Category: ইসলাম

  • সাইকেল চালিয়ে হজ্জ্বে যাচ্ছেন মুসলিস আবদুল্লাহর পরিবার!

    সাইকেল চালিয়ে হজ্জ্বে যাচ্ছেন মুসলিস আবদুল্লাহর পরিবার!

    প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মুসলিম হজ ও ওমরা পালনে সৌদি আরব গমন করে থাকেন। সাধারণত আকাশপথেই এই ধর্মীয় কাজটি পালন করতে যান তারা।

    তবে বিশ্বের সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া থেকে পাঁচ সদস্যের এক পরিবার বাইসাইকেল চালিয়ে মক্কার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে হজ পালন করার জন্য।

    দেড়মাস আগে রওয়ানা দিয়ে এরইমধ্যে ৩ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে তারা মালয়েশিয়ার পেনাং শহরে এসে পৌঁছেছেন। সেখান থেকে তাদের আরও পাড়ি দিতে হবে ১০ হাজার কিলোমিটার পথ।

    এই যাত্রায় তাদের পাড়ি দিতে হবে ১৩ হাজার কিলোমিটার পথ। তাদের এই পুণ্য যাত্রায় বেশ কিছু দেশ পাড়ি দিতে হবে মুসলিস পরিবারকে। মালয়েশিয়া পাড়ি দেওয়ার পর তারা পৌঁছাবেন থাইল্যান্ডে। সেখান থেকে মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত পেরিয়ে সৌদি ভূমির মক্কায় পৌঁছাবেন তারা।

    তার পুণ্যের যাত্রায় রয়েছেন মুসলিস আবদুল্লাহ (৪৭), তার স্ত্রী জুলিয়ান্তি হুসিন (৪৭), তাদের সন্তান মির্জা হাকিম (১৫), আহমদ জাকি হাফিজ (১১) এবং ছয় বছর বয়সী অলিভিয়া ইয়ুমনা রয়েছেন। তাদের দিক-নির্দেশনায় সঙ্গে আছেন মুসলিসের বন্ধু মোহামেদ দামাহুরি মুতালিব (৬২)।

    এ বিষয়ে এক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে মুসলিস আবদুল্লাহ বলেন, একটি স্বপ্ন দেখার পর সাইকেল চালিয়ে মক্কায় পৌঁছে হজ-ওমরা পালন করার চিন্তাটা আমার মাথায় আসে।

    এই পুণ্যযাত্রীরা আশা করছেন, তারা আগামী হজ মৌসুমের আগেই মক্কায় গিয়ে পৌঁছাবেন। কোথাও নিতান্তই প্রয়োজন পড়লে ফ্লাইটেও চড়তে পারেন তারা।

  • হজে ঘটে যাওয়া আনন্দের  দু’টি ঘটনা

    হজে ঘটে যাওয়া আনন্দের দু’টি ঘটনা

    পবিত্র হজ শুধু একটি ধর্মীয় দায়িত্বই নয়, এটা বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা লাখ-লাখ মুসলিমের এক অপূর্ব মিলনমেলাও বটে। এ মিলনমেলায় ঘটে যায় এমনসব ঘটনা, যা শুনলেও মন ভরে ওঠে অন্যরকম আনন্দে। এবারের হজে ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনা থেকে তেমনই দু’টি ঘটনা নিচে তুলে ধরা হলো :

    আরাফাত ময়দানে সন্তান প্রসব জর্দান থেকে হজে গিয়েছিলেন হাজি মোহাম্মদ ও তাঁর স্ত্রী। হজের নিয়ম অনুসারে যেদিন তাদের আরাফাতের ময়দানে রাত কাটানোর কথা, সেদিনই প্রসব বেদনা উঠলো তাঁর স্ত্রীর। দ্রুত তাঁকে নেয়া হলো আরাফাতে অবস্থিত জাবাল আল-রাহমা জেনারেল হসপিটালে। সেখানে জন্ম হলো সুস্থ সুন্দর একটি ছেলেশিশুর। হাসপাতালের জেনারের সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. ওয়াদ্দাহ আবদুল সাত্তার নিজে বের হয়ে এসে শিশুর পিতাকে সুসংবাদটি দিলেন। খবর শুনে আবেগে আপ্লুত হাজী মোহাম্মদ। তিনি ভাবতেও পারেননি পবিত্র হজ পালনের সময় সন্তানের পিতা হবেন। তিনি ডাক্তারের কাছে তাঁর নাম জানতে চাইলেন। যে-ই শুনলেন ডাক্তারের নাম ওয়াদ্দাহ, বললেন, আমার ছেলের না্মও তাহলে হবে ওয়াদ্দাহ।

    হাজী সাহেবের কথা শুনে ডাক্তার সাহেবও অবাক! বললেন, এটা আমার জন্য চমৎকার একটা উপহার। আমি এমনটা ভাবতেও পারিনি। আমার সত্যিই অসম্ভব খুশি লাগছে।

    এদিকে প্রসূতি মা যাতে হজ সম্পন্ন করতে পারেন দ্রুত সে ব্যবস্থা নেয় সউদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তারা প্রসূতি মা-কে আরাফাত ময়দানে রাত্রি যাপনের সুবিধার্থে মুজদালিফায় নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে মিনায়ও নেয়া হয়। স্ত্রীর প্রতি এত যত্ন নেয়া দেখেও আপ্লুত হাজী মোহাম্মদ।

    ১৫ বছর পর ভাই-বোনের দেখা ইসরাইলী দমন-পীড়ন থেকে বাঁচতে আক থেকে ৩০ বছর আগে পরিবারের সাথে প্যালেস্টাইন ছেড়ে লেবানন চলে গিয়েছিলেন দু’ ভাই-বোন মূসা ও লতিফা। ভাইটির বয়স তখন দু’ বছর মাত্র। এ সময় লতিফা চলে যান মিশর। তারপর মাঝে একবার দেখেছিলেন ভাইকে। আর এবার সউদি বাদশার বদান্যতায় ফিরে পেলেন ভাইকে। এসময় ভাইকে কাঁদতে-কাঁদতে ভাইকে জড়িয়ে ধরেন তিনি।

    সূত্র : সউদি গেজেট

  • বাস তাঁবু খাবার সংক‌টে হাজিরা

    বাস তাঁবু খাবার সংক‌টে হাজিরা

    মিনা, আরাফাত ও মুজদা‌লিফায় বেসরকা‌রি হজ এজেন্সির হাজার হাজার হজযাত্রী‌কে চরম দু‌র্ভোগ পোহা‌তে হ‌য়ে‌ছে। হ‌জের মূল আনুষ্ঠা‌নিকতার পাঁচ‌দিন মিনা, আরাফাত ও মুজদা‌লিফায় হা‌জি প‌রিবহ‌নের জন্য যানবাহন, শীতাতপ নিয়‌ন্ত্রিত তাঁবু ও খাবার সরবরা‌হের কথা থাক‌লেও হজযাত্র‌ী‌দের ৫০ শতাং‌শের ভা‌গ্যে ন্যূনতম সেবাটুকুও মে‌লে‌নি। প‌রিবহন না পে‌য়ে অসংখ্য হজযা‌ত্রীকে মাই‌লের পর মাইল হে‌ঁটে গন্ত‌ব্যে যেতে হয়েছে।

    যারা বাস পে‌য়ে‌ছেন তা‌রা ভাগ্যবান তা-ও বলা যা‌বে না। কারণ আসন সংখ্যার চে‌য়ে তিনগুণ হা‌জি‌কে বা‌সে ঠাঁই দেয়ার ফ‌লে বাসভ্রমণ নরকযাত্রায় রূপ নেয়।

    অনে‌কেরই তাবু‌তে ঠাঁই হয়‌নি। কারও কারও ভা‌গ্যে তাঁবু জুট‌লেও এসি না থাকায় কাঠফাটা গর‌মে নিদারুণ কষ্ট কর‌তে হয়। বহু এজেন্সির যাত্রী‌দের কপা‌লে খাবার জোটেনি। খাবার চাই‌তে গি‌য়ে হজযাত্রীদের অনে‌কে শা‌রীরিক নির্যাত‌নের স্বীকার হন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    তবে হজ এজেন্সিগুলোর দা‌বি, মোয়া‌ল্লে‌মের চরম উদাসীনতা ও অবহেলার কা‌রণে এমন বিপর্যয় ঘ‌টে। আর যাত্রীরা বল‌ছেন, এমন বিপ‌দের সময় এজেন্সির গাইড কিংবা সং‌শ্লিষ্ট কাউ‌কে তারা খু‌ঁজে পান‌নি।

    দু‌দিন আগে বাংলা‌দেশ হজ মে‌ডি‌কেল সেন্টারের সাম‌নে ডাক্তার দেখা‌নোর জন্য অপেক্ষা কর‌ছি‌লেন আনুমা‌নিক ৭০ ও ৬০ বছ‌রের দুই বৃদ্ধ-বৃদ্ধা। ডাক্তার দেখা‌তে লাই‌নে দা‌ঁড়ি‌য়ে থাক‌লেও মি‌নিট খা‌নেক পরপর মা‌টি‌তে ব‌সে পড়ছি‌লেন। কৌতূহলবশত তা‌দের কী হ‌য়ে‌ছে জান‌তে চাই‌লে তারা জানান, ৮ জিলহজ রা‌তে তারা বা‌সে জায়গা পান‌নি। এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা পা‌য়ে হে‌ঁটে আরাফাত ময়দা‌নে যে‌তে ব‌লেন। সেখা‌নে গি‌য়ে দে‌খেন সব তাঁবু মানুষে পরিপূর্ণ। অগত্যা ফেরার প‌থে আরাফাত ময়দান থে‌কে পা‌য়ে হে‌ঁটে মিনায় গি‌য়ে শয়তান‌কে লক্ষ্য করে পাথর নি‌ক্ষেপের পর আবার পা‌য়ে হে‌ঁটে তাঁবু‌তে ফিরে আসেন।

    ৬০/৭০ ব্ছ‌রে এই বৃদ্ধ-বৃদ্ধা বলেন, ‘বাবা, খ‌ুব বেশি কষ্ট হই‌ছে। একেতো রাত, তার ওপর রাস্তাঘাট অপ‌রি‌চিত হওয়ায়ও দু’ঘণ্টার পথ পাঁচ ঘণ্টা লে‌গে গেছে।’

    নির্ভর‌যোগ্য সূ‌ত্রে জানা গে‌ছে, ৫২৮টি বেসরকা‌রি হজ এজেন্সির ম‌ধ্যে ২০০ এজেন্সি ২০০-৩০০ যা‌ত্রীর জন্য ১টি এবং অপর ২০০ এজেন্সি প্র‌তি ১০০ জ‌নে ১টি বাস বরাদ্দ দেয়। বাস সংক‌টের কার‌ণে ত‌া‌দের চরম ভোগা‌ন্তি পোহা‌তে হয়।

    ১৩৪ নম্বর তাঁবুর এক হা‌জি জানান, মিনায় তা‌দের তাঁবু‌তে সারা‌দিন এসি নষ্ট থাকায় প্রচণ্ড গর‌মে থাক‌তে হ‌য়ে‌ছে। ১০৫ নম্বর তাঁবু‌তে খাবার ছিল না। দুপু‌রে চাই‌তে গে‌লে মোয়াল্লেম হা‌জি‌দের স‌ঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার ক‌রেন। এমনকি কয়েকজন হাজিকে মারধরও করা হয়। তাদের অভিযোগ, কমপক্ষে ৩০০ এজেন্সির হা‌জিরা শুধু ভাত আর ডাল খেয়ে ছিলেন।

    এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকা‌শ না করার শর্তে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) দুজন কর্মকর্তা জানান, তারা হা‌জি‌দের ভোগা‌ন্তির বিষয়‌টি সম্পর্কে অব‌হিত র‌য়ে‌ছেন।

  • হজ করতে গিয়ে ৬৯ জনের মৃত্যু

    হজ করতে গিয়ে ৬৯ জনের মৃত্যু

    পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে চলতি বছর সৌদি আরবে ৬৯ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৫৮ জন পুরুষ ও ১১ জন নারী। মৃত ৬৯ জনের মধ্যে মক্কায় ৪৭ জন, মদিনায় ছয়জন, জেদ্দায় দুইজন, মিনায় আটজন ও আরাফাতে ছয়জন মারা যান।

    সর্বশেষ গতকাল বুধবার (২২ আগস্ট) মক্কায় শামসুল ইসলাম নামে এক হাজি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। পাসপোর্ট নম্বর বিকিউ (০৯৭৭০৭৭)।

    এ বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ৭৯৮ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যান। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭ হাজার ১৯৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২০ হাজার জন হজ করতে গেছেন। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ২৭ আগস্ট ও শেষ ফিরতি ফ্লাইটটি দেশে পৌঁছাবে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর।

  • হজ করতে গিয়ে ৬৯ জনের মৃত্যু

    হজ করতে গিয়ে ৬৯ জনের মৃত্যু

    পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে চলতি বছর সৌদি আরবে ৬৯ জন বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৫৮ জন পুরুষ ও ১১ জন নারী। মৃত ৬৯ জনের মধ্যে মক্কায় ৪৭ জন, মদিনায় ছয়জন, জেদ্দায় দুইজন, মিনায় আটজন ও আরাফাতে ছয়জন মারা যান।

    সর্বশেষ গতকাল বুধবার (২২ আগস্ট) মক্কায় শামসুল ইসলাম নামে এক হাজি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। পাসপোর্ট নম্বর বিকিউ (০৯৭৭০৭৭)।

    এ বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ৭৯৮ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যান। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭ হাজার ১৯৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২০ হাজার জন হজ করতে গেছেন। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ২৭ আগস্ট ও শেষ ফিরতি ফ্লাইটটি দেশে পৌঁছাবে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর।

  • শোলাকিয়ায় ১৯১তম ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত

    শোলাকিয়ায় ১৯১তম ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত

    দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হলো কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়ায়। সকাল ৯টায় জামাত শুরু হয়। জামাতে ইমামতি করেন শহরের মারকাজ মসজিদের ইমাম মাওলানা হিফজুর রহমান খান। নামাজ শেষে মুসলিম উম্মার শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এ দিকে জামাতকে ঘিরে নেয়া হয় নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    এবার শোলাকিয়া ছিল ১৯১তম ঈদুল আজহার জামাত। শোলাকিয়ার রীতি অনুযায়ী নামাজ শুরুর ১০ মিনিট ৫ মিনিট ও সব শেষ ৫ মিনিট আগে বন্দুকের গুলি ছুঁড়ে জামাতে চূড়ান্ত প্রস্তুতি জানান দেয়া হয়।Top-(6)

    এর আগে সকাল থেকে মুসুল্লীরা আসতে থাকেন ঈদগাহের দিকে। প্রতি বছর ঈদের জামাতে এখানে লাখো মানুষের ঢল নামে। বড় জামাতে নামাজ আদায় করলে বেশি সওয়াব পাওয়া যায়, তাই এখানে প্রতি বছর ঈদের জামাতে দেশ-বিদেশের মুসুল্লীদের ঢল নামে।

    Top-(2)

    ঈদকে ঘিরে নেয়া হয় চারস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুরো এলাকাকে ৮টি সেক্টরে ভাগ করে দায়িত্ব পালন করে র্যাব-পুলিশ, এপিবিএনসহ ২ প্লাটুন বিজিবি। বসানো হয় ২৪টি চেকপোস্ট। মাঠের ভেতরে-বাইরে বসানো হয় ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা। মেটাল ডিটেক্টরে দেহ তল্লাসীর পর নির্ধারিত গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হয় মুসুল্লীদের। মাঠের আশপাশের নিরাপত্তায় আকাশে নজরদারি করে শক্তিশালী ক্যামেরাযুক্ত দুইটি ড্রোন।

    Top-(3)

    পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ বিপিএম জানান, গত বছর এ মাঠে প্রায় ৫ লাখ মুসুল্লীর সমাগম হয়েছিল। এবার কোরবানির কারণে মুসুল্লী কম হয়েছে। তবে নিরাপত্তার কোনো কমতি ছিল না। নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে জামাত শেষ হয়েছে।

    Top-(4)

    শোলাকিয়া মাঠের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী বলেন, প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ঈদের নামাজ শেষ হয়েছে। তিনি জানান, কোনো নিরাপত্তা হুমকি না থাকলেও সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিয়েছি। এছাড়াও দূরের মুসুল্লীদের জন্য ভৈরব ও ময়মনসিংহ থেকে কিশোরগঞ্জে দু’টি বিশেষ ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা করে প্রশাসন।

  • বরিশালে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

    বরিশালে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

    শেখ সুমন :

    বরিশালে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে সকাল ৮টায় নগরীর হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে। সিটি মেয়র আহসান হাবিব কামাল,নব নির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, বিভাগীয় কমিশনার মো. শহীদুজ্জামান, জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান,বরিশাল সদর উপজেলার চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. একেএম জাহাঙ্গীরসহবিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা সহ নগরীর বিভিন্ন শ্রেনি পেশার কয়েক হাজার মুসল্লি কেন্দ্রিয় ঈদগাহ ময়দানের প্রধান জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেন।নামাজ শেষে নেতৃবৃন্দ পরস্পরের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    নামাজ শেষে সিটি মেয়র আহসান হাবিব কামাল নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানীর জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। একই সাথে আজকের মধ্যে কোরবানীর বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দেন সিটি মেয়র।নামাজ পরবর্তী ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুজ্জামান দেশ ও জাতির অগ্রগতি কামনা করে বলেন, ত্যাগের মহিমায় কোরবানি দিয়ে প্রত্যেকের উচিত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহায়তা করা।এসময় তিনি ১৫ আগস্ট জাতির জনকসহ অন্য শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করেন। দেশের সমৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান জানান।

    বরিশালে এবারও ঈদের সর্ববৃহৎ জামাত অনুষ্ঠিত হয় সদর উপজেলার চরমোনাই দরবার শরীফের মাঠে সকাল ৯টায়। পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি মো. রেজাউল করিম ঈদ জামাতে ইমামতিত্ব করেন।বরিশালের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয় পিরোজপুরের নেছারাবাদ ছারছিনা দরবার শরীফ মাঠে সকাল ৮টায়।

    এছাড়া ঝালকাঠীর মরহুম কায়েদ সাহেব হুজুর প্রতিষ্ঠিত এনএস কামিল মাদ্রাসা মাঠে সকাল ৮টায়, পটুয়াখালীর মীর্জাগঞ্জ হযরত ইয়ারউদ্দিন খলিফা (রা.) মাজার শরীফ ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টায় এবং বরিশালের উজিরপুরের গুঠিয়ার দৃষ্টিনন্দন বায়তুল আমান জামে মসজিদ কমপ্লেক্স ও ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

    দুটি করে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয় বরিশাল নগরীর চক বাজারের জামে এবাদুল্লাহ মসজিদে সকাল সকাল ৮টায় ও সাড়ে ৯টায়, হেমায়েত উদ্দিন রোডের জামে কসাই মসজিদে সকাল ৮টায় ও সাড়ে ৯টায় এবং সদর রোডের বায়তুল মোকাররম জামে মসজিদে সকাল ৮টায় ও ৯টায়।

    এছাড়া গোরস্থান রোডের আঞ্জুমান-ই হেমায়েত-ই ইসলাম ময়দানে সকাল ৮টায়, পুলিশ লাইনস্ মাঠে সকাল পৌঁনে ৯টায়, নূরিয়া স্কুল মাঠে সকাল ৮টায় এবং কেন্দ্রিয় কারাগার জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায় সহ বরিশাল নগরী এবং বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় বড় ছোট সহস্রাধিক ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।ঈদ জামাতের পর বিভিন্ন স্থানে পশু কোরবানী করেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

  • বায়তুল মোকাররমে রাজধানীর প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত

    বায়তুল মোকাররমে রাজধানীর প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত

    রাজধানীর প্রথম ঈদের জামাত বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ  বুধবার (২২ আগস্ট) সকাল ৭টায় এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

    জামাতের মোনাজাতে দেশ-জাতির মঙ্গল কামনায় এবং দেশের সব সমস্যা দূর করতে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পাঠানো প্রেসবিজ্ঞপ্তি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    সূত্র জানায়, দেশের প্রধান ঈদ জামাত সকাল ৮টায় জাতীয় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হবে। তবে, আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে একই জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।

    ঈদুল ফিতরের নামাজের পর দেশ জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এ সময় ‘আল্লাহুম্মা আমিন’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো বায়তুল মোকাররম এলাকা। গুনাহ মাফের জন্য দুই হাত তুলে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন মুসল্লিরা।

    জাতীয় মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন মুসল্লিরা। বড়দের পাশাপাশি ছোট শিশু-কিশোররাও শরিক হয় এ জামাতে। প্রথম জামাতে বায়তুল মোকাররম ও জাতীয় ঈদগাহের ভেতরে ও বাইরে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অত্যন্ত আনন্দ ও উৎফুল্লের সঙ্গে কোলাকুলি ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে দেখা যায়।

    এবারও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পাঁচটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রথম জামাতের পর দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায়, তৃতীয় জামাত সকাল ৯টায়, চতুর্থ জামাত সকাল ১০টায় এবং পঞ্চম ও শেষ জামাত সকাল পৌঁনে ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    এ ছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডের মসজিদ, মাঠসহ বিভিন্ন স্থানে ৪০৯টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে ঈদের একটি জামাত।

  • ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা আজ

    ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা আজ

    ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা আজ (বুধবার)। ঈদুজ্জোহার চাঁদ হাসে ঐ/ এল আবার দুসরা ঈদ!/ কোরবানি দে, কোরবানি দে,/ শোন খোদার ফরমান তাগিদ…’ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই কাব্যসুর আকাশ-বাতাস মন্দ্রিত করে মনপ্রাণ ভরে তুলছে ঈদের আনন্দ রোশনাইয়ে।

    বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং যথাযথ ধর্মীয় মর্যদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে সারা দেশে মুসলিম সম্প্রদায় ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। ঈদ উপলক্ষে  মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনের সরকারি ছুটি। তবে এ সপ্তাহের শেষ দু’দিন শুক্র ও শনিবার হওয়ায় ছুটি দাঁড়িয়েছে ৫ দিনে।

    মহান আল্লাহর অপার অনুগ্রহ লাভের আশায় ঈদুল আজহার জামাত শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সামর্থ অনুযায়ী পশু কোরবানি করবেন। ইতোমধ্যে যার যার সাধ্যমত কোরবানির পশু কিনেছেন। রাজধানীতেও বরাবরের মতোই কোরবানির হাট ছিল জমজমাট। ইসলামের পরিভাষায় কোরবানি হলো- নির্দিষ্ট পশুকে একমাত্র আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে নির্দিষ্ট সময়ে তাঁরই নামে জবাই করা। মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে জবাই করা পশুর মাংস বা রক্ত কিছুই পৌঁছায় না, কেবল নিয়ত ছাড়া। ঈদুল আজহার অন্যতম শিক্ষা হচ্ছে, মনের পশু অর্থাৎ কু-প্রবৃত্তিকে পরিত্যাগ করা।

    ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদও পৃথক বার্তায় দেশবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। পবিত্র ঈদুল আজহার তাৎপর্য তুলে ধরে বরাবরের মতো এবারও দেশের সংবাদপত্রগুলো প্রকাশ করছে বিশেষ সংখ্যা। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, সবকটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও এফএম রেডিও ঈদ উপলক্ষে কয়েক দিনব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করবে।

    পবিত্র এই দিনটিতে উৎসবের আমেজ দিতে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সড়ক দ্বীপসমূহে জাতীয় এবং ঈদ মোবারকখচিত পতাকা দিয়ে সুশোভিত করা হয়েছে। পাশাপাশি সকল সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা ও ঈদ মোবারকখচিত পতাকা উত্তোলন করা হবে। এ ছাড়াও নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনগুলো আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হবে।

    প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে বরাবরের মতো এবারও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বড় শহর থেকে অগণিত মানুষ নাড়ির টানে গেছেন গ্রামের বাড়িতে। যাত্রাপথ নির্বিঘ্ন করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও কয়েকটি মহাসড়কে যানজট ছিল। সময়মত ছাড়তে পারেনি অনেক ট্রেন। তবুও হাসিমুখে বাড়ি ফিরেছেন অনেকে।

    এদিকে রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণস্থ জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে আজ সকাল ৮টায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকলে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে।

    প্রতি বছরের মতো এবারও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় দেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে সেখানেও ঈদ জামাতের সবপ্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিশেষ ট্রেন ও বাস চলাচল করবে।

    ঈদুল আজহা উপলক্ষে আজ কেন্দ্রীয় কারাগারসহ দেশের সকল কারাগার, সরকারি হাসপাতাল, ভবঘুরে কল্যাণ কেন্দ্র, বৃদ্ধাশ্রম, শিশুসদন, ছোটমনি নিবাস, সামাজিক প্রতিবন্ধী কেন্দ্র সরকারি আশ্রয় কেন্দ্র, সেফ হোমস, দুস্থকল্যাণ কেন্দ্র এবং শিশু ও মাতৃসদনগুলোতে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে।

    রাজধানীর দুই সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ৪০৯টি স্থানে ঈদ জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় জাতীয় ঈদগাহের প্রধান জামাতসহ ঈদুল আজহার ২৩০টি এবং উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ১৭৯টি জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।

    উল্লেখ্য, ইসলামে কোরবানি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। পবিত্র কুরআনে সূরা কাউসারে এ ব্যাপারে বলা হয়েছে- ‘অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে সালাত আদায় এবং কোরবানি করুন’। সূরা হজে বলা হয়েছে ‘কোরবানি করা পশু মানুষের জন্য কল্যাণের নির্দেশনা’।

    কোরবানির মূল উদ্দেশ্যই তাকওয়া বা খোদাভীতি। এ প্রসঙ্গে কুরআনে বলা হয়েছে- ‘এগুলোর গোশত আমার কাছে পৌঁছায় না। কিন্তু তোমাদের তাকওয়া পৌঁছে যায়।’

    প্রায় চার হাজার বছর আগে আল্লাহপাকের সন্তুষ্টি লাভের জন্য হজরত ইব্রাহিম (আ.) নিজ পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)’কে কোরবানি করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু পরম করুণাময়ের অপার কুদরতে হজরত ইসমাইল (আ.)-এর পরিবর্তে একটি দুম্বা কোরবানি হয়ে যায়। হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগের মহিমার কথা স্মরণ করে বিশ্বব্যাপী মুসলিম সম্প্রদায় জিলহজ মাসের ১০ তারিখে আল্লাহপাকের অনুগ্রহ লাভের আশায় পশু কোরবানি করে থাকে।

    আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান মুসলিমের জন্য আল্লাহ কোরবানি ফরজ করে দিয়েছেন। এ জন্য ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে কোরবানি করাই এ দিনের উত্তম ইবাদত। সেই ত্যাগ ও আনুগত্যের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সারা দেশের মুসলিম সম্প্রদায় আজ দিনের শুরুতেই ঈদগাহ বা মসজিদে সমবেত হবেন এবং ঈদুল আজহার দু’রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায় করবেন। নামাজের খুতবায় খতিব তুলে ধরবেন কোরবানির তাৎপর্য।

    জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা উদযাপিত হলেও পরের দুই দিনও পশু কোরবানি করার বিধান রয়েছে। সামর্থবান মুসলমানদের জন্য কোরবানি ফরজ হলেও ঈদের আনন্দ থেকে দরিদ্র-দুঃস্থরাও বঞ্চিত হবেন না। কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রির সমুদয় অর্থ এবং কোরবানি দেয়া পশুর মাংসের তিন ভাগের এক ভাগ তাদের মধ্যে বণ্টন করে দেয়া হবে।

  • রাজশাহীতে কখন কোথায় ঈদ জামাত

    রাজশাহীতে কখন কোথায় ঈদ জামাত

    রাজশাহীতে ঈদুল আযহার প্রধান জামাত সকাল ৮টায় ঐতিহ্যবাহী শাহ্ মখদুম (রহ.) কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের রাজশাহী বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক একেএম মনিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রধান ঈদ জামাত আয়োজনের সবপ্রস্তুতি শেষ।
    রাজশাহী সিটি করপোরেশন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও রাজশাহী শাহ মখদুম দরগা ট্রাস্ট এবং স্থানীয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নগরীতে প্রথম দু’টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টায়। নগরীর আমচত্ত্বর আহলে হাদীস মাঠ এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে এ দু’টি ঈদ জামাত।
    সকাল সাড়ে ৭টায়: উপশহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, বড়বনগ্রাম আলফারুক জামে মসজিদ, শালবাগান গণপূর্ত মাঠ, বিনোদপুর আহলে হাদিস জামে মসজিদ এবং মেহেরচন্ডি নতুনপাড়া ঈদগা। বালিয়াপুকুর জামে মসজিদে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে পৌনে ৮টায়।
    সকাল ৮টায়: সাহেব বাজার বড় রাস্তা, টিকাপাড়ায় মহানগর ঈদগাহ, হাজী লাল মুহাম্মদ ঈদগাহ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, লোকনাথ স্কুল মাঠ, পাঁচানী ঈদগাহ, ডাঁশমারি পূর্বপাড়া ঈদগাহ, ডাঁশমারি বাইতুল মারেফত মাঠ, সাতবাড়িয়া ঈদগাহ, মেহেরচন্ডি ঈদগাহ, মির্জাপুর ঈদগাহ, মির্জাপুর পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদ, বুলনপুর ঈদগা, মসজিদ-ই-নূর ঈদগাহ, কয়েরদাড়া ঈদগাহ, মদিনাতুল উলুম কামিল মাদ্রাসা, ডিঙ্গাডোবা ঈদগাহ মাঠ, কাশিয়াডাঙ্গা সিটি গেট ঈদগাহ, কাশিয়াডাঙ্গা ঈদগাহ, মির্জাপুর পূর্ব পাড়া ঈদগাহ, ফিরোজাবাদ ঈদগাহ।
    সকাল সোয়া ৮টায়: বিভাগীয় স্টেডিয়াম (তেরখাদিয়া) ঈদগাহ, শিরোইল সরকারি হাইস্কুল ঈদগাহ, মালদা কলোনী ঈদগাহ এবং রামচন্দ্রপুর মহলদার পাড়া ঈদগাহ।
    সকাল সাড়ে ৮টায়: রাজশাহী জজ কোর্ট ঈদগাহ, লক্ষ্মীপুর ভাটাপাড়া ঈদগাহ, রায়পাড়া বসরী ঈদগাহ, কাঠালবাড়ীয়া ঈদগাহ, রায়পাড়া ঈদগাহ, রাজশাহী কোর্ট স্টেশন ঈদগাহ, মোল্লাপাড়া ঈদগাহ, লক্ষ্মীপুর ভাটাপাড়া ঈদগাহ মাঠ, কোর্ট বুলনপুর ঈদগাহ মাঠ, খোজাপুর গোরস্থান ঈদগাহ মাঠ, জাহাজঘাট মোড় ঈদগাহ মাঠ, খোজাপুর ১ নম্বর ঈদগাহ, শহীদবাগ জামে মসজিদ এবং ধরমপুর মধ্যপাড়া ঈদগাহ। উপশহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ঈদগাহ, চৌদ্দপাই মোড় ঈদগাহ, বুধপাড়া ঈদগাহ ময়দান, খাদেমুল ইসলাম স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং তালাইমারী বাজার ঈদগাহ।