Category: ধর্ম

  • পবিত্র শবে বরাত আজ

    পবিত্র শবে বরাত আজ

    মহিমান্বিত রজনী লাইলাতুল বরাত আজ। যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় আজ (শুক্রবার) দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে। হিজরি বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটিকে মুসলমানরা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করে থাকেন। শবে বরাত মুসলামানদের কাছে লাইলাতুল বরাত নামেও পরিচিত। পবিত্র শবে বরাত মাহে রমজানেরও আগমনী বার্তা দেয়।

    ফারসি ‘শব’ শব্দের অর্থ রাত আর ‘বরাত’ শব্দের অর্থ সৌভাগ্য। আরবিতে বলে ‘লাইলাতুল বরাত’, অর্থাৎ সৌভাগ্যের রাত। মহিমান্বিত এই রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পরম করুণাময় মহান আল্লাহর অনুগ্রহ লাভের আশায় নফল নামাজ পড়েন, কোরআন তিলাওয়াত করেন এবং জিকিরে মগ্ন থাকেন। অতীতের পাপ–অন্যায়ের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা এবং ভবিষ্যৎ জীবনের কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করবেন মুসলমানরা।

    মুসলমানদের বিশ্বাস, মহিমান্বিত এই রাতে মহান আল্লাহতায়ালা মানুষের ভাগ্য অর্থাৎ তার নতুন বছরের ‘রিজিক’ নির্ধারণ করে থাকেন। এই রাতে বাবা-মা, আত্মীয়-স্বজনসহ প্রিয়জনদের কবর জিয়ারত করা হয়।

    পবিত্র শবে বরাতকে কেন্দ্র করে বাড়িতে বাড়িতে হরেক রকমের হালুয়া, ফিরনি, রুটিসহ উপাদেয় খাবার তৈরি করার প্রচলন রয়েছে। এসব খাবার আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও গরিব-দুঃখীর মধ্যে বিতরণ করা হয়। সন্ধ্যার পর অনেকে কবরস্থানে যান আপনজনদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করতে।

    এ উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ দেশের বিভিন্ন মসজিদ ও মাদরাসায় ওয়াজ মাহফিল, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আজ বাদ মাগরিব বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ‘শবে বরাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। ওয়াজ মাহফিল শেষে বাদ এশা দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। ওয়াজ ও দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান।

    পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার বাণীতে বলেন, মানুষের ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তির জন্য ইসলামের সুমহান আদর্শ আমাদের পাথেয়। সমাজের দরিদ্র ও দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে তিনি বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানান।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেছেন, আসুন সব প্রকার অন্যায়, অনাচার, হানাহানি ও কুসংস্কার পরিহার করে আমরা শান্তির ধর্ম ইসলামের চেতনা ব্যক্তিসমাজ ও জাতীয় জীবনের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠা করি।

    এদিকে, পবিত্র শবে বরাতে আতশবাজি, পটকাবাজি নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি জানায়, শবে বরাতের পবিত্রতা রক্ষার্থে এবং সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন নিশ্চিত করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শনিবার ভোর ৬টা পর্যন্ত বিস্ফোরক দ্রব্য, আতশবাজি, পটকাবাজি, অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য বহন এবং ফোটানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে শবে বরাত রাতে আতশবাজি ফোটানো নিষিদ্ধ ঘোষণার বিষয়টি মাইক দিয়ে মহল্লায় মহল্লায় প্রচার করা হয়েছে।

  • নামাজের সময়সূচি : ১৫ মার্চ ২০২২

    নামাজের সময়সূচি : ১৫ মার্চ ২০২২

    আজ মঙ্গলবার ১৫ মার্চ ২০২২ ইংরেজি, ০১ চৈত্র ১৪২৮ বাংলা, ১১ শাবান ১৪৪৩ হিজরি। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো-

    > জোহর- ১২:১১ মিনিট।
    > আসর- ৪:২৬ মিনিট।
    > মাগরিব- ৬:১১ মিনিট।
    > ইশা- ৭:২৪ মিনিট।
    > ফজর (১৬ মার্চ)- ৪:৫৪ মিনিট।

    আজ সুর্যাস্ত- ৬:০৭ মিনিট।
    > আগামীকালের (১৬ মার্চ) সূর্যোদয়- ৬:০৭ মিনিট।

    বিভাগীয় শহরের জন্য উল্লেখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগে সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, তাহলো

    বিয়োগ করতে হবে
    > চট্টগ্রাম : -০৫ মিনিট
    > সিলেট : -০৬ মিনিট

    যোগ করতে হবে-
    > খুলনা : +০৩ মিনিট
    > রাজশাহী : +০৭ মিনিট
    > রংপুর : +০৮ মিনিট
    > বরিশাল : +০১ মিনিট

  • নামাজের সময়সূচি : ১৪ মার্চ ২০২২

    নামাজের সময়সূচি : ১৪ মার্চ ২০২২

    আজ সোমবার ১৪ মার্চ ২০২২ ইংরেজি, ২৯ ফাল্গুন ১৪২৮ বাংলা, ১০ শাবান ১৪৪৩ হিজরি। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো-

    > জোহর- ১২:১২ মিনিট।

    আসর- ৪:২৬ মিনিট।

    > মাগরিব- ৬:১১ মিনিট।

    ইশা- ৭:২৪ মিনিট।

    > ফজর (১৫ মার্চ)- ৪:৫৪ মিনিট।

    আজ সুর্যাস্ত- ৬:০৭ মিনিট।

    > আগামীকালের (১৫ মার্চ) সূর্যোদয়- ৬:০৭ মিনিট।

    বিভাগীয় শহরের জন্য উল্লেখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগে সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, তাহলো-

    বিয়োগ করতে হবে

    > চট্টগ্রাম : -০৫ মিনিট

    > সিলেট : -০৬ মিনিট

    যোগ করতে হবে-

    > খুলনা : +০৩ মিনিট

    > রাজশাহী : +০৭ মিনিট

    > রংপুর : +০৮ মিনিট

    > বরিশাল : +০১ মিনিট

    তথ্যসূত্র : ইসলামিক ফাউন্ডেশন

  • যে ৩ জিনিস মৃতব্যক্তিকে অনুসরণ করে

    যে ৩ জিনিস মৃতব্যক্তিকে অনুসরণ করে

    জীবন যার আছে, তার মৃত্যু সুনিশ্চিত। মৃত্যুর পর ৩ জিনিস মানুষকে অনুসরণ করে। এ তিন জিনিসের মধ্যে দুইটি ফিরে আসে তথা দুনিয়াতেই থেকে যায়। আর একটি জিনিস মৃতব্যক্তির সঙ্গী হয়। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে পাকে বিষয়টি সুষ্পষ্ট করেছেন। মৃতব্যক্তিকে অনুসরণকারী জিনিস তিনটি কী?

    মৃত ব্যক্তিকে অনুসরণ করা জিনিস ৩টি। এর মধ্যে প্রথম হলো- মৃতব্যক্তির আপনজন তথা আত্মীয়-স্বজন; দ্বিতীয় হলো- মৃতব্যক্তির ধন-সম্পদ এবং তৃতীয় হলো- মৃতব্যক্তির জীবদ্দশায় করা তার আমল। আত্মীয়-স্বজন এবং ধন-সম্পদ মৃতব্যক্তির সঙ্গে যায় না বরং ফিরে আসে। শুধু নেক আমলই তার সঙ্গী হয়। হাদিসে পাকে এসেছে-

    হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন-

    يَتْبَعُ الميتَ ثلاثةٌ أهْلُه ومَالُه وعَمَلُه، فيرجع اثنان ويَبْقى واحد: يرجع أهْلُه ومَالُه، ويبقى عَمَلُه

    তিনটি জিনিস মৃত ব্যক্তিকে অনুসরণ করে- তার আত্মীয়-স্বজন, তার ধন-সম্পদ ও তার আমল। এরপর দুইটি জিনিস (মৃতব্যক্তি থেকে) ফিরে আসে এবং একটি জিনিস (মৃতব্যক্তির সঙ্গে) রয়ে যায়। (অর্থাৎ) তার আত্মীয়-স্বজন ও তার ধন-সম্পদ ফিরে আসে, আর তার আমল (তার সঙ্গে) রয়ে যায়।’ (বুখারি ও মুসলিম)

    হাদিস থেকে এ বিষয়টি প্রমাণিত

    যখন কোনো মানুষ মারা যায়, তাকে দাফন করতে পেছনে পেছনে গোরস্থানে যায় মানুষ। মৃতব্যক্তিকে দাফন করতে যায় আত্মীয়-স্বজন, আপনজনরাও তার অনুগামী হয় এবং তার সম্পদও তার অনুগামী হয়। অর্থাৎ সম্পদ বলতে তার গোলাম, খাদেমসহ অন্য যারা আছেন তাদের বোঝানো হয়। আর দুনিয়ার জীবনে করা তার আমলও তার অনুসরণ করে। মৃতব্যক্তিকে দাফনের পর দুইটি জিনিস- আত্মীয়-স্বজন ও সম্পদ ফিরে আসে কিন্তু তার আমল তার সঙ্গে রয়ে যায়। যার আমল ভালো হয় সে মুক্তি পায়; আর যার আমল খারাপ হয়, তার জন্য অপেক্ষা করে সীমাহীন বিপদ।

    এ কারণেই মহান আল্লাহ মানুষকে স্মরণ রাখার জন্য কোরআনুল কারিমে ঘোষণা করেছেন-

    کُلُّ نَفۡسٍ ذَآئِقَۃُ الۡمَوۡتِ ؕ وَ اِنَّمَا تُوَفَّوۡنَ اُجُوۡرَکُمۡ یَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ ؕ فَمَنۡ زُحۡزِحَ عَنِ النَّارِ وَ اُدۡخِلَ الۡجَنَّۃَ فَقَدۡ فَازَ ؕ وَ مَا الۡحَیٰوۃُ الدُّنۡیَاۤ اِلَّا مَتَاعُ الۡغُرُوۡرِ

    ‘প্রতিটি প্রাণীই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। আর অবশ্যই কেয়ামতের দিনে তাদের প্রতিদান পরিপূর্ণভাবে দেওয়া হবে। সুতরাং যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে; সে-ই সফলতা পাবে। আর দুনিয়ার জীবন শুধু ধোঁকার সামগ্রী।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ১৮৫)

    সুতরাং মুমিন মুসলমানের জন্য একান্ত করণীয়, মৃত্যুর আগে নেক আমলের প্রতি মনোযোগী হওয়া। অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকা। পরকালের সফলতায় কোরআন-সুন্নাহর দিকনির্দেশনা মেনে চলা।

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে পরকালের সফলতা পেতে নেক আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

  • নামাজের সময়সূচি : ১৩ মার্চ ২০২২

    নামাজের সময়সূচি : ১৩ মার্চ ২০২২

    আজ রোববার ১৩ মার্চ ২০২২ ইংরেজি, ২৮ ফাল্গুন ১৪২৮ বাংলা, ০৯ শাবান ১৪৪৩ হিজরি। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো-

    > জোহর- ১২:১২ মিনিট।

    আসর- ৪:২৬ মিনিট।

    > মাগরিব- ৬:১০ মিনিট

    ইশা- ৭:২৩ মিনিট।

    > ফজর (১৪ মার্চ)- ৪:৫৫ মিনিট।

    আজ সুর্যাস্ত- ৬:০৬ মিনিট।

    > আগামীকালের (১৪ মার্চ) সূর্যোদয়- ৬:০৮ মিনিট।

    বিভাগীয় শহরের জন্য উল্লেখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগে সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, তাহলো-

    বিয়োগ করতে হবে

    > চট্টগ্রাম : -০৫ মিনিট

    > সিলেট : -০৬ মিনিট

    যোগ করতে হবে-

    > খুলনা : +০৩ মিনিট

    > রাজশাহী : +০৭ মিনিট

    > রংপুর : +০৮ মিনিট

    > বরিশাল : +০১ মিনিট

    তথ্যসূত্র : ইসলামিক ফাউন্ডেশন

  • যে আমল-দোয়ায় থাকে না দুঃখ ও দুশ্চিন্তা

    যে আমল-দোয়ায় থাকে না দুঃখ ও দুশ্চিন্তা

    দুশ্চিন্তা ও দুঃখবোধ মানুষের কষ্টের বোঝা বাড়িয়ে দেয়। দুশ্চিন্তা ও দুঃখবোধ কমাতে ছোট্ট একটি আমলই যথেষ্ট। ছোট্ট একটি আমলেই কমে যাবে মানুষের সব দুঃখ ও দুশ্চিন্তা। কী সেই আমল ও দোয়া?

    দুঃখ-দুর্দশা কিংবা কোনো বিষয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে মহান আল্লাহর ওপর আস্থা ও ভরসা রাখার বিকল্প নেই। একত্ববাদের ঘোষণা ও আস্থা বিশ্বাসেই হ্রাস পাবে মানুষের দুঃশ্চিন্তা ও দুঃখবোধ। ইমাম ইবনুল কায়্যিম যাদুল মাদ গ্রন্থে ছোট্ট একটি আমল এভাবে তুলে ধরেছেন-

    যে ব্যক্তির দুঃখ এবং দুশ্চিন্তা বৃদ্ধি পেয়েছে সে যেন অবশ্যই পড়ে-

    لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ

    উচ্চারণ : ‘লা হাউলা ওয়া লা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহি।’

    অর্থ : আল্লাহর সাহায্য ছাড়া পাপমুক্তির কোনো পথ নেই, আর আল্লাহর সাহায্য ছাড়া ইবাদতের কোনো শক্তি নেই।’

    সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, যখনই চিন্তা, অস্থিরতা, দুঃখ-বেদনায় পড়বে সঙ্গে সঙ্গে ছোট্ট এ আমলটি করবে। তাতেই মিলবে সমাধান ও মুক্তি।

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সবাইকে ছোট্ট এ আমলটি করার তাওফিক দান করুন। দুঃখবোধ ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

  • হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

    হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

    সৌদি আরবে হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি কাস্টমস। এখন থেকে সৌদিতে যাওয়া-আসার সময় ৬০ হাজার রিয়াল বা সমপরিমাণের বেশি অর্থ, স্বর্ণ ও জিনিসপত্র বহন করতে হলে ওই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

    সম্প্রতি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, সৌদি সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী দেশটিতে যাওয়া ও আসার সময় কোনো যাত্রী ৬০ হাজার সৌদি রিয়াল বা সমপরিমাণের বেশি অর্থ, স্বর্ণ ও জিনিসপত্র বহন করতে হলে ওই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানাতে হবে। জিনিসপত্র বহনের ক্ষেত্রে ইলেকট্রিক্যাল ভাউচার নিতে হবে। এর কোনো ব্যত্যয় হলে যাত্রীকে সৌদি স্থানীয় আইনের আওতায় বিচারের সম্মুখীন হতে হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, হজ ও ওমরা যাত্রীরা শুধু নিজের ব্যবহারের জিনিসপত্র, ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী সীমিত পরিমাণে ওষুধ নিতে পারবে। বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে টুপি, জর্দা, প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ ও অন্যান্য জিনিস বহন দণ্ডনীয় অপরাধ। বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে এসব সামগ্রী পরিবহন করলে সৌদি সরকারের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হতে পারে।

  • করোনার অবনতি এ বছরও হচ্ছে না বিশ্ব ইজতেমা

    করোনার অবনতি এ বছরও হচ্ছে না বিশ্ব ইজতেমা

    বৈশ্বিক মহামারি করোনা পরিস্থিতির অবনতির কারণে এবছরও অনুষ্ঠিত হচ্ছে না তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা। এনিয়ে লাগাতার দু’বছর ইজতেমা স্থগিত হলো।

    তাবলিগ জামাত সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির উন্নতি সাপেক্ষে জানুয়ারির শেষ কিংবা ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে ইজতেমা আয়োজনে সরকারের কাছে প্রস্তাব দিয়েছিলেন তাবলিগ জামাতের মুরব্বিরা। কিন্তু করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকারি নির্দেশনার কারণে তাবলিগের দু’পক্ষই ইজতেমার আয়োজন থেকে পিছিয়ে এসেছে।

    প্রতি বছর সাধারণত জানুয়ারি মাসে শীতের সময়ে বিশ্বের ৫০ থেকে ৬০টি দেশের দ্বীনদার মুসলমানদের সমাবেশ ঘটে বিশ্ব ইজতেমায়। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে গত বছর ছন্দপতন ঘটে এ আয়োজনে। পরিস্থিতি উন্নতি না হওয়ায় মুসলিম বিশ্বের অন্যতম এ ধর্মীয় জমায়েত এ বছরও আয়োজন সম্ভব হচ্ছে না ।

    রোববার রাতে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইজতেমা আয়োজন সম্ভব নয়। কয়েক মাস আগে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক ছিল, কিন্তু এখন পরিস্থিতি অনেক খারাপ। সরকারি-বেসরকারি সব অফিসে অর্ধেক জনবল দিয়ে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিদিনই সংক্রণের নতুন রেকর্ড হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে এত বড় জমায়েত করাটা ঠিক হবে না।

    তিনি বলেন, এত বড় একটা আয়োজন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে লোকজন আসে। এসব দেখার বিষয় আছে। স্বাস্থ্যের বিষয়টা অত্যন্ত জরুরি।

    তাবলিগ জামাতের দায়িত্বশীলরা বলছেন, ইজতেমার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে তারা আলোচনার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় এ বছরও ইজতেমার আয়োজন সম্ভব হচ্ছে না।

    জানা গেছে, গত ১৩ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জে তিন চিল্লার সাথীদের জোড় শেষে সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে এ বছরের ২৮,২৯ ও ৩০ জানুয়ারি ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ করে তাবলিগের জুবায়েরপন্থী অংশ (আলমী শুরা)। তবে সরকারিভাবে ইজতেমার ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় আপাতত আর ইজতেমা আয়োজন করা হয়নি।

    অন্যদিকে জোড় থেকে চিল্লার জন্য বের হওয়া জামাতগুলো নির্ধারিত সময় শেষে ইজতেমা ময়দানে উপস্থিত হন। সেখানে মুরব্বিরা দিকনির্দেশনামূলক বয়ান করেন। এখান থেকে আবার নতুন করে এক চিল্লাসহ বিভিন্ন মেয়াদে জামাত বের হয়।

    তাবলিগের এ অংশের একজন শীর্ষ মুরব্বি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ইজতেমা না হলেও আমাদের জামাতগুলো আল্লাহর রাস্তায় বের হয়েছে। ইজতেমার আয়োজনটা মূলত হয় যেন বেশি বেশি জামাত বের হয়। সে লক্ষ্যে টঙ্গী ময়দান ও কাকরাইল মসজিদ থেকে চিল্লার জামাতের জন্য সাথীরা বের হয়েছেন।

    তাবলিগের মাওলানা সাদপন্থী অংশের মুরব্বি মাওলানা আবদুল্লাহ বলেন, গতবছর যেহেতু ইজতেমা হয়নি। তাই সবার আশা ছিল, এ বছর যেন হয়। এ জন্য আমরা প্রস্তুতিও নিয়েছিলাম। কিন্তু গত ডিসেম্বর থেকে করোনা পরিস্থিতির যেভাবে অবনতি হলো-এমন পরিস্থিতিতে সরকারের তরফে না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, গত অক্টোবর থেকে দেশের অধিকাংশ জেলায় আমারা জেলাওয়ারী ইজতেমা করেছি। সেখান থেকে অসংখ্য জামাত বেরিয়েছে। সে ধারাবাহিকতায় এখন ইজতেমা বা জমায়েত না করে আমরা এখন বেশি জামাত বের করার চেষ্টা করছি।

    প্রসঙ্গত, ১৯৬৭ সালে শুরু হওয়া বিশ্ব ইজতেমা প্রতি বছর শীতকালীন সময় জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। কয়েক লাখ লোকের জমায়েতের কারণে বিশ্ব ইজতেমাকে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম সম্মিলন বলা হয়।

  • শুক্র-শনি নিয়ে ঈদের ছুটি ৫ দিন

    শুক্র-শনি নিয়ে ঈদের ছুটি ৫ দিন

    আসন্ন ঈদুল আজহার ৩ দিনের ছুটির শেষ দিন বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই)। এরপরের দুই দিন শুক্র ও শনিবার হওয়ায় টানা ছুটি মিলবে ৫ দিন।

    কিন্তু দেশে করোনা সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী। চলমান সর্বাত্মক বিধিনিষেধ (লকডাউন) বাড়িয়ে ১৪ জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছে।

    সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না এলে কী হবে? আবারও কি বাড়ানো হবে লকডাউন? এবারও কি কাটাতে হবে ঘরবন্দি ঈদ?

    মন্ত্রিসভার অনুমোদিত ২০২১ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, এবার ২১ জুলাই ঈদুল আজহা হিসেব করে ২০, ২১ ও ২২ জুলাই ঈদুল আজহার ছুটি।

    ২২ জুলাই বৃহস্পতিবার। ২৩ ও ২৪ জুলাই যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার হওয়ায় সাপ্তাহিক ছুটি। ঈদ আর সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে তাই মোট ছুটি ৫ দিন।

    এদিকে, দেশে করোনার ছোবলে প্রতিদিনই মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। সংক্রমণের হার যেভাবে বাড়ছে, এবার ঈদুল আজহার সময় সর্বাত্মক বিধিনিষেধ থাকছে কি না- তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

    ঈদ কবে?

    মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় দুই উৎসবের মধ্যে একটি হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল এ ঈদ। আরবি বর্ষপঞ্জিতে ঈদুল আজহা জিলহজ মাসের ১০ তারিখে পড়ে।

    চলতি জিলকদ মাস ২৯ দিনে হলে ঈদুল আজহা ২১ জুলাই। আর জিলকদ মাস ৩০ দিনে হলে ঈদ হবে ২২ জুলাই

    চলতি ১৪৪২ হিজরি সন অনুযায়ী, যদি চলতি জিলকদ মাস ২৯ দিনে সম্পন্ন হয় তাহলে এবারের ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হবে ২১ জুলাই। আর ৩০ দিনে সম্পন্ন হলে ঈদ একদিন পিছিয়ে হবে ২২ জুলাই।

    জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি আগামী ১১ জুলাই (২৯ জিলকদ) সন্ধ্যায় পবিত্র হজের মাস জিলহজ গণনা শুরু ও পবিত্র ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণ করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে বৈঠক বসবে।

    এদিন যদি বাংলাদেশের আকাশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যায় তবে ১২ জুলাই পবিত্র জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে। ২১ জুলাই পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা।

    যদি ১১ জুলাই সন্ধ্যায় পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা না যায় তবে ১৩ জুলাই পবিত্র জিলহজ মাস শুরু হবে এবং ২২ জুলাই যথাযোগ্য মর্যাদায় দেশব্যাপী পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হবে।

    মন্ত্রিসভার অনুমোদিত ২০২১ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, এবার ২১ জুলাই ঈদুল আজহা হিসেব করে ২০, ২১ ও ২২ জুলাই ঈদুল আজহার ছুটি।

    ২২ জুলাই বৃহস্পতিবার। ২৩ ও ২৪ জুলাই যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার হওয়ায় সাপ্তাহিক ছুটি। ঈদ আর সাপ্তাহিক মিলিয়ে তাই মোট ৫ দিনের ছুটি।

    নিয়মানুযায়ী ঈদের আগের দিন, ঈদের দিন ও পরের দিন সবমিলিয়ে মোট ৩ দিন ঈদের ছুটি থাকে। তবে সর্বশেষ পবিত্র ঈদুল ফিতরে সে নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি।

    করোনা সংক্রমণের কারণে মানুষের ঈদযাত্রা ঠেকাতে ঈদের দিন থেকে ৩ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়।

    ঈদে কি লকডাউন থাকবে?

    এবারের ঈদে কী সিদ্ধান্ত আসছে, তা নিয়েই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

    জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, সবকিছুই পরিস্থিতির উপর নির্ভর করছে।

    তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, ঈদের ছুটি গতবারের মতো ঈদের দিন থেকে নাকি আগের দিন থেকে, তা এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।

    তিনি আরও বলেন, সংক্রমণ পরিস্থিতি যেহারে বাড়ছে, ঈদের আগে সন্তোষজনকহারে না কমলে বিধিনিষেধ থাকবে। কিছু শর্ত হয়তো শিথিল করা হবে।

  • সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ

    সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) চলতি বছরে রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আগামী ১৪ বা ১৫ এপ্রিল থেকে রমজান শুরু হবে।

    রবিবার গণমাধ্যমে এ চিঠি পাঠিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। গত ১৩ মার্চ ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১৪৪২ হিজরির রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের এ সময়সূচি চূড়ান্ত করে।

    সময়সূচিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ১৪ এপ্রিল প্রথম রমজানে ঢাকায় সেহরির শেষ সময় ভোর ৪টা ১৫ মিনিট ও ইফতারির সময় ৬টা ২৩ মিনিট। তবে দূরত্ব অনুযায়ী ঢাকার সময়ের সঙ্গে সর্বোচ্চ ১১ মিনিট পর্যন্ত যোগ করে ও ১০ মিনিট পর্যন্ত বিয়োগ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ সেহরি ও ইফতার করবেন বলেও উল্লেখ করেছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন।