Category: ধর্ম

  • আমল নষ্ট করে যে স্বভাব

    আমল নষ্ট করে যে স্বভাব

    সৃষ্টিগতভাবে মানুষের ভেতর দুই ধরনের প্রবৃত্তি কাজ করে। ভালো প্রবৃত্তি; যা মানুষকে ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করে। মন্দ প্রবৃত্তি; যা মানুষকে মন্দ কাজে উৎসাহিত করে। কু-প্রবৃত্তির তাড়নায় মানুষ যেসব কাজ করে, তাকে ‘আখলাকে সায়্যিআহ’ বা মন্দ স্বভাব বলা হয়। যেমন মিথ্যা, মূর্খতা, অহংকার, কৃপণতা, পরনিন্দা, প্রতারণা ইত্যাদি। আখলাকে সায়্যিআহ মানুষের জাগতিক সাফল্য ও পরকালীন মুক্তির পথে অন্তরায়। ইসলাম এসব স্বভাব পরিহার করার নির্দেশ দিয়েছে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘দুশ্চরিত্র ও রূঢ় স্বভাবের মানুষ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৪৮০১)

    কোরআন ও হাদিসে মানুষের সব ধরনের মন্দ স্বভাব পরিহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তেমন কয়েকটি মন্দ স্বভাব হলো

    আল্লাহকে ভুলে থাকা

    মানুষের একটি নিকৃষ্টতম স্বভাব হলো তার স্রষ্টার স্মরণ থেকে বিমুখ থাকা। কেননা, তা মানবহৃদয়কে মৃতে পরিণত করে। বিভিন্ন মন্দ স্বভাবকে উৎসাহিত করে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে আল্লাহর স্মরণ করে এবং যে আল্লাহকে স্মরণ করে না; তাদের দৃষ্টান্ত হলো জীবিত ও মৃতের মতো।’ (সহিহ বোখারি, হাদিস : ৬৪০৭)

    গরিমা ও অহংকার

    অহংকার বা আত্মম্ভরিতা আল্লাহর কাছে নিকৃষ্টতম স্বভাব। আল্লাহ অহংকার অপছন্দ করেন এবং তা মানুষের পতন ডেকে আনে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ কোনো উদ্ধত-অহংকারীকে পছন্দ করেন না।’ (সুরা লোকমান, আয়াত : ১৮)

    পরকালেও অহংকারী ব্যক্তির পরিণতি হবে ভয়াবহ। মহানবী (সা.) বলেন, ‘যার অন্তরে এক অণু পরিমাণও অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৯১)

    অসত্য বলা বা মিথ্যাচার

    মিথ্যাচার জঘন্যতম পাপ। কথাবার্তা, কাজকর্ম ও আইন-আদালত সর্বত্র মিথ্যা পরিহার করে চলতে হবে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ মিথ্যাকে শিরকের পরে উল্লেখ করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘সুতরাং তোমরা বর্জন করো মূর্তিপূজার অপবিত্রতা এবং দূরে থাকো মিথ্যা কথন থেকে।’ (সুরা হজ, আয়াত : ৩০)

    হাদিসের বর্ণনা মতে, মিথ্যা সব পাপের মূল এবং তা মানুষকে জাহান্নামে পৌঁছে দেয়। রাসুল (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই মিথ্যা পাপাচার পর্যন্ত পৌঁছে দেয় এবং পাপাচার জাহান্নাম পর্যন্ত পৌঁছে দেয়। ব্যক্তি যখন অনবরত মিথ্যা বলতে থাকে, তখন আল্লাহর কাছে তাকে মিথ্যাবাদীরূপে লিপিবদ্ধ করা হয়।’ (সহিহ বোখারি, হাদিস : ৬০৯৪)

    সম্মান ও সম্পদের মোহ

    সম্মান ও সম্পদের মোহ বহু পাপের কারণ, যা মানুষকে দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্ত করে। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘ছাগলের পালে দুটি ক্ষুধার্ত নেকড়ে বাঘ ছেড়ে দিলে যেমন ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, সম্মানের লিপ্সা ও সম্পদের মোহ মানুষের দীনের জন্য তার চেয়ে বেশি ক্ষতিকর।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ২৩৭৬)

    পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যার দ্বারা আল্লাহ তোমাদের কাউকে অপর কারও ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন, তোমরা তার লালসা করো না।’ (সুরা নিসা, আয়াত : ৩২)

    দুনিয়ার মোহ ও লালসা

    পার্থিব জীবন ও জীবনোপকরণের চাহিদা মানুষকে পাপকাজের প্রতি ধাবিত করে। মানুষকে আল্লাহর স্মরণ ও পরকালীন চিন্তা থেকে বিমুখ করে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি দুনিয়া ভালোবাসল, সে তার পরকালকে ক্ষতিগ্রস্ত করল। আর যে ব্যক্তি আখিরাতকে ভালোবাসল, সে তার দুনিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করল। সুতরাং তোমরা অস্থায়ী বস্তুর ওপর স্থায়ী বস্তুকে প্রাধান্য দেবে।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৪/৪১২)

    কৃপণতা

    খিয়ানত, বিশ্বাসঘাতকতা ও নির্দয়তার মতো মন্দ স্বভাবের সৃষ্টি হয় কৃপণতা থেকে। এর কারণে মানুষের সামাজিক সম্মানও ক্ষুণœ হয়। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে যা তাদের দিয়েছেন, তাতে যারা কৃপণতা করে তাদের জন্য তা মঙ্গল এটা যেন তারা কিছুতেই মনে না করে। বরং এটা তাদের জন্য অমঙ্গল। যে বিষয়ে তারা কৃপণতা করবে, কিয়ামতের দিন তাদের গলায় তার বেড়ি পরিয়ে দেওয়া হবে।’ (সুরা আল-ইমরান, আয়াত : ১৮০)

    রাসুল (সা.) বলেন, ‘কৃপণ ব্যক্তি আল্লাহ থেকে দূরে, জান্নাত থেকে দূরে এবং মানুষের থেকে দূরে থাকে। কিন্তু জাহান্নামের নিকটবর্তী থাকবে।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ১৯৬১)

    অপব্যয় ও অপচয়

    ব্যয়ের ক্ষেত্রে কৃপণতা যেমন দূষণীয়, অনুরূপ অপব্যয় এবং অপচয় দূষণীয়। শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ কাজেও অপচয় ও অপব্যয় নিষিদ্ধ। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘তোমরা খাও এবং পান করো; কিন্তু অপব্যয় করবে না। নিশ্চয়ই তিনি (আল্লাহ) অপব্যয়কারীকে পছন্দ করেন না।’ (সুরা আরাফ, আয়াত : ৩১)

    অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘আর কিছুতেই অপব্যয় করবে না। যারা অপব্যয় করে তারা শয়তানের ভাই এবং শয়তান তার প্রতিপালকের প্রতি অতিশয় অকৃতজ্ঞ।’ (সুরা বনি ইসরাইল, আয়াত : ২৬-২৭)

    ক্রোধ ও রাগ

    অনিয়ন্ত্রিত রাগ মানুষের হিতাহিত জ্ঞান কেড়ে নেয়। অন্যায় ও অবৈধ কাজে উদ্বুদ্ধ করে। ফলে পরবর্তী সময়ে ব্যক্তিকে লজ্জিত হতে হয়। আল্লাহ বলেন, ‘যখন তারা ক্রোধান্বিত হয়, তখন তারা ক্ষমা করে দেয়।’ (সুরা আশ-শুরা, আয়াত : ৩৭)

    রাসুল (সা.) বলেন, ‘ওই ব্যক্তি বীরপুরুষ নয়, যে অন্যকে ধরাশায়ী করে। বরং সেই প্রকৃত বীর, যে রাগের সময় নিজেকে সংযত রাখতে পারে।’ (সহিহ বোখারি, হাদিস : ৬১১৪)

    হিংসা-বিদ্বেষ

    ইসলামের দৃষ্টিতে হিংসা একটি মানসিক ব্যাধি, যা মানুষের মানসিক স্বস্তি ও শান্তি নষ্ট করে। সামাজিক শৃঙ্খলা নষ্টের কারণ হয়। মহানবী (সা.) বলেন, ‘তোমরা হিংসা থেকে বিরত থাকো। কেননা, হিংসা নেক আমলকে নষ্ট করে দেয়। যেভাবে আগুন লাকড়িকে জ্বালিয়ে নিঃশেষ করে দেয়।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ৪৭৭৩)

    পবিত্র কোরআনে আল্লাহ হিংসা থেকে পানাহ চাওয়ার শিক্ষা দিয়েছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই, যখন সে হিংসা করে।’ (সুরা ফালাক, আয়াত : ৫)

    আত্মগৌরব ও আত্মপ্রশংসা

    আত্মপ্রশংসা ও আত্মগৌরব মানুষকে বাস্তবতাবিমুখ করে। ইসলাম আত্মগৌরব থেকে বেঁচে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘তোমরা আত্মপ্রশংসা করো না, কে আল্লাহভীরু এ সম্পর্কে তিনিই সম্যক অবগত।’ (সুরা নাজম, আয়াত : ৩২)

    মহানবী (সা.) বলেন, ‘প্রবৃত্তির অনুগামী হওয়া, কৃপণতার অনুগত হওয়া এবং আত্মপ্রশংসায় লিপ্ত হওয়া এগুলো হচ্ছে ধ্বংসাত্মক বদ-অভ্যাসের অন্তর্ভুক্ত। তবে এসবের মধ্যে শেষোক্তটি হচ্ছে সবচেয়ে জঘন্য।’ (সুনানে বায়হাকি)

    গালাগাল

    গালি দেওয়া ও অশ্লীল ও অকথ্য ভাষা ব্যবহার করা ইসলামের দৃষ্টিতে নিন্দনীয়। শরিয়তের দৃষ্টিতে এটি বড় ধরনের পাপ। রাসুল (সা.) বলেন, ‘মুমিনের সঙ্গে লড়াই করা কুফরি এবং তাকে গালি দেওয়া ফিসক (প্রকাশ্য পাপ)।’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ৪১১৩)

    অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘প্রকৃত ইমানদার ব্যক্তি কারও প্রতি ভর্ৎসনা ও অভিশাপ করে না এবং সে কোনো অশালীন ও অশ্লীল কথাও বলে না।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ১৯৭৭)

    ধোঁকা ও প্রতারণা

    ধোঁকা ও প্রতারণা কোনো মুমিনের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। মুমিন তার জীবনের কোনো কথা ও কাজে প্রতারণার আশ্রয় নেবে না। বাহ্যত নিজের কোনো ক্ষতির আশঙ্কা থাকলেও সে সত্য বলবে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ধোঁকা দেয়, সে আমার উম্মত হিসেবে গণ্য হবে না।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ১৩১৫)

  • রেড‌জো‌নে ইবাদত-উপাসনা ঘরে করার নির্দেশ

    রেড‌জো‌নে ইবাদত-উপাসনা ঘরে করার নির্দেশ

    করোনাভাইরাসের জন্য রেডজোন অন্তর্ভুক্ত এলাকাগুলোর জনসাধারণকে ইবাদত-উপাসনা ঘরে করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতি করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ মহামারি আকার ধারণ করায় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ০৬ এপ্রিল ২০২০ তারিখের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের সাধারণ জনসাধারণের মসজিদ, মন্দির, গীর্জা ও প্যাগোডাসহ অন্যান্য উপসনালয়ে সমবেত না হয়ে নিজ নিজ বাসস্থানে ইবাদত/উপাসনা করার নির্দেশ প্রদান করা হয়।

    পরবর্তীতে ০৬ মে ২০২০ তারিখের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে উক্ত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করে মসজিদসমূহে সুস্থ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে জামায়াতে নামাজের অনুমতি প্রদান করা হয়।

    বর্তমান বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হচ্ছে এবং সংক্রমণ ও প্রাণহানির সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক করোনাভাইরাস রোগের চলমান ঝুঁকি বিবেচনায় দেশের যে কোনো ছোট বা বড় এলাকাকে লাল, হলুদ বা সবুজ জোন হিসেবে চিহ্নিতকরণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

    ইতিমধ্যে কিছু এলাকায় প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলক জোনিং সিস্টেম বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। গত ১২ জুন ২০২০ তারিখে মাননীয় মন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় লালজোন হিসেবে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে মসজিদ, মন্দির, গীর্জা ও প্যাগোডাসহ অন্যান্য উপসনালয়ে সর্বসাধারণের আগমন বন্ধ রাখার পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।

    বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সকলের সঙ্গে পরামর্শক্রমে লালজোন হিসেবে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে সাধারণ জনসাধারণের মসজিদ, মন্দির, গীর্জা ও প্যাগোডাসহ অন্যান্য উপসনালয়ে স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ইবাদত/উপাসনার বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জারিকৃত আজ শনিবার এক জরুরী বিজ্ঞপ্তিতে নিম্নোক্ত নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

    ১. ভয়ানক করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধকল্পে লালজোন হিসেবে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে মসজিদের খতীব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমগণ ব্যতীত অন্য সকল মুসল্লিকে সরকারের পক্ষ থেকে নিজ নিজ বাসস্থানে নামায আদায় এবং জুমআর জামায়াতে অংশগ্রহণের পরিবর্তে ঘরে যোহরের নামায আদায়ের নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে।

    ২. উল্লিখিত এলাকাসমূহে মসজিদে জামায়াত চালু রাখার প্রয়োজনে সম্মানিত খতিব,ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ পাঁচ ওয়াক্তের নামাযে স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে অনধিক ৫ জন এবং জুমআর জামায়াতে অনধিক ১০ জন শরিক হতে পারবেন। জনস্বার্থে বাহিরের কোনো মুসল্লি মসজিদের ভিতরে জামায়াতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

    ৩. একই সাথে উল্লিখিত এলাকাসমূহেঅন্যান্য ধর্মের অনুসারীদেরকে স্ব স্ব উপাসনালয়ে সমবেত না হয়ে নিজ নিজ বাসস্থানে উপাসনা করার জন্য নির্দেশ দেয়া যাচ্ছে।

    ৪. এ সময়ে সারাদেশে কোথাও ওয়াজ মাহফিল, তাফসির মাহফিল, তাবলীগি তালীম বা মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা যাবে না।সবাই ব্যক্তিগতভাবে তিলাওয়াত, যিকির ও দুআর মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত ও বিপদ মুক্তির প্রার্থনা করবেন।

    ৫. অন্যান্য ধর্মের অনুসারীগণও এ সময়েকোন ধর্মীয় বা সামাজিক আচার অনুষ্ঠানের জন্য সমবেত হতে পারবেন না।

    ৪. সকল ধর্মের মূলনীতির আলোকে এবং জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে এই নির্দেশনা জারি করা হলো। উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ধমীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের পরিচালনা কমিটিকে অনুরোধ জানানো হলো। কোন প্রতিষ্ঠানে উক্ত সরকারি নির্দেশ লংঘিত হলে প্রশাসন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবে।

  • সীমিত মুসল্লি নিয়ে হজের পরিকল্পনা সৌদির

    সীমিত মুসল্লি নিয়ে হজের পরিকল্পনা সৌদির

    সৌদি আরবে বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা লাখ ছাড়িয়েছে। দেশটিতে প্রতিনিয়তই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে এবার সীমিত মুসল্লি নিয়েই হজের পরিকল্পনা করছে সৌদি সরকার। সোমবার (৮ জুন) হজ পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িতে সৌদি সরকারের কয়েকটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ কথা জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।

    হজ উপলক্ষে সারাবিশ্ব থেকে ২৫ লাখ মুসলিম সৌদি আরব ভ্রমণ করেন। আগামী জুলাইয়ের শেষের দিকে এবারের হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে গত মার্চে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়ার পর সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে হজ নিয়ে মুসল্লিদের অপেক্ষা করতে বলা হয়েছিল।

    এবারের হজ পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত দুই জন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, শুধুমাত্র প্রতীকী সংখ্যা হিসেবে কিছু মুসল্লি হজের সুযোগ পাবে। এছাড়া বৃদ্ধদের হজ করায় নিষেধাজ্ঞা দেয়া হবে। পাশপাশি স্বাস্থ্যগত বিষয়গুলো বিশেষভাবে খেয়াল রাখা হবে ।

    সূত্র জানায়, প্রতি দেশের হজের কোটার ২০ শতাংশ মুসল্লি আনার পরিকল্পনা করছে সৌদি সরকার। তবে সৌদি সরকারের অনেক কর্মকর্তাই এ বছরের হজ বাতিলের পক্ষ মত দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    হজ এবং উমরাহ থেকে সৌদি সরকার প্রতি বছর ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রাজস্ব আদায় করে থাকে। আর এবারের করোনার ভাইরাসের কারণে তেলের দাম কমে যাওয়ার পাশাপাশি যদি হজ বন্ধ হয়ে যায় তাহলে সৌদি আরব অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    সূত্র জানায়, প্রতি দেশের হজের কোটার ২০ শতাংশ মুসল্লি আনার পরিকল্পনা করছে সৌদি সরকার। তবে সৌদি সরকারের অনেক কর্মকর্তাই এ বছরের হজ বাতিলের পক্ষ মত দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

  • ১৫ জুনের পর হজ নিয়ে সিদ্ধান্ত : প্রতিমন্ত্রী

    ১৫ জুনের পর হজ নিয়ে সিদ্ধান্ত : প্রতিমন্ত্রী

    আয়োজক দেশ সৌদি আরব আগামী ১৫ জুনের মধ্যে এ বছরের হজ বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।

    প্রতিমন্ত্রী গতকাল শুক্রবার বলেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি। আয়োজক দেশ হিসেবে তারা হজ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে পরামর্শ করে আমরা আমাদের পরবর্তী সময়ের সিদ্ধন্ত নেব।

    ‘আমরা যেকোনো সিদ্ধান্তের জন্য প্রস্তুত‘- উল্লেখ করে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘হজযাত্রীদের নিবন্ধকরণ প্রক্রিয়া এরমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ সংক্ষিপ্ত নোটিশে হাজিদের পাঠাতে প্রস্তুত রয়েছে।’

    এবার করোনা পরিস্থিতির কারণে এবং সৌদি সরকারের এখনো সিদ্ধান্ত না পাওয়ার কারণে হজ যাত্রী নিবন্ধিত সংখ্যা অনেক কম হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, মহামারিজনিত কারণে সৌদি আরব যদি এই বছর হজ জামাত আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নেয় তবে নিবন্ধিত প্রার্থীরা পরের বছর অগ্রাধিকার পাবে।

    আবদুল্লাহ বলেন, ‘যারা এর মধ্যে হজের জন্য অর্থ জমা দিয়েছেন তাদের চিন্তার দরকার নেই। আপনি পরের বছর অগ্রাধিকার পাবেন। আগামীবার না যেতে চাইলেও তার টাকা ফেরত পাবেন। এ বিষয়ে আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি।’

    হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেন, ‘হজের নিবন্ধন শেষ করে আমরা প্রস্তুত আছি।’

    এবারের হজ হবে কি, হবে না বলাটা খুবই কঠিন (টাফ) উল্লেখ করে হাব সভাপতি বলেন, ‘সৌদি সরকারে সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে এ বছর হজ হবে কি, হবে না। আমরা তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।’

    ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে বাংলাদেশের হজের কোটা এক লাখ ৩৭ হাজার ১৯৮ জন । এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৭ হাজার ১৯৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার ।

    তবে, করোনার কারণে এ বছর নিবন্ধিত ৬৪ হাজার ৫৯৪ জনের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় তিন হাজার ৪৫৭ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬১ হাজার ৫৯৪ জন নিবন্ধন করেছেন।

    সরকার কর্তৃক পরিচালিত প্যাকেজ-৩-এর আওতায় ফেব্রুয়ারিতে মন্ত্রিসভা হজ প্যাকেজ- ২০২০ খসড়া অনুমোদন করে, যেখানে একজন অভিজাত হজযাত্রীর ন্যূনতম ব্যয় তিন লাখ ১৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    গত মার্চে, সৌদি আরব বাংলাদেশকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হজ সম্পর্কিত কার্যক্রম স্থগিত করার জন্য একটি নির্দেশনা জারি করেছিল। কিন্তু বাংলাদেশ এপ্রিল পর্যন্ত নিবন্ধকরণ প্রক্রিয়া চালিয়ে যায়।

    এই বছর চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ৩০ জুলাই (৯ জিলহজ) হজ অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    অতীতে হজ বাতিল ও তার কারণ :

    বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো সৌদি আরবেও করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রয়েছে। গতকাল শুক্রবার অবধি দেশটিতে ৯৫ হাজার ৭৪৮ জন আক্রান্তের সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    তবে হজ বাতিল করা মানে বিশ্বজুড়ে দেশ ও বহু ব্যবসায়ের জন্য ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে। লাখ লাখ মুসলমান প্রতি বছর এই দেশটিতে যান এবং ১৯৩২ সালে সৌদি কিংডম প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই হজ জামাত বাতিল করা হয়নি।

    তবে বিদ্যমান মহামারির মতোই প্লেগ ও কলেরা রোগ বা অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ইতিহাসে হজ বাতিলের ঘটনা আগেও ঘটেছে।

    বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়েছে, প্লেগ ও কলেরা রোগের মহামারির কারণে প্রথমবারের মতো ৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে এবং ফাতিমিদ সাম্রাজ্যের আমলে ১০৪৮ খ্রিস্টাব্দে খরা ও দুর্ভিক্ষের ফলে হেঁটে হজ পালন বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল।

    এদিকে, উনিশ শতকজুড়ে একাধিকবার হজ চলাকালীন সময়ে কলেরার প্রকোপে হাজার হাজার হজযাত্রী মারা গিয়েছিলেন।

    ১৮৫৮ সালে পবিত্র শহর মক্কা ও মদিনায় কলেরা মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়লে হাজার হাজার মিসরীয়কে লোহিত সাগরের সীমান্তে পালিয়ে আসতে হয়েছিল। তাদের দেশে ঢুকতে দেওয়ার আগে কোয়ারেন্টিনে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল।

    ঊনিশ শতকের বেশিরভাগ সময়ে এবং ২০ শতকের শুরুতে কলেরা মহামারিতে পরিণত হয়েছিল এবং বেশ কয়েক বছর হজ বাতিলে বাধ্য হয়েছিল কর্তৃপক্ষ।

    প্লেগের কারণেও ইতিহাসে হজ বাতিলের ঘটনা ঘটেছে। ১৮৩১ সালে ভারতে কলেরা মহামারি হিসেবে দেখা দিলে হজ পালনে গিয়ে যাত্রাপথে হাজার হাজার হজযাত্রীর মৃত্যু হয়।

    এমন বাস্তবতায় ঘন ঘন মহামারির প্রাদুর্ভাবের কারণে উনিশ শতকের মাঝামাঝিতে প্রায়ই হজ বাতিলে ঘটনা ঘটে।

  • যথাযোগ্য মর্যাদায় বরিশালে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত

    যথাযোগ্য মর্যাদায় বরিশালে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত

    যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বরিশালে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের আশঙ্কার মধ্যেই এবারের ঈদ উদযাপিত হল। মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ঈদকে ঘিরে যে আনন্দ-উচ্ছাস থাকার কথা তা এবার ম্লান করে দিয়েছে মহামারী করোনা ভাইরাস।

    করোনা মোকাবিলায় ও সংক্রমণ বিস্তার রোধে সরকারের নির্দেশনায় এবার খোলা মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি। এবার ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয় মসজিদের ভেতরে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে।

    বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নগরের কালেক্টরেট জামে মসজিদে জামাতে নামাজ আদায় করেন।

    সোমবার (২৫ মে) সকাল ৮টায় কালেক্টরেট মসজিদের ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। মসজিদে ঢোকার আগ মুহূর্তে মুসল্লিদের জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়, দেওয়া হয় হ্যান্ড স্যানিটাইজার।

    আলহাজ হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রথম জামাতে ইমামতি করেন। তিনিসহ সব মুসল্লিরা মাস্ক পরেছিলেন। এছাড়া নগরের বিভিন্ন মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। তবে করোনার প্রভাবে এবার ঈদের জামাতে মুসল্লিদের সংখ্যা ছিলো অন্যান্য যেকোনো বছরের থেকে তুলনামূলক অনেক কম। নগরেরর চকবাজারের এবায়েদুল্লাহ জামে মসজিদে ঈদের চারটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

    নগরের অন্যান্য মসজিদে কোথাও তিনটি ও কোথাও দুইটি করে জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে করোনা থেকে রক্ষার জন্য দেশবাসী ও বিশ্ববাসীর জন্য দোয়া মোনাজাত করা হয়।

  • বাংলার মুখ ২৪.কম এর পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদুল ফিতর এর শুভেচ্ছা

    বাংলার মুখ ২৪.কম এর পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদুল ফিতর এর শুভেচ্ছা

    আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর। ৩০ দিন সিয়াম সাধনার পর মুসলিম সম্প্রদায় করবেন। শনিবার দেশের কোথাও পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আজ সোমবার উদযাপিত হবে ঈদুল ফিতর।

    ঈদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারণে শনিবার সন্ধ্যায় ধর্ম সচিব মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার পর ধর্ম সচিব জানান, দেশের কোথাও পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আজ সোমবার উদযাপিত হবে ঈদুল ফিতর। বায়তুল মোকাররমে বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে বাদ মাগরিব এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা শায়লা শারমীন বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ২৯ রমজানে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে পরদিন ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়। কিন্তু এদিন চাঁদ দেখা না গেলে রোজা ৩০টি পালন করতে হয় এবং ৩০ রোজার পরদিন ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়। এ জন্য আজ আর চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকের প্রয়োজন হবে না বলে তিনি জানান।

    অনিশ্চিত ভবিষ্যতের আশঙ্কার মধ্যেই পালিত হবে এবারের ঈদ। মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ঈদকে ঘিরে যে আনন্দ-উচ্ছাস থাকার কথা তা এবার ম্লান করে দিয়েছে মহামারী করোনাভাইরাস।

    করোনা মোকাবিলায় ও সংক্রমণ বিস্তার রোধে সরকারের নির্দেশনায় এবার খোলা মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। ঈদ জামাত হবে মসজিদের ভেতরে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে।

    বাংলার মুখ ২৪.কম এর পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানানো হয়। বাংলার মুখ ২৪.কম এর প্রকাশক ও সম্পাদক পলাশ চৌদুরী তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক সহ বিভিন্ন বার্তায় এ শুভেচ্ছা জানান।

  • বরিশালে কখন কোথায় ঈদের জামাত

    বরিশালে কখন কোথায় ঈদের জামাত

    বরিশালে সরকারি নির্দেশনা অনুসারে সামাজিক দূরত্ব মেনে মসজিদে মসজিদে আয়োজন করা হয়েছে ঈদের জামাত। নগরীর একটি মসজিদে ৪টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য মসজিদে ৩টি ও ২টি করে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    বরিশাল মহানগর ইমাম সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও জামে এবাদুল্লাহ মসজিদের খতিব মাওলানা নূরুর রহমান বেগ জানান, নগরীর চকবাজারের জামে এবাদুল্লাহ মসজিদে ঈদের ৪টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ৭টায় প্রথম, সাড়ে ৮টায় দ্বিতীয়, সাড়ে ৯টায় তৃতীয় এবং সকাল সাড়ে ১০টা চতুর্থ জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    হেমায়েতউদ্দিন রোডের জামে কসাই মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে ৩টি জামাত। প্রথম জামাত সকাল ৮টায়, দ্বিতীয় জামাত ৯টায় এবং তৃতীয় জামাত সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    সদর রোডের বাইতুল মোকাররম মসজিদে সকাল ৯টায় প্রথম এবং ১০টায় দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে। স্টিমারঘাট জামে মসজিদ ও পোর্ট রোডের কেরামতিয়া মসজিদে সকাল ৮টায় প্রথম এবং ৯টায় দ্বিতীয় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

  • আজকের ইফতারের সময়

    আজকের ইফতারের সময়

    দেশের কিছু জেলায় ঢাকার সময়ের সঙ্গে সেহরি এবং ইফতারের সময়ের মিল রয়েছে। তবে বেশিরভাগ জেলার সাথে ঢাকা জেলার ইফতার এবং সেহরির সময়ের কিছুটা পার্থক্য আছে। ঢাকার সময়ের সাথে কিছু সময় যোগ বা বিয়োগ করে অন্যান্য জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী পাওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে, ঢাকার সময়ের সাথে কত মিনিট যোগ বা বিয়োগ করলে অন্য জেলার সেহরি ও ইফতারের সময় পাওয়া যাবে তা নিচের তালিকায় দেখুন-

    বরিশাল বিভাগ

    ঝালকাঠি (সেহরি: ৩ মিনিট, ইফতার: -১ মিনিট)
    পটুয়াখালী (সেহরি: +৪ মিনিট, ইফতার: -২ মিনিট)
    পিরোজপুর (সেহরি: +৫ মিনিট, ইফতার: ঢাকার সঙ্গে)
    বরিশাল (সেহরি: ২ মিনিট, ইফতার: -২ মিনিট)
    ভোলা (সেহরি: ২ মিনিট, ইফতার: -৩ মিনিট)
    বরগুনা (সেহরি: +৫ মিনিট, ইফতার: -২ মিনিট)

  • দেশে চাঁদ দেখা যায়নি, সোমবার ঈদ

    দেশে চাঁদ দেখা যায়নি, সোমবার ঈদ

    শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে সোমবার। শনিবার সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
    বাদ মাগরিব ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে বৈঠকে বসে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি শেখ মো. আব্দুল্লাহ।
    বৈঠকের পর ধর্ম প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশের কোনো জায়গা থেকেই চাঁদ দেখা যাবার খবর পাওয়া যায় নি। সুতরাং সোমবারই ঈদুল ফিতর পালিত হবে। আজ ছিল ২৯তম রোজা। তাই আগামীকাল দেশে ৩০তম রোজা পালিত হবে। অর্থাৎ আগামী সোমবার উদযাপিত হবে ঈদুল ফিতর।
    সভায় ধর্ম সচিব জানান, সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, আবহাওয়া অধিদপ্তর, মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের আকাশে হিজরি ১৪৪১ সনের শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। রোববার (২৪ মে) রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। সোমবার (২৫ মে) শাওয়াল মাসের প্রথম দিন দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।
    মূল চাঁদ দেখা কমিটির সাথে একযোগে প্রতিটি জেলায় একটি করে কমিটি কাজ করে। দেশের কোথাও চাঁদ দেখা গেলে সেটি স্থানীয় প্রশাসন বা ইসলামিক ফাউন্ডেশন সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে জেলা কমিটির কাছে পৌঁছায়। পরে জেলা প্রশাসন দ্রুত সেটি নিশ্চিত করে বিভিন্ন ভাবে- যেমন স্থানীয় অনেকে চাঁদ দেখেছে কি-না কিংবা স্থিরচিত্র বা ভিডিও চিত্র এসব দ্রুত সংগ্রহ করে নিশ্চিত হয়ে থাকে স্থানীয় প্রশাসন।
    সেক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য ও ভালো দৃষ্টি শক্তিসম্পন্ন কাউকে চাঁদ দেখতে হবে। পরে সে খবরটি যাচাই হয়ে জেলা কমিটি হয়ে কেন্দ্রীয় চাঁদ দেখা কমিটির হাতে পৌঁছায়। একই সাথে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেশজুড়ে যে ৭৪টি স্টেশন আছে সেখান থেকেও তথ্য নেয় চাঁদ দেখা কমিটি।
    যদি আবহাওয়া অনুকূল না থাকে অর্থাৎ খালি চোখে চাঁদ দেখার সুযোগ না থাকলে আবহাওয়া স্টেশন থেকে পাওয়া তথ্যও চাঁদ দেশের আকাশে উঠেছে কি-না তা নিশ্চিত হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
    অনিশ্চিত ভবিষ্যতের আশঙ্কার মধ্যেই আসছে এবারের ঈদ। ঈদকে ঘিরে যে আনন্দ-উচ্ছাস থাকার কথা তা ম্লান করে দিয়েছে মহামারী করোনাভাইরাস। করোনা মোকাবেলায় ও সংক্রমণ বিস্তার রোধে সরকারের নির্দেশনায় এবার খোলা মাঠে হচ্ছে না ঈদের নামাজের জামাত। ঈদ জামাত হবে মসজিদের ভেতরে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে।
    এবার হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত হচ্ছে না। হচ্ছে না শত বছরের ঐতিহ্য ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ময়দানের ঈদ জামাতও। তবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে প্রতি বছরের ন্যায় ঈদের ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
    ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, এবারের ঈদ জামাত আয়োজনে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিকতা নেই। সাধারণত প্রতি বছর রাজধানীর দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটিতে গড়ে ৫টি করে ঈদ জামাত আয়োজিত হয়।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) জনসংযোগ কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায় বলেন, এবারের ঈদে আমাদের পক্ষ থেকে খোলা মাঠে ঈদ জামাত আয়োজনের কোনো উদ্যোগ থাকছে না। তবে সরকারের নির্দেশনা মেনে মসজিদ গুলোতে ঈদ জামাত আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

    আরো পড়ুন: আজ চাঁদ দেখা গেলে রোববার ঈদ

    ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা তাজিনা সারোয়ার বলেন, এ বিষয়ে গতকাল মেয়রের নেতৃত্বে আমাদের একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই সভায় ডিএনসিসি আওতাধীন এলাকায় কোনো ধরনের ঈদ জামাত আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক মেয়র এই সিদ্ধান্ত নেন।
    ঈদ জামাত প্রসঙ্গে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, করোনাভাইরাসের গণসংক্রমণ রোধে কোনো অবস্থাতেই বাইরে ঈদ জামাত আয়োজন করা যাবে না। এরজন্য সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলরদের কঠোর নির্দেশনা দেয়া আছে। আমি নগরবাসীকে অগ্রিম ঈদ শুভেচ্ছা জানাই। আর এটাও অনুরোধ করছি, পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এবারের ঈদটা এভাবে উদযাপন করা হোক। আমরা সবাই সুস্থ থাকলে আবার আগের মতো আয়োজন করা যাবে।
    পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে এবার পর্যায়ক্রমে ৫টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
    ইসলামিক ফাউেন্ডশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে ৫টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টায়। এ জামাতের ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান। মুকাব্বির থাকবেন মুয়াজ্জিন হাফেয কারী কাজী মাসুদুর রহমান।
    দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৮টায়। এ জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মুহিবুল্লাহিল বাকী নদভী। তৃতীয় জামাত সকাল ৯টা অনুষ্ঠিত হবে। এই জামাতে ইমামতি করবেন পেশ ইমাম হাফেয মাওলানা এহসানুল হক। সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে চতুর্থ জামাত। এ জামাতে ইমামতি করবেন পেশ ইমাম মাওলানা মহিউদ্দিন কাসেম। পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত সকাল ১০ টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। এ জামাতের ইমামিত করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুহাদ্দিস হাফেজ মাওলানা ওয়ালিয়ুর রহমান খান।
    এই ৫টি জামাতে কোনো ইমাম অনুপস্থিত থাকলে বিকল্প ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

    এদিকে মসজিদের ওযুখানা ব্যবহার না করে প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসস্থান থেকে ওযু করে মসজিদে আসাসহ ১৪টি নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
    এবার খোলা স্থানের পরিবর্তে কাছের মসজিদে অনুষ্ঠিত ঈদ জামাতে শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে নির্দেশনায় বলা হয়েছে। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাসায় যাতায়াত না করার পাশাপাশি বিনোদন কেন্দ্রে ঘোরাঘুরি না করে নিজ ঘরে ঈদ উদযাপন করতেও বলা হয়েছে।
    শুক্রবার বিকেলে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪টি নির্দেশনায় ডিএমপি জানায়, মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবজনিত কারণে এবার ঈদগাহ বা উন্মুক্ত স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে না। জীবনের ঝুঁকি বিবেচনা করে কাছের মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এই ক্ষেত্রে প্রয়োজনে একই মসজিদে একাধিক জামায়াতের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
    ঈদ উপলক্ষে ডিএমপির নির্দেশনাগুলো হলো:
    ১) ঈদের নামাজের জামাতের পূর্বে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দ্বারা পরিষ্কার করতে হবে।

    ২) ঈদের নামাজের জামায়াতের সময় মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।

    ৩) করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতকল্পে মসজিদে প্রবেশদ্বারে সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে।

    ৪) মসজিদের ওযুখানা ব্যবহার না করে প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসস্থান থেকে ওযু করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওযু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।

    ৪) ঈদের নামাজের জামাতে আগত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে।

    ৫) ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে দাঁড়াতে হবে। এক কাতার অন্তর অন্তর কাতারবদ্ধ হতে হবে।

    ৬) করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে মসজিদে জামাত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানো থেকে বিরত থাকুন।
    ৭) মসজিদে শৃঙ্খলার সাথে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার ক্ষেত্রে পৃথক পৃথক ব্যবস্থা রাখার জন্য মসজিদ কমিটিকে অনুরোধ করা হলো।
    ৮) করোনা পরিস্থিতিতে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাসায় যাতায়াত করা থেকে বিরত থাকুন।
    ৯) ঈদের দিন ও পরবর্তী সময়ে বিনোদন কেন্দ্রে যাতায়াত না করে নিজ ঘরে অবস্থান করে পরিবারের সদস্যদের সাথে ঈদ উদযাপন করুন।
    ১০) ঈদ উদযাপনের লক্ষ্যে যারা ঢাকার বাহিরে যাবেন তারা তাদের বাসা অথবা ফ্ল্যাটের মেইন গেটে অটোলক ব্যবহার করুন এবং বাসাবাড়ি ত্যাগের পূর্বে রুমের দরজা জানালা সঠিকভাবে তালাবদ্ধ করুন।

    ১১) খালি বাসায় মূল্যবান সামগ্রী না রেখে ঢাকায় অবস্থান করছেন এমন আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় তা রেখে যান।

    ১২) মালিক পক্ষ স্ব স্ব মার্কেট/শপিং মলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করুন এবং আপনার এলাকার থানা/ফাঁড়ির সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখুন।

    মহামারি করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ধর্মপ্রাণ নাগরিকদের অনুরোধ জানিয়েছে।

  • চাঁদ দেখা যায়নি, সোমবার ঈদ

    চাঁদ দেখা যায়নি, সোমবার ঈদ

    দেশের আকাশে কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। তাই আগামীকাল রোববার ৩০ রোজা পূর্ণ করে সোমবার পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি শেখ মো. আব্দুল্লাহ।

    শনিবার মাগরিবের নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ জানান, দেশের ৮টি বিভাগীয় এবং ৬৪টি জেলা কার্যালয় থেকে চাঁদ দেখার চেষ্টা করা হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর থেকেও পর্যবেক্ষণ চালানো হয়েছে। কিন্তু কোথাও চাঁদ দেখার খবর মেলেনি।

    তাই সোমবার বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর উদযাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। এদিকে করোনা পরিস্থিতির কারণে রাজধানীতে এবার ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে সকাল ৭টায়। এরপর আরও চারটি জামাত হবে সকাল ৮টা, ৯টা, ১০টা এবং পৌনে ১১টায়।