Category: আন্তর্জাতিক

  • বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটিকে ভয় পাচ্ছেন শোয়েব আখতার

    বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটিকে ভয় পাচ্ছেন শোয়েব আখতার

    বিশ্বকাপের শুরুটা খুব একটা ভালো করতে পারেনি পাকিস্তান। প্রথম পাঁচ ম্যাচ থেকে তারা জিততে পেরেছিল মাত্র ১টিতে। তবে সবশেষ দুই ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডকেহারিয়ে সেমির স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছে ১৯৯২ সালের চ্যাম্পিয়নরা।

    তবে এখনও কোনোকিছুই নিশ্চিত নয় তাদের। বাকি থাকা দুই ম্যাচে জয়ের পাশাপাশি অপেক্ষা করতে হবে ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার ম্যাচগুলোর ফলাফলের জন্যও। আর নিজেদের শেষ দুই ম্যাচে পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ।

    সবার আগে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ায়, আফগানিস্তানের ব্যাপারে বিশেষ কিছু ভাবছে না পাকিস্তান। তবে বাংলাদেশের বিপক্ষে হালকা হওয়ার সুযোগ নেই তাদের সামনে। কারণ পাকিস্তানের সমান ৭ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট রয়েছে বাংলাদেশেরও, তাদের সামনেও রয়েছে সেমিতে খেলার সুযোগ।

    উপরন্তু, সাম্প্রতিক সময়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশকে হারাতে পারেনি পাকিস্তান। ২০১৫ সালে বাংলাদেশে খেলতে গিয়ে হোয়াইটওয়াশ হওয়া কিংবা গতবছরের এশিয়া কাপে হেরে যাওয়ার কারণে বিশ্বকাপের ম্যাচের আগে খুব একটা স্বস্তিতে নেই পাকিস্তান।

    দেশটির সাবেক কিংবদন্তি শোয়েব আখতার সরাসরি স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি ভয় পাচ্ছেন বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটিকে। এর যথাযথ কারণও ব্যাখ্যা করেছেন রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস। নিজের ইউটিউব চ্যানেলীক বিশদ ভিডিওতে এসব কথা বলেন শোয়েব।

    যেখানে পাকিস্তানকে আশা দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি, এখনও সবকিছু শেষ হয়ে যায়নি পাকিস্তানের জন্য। অনেক ভারতীয় আমাকে মন্তব্য করেছেন যে পাকিস্তানের আর কোনো আশা নেই, তারা পারবে না। কিন্তু এটা ভুলে গেলে চলবে না, আপনি যতবার পাকিস্তানকে হিসেবের বাইরে ফেলে দেন, ততবারই তারা ঘুরে দাঁড়ায়। আর এভাবে যখন ঘুরে দাঁড়ায় তারা জিততে থাকে। যা তাদের কোয়ালিফাই করতে সাহায্য করে।’

    একইসঙ্গে যোগ করেন, ‘তবে এখনই পাকিস্তানকে উত্তেজিত হওয়া যাবে না। তাদের এখনও বড় একটি ম্যাচ বাকি আছে। সেটা হচ্ছে বাংলাদেশের বিপক্ষে। এটা পাকিস্তানের জন্য সম্মান রক্ষার ম্যাচ হতে পারে, আবার সম্মান হারানোর ম্যাচও হতে পারে। আমি সত্যি এ ম্যাচটিকে ভয় পাচ্ছি। কারণ বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে খুব ভালো দল। রান তাড়ায় দুর্দান্ত এবং এখানে তারা জিততেই এসেছে।’

  • ঘরের মাঠের চেনা পিচই এখন অচেনা ইংল্যান্ডের কাছে

    ঘরের মাঠের চেনা পিচই এখন অচেনা ইংল্যান্ডের কাছে

    আসরের হট ফেবারিট হিসেবে এবারের বিশ্বকাপ শুরু করছিল স্বাগতিক ইংল্যান্ড। উদ্বোধনী ম্যাচে এক প্রকার দাপট দেখিয়েই দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১০৪ রানে হারিয়েছে তারা। কিন্তু ফেবারিট হলেও আসরের মাঝপথেই হোঁচট খেয়েছে স্বাগতিকরা। টানা দুই ম্যাচে হারের পর সেমিফাইনাল উঠার পথটা এখন কঠিন হয়ে গেছে থ্রি লায়ন্সদের জন্য।

    ২০১৫ বিশ্বকাপের পর ওয়ানডের ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের দানবীয় পারফরমেন্স অবাক করে দেয় ক্রিকেট সমর্থকদের। তাদের এমন পারফরমেন্সে অনেকে ভক্তরাই ভেবে নিয়েছেন যে এবারের আসরের চ্যাম্পিয়ন হতে যাচ্ছে থ্রি লায়ন্সরা।

    কিন্তু ভক্তদের এই আশাকে হতাশায় রূপান্তরিত করেছে ইয়ন মরগ্যানের দল। বিশ্বকাপে তাদের থেকে অপেক্ষাকৃত দুই দুর্বল দল পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার কাছেই হেরে বসেছে তারা।

    পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার কাছে এমন হারের জন্য ঘরের মাঠের পিচকেই দুষছেন ইংলিশ ওপেনার জনি বেয়ারস্টো। তার মতে, লর্ডস, দ্য ওভাল মাঠের পিচগুলো তাদের কাছে একদমই অজানা।

    বেয়ারস্টো বলন, ‘গত দুই বছর ধরে আমরা যেই পিচ গুলোতে খেলে এসেছি আমরা নিশ্চিত ছিলাম বিশ্বকাপেও এমন পিচে খেলব। আমি জানি না কেন তারা এগুলো পরিবর্তন করল। উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে যে উইকেটে খেলেছি, সেটা কোনভাবেই ওভালের আদর্শ উইকেটের মতো ছিল না। পাকিস্তান ম্যাচের উইকেটাও ট্রেন্টব্রিজের আদর্শ উইকেটের মতো ছিল না। এমনকি গত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটাও লর্ডসের আদর্শ উইকেটের মতো ছিল না।’

    পিচ নিয়ে দোষ দিলেও সেটাকে হারের জন্য কোন অজুহাত দাঁড় করাতে চান না বেয়ারস্টো। তিনি মনে করেন, বিপক্ষে দলকে হারানোর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে ভালো খেলছে না তার দল।

    ইংলিশ এ ওপেনার বলেন, ‘হ্যাঁ পিচ কিছুটা ভিন্ন ছিল। কিন্তু যেভাবে গত দুই বছর ধরে খেলে আসছি তাতে এই পিচ আমাদের কাছে আদর্শ ছিল না। এটাই বাস্তবতা, তবে এ নিয়ে কোন অজুহাত দাঁড় করাতে চাই না আমি। বিপক্ষ দলকে হারাতে নিজেদের সাধ্যমতো খেলতে পারিনি আমরা। যেটা আমাদের করা উচিত ছিল।’

    সাত ম্যাচে চার জয় ও তিন হারে আট পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চার নম্বরে অবস্থান করছে ইংলিশরা। তাই সেমিফাইনালে যেতে হলে বাকি দুই ম্যাচে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয় ছাড়া কোন বিকল্প নেই তাদের হাতে। তবে চাপের মধ্যে থেকেও ভারতের বিপক্ষে খেলতে মুখিয়ে আছে মরগ্যান-বেয়ারস্টোরা।

    বেয়ারস্টো বলেন, ‘ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটা জমজমাট হতে চলছে। আমরা জানি এই বিশ্বকাপে কিভাবে খেলছে তারা এবং এই ম্যাচে রোমাঞ্চকর এক বাতাবরণ হতে যাচ্ছে। গত গ্রীষ্মেই তাদের বিপক্ষে খুব ভালো ক্রিকেট খেলেছি আমরা। এবং তাদেরকে হারিয়ে সিরিজ জিতেছি আমরা। আমি মনে করি গত সিরিজে ভারতের বিপক্ষে যেভাবে খেলেছি আগামী ম্যাচেও সেভাবে খেলব আমরা। আমাদের কৌশলে কোনো পরিবর্তন আসবে না।’

  • ‘মেসি’র চেহারা কাজে লাগিয়ে ২৩ নারীকে ফাঁদে ফেলেছেন যিনি!

    ‘মেসি’র চেহারা কাজে লাগিয়ে ২৩ নারীকে ফাঁদে ফেলেছেন যিনি!

    দেখতে অবিকল লিওনেল মেসির মতো। আর তার এই চেহারাকে কাজে লাগিয়ে নারীদের ফাঁদে ফেলত ইরানের এক ব্যক্তি। আর এই সম্পর্ক গড়াত অনেক গভীর পর্যন্ত। এভাবে এক এক করে মোট ২৩ জন নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতায় জড়ান ওই ব্যক্তি। তাও মাত্র দু’বছরের মধ্যে।
    ইরানের যুবক রেজা পারাসতেশকে দেখতে অবিকল বার্সেলোনার অধিনায়ক মেসির মতো। দু’বছর আগে তার বাবা তাঁকে মেসির জার্সি পরে পোজ দিতে বলেন। সে ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।

    ‘ফেক মেসি’ হিসেবে বেশ পরিচিতিও লাভ করেন ইরানের ওই যুবক। অভিযোগ, এরপর থেকে নিজের দেশের নারীদের ফাঁদে ফেলার জাল মেলতে শুরু করেন তিনি। এর মধ্যে বার্সা অধিনায়কের মতোই নিজের চুল ও দাড়ি ছাঁটা শুরু করেন রেজা পারাসতেশ। তবে মেসির ব্যক্তি জীবন পরিষ্কার হলেও উল্টো ঘটনা ঘটেছে ‘ফেক মেসি’র ক্ষেত্রে।

  • ২০০ কোটির বিয়েতে ১৫,০০০ কেজি আবর্জনার স্তুপ, আদালতে মামলা!

    ২০০ কোটির বিয়েতে ১৫,০০০ কেজি আবর্জনার স্তুপ, আদালতে মামলা!

    বিয়ের রাজকীয় আয়োজনে ছিল একাধিক চোখ ধাঁধাঁনো আয়োজন। বিয়েতে নিমন্ত্রিতদের তালিকায় ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকে বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফও। বিয়েতে টানা ২ ঘণ্টার যোগচর্চার আয়োজনও করা হয়েছিল। যোগচর্চার এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সয়ং যোগগুরু রামদেব।

    জানা গেছে, এই রাজকীয় বিয়েতে খরচ হয়েছে প্রায় ২০০ কোটি টাকা। কিন্তু বিয়ের খরচের জন্য নয়, অনুষ্ঠানের পর ওই এলাকায় পড়ে থাকা বিপুল পরিমাণ আবর্জনার কারণ খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে ভারতের উত্তরাখণ্ডের অউলি শহরের গুপ্ত পরিবারের বিয়ের অনুষ্ঠান।

    গত ১৮ থেকে ২২ জুন পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যবসায়ী, প্রবাসী অজয় গুপ্ত আর অতুল গুপ্তর দুই ছেলের বিয়ের আসর বসেছিল অউলি শহরে। এ জন্য শহরের প্রায় সব হোটেল আর রিসর্টেই অতিথিদের জন্য বুকিং ছিল। সুইজারল্যান্ড থেকে দামি অর্কিড আর ফুল আনা হয়েছিল বিয়েবাড়ি সাজানোর জন্য। কিন্তু হাজার হাজার অতিথিদের আপ্যায়নের পর সেখানে যে বিপুল পরিমাণ আবর্জনা জমা হয় তা দেখে রীতিমতো চিন্তায় পড়েছেন স্থানীয় পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।
    বিয়েবাড়ির আবর্জনা পরিষ্কার করার জন্য অতিরিক্ত ২০ জন সাফাইকর্মী নিয়োগ করতে হয়েছে পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে। জানা গেছে, প্রায় ১৫,০০০ কেজি আবর্জনা সরানো হয়েছে বিয়েবাড়ি চত্বর থেকে। এই বিপুল পরিমাণ আবর্জনা সাফ করার জন্য পৌরসভা কর্তৃপক্ষের কাছে আরও ৫৪ হাজার টাকা দিতে হয়েছে গুপ্ত পরিবারকে।

    এই রাজকীয় বিয়ের জন্য পরিবেশ দূষিত ও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, এই মর্মে রাজ্যের হাইকোর্টে ইতিমধ্যেই একটি জনস্বার্থ মামলা করা হয়েছে। ৭ জুলাইয়ের মধ্যে এ বিষয়ে রাজ্যের দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডকে বিস্তারিত রিপোট জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ৮ জুলাই এই মামলার শুনানি হবে।

  • সুরের জাদুকর রাহুল দেববর্মনের ৮০ তম জন্মদিনে নিউজ ইন্ডিয়া প্রেসের শ্রদ্ধাঞ্জলি

    সুরের জাদুকর রাহুল দেববর্মনের ৮০ তম জন্মদিনে নিউজ ইন্ডিয়া প্রেসের শ্রদ্ধাঞ্জলি

    সুরের জাদুকর রাহুল দেববর্মনের আজ ৮০ তম জন্মদিন। আট থেকে আশি সব প্রজন্মের মানুষের কাছেই তাঁর সৃষ্টি মিউজিক আজও সমান জনপ্রিয়। কিংবদন্তি শিল্পী আর ডি বর্মনের সুরের সাগরের ডুব দেয়নি এমন সংগীত প্রেমী মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।   বন্ধত্ব হোক কিংবা প্রথম প্রেমে পড়া ,কিম্বা দুঃখ- জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে তার গান আমাদের মুগ্ধ করে চলেছে।

    ১৯৩৯ সালের ২৭ জুন ভারতের বিখ্যাত সংগীত পরিচালক শচীন দেববর্মন এর সহধর্মিনী মীরা দেব বর্মনের কোল আলো করে কলকাতায় জন্মগ্রহন করেন রাহুল দেব বর্মন। যিনি পরবর্তীকালে পঞ্চম নামে পরিচিতি লাভ করেন। ৩৬/১ সাউথ এন্ড পার্ক, আর. ডি. বর্মনের কলকাতার বাড়ির ঠিকানা। কথিত আছে, জন্মের পর তিনি যখন কাঁদছিলেন, তখন সেই আওয়াজ টা সংগীতের পঞ্চম নোটের আকার ধারন করেছিল। এ ছেলে যে একেবার পঞ্চম স্বরে কাঁদে, কী করে এর নাম টুবলু হবে! দাদুর দেওয়া টুবলু নাম টা হয়ে গেল পঞ্চম।

    ছোট বেলা থেকে বাবা-মা শচীন দেব বর্মন ও মীরা দেব বর্মনের সুরের আশ্রয়ে বেড়ে ওঠা পঞ্চমের। ভালো তবলা বাজাতে পারতেন। মাত্র ন বছর বয়সে একটা সুর দিয়েছিলেন পঞ্চম। ছোট্ট পঞ্চমের দেওয়া সেই সুর ১৯৫৬ সালের ‘ফান্টুস’ ছবিতে ব্যবহার করেছিলেন শচীন দেববর্মন | সেই গান টি হল ‘আয়ি মেরি টোপি পালট কে আ’। তিনি প্রথম কাজ করেন অভিনেতা মাহমুদ প্রযোজিত ‘ছোটে নবাব’ ছবিতে ১৯৬১ সালে। মিউজ়িক শিক্ষা পেয়েছিলেন প্রখ্যাত সারদ বাদক ওস্তাদ আলি আকবর খান এবং তবলা বাদক শামতা প্রসাদের কাছে। খুব ভালো মাউথ অরগান বাজাতে পারতেন পঞ্চম। বাবার সহকারী হয়ে কাজ শিখেছেন, কাজ করেছেন দীর্ঘদিন।

    অসংখ্য জনপ্রিয় হিন্দি, বাংলা আধুনিক ও চলচ্চিত্রের গানের সুরকার ও সংগীত পরিচালক আরডি বর্মন। তিনি প্রথম কাজ করেন অভিনেতা মাহমুদ প্রযোজিত ‘ছোটে নবাব’ ছবিতে ১৯৬১ সালে।

    ৩৩১টি ছবিতে মিউজ়িক কম্পোজ় করেছিলেন আর ডি বর্মন। এর মধ্যে ২৯২টি হিন্দি, ৩১টি বাংলা, ৩টি তেলেগু, ২টি তামিল, ২টি ওড়িয়া ও ১টি মারাঠি। সংগীত জীবনে আরডি বর্মনের জনপ্রিয় ছবি, ‘তিসরি মঞ্জিল ‘ ,ইয়াদো কি বারাত, ‘কাটি পতঙ্গ’, ‘গোলমাল’, ‘খুবসুরত’,’কুদরত’ ‘শোলে’, ‘শান’, ‘সাগর’, ‘পরিন্দা’, সনম তেরি কাসাম’, ‘১৯৪২- আ লাভ স্টোরি’,। শেষ কাজ করা সিনেমাটি হল ‘১৯৪২ আ লাভ স্টোরি’।

    ১৯৬৬ সালে রীতা পটেলকে বিয়ে করলেন রাহুল। মাত্র ৫ বছর স্থায়ী হয়েছিল সেই দাম্পত্য। এরপর দীর্ঘ ৯ বছর পর ১৯৮০ সালে আশা ভোঁসলেকে বিয়ে করেন রাহুলদেব|

    কীভাবে দেখা হয়েছিল আর ডির সঙ্গে আশার? কি ভাবে আর ডির প্রেমে পড়েছিলেন আশা?

    ১৯৬০ সালে গণপত রাওয়ার সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর আশা নিজের কেরিয়ারে মনোনিবেশ করতে থাকেন। দুজনের পরিচয় দীর্ঘদিনের। গানের মধ্যে দিয়েই তৈরি হয়ে যায় পারস্পরিক নির্ভরশীলতা।

    আর ডি বর্মনের প্রেমের প্রস্তাবে আশা ভোসলে প্রথমে সেভাবে না এগোলেও, পরের দিকে প্রেমে পড়ে বিয়েও করেন দুজনে। পরবর্তীকালে তাঁদের বিয়ে হলেও তাঁদের সাংসারিক জীবন খুব একটা সুখের হয়নি বলে জানা যায়। স্বামীর প্রতি অনুযোগ ছিল আশার। পঞ্ছম সব সব ভাল ভাল প্রেমের গান দিয়ে দেন দিদি লতাকে, আর আশার জন্য থাকত ক্যাবারে, জ্যাজ প্রধান সব গান। এই নিয়ে বাকবিতণ্ডাও কম হয়নি দুজনের। পরবর্তীকালে আশা নিজেই জানিয়েছেন একাধিক সাক্ষাত্‍কারে| তবে আশা ভোসলে-রাহুল দেববর্মণ জুটি আমাদের উপহার দিয়েছেন কালজয়ী সব গান।

    আর ডি বর্মন বৈষয়িক দিকে সম্পূর্ণ উদাসীন। তিনি ছিলেন দিলদার। নিজের মিউজিশিয়নদের অসম্ভব ভালো বাসতেন আর সন্মান করতেন। তাঁর সুরে গান কিশোর কুমার থেকে অমিত কুমার, মান্না দে, মহম্মদ রফি, ভুপিন্দর সিং, শৈলেন্দ্র সিং প্রমুখ।
    কিশোর কুমার এর গলায় সব থেকে বেশি গান রয়েছে তাঁর সুর করা। কিশোর কুমারকে অসম্ভব শ্রদ্ধা করতেন আর ডি।
    আর ডি বর্মন এমন একটি নাম, যাকে নিয়ে লিখতে বসলে পাতার পর পাতা লিখলেও শেষ করা যায় না।
    একজন পঞ্চম অনুরাগী হিসেবে রাজ্য সরকারের কাছে অনুরোধ, ৩৬/১ সাউথ এন্ড পার্কের আর. ডি. বর্মনের কলকাতার বাড়িটিকে মিউজিয়াম করা হোক, যেখানে রাহুল দেব বর্মনের সঙ্গীত নিয়ে বিশেষ কাজ কিংবা দুস্প্রাপ্য কিছু ছবি দিয়ে সংগ্রহশালা তৈরি করা যেতে পারে।
  • খুনের পর রক্তাক্ত কাটা মাথা নিয়ে থানায়

    খুনের পর রক্তাক্ত কাটা মাথা নিয়ে থানায়

    মন্দিরে ঘুমন্ত লিটন ঘোষ (৫৫) নামের এক শ্রমিকের শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে ব্যাগে ভরে থানায় গিয়ে হাজির হয়েছেন লবু দাস (৪৫) নামে এক ব্যক্তি।

    মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা সদরের গৌর মন্দিরের নাট মন্দিরে এ ঘটনা ঘটে।

    লিটন ঘোষ কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর এলাকার মতি ঘোষের ছেলে। এ ঘটনায় লবু দাসকে তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। লবু দাস উপজেলা সদরের নাছিরপুরের পরমানন্দ দাসের ছেলে।

    পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, লবু দাস একজন চিহ্নিত মাদকসেবী। মাস ছয়েক আগে মতি দাস নামে তার এক চাচাকে হত্যার ঘটনায়ও সে অভিযুক্ত। এ ঘটনায় সম্প্রতি সে জামিনে ছাড়া পেয়ে আসে।

    গৌর মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্মল চন্দ্র চৌধুরী জানান, লিটন ঘোষ নাসিরনগর উপজেলা সদরের ঘোষপাড়ায় তার আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। লবু দাস ও লিটন ঘোষ পূর্ব পরিচিতও ছিলেন না।

    মঙ্গলবার দুপুরে তিনি মন্দিরে ঘুমিয়েছিলেন। এ সময় লবু ধারালো দা দিয়ে লিটনকে হত্যা করে। এরপর শরীর থেকে মাথা আলাদা করে সেটি বাজারের ব্যাগে করে নিজেই থানায় নিয়ে যায়।

    নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজেদুর রহমান জানান, লিটন ঘোষ শ্রমিকের কাজ করেন। সে নাসিরনগরে তার বোনের বাড়িতে এসেছিল। কী কারণে তিনি খুনের শিকার হলেন আমরা এখনো বুঝতে পারছি না।

    তিনি বলেন, লবু ব্যাগে করে থানায় মাথা নিয়ে আসে। সে বলে আরও মাথা আনবে। আমরা ধারণা করছি লবু দাস মানসিক রোগী।

    এ ঘটনার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • ভারতকে বড় সংগ্রহ গড়তে দিল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    ভারতকে বড় সংগ্রহ গড়তে দিল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    ভারতের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। এই ম্যাচে জিতলে সেমিফাইনাল অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যাবে ম্যান ইন ব্লুদের। ম্যানচেস্টারে এমন গুরুত্ববহুল এক ম্যাচে ভারতকে বড় সংগ্রহ গড়তে দিল না টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কায় থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বিরাট কোহলি আর মহেন্দ্র সিং ধোনির জোড়া হাফসেঞ্চুরিতে ৭ উইকেটে মোটে ২৬৮ রানের পুঁজি দাঁড় করাতে পেরেছে ভারত।

    টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় ভারত। দলীয় ২৯ রানের মাথায় কেমার রোচের বলে সাজঘরে ফেরত যান ওপেনার রোহিত শর্মা (১৮)। ৬৪ বলে ৪৮ রান করে ফেরত যান আরেক ওপেনার লোকেশ রাহুলও।

    এরপর দলের হাল ধরেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ৮ চারে ৮২ বলে ৭২ রান করে তিনি ফেরত গেলে ক্ষীণ হয়ে যায় ভারতের বড় সংগ্রহের আশা। কিন্তু কোহলির আউটের পর হাল ধরেন অভিজ্ঞ এমএস ধোনি। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন হার্ড হিটার ব্যাটসম্যান হার্দিক পান্ডিয়াও।

    ৫ চারে ৩৮ বলে ৪৬ রান করে পান্ডিয়া ফেরত গেলেও উইকেটের আরেক প্রান্তে অপরাজিত থাকেন ধোনি। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকা ধোনির ৬১ বলে ৫৬ রানের উপর ভর করে ২৬৮ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় ভারত। অর্থাৎ ২৬৯ রানের লক্ষ্য দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

    ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ১০ ওভার বল করে মাত্র ৩৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন কেমার রোচ। ১০ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ২ উইকেট পান ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। ১০ ওভার বল করে ৫০ রান দিয়ে ২ উইকেট পান আরেক পেসার শেলডন কটরেল।

  • ম্যানচেস্টারে বিরাটের বিশ্বরেকর্ড

    ম্যানচেস্টারে বিরাটের বিশ্বরেকর্ড

    ম্যানচেস্টারে মাইলস্টোন ছুঁলেন বিরাট কোহলি। বৃহস্পতিবার ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত ৩৭ রান করার সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০ হাজার রান পূর্ণ করলেন বিরাট।

    তৃতীয় ভারতীয় ও বিশ্বের ১২ নম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে ২০ হাজারি ক্লাবের সদস্য হলেন কোহলি। তবে শচীন টেন্ডুলকার ও ব্রায়ান লারাকে ছাপিয়ে দ্রুততম ব্যাটসম্যান হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন বিরাট।

    শচীন ও লারা দু’জনেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০ হাজার রান পূর্ণ করেন ৪৫৩টি ইনিংসে। টেস্ট, ওয়ান ডে ও টি-২০ মিলিয়ে কোহলি এখনও পর্যন্ত ৪১৬টি ইনিংস খেলেছেন। ম্যানচেস্টারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ৪১৭তম আন্তর্জাতিক ইনিংসে ব্যাট হাতে নামেন বিরাট। অর্থাৎ শচীন ও লারার থেকে ৩৬টি কম ইনিংস খেলে বিশ্বের দ্রুততম ব্যাটসম্যান হিসেবে ২০ হাজার আন্তর্জাতিক রানের মাইলস্টোন টপকে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন কোহলি। বিরাট ও শচীন ছাড়াও ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০ হাজার রানের গণ্ডি টপকেছেন রাহুল দ্রাবিড়।

    ক’দিন আগে বিশ্বকাপের আসরেই দ্রুততম ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডে ক্রিকেটে ১১ হাজার রান পূর্ণ করেছেন বিরাট। এই রেকর্ড গড়ার পথে তিনি পিছনে ফেলে দিয়েছেন শচীনকে। ২০ হাজার আন্তর্জাতিক রান করার পথেও সেই শচীনকেই ছাপিয়ে গেলেন ভারত অধিনায়ক।

    ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে কোহলির ঝুলিতে ছিল ১৩১টি টেস্ট ইনিংসে ৬৬১৩ রান এবং ২২৩টি ওয়ানডে ইনিংসে ১১০৮৭ রান। আর ৬২টি অন্তর্জাতিক টি-২০ ইনিংসে করেছেন ২২৬৩ রান। অর্থাৎ সব মিলিয়ে ৪১৬টি ইনিংসে বিরাটের আন্তর্জাতিক রান সংখ্যা ছিল ১৯৯৬৩। ফলে এদিন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ৩৭ রান করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০ হাজারের মাইলস্টোন ছুঁলেন বিরাট।

    চলতি বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত তিন অঙ্কের ইনিংস খেলতে না-পারলেও দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন কোহলি। অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে শেষ তিনটি ম্যাচেই হাফ-সেঞ্চুরি এসেছে ভারত অধিনায়কের ব্যাট থেকে।

    ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন কোহলি। ক্যারিবিয়ান পেসারদের বিরুদ্ধে ‘ওয়াচফুল ইনিংস’ শুরু করেন টিম ইন্ডিয়ার দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল। কিন্তু ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে থার্ড-আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হন রোহিত।

  • গেইলদের খেলা দেখতে কানাডা থেকে ম্যানচেস্টারে!

    গেইলদের খেলা দেখতে কানাডা থেকে ম্যানচেস্টারে!

    বিশ্বকাপের ৩৪তম ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিদায় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গেছে। ৬ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট সংগ্রহ করে পয়েন্ট টেবিলের আট নম্বরে অবস্থান ক্যারিবীয়দের।

    ভারতের বিপক্ষে আজ হারলেই বিদায় নিশ্চিত ওয়েস্ট ইন্ডিজের। এমনই এক সমীকরণকে সামনে রেখে ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে টস হেরে খেলতে নামল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

    এদিকে ক্রিস গেইলদের খেলা দেখতে কানাডার টরোন্টো থেকে ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে হাজির হয়েছেন এক ভক্ত। খেলা দেখতে এসে ক্রিস গেইলের সঙ্গে ছবিও তুলেছেন। নিজের জন্মদিন উপলক্ষে দলকে সমর্থন যোগাতে দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে হাজির হন ওই ভক্ত।

    এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের ইতিহাসে মোট ৮ বার মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তার মধ্যে ভারত জয় পেয়েছে মোট ৫ বার আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতেছে ৩ বার।

    এবার দেখার বিষয় ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে ভারতকে হারাতে পারে কিনা ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

  • বছরের পর বছর ধর্ষণের শিকার হয়ে বাবাকে হত্যা করল তিন মেয়ে, অতঃপর…

    বছরের পর বছর ধর্ষণের শিকার হয়ে বাবাকে হত্যা করল তিন মেয়ে, অতঃপর…

    ক্রিস্টিনা, অ্যাঞ্জেলিনা ও মারিয়া। তিন বোন। বয়স যথাক্রমে ১৭, ১৮ ও ১৯ বছর। পিঠাপিঠি এই তিন বোনের মধ্যে কতোই না খুনশুটি ছিল একসময়। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, আজ তারা তিনজনই কারাবন্দি। সেটাও আবার কিনা তাদের বাবার হত্যার অপরাধে। এমনই ঘটনা ঘটেছে রাশিয়ায়।

    দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন পাকিস্তানের খবর, মেয়ে তিনটি স্বেচ্ছায় তাদের বাবাকে হত্যা করেনি। বছরের পর বছর বাবার হাতে ধর্ষিত ও শারীরিক নির্যাতন যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে তারা এমন পথ বেছে নেয়। নির্যতানের এক পর্যায়ে ২০১৮ সালে ছুরিকাঘাত করে তারা তাদের বাবাকে হত্যা করে।

    তাদের বিরুদ্ধে বর্তমানে দলবেঁধে বাবাকে হত্যার অভিযোগে মামলা চলছে। রাশিয়ার আইন অনুযায়ী অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের ৮ থেকে ২০ বছরের জেল হতে পারে।

    তবে এই মর্মান্তিক ঘটনা জানার পর তাদের মুক্তির জন্য অনেকে এগিয়ে এসেছেন। তাদের মুক্তি চেয়ে ইতোমধ্যে প্রায় দেড় লাখেরও বেশি স্বাক্ষর অনলাইনে জমা পড়েছে। পাশাপাশি তাদের বিচার চলাকালে আদালতের বাইরে মানুষ বিক্ষোভ প্রদর্শনও করেছে।