Blog

  • হোয়াইট হাউসে ইঁদুর, তেলাপোকা আর পিঁপড়ার উপদ্রব

    হোয়াইট হাউসে ইঁদুর, তেলাপোকা আর পিঁপড়ার উপদ্রব

    হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকর্তারা রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীদের কাছে কয়েক ডজন সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন। যার মধ্যে ছিল ইঁদুর-তেলাপোকা-পিঁপড়ার উপদ্রব আর সেই সাথে টয়লেটের ভেতর ভাঙ্গা সিট।

    হোয়াইট হাউজে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের আদেশের একটি তালিকা সংগ্রহ করেছে এনবিসি ওয়াশিংটন। এর মধ্যে বারাক ওবামার প্রশাসনের শেষ বছরের কার্যাদেশও রয়েছে। সেই তালিকা থেকেই এসব তথ্য জানা গেছে।

    এর আগে হোয়াইট হাউসে নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের মেসে খাবার সরবরাহ করা হয় যেখান থেকে, সেখানে এবং হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমেও ইঁদুর দেখা গেছে বলে অভিযোগ করা হয়। গত দু বছরে এসব সমস্যার সমাধানের জন্য কয়েকশো অনুরোধ জানানো হয়েছিল।

    ইউএস জেনারেল সার্ভিসেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিএসএ) রক্ষণাবেক্ষণ কাজগুলোর তদারকি করে। এর সাবেক ইন্সপেক্টর জেনারেল ব্রায়ান মিলার এনবিসি ওয়াশিংটনকে বলেন, ‘সেগুলোতো খুব পুরনো ভবন । এরকম পুরোনো বাড়ি যাদের আছে, তারা জানে যে এরকম বাড়িতে কী পরিমাণ কাজ থাকে । ‘

    এই কার্যাদেশ তালিকা দেখে বোঝা যাচ্ছে, ডাইনিং রুমে তেলাপোকা আর চিফ অব স্টাফ কোয়ার্টারগুলোতে পিঁপড়া খুব বড় সমস্যা।

    সাংবাদিকরা কাজ করেন যে প্রেস লবিতে, সেখানকার রান্নাঘরে তেলাপোকা আর পিঁপড়া, দুটিরই উপদ্রব।

    এ বছরের শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা যখন হোয়াইট হাউসে আসেন, তখন এসব উপদ্রব মোকাবেলার পাশাপাশি আরও অনেক মেরামতের কাজের অনুরোধ জানানো হয়েছিল।

    সাবেক প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার তার অফিসের আসবাবপত্র সরানোর জন্য আবেদন করেছিলেন।

    অন্যদিকে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স তার ফায়ার প্লেসের সামনের বিখ্যাত ‘মার্থা ওয়াশিংটন চেয়ার’- এর পায়া মেরামত করার জন্য রক্ষণাবেক্ষণ কর্মী চেয়েছেন।

    এছাড়াও ফার্স্ট লেডির তিন তলার ইস্ট উইং অফিসে সাজানোর জন্য নতুন পর্দা লাগানোর অনুরোধ করা হয়েছিল। মিলার বলেন, যে হোয়াইট হাউসের রক্ষণাবেক্ষণ করা সাঙ্ঘাতিক কাজ, এর একটা বড় কারণ স্থানটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব।

  • সফর শেষে ঢাকা ছাড়লেন পোপ

    সফর শেষে ঢাকা ছাড়লেন পোপ

    ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বীদের ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস শনিবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ইতালির রোমের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন। তিনদিনের সফরে বৃহস্পতিবার ঢাকায় আসেন তিনি।

    সফরের শেষ দিন (শনিবার) তেজগাঁওয়ে মাদার তেরেসা ভবন পরিদর্শন করেছেন পোপ ফ্রান্সিস। এর পরই তেজগাঁও মিশনারি ও কবরস্থান পরিদর্শন করেন। বৈঠক করেন খ্রিস্টধর্মের নেতাদের সঙ্গে। বিকেল সোয়া ৩টায় তিনি নটরডেম কলেজে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন যুব সম্প্রদায়ের সঙ্গে।

    এ সফরে (বৃহস্পতিবার) শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান তিনি। সেখান থেকে যান রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে।

    বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পোপ ফ্রান্সিস।

    শুক্রবার সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে খ্রিস্টধর্মীয় উপাসনা ও যাজক অভিষেক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পোপ। বিকেলে ভ্যাটিকান দূতাবাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    যোগ দেন আন্তঃধর্মীয় সভায়।

    গতবছর প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের ক্যাথলিক বিশপ আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানালে পোপ চলতি বছরের শেষ দিকে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২৮ আগস্ট এই ধর্মগুরুর ঢাকা সফরের সূচি ঘোষণা হয়।

    এর আগে ১৯৮৬ সালে পোপ জন পল এবং ১৯৭০ সালে পোপ ষষ্ঠ পল বাংলাদেশ সফর করেন।

  • ‘এখন আমার কাছে সবকিছু অন্ধকার মনে হচ্ছে’

    ‘এখন আমার কাছে সবকিছু অন্ধকার মনে হচ্ছে’

    ‘জুটি ভেঙে গেছে। আমি একা হয়ে গেছি। আর কেউ আমাকে কখনও বড় ভাইয়ের মত পরামর্শ দেবে না। ‘ শনিবার দুপুরে বনানীর ২৩ নম্বর রোডে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের মরদেহ দেখতে এসে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন অশ্রুসিক্ত নয়নে কথাগুলো বলেন।

    তিনি বলেন, ‘আমি একা হয়ে গেছি। দু’জন মিলে আধুনিক ঢাকা গড়ার স্বপ্ন দেখছিলাম। এখন জানি না ভবিষ্যতে সে স্বপ্নের কী হবে? বড় ভাই হিসেবে আনিসুল হক সব সময় আমার পাশে ছিলেন। এখন আমার কাছে সবকিছু অন্ধকার মনে হচ্ছে। ‘

    উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ২৩ মিনিটে লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক। শনিবার দুপুরে তার মরদেহ ঢাকায় আনা হয়।

  • আনিসুল হককে বাবার শেষ আদর

    আনিসুল হককে বাবার শেষ আদর

    হুইল চেয়ারে বসতেও তার যে কষ্ট হচ্ছে, তা শরীরের মৃদু কম্পনে স্পষ্ট হচ্ছিল যখন শরিফুল হককে তার ছেলের সামনে নিয়ে আসা হয়। ৯৫ বছর বয়সী শরিফুল হক দরজা পেরিয়ে কয়েক গজ সামনে গেলেন। সেখানেই কফিনে শুয়ে আছেন তার আদরের মেঝো ছেলে আনিসুল হক।

    আনিসুল হকের কফিনের পাশে মাথা গুঁজে তখন বসে আসেন স্ত্রী রুবানা হক। রুবানার পাশেই হুইল চেয়ারে বসে শরিফুল হক। কফিন ঘিরে তখন নিস্তব্দ নিরবতা। কফিনে শুয়ে থাকা মুখটির দিকে অপলক তাকালেন শরিফুল হক। হাত এগিয়ে আদর করলেন। সন্তানকে শেষবারের মতো আদর করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এই তিনি।

    যার কাঁধে চড়ে শেষযাত্রায় যাওয়ার কথা বাবার, সেই তাকেই শেষশ্রদ্ধা জানালেন শরিফুল হক। যেন বাবার কাঁধে সন্তানের মরদেহ- পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজটিই তাকে করতে হলো শনিবার।

    অথচ শুক্রবার রাত পর্যন্ত শরিফুল হককে ছেলের মৃত্যুর খবর জানানোই হয়নি। শনিবার লন্ডন থেকে মরদেহ আনার পর বাবা শরিফুল হককে মেয়র আনিসুল হকের বনানীর ২৩ নম্বর রোডের বাসায় শনিবার বিকেল ৩টার দিকে আইসিও অ্যাম্বুলেন্সে করে আনা হয়। রপর বিকেল সোয়া ৪টার দিকে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে তার জানাজা সম্পন্ন হয়।

    রাজধানীর বনানী কবরস্থানে ছোট ছেলে শারাফুল হকের কবরে বিকেল ৫টায় তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

    বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ২৩ মিনিটে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসি) মেয়র আনিসুল হক লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

    শরিফুল হক তার ছোট ছেলে সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকের বাসায় থাকেন। আনিসুল হক তার জীবদ্দশায় বরাবরই নিজের এগিয়ে যাওয়ার পেছনে বাবা শরিফুল হকের উৎসাহ আর মায়ের অনুপ্রেরণার কথা বলতেন।

  • বরিশালে শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির মাসিক পত্রিকা সন্ধ্যা’র লেখক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সম্মিলন ২০১৭ অনুষ্ঠিত

    বরিশালে শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির মাসিক পত্রিকা সন্ধ্যা’র লেখক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সম্মিলন ২০১৭ অনুষ্ঠিত

    হুজাইফা রহমান: ১ ডিসেম্বর বরিশালে শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির মাসিক পত্রিকা সন্ধ্যা’র লেখক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সম্মিলন ২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানটি বরিশালের জীবনানন্দ দাশ রোড ( বগুড়া রোডস্থ) কবি জীবনানন্দ দাশ স্মৃতি মিলনায়তন ও পাঠাগারে বিকাল চারটায় শুরু হয়। প্রথমেই সন্ধ্যা পত্রিকা’র সম্পাদক ও প্রকাশক কবি কিং সউদ’র সম্পাদকীয় বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এসময় পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক শাহানা সিরাজী অসুস্থতা জনিত কারণে উপস্থিত হতে পারেননি বলে দুঃখ প্রকাশ করেন ।

    এরপর বক্তব্য রাখেন প্রখ্যাত ছড়াকার কবি তপংকর চক্রবর্তী, কবি হুমায়ুন কবীর (অর্ণব আশিক), কবি মুস্তফা হাবীব, কবি সব্যসাচী সেনগুপ্ত, কবি পার্থ সারথি ও প্রবাসী কল্যান ব্যাংক’র ব্যবস্থাপক সৈয়দ মেহেদী হাসান।

    এরপর জীবনানন্দ দাশ রচিত কবিতা “বনলতা সেন” আবৃত্তি করেন হুজাইফা রহমান। বিশেষ করে এখানে বরিশালের নবীন এবং প্রবীন কবি, সাহিত্যিক, পাঠক ও সংস্কৃতিজনেরা অংশ নেন। এছাড়া বরিশালের প্রবীন সংস্কৃতিজন মুকুল দাস, কবি শফিক আমিন, কবি শাহীনা কাজল, কবি ছোটন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, কবি ইব্রাহিম খলিল, কবি আফরোজা রোজী, কবি অনিতা পাণ্ডে, কবি তুহিন ওসমান, কবি আব্দুর রহমান, কবি মাহমুদ অর্ক্য, কবি এস. কে লুনা, কবি সাইফুল ইসলাম সাইফ প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    উপস্থিত সকল লেখক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীগণ সন্ধ্যা পত্রিকা’র ভবিষ্যত অগ্রগতি ও সাফল্য কামনা করেন।

  • বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের ৩৫ তম পাঠক আড্ডা সম্পন্ন

    বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের ৩৫ তম পাঠক আড্ডা সম্পন্ন

    হুজাইফা রহমান: গত ৩০-১১-১৭ ইং তারিখে শহিদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের আয়োজনে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সুবিখ্যাত উপন্যাস “শেষের কবিতা”র উপর ৩৫ তম পাঠচক্র সম্পন্ন হয়েছে। পাঠচক্রের শুরুতেই মহান বিজয় দিবস এর কথা মাথায় রেখে পাঠচক্রের সমন্বয়কারী জনাব বাহাউদ্দিন গোলাপ মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। এরপর পাঠচক্রের নিয়মিত কার্যক্রম শুরু হয়। আড্ডায় নিয়মিত পাঠকগণ কেউ অমিত কেউ বা লাবণ্য’র বেশে উপস্থিত হয়ে উপস্থাপন করেন তাদের বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা। নিয়মিত পাঠকদের মধ্যে বিশেষভাবে আলোচনা করেন শাকিল মাহমুদ, মুজাহিদুল ইসলাম, শশাঙ্ক বিশ্বাস, হাছনাঈন তুহিন, তৌফিক ওমর, তহসিন, জুদান, অদিতি সপ্তর্ষি, ও হুজাইফা রহমান, নজরুল ইসলাম, ফারজানা ও আরিফ।

    বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্র পাঠচক্রের স্বজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জনাব সাজ্জাদ্দুল হক, জনাব মিজানুল হাসান সজল এবং জনাব রিয়াজুল ইসলাম। পরে আড্ডায় উপস্থিত থেকে এবং বিশেষভাবে আলোচনা করে পাঠচক্রটিকে আরো প্রাণবন্ত করে তোলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশালের সম্মানিত সমন্বয়কারী জনাব বাহাউদ্দীন গোলাপ। প্রশ্ন, পালটা প্রশ্ন, আবার প্রশ্ন এই ভাবে এক প্রাণোচ্ছল পরিবেশে পাঠকগণ যার যার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তাদের পাঠোপলব্ধি উপস্থাপন করেন।

    পুরো পাঠচক্রটির আড্ডা পরিচালনা করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পাঠচক্র, বরিশাল এর সহ-সমন্বয়কারী জনাব ছোটন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।

  • “হিজলা উপজেলায় গণসংহতি আন্দোলনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত”

    “হিজলা উপজেলায় গণসংহতি আন্দোলনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত”

    হুজাইফা রহমান:

    আজ ১ লা ডিসেম্বর ২০১৭, শুক্রবার বিকাল ০৪ টায় উপজেলার মধ্য বায়ৈশিয়া মাদ্রাসা মাঠে গণসংহতি আন্দোলন হিজলা উপজেলা শাখার আহবায়ক জননেতা হান্নান হোসেনের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন বরিশাল জেলা শাখার সংগ্রামী আহবায়ক জননেতা দেওয়ান আঃ রশিদ নীলু, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা শাখার সদস্য সচিব জননেতা হারুনুর রশীদ মাহমুদ, কুমিল্লা জেলার সংগ্রামী আহবায়ক জননেতা ইমরাদ জুলকারনাইন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেওয়ান আঃ রশিদ নীলু বলেন, “মুক্তিযুদ্ধে জনগণের আকাঙ্খার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষে জোট-মহাজোটের বাহিরে জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তুলতে হবে।” বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন বরিশাল জেলা শাখার আহবায়ক ছাত্রনেতা নবীন আহমেদের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা জেলার সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান লিটন, যুবায়ের জোবেন, হিজলা উপজেলার যুগ্ম আহবায়ক আকতার হোসেন, আঃ কুদ্দুস রাঢ়ীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত নেতাকর্মীরা গণসংহতি আন্দোলন এর সাংগঠনিক মাসের আহবানে পরিবর্তনের শপথ নিয়ে জনগণের দল হিসেবে গণসংহতি আন্দোলনকে আরো শক্তিশালী করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • ইউটিউবে মুক্তি পেল শহীদ-অন্তু-হিমি’র ‘দূরত্ব’

    ইউটিউবে মুক্তি পেল শহীদ-অন্তু-হিমি’র ‘দূরত্ব’

    দীর্ঘ বিরতির পর প্রকাশ পেল ‘এক জীবন’ খ্যাত কণ্ঠশিল্পী শহীদের নতুন গান ও ভিডিও। ‘দূরত্ব’ শিরোনামের এই গানটির ভিডিওতে মডেল হয়েছেন অন্তু করিম ও জেএস হিমি। আর গল্পনির্ভর এই স্মৃতিকাতর ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন তানজিম মিশু।

    লুৎফর হাসানের কথা-সুর ও আমজাদ হোসেনের সংগীতায়োজনে ৩০ নভেম্বর বিশেষ এই গানটির ভিডিও প্রকাশ করেছে প্রযোজনা-পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান সিএমভি।

    গানটি প্রকাশের পর থেকে বেশ সাড়া পাচ্ছেন বলে জানালেন শহীদ। তিনি বলেন, ‘অনেকদিন পর নতুন মিউজিক ভিডিও প্রকাশ হলো আমার। অনেক শ্রম আর ভালোবাসা দিয়ে গান ও ভিডিওটি তৈরি করেছি আমরা। ভালো একটি কাজ হয়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছি। আমার বিশ্বাস, মিউজিক ভিডিওটি সকলের ভালো লাগবে। ’

    এদিকে সুপারহিট গান ‘এক জীবন’ এর ভিডিও থেকেই মডেল-অভিনেতা অন্তু করিমকে নিয়ে কাজ করছেন কণ্ঠশিল্পী শহীদ।

    তবে তাদের অন্য যে কোনও ভিডিওর চেয়ে এবারের গল্প এবং নির্মাণ ভাবনা বেশ আলাদা। এই ভিডিওতে অন্তু করিমকে হিমির বিপরীতে দেখা গেছে যুবক এবং বৃদ্ধর চরিত্রে।

    শহীদ বলেন, ‘শুরু থেকে অন্তু যে এখনও আমার মিউজিক ভিডিওগুলোতে কাজ করছে এতে আমি আনন্দিত। মডেল হিসেবে তার পরিচিতি বেশ প্রশংসিত। হিমিও ভালো কাজ করেছে। সকলের প্রচেষ্টায় একটি ভালো গান শ্রোতা-দর্শককে উপহার দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ’

  • আনিসুল হকের জন্য এক মিনিট নিরবতা

    আনিসুল হকের জন্য এক মিনিট নিরবতা

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের জন্য আজ শেরে-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হবে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের খেলা শনিবার দুপুর থেকে শুরু হচ্ছে রংপুর রাইডার্স ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ম্যাচের মাধ্যমে। খেলার শুরুর পূর্বে এক মিনিট নিরবতা পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড(বিসিবি)।

    সন্ধ্যা ছয়টায়  রাজশাহী কিংসের প্রতিপক্ষ বিপিএলের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ঢাকা ডায়নামাইটস। মেয়র আনিসুল হকের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আজ কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজশাহী কিংসের ক্রিকেটাররা।

    আনিসুল হকের মরদেহ আজ শনিবার বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা ২০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছবে। বিমানবন্দর থেকে তার মরদেহ নেওয়া হবে বনানীর বাসায়। সেখানে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়-স্বজনের শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য রাখা হবে।

    সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ বিকাল ৩টা থেকে আর্মি স্টেডিয়ামে রাখা হবে। সেখানেই বিকাল ৪টায় আসরের নামাজের পর তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

  • বিজয়

    বিজয়

    বিজয়
    মোঃ আবু সুফিয়ান শেখ
    বিজয় আমার স্বাধীনতা৭১ এর গান,
    বিজয় আমর তোমার জন্য মুক্ত অভিমান।
    বিজয় হল স্বাধীন ভাবে ৫২কে পাওয়া,
    বিজয় হল তোমার দিকে ভালবেসে চাওয়া।
    বিজয় আমার স্বাধীন দেশে, স্বাধীন ভাবে বাঁচা,
    বিজয় আমার মুক্ত পাখির মুক্ত একটি খাচা।
    বিজয় মানে দক্ষিনা বাতাস,উথাল পাথাল দিন,
    বিজয় মানে মায়ের কাছে আমার অনেক ঋণ।
    বিজয় মানে মুক্ত কথা,উন্মুক্ত প্রাঙ্গন,
    বিজয় হল স্বাধীন কথা,ভালবাসার মন।
    বিজয় আমার প্রেমের ছোয়া,প্রথম আলিঙ্গন,
    বিজয় আমার দেশের জন্য বিলিয়ে দেয়া জিবন।
    বিজয় আমার প্রতি মুহুর্তে নিত্য নতুন সংবাদ,
    বিজয় আমার অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদ।
    বিজয় আমার প্রানের চেয়ে প্রিয় দেশের প্রতি ভালবাসা।