Blog

  • পাকিস্তানে যেতে ভিসা লাগবে না বাংলাদেশিদের

    পাকিস্তানে যেতে ভিসা লাগবে না বাংলাদেশিদের

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) এর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার আহমদ মারুফ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। 

    সোমবার দুপুরে রাজধানীর বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার অফিসকক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। 

    এসময় দুদেশের মধ্যে বন্যা পুনর্বাসন, পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন, ভিসা সহজীকরণ, সরাসরি ফ্লাইট চালু, কৃষি গবেষণায় সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। 

    বৈঠকের শুরুতে উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। তিনি রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বন্যার বিষয়ে অবহিত করলে রাষ্ট্রদূত পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বন্যা দুর্গতদের জন্য উপকরণ দিয়ে সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন। 

    হাইকমিশনার বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় এর প্রভাব পাকিস্তানে পড়েছে উল্লেখ করে বলেন, সে সময় অনেক পাকিস্তানি নাগরিক বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে আনন্দ-উৎসব করেছে। বর্তমান সরকারের বড় চ্যালেঞ্জের বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দ্রব্যমূল্যের লাগাম টেনে রাখাই সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। পাকিস্তানও একই ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে মর্মে দুজন একমত প্রকাশ করেন। 

    রাষ্ট্রদূত বিগত ১৫ বছরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে যে শুষ্কতা পরিলক্ষিত হয়েছে, তার উত্তরণ ঘটিয়ে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান জানান। তাছাড়া দুই পক্ষ পারস্পরিক ভিসা সহজীকরণের বিষয়ে সম্মত হন। 

    এসময় রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই সপ্তাহ আগে পাকিস্তান নতুন ভিসা নীতিমালা ঘোষণা করেছে। এর আওতায় বাংলাদেশসহ ১২৬টি দেশের নাগরিকগণ ভিসা ছাড়া পাকিস্তানে যাতায়াত করতে পারবে। 

    রাষ্ট্রদূত পারস্পরিক সম্পর্ক ও ব্যবসায়িক স্বার্থে দুই দেশের মধ্যে পুনরায় সরাসরি ফ্লাইট চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 

    তিনি জানান, সর্বশেষ ২০১৮ সালে দুদেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালু ছিল, যা পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস (পিআইএ) অপারেট করত।
    বৈঠকে মানব পাচার প্রতিরোধ, সন্ত্রাস দমন ও কৃষি গবেষণা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

    এসময় ঢাকাস্থ পাকিস্তান হাইকমিশনের কাউন্সেলর কামরান ধাঙ্গাল ও জাইন আজিজসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

  • বেক্সিমকো পাচার করেছে ১৩৫ মিলিয়ন ডলার: সিআইডি

    বেক্সিমকো পাচার করেছে ১৩৫ মিলিয়ন ডলার: সিআইডি

    বেক্সিমকো গ্রুপ ১৮টি কোম্পানির মাধ্যমে পণ্য রপ্তানি করে সেই রপ্তানি মূল্য ফেরত না এনে অন্তত ১৩৫ মিলিয়ন ডলার পাচার করেছে। এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

    ডিআইজি-অর্গানাইজড ক্রাইম (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) কুসুম দেওয়ান এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, সিআইডির আর্থিক অপরাধ ইউনিট বেক্সিমকোর এই অসঙ্গতিগুলোকে ‘বাণিজ্যভিত্তিক অর্থপাচার’ হিসেবে অভিহিত করেছে এবং ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

    সিআইডির ডেটাবেজ অনুসারে, অ্যাপোলো অ্যাপারেলসের মাধ্যমে প্রায় ২৩ মিলিয়ন ডলার, বেক্সটেক্স গার্মেন্টসের মাধ্যমে ২৪ মিলিয়ন ডলার, ইন্টারন্যাশনাল নিটওয়্যার অ্যান্ড অ্যাপারেলসের মাধ্যমে ২৫ দশমিক দুই মিলিয়ন ডলার এবং এসেস ফ্যাশনের মাধ্যমে ২৪ দশমিক ৩৯ মিলিয়ন ডলার পাচার করা হয়েছে।

    এর সবই বেক্সিমকো গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান, যার ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা।

    সিআইডি ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান জানান, গ্রুপটি পণ্য রপ্তানির জন্য ক্রেডিট লেটার খুলে ৮০ শতাংশ মূল্যের বিপরীতে স্থানীয়ভাবে ঋণ নিয়েছে। এরপর আর রপ্তানির অর্থ ফেরত আনেনি এবং ঋণগুলোও পরিশোধ করেনি। তিনি বলেন, বেক্সিমকো গ্রুপ এভাবে অর্থপাচার করেছে।

    সিআইডি ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের আরেক কর্মকর্তা জানান, তারা প্রাথমিক তথ্য পেয়েছেন যে সালমান এফ রহমান পচারের অর্থ দুবাই, সিঙ্গাপুর ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে আবাসন খাতে বিনিয়োগ করেছেন।

    সালমান এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান সৌদি আরবে একটি বড় ওষুধ কোম্পানি খুলেছেন বলে জানিয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্ট সিআইডি কর্মকর্তা। সৌদি আরবের ওই কোম্পানির বেশিরভাগ অর্থ বাংলাদেশ থেকে গেছে বলেও জানান তিনি।

    কুসুম দেওয়ান বলেন, প্রাথমিক তদন্ত শেষ হলে বেক্সিমকো গ্রুপের বিরুদ্ধে অর্থপাচার আইনে মামলা হবে।

    প্রাথমিক তদন্তে সিআইডির আর্থিক অপরাধ ইউনিট জানতে পেরেছে, বেক্সিমকো গ্রুপের বিরুদ্ধে গত ১৫ বছরে সাতটি ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে ঋণ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

    ঋণের মধ্যে ৫ হাজার ২৮ কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে আইএফআইসি ব্যাংক থেকে, যার চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান নিজেই।

    তদন্তের সঙ্গে জড়িত এক সিআইডি কর্মকর্তা জানান, ব্যবসায়িক গ্রুপটি রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের প্রধান শাখা থেকে অন্তত ২১ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে।

    সিআইডির প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বেক্সিমকো ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে ২৯৫ কোটি টাকা; সোনালী, অগ্রণী ও রূপালী থেকে ৫ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা এবং এবি ব্যাংক থেকে ৬০৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে।

    আর্থিক অপরাধ ইউনিট তাদের ডেটাবেজ সংগ্রহের জন্য সাতটি ব্যাংকে টিম পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছেন সিআইডির স্পেশাল সুপারিনটেনডেন্ট মোহাম্মদ বসির উদ্দিন।

    সিআইডির প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে বেক্সিমকো গ্রুপের বিভিন্ন কোম্পানির নামে বিদেশে ঋণের অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, গত তিন বছরে মার্কেট থেকে দৃশ্যমানভাবে প্রায় ৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং জালিয়াতির মাধ্যমে ২০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

    একটি দোকান কর্মচারীকে হত্যার মামলায় গত ১৩ আগস্ট থেকে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন সালমান এফ রহমান।

  • সালাহউদ্দিন ও খোকনকে শোকজ করল বিএনপি

    সালাহউদ্দিন ও খোকনকে শোকজ করল বিএনপি

    দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ও যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনকে শোকজ করেছে বিএনপি। 

    সোমবার বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।   

    সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলমের গ্রুপের গাড়ি ব্যবহারের জন্য সালাউদ্দিন আহমেদকে এবং বিতর্কিত ডায়মন্ড ব্যবসায়ী দিলিপ কুমার আগারওয়ালার সঙ্গে বৈঠকের অভিযোগে খোকনকে শোকজ করা হয়েছে।

    এদিকে অনিচ্ছাকৃত ভুলে এস আলমের গাড়ি ব্যবহার করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

    সোমবার দুপুরে গুলশানের নিজ বাসভবনে এই দু:খ প্রকাশ করেন তিনি।

    সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর পর আমার নিজ নির্বাচনী জেলায় সংবর্ধনা অংশ নিয়েছিলাম। আমি বিমানবন্দর থেকে নেমে কোনো গাড়িতে করে যাবো, সেটা তো আমি ঠিক করতে পারি নাই। যারা সংবর্ধনা আয়োজন করেছিল চকরিয়া জেলা বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ঠিক করে দিয়েছে।

    তিনি বলেন,  বিমানবন্দরে নামার পর আমাদের নেতাকর্মীরা বলছে-এই গাড়িতে উঠেন। এখন সেই গাড়িটি কার তা খোঁজ নেওয়ার চিন্তা-ভাবনার মধ্যে ছিলাম না। ১০ বছর পর নিজ জেলায় যাচ্ছি, তাই আবেগপ্লুত ছিলাম। মনের মধ্যে বাসনা ছিল কখন মা-বাবার কবর জিয়ারত করব।

    সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, পরে জানতে পারি এই গাড়িটি আমার এক ছোটভাইয়ের। যিনি এস আলম গ্রুপে চাকরি করেন। তিনি কোম্পানির বিভিন্ন জমির বিষয়গুলো দেখে থাকেন। এই জন্য তাকে গাড়ি চলাচলের জন্য দিয়েছে।

  • সাবেক এমপি বাহার ও মেয়ে সূচি যেভাবে ভারতে পালালেন

    সাবেক এমপি বাহার ও মেয়ে সূচি যেভাবে ভারতে পালালেন

    কুমিল্লার সাবেক এমপি বাহাউদ্দিন বাহার এবং তার মেয়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র তাহসিন বাহার সুচনা ভারতে পালিয়েছেন। বর্তমানে বাবা মেয়ে কলকাতায় এক রাজনৈতিক নেতার আশ্রয়ে রয়েছেন। তবে কখন কীভাবে কোন পথে তারা পালালেন তা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা।

    এলাকাবাসীর প্রশ্ন- তাহলে বাহার সূচনা কি কুমিল্লাতেই আত্মগোপনে ছিলেন? তারা কীভাবে সীমান্ত পার হলেন? তার মেয়ে সূচনা কীভাবে ভারতে গেলেন? 

    সূত্র বলছে, অন্তত ১০ দিন আগে কুমিল্লার সাবেক সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার চোরাই পথে ভারতে পাড়ি জমান। শনিবার বিকালে কলকাতায় বাবার কাছে পৌঁছান কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের অপসারিত মেয়র তাহসীন বাহার সূচনা। 

    এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার চরানল সীমান্ত দিয়ে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে পৌঁছান সূচনা। পরদিন শুক্রবার তিনি ফেসবুকে সচল হন। নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। 

    সূত্রটি জানায়, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার শশিদল ইউনিয়নের একজন হুন্ডি ব্যবসায়ীর মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে সীমান্ত পার হন তাহসিন বাহার সূচনা। তার সীমান্ত পার হওয়ার একটি ভিডিওকলের ছবি ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওকলে সন্দেহভাজন পাচারকারীর নামও রয়েছে। ভারতের বক্সগঞ্জে একদিন থাকার পর শনিবার বিকালে কলকাতায় পৌঁছান সূচনা। সেখানে এক রাজনৈতিক নেতার তত্ত্বাবধানে অবস্থান করছেন কুমিল্লার সাবেক এমপি বাহার। প্রতিদিন ১০ হাজার রুপি চুক্তিতে গত ৮-১০ দিন ধরে আছেন তিনি। নির্ভরযোগ্য সূত্র এমনটাই জানিয়েছে। 

    জানা গেছে, ব্রাহ্মণপাড়ার শশিদলের যে হুন্ডি ব্যবসায়ীর মাধ্যমে সূচি সীমান্ত পার হয়েছেন তিনি এক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতার ঘনিষ্ঠ। সীমান্ত পার হওয়ার দিন সূচি কুমিল্লা শহরের একটি বাড়িতে অবস্থান করছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে সূচনা সীমান্ত পার হয়ে বক্সনগরের একটি বাড়িতে উঠেন। সেখান থেকে তার একটি ছবি ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। ছবি কেন প্রচার হলো এ নিয়ে সাবেক এমপি বাহার কলদাতাকে ধমকিও দেন।

    সাবেক এমপি বাহারেরও একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, তার মাথায় চুল নেই এবং সোনালী রংয়ের দাড়িও নেই। তার মুখে ছোট সাদা রংয়ের দাড়ি রয়েছে।

    এমপি বাহার ও তার মেয়ে সূচির গন্তব্য এখন কোথায় হবে তা নিয়ে রয়েছে গুঞ্জন। তবে সূত্র বলছে, তারা লন্ডন যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তাদের লক্ষ্য যেকোনোভাবে লন্ডন পাড়ি দেওয়া।

  • প্রতিপক্ষের হামলায় বিএনপি নেতার মৃত্যু

    প্রতিপক্ষের হামলায় বিএনপি নেতার মৃত্যু

    চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের মাছের ঘের নিয়ে পরস্পর বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত সাহেরখালী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক রফিকুল ইসলাম (৪০) মারা গেছেন।

    রোববার বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে উপজেলার ইকোনমিক জোন এলাকায় তাকে কুপিয়ে জখম করলে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    মীরসরাই উপজেলা বিএনপির আহবায়ক শাহিদুল ইসলাম চৌধুরী উক্ত ঘটনার নিন্দা জানিয়ে হামলাকারীদের বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপের জোর দাবি জানান।

    মীরসরাই থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এজাহার প্রক্রিয়াধীন। আশা করছি হত্যাকারীদের শিগগিরই আটক করা সম্ভব হবে।

  • প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠা করার শপথ বিএনপির

    প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠা করার শপথ বিএনপির

    দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সব চ্যালেঞ্জকে মোকাবিলা করে দেশে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠা করার শপথ গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    তিনি বলেন, যেকোনো বাধাই আসুক, মুক্তবাজার অর্থনীতিকে প্রতিষ্ঠা করা এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ পরিণত করবার জন্য আমরা কাজ করে যাওয়ার জন্য শপথ নিয়েছি। 

    রোববার শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বিএনপির ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, বিএনপি সব সময়ই নেতৃত্ব দিয়েছে। আগামী দিনেও তার সঠিক রাজনীতি এবং গণতন্ত্রকে সঙ্গে নিয়ে আবারও সঠিকভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এবং দেশকে পুনর্গঠন করবে। এখন বিএনপির মূল কাজ, সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, যে আদর্শ তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন- সেই আদর্শকে বাস্তবায়িত করা। একই সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছেন, দেশকে নতুন করে গড়ে তুলবার জন্য তিনি কাজ করেছেন- সেই বাংলাদেশকে গড়ে তুলবার জন্য আজকে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছি এবং শপথ নিয়েছি। 

    তিনি বলেন, আজকে ২০২৪ সালে যে স্বাধীনতা আমরা অর্জন করেছি- তারজন্য বিএনপি দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে সংগ্রাম ও লড়াই করছে। বিএনপির ৭’শত বেশি নেতাকর্মী গুম হয়ে গেছে, দুই হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে এবং ৬০ লক্ষ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে শুধু গণতান্ত্রিক সংগ্রামের জন্য।

    বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক উত্তরণে এবং অর্থনৈতিক সংস্কারে একবারে উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এই দলটি জিয়াউর রহমান সৃষ্টি করেছেন বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।

    বিএনপির ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রোববার সকাল থেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে  নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে।

  • নিবন্ধন নিয়ে জামায়াতের আবেদনের শুনানি ২১ অক্টোবর

    নিবন্ধন নিয়ে জামায়াতের আবেদনের শুনানি ২১ অক্টোবর

    জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল মামলাটি পুনরায় শুনানির জন্য আবেদনটি আগামী ২১ অক্টোবর শুনানির জন্য দিন রেখেছেন।

    রোববার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

    তিনি বলেন, আজ চেম্বার আদালত আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে আবেদনটি শুনানির জন্য আগামী ২১ অক্টোবর ধার্য করেছেন।

    ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর জামায়াতে ইসলামীকে সাময়িক নিবন্ধন দেওয়া হয়। পরের বছর বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের তৎকালীন সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, জাকের পার্টির তৎকালীন মহাসচিব মুন্সি আবদুল লতিফ, সম্মিলিত ইসলামী জোটের প্রেসিডেন্ট মাওলানা জিয়াউল হাসানসহ ২৫ জন জামায়াতের নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন। রিটে জামায়াতের তৎকালীন আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, নির্বাচন কমিশনসহ চারজনকে বিবাদী করা হয়। তারা জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের আরজি জানান।

    এ রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক (পরে প্রধান বিচারপতি) ও বিচারপতি মো. আবদুল হাইয়ের হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০০৯ সালের ২৭ জানুয়ারি রুল জারি করেন। জামায়াতের নিবন্ধন নিয়ে রুল জারির পর ওই বছরের ডিসেম্বরে একবার, ২০১০ সালের জুলাই ও নভেম্বরে দুইবার এবং ২০১২ সালের অক্টোবর ও নভেম্বরে দুইবার তাদের গঠনতন্ত্র সংশোধন করে নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়। এসব সংশোধনীতে দলের নাম ‘জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ’ পরিবর্তন করে ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’ করা হয়।

    ২০১৩ সালের ১২ জুন ওই রুলের শুনানি শেষ হয়। একই বছরের ১ আগস্ট জামায়াতকে দেওয়া নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধন সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে অবৈধ বলে রায় দেন বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি কাজী রেজা-উল-হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বৃহত্তর (লার্জার) বেঞ্চ।

    সে সময় সংক্ষিপ্ত রায়ে আদালত বলেন, এ নিবন্ধন দেওয়া আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত। একইসঙ্গে আদালত জামায়াতে ইসলামীকে আপিল করারও অনুমোদন দিয়ে দেন। তবে এ রায়ের স্থগিতাদেশ চেয়ে জামায়াতের করা আবেদন একই বছরের ৫ আগস্ট খারিজ করে দেন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী। পরে একই বছরের ২ নভেম্বর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলে জামায়াতে ইসলামী আপিল করে।

    গত বছরের ১৯ নভেম্বর জামায়াতের আপিল খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ। এদিন আদালতে রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী তানীয়া আমীর ও আহসানুল করীম। জামায়াতে ইসলামীর আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমান।

    ওইদিন আইনজীবী জিয়াউর রহমান বলেন, আমাদের সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলীর ব্যক্তিগত অসুবিধা ছিল। আর অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদীনও অনুপস্থিত ছিলেন। এ ব্যক্তিগত অসুবিধার কারণে ছয় সপ্তাহ সময় চেয়েছিলাম। যেহেতু আমাদের আইনজীবীরা উপস্থিত নেই সেহেতু আদালত এটা ডিসমিস ফর ডিফল্ট করেছেন। অর্থাৎ আইনজীবী উপস্থিত না থাকার কারণে খারিজ করেছেন।

    পরে আইনি সুযোগ কি আছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, রেস্টোর (পুনরায় শুনানির জন্য) আবেদনের সুযোগ আছে। সেক্ষেত্রে এটা আদালতের এখতিয়ার।

    এরপর ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ফের আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসে। গত জুলাই মাস থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা কোটা প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছে। এ আন্দোলনে গণহত্যা চালানোর অভিযোগে ছাত্র-জনতা সরকার পদত্যাগের দাবি তোলে। এর মধ্যে ১ আগস্ট সরকার অঙ্গসংগঠনসহ জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

    গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর জামায়াতে ইসলামী নিষিদ্ধের আবেদন বাতিলের উদ্যোগ নেয়। গত ২৮ আগস্ট সরকার আগের নিষিদ্ধের আদেশ বাতিল করে।

    এ বিষয়ে আইনজীবী শিশির মনির শনিবার বলেন, আমাদের প্রথম পদক্ষেপ ছিল নিষিদ্ধের আদেশ বাতিল করা। সেটা বাতিল হয়েছে। এখন পরবর্তী পদক্ষেপ হলো আপিল বিভাগে নিবন্ধন মামলাটি পুনরায় শুনানির জন্য দরখাস্ত করা।

  • দেশকে একটি ভালো অবস্থায় নিয়ে যেতে চাই: উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন

    দেশকে একটি ভালো অবস্থায় নিয়ে যেতে চাই: উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন

    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশকে আমরা একটি ভালো অবস্থায় নিয়ে যেতে চাই। এ লক্ষ্যে দেশে কাজের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। সৎ ও যোগ্য লোকদের সেখানে যুক্ত করা হচ্ছে। 

    রোববার সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। 

    জনগণ যেন বঞ্চিত না হয় সে লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ‘দেশের জন্য কিছু করার সময় এসেছে। আপনারা সরকারের কাজে সহযোগিতা করুন।’

    বিজ্ঞান গবেষণা ও এর প্রায়োগিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা বলেন, এই মন্ত্রণালয়ের কাজের ইম্প্যাক্ট সমাজে ছড়িয়ে দিতে হবে। 

    মতবিনিময় সভার শুরুতেই মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান। পরে অ্যালোকেশন অব বিজনেস অ্যামং দি ডিফারেন্ট মিনিস্ট্রিজ অ্যান্ড ডিভিশনস অনুযায়ী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিধি এবং ভিশন ও মিশন উপস্থাপন করা হয়। এছাড়াও মন্ত্রণালয়ের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে উপদেষ্টাকে অবহিত করা হয়।

    অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোকাব্বির হোসেনসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • অনন্য নজির গড়লেন মেহেদি হাসান মিরাজ

    অনন্য নজির গড়লেন মেহেদি হাসান মিরাজ

    ক্রিকেট ইতিহাসের চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে অনন্য নজির গড়লেন মেহেদি হাসান মিরাজ। দলীয় ৩০ রানের নিচে ৮ নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে চতুর্থ ক্রিকেটার হিসেবে ফিফটি হাঁকালেন মিরাজ। শুধু তাই নয় এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ব্যাটিংয়ে নেমে রেকর্ড সর্বোচ্চ ৭৮ রান করেন মিরাজ। 

    এর আগে ১৯৯৮-৯৯ সালে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের মঈন খান আট নম্বরে খেলতে নেমে সর্বোচ্চ ৭০ রান করেছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জোশুয়া ডি সিলভা ও ইংল্যান্ডের চার্লি অ্যাবসোলম এই পরিস্থিতিতে অর্ধশতক হাঁকান।

    তবে মঈন খান, জোশুয়া ডি সিলভা ও চার্লি অ্যাবসোলমকে ছাড়িয়ে রেকর্ড সর্বোচ্চ ৭৮ রান করেন মিরাজ।

    পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে দ্বিতীয় টেস্টে স্বাগতিকদের ২৭৪ রানে অলআউট করে ব্যাটিংয়ে নেমে গতকাল কোনো উইকেট না হারিয়ে ১০ রানে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করে বাংলাদেশ।

    আজ তৃতীয় দিনে ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপাকে পড়ে যায়। আজ দিনের শুরুতে মাত্র ১৬ রান স্কোর বোর্ডে জমা করতেই বাংলাদেশ হারায় প্রথমসারির ৬ ব্যাটসম্যানের উইকেট। একে একে সাজঘরে ফেরেন জাকির হাসান, সাদমান ইসলাম অনিক, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক সৌরভ, মুশফিকুর রহিম ও সাকিব আল হাসান।

    দলের এমন কঠিন বিপর্যয়ে হাল ধরেন লিটন দাস ও মেহেদি হাসান মিরাজ। সপ্তম উইকেট জুটিতে তারা ১৬৫ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। তাদের এই জুটিতেই বড় বিপদ থেকে বেঁচে যায় বাংলাদেশ। না হয় ৫০ রানেই অলআউট হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় ছিল।

    দলীয় ১৯১ রানে সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন মেহেদি হাসান মিরাজ। তার আগে ১২৪ বলে ১২টি চার আর এক ছক্কায় করেন ৭৮ রান। মিরাজ আউট হওয়ার ২ রান ব্যবধানে ফেরেন তাসকিন আহমেদ।

    ১৯৩ রানে ৮ উইকেট পতনের পর পেস বোলার হাসান মাহমুদকে সঙ্গে নিয়ে ৬৯ রানের জুটি গড়েন লিটন দাস। এই জুটিতেই তিনি ক্যারিয়ারের চতুর্থ  টেস্ট সেঞ্চুরি আর সবমিলে নবম সেঞ্চুরি হাঁকান।

    লিটন ২২৮ বলে ১৩টি চার আর ৪টি ছক্কার সাহায্যে দলীয় সর্বোচ্চ ১৩৮ রান করে নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন। এরপর আর স্কোর বোর্ডে কোনো রান যোগ করার আগেই ফেরেন পেস বোলার নাহিদ রানা। তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে ২৬২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।

  • সব অপরাধের বিচার হবে: হাইকোর্ট

    সব অপরাধের বিচার হবে: হাইকোর্ট

    দেশে সব অপরাধের বিচার হবে বলে জানিয়েছেন হাইকোর্ট। ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে হত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিল চেয়ে দায়ের করা রিটের আদেশ দেওয়ার আগে রিটকারীকে আশ্বস্ত করে হাইকোর্ট বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার সব অপরাধের বিচার করবে।

    আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধের বিষয়ে দায়ের করা রিটের শুনানিতে রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহবুবুল উল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এমন মন্তব্য করেন।

    রিটকারীকে উদ্দেশ্যে করে আদালত বলেন, ছাত্র-জনতাকে যারা গুলির নির্দেশ দিয়েছে এবং যারা গুলি করেছে তাদের বিচারের বিষয়ে সরকার খুব আন্তরিক। গুলির নির্দেশ দিয়েছে ব্যক্তি। অপরাধ ব্যক্তি করেছে, দল নয়।

    এ সময় রিটকারী পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে আদেশ চাইলে হাইকোর্ট বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এরই মধ্যে সুইস ব্যাংক কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে কথা বলেছেন। সরকার এ বিষয়ে খুব আন্তরিক। সব অপরাধের বিচার হবে।

    এরপর ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে হত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিল চেয়ে দায়ের করা রিট সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহবুবুল উল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    আদালতে এ দিন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। আর রিটের পক্ষে রিটকারী আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া নিজে শুনানি করেন।

    এর আগে গত ২৭ আগস্ট ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে হত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিল চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষে আদেশের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।