Blog

  • মুসলিমদের বুকের রক্ত ঝরলেও  জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী করা যাবেনা :- ফয়জুল করীম।

    মুসলিমদের বুকের রক্ত ঝরলেও জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী করা যাবেনা :- ফয়জুল করীম।

    শেখ সুমন

    পবিত্র শহর জেরুজালেমকে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক বিশ্ব সন্ত্রাস ইসরাইলের রাজধানী করার প্রতিবাদে আজ বিকালে বরিশাল টাউন হলের সামনে বিক্খোব সমাবেশের আয়োজন করেম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর ও জেলার যৌথ আয়োজনে সভা ও র্যালিতে প্রধান অতিথি ছিলেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম ( পিরে কামেল , চরমোনাই )।সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগরের সভাপতি মুহাম্মদ আবুল খায়ের ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন, যুব আন্দোলন, শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন সহ সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।এসময় ইসলাম প্রেমি হাজারো তাওহিদি জনতা অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশে সকল বক্তাগন তাদের বক্তৃতায় ডোনাল্ড ট্রামের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানান।তারা বলেন রক্ত দিয়ে হলেও জেরুজালেম কে বাচানো হবে।ফিলিস্থানের রাজধানী জেরুজালেম ।জেরুজালেম কখনও ইসরাইলের রাজধানী হতে পারেনা।পিরে কামেল চরমোনাই বলেন, আমরা মুসলমান ।মুসলমান বীরের জাতী।আর মুসলমান কখনও জেরুজালেম কে ইসরাইলের রাজধানী হতে দিবে না।প্রয়োজনে আমরা রক্ত দিবো।তবু জেরুজালেম কে রখ্যা করবো।তিনি আরো বলেন,জেরুজালেমের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের আরো শক্ত ভুমিকা পালন করতে হবে।আর সমগ্র মুসলিম জাতীকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।

  • মহানবী (সা.) যেসব খাবার পছন্দ করতেন

    সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) যেসব খাবার গ্রহণ করেছেন, তা ছিল সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। আজকের বিজ্ঞানের গবেষণা-এষণায় বিমূর্ত হচ্ছে রাসুল (সা.)-এর খাবারগুলোর গুণাগুণ ও মানবদেহের জন্য সেগুলোর প্রয়োজনীয়তা।

    নিম্নে সংক্ষেপে রাসুল (সা.)-এর কিছু খাবারের আলোচনা বিধৃত হলো।

    পনির : হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তাবুকের যুদ্ধে রাসুল (সা.)-এর কাছে কিছু পনির উপস্থাপন করা হয়। রাসুল (সা.) বিসমিল্লাহ পড়ে একটি চাকু দিয়ে সেগুলো কাটেন এবং কিছু আহার করেন। (আবু দাউদ : ৩৮১৯)

    মাখন : হজরত ইবনাই বিসর আল মুসলিমাইন (রা.) থেকে বর্ণিত, তাঁরা উভয়ে বলেন, ‘একবার আমাদের ঘরে রাসুল (সা.) আগমন করেন। আমরা তাঁর সম্মুখে মাখন ও খেজুর পরিবেশন করি। তিনি মাখন ও খেজুর পছন্দ করতেন। ’ (তিরমিজি : ১৮৪৩)

    মিঠাই ও মধু : হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসুল (সা.) মিষ্টান্ন ও মধু পছন্দ করতেন। ’ (বুখারি, ৫১১৫; মুসলিম, ২৬৯৫) বুখারি শরিফের আরেকটি হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘মধু হলো উত্তম ওষুধ। ’ (৫৩৫৯)

    ঘি মাখা রুটি : হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) একদিন বলেন, ‘যদি আমাদের কাছে বাদামি গমে তৈরি ও ঘিয়ে সিক্ত সাদা রুটি থাকত, তাহলে সেগুলো আহার করতাম।

    ’ আনসারি এক সাহাবি এই কথা শুনে এ ধরনের রুটি নিয়ে আসেন…। (ইবনে মাজাহ : ৩৩৪০)

    দুধ : হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘মিরাজের রাতে বায়তুল মাকদিসে আমি দুই রাকাত নামাজ পড়ে বের হলে জিবরাইল (আ.) আমার সম্মুখে শরাব ও দুধের আলাদা দুটি পাত্র রাখেন। আমি দুধের পাত্রটি নির্বাচন করি। জিবরাইল (আ.) বললেন, ‘আপনি প্রকৃত ও স্বভাবজাত জিনিস নির্বাচন করেছেন। ’ (বুখারি : ৩১৬৪, তিরমিজি, ২১৩)

    খেজুর : হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) থেকে বর্ণিত, আমি রাসুল (সা.)-কে বার্লির এক টুকরো রুটির ওপর একটি খেজুর রাখতে দেখেছি। তারপর বলেছেন, ‘এটিই সালন-মসলা। ’ (আবু দাউদ : ৩৮৩০)

    অন্য হাদিসে আছে, প্রিয় নবী (সা.) বলেছেন, ‘যে বাড়িতে খেজুর নেই, সে বাড়িতে কোনো খাবার নেই। ’ এমনকি প্রিয় নবী (সা.) সন্তান প্রসবের পর প্রসূতি মাকেও খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

    কিশমিশ : ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসুল (সা.)-এর জন্য কিশমিশ ভিজিয়ে রাখা হতো এবং তিনি সেগুলো পান করতেন। ’ (মুসলিম)

    সারিদ : ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘রাসুল (সা.)-এর কাছে রুটির সারিদ ও হায়সের সারিদ অত্যন্ত প্রিয় ছিল। ’ (আবু দাউদ : ৩৭৮৩)

    সারিদ হলো গোশতের ঝোলে ভেজানো টুকরো টুকরো রুটি দিয়ে তৈরি বিশেষ খাদ্য। আর হায়স হলো মাখন, ঘি ও খেজুর দিয়ে যৌথভাবে বানানো খাবার।

    সিরকা : হজরত জাবের (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) তাঁর পরিবারের কাছে সালন কামনা করেন। তাঁরা বলেন, আমাদের কাছে তো সিরকা ছাড়া আর কিছু নেই। মহানবী (সা.)-এর কাছে সেগুলো নিয়ে আসা হলে তিনি তা থেকে খেতে শুরু করেন। তারপর বলেন, ‘সিরকা কতই না উত্তম সালন! সিরকা কতই না উত্তম সালন!’ হজরত জাবের (রা.) বলেন, ‘সেদিন থেকে আমি সিরকা পছন্দ করতে শুরু করি। ’ (মুসলিম : ২০৫১)

    তরমুজ ও শসা : হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) তরমুজের সঙ্গে ‘রাতাব’ বা (পাকা-তাজা) খেজুর খেতেন। (বুখারি :  ৫১৩৪, তিরমিজি : ১৮৪৪)

    হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জাফর (রা.) থেকে বর্ণিত, আমি রাসুল (সা.)-কে শসার সঙ্গে ‘রাতাব’ খেতে দেখেছি। (মুসলিম : ৩৮০৬)

    খরগোশের গোশত : হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, মাররুজ জাহরান নামক স্থানে আমাদের পাশ দিয়ে একটি খরগোশ লাফিয়ে পড়ে। দৃশ্য দেখে আমাদের সঙ্গীরা খরগোশটিকে ধাওয়া করে, কিন্তু তারা সেটিকে পাকড়াও করতে না পেরে ক্লান্ত ও ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসে। তবে আমি ধাওয়া করে এর নাগাল পাই এবং ধরে হজরত আবু তালহার কাছে নিয়ে আসি। তিনি মারওয়া নামক স্থানে সেটি জবাই করেন। এরপর খরগোশটির ঊরু ও নিতম্ব আমাকে দিয়ে রাসুল (সা.)-এর কাছে পাঠান। রাসুল (সা.) সেগুলো ভক্ষণ করেন। ’ তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, রাসুল কি তা খেয়েছিলেন? তিনি বলেন, গ্রহণ করেছিলেন। (বুখারি : ২৪৩৩)

    খাসির পায়া : হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমরা ছোট খাসির পায়া রান্না করতাম। রাসুল (সা.) কোরবানির ১৫ দিন পরও সেগুলো খেতেন। ’ (বুখারি : ৫১২২)

    মোরগ : হজরত জাহদাম (রা.) থেকে বর্ণিত, একদিন আবু মুসা একটি মোরগ নিয়ে আসেন। ফলে উপস্থিত একজন গলার স্বর ভিন্ন করে আওয়াজ করল। হজরত আবু মুসা জিজ্ঞেস করলেন, কী হলো তোমার? লোকটি বলল, মোরগকে আমি বিভিন্ন খাবার খেতে দেখে আমার অপছন্দ হওয়ায় শপথ করেছি, কোনো দিন মোরগ খাব না। হজরত আবু মুসা তাকে বললেন, ‘কাছে আসো। খাওয়ায় অংশগ্রহণ করো। কারণ আমি রাসুল (সা.)-কে মোরগ খেতে দেখেছি। আর তুমি তোমার শপথ ভঙ্গের কাফফারা আদায় করে দেবে। (বুখারি :  ৫১৯৮, ৪৬৬২; মুসলিম : ১৬৪৯)

    লাউ : হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার একজন দর্জি রসুল (সা.)-কে খাবারের দাওয়াত করে। আমিও মহানবী (সা.)-এর সঙ্গে সেই খাবারে অংশগ্রহণ করি। রাসুল (সা.)-এর সামনে বার্লির রুটি এবং গোশতের টুকরা ও কদু মেশানো ঝোল পরিবেশন করে। আমি দেখেছি, রাসুল (সা.) প্লেট থেকে খুঁজে খুঁজে কদু নিয়ে খাচ্ছেন। আর আমিও সেদিন থেকে কদুর প্রতি আসক্ত হয়ে উঠি। (মুসলিম, ২০৬১; বুখারি, ৫০৬৪)

    জলপাই : রাসুল (সা.) বলেন, তোমরা জয়তুন খাও এবং জয়তুনের তেল গায়ে মাখো। কেননা এটি একটি মোবারক বৃক্ষ থেকে তৈরি। (সুনানে ইবনে মাজাহ : ১০০৩, তিরমিজি : ১৮৫১)

    সামুদ্রিক মাছ : মহানবী (সা.) সাগরের মাছ পছন্দ করতেন। এ বিষয়ে আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ (রা.)-এর একটি দীর্ঘ হাদিস আছে। হাদিসটি বুখারি (৪৩৬১) ও মুসলিম  (১৯৩৫) শরীফে বর্ণিত হয়েছে।

    বিভিন্ন বর্ণনায় রয়েছে, রাসুল (সা.) মরুভূমির এক প্রকার পাখির গোশত, মাশরুম, বার্লি, গাজর-ডুমুর, আঙুর, ভিনেগার, ডালিম ইত্যাদি পছন্দ করতেন।

  • এক নজরে মহিউদ্দিন চৌধুরীর বর্ণাঢ্য জীবন

    এক নজরে মহিউদ্দিন চৌধুরীর বর্ণাঢ্য জীবন

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা। তিনি ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দ থেকে শুরু ২০০৯ পর্যন্ত কয়েক দফায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগর ও বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সিটি মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন।

    ১৯৪৪ এর ১ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরির জন্ম। পিতার নাম মরহুম হোসেন আহমদ চৌধুরি আর মাতা মরহুম বেদৌরা বেগম। আট ভাইবোনের মাঝে মহিউদ্দিন মেজ। পিতা চাকরি করতেন আসাম বেংগল রেলওয়েতে। পিতার চাকরির সুবাদে মহিউদ্দিন পড়াশোনা করেছেন মাইজদি জেলা স্কুল, কাজেম আলি ইংলিশ হাই, আর প্রবর্তক সংঘে। স্কুল জীবনে ছাত্রলীগের সাথে জড়িয়ে পড়েন।

    স্কুল শেষে শেষে বাবার আদেশে ভর্তি হয়ে ছিলেন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এর কোর্সে। সেখানের পাট না চুকিয়ে ভর্তি হন চট্টগ্রামের অন্যতম বিদ্যাপীঠ চট্টগ্রাম কলেজে। বছর না ঘুরতেই কমার্স কলেজম, শেষ পর্যন্ত সিটি কলেজ।

    সিটি কলেজেই তার বিপ্লবী রাজনৈতীক জীবনের হাতেখড়ি। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

    জহুর আহমদ চৌধুরীর হাত দিয়ে রাজনীতি শুরু। বঙ্গবন্ধুর ডাকে আন্দোলন সংগ্রামে অংশ নিতে গিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে গ্রেফতার হন অসংখ্যবার। মুক্তিযুধ্যে অংশ নিতে গিয়ে আইএস আইয়ের চট্টগ্রাম নেভাল একাডেমি সদরদপ্তরের কাছে গ্রফতার হয়ে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হন দীর্ঘ চার মাস।

    শহিদ ভেবে বাবা ছেলের নামে দিয়ে ছিলো ফাতেহা। এরই মাঝে একদিন মানসিক রোগীর নাটক করে চট্টগ্রাম কারাগার থেকে পালিয়ে বেরোন মহিউদ্দিন। পাড়ুই জমান ভারতে। সেখানে সশস্ত্র প্রশিক্ষন শেষে সক্রিয়ভাবে সম্মুখসমরে অংশ নেন। ছিলেন ভারত-বাংলা যৌথবাহিনীর মাউন্টেন ডিভিশনের অধীনে।

    বঙ্গবন্ধুর খুবই কাছের আর আদরের ছাত্রনেতা ছিলেন মহিউদ্দীন। কিন্তু তৎকালিন সময়ে প্রবল ক্ষমতাশালী হয়েও ক্ষমতার মোহ স্পর্শ করেনি তাকে।

    কিছুদিন না যেতেই ষড়যন্ত্রকারীদের হাতে নিহত হন বঙ্গবন্ধু। অল্পের জন্য মহিউদ্দিন ধরা পরা থেকে বেঁচে যান, মৃত্যু বরণ করেন সাথী মৌলভি সৈয়দ। পালিয়ে গিয়ে ভারতে প্রতিবিপ্লবীদের সাথে যোগ দেন। লক্ষ্য সামরিক জান্তা, খুনি মোশতাককে সামরিকভাবেই পরাস্ত করা। কিছুদিন পরেই দলের নির্দেশে পন্থা পরিবর্তন করে আবার সক্রিয় হন প্রকাশ্য রাজনীতিতে।

    দেশে এসেই নির্যাতন, আর একের পর এক কারাভোগ। তখন স্বৈরাচার জিয়া ক্ষমতায়। মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর জিয়ার দমন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে গোপন ষড়যন্ত্রের ভুমিকা, প্রতিবাদী করে তোলে মহিউদ্দিনকে। দলের নির্দেশে চলে বৈপ্লবীক প্রতিবাদ আর প্রতিরোধ। তরুণ ছাত্রনেতা মহিউদ্দিনের জুজুতে সরকারের কর্তা ব্যক্তিরা তটস্থ।

    মাঝে আওয়ামী লীগের ভেতরেই ষড়যন্ত্রকারীরা তৎপর হয়ে উঠলো। বঙ্গবন্ধু কন্যা আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভুমিকাকে নগণ্য করতে তাকে ঠেকাতে শত্রুরা উঠেপরে বসলো। অদম্য সাহসী মহিউদ্দীন চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় গিয়ে দলবল নিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যার জন্য ঝাপিয়ে পরলেন। সব বাধা অতিক্রম করে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে দলের কাণ্ডারির দায়ীত্ব নিতে সহয়তা করলেন।

    স্বৈরাচারি সামরিক জান্তা এরশাদের শাসনামলে চট্টগ্রামে স্বয়ং জান্তা প্রধানকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে চক্ষুশূল হন সরকারের। ফলে আবারও রাজনৈতিক বন্দি। ততদিনে চট্টগ্রামের আপামর জনতার নয়নমনি হয়ে উঠেন মহিউদ্দীন চৌধুরী।

    একানব্বইয়ের ঘুর্ণিঝড়ে দুস্হ জনতার পাশে দাঁড়িয়ে, অসহযোগ আন্দোলনে খালেদার সরকারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে, গরিব-দুঃখি-শ্রমিকের অধিকারের কথা বলে মহিরুহে পরিনত হন আজকের মহিউদ্দীন।

    ওয়ান ইলেভেনের শাসনামলে জেলে যান। ষাটোর্ধ বয়সে কারান্তরিন ছিলেন দীর্ঘ দুই বছর। এরমধ্যেই নির্মম ভাবে ইন্তেকাল করেন আদরের মেয়ে ফওজিয়া সুলতানা টুম্পা। নানান টালবাহানা করে টুম্পাকে মৃত্যু অবধারিত জেনেও দেখতে দেয়নি অনির্বাচিত সরকার নামক ভদ্রবেশি আরেক নব্য সামরিক জান্তা। শতচেষ্টা আর মানসিক নির্যাতন করেও টলাতে পারে নি সরকার মহিউদ্দীনকে একটুও।

    তিনি ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন।

    ২০০৫ সালের মেয়র নির্বাচনে তিনি ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন মন্ত্রীকে পরাজিত করে তৃতীয়বারের মতো চট্টগ্রামের মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। পাশাপাশি প্রতিপক্ষের তুলনায় ভোটের ব্যবধানও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়।

  • যেসব বলিউড তারকাদের নেশা ছাড়া চলে না!

    যেসব বলিউড তারকাদের নেশা ছাড়া চলে না!

    বলিউড যতটা ঝকঝকে ততটাই পর্দার অন্যদিকে ছেয়ে রয়েছে অন্ধকার। যতটা এখানে ফ্ল্যাশবাল্বের আলো ঝলকায় ততটাই গভীর অবসাদের কালো মেঘ।

    কেউ অবসাদে, কেউ বা নিজের শখে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে নেশা করেন, কেউ বা কাজের চাপ থেকে মুক্তি পেতে এই কাজ করেন। জেনে নেওয়া যাক বেশ কিছু বলিউড তারকাদের কথা যাঁরা নেশা ছা়ড়া থাকতে পারেন না।

    ধর্মেন্দ্র
    স্বর্ণযুগের অভিনেতা ধর্মেন্দ্রও পার্টিতে মদ্যপানের বিষয়ে পিছিয়ে থাকেন না। তিনি নিজেই একটি ইন্টারভিউতে জানিয়েছেন ১৫ বছর বয়স থেকে তিনি মদ্যপান করেন। আর তার ফল এই বৃদ্ধ বয়সে তিনি পাচ্ছেন।

    অমিশা প্যটেল
    বলিউড পার্টিতে মদের বন্যা এমনিতেই বয়ে যায়। আর সেই ফোয়ারায় গা ভাসিয়েছেন বহু সেলেব্রিটিই। এরকমই একজন বলি অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেল।

    ঋষি কাপুর
    কাপুর পরিবারে ঋষি কাপুর এমন এক সদস্য যাঁর মদ্যপান ছাড়া একটি দিনও কাটে না।

    এমনই তথ্য জানিয়েছে সূত্র। বহু জায়গায় তাঁকে প্রকাশ্য়ে মদ্যপান করতে দেখা গেছে। জানা যায়, ঋষি কাপুরের মদের নেশার জন্য একবার থানা পুলিশ করতে হয় নীতু সিংকে।

    মণীষা কৈরালা
    এককালে তাঁর মিষ্টতাতেই মাত হয়েছিলেন বহু পুরুষ। কিন্তু মনীষা কৈরালার জীবনে একটা সময় বাসা বাঁধে অবসাদ। আর তার জেরেই তিনি প্রবল ভাবে ধূমপানের নেশায় ডুবে যান। যদিও পরে এই নেশা থেকে নিজেকে মুক্তি করেছেন তিনি।

    অর্জুন রামপাল
    বলি পাড়ায় কান পাতলেই শোনা যায়, অর্জুন রামপালের নেশার কথা। যেকোনও পার্টিতে তাঁর মদ্যপানের মাত্রা কত পর্যন্ত যায় তা বলিউডের সঙ্গে জড়িত সবারই জানা।

    রণবীর কাপুর
    শুধু ঋষি কাপুর নয়, তাঁর ছেলে রণবীরও মদ্যপানের বিষয়ে বেশ নাম করেছেন বলিউড চত্বরে। তবে কোনও দিনও মদ্যপান করে রণবীরকে কোনও অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটাতে শোনা যায়নি।

    সলমান খান
    মদ্যপানের বিষয়ে কতবার বিতর্কে পড়েছেন তা গুণে বলা কঠিন। অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাইকে মারধোর থেকে হিট অ্যান্ড রান -মামলার অভিযোগ, সব মিলিয়ে মদ্যপান করে সালমান বহু ঝড়ধঝাপ্টায় পড়েছেন।

    শাহরুখ খান

    খান মদ্যপানের জন্য় নয়, বরং ধুমপানের জন্য ইন্ডাস্ট্রিতে বেশি পরিচিত শাহরুখের। তিনি চেন স্মোকার হিসাবে এমনিতেই পরিচিত। তার ওপর যোগ হয়েছে তাঁর টানা ২০ ঘণ্টার কাজের চাপ। সব মিলিয়ে শাহরুখকে প্রচুর ছবিতেই ধূমপান করতে দেখা।

  • ভিডিও টেকনোলজি নিয়ে বিরক্ত রিয়াল মাদ্রিদ

    ভিডিও টেকনোলজি নিয়ে বিরক্ত রিয়াল মাদ্রিদ

    ক্লাব বিশ্বকাপ ফুটবলের সেমিফাইনালে আল জাজিরার বিপক্ষে প্রথমার্ধেই গোল করেছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের মিডফিল্ডার কাসেমিরো। তবে ওই গোল নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। ফলে গোললাইন টেকনোলজি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) দ্বারস্থ হতে হয়। ভিএআরের সিদ্ধান্তে শেষ পর্যন্ত গোলটি বাতিলই ঘোষণা করে দেন রেফারি। তার আগে করিম বেনজেমার একটি হেড বারের ভেতর থেকে ফিরে এলেও রেফারি সান্দ্রো রিচ্চি গোলের সিদ্ধান্ত দেননি।

    শুরুতে কাসেমিরোর গোলও বাতিল করে দেন রেফারি। এ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলতে থাকে। শেষ পর্যন্ত গোলের সিদ্ধান্ত জানার জন্য ভিএআরের দ্বারস্থ হওয়ার পরও গোল পেলো না রিয়াল মাদ্রিদ। বল পোস্টের ভেতর থেকে ফিরে আসার পরও গোল দিলেন না রেফারি।

    ভিএআরের এমন গলদের ওপর পুরো সিস্টেমটার ওপরই বিরক্তি ধরে গেছে রিয়াল মাদ্রিদের। ভিডিও টেকনোলজির মাধ্যমে গোলের সিদ্ধান্ত নেয়ার বিষয়টিকে এখন আর মেনে নিতে পারছে না বিশ্বের অন্যতম সেরা এই ক্লাবটি। রিয়ালের অন্যতম সেরা ফুটবলার, দীর্ঘদিন ইনজুরিতে থাকার পর আল জাজিরার বিপক্ষে ফিরেই গোল করে রিয়ালকে জিতিয়েছেন গ্যারেথ বেল। তিনি বলেন, ‘ভিএআর ছাড়াই ফুটবল সুন্দর।’

    ভিডিও টেনকোলজির বিপক্ষেই বলতে গেলে পুরোপুরি অবস্থান নিয়ে ফেলেছেন এখন গ্যারেথ বেল। তিনি সরাসরি বলেন, ‘আমি এই সিস্টেম পছন্দ করি না। আমি মনে করি, ফুটবল ভিএআর ছাড়াই সুন্দর।’

    ভিডিও টেকনোলজির বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন যার গোল বাতিল করা হয়েছে, সেই কাসেমিরোও। এর বিপক্ষে কথা বলেছেন রিয়ালের আরেক মিডফিল্ডার লুকা মডরিচ। তিনিও জানিয়েছেন ভিএআর সিস্টেমকে পছন্দ করেন না। তিনি বলেন, ‘ভিএআর সিস্টেম নিয়ে এখনও অনেক সন্দেহ-সংশয় রয়েছে। এ কারণেই আমি একে পছন্দ করি না।’

    রিয়ালের কোচ জিদানও বলেছেন, ‘ভিএআর সিস্টেম নিয়ে মোটেও আমি খুশি নই। চার মিনিটের ওই ঘটনা মোটেও ভালোভাবে বিশ্লেষণ করা হয়নি।’

  • আফ্রিদির হ্যাটট্রিকে তামিমদের জয়

    আফ্রিদির হ্যাটট্রিকে তামিমদের জয়

    বিপিএলে উইকেট নিয়ে সমালোচনা করায় বিসিবির শুনানির কারণে আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত টি-টেন লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারেননি তামিম। তবে আফ্রিদির হ্যাটট্রিকে আসরের দ্বিতীয় ম্যাচে মারাঠা অ্যারাবিয়ান্সকে ২৫ রানে হারিয়েছে তামিমের পাখতুন্স।

    টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ১০ ওভারে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে ১২১ রানের বড় সংগ্রহ করে পাখতুন্স। দলের পক্ষে ২২ বলে ৪৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ফখর জামান। ২৩ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলে লিয়াম ডসন। মারাঠা অ্যারাবিয়ান্সর পক্ষে ইমাদ ওয়াসিম শিকার করেন দুটি উইকেট।

    জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই উইকেট খুইয়ে খেই হারিয়ে ফেলে মারাঠা অ্যারাবিয়ান্স। পাখতুন্সের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে দলটি। দলের পক্ষে কেবল অ্যালেক্স হেলস ২৬ বলে করেন ৫৭ রান। পাখতুন্সের পক্ষে হ্যাটট্রিক করেন শহীদ আফ্রিদি। এছাড়া মোহাম্মদ ইরফান ও সোহেল খান একটি করে উইকেট লাভ করেন।

  • আগামী বিপিএলে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ হচ্ছেন তামিম!

    আগামী বিপিএলে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ হচ্ছেন তামিম!

    সকালে বিসিবিতে এসেছিলেন ডিসিপ্লিনারি কমিটির ডাকে। সেখানে বোর্ডের ডিসিপ্লিনারি কমিটির মুখোমুখি হবার আগে খানিক দুশ্চিন্তা ছিল। এমনও রটে গিয়েছিল, শারজায় ‘টি টেন’ টুর্নামেন্ট খেলা নাও হতে পারে। বিপিএল চলাকালীন শেরে বাংলার উইকেট নিয়ে সমালোচনা করে হয়ত সাময়িক নিষেধাজ্ঞার মুখেও পড়তে পারেন জাতীয় দলের ওপেনার তামিম ইকবাল।

    তবে সে সব কিছুই হয়নি। আপাতত কোন নিষেধাজ্ঞার খাঁড়ায় পড়েননি তামিম। এক ঘণ্টার একটু বেশি সময় বিসিবির ডিসিপ্লিনারি কমিটির সাথে কথা বলে হাসি মুখেই বেরিয়ে যান মিরপুর বিসিবি অফিস থেকে।

    বিসিবি ছাড়ার আগে তার শরীরি অভিব্যক্তি আর কথা-বার্তায় মনে হয়েছে মনের ভিতরে যে খানিক দুশ্চিন্তা বাসা বেঁধেছিল, তা দুর হয়ে গেছে। তাই তো উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আলাপে বলে যান, ‘সবাই জানেন যে, উইকেট এবং আউটফিল্ড নিয়ে একটা কমেন্টের ব্যাপারে আমাকে ডাকা হয়েছিল। উনারা (বিসিবি ডিসিপ্লিনারি কমিটি) উনাদের কনসার্ন আমাকে জানিয়েছেন। আমিও স্বীকার করেছি যে, হয়তো আরেকটু ভালো কোন শব্দ ব্যবহার করতে পারতাম। হয়তো খুব ভালোভাবে কথাটা বলতে পারিনি। উনাদেরকে এটাই বলেছি। আর উনারাও ব্যাপারটাকে বেশ ভালোভাবেই নিয়েছেন। আমি বাংলাদেশের হয়ে খেলি। বিসিবি আমার অভিভাবকের মতো। এই মাঠ, উইকেট বা আউটফিল্ড সবই আমাদের নিজেদের সম্পদ। তাই আমার মনে হয় যে আমি অন্য কোন শব্দ ব্যবহার করতে পারতাম। ভবিষ্যতে আমি এটা নিয়ে সতর্ক থাকবো।’

    এটুকু বলার পাশাপাশি তামিম আরও কিছু কথা বলেন। জানিয়ে যান, ‘আমি আজ (বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার ফ্লাইটে দুবাই যাচ্ছি। আমার এনওসি নিয়ে তারা (ডিসিপ্লিনারি কমিটির লোকজন) কোন কথা বলেননি। আমাকে টুর্নামেন্টের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। ২৭ তারিখ থেকে সম্ভবত জাতীয় দলের অনুশীলন শুরু হচ্ছে। ইনশাল্লাহ সেদিন থেকে আমি অনুশীলনে যোগ দিতে পারবো।’

    এতেই পরিষ্কার হয়েছে আপাততঃ কোন শাস্তির খাঁড়ায় ঝুলতে হচ্ছে না তামিমকে। এদিকে আজ সন্ধ্যা ছয়টার ফ্লাইটে দেশের এক নম্বর ওপেনার আরব আমিরাতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন। ঘণ্টা চারেকের মধ্যে তিনি পৌছেও যাবেন। ওই আসরে পাক টন্স দলের হয়ে খেলবেন তামিম।

    তামিম খুশি মনে চলে গেছেন টি-টেন খেলতে। এও জানিয়ে গেছেন, টি-টেন টুর্নামেন্ট খেলে ২৭ ডিসেম্বর থেকে জাতীয় দলের যে ক্যাম্প শুরু হবে, তাতে অংশ নেবেন।

    তবে কি বিসিবি ডিসিপ্লিনারি কমিটি তামিম ইকবালের কথা বার্তা, তার আচরণ ও ব্যাখ্যায় পুরোপুরি সন্তুষ্ট? তার কোন শাস্তিই হবে না? ডিসিপ্লিনারি কমিটির চোখে কি তাহলে তামিম নির্দোষ?

    ওপরের অংশ পড়ে এমন মনে হতেই পারে; কিন্তু ব্যাপারটা আসলে তা নয়। ভিতরের খবর ভিন্ন। ভিতরের খবর হলো, তামিমকে শাস্তির মুখে পড়তেই হবে। অর্থ দÐের পাশাপাশি তার ওপর ম্যাচ সাসপেন্সনের খাঁড়াও নেমে আসতে পারে।

    তামিম যদিও স্বীকার করেছেন, তিনি কথাটা আরও অন্যভাবে উপস্থাপন করতে পারতেন। তাতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নয় ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন কমিটি। বিসিবির তিন শীর্ষ কর্মকর্তা মাহবুব আনাম, জালাল ইউনুস আর শেখ সোহেলের গড়া ওই কমিটি তামিমের সাথে কথা বলে বিসিবি সভাপতির কাছে একটা সুপারিশ পেশ করবেন।

    সে সুপারিশেই নাকি অর্থ দÐের পাশাপাশি ম্যাচ সাসপেন্সনের কথাও উল্লেখ থাকবে। এক অতি নির্ভরযোগ্য সূত্র জাগো নিউজকে জানিয়েছে, ‘তামিমের দু’ধরনের শাস্তির সম্ভাবনা খুব বেশি। প্রথমতঃ তার অর্থ দÐ হতে পারে। পাশাপাশি তাকে আগামী বছর বিপিএলের অন্তত দুই ম্যাচ সাসপেন্ড করা হতে পারে। সে সংখ্যা বেড়ে তিনে দাঁড়ালেও অবাক হবার কিছু থাকবে না।’

    এ বিষয়ে বোর্ড পরিচালক ও ডিসিপ্লিনারি কমিটির দুই অন্যতশ শীর্ষ সদস্য মাহবুব আনাম ও জালাল ইউনুস আনুষ্ঠানিকভাবে কোনরকম মন্তব্য করতে রাজি হননি। দু’জনই জাগো নিউজকে জানান, ‘বিষয়টি একটু স্পর্শকাতর। এটা নিয়ে কোন আনুষ্ঠানিক মন্তব্য না করাই ভাল। ডিসিপ্লিনারি কমিটি তামিমের সাথে কথা বলেছে। তার ব্যাখ্যা শুনেছে। এখন সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

    মাহবুব আনাম সরাসরি কোন মন্তব্য করতে না চাইলেও আকার-ইঙ্গিতে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, ‘বিপিএল চলাকালীন হোম অব ক্রিকেটের পিচ-আউটফিল্ডের সমালোচনা করে তামিম যে মন্তব্য করেছেন, তা বোর্ডের সঙ্গে তার চুক্তির বরখেলাপের আওতায় পড়ে।’

    তার মানে তামিমের মন্তব্যটা শৃঙ্খলা ভঙ্গের সামিল। এসব ক্ষেত্রে বোর্ডের নীতিমালা আছে। সেটারও স্তর আছে। সর্বনি¤œ অপরাধে শুধুই সতর্ক করে দেয়া হয়। তারচেয়ে বড় হলে অর্থদÐ। আর বেশি তথা শৃঙ্খলা ভঙ্গের মত ঘটনা ঘটলে ম্যাচ সাসপেন্ড করার নিয়মও আছে। এটুকু বলে থামেন মাহবুব আনাম।

    তার কথায় একটা বড় ধরনের ইঙ্গিত আছে। অবস্থাদৃষ্টে পরিষ্কার মনে হচ্ছে আগামী বছর বিপিএলে প্রথম দুই তিন ম্যাচ সাসপেন্ড করা হতে পারে তামিম ইকবালকে

  • বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রসিক নির্বাচনে ব্যবহার হবে ইভিএম

    বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রসিক নির্বাচনে ব্যবহার হবে ইভিএম

    বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো রংপুর সিটি কর্পোরেশন (রসিক) নির্বাচনে নতুন ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহার হতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বৃহস্পতিবার বিকেলে রংপুর বেগম রোকেয়া কলেজ কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দেওয়ার প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন।
    তিনি বলেন, রংপুরে পরীক্ষামূলকভাবে একটি কেন্দ্রে ইভিএম চালুর পর এটির সফলতার উপর নির্ভর করবে পরবর্তীতে এটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ অন্যান্য নির্বাচনে এই পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করা হবে কিনা। রংপুরে একটি মডেল নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন সবদিক থেকে ব্যবস্থা নিয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে আগামী ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভোটারদেরকে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
    এদিকে রসিক নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী কাওসার জামান বাবলার মনোনয়ন বাতিল চেয়ে সোনালী ব্যাংকের দায়ের করা রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন হাইকোর্ট। দুপুরে রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের হাইকোর্টে বেঞ্চ তা কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আদেশ দেন। এর ফলে কাওসার জামান বাবলার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আর কোনও বাধা থাকল না। আদালতে বিএনপির মেয়র প্রার্থীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শশাঙ্ক শেখর সরকার। এই রায়ের পর থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে খুব জোরেসোরেই নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন মেয়র প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা। সন্ধ্যায় সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী পথসভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল অভিযোগ করে বলেন, রসিক নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থীদের যেকোন একজনকে বিজয়ী করার জন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হওয়া নিয়ে সন্দেহ বাড়ছে। এটি নির্বাচন কমিশনের জন্য এসিড টেস্ট।
    ইভিএম সম্পর্কে বিএনপির মেয়র প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা বলেন, ভোটাররা ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ সম্পর্কে সচেতন নয়। তাই এই পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণে কারচুপির আশংকা থাকে।
    আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা সংসদ সদস্য খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, রংপুরের নির্বাচনে সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আমলে কোথাও ভোটে কারচুপি করা হয়নি। রংপুরের ভোটেও কোন হস্তক্ষেপ করা হবে না। প্রভাবমুক্ত নির্বাচন করার জন্য সরকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
    বিএনপি নেতা সোহেলের ‘রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থীদের যে কোন একজনকে বিজয়ী করার জন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে’ বক্তব্য প্রসঙ্গে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকার ষড়যন্ত্রের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। বরং বিএনপি ষড়যন্ত্রের রাজনীতিতে পরিপক্ক। ২১ ডিসেম্বর রসিক নির্বাচনে তা পরিষ্কার হবে। এই নির্বাচনে যিনি মেয়র হবেন তিনি জনগণের ভোটেই নির্বাচিত হবেন। কোন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে কাউকে জয়ী করা হবে না।
    আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ইমরান হোসেন এবং সদস্য ডা. মাহফুজুর রহমান উজ্জ্বল এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইনের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের কেন্দ্রীয় নেতারা রংপুরে এসে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টুর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। রবিবার যুবলীগের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশীদের নেতৃত্বে ৩০-৩৫ সদস্যের একটি দল রংপুরে আসবেন।
    এদিকে রসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির (জাপা) ৩ মেয়র প্রার্থী একে অপরের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন, কালো টাকার ছড়াছড়ি ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছেন।
    রিটার্নিং ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নির্বাচনে পক্ষপাতিত্বের কোন প্রশ্নই উঠে না। কালো টাকার ছড়াছড়ির ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
  • ওআইসির সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান নেতানিয়াহুর

    ওআইসির সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান নেতানিয়াহুর

    পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে ওআইসির ঘোষণাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। নেতানিয়াহু বলেন, ওআইসি’র বিবৃতি আমাদের খুশি করতে পারেনি, সত্যের জয় হবেই। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র এখনো শান্তি প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতা করতে চায়। খবর আল জাজিরা’র
    নেতানিয়াহু গতকাল বৃহস্পতিবার এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, একটা সময় সবাই জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী স্বীকৃতি দেবেন। সব দেশই তাদের দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর করবেন। তিনি বলেন, জেরুজালেম কেবল ইসরাইলের রাজধানীই হবে না। আমরা সেখানে সব ধর্মের প্রার্থনার ব্যবস্থা করবো। তার মতে, ফিলিস্তিনের উচিত বাস্তবতা মেনে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তকে স্বীকৃতি দেওয়া। চরমপন্থার দিকে না গিয়ে ফিলিস্তিনিদের শান্তির দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
    বুধবার মুসলিম দেশগুলোর সবচেয়ে বড় সংস্থা অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) এক বিবৃতিতে পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেয় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও স্বীকৃতি দেওয়ার আহবান জানায়।
    হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এখনো ফিলিস্তিন-ইসরাইল শান্তি প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতা করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘বরাবরের মতোই এখনো শান্তির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’ বলে দাবি করেছেন ওই কর্মকর্তা।
    এর আগে গত ৬ ডিসেম্বর জেরুজালেমকে ইসরাইলি রাজধানীর স্বীকৃতি দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এরপর মুসলিম বিশ্বসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ-সমাবেশ চলছে। এতে প্রায় দুই হাজার মানুষ আহত হয়েছে।
  • মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

    মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

    মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী- এর মৃত্যুতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
    চট্টগ্রামের মাটি ও মানুষের এই নেতার মৃত্যুতে এক শোক বিবৃতিতে শেখ হাসিনা বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরী দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রগণ্য ভূমিকা রাখেন। তিনি বহুবার কারাবরণ করেছেন ও নির্যাতন সহ্য করেছেন কিন্তু কখনও মাথানত করেননি। চট্টগ্রামের মানুষের উন্নয়ন ও কল্যাণে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
    তিনি আরো বলেন, গণমানুষের অন্তরে এই বর্ষীয়ান জননেতা চিরদিন বেঁচে থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।