাবাহিক উপন্যাস

    কবি ও কথা সাহিত্যিক শফিক আমিন এর ধারাবাহিক উপন্যাস

    “ভাঙ্গন” (পর্ব – ২)

    যেই কতা কইতে আছিলাম হেই কতাই কই – আমাগো গ্রাম আছিল গলাপানি গ্রামের তোন উত্তরে । হেই উত্তরের গ্রাম ভাঙ্গনে আমি কি একলা পলাইছি ? না, একলা পলাই নাই, হেই রাইতে অনেকেই পানির ধাবার খাইয়া দৌড়াইছে । অনেকে বুড়া বুড়া বাপ-মা হালাইয়া থুইয়াও পলাইছে । পড়ে হেইয়াগো বাড়ি-ঘর য্যামন খুঁইজ্জা পায় নাই হেইরম হেইয়াগো মুরুব্বিগোও আর খুঁইজ্জা পায় নাই । যাই হোউক আমার গেদাডারে কবিরাজের পিড়ার উপরে হোয়াইছি, এই রহম আরও অনেকের গ্যাদা হেই রাইতে সুখলাল কবিরাজের পিড়ার উপরে ঘুম লওয়াইছে । আর হের ঘরের মইধ্যে তো মানষের পা’ও রাহোনের যাগা আছিল না । পুব পাড়ার মুন্সি বাড়িরর সতারো ঘরের বেবাক মানুষ আইয়া ঠাই লইছে এই বাড়িত ।

    উত্তর পাড়ার তরকদার বাড়িতও আছিল সাত ঘর, আর এউক্কা দুউগ্গা বাড়ির খবর না’ই কইলাম । হেইয়ারা আগে আইছে বইলা ঘরের মইদ্দে হানছে । আমরা যারা পরে আইছি হেরা ঘরের ছাইছে খারাইয়া আছিলাম । কতেকে গিয়া গরুর খোয়ারে আছরয় লইছে । আমিই মনে হয় সবার শেষে আইছি । যদিও হেতোক্ষুণে ঝড়-বিষ্টিরও বিষ মইরা আইছিল । আর নাদীর ভাঙ্গন ঠিক গলাপানি গ্রামের সীমানায় আইয়া খাড়াইছে । মনে অইল ছোডকালে ছি-পুড়ি খেলার নাহান । ছি দিয়া অন্য পক্ষের পাহেরাদার লড়াইয়া আবার দৌড়াইয়া আইয়া যেমন গোড়া গাছে খাড়াইতাম তেমন কইরা ভাঙ্গন আইয়া সীমানা মত খাড়াইয়া গেছে । গ্রামের সীমানাডা কবিরাজ সুখলাল বাড়ৈর ঘর থেইকা দুইহান ভিটা আর এক খণ্ড ভূঁইর শেষ মাতাত । সেই দুই খান ভিটার একটাতে সুখলাল কবিরাজ ঔষদি গাছ আর কিছু কাঠের গাছ লাগাইছে ।

    কাঠগাছের বাগানে খাড়াইয়া নদীর দিগে চাইয়া আসমান ফাডাইন্না কান্দন কনতে আছে আমাগো গ্রামের মাইনষে । আমার কোনও কান্দন নাই, পোলাডারে আগলাইয়া খাড়াইয়া রইছি । আমার যে ঘর নাই, ঘরের মানুষ নাই হেই দিগে কোনও চিন্তাও নাই ! বেদিশার নাহান খালি হগোলের দূরবস্থা দ্যাকতে আছি । হেই দিনকার হেই দৃশ্য আগে কোনও দিন দেহি নাই, তয় হুনছি, যুদ্দের সোমায় মিলেটেরিরা মাইনষের ঘর-বাড়ি জ্বালাইয়া পোড়াইয়া দিছে । মানুষ মাইরা ধানের পাঁজার নাহান পালা দিয়া রাখছে । তয় সব শেষে যারা বাঁইচা আছিল হেরা অন্তত নিজের ভিটাখান ফিরত পাইছে, কিন্তু এহন যা ঘটল হেইতে কেউই কিচ্ছুই ফিরা পাইলাম না ! গেদার বাহে আইজ্জা গেছে, গেছে যে আর তারে খুঁইজাও পাইনাই । এমন কি হের লাশটারেও কেউ কোনও হানে দেহে নাই । যদিও হেই সমায় কেউ কেউরে খুঁজেও নাই । (চলবে -২)

  • দেশের ইতিহাসে প্রথম সিটি করপোরেশনে প্রার্থী নাদিরা হিজড়া

    দেশের ইতিহাসে প্রথম সিটি করপোরেশনে প্রার্থী নাদিরা হিজড়া

    রাকিব শিকদার

    প্রথমবারের মত কোনো সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন কোনো হিজড়া। ১৮ বছর আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজীতে স্নাতকোত্তর পাস করেন তিনি। বলছি রংপুর সিটি করপোরেশনের (রসিক) সংরক্ষিত মহিলা আসনে তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থী নাদিরা খানমের কথা।এর আগে যশোরের বাঘারপাড়া পৌরসভা এবং সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভাতেও সংরক্ষিত নারী আসনে তৃতীয় লিঙ্গের দুইজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন বলে জানান নাদিরা খানম। তবে কোন সিটি করপোরেশনে তিনিই প্রথম প্রার্থী।আগামী ২১ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তিনি মোবাইল প্রতীক নিয়ে সংরক্ষিত মহিলা আসন ৭ (১৮,২০ ও ২২ ওয়ার্ড) এ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন আরও সাতজন।

    সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণার কাজ চালাচ্ছেন নাদিরা। ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট ও দোয়া চাচ্ছেন।নাদিরা বিডিমর্নিংকে বলেন, আমি জনগণের জন্য কাজ করতে এসেছি।আমি শেখ হাসিনার অধিনে ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য কাজ করব। আমি নিজের নামটি স্বর্ণাক্ষরে লিখে রেখে যেতে চাই। নাদিরা বলেন, ভোটাররা আমাকে যেভাবে গ্রহণ করার কথা ছিল তার চেয়ে বেশি গ্রহণ করেছে। বিভিন্নভাবে সহায়তা করছে। ভালো সাড়া পাচ্ছি। অনেক নারী পুরুষ আমার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। মাঠের অবস্থাও ভালো।

    নাদিরা খানম আরও বলেন, সমাজের অবহেলিত, সুবিধাবঞ্চিত ও নির্যাতিতদের সহায়ক হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি আমার মতো যারা তৃতীয় লিঙ্গ ওরাও কিছু কাজ করতে পারে এবং সমাজে তাদেরও কিছু কন্ট্রিবিউশন আছে, এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা। নির্বাচিত হলে এসব মানুষের সমস্যা সমাধানে নিজেকে উৎসর্গ করবো। আমার কমিউনিটির মৌলিক চাহিদা পূরণে কাজ করব।নগরীর ২২ ওয়ার্ডের বালাপাড়ায় বসবাস করেন নাদিরা। ওই এলাকার বাসিন্দা পান দোকানি আকবর হোসেন বলেন, মেয়েটা খুব ভালো। অনেক লেখাপড়া করেছে। এম এ পাশ। অনেক দিন থাকি আমার বাড়ির পাশে থাকে। একদিন কইলো, মামা নির্বাচন করব্যার চাই। আমরা সাহস দিলাম, ব্যস নির্বাচনে নামি গ্যালো। এখন আমরা এলাকার মুরুব্বীরা তার পক্ষে কাজ করছি।

    আদমজী জুট মিলসের প্রোডাকশন ম্যানেজার সিরাজুল ইসলামের চার সন্তানের মধ্যে নাদিরা ‍দ্বিতীয়। তারা থাকতেন দিনাজপুরের নিউ টাউনের নিজ বাড়িতে। নাদিরা বলেন, বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। ১৯৯১ সালে এসএসসি পাস করেছি। ছোট বোনের বিয়ের কথা পাকাপাকি। হঠাৎ বরপক্ষ থেকে কথা উঠল-মেয়ের বড় বোন তো ‘হিজড়া’। তার ছোট বোন বিয়ে করায় যদি উত্তরসূরিও তাই হয়! বিয়েটা তাই ভেঙ্গেই গেল। বাবা আমার মাকে চাপ দিতে থাকলেন। এই সন্তানের জন্য কি আরেক সন্তানের জীবন নষ্ট হবে? একে বাড়ি থেকে বের করে দাও। মায়ের কষ্ট দেখে আমি নিজেই বাড়ি ছেড়ে চলে যাই দিনাজুরের পার্বতীপুর মামার বাড়িতে।

    মামার এক বন্ধু ছিলেন নিঃসন্তান। তিনিই আমাকে সন্তান হিসেবে লালন-পালনের দায়িত্ব নিলেন। দিনাজপুর আদর্শ ডিগ্রি কলেজ থেকেই বিএ পাস করার পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে এমএম পূর্বভাগে ভর্তি হই। রাজশাহীতে নাদিরা ‘পালক বাবার’ সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে ভাড়া বাসায় থেকে পড়াশুনা শেষ করি ১৯৯৯ সালে। নাদিরা বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিদের কাছ থেকে অনুদান নিয়ে বর্তমানে ৩৭০ জন তৃতীয় লিঙ্গের উন্নয়নে কাজ করছি। তাদের নিয়ে কাজ করতে করতেই সমাজের মূল ধারায় কাজ করার তাগিদ অনুভব করি। সেই থেকেই চিন্তা হলো জনপ্রতিনিধি হওয়ার। আর এ চিন্তা থেকেই সংরক্ষিত আসনের প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করছি।

  • মেডিকেল ক্যাম্পাসে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

    মেডিকেল ক্যাম্পাসে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

    ভারতের ভুবেনশ্বরের বেসরকারি একটি মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে এমবিবিএস প্রথম বর্ষের নারী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার ভুবেনশ্বর পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।

    পুলিশের কাছে ওই শিক্ষার্থীর করা অভিযোগ অনুসারে, মঙ্গলবার রাতে মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে আসার সময় একজন পিয়ন তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

    ভুবনেশ্বর ডেপুটি পুলিশ কমিশনার সত্যব্রত জানান, ওই শিক্ষার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্ত এবং অভিযোগকারীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

    পুলিশ আরও জানিয়েছে, ১৬১ ধারায় ওই শিক্ষার্থীর অভিযোগ রেকর্ড করা হয়েছে।

    বেসরকারি ওই মেডিকেল কলেজের প্রধান তিরপাতি পানিগ্রাহি জানান, সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে ঘটনাটি ঘটেছে। রাত ১২টার দিকে বিষয়টি সবাই জানতে পারে। প্রথমে ওই শিক্ষার্থী পিয়নের নাম বলতে পারেনি। পরে অামরা তাকে চিহ্নিতে করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছি।

    অভিযুক্তের নাম মনোজ খুন্তিয়া। খুন্তিয়ার দাবি, তিনি একেবারেই নির্দোষ। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেও দাবি করেন তিনি।

    তার ভাষায়, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ওই মেয়েকে তার ছেলে বন্ধুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখতে পাই। ওই সময় আমি রাতের খাবার খেয়ে ফিরছিলাম।

    তিনি আরও জানান, তাদেরকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে আমি উচ্চস্বরে বলি যে, বিষয়টি আমি প্রিন্সিপালকে বলে দেবে। তারা আমাকে অনুরোধ করে, যেন বিষয়টি কাউকে না বলি। এমনকি কলেজ ক্যাম্পাসে ভবিষ্যতে ওই রকম কাজ না করারও প্রতিশ্রুতি দেয় তারা।

    তার দাবি, এর পর তিনি নিজের কক্ষে ফিরে যান। পরে পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে এসেছে।

  • সন্তান জন্ম দেয়ার আগমুহূর্তে ল্যাপটপ নিয়ে বসলেন অন্তঃসত্ত্বা!

    সন্তান জন্ম দেয়ার আগমুহূর্তে ল্যাপটপ নিয়ে বসলেন অন্তঃসত্ত্বা!

    তখনও সন্তানের জন্ম দেননি তিনি। শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা নিয়েও ভুগছিলেন নয় মাসের ওই অন্তঃসত্ত্বা। তার মধ্যেই ল্যাপটপ নিয়ে বসে পড়লেন তিনি।

    অন্তঃসত্ত্বার এমন কাণ্ড দেখে অবাক হাসপাতালের চিকিৎসকরাও। কিন্তু যখন তারা জানতে পারলেন ঠিক কী কারণে তরুণী ওই অবস্থাতেও ল্যাপটপ নিয়ে বসেছেন, বাহবা না জানিয়েও পারেননি।

    ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসে। অন্তঃসত্ত্বা তরুণীর নাম নেজিয়া থমাস। তিনি জনসন কান্ট্রি কমিউনিটি কলেজের সাইকলোজির ছাত্রী। কলেজে পড়ার সময়েই অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এবং তারপরেও পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

    কয়েকদিন আগেই পেটের যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন নেজিয়া। কিন্তু তার পরীক্ষা ছিল সামনেই। এদিকে গবেষণার কাজ তখনও শেষ হয়নি। তাই ওই অবস্থাতেও হাসপাতালের বিছানায় বসে তিনি গবেষণার কাজ শেষ করছিলেন। পরে সেখানেই সন্তানের জন্ম দেন।

    পরীক্ষা দেয়ার ছবি নিজেই টুইট করেন নেজিয়া। ছবির সঙ্গে মজা করে তিনি জানান, এই ছবিটা আমার মা তুলেছে। এই মুহূর্তে আমার জীবনের একদম ঠিকঠাক ব্যাখ্যা দিচ্ছে এই ছবিটা। আমিও সন্তানসম্ভবা, তবে আমার ফাইনাল পরীক্ষা এখনও শেষ হয়নি।

    তিনদিন পরে আর একটি টুইট করে নেজিয়া জানান, তিনি সফলভাবে গবেষণার কাজ শেষ করেছেন এবং সম্পূর্ণ সুস্থ সন্তানের জন্মও দিয়েছেন। কঠিন সময়গুলোয় পাশে থাকার জন্য নেজিয়া তার স্বামীকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন টুইটে।

    নেজিয়া দু’টি টুইটই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ইতোমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গেছে। লক্ষাধিক মানুষ সেটি লাইক ও রিটুইট করেছেন। নেটিজেনরা অনেকেই জানিয়েছেন, নেজিয়ার কাহিনি যে কোনো লড়াকু মানুষের কাছেই দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

  • ওমরা হজে অনন্ত জলিল, সঙ্গে সাকিব ও শাহরিয়ার নাফিস

    ওমরা হজে অনন্ত জলিল, সঙ্গে সাকিব ও শাহরিয়ার নাফিস

    ওমরাহ হজ পালনের উদ্দেশে পবিত্র মক্কা নগরীতে গেছেন চিত্রনায়ক প্রযোজক ও ব্যবসায়ী অনন্ত জলিল। তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান মুনসুন ফিল্মস থেকে জানানো হয়েছে, ওমরাহ হজ পালনের উদ্দেশে ১৭ ডিসেম্বর ঢাকা ত্যাগ করেন এই চিত্রনায়ক।

    এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে হজে গিয়েছিলেন অনন্ত। সেবার তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী বর্ষা। তবে এবার কোলে নতুন সন্তান আসায় অনন্ত একাই গিয়েছেন হজ পালন করতে। তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে ২৪ ডিসেম্বর।

    এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সদ্য বিপিএল শেষ করে ১৯ ডিসেম্বর বিকেলে সৌদি আরবে যান সাকিব আল হাসান। তার সঙ্গে আছেন তার সহধর্মিনী উম্মে আহমেদ শিশির ও কন্যা আলাইনা হাসান অব্রি। এছাড়াও সেখানে রয়েছেন ক্রিকেটার শাহরিয়ার নাফিস।Sakib

    অনন্ত, সাকিব ও নাফিস- তিন তারকাকে একসঙ্গে দেখা গেছে ওমরাহ হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে। সেখানে তারা কুশল বিনিময় করে দেশ ও দেশের মানুষের সমৃদ্ধির জন্য দোয়া করেন বলেও অনন্ত জলিলের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে জানানো হয়েছে।

  • ভারতকে দুইবারই হারাতে চায় বাংলাদেশের মেয়েরা

    ভারতকে দুইবারই হারাতে চায় বাংলাদেশের মেয়েরা

    টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই ধরে নেয়া হয়েছিল কোনো অঘটন না ঘটলে ফাইনাল লড়াইটা হবে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যেই। দক্ষিণ এশিয়ার অনূর্ধ্ব-১৫ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসরে এ অঞ্চলের দুই প্রতিদ্বন্দ্বি দেশের দুই বার মুখোমুখি হওয়াটাই নিশ্চিত ছিল অনেকটা।

    সব ঠিকঠাক মতোই হয়েছে। সাফ বালিকা চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলছে বাংলাদেশ ও ভারত। তার আগে দুই দেশ বৃহস্পতিবার মুখোমুখি হচ্ছে লিগ লড়াইয়ে।

    এক বছর আগে তাজিকিস্তানে অনুষ্ঠিত এএফসি অনূর্ধ্ব-১৪ নারী আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়নশিপেও বাংলাদেশ ও ভারত দুইবার মুখোমুখি হয়েছি। দুইবারই বাংলাদেশের কাছে হেরে মাথা নত করে মাঠ ছেড়েছিল ভারতীয় মেয়েরা। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের জয়ের ব্যবধান ছিল ৩-১ এবং ফাইনালে ৪-০।

    এবার ঘরে মাঠে খেলা। আগের মতো দুইবারই ভারতকে হারাতে চায় লাল-সবুজ জার্সিধারী কিশোরীরা। বুধবার অনুশীলন শেষে দলের কোচ-খেলোয়াড় সবাই সেই আশার কথা শুনিয়েছেন, ‘আমরা দুই ম্যাচেই ভারতকে হারাতে চাই। হারাতে পারবো ইনশাল্লাহ।’

    ফাইনালের আগে আরেকবার দেখা। আক্ষরিত অর্থে এটা আনুষ্ঠানিকতার ম্যাচ। অনেকটা গুরুত্বহীনও। তাই বলে কী বাংলাদেশ এ ম্যাচটাকে হালকা করে দেখবে? সে সম্ভাবনা ফাইনালে পা দিয়েই নাকচ করেছেন কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন।

    মেয়েদের কোচ বলেন, ‘ম্যাচটা নিয়ম রক্ষার হলেও প্রতিপক্ষ ভারত বলেই বাংলাদেশের কাছে অনেক মর্যাদার। তাই কোনো ছাড় দেয়ার প্রশ্নই আসে না। ফাইনালের আগে ভারতকে হারালে মেয়েরা মানসিকভাবেও অনেক এগিয়ে থাকবে। আমরা দুই ম্যাচই জিততে চাই।’

    প্রথম ম্যাচে নেপালকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দেয়া ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন তহুরা খাতুন। পরের ম্যাচে ভুটানকে ৩-০ ব্যবধানে হারানোর ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন আঁখি খাতুন। তবে ভারতের বিরুদ্ধে এ ম্যাচে খেলতে পারবেন না তহুরা খাতুন। ভুটানের বিরুদ্ধে ম্যাচে চোট পেয়েছেন মনসিংহের কলসিন্দুরের এ কিশোরী।

    বাংলাদেশের এ দলটির অনেক খেলোয়াড়ই অভিজ্ঞ। তাই নতুন আগের দুই ম্যাচে যাদের খেলানোর সুযোগ হয়নি তাদের কাউকে কাউকে বৃহস্পতিার ঝালিয়ে নেবেন কোচ। তিনি বলেন, ‘যেহেতু এ ম্যাচটা ফাইনালের ড্রেস রিহার্সেল, তাই দলে কিছু পরিবর্তন হতে পারে। তহুরা ইনজুরিতে আছে। কিছু খেলোয়াড় পরিশ্রান্ত। আমাদের মূল লক্ষ্য। তাই তহুরা সহ কয়েকজনকে বিশ্রাম দেবো।’

    নেপালকে ৬-০ গোলে হারিয়েছে বাংলার মেয়েরা। ভারত ১০ গোল দিয়েছে হিমালয়ের দেশটিকে। তাহলে কী ভারতের চেয়ে বাংলাদেশ একটু পিছিয়ে?

    ‘আমি ভুটান এবং নেপালের বিপক্ষে ভারতের খেলা দেখছি। ভারত যে গোলগুলো করেছে তা হয়েছে গোলরক্ষকের ইনজুরির কারণে। নেপাল আমাদের বিপক্ষে সর্বশক্তি দিয়ে খেলেছে। অথচ ভারতের বিপক্ষে বিরতির পর নেপাল যেন খেলাই ছেড়ে দিয়েছিল। তবে ভারত কোন দলকে কত গোল দিয়েছে, আমরা কয় গোল দিয়েছি তা নিয়ে এখন আর ভাবছি না। নিজেদের খেলাটাই আমরা খেলতে চাই’-বলেছেন আঁখিদের কোচ।

    তাজিকিস্তানে বাংলাদেশ যে ভারতের বিপক্ষে দুই ম্যাচ জিতেছিল তাও মাথায় রাখতে চান না গোলাম রব্বানী ছোটন, ‘আমরা বর্তমান নিয়েই ভাবছি। আগের দুটি ম্যাচেই মেয়েরা তাদের সর্বোচ্চ দিয়ে খেলার চেষ্টা করেছে। সে খেলাটা ধরে রাখতে হবে এবং এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। দর্শকদের ভাল খেলা উপহার দেয়ার সঙ্গে আমাদের লক্ষ্য হলো জয়।’

  • তবে কি ‘ডাইরেক্টর অফ কোচিং’ হয়েই আসছেন কারস্টেন!

    তবে কি ‘ডাইরেক্টর অফ কোচিং’ হয়েই আসছেন কারস্টেন!

    খুব বেশী আগে নয়। এই মাত্র ৪৮ ঘন্টা আগের খবর। বাংলার মুখের পাঠকরা জেনেই গেছেন রিচার্ড পাইবাস আসছেন না। এ ইংলিশ হেড কোচের বাংলাদেশের ক্রিকেটের সাথে জড়িত হবার সম্ভাবনা শুন্যের কোঠায়। তারপর ইন্টারভিউ দিয়ে যাওয়া ফিল সিমন্সকেও পছন্দ নয় বোর্ডের।

    আজ বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের কন্ঠে তাই প্রতিধ্বনিত হলো। তিনি পাইবাস ও ফিল সিমন্সের নাম বেমালুম উচ্চারণ না করে একজন নতুন কোচের কথা বলেছেন। যার নাম গ্যারি কারস্টেন। তবে তিনি সারা বছর কোচিং করাতে পারবেন না। আর শুধু জাতীয় দলের প্রথাগত কোচ হিসেবেও কাজ করবেন না। তার পদ হবে ডাইরেক্টর কোচিং। তার অধীনে ব্যাটিং, বোলিং আর ফিল্ডিং কোচরা দল পরিচালনা তথা কোচিং করাবেন।

    আজ দুপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ওপেনার গ্যারি কারস্টেনের নাম উল্লেখ করে নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘গ্যারি কারস্টেনের সাথে আমাদের যে কথা হয়েছে, তা হেড কোচ হিসেবে নয়। তার সঙ্গে কথা হয়েছে কনসালটেন্ট হিসেবে এবং শুধু জাতীয় দলের হয়ে নয়, সে সব বিষয়ে কাজ করবে। তবে ফেব্রুয়ারির আগে তাকে পাওয়া যাবে না।’

    প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য বিগ ব্যাশে কোচিং করাচ্ছেন গ্যারি কারস্টেন। আগামী ফেব্রুয়ারির আগে ফ্রি হবেন না। তার পর হয়ত তার সাথে কথা বার্তা হবে। বোর্ড প্রধানের ওপরের কথোপকোথনে পরিষ্কার , বিসিবি হেড কোচ পদে এখনো পছন্দের কাউকে পায়নি। তাই গ্যারি কারস্টেনকে ডাইরেক্টর কোচিং করে আনার চিন্তা ভাবনা চলছে। তবে সেটাও শতভাগ চূড়ান্ত নয়, আলোচনা সাপেক্ষে। সেটা যে খুব সহসাই হবে, তাও নয়।

    বাংলাদেশ সব সময়ই একজন হেড কোচের পাশাপাশি ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে তিনজন স্পেশালিস্ট কোচ নিয়োগ দিয়ে আসছে। এই তো সেদিনও হেড কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের সাথে কোর্টনি ওয়ালশ বোলিং কোচ, থিলান সামারাবীরা ব্যাটিং কোচ হিসেবে কাজ করেছেন।

    ভাবা হচ্ছিলো এবং বোর্ড থেকেও বলা হয়েছে , আগে একজন পুরোদস্তুর হেড কোচ নিয়োগ দেয়া হবে। কিন্তু হাথুরুসিংহে চলে যাবার পর তাহলে কারস্টেনকে ডাইরেক্টর অফ কোচিং করে আনার প্রশ্ন আসছে কেন ? এ প্রশ্ন কিন্তু উঠছে।

    এর সত্যিকার জবাব দেননি বিসিবি প্রধান। তবে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ এখন এমন এক জায়গায় অবস্থান করছে, যাকে তাকে কোচ করে আনা যায় না। ‘আসলে বাংলাদেশ এখন যে পর্যায়ে গেছে, সেখানে যে কোনো কোচ আনলে তো হবে না। একটু ভেবেচিন্তে কোচ আনতে হবে। আগেরবারের চেয়ে এখন কোচ নেয়া কঠিন। আগেরবার দল হারের মধ্যে ছিলো। এখন কিন্তু বড় পরিবর্তন আনা সহজ নয়। হঠাৎ পরিবর্তন আনলে দলের উপর বাজে প্রভাব পড়তে পারে। তাই ভেবে চিন্তে ভালো কোচ নিয়োগ দেয়ার চেষ্টা করছি।’

    বোর্ড সভাপতির ওপরের কথা যেমন সত্য, তেমনি এটাও সত্য যে আসলে বিসিবি সেই মানের হাই প্রোফাইল কোচ পাচ্ছে না। অনেককেই অফার করা হয়েছে। বিপিএলে কোচিং করাতে আসা টম মুডি, কুমার সাঙ্গাকারা আর মাহেলা জয়াবর্ধনে- তিনজকেই প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। কিন্তু কেউ রাজি হননি। কারণ তারা নানা ফ্র্যাঞ্চাইজির সাথে যুক্ত। বছরে গড়পড়তা বাংলাদেশকে কোচিং করিয়ে যা পাবেন , তার চেয়ে অনেক বেশি অর্থ মিলে আইপিএল, বিগ ব্যাশ ও অন্যান্য জায়গায় কোচিং করিয়ে।

    এর বাইরে পাইবাস আর ফিল সিমন্স মিশনও নেতিবাচক। তাই বাধ্য হয়ে গ্যারি কারস্টেনের দিকে ছোটা। এবং সেটা হেড কোচ ফর্মুলা থেকে সড়ে, তাকে ডাইরেক্টর অফ কোচিং হিসেবে ধরেই। কারণ কারস্টেন আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, তার পক্ষে প্রথাগত কোচিং করানো সম্ভব নয়। তার সে সময় নেই। অন্য জায়গায় কাজ কর্ম আছে।

    ওই সব কাজ ছেড়ে সারা বছর বাংলাদেশ জাতীয় দলকে নিয়ে কাজ করা কারস্টেনের পক্ষে সম্ভব নয়। তার চেয়ে বরং তাকে ডাইরেক্টর অফ কোচিং পদে নিয়োগ দিয়ে ব্যাটিং, বোলিং আর ফিল্ডিংয়ে তিনজন অভিজ্ঞ ও হাই প্রোফাইল স্পেশালিস্ট কোচ রাখা হলে তার পক্ষে কাজ করা সম্ভব।

    শেষ পর্যন্ত হয়ত কারস্টেনের এই প্রস্তাব মেনেই তাকে নিতে আগ্রহী বিসিবি। বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের কথায় তেমন ইঙ্গিতই মিললো।

    ভেতরের খবর, বিসিবির শীর্ষ কর্তাদের পছন্দ ছিলেন রিচার্ড পাইবাস। এ ইংলিশ কোচের মেধা, মনন ও প্রজ্ঞার প্রতি বোর্ডের আস্থা ছিল। তিনি যে লক্ষ্য ও পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন, তাও নাকি বেশ মনে ধরেছিল বোর্ড শীর্ষ কর্তাদের। এমনকি ক্রিকেটারদের আধুনিক কলা কৌশল শেখানোর পাশাপাশি কঠোর অনুশাসনে রাখা এবং তাদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠার পর্যাপ্ত ক্ষমতা আছে জেনেও খুশি হয়েছিল বিসিবির নীতি নির্ধারক মহল।

    তারপরও বোর্ডকে পাইবাসকে কোচ না করার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। কারণ এক ও অভিন্ন, সিনিয়র ক্রিকেটারদের চরম অপছন্দ। ভেতরের খবর, মাশরাফি-সাকিব-মুশফিকসহ সিনিয়র ক্রিকেটারদের প্রায় সবাই পাইবাসকে কোচ না করার অনুরোধ জানিয়েছেন বোর্ড প্রধান নাজমুল হাসান পাপনকে।

  • ব্রাদার্সকে হারিয়ে শীর্ষে শেখ জামাল

    ব্রাদার্সকে হারিয়ে শীর্ষে শেখ জামাল

    ব্রাদার্স ইউনিয়নকে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। বুধবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রাতের ম্যাচে তিনবারের চ্যাম্পিয়নরা ৩-২ গোলে হারিয়েছে গোপীবাগের দলটিকে।

    এ জয়ে ৪৩ পয়েন্ট নিয়ে এককভাবে শীর্ষে জামাল। ৪২ পয়েন্ট করে নিয়ে জামালের পর আছে চট্টগ্রাম আবাহনী ও আবাহনী।

    বুধবার শেখ জামালকে জিতিয়েছেন তাদের দ্ইু বিদেশি গাম্বিয়ান সলোমন কিং এবং নাইজেরিয়ান রাফায়েল। জোড়া গোল করেছেন সলোমন কিং, একটি রাফায়েল। ব্রাদার্সের গোল করেছেন কঙ্গোর জুনাপিও এবং বিশাল দাস। এ হারে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে ৮ নম্বরে ব্রাদার্স।

    দিনের প্রথম ম্যাচে রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস অ্যান্ড সোসাইটিকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব। এ জয়ের পরও টেবিলের তলানিতেই ফরাশগঞ্জ।