Category: আন্তর্জাতিক

  • শাহরুখের ‘জিরো’ ছবির শুটিংয়ে ভয়াবহ আগুন

    শাহরুখের ‘জিরো’ ছবির শুটিংয়ে ভয়াবহ আগুন

    মুক্তির অপেক্ষায় আছে বলিউড কিং শাহরুখ খান অভিনীত নতুন ছবি ‘জিরো’। পরিচালক আনন্দ এল রাই পরিচালিত ছবিটি নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই শাহরুখ ভক্তদের। কারণ ছবিটিতে একজন বামুনের চরিত্রে দেখা মিলবে বলিউড বাদশার। ভক্তরা যখন চমক দেখার অপেক্ষায়, তার আগেই দুর্ঘটনার মুখে পড়লো ছবিটি।

    বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) মুম্বাইয়ের ফিল্ম সিটিতে চলছিলো ছবিটির শেষ ভাগের শুটিং। আর সেখানেই ঘটলো ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। তবে এ ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

    জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আচমকাই ‘জিরো’-র সেটে দাউদাউ করে আগুন জ্বলে উঠে। ফলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সেটে উপস্থিত সকলে। সেসময় সেট থেকে কিছুটা দূরে মেকআপ ভ্যানে বসেছিলেন শাহরুখ খান।দ্রুত খবর দেওয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে। ততোক্ষণে সেটে থাকা সকলেই বাইরে বেরিয়ে আসেন। একে একে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট আসে ‘জিরো’-র সেটে। শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। দীর্ঘ চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

    ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শর্ট সার্কিট থেকেই ‘জিরো’-র সেটে আগুন লেগেছে। বলিউড ট্রেডের খবর অনুযায়ী ছবিটি নির্মাণে খরচ হয়েছে প্রায় ২০০কোটি টাকা। আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত মানের ফিল্মোগ্রাফি নিয়ে কাজ করায় বাজেট এমন অংকের হতে হয়েছে। আর তা নিয়েই ঘুম হারাম হয়েছিলো প্রযোজকদের। তবে ছবির নায়ক যেহেতু শাহরুখ,আর তাই দুশ্চিন্তা করাটাও বৃথা হয়েছে।

    চমকে যাওয়ার মতো খবর হল ইতোমধ্যেই টিভি স্বত্ব ও মিউজিক ভিডিও কপিরাইট বিক্রি করে ছবিটি আয় করে ফেলেছে ১৩০ কোটি টাকা। আর শুধু তাই নয় শাহরুখ খান নেটফ্লিক্সের কাছে ছবিটির ডিজিটাল স্বত্ব বিক্রির ব্যাপারেও কথা বলছেন। মুক্তির আগেই এই ছবির আয়, বাজেটকে ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। জিরো ছবিটিতে শাহরুখের বিপরীতে দেখা মিলবে ক্যাটরিনা কাইফ। আগামী ২১ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি।

  • স্বস্তিতে টাইগাররা প্রথম দিন শেষে

    স্বস্তিতে টাইগাররা প্রথম দিন শেষে

    ঢাকা টেস্টে মিরপুর শের ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন টাইগার অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। এদিন অভিষিক্ত টাইগার ওপেনার সাদমান ইসলাম ছাড়া আর কেউই ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারেনি। তবে শেষ বেলায় দলের হাল ধরেন সাকিব ও অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহ।

    প্রথম দিন শেষে অধিনায়ক সাকিব আল হাসান (৫৫) ও অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহ (৩১) রানে অপরাজিত আছেন। টাইগারদের দলীয় সংগ্রহ ৫ উইকেটের বিনিময়ে ২৫৯ রান।

    এদিন পুরো ক্রিকেট বিশ্বের নজর কেড়েছেন অভিষিক্ত টাইগার ওপেনার সাদমান ইসলাম। ১৯৯ বলে ৭৬ রান করে বিদায় নেন এই তরুণ। তবে প্রথম ঘণ্টা শেষেই ফেরেন ওপেনার সৌম্য সরকার। ইনিংসের ১৬তম ওভারের তৃতীয় বলে ৪২ বল খেলে ১৯ রান করে রোস্টন চেজের বলে শাই হোপের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান সৌম্য।

    অন্যদিকে, বিরতির আগে আউট হন মুমিনুল হকও। ঢাকা টেস্টের ইনিংসের ৩৪তম ওভারের এক বল বাকি থাকতেই ফেরেন তিনি। ৪৬ বলে ২৯ রান করে কেমার রোচের বলে রোস্টন চেজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।

    এ সময় ব্যাট হাতে দলকে এদিয়ে নিতে থাকেন সাদমান ও মিঠুন। তবে দলীয় ১৫১ রানে মিঠুনকে (২৯) বোল্ড করেন দেবেন্দ্র বিশু। এরপর স্কোর বোর্ডে মাত্র ১০ রান যোগ করতে বিশুর আঘাতেই বিদায় নেন সাদমান। অভিষিক্ত এই তরুণ ১৯৯ বলে ৭৬ রানের রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন।

    এরপর দলীয় ১৯০ রানে বিদায় নেন মুশফিক। ব্যক্তিগত ১৪ রান করে লুইসের বলে বোল্ড হন এই টাইগার উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান।

  • প্রিয়াঙ্কা-নিকের বিয়েবাড়ির হাঁড়ির খবর

    প্রিয়াঙ্কা-নিকের বিয়েবাড়ির হাঁড়ির খবর

    বিয়ের বেশ কয়েক দিন আগেই আলোকসজ্জিত হয়েছিল কনের বাড়ি। এবার আলোয় সাজল উমেদ ভবন প্যালেস। নিজের বাড়িতে পূজার পর প্রিয়াঙ্কা-নিক গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় রওনা দিয়েছিলেন যোধপুরে। পূজার সময় প্রিয়াঙ্কার পরনে ছিল আকাশি রঙের সালোয়ার-কামিজ। আর নিক গোলাপি রঙের কুর্তা আর সাদা পায়জামা। পূজার পর আলোকচিত্রীদের সামনে আসেন হবু দম্পতি। তারায় তারায় বিয়ে বলে কথা, উৎসবটি তাই হওয়া চাই জমকালো। প্রিয়াঙ্কা-নিকের জমকালো বিয়ের নানা খবর বেরিয়ে আসছে একের পর এক। এবার পাওয়া গেল বিয়েবাড়ির হাঁড়ির কিছু খবর।

    শোনা যাচ্ছে, প্রিয়াঙ্কা-নিকের বিয়েতে নাকি উপস্থিত থাকবেন স্বয়ং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারকা জুটিকে আশীর্বাদ দিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কী কী খাবার থাকবে প্রিয়াঙ্কা-নিকের বিয়েতে? নিজের বিয়ের অতিথিদের আপ্যায়নে কোনো ত্রুটি রাখতে চান না প্রিয়াঙ্কা। তাই সবকিছু নিজেই তদারকি করছেন। সাবেক এই বিশ্বসুন্দরীর বিয়েতে অতিথিদের জন্য থাকবে বিশেষ সব খাবার। অতিথিরা যাতে নিজেদের পছন্দসই সব খাবার পান, সেদিকে নজর দিয়েছেন বলিউডের এই দেশি গার্ল। সে জন্য দেশি খাবারের পাশাপাশি প্রিয়াঙ্কার বিয়েতে থাকবে বিদেশি খাবারের ভরপুর আয়োজন।

    ভারতীয় খাবারের বাইরে প্রিয়াঙ্কার বিয়েতে থাকবে কন্টিনেন্টাল ফুড, চায়নিজসহ নানান খাবার। আর এসব খাবারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নামকরা সব রন্ধনশিল্পীদের। রাজস্থানি রসনার নানা পদ থাকবে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য। সাংগরি কি রোটি, মক্কাই কি রোটি, বাজরা কে রোটি, রাজস্থানি কড়ি পকোড়ে, রাজস্থানি থালি, ডাল-বাটি চুর্মাসহ ৮০ রকমের পদ বিশেষভাবে রান্না হবে। যোধপুরে যেহেতু বিয়ের আসর বসছে, তাই মেনুতে থাকবে সেখানকার স্থানীয় খাবারও।

    আজ বৃহস্পতি থেকে সোমবার—এ পাঁচ দিন অতিথিদের জন্য প্যালেস ভাড়া নেওয়া হয়েছে। এই কয়েক দিন প্যালেসে পর্যটকদের প্রবেশ নিষেধ। এক দিনের জন্য প্যালেসের ভাড়া ৬৪ দশমিক ৪০ লাখ রুপি। সব মিলিয়ে শুধু হোটেলের জন্য প্রিয়াঙ্কার খরচ ৩ দশমিক ২ কোটি রুপি। ক্যাটারিংয়ের খরচ মিলিয়ে সেই খরচ ৪ কোটি রুপি ছাড়িয়ে যাবে।

    বিয়ের দিন প্রিয়াঙ্কা পরবেন লাল রঙের লেহেঙ্গা। বর নিকের পরনে থাকবে সোনালি রঙের পোশাক। বিয়ের দিন আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য থাকবে রিটার্ন গিফট। মুম্বাইয়ের একটি গয়নার দোকান থেকে নাকি বিশেষ উপহার বানিয়ে এনেছেন প্রিয়াঙ্কা। কী সেটি? জানা গেছে, উপহার হিসেবে অতিথিদের রুপার টাকা দেবেন প্রিয়াঙ্কা। সেই টাকার একপাশে থাকবে প্রিয়াঙ্কা-নিকের নামের আদ্যক্ষর (এনপি) এবং অপর পৃষ্ঠে থাকবে লক্ষ্মী-গণেশের ছবি। আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে প্রিয়াঙ্কা-নিকের বিয়ের উৎসব। তাঁদের বিয়েতে নিষিদ্ধ থাকবে মোবাইল।

  • মালয়েশিয়ায় ২৫০ বাংলাদেশির ‘সেকেন্ড হোম’

    মালয়েশিয়ায় ২৫০ বাংলাদেশির ‘সেকেন্ড হোম’

    মালয়েশিয়ায় দ্বিতীয় নিবাস গড়ার কর্মসূচি ‘মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোমে (এমএম২ এইচ)’ অংশ নেওয়া ৩ হাজার ৭৪৬ জন বাংলাদেশির মধ্যে ২৫০ জন সেখানে বাড়িও কিনেছেন। ওই প্রকল্পে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশিরা যেমন তৃতীয় অবস্থানে আছেন, তেমনি বাড়ি কেনার ক্ষেত্রেও একই অবস্থানে তাঁরা।

    মালয়েশিয়া সরকারের প্রকাশিত এক পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়। দেশটি বিভিন্ন সময় মোট কতজন বিদেশি নাগরিক দ্বিতীয় নিবাস কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন, তা প্রকাশ করলেও বাড়ি কেনার তথ্য এই প্রথম প্রকাশ করল। এতে দেখা যায়, চীন ও যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে বেশিসংখ্যক লোক সেখানে বাড়ি কিনেছেন।

    বাংলাদেশ থেকে বৈধভাবে অর্থ নিয়ে মালয়েশিয়ায় বাড়ি কেনার কোনো সুযোগ নেই। এ দেশের যাঁরা সেখানে বাড়ি কিনেছেন, তাঁরা মূলত টাকা পাচার করেছেন।

    মালয়েশিয়া সরকার ২০০২ সালে দ্বিতীয় নিবাস কর্মসূচি চালু করে। এর আওতায় মালয়েশিয়ার ব্যাংকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জমা রেখে অন্য দেশের একজন নাগরিক দেশটিতে দীর্ঘমেয়াদি বসবাস ও অন্যান্য সুবিধা পান। তাঁরা সেখানে বাড়িও কিনতে পারেন। যদিও মালয়েশিয়ায় সম্প্রতি বিতর্ক তৈরি হয়েছে যে বিদেশিরা সেখানে প্রচুর বাড়ি কিনে ফেলছেন।

    মালয়েশিয়ার স্থানীয় সরকার ও গৃহায়ণ উপমন্ত্রী রাজা কামারুল বাহরিন শাহ রাজা আহমাদ ১ নভেম্বর দেশটির সংসদে জানান, মালয়েশিয়ায় দ্বিতীয় নিবাস কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন দেশের মোট ৪ হাজার ৪৯৯ জন নাগরিক বাড়ি কিনেছেন। এর মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন চীনের নাগরিকেরা। তাঁরা কিনেছেন ১ হাজার ৬৬৪টি বাড়ি। এর পরের অবস্থান যুক্তরাজ্যের, সেখানকার নাগরিকেরা কিনেছেন ৩৫৭টি। আর তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পরেই আছে যথাক্রমে ইরান (২১৭টি), জাপান (২০৮টি), পাকিস্তান (১৯২টি), সিঙ্গাপুর (১৭৫টি), অস্ট্রেলিয়া (১৪৭টি), দক্ষিণ কোরিয়া (১২৭টি) ও যুক্তরাষ্ট্র (১১৫টি)। বাড়ি কেনা বাবদ বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরা সেখানে কত অর্থ ব্যয় করেছেন, তা উল্লেখ করেননি মালয়েশীয় মন্ত্রী।

    মোট বাংলাদেশি ৩৭৪৬ জন
    দ্বিতীয় নিবাস কর্মসূচিতে বাংলাদেশিরা অংশ নেওয়া শুরু করেন ২০০৩ সাল থেকে। মালয়েশীয় সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ওই বছর ৩২ জন বাংলাদেশি এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। এ পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৭৪৬ জন বাংলাদেশি এতে অংশ নিয়েছেন। অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ কেউ বাড়ি কিনেছেন, সেই সংখ্যা ২৫০।

    আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম দুই বছর ১০০ জনের কম করে বাংলাদেশি দ্বিতীয় নিবাসে অংশ নেন। এরপর থেকে সংখ্যাটি ২০০ জনের ওপরে রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি মালয়েশিয়ার দ্বিতীয় নিবাসে অংশ নিয়েছিলেন ২০১২ সালে, ৩৮৮ জন। প্রকাশিত তথ্য থেকে দেখা যায়, নির্বাচনের আগের বছরগুলোতে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে যায়। ২০১৫ সালে যেখানে ২০৫ জন বাংলাদেশি এ সুবিধা নিয়েছেন, সেখানে ২০১৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৮৩ জনে। সর্বশেষ প্রকাশিত ২০১৭ সালের আগস্ট পর্যন্ত হিসাবে আট মাসে মালয়েশিয়া দ্বিতীয় নিবাসে অংশ নিয়েছেন ২৫৩ জন বাংলাদেশি।

    পাচারে কারা, খোঁজ নেই
    মালয়েশিয়ায় কারা টাকা পাচার করছেন, তা নিয়ে দেশের বিভিন্ন সংস্থা অনুসন্ধানের ঘোষণা দিলেও কার্যত কোনো ফল দেখা যায়নি। এমনকি বাংলাদেশে বিভিন্ন মেলায় অংশ নিয়ে এবং পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে বিভিন্ন দেশে নাগরিকত্ব নিতে আগ্রহীদের খোঁজা হয়।

    দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘সরকার চাইলে মালয়েশীয় সরকারের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশিদের তথ্য পেতে পারে। কিন্তু কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। এটা দুঃখজনক।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশনে সই করেছে। এর আওতায় তথ্য চাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর পাচার করা টাকা কিন্তু সিঙ্গাপুর থেকে ফেরত আনা হয়েছিল। একজনের ক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্যদের ক্ষেত্রে কেন নয়?

  • সিইসির সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

    সিইসির সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেইক।

    বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় অ্যালিসন ব্লেইক নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে যান। সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে দুপুর সোয়া ১২টায় ইসি থেকে বের হয়ে যান তিনি। তবে এ সময় মিডিয়ার সাথে কথা বলেননি ব্রিটিশ হাইকমিশনার।

    ধারণা করা হচ্ছে, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এর আগে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা, ২ ডিসেম্বর বাছাই এবং ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন।

    jagonews

    এবার নির্বাচন পর্যবেক্ষণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট। এজন্য নির্বাচনী পর্যবেক্ষক মিশনও পাঠাবে না সংস্থাটি। গত মঙ্গলবার (২৭ নভেম্বর) ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ডেমোক্রেসি সাপোর্ট ও ইলেকশন কোঅর্ডিনেশন গ্রুপের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    অন্যদিকে, নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য যুক্তরাষ্ট্র পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম।

    বুধবার (২৮ নভেম্বর) ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ শেষে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র থেকে অনেক পর্যবেক্ষক আসবেন। আমরা বলেছি পর্যবেক্ষকরা যেখানে যাবেন তাদের নিরাপত্তা বিধান করা আমাদের দায়িত্ব। আমরা তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তালিকা চেয়েছি। তারা আগে থেকে তালিকা দিয়ে জানাবেন, কোথায় কি কি কাজ করবেন।

  • পর্যবেক্ষক পাঠানোর অনুরোধ রাখতে পারছি না: ইইউ

    পর্যবেক্ষক পাঠানোর অনুরোধ রাখতে পারছি না: ইইউ

    বাংলাদেশ সফরে আসা ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধি দলের প্রধান রেন্সজে তেরিংক বলেছেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠানো হবে না বলে যে বক্তব্য এসেছে, তা ইইউ পার্লামেন্টের নিজস্ব বক্তব্য। সেটার সঙ্গে ইইউ-এর কোনো সম্পর্ক নেই। ইইউ আশা করে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। তবে নির্বাচন কমিশনের জন্য একদিনে নির্বাচন করা চ্যালেঞ্জিং।

    আজ বুধবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে রেন্সজে তেরিংক এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন পর্যবেক্ষক না পাঠানোর বিষয়টি হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত। একটি সম্পূর্ণ টিম পাঠানো সময়ের ব্যাপার। সে জন্য পর্যবেক্ষক পাঠানোর অনুরোধ রাখতে পারছি না।

    রেন্সজে তেরিংক বলেন, ‘এখানে ১০ কোটি ৪০ লাখ ভোটার ও ৪০ হাজার কেন্দ্র রয়েছে। এটা এক বিশাল কর্মযজ্ঞ। ইইউ-এর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশে একটি টিম এসেছে। তারা এখানে ১৪ দিন থেকে পর্যবেক্ষণ করবে। তবে সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষক না পাঠানোর বিষয়টি হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত। একটি সম্পূর্ণ টিম পাঠানো সময়ের ব্যাপার। সে জন্য পর্যবেক্ষক পাঠানোর অনুরোধ রাখতে পারছি না।

    এর আগে বেলা দুইটার দিকে নির্বাচন কমিশনে আসে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রতিনিধিদল। পরে সংবাদ ব্রিফিংয়ে কথা বলেন ইইউ প্রতিনিধিদলের প্রধান রেন্সজে তেরিংক।

  • দুদকের সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে: ইকবাল মাহমুদ

    দুদকের সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে: ইকবাল মাহমুদ

    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার কিছুটা ঘাটতি রয়েছে বলে মনে করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের তদন্তের মান আপ-টু-দ্য মার্ক নয়, কাঙ্ক্ষিত মানের চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে আছে। এ কারণেই হয়তো কমিশনের মামলায় শতভাগ সাজা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

    আজ বুধবার কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের স্ট্রেনদেনিং অব ল কর্মসূচির টেকনিক্যাল ডিরেক্টর রবার্ট লকারির নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল দুদক চেয়ারম্যানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে তিনি এসব কথা বলেন।

    কমিশনের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআইসহ বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতার প্রশংসা করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা একত্রে প্রশিক্ষণসহ উত্তম চর্চার বিকাশে যেসব কাজ করছি, সেগুলোকে আরও গতিশীল করতে চাই।’ সম্পদের অপ্রতুলতা ও অপচয় রোধে এসব প্রশিক্ষণ শুধু যুক্তরাষ্ট্রে না করে বাংলাদেশেও করা যেতে পারে বলেও মন্তব্য করেন দুদক চেয়ারম্যান।

    ইকবাল মাহমুদ বলেন, আইনের শাসন রাষ্ট্র ভেদে সামাজিক, আর্থিক ও সংস্কৃতির ভিন্নতার কারণে আপাতদৃষ্টিতে ভিন্ন মনে হলেও চূড়ান্ত বিচারে অপরাধের শাস্তি নিশ্চিতের কোনো বিকল্প নেই। অপরাধীদের শাস্তির মাত্রা দেশ-কাল-পাত্রভেদে ভিন্ন হতে পারে। তবে আইনের শাসন যেখানে রয়েছে সেখানে অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হয়।

    দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম যেমন দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি, সততা সংঘ, সততা স্টোর এর বিভিন্ন কর্মসূচির তথ্য জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, এসব কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে মানুষ সততা চর্চাকে বিকশিত করছে। দুর্নীতিকে এ দেশের সাধারণ মানুষ মন থেকে ঘৃণা করে। তিনি আরও বলেন, অংশগ্রহণমূলক দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম, পদ্ধতিগত সংস্কারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সেবায় হয়রানি-অনিয়ম ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি, সর্বোপরি অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

    রবার্ট লকার দুদকের প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, এটা অনুকরণীয়। জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে আবারও বাংলাদেশে এলে তিনি সততা সংঘ, সততা স্টোর ও দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির কার্যক্রম দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এর আগে রবার্ট লকারি দুদক কমিশনার (তদন্ত) এ এফ এম আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে কমিশনের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন।

    এ সময় দুদক কমিশনার বলেন, ‘আমাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা, প্রসিকিউটর এবং বিচারিক আদালতের বিচারকদের আরও প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে।

  • লেখকের পাশে আমির খান

    লেখকের পাশে আমির খান

    থাগস অব হিন্দোস্থান’ ছবি ফ্লপের দায় নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় তারকা আমির খান। এবার তিনি বললেন, যাঁরা ছবির কাহিনি ও চিত্রনাট্য লিখছেন, তাঁদের পারিশ্রমিক বাড়ানো দরকার। হঠাৎ আমির খান ছবির কাহিনিকার ও চিত্রনাট্যকারদের পাশে দাঁড়ালেন কেন? আমির খান বলেন, ‘ছবির স্ক্রিপ্ট কেমন, তার ওপর ভিত্তি করে আমি ছবি বাছাই করি। তাই আমার মনে হয়, একটা ছবির নেপথ্যে চিত্রনাট্যকার খুব গুরুত্বপূর্ণ। চিত্রনাট্যকারদের আরও বেশি পারিশ্রমিক দেওয়া উচিত, যাতে তাঁরা ভালো ভালো চিত্রনাট্য লিখতে পারেন। আর ভালো চিত্রনাট্য ছাড়া কখনোই ভালো ছবি হতে পারে না।

    সিনেস্তান ইন্ডিয়া’স স্টোরিটেলার্স স্ক্রিপ্ট কনটেস্ট আয়োজনে বিজয়ীদের পুরস্কার দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয় আমির খানকে। এখানে বিচারক হিসেবে ছিলেন লেখক ও চিত্র পরিচালক রাজকুমার হিরানী, চিত্রনাট্যকার আনজুম রাজাবলী ও জুহি চতুর্বেদি। গত সোমবার মুম্বাইয়ে এই আয়োজন করা হয়। সিনেস্তান প্রা. লি. আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় সারা ভারত থেকে সাড়ে তিন হাজার প্রতিযোগী অংশ নিচ্ছেন। এখানে সেরা চিত্রনাট্যকার পাচ্ছেন ৫০ লাখ রুপি। এ ছাড়া প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত ভালো কিছু চিত্রনাট্য সিনেস্তান স্ক্রিপ্ট ব্যাংকে সংরক্ষণ করা হবে।

    এখানে আমির খান আরও বলেন, ‘ছবির মূল কান্ডারি একজন পরিচালক, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কারণ, তিনিই গল্পটা বলেন। এটা আসলে একটা টিম ওয়ার্ক। এখানে সবাই কাজ করেন। তবে গল্পটা লেখেন একজন চিত্রনাট্যকার। তাই আমার মনে হয়, চিত্রনাট্যকারদের সম্মান দেওয়া দরকার, তাঁদের পারিশ্রমিক বাড়ানো খুব জরুরি।

    বহুল আলোচিত ‘থাগস অব হিন্দোস্থান’ ছবিতে অমিতাভ বচ্চনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন আমির খান। ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন ক্যাটরিনা কাইফ ও ফাতিমা সানা শেখের মতো অভিনয়শিল্পীরা। ‘থাগস অব হিন্দোস্থান’ নির্মাণে খরচ হয় প্রায় ৩০০ কোটি রুপি। অথচ এখনো পর্যন্ত ছবি থেকে আয় হয়েছে মাত্র দেড় শ কোটি রুপি।

    এদিকে আমিরের ওপর আস্থা রাখা ভক্ত-দর্শকদের কাছে তাই ক্ষমা চেয়েছেন তিনি নিজেই। এক সাক্ষাৎকারে আমির বলেছেন, ‘ছবিটা খারাপ হওয়ার সব দায় আমার। আমার মনে হয়, আমরা কোনো ভুল করেছিলাম, কিন্তু সেই দায়টা আমিই নিচ্ছি। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কিন্তু কিছু ভুল নিশ্চয়ই ছিল। যে কারণে অল্প কিছু মানুষের কাছে ছবিটি ভালো লাগলেও বেশির ভাগ দর্শক ছবিটি পছন্দ করেননি। “থাগস অব হিন্দোস্থান” যাঁদের ভালো লেগেছে, তাঁদের ধন্যবাদ। যাঁদের ভালো লাগেনি, তাঁদের প্রতিক্রিয়া থেকে আমাদের উপলব্ধি হয়েছে, আমরা তাঁদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি। আমি দুঃখিত, আমি তাঁদের বিনোদন দিতে পারিনি।

  • জাপানী ভাষায় প্রকাশিত হল গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’

    জাপানী ভাষায় প্রকাশিত হল গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’

    সোমবার সন্ধ্যায় টোকিওর বাংলাদেশ দূতবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এর মোড়ক উম্মোচন করা হয়।

    বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ জাপানী ভাষায় অনুবাদ ও প্রকাশ করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)

    সিআরআই এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী আকিয়ে আবে। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তোশিকো আবে।

    গেস্ট অব অনার হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানা ও বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানান জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।

    স্বাগত বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কর্মময় জীবনকে জাপানি শিশু-কিশোর ও জাপান প্রবাসী বাংলাদেশি সন্তানদের কাছে তুলে ধরার অভিপ্রায় নিয়ে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ইংরেজি ছাড়া প্রথম অন্য কোনো বিদেশি ভাষা হিসাবে জাপানীতে গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ অনুবাদ করা হল।

    প্রধান অতিথি আকিয়ে আবে বলেন, “বঙ্গবন্ধু ছিলেন এক মহান নেতা। যেহেতু গ্রাফিক নভেল জাপানীদের খুব প্রিয় তাই জাপানী ভাষায় অনূদিত গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ তার সম্পর্কে জাপানের শিশু-কিশোরদের অবহিত করার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তোশিকো আবে বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে আশা প্রকাশ করে বলেন, অনুদিত গ্রাফিক নভেল এই মহান নেতার জীবন সম্পর্কে জানতে সবাইকে সহায়তা করবে।

    বইটির প্রকাশক রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ জাপানী ভাষায় অনুবাদ সফল্ভাবে সমাপ্ত করার জন্য টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং দুই অনুবাদককে ধন্যবাদ জানান।

    পরে অতিথিরা বইটির মোড়ক উম্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর জীবন-সংগ্রাম নিয়ে রচিত একটি ‘টাইম-লাইন’ ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।

    এসময় বইটির দুইজন অনুবাদক অধ্যাপক মাসাকি ওহাসি এবং ইমরান শরিফকে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।

    জাপানী ভাষায় প্রকাশিত গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ টোকিওর সেক্রেড হার্ট স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের পাঠ করে শোনানো হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন শেখ রেহানা, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা এবং বইটির দুই অনুবাদক, শিল্পী রাশাদ ইমাম তন্ময়, শিবু কুমার শীল।

    গ্রাফিক্স নভেল ‘মুজিব’ গ্রন্থটি পর্যায়ক্রমে জাপানের বিভিন্ন স্কুলে পাঠ্য করা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসী বাঙ্গালীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

  • বাংলাদেশ সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সক্ষম: ইইউ পার্লামেন্ট

    বাংলাদেশ সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সক্ষম: ইইউ পার্লামেন্ট

    সফররত ইউরোপীয় পার্লামেন্টারি প্রতিনিধিদল বলেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনে সক্ষম বাংলাদেশ সরকার। এ কারণে এ নির্বাচনে ইইউ পার্লামেন্ট কোনো পর্যবেক্ষক পাঠাবে না।

    গতকাল রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের রক্ষণশীল সদস্য রুপার্ট ম্যাথুস বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কথা বলে যতটুকু জেনেছি তাতে আমি আস্থাশীল, এই দেশের আগামী সাধারণ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। তিনি বলেন, আসন্ন এই নির্বাচনে ইইউ পার্লামেন্ট কোনো পর্যবেক্ষক পাঠাবে না কারণ, ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট বিশ্বাস করে বাংলাদেশ নিজের মতো করেই নির্বাচনী পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভালোভাবেই প্রস্তুত।

    বাজেট বরাদ্দ না থাকায় ইইউ পার্লামেন্ট পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না, এ ধারণা নাকচ করে ম্যাথুস বলেন, ইইউ পার্লামেন্ট পর্যবেক্ষক পাঠাতে চাইলে এ বিষয়ে তারা বাজেট বরাদ্দ দিত। তিনি বলেন, ‘ইইউ পার্লামেন্ট মনে করে বাংলাদেশ নিজস্ব আইনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সক্ষম। তাই আমরা পর্যবেক্ষক পাঠানোর প্রয়োজন মনে করছি না।

    বিশ্বব্যাপী নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন ইইউ পার্লামেন্ট ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তাদের কথা উল্লেখ করে ম্যাথুস বলেন, তাঁদের মতামত অনুযায়ী বাংলাদেশ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে। তিনি বলেন, তাঁর দল সরকারি কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ, সাধারণ জনগণসহ বাংলাদেশের অনেক লোকের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।

    ম্যাথুস আরও বলেন, ‘নির্বাচন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সামাজিক, নারীর ক্ষমতায়ন, সংখ্যালঘুসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে আমরা এখানে এসেছি।

    পর্তুগালের পার্লামেন্টের সদস্য জোয়াও পেদ্রো গুইমারেস বলেন, তাঁর দেশ ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ। কিন্তু বাংলাদেশ সম্পর্কে তাঁদের কিছু ভুল ধারণা রয়েছে। সফরটি বাংলাদেশ সম্পর্কে এই ভুল ভেঙে দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি এ দেশ সত্যিই চমৎকার।’ বিশ্বের কাছে সত্যিকারের বাংলাদেশের চিত্র তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘শিল্পক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি ভালো উদাহরণ। বাংলাদেশ এমন একটি চমৎকার দেশ যেখানে মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয় এবং শিল্প ও এর শ্রমিকদের অবস্থান বিশ্বমানের।

    প্রতিনিধিদলে আরও আছেন ইতালির ইইউ পার্লামেন্ট সদস্য ফ্লুভিও মার্টুসিয়েলো এবং আলবার্তে সিরিও, পর্তুগিজ পার্লামেন্টের সদস্য সান্দ্রা ক্রিস্টিনা ডি সিকিওরোস পিরিয়ারা এবং যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিটির সদস্য মাদি শর্মা। তাঁরা বলেন, আর্থসামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ তার প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য রোলমডেলে পরিণত হয়েছে। একটি জনবহুল দেশ কীভাবে গণতান্ত্রিক চেতনা অক্ষুণ্ন রেখে স্বল্প সময়ে এগিয়ে যেতে পারে, বাংলাদেশ সত্যিই বিশ্বকে তা শিখিয়েছে।