Blog

  • বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে যা বললেন শিক্ষা উপদেষ্টা

    বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে যা বললেন শিক্ষা উপদেষ্টা

    দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও অধিদপ্তরের শীর্ষপদে ব্যাপক রদবদল হচ্ছে। বিগত আওয়ামী সরকার আমলে নিয়োগ পাওয়া পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের বেশিরভাগই পদত্যাগ করেছেন। এরমধ্যে কেবল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    ঢাবি নতুন উপাচার্য পেলেও বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অভিবাবকহীন হয়ে পড়েছে। জানা গেছে, দেশে ৫০টির বেশি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৪০টির বেশি এখন উপাচার্যহীন।

    শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং ক্লাস-পরীক্ষা সচল করতে দ্রুত উপাচার্য নিয়োগ দিতে হচ্ছে সরকারকে। তবে নাগাদ ঠিক কবে বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্য নিয়োগ তা নিয়ে জল্পনা রয়েছে।

    এ নিয়ে শনিবার শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘আশা করি যে অচিরেই আমরা অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ দিতে পারব। আবার ইউজিসির চেয়ারম্যানের পদও শূন্য হয়ে আছে। সেটার জন্য বেসরকারি খাতের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিচালনার ক্ষেত্রে একটা অভিভাবকশূন্যতা দেখা দিয়েছে। এখানে আমরা অতি দ্রুত সবার কাছে গ্রহণযোগ্য দু–একজন মানুষকে নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাব করছি।’

    বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আন্দোলন হচ্ছে। অনেককে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করার খবরও আসছে। এমন পরিস্থিতিতে নিয়োগকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে না দাঁড়াতে আহ্বান করেছেন শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা। বর্তমানে যাদের নিয়োগ দেওয়া হবে সেটা হবে সাময়িক দায়িত্ব। পরে নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন আসবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    ‘যাদের নিয়োগ (প্রশাসনিক পদে) দেওয়া হচ্ছে, তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী ভাববেন না। কারণ এদের অনেকেই কিন্তু পরে নির্বাচনে প্রার্থী হবেন না। তাদের অনেক অনুরোধ করে এখানে (প্রশাসনিক দায়িত্ব দেওয়া) আনা হচ্ছে, একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা সক্রিয় আছেন, জানাশোনা আছেন, তাদেরও মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে। আমি আশা করি, সবকিছু মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আবার শান্তিপূর্ণভাবে চালু হবে, শিক্ষাক্রম চালু হবে।’

    শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘একটা কথা মনে রাখতে হবে যে যেসব উপাচার্যকে এসব পদে নিয়োগ দিচ্ছি, সেখানে কিন্তু প্রধান প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়, স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিজেদের একটা নিয়ম আছে, সিনেটের মাধ্যমে এবং নানা প্রক্রিয়ায় উপাচার্য নিয়োগ হন। এই পদ্ধতি তো চালু থাকবেই। প্রশ্ন উঠতে পারে, এখন আমরা নিয়োগ দিচ্ছি কীভাবে? আসলে পুরো পদ্ধতি গ্রহণেরও তো সময় নেই। আমাদের তো বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চালু করতে হবে। কাজেই এটা সাময়িকভাবে নিয়োগগুলো দিতে হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে নিশ্চয়ই নিয়মানুগভাবে সব কিছু হবে। এখন তো পুরো প্রক্রিয়ায় যাওয়ার সুযোগ নেই।’

  • বন্যা দুর্গত এলাকায় তিন মাস স্পেশাল ওএমএস

    বন্যা দুর্গত এলাকায় তিন মাস স্পেশাল ওএমএস

    সম্প্রতি চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ভয়াবহ বন্যায় ১৪ জেলার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সাশ্রয়ী মূল্যে চাল ও আটা সরবরাহের লক্ষ্যে দুর্গত এলাকার পৌরসভা/ইউনিয়ন পর্যায়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের স্পেশাল ওএমএস কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

    রোববার (১ সেপ্টেম্বর) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের সার্বিক খাদ্য পরিস্থিতিসহ আভ্যন্তরীণ খাদ্য সংগ্রহ, মজুত পরিস্থিতি ও বন্যা দুর্গত জেলাগুলোতে সরকারি খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম সম্পর্কে গণমাধ্যমকর্মীদের অবহিত করেন খাদ্যসচিব ইসমাইল হোসেন।

    খাদ্য সচিব, এ স্পেশাল ওএমএস ওই এলাকাগুলোর ২৩০টি কেন্দ্রে দেওয়া হবে। প্রতিকেন্দ্রে ১ টন চাল ও ১ মে.টন আটা হিসেবে প্রতিদিন ২৩০ টন চাল ও ২৩০ টন আটা বিক্রয় করা হবে।

    সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর ২০২৪ খ্রি. মাসে এ কার্যক্রমে সর্বমোট ১৪ হাজার ৪৯০ মে.টন চাল ও ১৪ হাজার ৪৯০ মে.টন আটা বিক্রয় করা হবে।

    প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা, প্রতি কেজি খোলা আটা ২৪ টাকা এবং প্যাকেট আটা (২ কেজির প্রতি প্যাকেট) ৫৫ টাকা দরে বিক্রি করা হবে।

    খাদ্যসচিব ইসমাইল হোসেন বলেন, বন্যা দুর্গত এলাকায় যে কেউ এ সেবা নিতে পারবে।

    এই ৩ মাসে চাল বাবদ ৪১ কোটি ১২ লাখ টাকা ও আটা বাবদ ৪৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা মোট ৯০ কোটি ৬৮ লাখ ১৮৬৮২ (নব্বই কোটি আটষট্টি লক্ষ আঠারো হাজার ছয়শত বিরাশি) টাকা খাদ্য ভর্তুকি খাদ্য মন্ত্রণালয় হতে দেয়া হবে।

    অন্যদিকে সারাদেশে ওএমএস কার্যক্রমের তথ্য দিয়ে সচিব জানান, বর্তমানে সারাদেশের সকল সিটি কর্পোরেশন, শ্রমঘন ৪টি জেলা (ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদী), সারাদেশের সকল জেলা সদর পৌরসভায় ওএমএস খাতে চাল ও আটা বিক্রি করা হচ্ছে।

    সারাদেশে সর্বমোট ৯১২টি কেন্দ্রে (৯১২টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯১০টি কেন্দ্রে চাল ও আটা এবং ২টি কেন্দ্রে শুধু আটা) দৈনিক মোট ৯১০ মে.টন চাল ও ১,২৬০.৫০ মে.টন আটা ওএমএস কার্যক্রমে বিক্রি চলমান আছে।

    এরমধ্যে ঢাকা মহানগরীতে ১১৮টি দোকান, ৭০টি ট্রাক এবং ইনোভেশনের আওতায় ৩টি কেন্দ্রসহ মোট ১৯১ টি কেন্দ্রে ওএমএস কার্যক্রম চলমান আছে।

  • বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের দল ঘোষণা, নেই আফ্রিদি

    বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের দল ঘোষণা, নেই আফ্রিদি

    দুই যুগের মাথায় প্রথমবার পাকিস্তানের মাটিতে টেস্ট ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ। রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের কাছে ১০ উইকেটে ধরাশায়ী হয় পাকিস্তান। তবে একই মাঠে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ঘুরে দাঁড়াতে চায় শান মাসুদের দল।

    রাওয়ালপিন্ডিতে শুক্রবার (৩০ আগস্ট) সকাল ১০টায় মাঠে গড়াবে ম্যাচটি।

    এ ম্যাচ উপলক্ষ্যে এরই মধ্যে ১২ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। স্কোয়াডে পরিবর্তনও এনেছে স্বাগতিকরা।

    সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের দলে নেই অন্যতম পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি। প্রথম টেস্টের সময়ই বাবা হয়েছিলেন বাঁহাতি এ পেসার। যে কারণে দ্বিতীয় টেস্টে তিনি খেলবেন না বলেই জানিয়েছিলেন। তাই তো তাকে বাদ দিয়েই দ্বিতীয় টেস্টের দল সাজিয়েছে পাকিস্তান।

    দ্বিতীয় টেস্টের জন্য পাকিস্তানের স্কোয়াড:
    আবদুল্লাহ শফিক, সাইম আইয়ুব, শান মাসুদ (অধিনায়ক), সউদ শাকিল (সহ-অধিনায়ক), বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), সালমান আলি আগা, খুররম শেহজাদ, মোহাম্মদ আলী, আবরার আহমেদ, নাসিম শাহ ও মীর হামজা।

  • আদালত চত্বরে কাঁদলেন মির্জা আব্বাস

    আদালত চত্বরে কাঁদলেন মির্জা আব্বাস

    ১৭ বছরে আমার জীবনে সমস্ত কিছু এই আওয়ামী সরকার কেড়ে নিয়েছে, ধ্বংস করে দিয়েছে। আমি না শুধু, আমার মতো বাংলাদেশের বহু নেতাকর্মীর জীবন শেষ করে দিয়েছে। আমার পরিবারটা ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

    বৃহস্পতিবার ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কেঁদে কেঁদে এসব কথা বলছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

    দুর্নীতি দমন কমিশনের করা পৃথক দুই মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন মির্জা আব্বাস।

    এদিন ঢাকার পৃথক দুইটি বিশেষ জজ আদালতের বিচারক তাকে খালাস প্রদান করেন। দুই মামলায় খালাস পেয়ে আদালত প্রাঙ্গণে কাঁদতে দেখা গেছে বিএনপির এই নেতাকে।

    এদিকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপন সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

    মির্জা আব্বাস সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজকে এই সরকারের কাছে আবেদন করব, এই ধরনের নিপীড়নমূলক ভ্যানগুলো যেন প্রত্যাহার করা হয়। এই ভ্যানে করে আমাদেরকে আনা-নেওয়া করা হয়েছে। অনেক কষ্ট হয়েছে। তারপরও বলব, ১৭ বছরে একটা মানুষের জীবনে যে প্রাইম টাইম আজকে আমার বয়স ৭৪ বছর। এই ১৭ বছরে আমার জীবনে সমস্ত কিছু এই আওয়ামী সরকার কেড়ে নিয়েছে, ধ্বংস করে দিয়েছে। আমি না শুধু, আমার মতো বাংলাদেশের বহু নেতাকর্মীর জীবন শেষ করে দিয়েছে।’

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘এই ১৭ বছরে আমাদের বহু কর্মী নিহত হয়েছে। জেলখানায় মারা গেছে। বিনা চিকিৎসায় জেলখানায় মারা গেছে। এই ১৭ বছরে বহু পরিবার ধ্বংস হয়ে গেছে। একইভাবে আমার পরিবার ধ্বংস হয়ে গেছে। আমি যখন আল্লাহর কাছে দোয়া করি, নামাজ পড়ি, দোয়া করি আল্লাহ আমার বিক্ষিপ্ত পরিবারকে এক করে দাও। আমার পরিবারটা ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আমার বিক্ষিপ্ত পরিবারটাকে একত্র করে দাও। এটা আর হলো না।

    মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি আল্লাহর যে রহমত, আল্লাহর যে বিচার, এই বিচার থেকে কোনো মানুষ কেউ রেহাই পাবে না। আল্লাহর যে রহমত আমাদের ওপর বর্ষিত হয়েছে, তেমনি আল্লাহর বিচারও তাদের ওপর বর্ষিত হবে। ওরা যে যেখানে আছে, ওখানে শাস্তি পাবে। আপনারা সর্বশেষ দেখেছেন বিচারপতি মানিকের, কোরআনে আছে, আল্লাহ তায়ালা যাকে বেইজ্জতি করেন, কীভাবে করেন, উনি দেখিয়ে দেন। আমি চাই, আল্লাহ-তায়ালার কাছে সেই বিচারটা।’

    মির্জা আব্বাস আরও বলেন, ‘অনেকে বলতে পারেন, ক্ষমা মহত্ত্বের লক্ষণ। আমি ভাই মহৎ ব্যক্তি না। আমার জীবনের বিনিময়ে কাউকে ক্ষমা করতে পারছি না। এই বিচার আমি আল্লাহর কাছে চাই।’

  • ‘খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার জন্য দায়ী দুই আইনজীবী’

    ‘খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার জন্য দায়ী দুই আইনজীবী’

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দুই আইনজীবীকে দায়ী করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। অনতিবিলম্বে ওই দুজনকে গ্রেফতার করে বিচারের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান।

    তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার আজকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থার জন্য দায়ী পিপি মোশাররফ হোসেন কাজল ও দুদকের আওয়ামী লীগের দালাল প্রধান আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। এই সাবেক ছাত্রলীগের ক্যাডার ফ্যাসিস্ট হাসিনার নির্দেশে সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে দেশনেত্রীকে বছর পর বছর কারাগারের স্যাঁতস্যাঁতে অন্ধকার প্রকোষ্টে বিনা চিকিৎসায় আবদ্ধ রেখেছিলেন।

    রিজভী বলেন, ওয়ান ইলেভেনের ধারাবাহিক এক্সটেনসন অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৬ বছরে শেখ হাসিনার নির্দেশনা মতো খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও বিএনপি নেতাদের নামে বহু কাল্পনিক মামলা আবিস্কার করে তাতে গনভবনের রায় পাঠ করে সাজা দেয়া হয়েছে। কাজল এবং খুরশিদরা বেগম খালেদা জিয়াকে ক্যাঙ্গারু আদালতে প্রকাশ্যে অপমানজনক কথা বলত, হুমকি দিত। দেশনায়ক তারেক রহমান সম্পর্কে কটূক্তি করেছে।

    রিজভী অভিযোগ করে বলেন, কাজল-খুরশিদ দুর্বৃত্ত চক্র তারেক রহমানকেও মিথ্যা মামলায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে ফরমায়েশি সাজা দিয়েছে। এই দুর্বৃত্ত চক্র বিএনপিসহ বিরোধী দল মতের বহু মানুষের জীবন তছনছ করে দিয়েছে। দুদকের মত একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে হাসিনা কাজল-খুরশিদ গংয়ের মতো ছাত্রলীগের ক্যাডার দিয়ে সম্পূর্ণভাবে লীগের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছিলেন। মোশাররফ হোসেন কাজল ছিলেন ১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত মিরপুর থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক।

    তিনি বলেন, দুদককে দায়িত্বই দেওয়া হয়েছিল বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, দেশনায়ক তারেক রহমান, উনার সহধর্মিনী ডা. জোবাইদা রহমানসহ বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে খড়গ চালিয়ে যাওয়ার জন্য। ওয়ান ইলেভেন থেকে এই দুদকে বিএনপির ওপর নির্দয় নিপীড়নের যন্ত্র হিসাবে সরকারি কৌঁসুলি মোশাররফ হোসেন কাজল, খুরশিদ আলম খানসহ আইনাঙ্গনের মাফিয়াদের লেলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই মাফিয়ারা এখনও আদালত প্রাঙ্গনে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। স্বাধীনতা, স্বার্বভৌমত্ব, বহুদলীয় গণতন্ত্র, উন্নয়ন সমৃদ্ধির ধারক ও বাহক জিয়া পরিবারকে কারারুদ্ধ করা, হেয় প্রতিপন্ন ও বিতর্কিত করার অপচেষ্টায় বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, ডা. জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় প্রতিহিংসামূলক ফরমায়েশী সাজার কারিগর দুদকের এই কাজল, খুরশিদ গং।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল, কেন্দ্রীয় নেতা মীর সরাফত আলী সপু প্রমুখ।

  • হজের খরচ কমছে

    হজের খরচ কমছে

    চলতি বছর হজের খরচ কমিয়ে যৌক্তিক পর্যায়ে আনতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

    বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের এক সভা শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

    রিজওয়ানা হাসান বলেন, আমাদের হজ একটা বড় ব্যাপার মুসলমানদের জন্য। কিন্তু হজের মতো পবিত্র কাজেও একটি সিন্ডিকেট দেখতে পাই। তারা কারসাজি করে হজের প্যাকেজ মূল্য বাড়িয়ে তোলে। হজের যে খরচ সেটি যাতে যৌক্তিক পর্যায়ে কমিয়ে আনা যায় সেজন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে। কত হতে পারে, কত কমানো যেতে পারে- সেই আলোচনা হয়েছে। তবে বর্তমান প্যাকেজ যে অনেক বেশি, সেই প্যাকেজ কমিয়ে আনা সম্ভব। প্রাথমিক আলোচনা সেটি হয়েছে।

    এর আগে গত বছর সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। সরকারি প্যাকেজে সর্বনিম্ন ৫ লাখ ৭৯ হাজার টাকা এবং বেসরকারি প্যাকেজে সর্বনিম্ন প্রায় ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।

    উল্লেখ্য, চলতি বছর হজের প্যাকেজ ঘোষণা করা না হলেও প্রাক নিবন্ধন প্রক্রিয়া চলছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে চূড়ান্ত নিবন্ধন শুরু হবে, চলবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।

    গত ২৬ আগস্ট ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছরের জন্য ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন পবিত্র হজ পালন করতে পারবেন।

  • বিডিআর কল্যাণ পরিষদের ৯ দফা দাবিতে কী আছে?

    বিডিআর কল্যাণ পরিষদের ৯ দফা দাবিতে কী আছে?

    পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও চাকরিচ্যুত বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) সদস্যদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে বিডিআর কল্যাণ পরিষদ। রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে বৃহস্পতিবার সকালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের নেতারা এ দাবি জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিডিআর কল্যাণ পরিষদের উপদেষ্টা ফখরুল ইসলাম। এতে বলা হয়, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকার একটি দেশকে সন্তুষ্ট করতে, সেনাবাহিনীর সামর্থ্য ক্ষুণ্ন ও বাংলাদেশ রাইফেলসকে (বিডিআর) ধ্বংস করে নিজেদের ক্ষমতাকে সুদৃঢ় করতে সুপরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ‘পিলখানা হত্যাকাণ্ড’ ঘটিয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হয়েছেন।

    সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর ফ্যাসিস্ট সরকার প্রহসনের বিচারের নামে আলামত ধ্বংস ও নিরীহ ৫৪ বিডিআর সদস্যকে নিরাপত্তা হেফাজতে হত্যা করেছে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে তথাকথিত ‘বিডিআর বিদ্রোহের’ নামে সংজ্ঞায়িত করে ১৮ হাজার ৫২০ জন বিডিআর সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হাজার হাজার বিডিআর সদস্য ও তাদের পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বিডিআর কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে ৯টি দাবি জানানো হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে পিলখানার পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডকে কথিত বিদ্রোহ না বলে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে আখ্যায়িত করতে হবে। ওই ঘটনায় গঠিত সব প্রহসনের বিশেষ আদালতকে নির্বাহী আদেশে বাতিল করতে হবে। চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের সুযোগ-সুবিধাসহ চাকরিতে পুনর্বহাল করতে হবে।

    দাবিতে আরও রয়েছে- পিলখানা হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য ও কুশীলবদের চিহ্নিত করতে স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। পিলখানায় শাহাদতবরণকারী ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে শহিদের মর্যাদা দিতে হবে।

    ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানা হত্যকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই দিন ‘পিলখানা ট্র্যাজেডি দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করার দাবিও জানান পরিষদের নেতারা।

    লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, যেসব নিরীহ বিডিআর সদস্যদের নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে, তাদের তালিকা করে পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া, হত্যাকাণ্ডে জড়িত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা, বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ভোগকারীদের আগামী ৩০ দিনের মধ্যে জামিন কিংবা মামলা হতে অব্যাহতিসহ চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের চাকরিতে পুনর্বহাল করতে হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে বিডিআর কল্যাণ পরিষদের সমন্বয়ক ফরিদ হোসেনসহ অন্যান্য সমন্বয়ক ও চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • আম্বানিকে টপকে ভারতের শীর্ষ ধনী আদানি

    আম্বানিকে টপকে ভারতের শীর্ষ ধনী আদানি

    ভারতের শীর্ষ ধনী পরিবার ধরা হতো মুকেশ আম্বানির পরিবারকে। এবার তাদের হটিয়ে ভারতের শীর্ষ ধনীর জায়গা দখল করেছেন আরেক ধনকুবের গৌতম আদানি।

    ভারতীয় সংস্থা হুরুন ইন্ডিয়ার শীর্ষ ধনীর তালিকায় এই জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। মোট ১১ দশমিক ৬ লাখ কোটি রুপির সম্পত্তি নিয়ে তিনি শীর্ষস্থান অধিকার করেছেন।

    ২০২০ সালের তালিকায় আদানির অবস্থান ছিল চতুর্থ। গত এক বছরে আদানির সম্পত্তি বেড়েছে ৯৫ শতাংশ। হিন্ডেনবার্গকাণ্ডের পর ধনীদের তালিকায় ধস নামে আদানির। যদিও এরই মধ্যে তিনি ঘুরে দাঁড়িয়েছেন।

    হুরুন ইন্ডিয়া রিচ লিস্টের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘হিন্ডেনবার্গের অভিযোগের পর যেন ফিনিক্স পাখির মতো ফিরে এসেছেন গৌতম আদানি ও তার পরিবার। গত বছর তাদের সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৯৫ শতাংশ। এর ফলে তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ৬১ হাজার ৮০০ কোটি রুপিতে এবং এর মধ্য দিয়ে তারা ভারতের শীর্ষ ধনীতে পরিণত হয়েছেন।

    গত এক বছরে আদানি গ্রুপের সব কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। যেমন আদানি পোর্টের শেয়ার দর বেড়েছে ৯৮ শতাংশ। তাছাড়া আদানি এনার্জি, আদানি গ্যাস, আদানি ট্রান্সমিশন ও আদানি পাওয়ার-এভারেজ শেয়ারের দামে ৭৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    ১০ দশমিক ১৪ লাখ কোটি রুপির সম্পত্তি নিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন মুকেশ আম্বানি। ৩১ জুলাই ২০২৪-এ নেওয়া স্ন্যাপশটের ওপর ভিত্তি করে সম্পত্তির পরিমাণ হিসাব করা হয়েছে।

    দেশটিতে বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা রেকর্ড ৩৩৪ জনে পৌঁছেছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

    হুরুন ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান গবেষক আনাস রহমান জুনায়েদ বলেন, ভারত এশিয়ায় সম্পদ তৈরির ইঞ্জিন হয়ে উঠছে।

  • মসজিদে ঢুকে ৫ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করল ইসরাইলি সেনারা

    মসজিদে ঢুকে ৫ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করল ইসরাইলি সেনারা

    এবার ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের একটি মসজিদে ঢুকে পাঁচজনকে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনারা। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার পশ্চিম তীরের তুলকারেমে এ হত্যাকাণ্ড ঘটায় ইসরাইল। যা বিগত কয়েক দিন ধরে চলা অভিযানের মধ্যে সবচেয়ে বড় হত্যাকাণ্ডের একটি। খবর রয়টার্সের।

    ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর ভাষ্য, যে পাঁচজনকে হত্যা করা হয়েছে তারা সবাই ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধা। তার মসজিদটিতে লুকিয়ে ছিল এবং সেখানেই তাদের হত্যা করা হয়। তবে মসজিদে পাঁচজনকে হত্যা করা হলেও ইসরাইলি অভিযান এখনো শেষ হয়নি।

    বুধবার ভোররাতে কয়েক’শ ইসরাইলি সেনা হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং সাঁজোয়া যান নিয়ে পশ্চিম তীরের তুলকারেম, জেনিন ও জর্ডান উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে। রয়টার্সের প্রত্যক্ষদর্শীর মতে, ইসরাইলের এ অভিযানের আগে গাজা ও পশ্চিম তীরের টেলিযোগাযোগব্যবস্থাও ব্যাহত করা হয়।

    এদিকে এখন পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি অভিযানে মোট ১৭ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে গতকাল নিহত হন ১২ জন। পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে বড় ধরনের স্থল ও বিমান হামলা চালানোর ফলে এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

    ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনী বলেছে, তারা জেনিন এবং তুলকারেমে ‘একটি সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান’ চালাচ্ছে। এটি একটি বড় ইসরাইলি অভিযান বলে মনে হচ্ছে। যেখানে একই সময়ে জেনিন, তুলকারেম, নাবলুস এবং তুবাসের মতো বড় চারটি ফিলিস্তিনি শহরকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। দ্বিতীয় ইন্তিফাদার পর ফিলিস্তিনের কয়েকটি শহরে একসঙ্গে হামলার ঘটনা এই প্রথম।

    রেড ক্রিসেন্টের একজন মুখপাত্র বুধবার বলেছেন, অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তরে কয়েকটি শহরে ইসরাইলি অভিযান ও হামলায় ১২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহমেদ জিব্রিল বলেন, জেনিন শহরে দুজন ফিলিস্তিনি, কাছাকাছি একটি গ্রামে চারজন এবং তুবাস শহরের কাছে একটি শরণার্থীশিবিরে আরও পাঁচজন নিহত হয়েছেন। ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনী অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে অভিযান শুরু করেছে বলে গতকাল ভোরে ইসরাইলের একজন সামরিক মুখপাত্র জানান।

    ইসরাইলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিচাই আদ্রেই ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতের টেলিগ্রামে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, নিরাপত্তা বাহিনী এখন জেনিন ও তুলকারেমে সন্ত্রাসবাদকে ব্যর্থ করার জন্য অভিযান শুরু করেছে।

    ইসরাইল এর আগে পশ্চিম তীরে একটি বিমান হামলা চালিয়েছিল। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ পরে জানায়, ওই হামলায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। সেই হামলা ও প্রাণহানির ঘটনার দুই দিন পর ইসরাইলি বাহিনী এ অভিযান চালাল।

    ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে পশ্চিম তীর দখল করে নেয় ইসরাইল। আর গত বছরের শুরু থেকে পশ্চিম তীরে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে গত বছরের ৭ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এটি আরও বেড়েছে।

  • পশ্চিম তীরে ইসরাইলি অভিযান নিয়ে যা বলল জাতিসংঘ ও ইইউ

    পশ্চিম তীরে ইসরাইলি অভিযান নিয়ে যা বলল জাতিসংঘ ও ইইউ

    ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।

    এ অভিযান ইতোমধ্যেই ‘বিস্ফোরণে উন্মুখ পরিস্থিতিকে’ আরও উসকে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

    অন্যদিকে পশ্চিম তীরে অভিযানের মধ্য দিয়ে ইসরাইল আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে বলে মন্তব্য করেছেন ইউরোপিয় ইউনিয়নের মানবিক সহায়তা বিষয়ক কমিশনার জনেজ লেনারসিক।

    দখলকৃত পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি ক্রমশ অবনতি হচ্ছে বলে এক এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টে মন্তব্য করেছেন লেনারসিক।

    পশ্চিম তীরে বুধবার রাত থেকে কথিত ‘সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান’ শুরু করে ইসরাইল। ২০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে পশ্চিম তীরে এদিন সবচেয়ে বড় আগ্রাসন চালায় ইসরাইলের বর্বর বাহিনী। এজন্য জেনিন, তুলকারেম এবং তুবাসে শত শত সেনা মোতায়েন করা হয়।

    ইসরাইলি এ আগ্রাসনে শিশুসহ অন্তত ১৮ ফিলিস্তিনি নিহত হন।

    গুতেরেস এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তেল আবিবের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

    এদিকে বিবিসি সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন, জেনিনসহ কয়েকটি শহরে এখনও অভিযান চলছে।

    জেনিনের টেলিযোগাযোগ এবং ইন্টারনেট সেবা বন্ধ বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি টেলিযোগাযোগ সংস্থা জাওয়াল। সূত্র: আল-জাজিরা ও বিবিসি