Blog

  • স্বপ্ন ভেঙে যাচ্ছে নদীর সাথে,অসহায় মানুষের দৃষ্টি

    স্বপ্ন ভেঙে যাচ্ছে নদীর সাথে,অসহায় মানুষের দৃষ্টি

    মাহামুদ হাসান:

    বরিশালের চরবাড়িয়া-লামচরির শেষ প্রান্ত বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদীভাঙনে।ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।কীর্তনখোলা নদী বয়ে গেছে বরিশালের মধ্যে দিয়ে ।আর বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সিমানার পাশেই অবস্থিত চরবাড়িয়া, লামচরি ইউনিয়ন ।আর এই অঞ্চলের শেষ অংশ নদীগর্ভে বিলীন হবার পথে।

    সরোজমিনে দেখা গেছে লামচরির অনেক অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ।অনেক অংশ ভেঙে যাবে যে কোনও মুহূর্তে ।নদী ভাঙন রক্ষা করার জন্য ইতিমধ্যেই ব্যাবস্থা গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড ।কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় তা খুবই নগন্য।অল্প সময়ের মধ্যে ব্যাবস্থা না নিলে বিলীন হয়ে যাবে স্থান টি।

    নদীর ভাঙনের সাথে ,সাথে ভেঙে যাচ্ছে শত,শত মানুষের স্বপ্ন ।তাদের থাকার যায়গা টুকুও বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদীর বুকে।তাই আশ্রয় টুকু হারাতে চায়না সাধারণ মানুষ ।তাই অতি দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে সাধারণ স্বপ্ন নিয়ে বেচে থাকা সাধারণ মানুষ ।

  • প্রাণ বাঁচাতে থানায় জিডি করেছে দুই সাংবাদিক

    প্রাণ বাঁচাতে থানায় জিডি করেছে দুই সাংবাদিক

    সংবাদ প্রকাশের জের ধরে বরিশালে দুই সাংবাদিককে খুন-জখম এবং প্রাণ নাশের হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের দুই থানায় পৃথক অভিযোগ এবং সাধারণ ডায়েরী দায়ের হয়। হুমকির শিকার অনলাইন নিউজ পোর্টাল যুগ যুগান্তর ডটকম’র চেয়ারম্যান ও বার্তা নিয়ন্ত্রক এবং স্থানীয় দৈনিক বাংলার বনে পত্রিকার বার্তা সম্পাদক তারেক আহমেদ কোতয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরী এবং দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার বরিশালের ফটো সাংবাদিক তানভীর আহমেদ অভি কাউনিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে জীবনের নিরাপত্তা চেয়েছেন।

    সাংবাদিক তারেক আহমেদের জিডি সূত্রে জানা গেছে, ১৩ নভেম্বর রাতে তার নিয়ন্ত্রিত অনলাইন নিউজ পোর্টার যুগ যুগান্তর ডটকম-এ ‘প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় নগরীর পলাশপুরে মাদকের হাট’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রচার করেন। ওই রাত ১১টা ১৪ মিনিটে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে ০১৯১২৪৪৯৮৮৮ নম্বর থেকে একটি কল আসে। কল রিসিভ করলে উক্ত সংবাদ প্রকাশের কথা উল্লেখ করে অকথ্য-অশ্রবন ভাষায় গালিগালাজ করে এবং তাকে পরদিন সকালের মধ্যে দেখিয়ে দেবে বলে হুমকি দেয়। এরপর রাত ১২টা ২৩ মিনিটে ০১৯৬৮৫৩৫৬৩৬ নম্বর থেকে কল দিয়ে ফের ওই সংবাদের কথা উল্লেখ করে সাংবাদিককে পরদিন সকালে হাত-পা বিচ্ছিন্ন করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এসময় মহানগর আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ তাকে দেখে নেবে বলেও হুশিয়ার করা হয়। এসব বিষয় উল্লেখ করে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে গতকাল সাংবাদিক তারেক কোতয়ালি মডেল থানায় জিডি করেন। জিডি নং- ৮৭৭।

    অপরদিকে, অনলাইন নিউজ পোর্টালের ওই সংবাদের লিঙ্ক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করায় ১৩ নভেম্বর রাতে দৈনিক জনকণ্ঠের বরিশালের ফটোসাংবাদিক তানভীর আহমেদ অভির ভাটিখানা মোড়ের বাসায় ৩/৪টি মোটরসাইকেলযোগে যাওয়া দুর্বৃত্তরা হামলার চেষ্টা চালায়। এসময় তাকে না পেয়ে বাসার গেইট-দরজায় লাথি মেরে, পিটিয়ে তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসে তারা। এ ঘটনায় কাউনিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন অভি। লিখিত অভিযোগে অভিযুক্তরা হচ্ছেন- ৫নং ওয়ার্ড পলাশপুরের বাসিন্দা সোনাই সিকদারের ছেলে মেয়াদোত্তীর্ন ওয়ার্ড ছাত্রলীগ কমিটির সভাপতি পরিচয়দানকারী সিরাজুল ইসলাম নয়ন, বাদশা খন্দকারের ছেলে আবির খন্দকার, মান্নান বেপারীর ছেলে হৃদয়, রিয়াদ ওরফে দাতু রিয়াদ, ইস্কানের ছেলে আসাদ সহ অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪ জন।

    এ বিষয়ে দুই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ বলেন, সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

  • মুফতি হান্নানকে গ্রেফতার করায় ক্ষিপ্ত হন বাবর

    মুফতি হান্নানকে গ্রেফতার করায় ক্ষিপ্ত হন বাবর

    বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার আসামি জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নানকে গ্রেফতার করায় র‌্যাবের তৎকালীন ডিজির (মহাপরিচালক) উপর ক্ষিপ্ত হন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। তাকে না জানিয়ে কেন হান্নাকে গ্রেফতার করা হলো সে বিষয় তিনি তার (ডিজি) কাছে জানতে চান।

    মঙ্গলবার ঢাকার ১নং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নুর উদ্দিনের আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে এসব তথ্য উপস্থাপন করেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি সৈয়দ রেজানুর রহমান। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী একরামুদ্দিন।

    যুক্তি উপস্থাপনে তিনি বলেন, মামলায় সাক্ষীদের জবানবন্দি থেকে জানা যায়, মামলার আসামি জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নানকে গ্রেফতারের পর র‌্যাবের ডিজি তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে জানান। সে সময় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী র‌্যাবের ডিজির উপর ক্ষিপ্ত হন।

    এ দিন রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ না হওয়ায় আগামী কাল (বুধবার) পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত।

    উল্লেখ্য, অন্য মামলায় মুফতি হান্নানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় এ মামলা থেকে তার নাম বাদ দেয়া হয়।

    আলোচিত এ মামলায় ৫১১ সাক্ষীর মধ্যে ২২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। আর ২০ জনের সাফাই সাক্ষী নেয়া হয়েছে।

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদিকা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন দলের তিন শতাধিক নেতাকর্মী।

    ঘটনার পরদিন মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে তদন্ত করে থানা পুলিশ। পরে তদন্তের দায়িত্ব পায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরবর্তীতে মামলাটি যায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি)। ২০০৮ সালের ১১ জুন সিআইডির জ্যেষ্ঠ এএসপি ফজলুল কবির মুফতি হান্নানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন।

    ২০০৯ সালের ৩ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটি অধিকতর তদন্তের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল তা মঞ্জুর করেন। মামলা তদন্তের ভার পান সিআইডির পুলিশ সুপার আবদুল কাহ্হার আখন্দ। তিনি ২০১১ সালের ৩ জুলাই তারেক রহমানসহ ৩০ জনের নাম যুক্ত করে মোট ৫২ জনের নামে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি অভিযোগপত্র দেন।

    অন্য মামলায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নান ও জেএমবি সদস্য শহিদুল আলম বিপুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় পর এ মামলা থেকে তাদের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। ফলে এ মামলায় এখন আসামির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯। এর মধ্যে তারেক রহমানসহ ১৮ জন পালাতক রয়েছেন। এ ছাড়া জামিনে আট এবং কারাগারে রয়েছেন ২৩ জন

  • মা-ছেলেকে হত্যা : তৃতীয় স্ত্রীর জবানবন্দি, স্বামী কারাগারে

    রাজধানীর কাকরাইলে মা ও ছেলেকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার নিহতের স্বামী আবদুল করিমের তৃতীয় স্ত্রী শারমীন মুক্তা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অপরদিকে করিমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

    মঙ্গলবার দুই দফা রিমান্ড শেষে তাদের ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক (ওসি-তদন্ত) আলী হোসেন। এসময় করিমকে কারাগারে আটক রাখার ও তার তৃতীয় স্ত্রীর জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন তিনি।

    আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম আহসান হাবীব আসামি শারমীন মুক্তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এবং ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল হক আসামি করিমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    এর আগে ১০ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আমিরুল হায়দার চৌধুরী প্রত্যেককে তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ৩ নভেম্বর ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম খুরশীদ আলম তাদের ছয়দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    উল্লেখ্য, ১ নভেম্বর সন্ধ্যায় কাকরাইলের আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম রোডের ৭৯/এ বাড়িতে মা ও ছেলেকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নিহতরা হলেন শামসুন্নাহার (৪৫) ও তার ছেলে শাওন (ও লেভেল শিক্ষার্থী)। নিহতের স্বামী আবদুল করিম পুরান ঢাকার শ্যামবাজারের ব্যবসায়ী। তিনি আদা-রসুন-পেঁয়াজের আমদানিকারক।

    এ ঘটনায় ২ নভেম্বর নিহত শামসুন্নাহারের ভাই আশরাফ আলী বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে নিহতের স্বামী আব্দুল করিম, তার তৃতীয় স্ত্রী শারমীন মুক্তা, মুক্তার ভাই জনিসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে। মামলার পর নিহতের স্বামী আব্দুল করিম ও তার তৃতীয় স্ত্রী শারমীন মুক্তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

  • ‘বিএনপির পাপ ধৌত করলে বুড়িগঙ্গা আরও ময়লা হবে’

    ‘বিএনপির পাপ ধৌত করলে বুড়িগঙ্গা আরও ময়লা হবে’

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি যদি তাদের পাপ ধৌত করতে যায় তাহলে বুড়িগঙ্গা আরও ময়লা হয়ে যাবে।’ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেসকো কর্তৃক আন্তর্জাতিক স্মৃতি ঐতিহ্য ঘোষণা উপলক্ষে জাতীয় শ্রমিক লীগ আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

    কাদের বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া সব নিয়ে বলি। লুটপাট, খুন, আগুন, সন্ত্রাসে আপনাদের পাপে পাপে, অনেক পাপ জমে গেছে। এটা ধৌত করবে এমন শক্তি কারো নাই।’

    ভারতীয় একটি সিনেমার নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পাপীর পাপ ধৌত করতে করতে রামের গঙ্গা ময়লা হয়ে গেছে। আমাদের বুড়িগঙ্গাও ময়লা হয়ে গেছে। বিএনপি যদি নিজেদের পাপ ধৌত করতে যায় তাহলে বুড়িগঙ্গা আরও ময়লা হয়ে যাবে। আপনি আচারে ধর্ম পরকে শেখান। আগে নিজেরা শুদ্ধ হোন তারপর অন্যকে বলুন শুদ্ধ হওয়ার জন্য। আপনাদের চেয়ে অনেক ভালো আমরা। আমাদের ভুলত্রুটি আছে, আমরা শতভাগ শুদ্ধ একথা বলবো না। কিন্তু আপনারা তো শতভাগের কাছাকাছি অশুদ্ধ।’

    দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় গণতন্ত্রের সমস্যা সম্পর্কে বিএনপির কাছে জানতে চেয়েছেন ওবায়দুল কাদের। বিএনপি নেতাদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ করুন এখানে আইনের কি সমস্যা, গণতন্ত্রের কি সমস্যা নির্বাচনের কি সমস্যা? আপনি নির্বাচনে এলেন না, অপ্রতিদ্বন্দ্বী করলেন অনেককেই। এর দোষ কি জনগণকে নিতে হবে? আপনি এলেন না, দোষ আপনার, এতে নির্বাচনেরও কোনো দোষ নেই, বৈধতারও কোনো সংকট নেই।’

    সদ্য সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ছুটি থেকে ফিরে ওই ১৫৪ জনের বৈধতার প্রশ্নে করা একটি রিটের শুনানি নিয়ে তাদের অবৈধ ঘোষণা করতে পারেন এই আশঙ্কায় তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এর জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মোশাররফ সাহেব কী বলেছেন ১৫৪ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে? ১৫৪ জন নয়, ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে। এটাও জানেন না তিনি। তিনি যে এ কথাটা কতবার বলেছেন তিনি নিজেও জানেন না। আসেন চ্যালেঞ্জ করুন।’

    তিনি বলেন, ‘আদালত কী তাদের (বিএনপি) মত ঘোড়ার ঘাস খায় নাকি? যে সেই ব্যাপারে রায় দিয়ে দেবে। এখন তো মনে হয় আদালতের স্বপ্রণোদিত হয়ে একটি রায় যে নির্বাচন কমিশনকে একটি ম্যান্ডেট দিয়ে বিএনপিকে নির্বাচনে জেতাতে হবে, তা না হলে হয়তো দেশে আবার আগুন সন্ত্রাস শুরু হবে। এটা দিলেই বিএনপি খুশি হবে।’

    প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ ‘অশনি সংকেত’ এ কথার জবাবে তিনি বলেন, যেভাবে নেতিবাচক রাজনীতি আঁকড়ে ধরেছে এটা বিএনপির জন্য অশনি সংকেত। নির্বাচনে না এলে তাদের ভবিষ্যত অশনি সংকেত।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ইতিহাসের মহানায়কের পাশে ইতিহাসের ফুট নোটকে (জিয়াউর রহমান) তুলনা করা হয়েছে। জিয়াউর রহমানকে যখন স্বাধীনতার ঘোষক বলা হয়, তখন মনে হয় তিনি কবরে শুয়ে ছটফট করেন। কারণ তিনি নিজেই বলে গেছেন বঙ্গবন্ধুর সাত মার্চের ঘোষণা স্বাধীনতার গ্রিন সিগন্যাল।

    জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।

  • জেল হতে পারে ফরহাদ মজহার দম্পতির

    শেখ সুমন

    মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা করার অভিযোগে কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার এবং তার স্ত্রী ফরিদা আক্তারের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন মামলার আবেদন করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা। আবেদনটি মঞ্জুর হলে আইনানুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে মামলা হবে। আর এ মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের দু-জনের সর্বোচ্চ দুই বছরের জেল বা কারাদণ্ড হতে পারে। সাজা হলে আইনানুয়ায়ী কারাগারে যেতে হয় আসামিদের।

    মঙ্গলবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মাহাবুবুল ইসলাম আদালতে ফরহাদ মজহার অপহরণ মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা করায় মামলার বাদী ফরিদা আক্তার ও মামলার ভিকটিম ফরহাদ মজহারের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২১১ ও ১০৯ ধারায় মামলার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

     ফরহাদ মজহারের স্ত্রী মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা দায়ের করেছেন। তদন্ত কর্মকর্তরা তদন্ত করে সেই প্রমাণ পেয়েছেন। মিথ্যা তথ্য দিয়ে অন্যদের হয়রানি করার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন মামলার আবেদন করা হয়েছে। মামলার অনুমতি পেলে তাদের বিরুদ্ধে বিচারকার্য পরিচালনা হবে। আর অভিযোগ প্রমাণিত হলে ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রীর দুই বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে 

    দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় বলা হয়েছে,‘কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি সাধনের উদ্দেশে অপরাধবিষয়ক মিথ্যা অভিযোগে মামলা দায়ের করে, তাহলে সে ব্যক্তির দুই বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের কারাদণ্ড হতে পারে। আর দণ্ডবিধির ১০৯ হলো সেই অপরাধের সহযোগিতা করা।’

    এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু বলেন, ফরহাদ মজহারের স্ত্রী মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা দায়ের করেছেন। তদন্ত কর্মকর্তরা তদন্ত করে সেই প্রমাণ পেয়েছেন। মিথ্যা তথ্য দিয়ে অন্যদের হয়রানি করার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন মামলার আবেদন করা হয়েছে। মামলার অনুমতি পেলে তাদের বিরুদ্ধে বিচারকার্য পরিচালনা হবে। আর অভিযোগ প্রমাণিত হলে ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রীর দুই বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে।

    অন্যদিকে মামলার বাদী ফরিদা আক্তার জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা অনলাইন পত্রিকায় ফরহাদ মজহার অপহরণ মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের নিউজ দেখেছি। মামলার কোনো কাগজ এখনো হাতে পাইনি। কাগজ হাতে পাওয়ার পর আমরা সিদ্ধান্ত নেব আমরা কী করব।’

    ফরহাদ মজহারের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, মামলার কাগজ হাতে পাওয়ার পর আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।

    ফরহাদ মজহারের আরেক আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ বলেন, আমরা মামলার বাদীর সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেব।

    উল্লেখ্য, গত ৩ জুলাই ভোরে রাজধানীর শ্যামলীর রিং রোডের ১নং হক গার্ডেনের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ফরহাদ মজহার। পরে স্ত্রীকে নিজের মোবাইল ফোনে জানান, কে বা কারা তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। তাকে মেরেও ফেলা হতে পারে। সন্ধ্যা পর্যন্ত ছয়বার কল করে ৩৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

    নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিক উদ্যোগ নিয়ে মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করে তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। ১৯ ঘণ্টা পর যশোরের অভয়নগরে হানিফ পরিবহনের বাস থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।

    ফরহাদ মজহারের নিখোঁজের ঘটনায় ওইদিন রাতেই স্ত্রী ফরিদা আক্তার বাদী হয়ে আদাবর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ০৪। এর আগে তিনি জিডি করেছিলেন। জিডি নং- ১০১।

  • কবি বলেছেন 

    কবি বলেছেন 

    – হুজাইফা রহমান

    পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর কথাটি বলেছেন কবি।
    পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট কথাটিও বলেছেন কবি।
    সবথেকে উদার কথাটিও বলেছেন কবি।
    সবথেকে সংকীর্ণ কথাটিও বলেছেন কবি।
    পৃথিবীর সবচেয়ে সত্য কথাটি বলেছেন কবি।
    পৃথিবীর সবচেয়ে মিথ্যা কথাটিও বলেছেন কবি।
    সকলের গণ জাগরণের কথা কবি বলেছেন।
    আবার সকলের হতাশার কথাও কবি বলেছেন।
    পৃথিবীর যত অভাগারে আশা দিয়েছেন কবি।
    পৃথিবীর যত পথ ভোলারে পথ দেখিয়েছেন কবি।
    কবি এই পৃথিবীর মানুষের কাছে তাই দেবদূত।
    কবি এই পৃথিবীর মানুষের কাছে তাই পূজিত।
    মানুষের বিবেক জাগ্রত করে তুলেছেন কবি।
    সর্বদা মানুষ ও মানবতার কথা বলেছেন কবি।
    আমি জানি, সত্য-ই কবি এই পৃথিবীর মহানুভব।
    সবার মনের প্রেম, বিরহ, দ্রোহের কথা করেন অনুভব।

  • টপ অব দ্য ডে

    টপ অব দ্য ডে

    ঝলমলে শতরানে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ক্রিকেটে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ যুবাদের বড় জয়ের নায়ক তৌহিদ হৃদয়। রান তুলেছেন তিনি বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে।

    ১২০ বলে ৭টি বাউন্ডারি ও ৪টি ছক্কায় করেছেন ১২০ রান। শতরানের পথে তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক সাইফ হাসানের সঙ্গে যোগ করেছেন ১৯২ রান। তৌহিদের এই ইনিংসে ভর করে ৩৩৫ রানের পাহাড় গড়ে ২৬২ রানের বিশাল জয় পেয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

  • মাশরা‌ফিকে রাইড দি‌য়ে ঢাকায় চালু হলো উবারম‌টো

    মাশরা‌ফিকে রাইড দি‌য়ে ঢাকায় চালু হলো উবারম‌টো

    ঢাকায় উবা‌রের মোটরসাই‌কেল ‘উবারম‌টো’ চালু হ‌য়ে‌ছে। প্রথম যাত্রী হি‌সে‌বে উবারম‌টোর রাইড নেন‌ বাংলাদেশ জাতীয় ক্রি‌কেট দ‌লের অ‌ধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

    আজ মঙ্গলবার সকাল সা‌ড়ে ১০টায় চালু হয় উবারম‌টো। এর মধ্য দিয়ে উবা‌রের একই অ্যা‌পসে ট্যা‌ক্সির পাশাপা‌শি মোটরসাই‌কেল ফিচার‌টিও যুক্ত হ‌লো। প্রথম রাইড নেওয়ার পর ক্রি‌কেট তারকা মাশরা‌ফি ব‌লেন, রাইড নি‌য়ে আমি খু‌শি। যানজটে ব‌সে না থে‌কে দ্রুত আসতে পারলাম। পার্টনার আমা‌কে হেল‌মেট পর‌তেও উৎসা‌হিত করলেন।

    অ্যাপস্ সংশ্লিষ্টরা জানান, এতোদিন ঢাকায় শুধু উবারে কার-ট্যাক্সি মিলতো। এখন থেকে মোটরসাইকেলও মিলবে। উবারমটোতে বেইস ফেয়ার ৩০ টাকা। ট্রিপের সময় প্রতি মিনিট ১ টাকা ও প্র‌তি কি‌লোমিটারের ভাড়া ১২ টাকা।

    সরকার রাইড শেয়ারিং নীতিমালা প্রণয়নের আগেই এ নিয়ে উবারমটোসহ ৫টি সক্রিয় মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং অ্যাপস্‌ চলছে ঢাকায়।

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের হায়দ্রাবাদ শহরে প্রথম মোটরাসাইকেল রাইড শেয়ার সেবা দেওয়া শুরু করে উবার। পরের মাসে বেঙ্গালুরুতে চালু হয়। এর আগে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ব্যাংককে উবার ‘মোটরসাইকেল ট্যাক্সি সার্ভিস’ চালু করে। কিন্তু ভারত ছাড়া উবারমটো আর কোথাও ততোটা জায়গা করে নিতে পারেনি। ঢাকায় গত বছরের ২২ নভেম্বর চালু হয় আন্তর্জাতিক অন ডিমান্ড ট্যাক্সি সার্ভিস উবার। পরের মাস ডিসেম্বরে চালু হয় পাঠাও। দুই সপ্তাহ আগে কিছুটা বাড়তি ভাড়ায় পাঠাও কারস নামে একই অ্যাপসে চালু হয়েছে ট্যাক্সি সার্ভিসও।

  • বিদেশি লিগে বিধি-নিষেধ বিসিবির

    বিদেশি লিগে বিধি-নিষেধ বিসিবির

    তাঁরা দুজন গতবারও ছিলেন একই দলে। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) তৃতীয় আসরেও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পেশোয়ার জালমি সাকিব আল হাসানকে ধরে রাখার পাশাপাশি ড্রাফট থেকে নিয়েছে তামিম ইকবালকেও।

    আর এই দলভুক্তির খবরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে পেশোয়ারের স্থানীয় পশতু ভাষায় তাঁদের দুজনের ‘টুইট’ করা নিয়ে যখন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে অকারণ সমালোচনার ঝড়, তখন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারদের মধ্যেও তোলপাড়টা কম নয়। বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগগুলোতে ক্রমেই বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের দুয়ার উন্মোচিত হওয়ার সময়েই যে তাঁদের এ ধরনের আসরে খেলার সুযোগ সংকুচিত করে দেওয়া হয়েছে। বিসিবিই করে দিয়েছে সেটি। দেশের সর্বোচ্চ ক্রিকেট প্রশাসন ঠিক করেছে, এখন থেকে এর চুক্তিভুক্ত ক্রিকেটারদের বছরে সর্বোচ্চ দুটির বেশি বিদেশি লিগে খেলার এনওসি বা অনাপত্তিপত্র দেওয়া হবে না।

    সেই সঙ্গে চুক্তিতে থাকা ক্রিকেটারদের জন্য দেশের ফার্স্ট ক্লাস প্রতিযোগিতা এনসিএল (জাতীয় ক্রিকেট লিগ) এবং বিসিএলে (বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ) খেলাও বাধ্যতামূলক করেছে। এর আগেও এই আসরগুলোতে খেলার নির্দেশনা ছিল। তবে সেটা এবারের মতো আনুষ্ঠানিক ছিল না কখনোই। গত পরশু বোর্ডের বেতনভুক্ত ক্রিকেটারদের প্রত্যেককে পাঠানো চিঠিতে ঘরোয়া ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে অংশ নেওয়ার বাধ্যবাধকতার বিষয়টি উল্লেখ করার পাশাপাশি বিদেশি লিগে খেলার এনওসি নিয়েও নিজেদের কঠোর অবস্থান জানায় দিয়েছে বিসিবি। বোর্ড থেকে এ রকম চিঠি প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাকিব আল হাসানসহ জাতীয় দলের আরো বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারও।

    তবে এঁদের প্রত্যেকেই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থেকেছেন।

    এই মুহূর্তে সেটি খুব স্বাভাবিকও। কারণ প্রতিদিন বিসিবি থেকে নানা বিধি-নিষেধের এত চিঠি তাঁদের কাছে যাচ্ছে যে ছড়িয়ে পড়েছে ‘চিঠি আতঙ্ক’ও! গতকালই যেমন এক চিঠিতে যেকোনো বিষয়েই সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। যার ব্যত্যয় হলে নিশ্চিত আর্থিক জরিমানা এড়াতে মুখে কুলুপ এঁটেছেন ক্রিকেটাররা। যদিও সর্বোচ্চ দুটি বিদেশি লিগে খেলার নিয়ম করে দেওয়াটা যে পছন্দ হয়নি, সেটি অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশে দ্বিধা ছিল না কারো। এঁদেরই একজন বলছিলেন, ‘একটা সময় ছিল, যখন বিদেশের লিগে বাংলাদেশের একজনই (সাকিব) খেলত। এখন দিন দিন বিদেশে আমাদের ক্রিকেটারদের চাহিদা বাড়ার সময়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য একটি বড় ধাক্কাই। ’

    যদিও বিসিবি বলছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সময় জাতীয় দল যাতে চোটের ধাক্কায় নাকাল না হয়, সে জন্যই বিদেশি লিগে খেলতে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের কঠোর মনোভাব। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, ‘সার্বিক দিক বিবেচনা করেই আমরা এ সিদ্ধান্তটি নিয়েছি। একেই আমাদের পরবর্তী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটসূচি খুব ঠাসা, তার ওপর ক্রিকেটারদের পর্যাপ্ত বিশ্রামের ব্যাপারও আছে। এর সঙ্গে জড়িত খেলোয়াড়দের ইনজুরি ব্যবস্থাপনার বিষয়টিও। আমরা চাই আন্তর্জাতিক খেলার সময় আমাদের সেরা খেলোয়াড়দের সবাইকে পেতে। তাই বছরে দুটির বেশি বিদেশি লিগে খেলতে দেওয়া হবে না কাউকেই। ’ এমনকি কারো কারো ক্ষেত্রে মিলতে পারে বিদেশে মাত্র একটি টি-টোয়েন্টি লিগে খেলার ছাড়পত্রও। সেটি কোন ক্ষেত্রে? তাও নির্দিষ্ট করেছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী, ‘কেউ যদি একই বছরে টি-টেন টুর্নামেন্টও খেলে, তাহলে সে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টও খেলতে পারবে একটি। কেউ ইংল্যান্ডে গিয়ে কাউন্টি ক্রিকেটে দীর্ঘ পরিসরের ম্যাচ খেললে তার জন্যও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। ক্রিকেটারদের যে চিঠিটা আমরা দিয়েছি, তাতে এসব কিছুরই উল্লেখ আছে। ’

    এই নিয়মে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা সাকিব আল হাসানের। কারণ বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোতে বাংলাদেশিদের মধ্যে তাঁর চাহিদাই সবচেয়ে বেশি। আগামী ১৪ ডিসেম্বর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাতে শুরু হতে যাওয়া নতুন ফরম্যাটের ক্রিকেট টি-টেনের আসরে তাঁর পাশাপাশি দল পেয়েছেন তামিম ও মুস্তাফিজুর রহমানও। পরেরজন গত বছর সাসেক্সের হয়ে ন্যাটওয়েস্ট টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট খেলতে গিয়ে পাওয়া কাঁধের চোটে ছিলেন লম্বা সময় মাঠের বাইরে। অস্ত্রোপচার করিয়ে দীর্ঘ পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষে তবেই ফিরেছিলেন মাঠে। সাকিব-তামিম-মুস্তাফিজরা যদি পরের বছরও ১০ ওভারের ক্রিকেট খেলেন, তাহলে ২০১৮ সালে তাঁরা দেশের বাইরে খেলতে পারবেন শুধু একটি টি-টোয়েন্টি লিগেই। সে ক্ষেত্রে আইপিএল, সিপিএল (ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ) নাকি পিএসএল? বাছবেন কোনটি? বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের দুয়ার ক্রমেই উন্মুক্ত হওয়ার সময়ে এই সংকটটা সাকিবের মতো না হলেও তামিম বা মুস্তাফিজেরও কম নয়!