Blog

  • জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    মহান বিজয় দিবসে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে প্রথমে রাষ্ট্রপতি এরপর প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান।

    শ্রদ্ধা জানানোর পর কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে শহীদদের স্মরণ করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এসময় বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। পরে জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী শ্রদ্ধা জানান। এ সময় মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য এবং সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন।

    পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

  • এক বাংলাদেশি ফটোসাংবাদিকের রোমাঞ্চকর অভিযাত্রা

    বাংলাদেশের সবচেয়ে নামকরা ফটো সাংবাদিকদের একজন জুয়েল সামাদ তার সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারে বহু দু:সাহসিক এবং রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন। ইরাক রণাঙ্গন থেকে প্রেসিডেন্ট ওবামার হোয়াইট হাউস, এশিয়ান সুনামি থেকে রিও অলিম্পিক- বহু বিচিত্র বিষয় কভার করেছেন।

    বিবিসি বাংলার মোয়াজ্জেম হোসেনের সঙ্গে দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে তিনি বর্ণনা করেছেন তার সেসব অভিজ্ঞতা।

    এয়ার ফোর্স ওয়ান :
    লস এঞ্জেলেস থেকে ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে আকাশে উড়েছে এয়ার ফোর্স ওয়ান। পাঁচ ঘন্টার ফ্লাইট। লস এঞ্জেলেসে একটি ব্যস্ত দিন কেটেছে সবার। সেখানে প্রেসিডেন্ট ওবামা ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট নিয়ে ভাষণ দিয়েছেন এক অনুষ্ঠানে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে নানা বিষয়ে প্রতিদিন চিঠি লেখেন অনেক মানুষ। নির্বাচিত কিছু পত্রলেখককে প্রেসিডেন্ট লাঞ্চের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন স্থানীয় এক রেস্টুরেন্টে। ছিল আরও নানা আনুষ্ঠানিকতা।

    ফিরতি যাত্রায় এয়ারফোর্স ওয়ানের প্রেস কেবিনে সফরসঙ্গী সাংবাদিকরাও কিছুটা ক্লান্ত।

    নানা কাজে ব্যস্ত কেউ কেউ। হঠাৎ কেবিনের দরোজা দিয়ে ঢুকলেন প্রেসিডেন্ট। এএফপির ফটো সাংবাদিক জুয়েল সামাদের জন্য সেটাই ছিল এয়ার ফোর্স ওয়ানের শেষ ফ্লাইট। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সর্বশেষ সফর।

    “আমার নতুন পোস্টিং হয়েছে নিউইয়র্কে। সেদিন আমার শেষ জার্নি এয়ার ফোর্স ওয়ানে। প্রেসিডেন্ট ওবামাকে তাঁর স্টাফরা বিষয়টি জানিয়েছেন। তাই রীতি অনুযায়ী বিদায় জানাতে এসেছেন তিনি”, বলছিলেন জুয়েল সামাদ।

    “যেভাবে তিনি আমাকে বিদায় জানাতে আসলেন প্রেস কেবিনে, দ্যাট ওয়াজ ভেরি নাইস। আমি কিছুটা আপ্লুত হয়ে পড়েছিলাম। উনি আমার সঙ্গে বেশ রসিকতাই করলেন। বললেন, নিউইয়র্কে কেন যাচ্ছো। ওখানে তো বাড়ি ভাড়া অনেক বেশি। ”

    হোয়াইট হাউস প্রেস কোরের সদস্য হিসেবে প্রায় সাড়ে ছয় বছর ধরে বিশ্বের বহু জায়গায় প্রেসিডেন্ট ওবামার সফর-সঙ্গী ছিলেন জুয়েল সামাদ। ছিলেন বহু ঐতিহাসিক মূহুর্তের সাক্ষী। তবে এর মধ্যে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে অনেক মধুর অন্তরঙ্গ মূহুর্তের স্মৃতিও আছে। এটি ছিল সেরকম একটা দিন।

    হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্টের ট্রাভেল পুলে অন্তর্ভুক্ত হতে পারাটা যুক্তরাষ্ট্রের নামকরা সাংবাদিকদের জন্যও ভাগ্যে শিকে ছেঁড়ার মতো ব্যাপার। সাংবাদিকরা যখন খ্যাতির শিখরে পৌঁছান, তখন সাধারণত ‘প্রাইজড পোস্টিং’ হিসেবে হোয়াইট হাউজে পাঠানো হয়। জুয়েল সামাদের জন্য সেখানে কাজ করার সুযোগটা এসে গিয়েছিল বেশ অপ্রত্যাশিতভাবে।

    বারাক ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার কয়েক মাস পরের ঘটনা সেটি।

    “তখন আমার পোস্টিং ইন্দোনেশিয়াতে। আমাদের এএফপি’র নর্থ আমেরিকার ডিরেক্টর, উনি আমাকে হোয়াইট হাউজে নিয়ে আসেন। উনি চাইছিলেন হোয়াইট হাউজ একটু ভিন্নভাবে কভার করতে। একজন ফ্রেশ, ইয়াং কোন ফটোগ্রাফারকে দিয়ে। আমেরিকার সঙ্গে রিলেটেড নয় এমন কাউকে দিয়ে। আমাকে উনি ওয়াশিংটনে নিয়ে আসলেন। প্রায় সাড়ে ছয় বছর আমি ওবামা এডমিনিস্ট্রেশন কাভার করেছি। ”

    বারাক ওবামা ছিলেন হোয়াইট হাউসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট। আর জুয়েল সামাদ তার প্রেস কোরে ঠাঁই পাওয়া প্রথম কোন বাংলাদেশি সাংবাদিক।

    এপি এএফপি, রয়টার্স এবং নিউইয়র্ক টাইমস, শুধু এই চারটি প্রতিষ্ঠানের সার্বক্ষণিক ফটোসাংবাদিক থাকেন হোয়াইট হাউসে। এরা মার্কিন প্রেসিডেন্টের ট্রাভেল পুলের অংশ। অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট যেখানেই যাবে, তার সঙ্গে থাকবেন এই চারজন। এরকম একটা বিরল সুযোগ পেয়ে জুয়েল সামাদ ছিলেন তাঁর ভাষায় ‘সুপার একসাইটেড’।

    “আমি কখনো ভাবিনি যে একদিন হোয়াইট হাউজ কভার করার সুযোগ আসবে। আমেরিকার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাভেল করে বিভিন্ন দেশে যাওয়ার সুযোগ হবে। প্রেসিডেন্টকে খুব কাছ থেকে দেখতে পাবো এবং ট্রাভেল করতে পারবো। সত্যি কথা বলতে কি, এটা একটা প্রিভিলেজ। আমি যে সাড়ে ছয় বছর এই কাজটা করতে পেরেছি, সেজন্যে আমি কৃতজ্ঞ। ”

    ক্যামেরা হাতে কিশোর :
    তবে হোয়াইট হাউস পর্যন্ত জুয়েল সামাদের এই জার্নিটা খুব সহজ ছিল না।

    নব্বুই এর দশকের শুরুতে ঢাকা শহরে ঝাঁক বেঁধে নানা জায়গায় ছুটে যেতে ফটো সাংবাদিকদের যে দল, তাদের মধ্যে ছিল ১৫ বছরের এক কিশোর। কিছুটা নেশায়, কিছুটা জীবিকার তাগিদে তাকে পথে নামতে হয়েছিল।

    “আমার বাবা, দুই চাচা ছিলেন এই পেশায়। এটা যেন আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্য। আমার বাবা মারা যাওয়ার পর কিছু একটা করতে চাচ্ছিলাম আমার এডুকেশন সাপোর্ট করার জন্য। অন্য কিছু আর মাথায় আসেনি ফটোগ্রাফি ছাড়া। তখন আমার বয়স মাত্র ১৫ বছর। ”

    কাজ শুরু করেছিলেন ঢাকার মর্ণিং সান পত্রিকায়। কিছুদিন পর যোগ দেন দৈনিক জনকন্ঠে। সেখানে কাজ করেছেন পাঁচ বছরের বেশি।

    “যে বয়সটা খেলাধুলার, সেই বয়সে আমি ঢুকে গেলাম কাজে। এক অর্থে এটা ছিল আমার জন্য ভালো সুযোগ। আবার অন্যদিকে ব্যক্তিগতভাবে খুবই চ্যালেঞ্জিং। ”

    বড় বড় ফটো সাংবাদিকদের মাঝে গ্রহণযোগ্যতা পেতে অনেক সময় লেগেছে। টিটকারি শুনতে হয়েছে কাজ করতে গিয়ে।

    “হাতে গোণা দু একজন লোক ছাড়া শেখানোর লোক খুব কম ছিল। উল্টো বাধা দেয়ার লোক অনেক ছিল। রাস্তায় যখন ছবি তুলতে যেতাম, তখন নানা কথা শুনতে হতো, বলতো, ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা সাংবাদিক বনে গেছে। ”
    কিন্তু সেসব তিনি গায়ে মাখেন নি।

    আজকের সাফল্যের পর পেছন ফিরে দেখলে কি মনে হয়?

    “আমার জন্য দরকার ছিল এই স্ট্রাগলটা। আমার জন্য এটা ফাউন্ডেশন হিসেবে কাজ করেছে। এখান থেকে আমি যা শিখেছি, তা আমাকে সবসময় সাহায্য করেছে। ”

    ২০০০ সালে ক্যারিয়ারে প্রথম বড় সুযোগ পান এএফপির ঢাকা অফিসে যোগ দেয়ার মাধ্যমে।

    “এএফপিতে যোগ দেয়ার পর বুঝতে পারি যে ফটো জার্নালিজম মানে বাংলাদেশের গন্ডিতে আটকে থাকা নয়। সারা বিশ্বে কাজ করার সুযোগ আছে। তখন থেকেই আমার ইচ্ছে হয়, আরও অনেক ধরণের অ্যাসাইনমেন্ট কাভার করার। এবং এএফপিতে জয়েন করার পর আমি সুযোগগুলো পাই। ”

    যুদ্ধ দিনের গল্প:
    ২০০১ সালে ভারতের গুজরাটের ভূমিকম্প ছিল জুয়েল সামাদের প্রথম ফরেন অ্যাসাইনমেন্ট। এরপর থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় বা অন্যান্য অঞ্চলে যত বড় বড় ঘটনা ঘটেছে, তার সবগুলো কভার করার সুযোগ হয়েছে। আফগান এবং ইরাক যুদ্ধের সময় এএফপির হয়ে সেখানে গেছেন।
    “আফগান এবং ইরাক যুদ্ধ আমার ক্যারিয়ারের বড় দুটি ঘটনা। এই দুটি যুদ্ধ আমাকে তৈরি করেছে। আফগানিস্তানে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর অভিযান শুরু হওয়ার পর সেখানে পাঠানো হয় আামাকে। আমি ছিলাম পাকিস্তান-আফগানিস্তান বর্ডারে। যখন তালেবানের পতন হয়, তখন কাবুলে যাই। ভয়ের চেয়ে উত্তেজনাটাই বেশি কাজ করছিল এরকম একটা সুযোগ পেয়ে। ”

    “আফগানিস্তানে একটা ঘটনার কথা খুব মনে পড়ে। আমি এবং আমার এক অস্ট্রেলিয়ান কলিগ কাজ করছিলাম। আমেরিকান বি-ফিফটি-টু বিমান থেকে বোমা ফেলা হচ্ছিল পাহাড়ে। রাস্তার ধারে থেমে আমরা ছবি পাঠাচ্ছিলাম। হঠাৎ পেছনে বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাই। পেছনের গাড়িতে টরোন্টো স্টারের একজন সাংবাদিক এবং ফটো সাংবাদিক ছিল। তারা আসলে স্বামী-স্ত্রী। মহিলা সাংবাদিকের একটা পা গ্রেনেড হামলায় উড়ে গেছে। ”

    ঐ আহত সাংবাদিককে পরে জুয়েল সামাদ এবং তাঁর সহকর্মীই নিজেদের গাড়িতে করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। হাসপাতালে নেয়ার পর সেখানকার লোকজন বললো, এখানে চিকিৎসা করা যাবে না। পরে তারা আবার গাড়িতে করে তাকে নিয়ে যান নিকটবর্তী মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে। সেখান থেকে কাবুলে এয়ার-লিফট করা হয় তাকে। ঐ মহিলা সাংবাদিকের জীবন বাঁচাতে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন তারা।
    মোট পাঁচ দফায় ইরাক যুদ্ধ কভার করেছেন জুয়েল সামাদ। সেখানেও ছিল অনেক ভয়ংকর অভিজ্ঞতা।

    “যে পাঁচ বার ইরাক যুদ্ধ কভার করতে যাই তার মধ্যে তিনবারই মার্কিন বাহিনির সঙ্গে ‘এমবেডেড’ হয়ে। দুবার বাগদাদে স্বাধীনভাবে। ”

    টিকরিটে যে মার্কিন সেনাদল সাদ্দাম হোসেনকে তার গোপন সুড়ঙ্গ থেকে আটক করে, জুয়েল সামাদ ছিলেন সেই সেনাদলের সঙ্গে এমবেডেড।

    “ওরা বিভিন্ন রেইডে যাওয়ার সময় আমাদের সাথে নিয়ে যেত। কিন্তু যেদিনের অভিযানে সাদ্দাম হোসেন ধরা পড়ে, সেদিন আমাদের নেয়নি। পরের দিন আমাদের সেখানে নিয়ে যায় মার্কিন সেনাবাহিনি। সাদ্দাম হোসেন বাংকার টাইপের ছোট্ট একটা গর্তে লুকিয়ে থাকতেন। আমাদের সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। ”

    সেনাবাহিনির সঙ্গে ‘এমবেডেড’ হয়ে কাজ করার সময় কয়েকবার হামলারও শিকার হয়েছেন।

    “টিকরিটে একবার আমাদের কনভয়ের একটি গাড়িতে আইইডি হামলা হয়। আমি ছিলাম তিন গাড়ি পেছনে। আরেকবার আমাদের কনভয়ের ওপর গুলি চলে। তবে তেমন কোন ক্ষতি হয়নি। ”

    তবে এত অভিজ্ঞতার মাঝে হোয়াইট হাউসের সাড়ে ছয় বছরের জীবনকেই তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা সময় বলে মনে করেন জুয়েল সামাদ।

    প্রতিদিন প্রেসিডেন্ট কোথায় যাচ্ছেন, কী কর্মসূচি, তার বিস্তারিত আমরা আগের রাতেই জানতে পারতাম। সেই অনুযায়ী তারা কাজের পরিকল্পনা করতাম। প্রেসিডেন্টের পাবলিক অ্যাপিয়ারেন্স কি আছে, কোথায় ছবি তোলা যাবে, কোথায় যাবে না, এসব আগে থেকে জানানো হতো আমাদের। ”

    যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হবে যেদিন, সেদিন জুয়েল সামাদের দায়িত্ব পড়েছিল নিউইয়র্কে হিলারি ক্লিন্টনের সমাবেশ কভার করার।

    হিলারি ক্লিনটনের জন্য স্টেজটি সাজানো হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের মানচিত্রের আদলে। হিলারি জিতবেন, এমনটাই সবাই প্রত্যাশা করছিল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট হবেন তিনি, তার একটি ‘আইকনিক’ ছবি তোলার জন্য দুদিন ধরে ক্যামেরা সেট করলেন তিনি।
    কিন্তু ফল যখন ঘোষণা করা হলো, সব পরিকল্পনা পাল্টে গেল!

    “যদি হিলারি জিততো, তাহলে হয়তো এটি একটি আইকনিক ছবি হতে পারতো। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাপের মাঝখানে হিলারি দাঁড়িয়ে তার বিজয়ের পর বক্তৃতা দিচ্ছেন, এরকম একটা ছবি। ”

    তবে তাই বলে খেদ নেই জুয়েল সামাদের। বিশ্বের সবচেয়ে নামকরা একটি সংস্থার আর্কাইভে আছে তার ছবি আছে প্রায় ৯০ হাজার। এএফপির হাতে গোনা মাত্র কয়েকজন ফটোগ্রাফারেরই এত বেশি ছবি তাদের আর্কাইভে রাখা হয়েছে।

    জুয়েল সামাদ এখন এএফপির নিউইয়র্ক ব্যুরোতে কাজ করেন। কিন্তু তারপরও বিশ্বের যেখানেই বড় কোন ঘটনা ঘটে, সেখানে পাঠানো হয় তাকে।

    জুয়েল সামাদের স্ত্রী গোধুলি খানও ফটো সাংবাদিক। দুই কন্যা নিয়ে নিউইয়র্কে তাদের সংসার।

    তার স্বপ্ন, বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের ফটো সাংবাদিকদের জন্য কিছু করা।

    “যদি সম্ভব হয় বাংলাদেশের ফটো সাংবাদিকদের জন্য কিছু করতে চাই্। তারা অনেকেই বেশ ভালো করছেন। অনেক আন্তর্জাতিক পুরস্কার পাচ্ছেন। আমার কাজের অভিজ্ঞতা তাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই। “

  • লাল-সবুজের বিজয় গাথা আজ

    লাল-সবুজের বিজয় গাথা আজ

    আজ ভোরে পুব আকাশে যে নতুন সূর্য উঠবে সেই সূর্যই স্মরণ করিয়ে দেবে দিনটি গৌরবের, আনন্দের, বিজয়ের। জাতির জীবনে আজকের দিনটি মহা-আনন্দের। এমনি এক দিনের প্রতীক্ষায় কেটেছে বাঙালির হাজার বছর। বহু কাঙ্ক্ষিত এ দিনটির দেখা মিলেছিল ইতিহাসের পাতায়।

    দিনটি ছিল ১৯৭১ সালের, ১৬ ডিসেম্বর। তৎকালীন ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে এই দিনে পাকিস্তানি বাহিনী অস্ত্র ফেলে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে ছিল বিজয়ী বীর বাঙালির সামনে। স্বাক্ষর করেছিল পরাজয়ের সনদে। সেদিন পৃথিবীর মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটেছিল স্বাধীন বাংলাদেশের।

    দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ, দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত এই বিজয়ের দিনটিতে আনন্দের পাশাপাশি বেদনাও বাজবে বাঙালির বুকে। শ্রদ্ধা ও গভীর কৃতজ্ঞতায় জাতি স্মরণ করবে জানা-অজানা সেসব শহীদকে। যারা সেই সংগ্রামের উত্তাল দিনে জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে হাত মিলিয়েছিল পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে।

    সেই রাজাকার-আল শামস ও আল-বদরদের কয়েকজনের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। মানবতাবিরোধী হত্যা মামলায় দণ্ডিত জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামী, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লা, জামায়াতের অন্য নেতা মো. কামারুজ্জামান, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায়ও কার্যকর হয়েছে।

    এছাড়া মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির রায়ও কার্যকর হয়েছে।

    আজ সকাল থেকেই সারাদেশে বিজয়ের আনন্দে পথে নামবে উৎসবমুখর মানুষ। শহীদদের স্মরণে দেশের সব স্মৃতিসৌধ ভরিয়ে দেবে ফুলে ফুলে। রাজধানীতে সব বয়সী অগণিত মানুষ সমবেত হবে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে। শ্রদ্ধায় ঢেকে যাবে সৌধের বেদী।

    লাল-সবুজ পতাকা উড়বে আজ বাড়িতে ও গাড়িতে, সব প্রতিষ্ঠানে। মাথায় থাকবে পতাকার রঙে রাঙা ফিতা। পতাকার রঙের পোশাকও থাকবে উৎসবে। পতাকায় সজ্জিত করা হবে রাজধানীসহ দেশের বড় শহরগুলোর প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপ। আজ সরকারি ছুটির দিন। রাতে গুরুত্বপূর্ণ ভবনে করা হবে আলোকসজ্জা। হাসপাতাল, শিশুসদন ও কারাগারগুলোতে পরিবেশন করা হবে বিশেষ খাবার। পত্রপত্রিকা প্রকাশ করবে বিশেষ ক্রোড়পত্র।

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও বিরোধী দলের নেতা রওশন এরশাদ পৃথক বাণী দিয়েছেন। বরাবরের মতোই এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালনের বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হবে।

    তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক সরকার বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করলেও বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে বাঙালি জাতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে।

    দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগ আর দুই লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে বাঙালি জাতি পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে পরাস্ত করে পৃথিবীর বুকে সৃষ্টি করে স্বাধীন বাংলাদেশ। ১৬ ডিসেম্বর বীর বাঙালির বিজয় দিবস ও বাংলাদেশের জাতীয় দিবস। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী সব মানুষের সঙ্গে একাত্ম হয়ে বরাবরের মতো যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর এবং উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করবে।

    কর্মসূচি:

    ১৬ ডিসেম্বরের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সূর্যোদয় ক্ষণে : দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, বঙ্গবন্ধু ভবন ও দেশব্যাপী সংগঠনের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। ভোর ৬টা ৩৪ মিনিটে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ) সকাল ৮টায় বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। সকাল ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, জিয়ারত, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল।

    বিজয় র‌্যালি:

    ঢাকা মহানগরীর অন্তর্গত সব থানা শাখার আওয়ামী লীগের নেতা ও জাতীয় সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ এলাকা থেকে বিজয় শোভাযাত্রা সহকারে পাক হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থান ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমবেত হবেন এবং পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক ক্ষণ বিকেল ৩টায় শিখা চিরন্তনে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর অভিমুখে বিজয় র‌্যালি শুরু হবে।

    টুঙ্গিপাড়ার কর্মসূচি:

    ১৬ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জের ঐতিহাসিক টুঙ্গিপাড়ায় অনুষ্ঠিতব্য কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভাপতিমণ্ডলীল সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহা উদ্দিন নাছিম, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আলহাজ অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য অ্যাডভোকেট মো. আমিরুল আলম মিলনসহ অন্যান্য নেতারা অংশগ্রহণ করবেন।

    ১৭ ডিসেম্বর বিকেল ৩টায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখবেন জাতীয় নেতারা ও বুদ্ধিজীবীরা।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি ১৬ ডিসেম্বর সারাদেশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণ করে যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

  • ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সতর্ক করে দিলেন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ

    ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সতর্ক করে দিলেন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ

    আগামী ৪ঠা জানুয়ারি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল করার লক্ষ্যে বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহন করা হয়। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন সেরনিয়াবতের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাকের সঞ্চলনায় নগরীর কালীবাড়ি রোডস্থ শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বাস ভবনে এক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। প্রধান অথিতির বক্তব্যে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেন- ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে কোন রকম চাঁদাবাজী করা চলবে না। এমন কর্মকান্ডে কেউ জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনী ব্যবস্থ গ্রহন করা হবে। যদি কারও বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী করার তথ্য থাকে তবে ০১৭২৬১০১৮৮৯ মোবাইল নম্বরে সরাসরি যোগাযোগ করবেন।

    এই সভায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ৪ঠা জানুয়ারি প্রথম প্রহরে (রাত ১২.০১) বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতীকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন ও কেক কাটা, সকাল ৬টায় একই স্থানে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ১০টায় সমাবেশ ও আনন্দ র‌্যালি, সন্ধ্যা ৬টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। এছাড়া মহান বিজয় দিবসে বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগকে আহবান করা হয়। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিল ছাত্রলীগে পৌর, উপজেলা ও জেলা ছাত্রলীগে নেতৃবৃন্দ।

  • যৌন নিগ্রহের অভিযোগে আত্মঘাতী রিপাবলিকান নেতা

    যৌন নিগ্রহের অভিযোগে আত্মঘাতী রিপাবলিকান নেতা

    পাঁচ বছর আগে এক কিশোরীকে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস’র সদস্য কেন্টাকির রিপাবলিকান সেই নেতা ড্যান জনসন মারা গিয়েছেন। তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

    কেন্টাকির বুল্লিট কাউন্টির মাউন্ট ওয়াশিংটনের কাছে তার দেহ উদ্ধার হয়েছে। তার দেহে ছিল একটা গুলির আঘাত। মরদেহের পাশে পড়ে ছিল ৪০ ক্যালিবারের সেমি অটোম্যাটিক হ্যান্ডগান।

    পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ড্যান লুইসভিলের দক্ষিণপূর্বের একটি এলাকায় গিয়েছিলেন গাড়ি চালিয়ে। তার পর সেখানে গাড়ি পার্ক করেন। গাড়ির সামনেই গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হন। তার কিছু ক্ষণ আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ এবং খাপছাড়া এক বার্তায় জানান, তিনি যৌন নিগ্রহ করেননি।

    পরিবারের বাকিদের বলেন, তার স্ত্রীর পাশে থাকতে।

    এই পোস্ট দেখেই আত্মীয়রা উদ্বিগ্ন হয়ে পুলিশকে জানান। সেই খবরে পুলিশ খোঁজ শুরু করে তার দেহ উদ্ধার করে।

  • ভারতীয় তারকা ক্রিকেটারের বাবা গ্রেফতার

    ভারতীয় তারকা ক্রিকেটারের বাবা গ্রেফতার

    ভারতের কোলাপুরের রাস্তায় এক বৃদ্ধাকে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা দেওয়ায় গ্রেফতার হলেন ভারতীয় টেস্ট দলের সহ-অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানের বাবা। শুক্রবারে ঘটনাটি ঘটেছে।

    টোবে মাধুকর বাবুরাও রাহানে নিজেই গাড়ি চালাচ্ছিলেন কিনা তা এখনও জানা যায়নি। কাগালের কাছে জাতীয় সরকে মাধুকরের গাড়ি পথ চলতি ৬৭ বছরের এক বৃদ্ধাকে ধাক্কা দেয়। মৃত সেই বৃদ্ধার নাম আশাতাই ক্যামবেল।

    ৫৪ বছরের মাধুকরকে গ্রেফতার করা হয়েছে অনিয়ন্ত্রিতভাবে গাড়ি চালানোর জন্য। কিন্তু দূর্ঘটনার সময় কে গাড়ি চালাচ্ছিলেন সেটা এখনও পরিষ্কার নয়। সেই গাড়িতে রাহানের মা ও বোনও ছিলেন। সকলে মিলে কোঙ্কনে ছুটি কাটাতে যাচ্ছিল।

    আহত সেই মহিলাকে সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে নিয়ে যাওয়া হলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

    এর পরই কাগাল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ৩০৪ (এ), ২৮৯, ৩৩৭, ৩৩৮ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

  • রোগীদের লিভারে স্বাক্ষর করে আদালতে শল্যচিকিৎসক

    রোগীদের লিভারে স্বাক্ষর করে আদালতে শল্যচিকিৎসক

    রোগীদের লিভারের ওপর খোদাই করা ব্রিটেনের এক বিখ্যাত সার্জন সাইমন ব্রক্ষলের নামের দু’টি আদ্যক্ষর মিলেছে। ‘SB’ লেখা সেই স্বাক্ষর নিয়ে তুমুল হইচই শুরু হয়েছে বার্মিংহাম সহ গোটা ব্রিটেনে। মামলা দায়ের হয়েছে বিশিষ্ট শল্যচিকিৎসক ব্রক্ষলের বিরুদ্ধে।

    আদালতে প্রশ্ন উঠেছে, কোনও অনুমতি ছাড়া অপারেশন থিয়েটারে অচৈতন্য রোগীর শরীরে কি কেউ তার নামের আদ্যক্ষর খোদাই করে দিতে পারেন? তা কি দণ্ডনীয় অপরাধ নয়? কিন্তু ঘটনা হল, দণ্ডনীয় কি না, হলে তার দণ্ড কী, তা নিয়ে ধন্দে পড়ে গিয়েছে আদালতও। যেহেতু এমন ঘটনা ব্রিটেন কেন, গোটা বিশ্বে ঘটেনি এর আগে। ফলে, আইনের বইতেও লেখা নেই তার দণ্ড কী হতে পারে।

    সেই শল্যচিকিৎসক সাইমন ব্রক্ষল জানিয়েছেন, এটা তার একটা শখ। রোগীদের শরীরে অস্ত্রোপচারের সময় তিনি তার নামের আদ্যক্ষর দু’টি লিখে রাখেন, কাজটা যে তারই করা, তার প্রমাণ হিসাবে।

    ৫৩ বছর বয়সী চিকিৎসক ব্রক্ষল গত ১২ বছর ধরে যথেষ্টই সুনামের সঙ্গে কাজ করেছেন কুইন এলিজাবেথ হসপিটালে। সেই হাসপাতালে ডাক্তারির পোস্টডক্টরাল ছাত্রদের ক্লাসও নিয়েছেন তিনি দীর্ঘ দিন। একটি ভেঙে পড়া বিমানের গুরুতর জখম দুই পাইলটের অক্ষত লিভার অন্য এক জনের শরীরে নিখুঁত ভাবে প্রতিস্থাপন করে ২০১০ সালে খবরের শিরোনামে চলে এসেছিলেন ব্রক্ষল।

    সেই ব্রক্ষলের নিজের নামের আদ্যক্ষর খোদাই করার ‘কীর্তি’টা কেউ হয়তো কোনও দিন জানতেই পারতেন না, যদি না ২০১৩ সালে এক রোগিনীর শরীরে তার লিভার প্রতিস্থাপনের অস্ত্রোপচার ব্যর্থ হত। সেই প্রতিস্থাপনের পর কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দেয় রোগির। তখন অন্য শল্যচিকিৎসকরা তার লিভার পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখেন, তার ওপর ব্রহ্মলের নামের দু’টি আদ্যক্ষর ‘SB’-এর সন্ধান পান।

  • তৃণমূলে বিএনপির ৭৭ টিম

    ফের তৃণমূলে যাচ্ছে বিএনপি। দল পুনর্গঠনের পাশাপাশি নির্বাচন ও আন্দোলনের বার্তা পৌঁছাতেই কেন্দ্রীয় নেতাদের এই তৃণমূল সফর। একই সঙ্গে আগামী নির্বাচনে দলের সম্ভাব্য প্রার্থী সম্পর্কেও একটি ধারণা পেতে চান বিএনপির নেতৃত্ব। সফর শেষে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সংশ্লিষ্ট এলাকার একটি রিপোর্ট দেবেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই ও দলের নেতৃত্ব নির্ধারণ করা হতে পারে। জানা যায়, গতকালই মাঠ পর্যায়ের এই সফর শুরু হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এটা চলবে। এরই মধ্যে জেলা পর্যায়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর থেকে শুরু করে স্থায়ী কমিটি, ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব ও যুগ্ম-মহাসচিব পর্যায়ের নেতাদের টিমপ্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সফরের প্রাথমিক কাজ শুরু করতে গতকাল সিলেট গেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  জানান, ‘দলকে সুসংহত করতেই তৃণমূলে কেন্দ্রীয় নেতাদের সফর কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

    শুধু দলকে শক্তিশালীই নয়, আগামী নির্বাচন ও চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কেন্দ্রীয় নেতারা মাঠের কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। আমাদের দাবিগুলোও জনসাধারণের মধ্যে তুলে ধরা হবে। মূলত এই সফরের মাধ্যমে বিএনপির নেতা-কর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষের আরও কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আমি আশা করছি। ’ প্রতি টিমপ্রধানকে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয় : ‘দেশব্যাপী জেলা ও মহানগর পর্যায়ে কর্মিসভা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সাংগঠনিক তত্পরতা বৃদ্ধি করার জন্য এই সভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সভা সাফল্যমণ্ডিত করতে কেন্দ্রীয় নেতাদের সমন্বয়ে সারা দেশের জেলা/মহানগরে সাংগঠনিক সফরের জন্য আপনাকে দলনেতা করে টিম গঠন করা হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে কর্মিসভা সাফল্যমণ্ডিত করতে আপনার নেতৃত্বে গঠিত টিমকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করছি। ’ জানা যায়, কেন্দ্রীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ছাড়াও বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া টিমে সংশ্লিষ্ট জেলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্য, সাবেক এমপি, বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ, পৌর মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন।

    জানা যায়, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওয়ে মিজানুর রহমান মিনু; দিনাজপুরে মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ (অব.); সৈয়দপুর ও নীলফামারীতে হারুন অর রশীদ; লালমনিরহাট, রংপুর জেলা ও মহানগরে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী; কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধায় হাবিব-উন-নবী খান সোহেল; জয়পুরহাট ও বগুড়ায় ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু; চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও কুষ্টিয়ায় সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল; নওগাঁ, রাজশাহী জেলা ও মহানগরে মির্জা আব্বাস; নাটোর ও মাগুরায় আবুল খায়ের ভূইয়া; সিরাজগঞ্জ ও পাবনায় অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন; শেরপুর, ময়মনসিংহ উত্তর ও দক্ষিণে আবদুল্লাহ আল নোমান; নেত্রকোনায় রুহুল আলম চৌধুরী; কিশোরগঞ্জে সেলিমা রহমান; মানিকগঞ্জ ও ঢাকা মহানগরীতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; মুন্সীগঞ্জ ও ঢাকা জেলায় বরকত উল্লা বুলু; গাজীপুরে জয়নুল আবদিন ফারুক; নরসিংদীতে ফজলুর রহমান; নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগরে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ; রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জে চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ; ফরিদপুরে আতাউর রহমান ঢালী; মাদারীপুর ও শরীয়তপুরে আহমেদ আজম খান; সুনামগঞ্জ ও সিলেট জেলা ও মহানগরে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়; মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে শামসুজ্জামান দুদু; কুমিল্লা জেলা উত্তর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আবদুল আউয়াল মিন্টু; মেহেরপুরে অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন (ভিপি); চুয়াডাঙ্গায় খায়রুল কবির খোকন; যশোর ও ঝিনাইদহে রুহুল কবির রিজভী; নড়াইল ও বাগেরহাটে নিতাই রায় চৌধুরী; খুলনা জেলা ও মহানগরীতে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া; সাতক্ষীরায় ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন; বরগুনায় জয়নুল আবেদীন; পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও ভোলায় মজিবর রহমান সরোয়ার; বরিশাল জেলা উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগরে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন; ঝালকাঠিতে আলতাফ হোসেন চৌধুরী; টাঙ্গাইল ও জামালপুরে আমান উল্লাহ আমান; চট্টগ্রাম মহানগর এবং জেলা দক্ষিণ ও উত্তরে নজরুল ইসলাম খান; ফেনী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগরীতে মো. শাহজাহান; কক্সবাজার ও চাঁদপুরে মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন; নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে ড. আবদুল মঈন খান; বান্দরবানে আবদুস সালাম; খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে শওকত মাহমুদ।

  • শোকের সাগরে চট্টগ্রাম

    শোকের সাগরে চট্টগ্রাম

    স্মরন কালের  বৃহৎ জানাজা শেষে চিরবিদায় নিয়েছেন চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। তার মৃত্যুতে আজ দিনভর যেন থমকে দাঁড়িয়েছিল চট্টগ্রাম। নগরীর লালদীঘি পাড়ের জানাজাকে ঘিরে দুপুরের পর থেকেই নামে লাখো মানুষের ঢল। লালদীঘির মাঠে জানাজা হওয়ার কথা থাকলেও এর আশপাশের প্রায় ১০ কিলোমিটার জুড়ে ছিল জানাজা পড়তে আসা মানুষের স্রোত।
    মহিউদ্দিনের পরিবারের স্বজনদের সমবেদনা জানাতে ছুটে এসেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারাও জানিয়েছেন গভীর সমবেদনা।
    চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও রাউজানের এমপি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম, সাদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নুরুল মোস্তফা, উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর সরওয়ার জাহান, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার এম আলী আশরাফ শোক প্রকাশ করেছেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন, চট্টগ্রাম সাংবাদিক কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটিসহ বিভিন্ন সংগঠন।
    মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে যুক্ত বিবৃতি পাঠিয়েছে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এমএ সালামসহ কার্যকরি কমিটির সকল কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ।
    এছাড়া শোক প্রকাশ করেছে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক, কেন্দ্রীয় সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, প্রফেসর এম.ডি.এম কামাল উদ্দিন, সাথী উদয় কুসুম বড়ুয়া, উত্তর জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব কাজী আবদুল্লাহ আল হাসান, ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সভাপতি মে: জে: (অব:) কে এম শফিউল্লাহ বীরউত্তম, মহাসচিব সাংবাদিক হারুন হাবীব, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক বেদারুল আলম চৌধুরী বেদার, চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম মন্টু, সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ডা. সরফরাজ খান চৌধুরী বাবুল, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট বি.কে বিশ্বাস,
    চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি মাহবুুবুল আলম, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ নুরুন নেওয়াজ সেলিম, সহ-সভাপতি  সৈয়দ জামাল আহমেদ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম বোরহান উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক  মোঃ আবু তাহের, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. শাহজাদা আলম, চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইলিয়াস, বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (বাকবিশিস) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ড. নূর মোহাম্মদ তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, বিভাগীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক উত্তম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবুল মনসুর মো: হাবিব, জেলা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রফিক উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক তড়িৎ ভট্টাচার্য, মহানগর কমিটির সভাপতি অধ্যাপক নোমান আহমাদ সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক অজিত দাশ, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ চট্টগ্রাম বিভাগ এর সভাপতি প্রফেসর ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া, সহ সভাপতি অধ্যাপক এডভোকেট সুরত জামাল, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নোমান আহমদ ছিদ্দিকী, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুরজিৎ দত্ত সৈকত, আমুস কেন্দ্রীয় সভাপতি মো: সাজ্জাদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান শাহিন প্রমুখ।

  • মহিউদ্দিন চৌধুরীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান  আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ্

    মহিউদ্দিন চৌধুরীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ্

    শেখ সুমন

    স্মরণকালের অন্যতম বৃহৎ জানাজা শেষে চিরবিদায় নিয়েছেন চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। তার মৃত্যুতে আজ দিনভর যেন থমকে দাঁড়িয়েছিল চট্টগ্রাম। নগরীর লালদীঘি পাড়ের জানাজাকে ঘিরে দুপুরের পর থেকেই নামে লাখো মানুষের ঢল। লালদীঘির মাঠে জানাজা হওয়ার কথা থাকলেও এর আশপাশের প্রায় ১০ কিলোমিটার জুড়ে ছিল জানাজা পড়তে আসা মানুষের স্রোত।
    মহিউদ্দিনের পরিবারের স্বজনদের সমবেদনা জানাতে ছুটে এসেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক চিপ হুইপ  আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ্ । দলের শীর্ষ নেতারাও জানিয়েছেন গভীর সমবেদনা।
    আরো উপস্থিত ছিলেন  চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও রাউজানের এমপি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম, সাদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নুরুল মোস্তফা, উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর সরওয়ার জাহান, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার এম আলী আশরাফ শোক প্রকাশ করেছেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন, চট্টগ্রাম সাংবাদিক কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটিসহ বিভিন্ন সংগঠন।
    মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে যুক্ত বিবৃতি পাঠিয়েছে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এমএ সালামসহ কার্যকরি কমিটির সকল কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ।
    এসময় সেরনিয়াবাদ আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ্ বলেন ,আমি আমার একজন বন্ধুকে হারালাম।আমরা একত্রে অনেক কাজ করেছি।আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করুন।