Blog

  • পুলিশের ৬ কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি

    পুলিশের ৬ কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি

    ডিআইজ থেকে অতিরিক্ত আইজিপি (গ্রেড-২) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন পুলিশের ৬ কর্মকর্তা।

    বুধবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখার উপসচিব আবু সাইদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাদের পদোন্নতি দেয়া হয়।

    পদোন্নতি প্রাপ্তরা হলেন, পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মো. মতিউর রহমান শেখ, পুলিশ সদর দফতরের উপপুলিশ মহাপরিদর্শক মো. আলমগীর আলম, এসবির অতিরিক্ত উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) সরদার তমজি উদ্দিন আহমেদ, পুলিশ অধিদফরের উপপুলিশ মহাপরিদর্শক মো. দেলোয়ার হোসেন মিঞা, এসবির অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শকের চলতি দায়িত্বে থাকা মো. শাহ আলম এবং সারদা পুলিশ অ্যাকাডেমির উপপুলিশ মহাপরিদর্শক মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।

  • সেপ্টেম্বরে কমেছে মূল্যস্ফীতি, বেড়েছে মজুরি

    সেপ্টেম্বরে কমেছে মূল্যস্ফীতি, বেড়েছে মজুরি

    বাজারে জিনিসপত্রের দাম না কমলেও দেশে মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী। গত সেপ্টেম্বর মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশে, যা আগস্টে ছিল ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

    এ সময়ে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ, যা তার আগের মাসে ছিল ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

    বুধবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) কঞ্জুমার প্রাইস ইনডেক্স (সিপিআই) প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ১৫ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ১০ দশমিক ৯৫ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ১০ দশমিক ৩৮ শতাংশ, যা তার আগের মাসে ছিল ১১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯১ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ১০ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

    এদিকে শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৮৩ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ১০ দশমিক ০১ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ, যা তার আগের মাসে ছিল ১১ দশমিক ২৪ শতাংশ। তবে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ২০ শতাংশ।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে বেড়েছে দেশের মজুরি হার। এর হার দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ০১ শতাংশে, যা আগস্টে ছিল ৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ। এক্ষেত্রে কৃষিতে মজুরি হার বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ২৮ শতাংশ, যা তার আগে মাসে ছিল ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ। শিল্পে সেপ্টেম্বর মাসে মজুরি হার বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ৬১ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ। সেবা খাতে মজুরি হার বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ।

  • আবারও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসছেন প্রধান উপদেষ্টা

    আবারও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসছেন প্রধান উপদেষ্টা

    প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আগামী শনিবার (৫ অক্টোবর) থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আবারও আলোচনায় বসবেন। এর আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দুই দফায় আলোচনা করেন তিনি।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য দাওয়াত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    শফিকুল আলম বলেন, এ আলোচনার মুখ্য বিষয় হবে সংস্কার কমিশনগুলোর কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করা। সেখানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে।

    তিনি বলেন, আগামী শনিবার থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা হবে। এতে ৬ সংস্কার কমিশনের কাজের অগ্রগতির ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোকে অবগত করা হবে। তাদের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়া হবে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অবগত করা হবে।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা মতবিনিময় সভা করবেন। ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর থেকে দুই দফা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মিটিং হয়েছে। এটারই চলমান প্রক্রিয়ায় শনিবার থেকে আবার নতুন দফায় আলোচনা শুরু হবে। দেশের প্রধান প্রধান দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা হবে।

    রাজনৈতিক আলোচনার উপর কমিশন গঠন নির্ভর করছে না জানিয়ে তিনি বলেন, কমিশনগুলোর পতনরা কাজ শুরু করেছেন। তাদের জন্য অফিসগুলো খোঁজা হচ্ছে। যারা যারা কমিশনের মেম্বার হবেন, সেক্ষেত্রে তাদের সম্মতি লাগে, এখন তাদের সম্মতি নেওয়া হচ্ছে সম্মতি নেওয়া হচ্ছে।

    কোন কোন দলকে দাওয়াত দেওয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা নির্ভর করছে প্রধান উপদেষ্টার উপর। পুরোটাই উপদেষ্টামণ্ডলী ডিসাইড করবেন। আমি যতটুকু জেনেছি যে, প্রধান প্রধান দলগুলোকে দাওয়াত দেওয়া হবে।

  • সারাদিন ল্যাপটপে কাজ, চোখের চাপ কমাতে যা করা উচিত

    সারাদিন ল্যাপটপে কাজ, চোখের চাপ কমাতে যা করা উচিত

    বর্তমান সময়ে কম-বেশি সবই কম্পিউটারের সামনে বসে অনেকক্ষণ ধরে কাজ করেন। কিংবা কেউ সারাদিন ল্যাপটপে কাজ করছেন। এতে দেখা আপনি ৮-৯ ঘণ্টা কাজ করছে। যে কারণে আপনার চোখের বারোটা বেজে যাচ্ছে। এতে আপনার অনেক সময় চোখ শুকিয়ে যায়। ক্লান্ত লাগে। আবার অনেকের চোখে প্রচুর চাপ সৃষ্টি হয়। চোখ ব্যথা করে, জ্বালাপোড়া করে।

    তাই আপনার চোখের বারোটা বাজার আগেই চোখের চাপ কমিয়ে ফেলুন। আপনি যদি চোখের চাপ কমাতে চান তা হলে সারাদিন কখনই ফোন ব্যবহার করবেন না কিংবা সারাদিন কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না।

    এখন কী করে বুঝবেন আপনার চোখে চাপের সৃষ্টি হচ্ছে। লক্ষণ যখন দেখবেন আপনার চোখ শুকিয়ে যাচ্ছে বা জ্বালাপোড়া করছে কিংবা চোখ ক্লান্ত লাগছে, ব্যথা করছে তাকাতে কষ্ট হতে পারে। আবার অনেকের ক্ষেত্রে চোখ ঝাপসা হয়ে যায়। মাথাব্যথা হয়, আবার প্রচণ্ড পরিমাণে চোখ চুলকায়। কীভাবে মিলবে রেহাই। দূরের দিকে তাকান যদি আপনি চোখের এই চাপ কমাতে চান, তাহলে অন্তত কুড়ি সেকেন্ড দূরের দিকে তাকিয়ে থাকবেন। কাজ করতে করতে দূরের দিকে যদি তাকিয়ে থাকেন, তাহলে মানসিক চাপ কমার সঙ্গে সঙ্গে চোখের চাপও কমে আসবে।

    চোখের ব্যায়াম করুন চোখের বিশ্রাম দিন। চোখ বন্ধ করে থাকুন। চোখের ব্যায়াম করুন। এতে কিন্তু চোখের চাপ কিছুটা হলেও কমবে।

    আলো কমিয়ে কাজ করুন কম্পিউটার বা ফোনের। এতে আলো চোখে যেহেতু সমস্যা করে, তাই এই কম্পিউটার বা ফোনের আলো একটু কমিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন। মাঝে মধ্যে কাজ ছেড়ে উঠে বারবার চোখে পানি দিন। আলোর সামনে কাজ করুন যখন কম্পিউটার ব্যবহার করবেন তখন, কিন্তু দেখবেন আপনার কম্পিউটারের সামনে যেন পর্যাপ্ত পরিমাণে আলো থাকে। তাহলে কিন্তু চোখের চাপ একদমই হবে না।

    যদি আপনি নিত্যদিন আট-নয় ঘণ্ট কাজ করেন, তাহলে অবশ্যই সকালবেলা উঠে চোখের ব্যায়াম করুন। যদি পারেন সবুজ ঘাসের দিকে তাকিয়ে থাকুন। এতে আপনার চোখ ব্যথা থাকলে তাও কমবে। সেই সঙ্গে চোখের চাপ অনেকটাই কমবে। সঠিক লেন্স বা চশমা পরুন। এতে চোখের চাপ কমবে, সেই সঙ্গে বাড়বে দৃষ্টিশক্তিও। এমনকি মাথাব্যথার সমস্যা থাকলে তাও কমবে।

  • শিশুদের শাসনে ইসলামের সীমারেখা

    শিশুদের শাসনে ইসলামের সীমারেখা

    শিশুদের তরবিয়ত ও শিষ্টাচার শিক্ষা দিতে গিয়ে অনেক সময় শাস্তি দিতে হয়। পরিবার, স্কুল, মাদ্রাসা- সবখানেই শাস্তি স্বরূপ একটু-আধটু প্রহারের চল রয়েছে। তবে সমস্যা হচ্ছে- প্রহার ও শাস্তি দিতে গিয়ে অনেক সময় আমাদের মধ্যে বাড়াবাড়ি পরিলক্ষিত হয়। কিন্তু ইসলাম শিশুদের শাস্তি ও প্রহারের ক্ষেত্রেও সীমারেখা নির্দিষ্ট করে দিয়েছে। এজন্য অবশ্যই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

    এ প্রসঙ্গে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ (শাস্তি দিতে গিয়ে) আঘাত করলে, চেহারা থেকে বিরত থাকো।’ (আবু দাউদ)

    আরেকটি হাদিসে বর্ণিত আছে, হজরত আবু বুরদা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী (সা.)-কে বলতে শুনেছেন, ‘আল্লাহর দেওয়া নির্ধারিত হদ ছাড়া ১০ বেত্রাঘাতের বেশি মারা যাবে না।’ (বুখারি ও মুসলিম)

    উপমহাদেশের অন্যতম দ্বীনি প্রতিষ্ঠান জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়া বানুরি টাউনের ফতওয়া বিভাগ প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রকে শাস্তির বিষয়ে একটি ফতোয়া দেওয়া হয়েছে। সেখানে বেশকিছু শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে।

    সেগুলো হলো- প্রহারের ক্ষেত্রে শিশুর বাবা-মা থেকে অনুমতি নিতে হবে। শাস্তির উদ্দেশ্য হতে হবে সতর্ক ও তরবিয়ত করা, রাগ ঝাড়া বা প্রতিশোধ আদায় করার জন্য না। শরিয়তে নিষিদ্ধ- এমন শাস্তি দেওয়া যাবে না। রাগ অবস্থায় মারা যাবে না; বরং যখন রাগ পড়ে যায়, তখন কপট রাগ দেখিয়ে শাস্তি দেয়া। শিশুর অবস্থা যেন শাস্তির উপযুক্ত হয়, অর্থাৎ যেন তার সহ্যের সীমা থেকে বেশি প্রহার না করা হয়। প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষককে তরবিয়তি শাস্তির অনুমতি থাকা।

    আরো শর্ত হলো- হাত দিয়ে মারতে হবে; লাঠি, ডাণ্ডা, চাবুক দিয়ে মারা যাবে না। যদি প্রাপ্তবয়স্ক হয়, তাহলে প্রয়জনে লাঠি দিয়েও মারা যাবে, তবে শর্ত হলো- সহ্যের সীমার মধ্যে থাকতে হবে। একবারে তিন আঘাতের বেশি যেন না হয়। একই সঙ্গে এক যায়গায় তিনবার প্রহার করা যাবে না; তিনবার তিন জায়গায় প্রহার করতে হবে। মাথা, চেহারা এবং লজ্জাস্থান প্রহারের জায়গা নয়।

    শিশু শাস্তির উপযুক্ত হওয়া; এত ছোট না হওয়া- যাকে শাস্তি দিয়ে শেখানোর বয়সই হয়নি, তাকে মারা জায়েজ নেই। হাড় ভেঙ্গে যায়, চামড়া ফেটে যায় বা শরীরে.. অথবা বুকের মতো নাযুক স্থানে এর চিহ্ন থেকে যায়- এমন শাস্তি দেওয়া নাজায়েজ। (ফতোয়া নং :১৪৪৪০৯১০০৯১৫)

    মোটকথা, শাস্তির উদ্দেশ্য হলো- সংশোধন করা। এজন্য আদর-স্নেহের মনোভাব লুকিয়ে রেখে কঠোরতা প্রকাশ করা। কিন্তু এই কঠোরতাই যদি সন্তান বা ছাত্রের মনে স্থায়ী হয়ে যায়, তাহলে বিপরীতে শিশু বিগড়ে যাবে। প্রহারের ভয়ে সাময়িক বিরত থাকলেও পরবর্তীতে একই অপরাধ করবে।

    এজন্য দোষণীয় কাজের ব্যাপারে মানসিক পরিচর্যা অনেক গুরুত্ব রাখে। আমরা আমাদের বড়দের দেখি- তারা শাস্তি দেন, তারপর তাকে আলাদাভাবে আদর করেন, নাশতা করান। এত কিছু করার কারণ, যেন সে বিগড়ে না যায়।

    সুতরাং আগামী প্রজন্মকে সঠিক পরিচর্যা, উপযুক্ত তরবিয়ত প্রদানে আমাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বাড়াবাড়ি ছাড়াছাড়িতে লিপ্ত হওয়া যাবে না।

    এক্ষেত্রে একটি সুন্দর পদক্ষেপ হলো- বিশেষত শিক্ষক প্রশিক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া এবং এটি শিক্ষক নির্বাচনে আবশ্যক করে নেওয়া। তাহলে ইনশাআল্লাহ আমরা আমাদের প্রজন্মকে পার্থিব ও পরকালীন একটি সুন্দর জীবন উপহার দেওয়া সম্ভভ হবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ কবুল করুন। আমীন।

  • পাকিস্তানে নতুন নেতৃত্বের আলোচনায় আছেন যারা

    পাকিস্তানে নতুন নেতৃত্বের আলোচনায় আছেন যারা

    অবশেষে গুঞ্জন সত্যি হলো। পাকিস্তানের অধিনায়কের পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন বাবর আজম। বর্তমান পিসিবি প্রধান মহসিন নাকভির আস্থাভাজন ছিলেন তিনি।

    তবে এবার বাইরের চাপ নয়, নিজ থেকেই পাকিস্তানের সাদা বলের অধিনায়কত্ব থেকে ছেড়ে দিয়েছেন বাবর আজম। দ্বিতীয় দফায় দায়িত্ব পালন করতে এসে এক বছরের কম সময়ের আগে নেতৃত্ব ছাড়লেন এ ব্যাটার।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিবৃতি দিয়ে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বাবর। বলেছেন, ব্যাটিংকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

    বিবৃতিতে বাবর জানিয়েছেন, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি) নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি। বাবর লিখেছেন, ‘আমি আজ আপনাদের একটি সংবাদ জানাব। আমি পাকিস্তান ক্রিকেট দলের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানিয়েছি।’

    এদিকে বাবর আজমের সরে দাঁড়ানোর পর সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছে মোহাম্মদ রিজওয়ানের নাম। দেশটির ঘরোয়া ক্রিকেটে অনেকটা দিন ধরেই বিভিন্ন দলের অধিনায়ক হয়েছেন। সবশেষ ওয়ানডে চ্যাম্পিয়ন্স কাপেও অবশ্য নিজ দলের অধিনায়ক ছিলেন না বাবর আজম। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাটিং ফর্মেও নেই তিনি। ফর্ম আর পরিস্থিতি বিবেচনায় রিজওয়ানকেই অধিনায়কের পদে এগিয়ে রাখা হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।

    অধিনায়কের দৌড়ে আছে শাহিন আফ্রিদির নামটাও। পূর্বের বোর্ড সভাপতি জাকা আশরাফ আস্থা রেখেছিলেন এই পেসারের ওপর। বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর বাবরকে সরিয়ে শাহিন আফ্রিদিকেই দেওয়া হয় দায়িত্ব। যদিও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সফরে পাকিস্তান ছিল পুরোপুরি ব্যর্থ হয় শাহিন।

    এদিকে টেস্ট দলেও অধিনায়ক পরিবর্তন নিয়ে চলছে গুঞ্জন। সেখানে অবশ্য শান মাসুদের ওপর আস্থা আছে লাল বলের ক্রিকেটে পাকিস্তানের কোচ জেসন গিলেস্পির। শান মাসুদও আগ্রহী নন অধিনায়কত্ব ছাড়তে।

  • পরীর বেশে বুবলী

    পরীর বেশে বুবলী

    ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা শবনম বুবলী। টেলিভিশনে সংবাদ পাঠিকা থেকে সুপাস্টার শাকিব খানের হাত ধরে চলচ্চিত্রে আসেন তিনি। তবে মাঝে শাকিবের সঙ্গে বিয়ের পর বিচ্ছেদ। এরমধ্যে আবার এক সন্তানের মা-ও হয়েছেন এই নায়িকা। তবে এসব নিয়ে নানা সময় নানা বির্তকের মধ্যে গেছেন তিনি।

    বর্তমানে অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সরব দেখা যায় শবনম বুবলীকে। বিভিন্ন সময় অনুরাগীদের মাঝে নিজের ভালো লাগার মুহূর্তগুলো শেয়ার করে নেন। সম্প্রতি ফেসবুকে ভক্তদের মাঝে কিছু ছবি শেয়ার করেছেন। যেখানে তাকে বেশ হাসিখুশি দেখা গেছে।

    শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, খোলা চুলে মিষ্টি হাসিতে ডানা কাটা সাদা পোশাকে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে এক অনন্য লুকে ধরা দিয়েছেন। মিষ্টি হাসি আর চোখের চাহনি যেন ভক্তদের চোখ ফেরাতে দিচ্ছে না।

    সেই পোস্টে এ অভিনেত্রী একটি গানের লিরিক্স ক্যাপশনে লিখেছেন যার অর্থ, ‘এমন ভাবে হাসুন যেন আপনি স্বর্গের ফেরেশতা হিসেবে এসেছেন।’

    পোস্টের কমেন্ট বক্সে ভক্ত-অনুরাগীরা অভিনেত্রীর রূপের বেশ প্রশংসা করেছেন। সাবিহা নামে একজন লিখেছেন, ‘মাশাল্লাহ খুবই সুন্দর লাগছে দোয়া করি এই সুন্দরটাই যেন আপনার মনের ভেতরে থাকে।’ আরেকজন অনুরাগী লিখেছেন, ‘দুইদিকে ডানা সাদা মেঘকন্যাকে দেখতে খুব সুন্দর লাগছে।’

    উল্লেখ্য, বুবলির কর্মজীবন শুরু হয় সংবাদ পাঠ দিয়ে। তিনি বাংলাদেশের জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল বাংলাভিশন-এ ২০১৩ সালে সংবাদ পাঠ শুরু করেন। এরপর ২০১৬ সালে বসগিরি চলচ্চিত্রের পরিচালক শামীম

    আহমেদ রনি তাকে এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দিলে তিনি সম্মত হন। অপু বিশ্বাসকে এই চরিত্রের জন্য নির্বাচন করা হয়েছিল। পরে অপু বিশ্বাস নিজেকে এই চলচ্চিত্র থেকে সরিয়ে নিলে তার স্থানে বুবলিকে নির্বাচন করা হয়।

  • দিশা পটানির প্রেমিকের সঙ্গে জলকেলিতে হার্দিকপত্নী

    দিশা পটানির প্রেমিকের সঙ্গে জলকেলিতে হার্দিকপত্নী

    অনেক দিন ধরেই বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন ক্রিকেটার হার্দিক পান্ডিয়া ও সার্বিয়ান মডেল নাতাশা স্তানকোভিচ। আর এ বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ঘোষণা করেছিলেন এ তারকা জুটি। বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে কৌতূহল প্রকাশ করেছিলেন নেটিজেনরা। হার্দিক নাকি মানুষ হিসেবে খুবই আত্মকেন্দ্রিক। নিজের কথা ছাড়া তিনি নাকি আর কিছুই ভাবতে পারেন না বলে অভিযোগ নাতাশার ।

    দীর্ঘদিন এ নিয়ে নাতাশার ক্ষোভ। তারপরও হার্দিকের সঙ্গে সব কিছু মিটিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করেছেন তিনি। তবে ফল মেলেনি। শেষ পর্যন্ত ক্রিকেটারের সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেই নিজ দেশে চলে যান নাতাশা। মাসখানেক সার্বিয়ায় কাটিয়ে ফিরে আসেন আবার মুম্বাইয়ে। তারপর শহরের বিভিন্ন জায়গা দেখা মিলেছে নাতাশার।

    এ মডেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সক্রিয়। হুটহাট করেই দেখা যায় বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে। সেসব ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও দেন। এবার তাকে দেখা গেল অভিনেত্রী দিশা পটানির প্রেমিকের সঙ্গে গোয়ায়।

    হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকে সাবেক প্রেমিক আলি গোনির ছবিতে লাইক দিয়েছেন বেশ কয়েকবার। হার্দিকের সঙ্গে বিচ্ছেদের জল্পনা চলাকালীন তার সঙ্গে শরীরচর্চা প্রশিক্ষক আলেকজান্ডার আলেক্সলিককে বারবার একসঙ্গে দেখা গেছে।

    এদিকে টাইগার শ্রফের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকেই দিশার সঙ্গে আলেকজান্ডারের প্রেমের চর্চা। নিজের বাহুতে দিশার মুখের উল্কি করিয়েছেন তিনি। এবার দিশার চর্চিত প্রেমিকের সঙ্গে গোয়া গিয়ে জলকেলিতে মাতলেন মডেল নাতাশা স্তানকোভিচ। একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সাঁতারপুলে টায়ার টিউবের ওপর শুয়ে আছেন তিনি।

    তখনই চুপি চুপি পেছন থেকে এসে তাকে জলে ফেলে দেন অ্যালেক্সজান্ডার। চমকে ওঠেন নাতাশা। তাদের দুজনের পরনেই স্নান পোশাক। একে অন্যের সঙ্গ যে চুটিয়ে উপভোগ করছেন তা বোঝাই যাচ্ছে।

    তাদের এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাতাশাকে নিয়ে কটাক্ষ করেছেন নেটিজেনরা। এক নেটিজেন লিখেছেন— হার্দিক বেঁচে গেছে— কী মেয়ে। আরেক নেটিজেন লিখেছেন—হার্দিক কিন্তু লুকিয়ে লুকিয়ে সব দেখছেন।

  • যে কারণে স্বামীকে ৯ টুকরো করে সেফটিক ট্যাংকে ফেলেন স্ত্রী

    যে কারণে স্বামীকে ৯ টুকরো করে সেফটিক ট্যাংকে ফেলেন স্ত্রী

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে হত্যা করে নয় টুকরা করে ইট দিয়ে পলিথিনে পেঁচিয়ে পাশের বাড়ির সেফটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখে স্ত্রী।

    ঘটনার চারদিন পর গতকাল (মঙ্গলবার) তার লাশ উদ্ধার করেছে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা পুলিশ। এই ঘটনায় ঘাতক স্ত্রী মোমেনা বেগম, তার ছেলে রাসেল ও মেয়ে লাকীকে আটক করেছে পুলিশ।

    জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল অরুন মিয়া। নিহতের বাবার নাম সুরুজ ব্যাপারী।

    পুলিশ ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ফরদাবাদ ইউনিয়নের ফরদাবাদ গ্রামের মধ্যপাড়ার অরুণ মিয়া প্রথম স্ত্রী মৃত্যুর পর ৩৫ বছর আগে দ্বিতীয় বিবাহ করেন একই গ্রামে মোমেনা বেগমকে। তাদের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চরম আকার ধারণ করে। এক পর্যায়ে অরুন মিয়া তার প্রথম স্ত্রীর সন্তান রুবেলের কাছে ঢাকায় চলে যান।

    এদিকে অরুন মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তান দুবাইয়ে কর্মরত অবস্থায় মারা যান। পরে দেশে এনে তার লাশ দাফন করা হয়। তার বিদেশ যাওয়ার সময় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জনের কাছ থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ঋণ করেন। পরবর্তীতে অরুন মিয়া তার জমি বিক্রি করে দেনা পরিশোধ করেন।

    গত শুক্রবার বিকেল থেকে অরুণ মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এ বিষয়ে গত সোমবার তার প্রথম স্ত্রীর সন্তান লুৎফুর রহমান রুবেল বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন।

    গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে অরুণ মিয়ার পার্শ্ববর্তী বাড়ির সৌদি প্রবাসী মনির মিয়ার সেফটি ট্যাংকির কাছে দুর্গন্ধ পায় এলাকাবাসী এসময় তারা টর্চ লাইট দিয়ে ভিতরে পলিথিনে মোড়ানো কিছু দেখতে পায় । এরপর পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে সেফটি ট্যাংকের মধ্যে থেকে নয় টুকরো পলিথিন দিয়ে মোড়ানো অংশ উদ্ধার করে এটা অরুণ মিয়ার লাশ বলে তার ছেলে শনাক্ত করে।

    প্রতিবেশী কুদ্দুস মিয়া বলেন, কত শুক্রবার আমরা সঙ্গে অরুণ মিয়া নামাজ পড়েছে তারপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল তার বউ আমাদের বলেছে শুক্রবার সকালে সে ঢাকা গিয়েছে এ বিষয়টি আমাদের সন্দেহ হয়।

    পরবর্তীতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আমরা মনিরের বাড়ির সেফটি ট্যাঙ্কে দুর্গন্ধ পাই পরে টর্চ লাইট দিয়ে দেখি পলিথিনে মোড়ানো কিছু জিনিস। আমরা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ পলিথিন প্যাঁচানো মধ্যে লাশ দেখতে পান। পরে লাশটি শনাক্ত করে তার ছেলে।

    অরুণ মিয়ার প্রথম স্ত্রীর সন্তান লুৎফুর রহমান রুবেল বলেন, আমার বাবা সাত বছর আমার কাছে ছিল কিছুদিন আগে আমার প্রতিবেশী চাচারা বিষয়টি মিটমাট করে দেয় এবং আমার ছোট মায়ের সঙ্গে আমার বাবা থাকা শুরু করে। এরমধ্যে আমার ভাই সৌদি আরবে মারা যায়। তার বিদেশ যাওয়ার সময় অনেক টাকা দেনা ছিল পরবর্তীতে আমার বাবা জমি বিক্রি করে এই দেনা পরিশোধ করে। গত কয়দিন যাবত আমি ফোনে আমার বাবার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করি কিন্তু যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। পরে গত রোববার আমি বাড়িতে আসি এবং থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি।

    বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার পরিদর্শক সুজন চন্দ্র পাল বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি পারিবারিক কলহের জেরে অরুন মিয়াকে মারা হয়েছে। এই ঘটনায় মোমেনা বেগম তার ছেলে রাসেল ও মেয়ে লাকিকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে।

  • সচিবালয়ে হট্টগোল, শাস্তি পাচ্ছেন যে ১৭ জন

    সচিবালয়ে হট্টগোল, শাস্তি পাচ্ছেন যে ১৭ জন

    সচিবালয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদ নিয়ে হট্টগোলের ঘটনায় ১৭ জন উপ-সচিবকে শাস্তি দেওয়ার সুপারিশ করেছে এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি।

    জানা গেছে, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব এম এ আকমল হোসেন আজাদের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি আট জনকে গুরুদণ্ড, চার জনকে লঘুদণ্ড ও পাঁচ জনকে তিরস্কারের শাস্তি দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

    এর মধ্যে নুরজাহান খানম, মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া, মো. জসিম উদ্দিন, রেবেকা খান, মো. সাইফুল হাসান, মোহাম্মদ জয়নুল আবেদিন, নুরুল হাফিজ এবং মোতাকাব্বীর আহমেদকে গুরুদণ্ড দেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। হাসান হাবীব, মো. আ. কুদদূস, আব্দুল মালেক, মোহাম্মদ নজরুল ইসলামকে লঘুদণ্ড এবং মো. সগীর হোসেন, মো. মুনিরুজ্জামান, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. হেমায়েত উদ্দীন, মো. তোফায়েল হোসেনকে শাস্তি হিসেবে ‘তিরস্কার’ করার সুপারিশ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর দুই দিনে দেশের ৫৯ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দেওয়া হয়। এ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ তুলে ১০ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হট্টগোল করেন উপসচিব পর্যায়ের এসব কর্মকর্তা।

    এ ঘটনায় সমালোচনার মুখে তদন্ত কমিটি গঠন করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান বলেন, গত ১০ সেপ্টেম্বর আমাদের মন্ত্রণালয়ে একটি আনরেস্ট (অসন্তোষ) হয়েছিল। সেটার জন্য এক সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এটার প্রধান ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব এম এ আকমল হোসেন আজাদ। তার রিপোর্ট পাওয়া গেছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা থেকেও প্রতিবেদন পাওয়া গেছে, সাক্ষী-প্রমাণ পাওয়া গেছে।

    সিনিয়র সচিব বলেন, ১৭ জনকে তিনি জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। তিনটি পর্যায়ে তিনি সাজেস্ট করেছেন কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। আটজনের বিষয় বলা হয়েছে, তদন্তসাপেক্ষে কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে গুরুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে। চারজনের বিষয় বলা হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে বিধিবিধান অনুযায়ী লঘুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে। আর পাঁচজনের ব্যাপারে বলা হয়েছে, তাদের শাস্তি তিরস্কার দেওয়া যেতে পারে। তাদের সাবধান করা, যাতে ভবিষ্যতে এটা না করে।