Blog
-

কোটি টাকা কেন ক্ষতিপূরণ প্রদান নয়: হাইকোর্ট
রাজধানীর জিগাতলায় খোলা বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন থেকে পাখি ধরতে গিয়ে ৭ বছরের শিশু রাফসানের বিদ্যুত্স্পৃষ্টের ঘটনায় কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান প্রশ্নে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। রুলে ওই ঘটনার জন্য আবেদনকারীকে কেন এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে উক্ত এলাকায় খোলা বৈদ্যুতিক তার নিরাপদ করার ব্যবস্থা গ্রহণে ডিপিডিসিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।পাশাপাশি শিশুর চিকিত্সা রাষ্ট্রীয় খরচে করতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন।আইনজীবীরা জানান, জিগাতলায় চার তলায় বারান্দায় শিশুটি খেলা করছিল। এসময় পাশে থাকা বিদ্যুতের খোলা লাইনে একটি পাখি বসে। সেটি ধরতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ে সাত বছরের শিশু রাফসান নূর। এ ঘটনায় শিশুটির মুখমণ্ডলসহ শরীরের ২০ শতাংশ পুড়ে যায়। আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী অমিদ দাস গুপ্ত। -

চলে গেলেন এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর আর নেই (ইন্নালিল্লাহি….. রাজিউন)। শুক্রবার ভোর রাত ৩টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর মেহেদিবাগে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী খোকা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত রোগে ভুগছিলেন।এর আগে বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে চট্টগ্রামে ফেরার দুদিনের মাথায় শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি হলে বৃহস্পতিবার মহিউদ্দিন চৌধুরীকে ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।মহিউদ্দীন চৌধুরী ১৯৪৪ সালের ১ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। ২০০৫ সালের মেয়র নির্বাচনে তিনি তৃতীয়বারের মতো চট্টগ্রামের মেয়র নির্বাচিত হন। মৃত্যুর আগে তিনি চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। -

ভয়াবহ আগুনে জ্বলছে নলছিটি খাসমহল
কাজী সাইফুল :
ভয়াবহ আগুনে জ্বলছে বরিশালের নলছিটি খাসমহল পুকুরের পাড়। পুকুরের পাড়ের প্রায় ত্রিশটি ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই। ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিটকাজ করছে আগুন নিভাতে। প্রথম ইউনিট এর চেষ্টায় দক্ষিণ পাশের ঘরগুলো রক্ষা পেয়েছে। পরবর্তীতে আরও একাধিক ইউনিট এর প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে পুড়ে যাওয়া ঘরগুলো টিনের ঘর হওয়ায় তেমন কোনও মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। কোনও মালামাল যেন লুঠপাট না হতে পারে সেজন্য পুলিশের বেশ কড়া নজরদারি করতে দেখা গেছে। আগুন নেভাতে আন্তরিকতার কমতি ছিলনা এলাকার তরুণদের। ইতিমধ্যে রাত ৭.৩০ মিনিটে সরেজমিনে পরিদর্শন করছেন নলছিটি উপজেলার মাননীয় ইউএনও মহোদয়।আগুন লাগার প্রকৃত কারন এখনও যানা যায়নি।
বিস্তারিত আসছে:::::
-

বরিশাল নগরীতে স্কুল ছাত্র আবু সালেহ হত্যা মামলার বিচার দাবিতে মানববন্ধন
হুজাইফা রহমান:
বরিশাল নগরের নূরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সালেহ’র হত্যাকারীদের বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছে নূরিয়া স্কুলের ছাত্র, শিক্ষক, সহপাঠী, বন্ধু ও স্বজনরা। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১ টায় নূরিয়া স্কুলের সম্মুখে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন নূরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, প্রধান সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন, শিক্ষক জাকির হোসেন, শিক্ষক মোঃ শাহাবুদ্দিন, শিক্ষক অপূর্ব হালদার, শিক্ষক আব্দুস সালাম, ছাত্র ফেডারেশন বরিশাল জেলা শাখার আহবায়ক আহমেদ নবীন, সাংবাদিক এমআর মন্টু ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হুজাইফা রহমান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আবু সালেহ’র পিতা লিটন মৃধা, আত্মীয় মোঃ সাইফুল, মোঃ ইমরান, হাসান হোসেন সহ আরো অনেকে। আরো উপস্থিত ছিলেন আবু সালেহ’র বন্ধু, ফয়সাল হোসেন, পলাশ চন্দ্র পাইক, ইমরান খান, মোঃ ওপি ও সহপাঠী তাজ ইসলাম সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও নূরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সেখানে দুই শতাধিক লোকের উপস্থিতে সকলে আবু সালেহ’র হত্যাকারী হৃদয়-সহ সকল ইন্ধনদাতাদের ফাঁসির দাবি জানায়।
উল্লেখ্য, রোববার রাতে রুপাতলীর শেরে-ই বাংলা রোডের একটি বন্ধ চায়ের দোকানের সামনে এসএসসি পরীক্ষার্থী আবু সালেহ’র ওপর হামলা চালায় একই এলাকার কলেজ ছাত্র হৃদয়। পরে সালেহকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন। নিহত আবু সালেহ নগরের রুপাতলী এলাকার শেরে-ই বাংলা সড়কের মৃধা বাড়ির লিটন মৃধার ছেলে।
-

বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ বরিশাল মহানগর এর শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উদযাপন
শেখ সুমন :
আজ ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস ।বাঙালি জাতি স্মরন করছে আজকের এই দিনটি। বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ বরিশাল মহানগর আজকের এই দিনটি উদযাপন করে।সকাল ৭টার সময় বরিশাল জেলা প্রশাসন কারযালয়ের সামনে শহীদ বুদ্ধিজীবিদের প্রতিকৃতিতে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধান্জলী অর্পন করেন ।এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ বরিশাল মহানগর এর সভাপতি মুহা: পলাশ চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল মঈন সহ অন্যান্য নেতাকর্মিরা ।
এসময় তারা শহীদ বুদ্ধিজীবিদের স্মরন করেন এবং তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন।এসময় বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ বরিশাল মহানগর এর সভাপতি মুহা: পলাশ চৌধুরী বলেন শহীদ বুদ্ধিজীবি গন ছিলেন বাংলাদেশের তারকা। তারা জিবীত থাকলে বাংলাদেশ আজ আরো অগ্রসর হতো ।
জিবীত সকল রাজাকারদের অতি দ্রুত শ্বাস্তির আওতায় আনা হবে বলে সকলে দৃর বিশ্বাস করেন ।
-

স্বামীকে খুনের পর প্রেমিককে কসমেটিক সার্জারিতে ‘স্বামী’ বানানোর চেষ্টা!
স্বামীকে হত্যার পর প্রেমিককে কসমেটিক সার্জারি করিয়ে তার জায়গায় বসাতে গিয়ে ধরা পড়েছেন ভারতের এক নারী। ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় তেলেঙ্গনা রাজ্যে সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশের বরাত দিয়ে এতে বলা হয়, অস্ত্রোপচারের পর স্বামীর চেহারা বদলে গেছে- একথা পরিবারের সদস্যদের বোঝাতে পরিকল্পিতভাবে প্রেমিক যুবকের মুখে এসিড নিক্ষেপ করা হয়।
চিকিৎসার পর দুজনে এসে একথা বললে গল্পটি বিশ্বাস করেন ওই নারীর স্বামীর বাবা-মা, হাসপাতালের বিলও পরিশোধ করেন তারা।
এক পর্যায়ে নিহতের ভাই ওই হাসপাতালে গেলে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হয় তার। পুলিশে অভিযোগ করেন তিনি। এরপর পুলিশ আঙুলের ছাপ নিয়ে পরীক্ষা করলে বেরিয়ে আসে আসল কাহিনী।
এ ঘটনায় ওই নারী ও তার প্রেমিকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহতের ভাই।
আসামি স্বাতী রেড্ডি ও তার প্রেমিক রাজেশ আজাকোলুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসি লিখেছে, দুজনে মিলে স্বামী সুধাকর রেড্ডিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন স্বাতী। ২৬ নভেম্বর রাতে তাকে হত্যা করা হয়।
তবে মরদেহ এখনও পাওয়া যায়নি।
হত্যাকাণ্ডের দুদিন পর ২৮ নভেম্বর হাসপাতালে ভর্তি হন রাজেশ। একই দিন স্বামীর ওপর ‘এসিড হামলার’ কথা তার স্বজনদের জানান স্বাতী।
এই কথা বিশ্বাস করে সুধাকরের বাবা-মা প্রায় পাঁচ লাখ রুপি হাসপাতালের বিল পরিশোধ করেন। তাদের আরেক ছেলে ৯ ডিসেম্বর পুলিশের অভিযোগ করার আগে সব কিছু পরিকল্পনা মতো চলছিল স্বাতী-রাজেশের।
সূত্র : বিবিসি
-

রাখাইনের সামরিক তথ্য সংগ্রহ : রয়টার্সের দুই সাংবাদিক গ্রেপ্তার
মিয়ানমারে রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সরকারের এক মুখপাত্র। তাদের কাছ থেকে রাখাইন রাজ্যে মোতায়েন মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তথ্য ও মানচিত্র পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।
দুই সাংবাদিকের একজনের নাম কো ওয়া লোন এবং অপরজন কায়াও সোয়ে ও। ইয়াঙ্গনের উপকন্ঠে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাদেরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশী হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় পত্রিকা ফ্রন্টিয়ার মিয়ানমার জানিয়েছে, দুই সাংবাদিকের কাছে সামরিক প্রতিবেদন এবং উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের একটি মানচিত্র পাওয়ার পর তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তাদের সঙ্গে একজন পুলিশ কর্মকর্তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সরকারের মুখপাত্র জ হাতায়।
ইয়াঙ্গনের মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, “গতরাতে দুই সাংবাদিককে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করতে বলার পর তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। ”
২০১৬ সালে রয়টার্সে যোগ দেওয়া সাংবাদিক ওয়া লোন রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটসহ আরও বিভিন্ন ধরনের সংবাদ প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। অন্যদিকে, কায়াও সোয়েও গত সেপ্টেম্বর থেকে রয়টার্সের প্রতিবেদক হিসাবে কাজ করছেন।
মিয়ানমার দিন দিনই সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর খড়গহস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী নিয়ে কোনও সংবাদ, প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে মিয়ানমার।
স্থানীয় কয়েকটি খবরে বলা হচ্ছে, দুই সাংবাদিককে ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’ এর আওতায় আটক করা হয়েছে। তাদের ১৪ বছরের জেল হতে পারে বলে জানিয়েছেন এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এক আইনজীবী।
সূত্র : গার্ডিয়ান ও রয়টার্স
-

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে লড়াই করছি : ফখরুল
বা:মু:প্র:সিমু আক্তার
দেশে গণতন্ত্র হারিয়ে গেছে’ মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে আমরা লড়াই করছি, এই লড়াইয়ে আমাদের বিজয় হবেই। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পনের আগে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গত ৪৭ বছরে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। যে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য আমরা স্বপ্ন দেখেছি, সেই গণতন্ত্র আজ হারিয়ে গিয়েছে। গণতন্ত্র আজ অনুপস্থিত। আর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই দিনে পাকিস্তানিরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে আমাদের মেধাবী সন্তানদের হত্যা করেছিল। তাদের এই আত্মত্যাগ পূরণ হওয়ার নয়।
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
-

খুনিদের ফিরিয়ে এনে বিচার করা হবে
বা:মু:প্র: সিফাত
বঙ্গবন্ধু ও বুদ্ধিজীবী হত্যায় জড়িত বিদেশে পলাতক আসামিদের যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে সরকারের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ বৃহস্পতিবার মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে দলের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, তাদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ায় যে জঠিলতা ছিল সরকার তা সমাধান করে দ্রুত তাদের ফিরিয়ে আনার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।
সকাল ৭টা ৫ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি ও পরে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন ও জাতীয় পার্টির নেতারা ফুল দেন। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
-

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে মানুষের ঢল
বা:মু:প্র: মাহামুদ হাসান
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে নেমেছে মানুষের ঢল। আজ বৃহস্পতিবার ভোররাত থেকেই বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষের ঢল নামে সেখানে।
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আজ সবার পরনে শোকের প্রতীক কালো পোশাক। হাতে ফুল ও তোড়া। ঢাকা বিশ্ববিদ্যায় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শ্রদ্ধা জানাতে লাইনে দাঁড়িয়েছে।
মিরপুর ১ নম্বর গোলচত্বর থেকে মাজার রোড পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। দুই দিক থেকে হাজার হাজার মানুষ শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে অপেক্ষা করছেন লাইনে দাড়িয়ে। বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে উপস্থিত হন।
সকাল ৭টার পরপরই মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে হাজির হন রাষ্ট্রপতি। এরপর স্পিকারসহ অন্যান্যদের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর স্মৃতিসৌধটি সর্বসাধারনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের ঠিক আগে আলবদর, আলসামস, রাজাকার বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে পাক হানাদার বাহিনী এ দেশের অসংখ্য বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে।
তারা মূলত এ দেশকে মেধাশূন্য করার জন্যই এমন জঘন্য কাজটি করেছিল। তবে বীরের জাতি ‘বাঙালীরা’ তাদের সে উদ্দেশ্য সফল করতে দেয়নি। আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছি। সারা বিশ্বে আজ আমরা প্রশংসিত। প্রায় সব ক্ষেত্রেই পাকিস্তানিদের চেয়েও বাংলাদেশ আজ ভালো অবস্থানে রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের স্মৃতিচিহ্ন বুকে নিয়ে স্মৃতির ভূমিতে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন শহীদ পরিবারের সদস্যরা। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পদচারণায় সকাল থেকেই একটি ভারি আবহ সৃষ্টি হয় সেখানে। জঙ্গিবাদমুক্ত ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিতে দেখা যায় তাদেরকে।