Category: ধর্ম

  • দুই মাসের জন্য ওমরাহ ভিসা স্থগিত

    দুই মাসের জন্য ওমরাহ ভিসা স্থগিত

    হজ উপলক্ষে দুই মাস ওমরাহ ভিসা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি সরকার। শনিবার সৌদি কর্তৃপক্ষ এ আদেশ জারি করে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝি পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। আর হজকে সামনে রেখেই সৌদি সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    সৌদির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা গত ১৭ জুন থেকে ওমরাহ ভিসার আবেদন গ্রহণ করা বন্ধ করে দিয়েছে। আগামী ১৬ আগস্ট থেকে আবার ওমরাহ ভিসা চালু হবে।

    সৌদি আরবের ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য হজ অ্যান্ড ওমরাহ’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ বিন বাদি বলেন, আগামী ১৬ আগস্ট (১৫ জিলহজ) থেকে আবারও চলতি মৌসুমের ওমরাহ পালনের জন্য ভিসার আবেদন গ্রহণ করা হবে। এই ভিসা পাঁচ দিনের মধ্যে ইস্যু করা এবং এটির মেয়াদ হবে এক মাস।

  • শত্রুতা থেকে মুক্ত থাকতে যে দোয়া পড়বেন

    শত্রুতা থেকে মুক্ত থাকতে যে দোয়া পড়বেন

    সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যারা অটল ও অবিচল, আল্লাহ তাআলা তাদের ভালোবাসেন। দুনিয়াতে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলতে গেলে মানুষের ওপর অশুভ শক্তির পক্ষ থেকে বিপদ-মুসিবত আসে। বিপদ-মুসিবত মোকাবেলার পাশাপাশি সর্বাবস্থায় আল্লাহ তাআলার সাহায্য কামনা করা আবশ্যক কর্তব্য। কারণ আল্লাহর সাহায্যই বান্দার জন্য সবচেয়ে বড় সাহায্য।

    রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুশমনের দুশমনি থেকে আত্মরক্ষায় ন্যায় ও সত্যের পক্ষে কাজ করা নির্দোষ মানুষের জন্য আল্লাহর সাহায্য কামনা করার জন্য হাদিসে বিশেষভাবে তাগিদ দিয়েছেন।

    হজরত আবু মুসা আশআরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কোনো দল সম্পর্কে (শত্রুতার) ভয় করতেন, তখন বলতেন-

    উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্না নাঝ্‌আ’লুকা ফি নুহুরিহিম, ওয়া নাউ’জুবিকা মিং শুরূরিহিম।

    অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমরা তোমাকে শত্রুর মোকাবেলায় পেশ করছি, তুমিই তাদের দমন কর। আর তাদের অনিষ্ট থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই।’ (আবু দাউদ, মিশকাত)

    উল্লেখ্য যে, হাদিসে নির্দেশিত দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য কামনা প্রত্যেক মুসলমানের একান্ত কর্তব্য। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাঁর হুকুম-আহকাম পালনের পাশাপাশি সর্বদা বিপদাপদে, শত্রুর মোকাবেলায় তারই সাহায্য কামনা করার তাওফিক দান করুন। দ্বীন ও ইসলামের আশ্রয়ে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

  • বিপদ-মুসিবতে যে দোয়া পড়তেন প্রিয়নবী

    বিপদ-মুসিবতে যে দোয়া পড়তেন প্রিয়নবী

    বিপদ-মুসিবত মুমিন বান্দার পরীক্ষার অন্যতম মাধ্যম। আল্লাহ তাআলা মুমিন বান্দাকে কঠিন মুসিবত ও রোগ-ব্যধির মাধ্যমে পরীক্ষা করে থাকেন। প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিপদ-মুসিবতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন।

    মুসিবতের কঠোরতা, দুর্ভাগ্যে পতিত হওয়া, অশুভ পরিণতি এবং দুশমনের আনন্দিত হওয়া থেকে আশ্রয় লাভে আল্লাহর সাহায্য সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। হাদিসে এসেছে-

    হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপদ-বিপদের কঠোরতা, ভাগ্যের অশুভ পরিণতি, দুর্ভাগ্যে নিপতিত হওয়া এবং দুশমনি কাজে আনন্দিত হওয়া থেকে আশ্রয় চাইতেন।

    এ সব রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতেন-
    اللهمَّ إنِّي أعُوذُ بِكَ مِنْ جَهْدِ الْبَلَاءِ، وَدَرَكِ الشَّقَاءِ، وَسُوءِ الْقَضَاءِ، وَشَمَاتَةِ الْأَعْدَاءِ
    উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন ঝাহদিল বালায়ি ওয়া দারকিশ শাক্বায়ি ওয়া সুয়িল ক্বাদায়ি ওয়া শামাতাতিল আদায়ি।’ (বুখারি)
    অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমি বালা-মুসিবতের তীব্রতা, দুর্ভাগ্যে পতিত হওয়া, ভাগ্যের অশুভ পরিণতি এবং দুশমনের আনন্দিত হওয়া থেকে বেঁচে থাকার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।’

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে নিয়মিত এ দোয়ার মাধ্যমে তার কাছে আশ্রয় লাভের তাওফিক দান করুন। দুনিয়ার যাবতীয় বিপদ-মুসিবত থেকে হেফাজত থাকার তাওফিক দান করুন।

    আমিন।

  • নারীর অধিকার সম্পর্কে কুরআন হাদীস

    নারীর অধিকার সম্পর্কে কুরআন হাদীস

    মুসলিম সমাজে নারীর মর্যাদা দান হযরত মুহাম্মদ (সা.) তথা ইসলামের একটি উল্লেখযোগ্য সংস্কার। ইসলামের পূর্ব যুগে অন্য কোন ধর্মই নারীকে উপযুক্ত মর্যাদা দানের ব্যবস্থা করেনি। প্রাক ইসলাম যুগে আরবের সামাজিক ও নৈতিক অবস্থা এত নিম্নস্তরে ছিল যে, কন্যা সন্তানের জন্ম ছিল আরব সমাজে অভিশাপ স্বরূপ। এ অভিশাপ এড়াবার জন্য পিতা তার কন্যাকে জীবন্ত কবর দিত। ইসলাম এ ঘৃণ্যতম অবস্থা হতে নারী জাতিকে কল্যাণময়ী ও পূণ্যময়ী রূপ দিয়ে গৌরবের উচ্চস্থানে উন্নত করে।

    নারীর অধিকার সম্পর্কে আল্লাহ বলেন : ‘হে ঈমানদারগণ! বলপূর্বক নারীদেরকে উত্তরাধিকারে গ্রহণ করা তোমাদের জন্য হালাল নয় এবং তাদেরকে আটকে রেখো না। যাতে তোমরা তাদেরকে যা প্রদান করেছ, তার কিয়দংশ নিয়ে নাও, কিন্তু তারা যদি কোন প্রকার অশ্লীলতা করে! নারীদের সঙ্গে সদভাবে জীবন যাপন কর। অতঃপর যদি তাদেরকে অপছন্দ কর, তবে হয়তো তোমরা এমন এক জিনিসকে অপছন্দ করছ, যাতে আল্লাহ অনেক কল্যাণ রেখেছেন।’ (নিসা ১৯)

    ‘তারা হচ্ছে তোমাদের জন্যে পোশাক এবং তোমরা হচ্ছ তাদের জন্যে পোশাক।’ (বাকারা ১৮৭)

    ‘পুরুষ বা স্ত্রী যে লোক নেক আমল করবে ঈমানদার হয়ে সে বেহেশতে দাখিল হতে পারবে, এ ব্যাপারে কারো প্রতি এক বিন্দু জুলুম করা হবে না।’ (নিসা ১২৪)

    ‘স্ত্রীদেরও তেমন অধিকার রয়েছে যেমন স্বামীদের রয়েছে তাদের উপর এবং তা যথাযথভাবে আদায় করতে হবে।’ (বাকারা ২২৮)

    ‘তোমরা সন্তুষ্টচিত্তে স্ত্রীগণকে তাদের প্রাপ্য মহর দিয়ে দাও।’ (নিসা ৪)

    ‘তোমরা স্ত্রীলোকদের ব্যাপারে আল্লাহকে অবশ্যই ভয় করে চলবে।’

    নারীর অধিকার সম্পর্কে হাদীস : হযরত আয়েশা (রা.) হতে বর্ণিত, নবী করীম (সা.) বলেছেন, তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সবচেয়ে উত্তম, যে তার পরিবার-পরিজনের নিকট উত্তম, আমি আমার পরিজনের কাছে তোমাদের সকলের চেয়ে উত্তম, আর তোমাদের কোন সঙ্গী যখন মৃত্যুকরণ করবে। তখন তাকে তোমরা ক্ষমা করে দিবে। (অর্থাৎ তার সম্পর্কে খারাপ উক্তি করবে না)। (তিরমিযি, দারেমী)

    হযরত আয়েশা (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, পূর্ণ মুমিন সেই ব্যক্তি, যার চরিত্র উত্তম এবং যে তার পরিবার-পরিজনের (স্ত্রী-পুত্রদের) প্রতি সদয়। (তিরমিযি)

    হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত, নবী করীম (সা.) বলেছেন, কোন ব্যক্তির ঘরে কন্যা সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর সে যেন তাকে জাহেলিয়াতের যুগের ন্যায় জীবিত কবর না দেয় এবং তাকে তুচ্ছ মনে না করে, আর পুত্র সন্তানকে উক্ত কন্যা সন্তানের উপর প্রাধান্য না দেয় তাহলে আল্লাহ তাকে বেহেশত দান করবেন। (আবু দাউদ)

    হাকিম ইবনে মুয়াবিয়া (রা.) তার পিতা মুয়াবিয়া (রা.) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)কে জিজ্ঞেস করেছিলাম হে আল্লাহর রাসূল, স্বামীর উপর স্ত্রীর কি কি অধিকার রয়েছে? তিনি বললেন, তার অধিকার হলো যখন তুমি খাবে তখন তাকেও খাওয়াবে, তুমি যখন যে মানের কাপড় পড়বে তাকেও সে মানের কাপড় পড়াবে। তার মুখে আঘাত করবে না। অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করবে না, গৃহ ব্যতীত অন্য কোথাও তার সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করবে না। (আবু দাউদ)

  • জাদুটোনায় আক্রান্ত হলে কী করবেন মুমিন?

    জাদুটোনায় আক্রান্ত হলে কী করবেন মুমিন?

    জাদুটোনা কিংবা কুফরির মাধ্যমে করা তদবিরে মানুষ মারাত্মক অসুস্থ হয়ে যায়। তা থেকে বেঁচে থাকতে রয়েছে আমল ও দোয়া। এ জাদুটোনা কিংবা মানুষ এবং বদ-জ্বীনের কুপ্রভাবে হয়ে থাকে।

    জাদুটোনা কিংবা কুফরির কুপ্রভাব থেকে বাঁচতে যেমন সঠিক আমল করা জরুরি। তেমনি আক্রান্ত হয়ে গেলে তা থেকে বাঁচতে বিশুদ্ধ তদবির গ্রহণ করাও জরুরি। সংক্ষেপে কিছু আমল, উপায় ও পদ্ধতি তুলে ধরা হলো-

    >> জাদুটোনার ধরণ বুঝে পদক্ষেপ গ্রহণ
    মানুষের ক্ষতি কী ধরণে জাদুটোনা করা হয়েছে প্রথমেই সে সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। আর তা জানতে সক্ষম হলে জাদুর জিনিসগুলো ধ্বংসের মাধ্যমেই তা থেকে মুক্ত হওয়া যায়। যেমন- কোনো নির্দিষ্ট স্থানে কিংবা নির্দিষ্ট কোনো জিনিসের মাধ্যমে হতে পারে তা মানুষের চুল, ব্যবহৃত চিরুনি, পানি পানের গ্লাস বা মগ কিংবা অন্য কোনো ব্যবহৃত জিনিস। তবে সে সব জিনিস আগুণে কিংবা পানি দ্বারা নষ্ট করে দিতে হবে।

    >> জাদুকার চিহ্নিত করা
    কোন ব্যক্তির দ্বারা ক্ষতিকর জাদুটোনা করা হয়েছে, সম্ভব হলে তা জেনে নেয়া। জাদুটোনাকারী কে? তা জানতে পারলে সে ব্যক্তিকে তা নষ্ট করতে বাধ্য করা। জাদুটোনাকারী ব্যক্তিকে তা নষ্ট করার পর তাওবা করানো। ইসলামে জাদুটোনাকারীকে হত্যার নির্দেশ এসেছে। মুসলিম (ইসলামি শাসন প্রক্রিয়ায়) শাসকের ওপর দায়িত্ব হলো জাদুকারীকে তাওবার আহ্বান না করেই হত্যা করা।

    হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা হাদিসে পাকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘জাদুকরের শাস্তি হচ্ছে তলোয়ারের আঘাতে তার গর্দান ফেলে দেয়া।’ ফলে হজরত হাফসা রাদিয়াল্লাহু আনহা যখন জানতে পারলেন যে, তাঁর এক বাদী জাদুটোনা করে, তখণ তাকে হত্যা করা হয়।

    >> ঝাঁড়ফুঁকের মাধ্যমে জাদুটোনা নষ্ট করা
    জাদ নষ্ট করার ক্ষেত্রে ঝাড়ফুঁকের রয়েছে বড় ধরনের প্রভাব। আর তাহলো এমন-
    – ‘জাদুটোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির ওপর অথবা কোনো একটি পাত্রের পানিতে আয়াতুল কুরসি অথবা সুরা আরাফ, সুরা ইউনুস, সুরা ত্বহা এর যাদু বিষয়ক আয়াতগুলো পড়ে দম করা এবং তা পান করা।

    – হজরত ওয়াহাব রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, যে ব্যক্তি জাদু-টোনার শিকার হয়, তাঁকে জাদুর প্রভাব থেকে মুক্ত করতে হলে নিম্নোক্ত আমলটি করতে হবে। আর তা হলো-
    কুলের সাতটি পাতা পাটায় বেটে পানিতে মিশাতে হবে। অতঃপর আয়াতুল কুরসি পড়ে ওই পাটা পাতার ওপর ফু দিতে হবে। সেগুলো পানির সঙ্গে মিশাতে হবে। তা থেকে জাদুকৃত ব্যক্তিকে তিন ঢোক পানি পান করাতে হবে।

    অবশিষ্ট পানি দিয়ে গোসল করাতে হবে। ইনশাল্লাহ! এ আমলের কারো প্রতি জাদু ক্রিয়া হয়ে থাকে; তবে তা নষ্ট হয়ে যাবে।

    >> জাদুটোনা থেকে বাঁচার আমল
    – নিয়মিত আয়াতুল কুরসি, সুরা কাফিরুন, সুরা ইখলাস, সুরা নাস ও সুরা ফালাক পড়া।
    – নিয়মিত এ দোয়াটি পড়া-
    اَللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أذْهِبِ الْبَأسَ وَاشْفِ أنْتَ الشَّافِيْ لَا شِفَاءَ إلَّا شِفَاؤُكَ ، شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمَا
    উচ্চারণ আল্লাহুম্মা রাব্বান নাস! আজহিবিল বাস। ওয়াশফি আনতাশ শাফি। লা শিফাআ ইল্লা শিফাউকা, শিফাআন লা ইয়ুগাদিরু সাকামা।’
    অর্থ : হে আল্লাহ, হে মানুষের প্রতিপালক! আপনি কষ্ট দূর করে দিন ও সুস্থতা দান করুন। (কেননা) আপনি রোগ থেকে সুস্থতা দানকারী। আপনার সুস্থতা দানই হচ্ছে প্রকৃত সুস্থতা দান। আপনি এমনভাবে সুস্থতা দান করুন, যাতে তা রোগকে নির্মূল করে দেয়।

    >> জিবরিলের দোয়া
    বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য হজরত জিবরিল আলাইহিস সালাম এ দোয়া পড়ে ঝাঁড়ফুঁক করেছিলেন।
    জিবরিলের দোয়াটি পড়া-
    بِاسْمِ اللهِ أَرْقِيكَ، مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيكَ، مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنِ حَاسِدٍ، اللهُ يَشْفِيكَ بِاسْمِ اللهِ أَرْقِيكَ
    উচ্চারণ : ‘বিসমিল্লাহি আরক্বিকা মিন কুল্লি শাইয়িন ইয়ুজিকা। মিন শাররি কুল্লি নাফসিন আও আইনি হাসিদিন; আল্লাহু ইয়াশফিকা । বিসমিল্লাহি আরক্বিকা।

    অর্থ : আল্লাহর নামে সব কষ্টদায়ক বিষয় থেকে আমি আপনাকে ঝাঁড়ফুঁক করছি। প্রত্যেক আত্মা ও ঈর্ষাপরায়ণ চোখের অনিষ্ট থেকে। আল্লাহ আপনাকে সুস্থতা দান করুন। আল্লাহর নামে আমি আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি।

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে উল্লেখিত আমল, দোয়া ও উপায়গুলো মেনে চলার মাধ্যমে ক্ষতিকর সব জাদুটোনা থেকে হেফাজত থাকার তাওফিক দান করুন।

    আমিন।

  • জর্ডানে কুরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ত্বকি বিশ্বসেরা

    জর্ডানে কুরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ত্বকি বিশ্বসেরা

    জর্ডানে ২৭তম অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হেফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন হাফেজ সাইফুর রহমান ত্বকি। বিশ্বের ৩৮ দেশের প্রতিনিধির সঙ্গে লড়াই করে ছিনিয়ে আনলেন বিশ্বসেরার পুরস্কার।

    এ প্রতিযোগিতায় তিনি প্রথম হয়েছেন।

    গত ১৫ জুন ‘আল-হাশেমি’ শিরোনামে জর্ডানে ৩৮ দেশের ৩৯জন প্রতিযোগি জর্ডানের ২৭তম আন্তর্জাতিক হেফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। এ প্রতিযোগিতায় রাজধানীর মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদরাসার ছাত্র হাফেজ সাইফুর রহমান ত্বকি প্রথম স্থান অর্জন করেন।

    টানা ৫দিনের প্রতিযোগিতায় শীর্ষ ৫ দেশ হলো, বাংলাদেশ, কাতার, বাহরাইন, পাকিস্তান এবং সৌদি আরব।

    আন্তর্জাতিক হেফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণের জন্য গত ১৩ জুন জর্ডানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন হাফেজ ক্বারী সাইফুর রহমান ত্বকী। জর্ডানের রাজধানী আম্মানে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় চলে ১৫ জুন থেকে২০ জুন পর্যন্ত।

    ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার শাহবাজপুরে জন্ম নেয় হাফেজ সাইফুর রহমান ত্বকি। ঢাকার ধলপুর লিচুবাগান নাদিয়াতুল কুরআন হাফেজিয়া নূরানি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও রামপুরার বায়তুল আমন মসজিদের খতিব মাওলানা বদিউল আলম-এর ছেলে।

    ২০১৪ সালে হাফেজ সাইফুর রহমান ত্বকি এনটিভি পিএইচপি কুরআনের আলো প্রতিযোগিতায় সারাদেশে প্রথম স্থান অর্জন করেন।

    ২০১৫ সালে সৌদি আরবের জেদ্দায় আন্তর্জাতিক হেফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান লাভ করেন।

    ২০১৭ সালে বাহরাইনে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ৫৪টি দেশের প্রতিযোগির সঙ্গে অংশগ্রহণ করে তৃতীয় স্থান লাভ করেন।

    ২০১৭ সালে বিশ্বের ৭২ দেশের ১২৯ জন প্রতিযোগির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হাফেজ সাইফুর রহমান ত্বকি ‘কুয়েত অ্যাওয়ার্ড’ খ্যাত ৮ম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন।

    কুরআনের পাখি হাফেজ সাইফুর রহমান ত্বরি প্রতি রইলো আন্তরিক শুভ কামনা। আল্লাহ তাআলা তাকে কুরআনের খাদেম হিসেবে কবুল করুন। আমিন।

  • যে নির্ধারিত রাতের দোয়া আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না

    যে নির্ধারিত রাতের দোয়া আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না

    আল্লাহ তাআলার দরবারে যে কোনো সময় দোয়া করা যায়। তবে কিছু দিন, কিছু মুহূর্ত এবং কিছু সময় আছে সুনির্ধারিত; যখন আল্লাহ তাআলা বান্দার দোয়া কবুল করে থাকেন। ইতিপূর্বে সে সময় ও ক্ষণগুলো তুলে ধরা হয়েছে।

    এ ছাড়াও কিছু রাত এমন রয়েছে যে রাতে দোয়া করলে আল্লাহ তাআলা বান্দার দোয়া কবুল করে থাকেন। সে রাতগুলোর মধ্যে একটি হলো রজব মাসের প্রথম রাত। এ রজব মাস জুড়েই আল্লাহর নবি বেশি বেশি বরকত এবং রমজান পর্যন্ত হায়াত বৃদ্ধির দোয়া করতেন।

    হাদিসে পাকে এসেছে, রজব মাসের প্রথম রাত, বান্দার দোয়া কবুলের রাত। এ রাতে আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করতে প্রিয়নবি নসিহত করেছেন। হাদিসে ঘোষিত সুনির্ধারিত রাতগুলো সম্পর্কে হাদিসে এসেছে-

    হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, ‘(দুনিয়াতে) পাঁচটি রাত এমন আছে; যে রাতগুলোতে বান্দার দোয়া আল্লাহ তাআলা ফিরিয়ে দেন না। অর্থাৎ বান্দার দোয়া কবুল করেন। রাতগুলো হলো-

    >> (সপ্তাহিক) জুমআর রাত;
    >> রজব মাসের প্রথম রাত;
    >> শাবান মাসের ১৫ তারিখের রাত,
    >> ঈদুল ফিতরের রাত এবং
    >> ঈদুল আজহার রাত।’ (মুসান্নেফে আবদুর রাজ্জাক)

    তবে সতর্কতা হলো, এ দিনগুলোতে বিশেষ কোনো নামাজ বা রোজার মতো কোনো আমল বা ইবাদতের নির্দেশ দেয়া হয়নি।

    উল্লেখ্য যে, আজ ১৮ মার্চ যদি পশ্চিম আকশে চাঁদ দেখা যায় তবে আজই সেই রাত, যে রাতের দোয়া ফিরিয়ে দেয়া হবে না বলে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঘোষণা রয়েছে।

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে প্রতি জুমআর রাত অর্থাৎ প্রত্যেক বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে, অর্ধ শাবানের রাতে এবং ২ ঈদের রাতে আল্লাহর দরবারে ধরণা দেয়ার তাওফিক দান করুন।

    আমিন।

  • কেউ দোয়া চাইলে যে দোয়া করবেন

    কেউ দোয়া চাইলে যে দোয়া করবেন

    দোয়া হলো ইবাদত। মানুষ সাধারণ পরস্পরের কাছে দোয়া চায়। একে অপরের কল্যাণ কামনা করে। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার উম্মতের জন্য এ রকম দোয়া চাইলে কী দোয়া করবেন সে দোয়াও বর্ণনা করেছেন।

    কেউ কারো কাছে দোয়া চাইলে কী বলবেন বা কী দোয়া করবেন? এমন প্রেক্ষাপটে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুস্পষ্ট ভাষায় বর্ণনা করেন-

    হজরত আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আমার মা, আমাকে নিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে গেলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! আপনার এ ছোট খাদেম আনাস, আপনি আল্লাহর কাছে তার জন্য দোয়া করুন।
    তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (এই দোয়াটি) বললেন-

    اَللَّهُمَّ اكْثِرْ مَا لَهُ وَ وَلَدَهُ وَ اَطِلْ عُمْرَهُ وَاغْفِرْلَهُ وَ بَارِكْ لَهُ فِيْمَا رَزَقْتَهُ-

    উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাকছির মা লাহু ওয়া ওয়ালাদাহু ওয়া আত্বিল ওমরাহু ওয়াগফির লাহু ওয়া বারিক লাহু ফিমা রাযাক্বতাহু।’
    অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি তার অর্থ, সন্তান ও বয়স বেশি করে দিন। আর তাকে ক্ষমা করুন এবং তাকে যে রিজিক দিয়েছেন তাতে বরকত দিন।’ (সিলসিলা সহিহা)

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে প্রিয়নবির শেখানো এ দোয়াটির মাধ্যমে দোয়া কামনাকরীর জন্য দোয়া ও কল্যাণ কামনা করার তাওফিক দান করুন।

    আমিন।

  • বিশ্বনবিকে নামাজে যে দোয়া করতে বলেছেন আল্লাহ

    বিশ্বনবিকে নামাজে যে দোয়া করতে বলেছেন আল্লাহ

    রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সব সময় ভালো কাজ করতে এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকতে নামাজে আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন। আবার চরম ফেতনার সময় যেন আল্লাহ তাআলা তাকে ফেতনামুক্ত অবস্থায় তার কাছে ওঠিয়ে নেন।

    আল্লাহ তাআলা বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নামাজ পড়ার পর তার কাছে এ দোয়া করতে বলেছেন। হাদিসে এসেছে-

    কাফফারাত হলো- নামাজের পর মসজিদে অবস্থান করা, পায়ে হেঁটে জামাআতে হাজির হওয়া, কষ্টের সময়ও পরিপূর্ণভাবে পূর্ণাঙ্গ অজু করা। যে ব্যক্তি এটা করবে সে কল্যাণের সাথে বাঁচবে এবং কল্যাণের সাথে মৃত্যুবরণ করবে। আর সে তার গোনাহ থেকে সে দিনের মতো পাক পবিত্র হয়ে যাবে, যেদিন তার মা তাকে প্রসব করেছিল।

    অতঃপর আল্লাহ তাআলা বললেন, হে মুহাম্মদ! (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখনই নামাজ পড়বেন, তখনই এ দোয়া পড়বেন-

    اَللَّهُمَّ اِنِّى أَسْأَلُكَ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ وَ تَرْكَ الْمُنْكَرَاتِ وَ حُبَّ الْمَسَاكِيْنِ فَاِذَا اَرَدْتَ بِعِبَادِكَ فِتْنَةً فَاقْبِضْنِىْ اِلَيْكَ غَيْرَ مَفْتُوْنٍ
    উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ফে’লাল খায়রাতি ওয়া তার্কাল মুংকারাতি ওয়া হুব্বাল মাসাকিনি ফা-ইজা আরাদতা বি-ইবাদিকা ফিতনাতা ফা-আক্ববিদনি ইলাইকা গাইরা মাফতুনিন।’

    অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি ভালো কাজ করতে, মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকতে এবং দারিদ্রদের ভালোবাসার। সুতরাংহে আল্লাহ! যখন তুমি তোমার বান্দাদেরকে ফেতনা-ফাসাদ ও বির্যয়ে ফেলতে চাইবে, তখন আমাকে ফেতনামুক্ত রেখে তোমার কাছে ওঠিয়ে নেবে।

    আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শেখানো দোয়াটি নামাজের সময় আমল করার তাওফিক দান করুন।

    আমিন।

  • ইসলামের চোখে হিংসার কুফল কি ?

    ইসলামের চোখে হিংসার কুফল কি ?

    ইসলাম ডেস্ক-আরবি ‘হাসাদ’ শব্দের অর্থ হিংসা, ঈর্ষা, পরশ্রীকাতরতা ইত্যাদি। পরিভাষায় অন্যের ভালো কিছু দেখে তা নষ্ট হওয়ার কামনা করাকে হাসাদ বলে। ‘হাসাদ’ তথা হিংসা আত্মবিধ্বংসী বদগুণ। হিংসুকের হিংসা থেকে আশ্রয় প্রার্থনার কথা স্বয়ং আল্লাহ বলেছেন। ‘হিংসুকের হিংসা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করো, যখন সে হিংসা করে’ (সুরা ফালাক, আয়াত : ৬)।

    অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘তারা কি মানুষের প্রতি এজন্যই হিংসা করে যে, আল্লাহ তাদেরকে স্বীয় অনুগ্রহ দান করেছেন’ (সুরা নিসা, আয়াত : ৫৪)। রসুল (সা.) বলেন, ‘আল্লাহর নেয়ামতের কিছু শত্রু আছে। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, আল্লাহর নেয়ামতের শত্রু কারা? রসুল (সা.) বললেন, ‘হিংসুকরা। হিংসুক তো এজন্যই হিংসা করে আল্লাহ কেন তার বান্দাকে অনুগ্রহ করেছেন’ (দাওয়াউল হাসাদ)।

    কারো ভালো কিছু দেখে অসহ্যবোধ করা বা তার অকল্যাণ কামনা করা কিংবা ওই ব্যক্তির ভালো বিষয়টির ধ্বংস চাওয়াকে হিংসা-দ্বেষ ও ঈর্ষা বলে। একজন মুমিন কখনোই আরেক ভাইয়ের ভালো ও কল্যাণের বিষয় দেখে অসহ্যবোধ কিংবা হিংসাতুর হতে পারে না। এতে করে যে নিজের ক্ষতিই সাধিত হবে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, প্রিয় নবী (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা হিংসা থেকে বেঁচে থাকো।

    কেননা, হিংসা নেকিকে এমনভাবে খেয়ে ফেলে যেভাবে আগুন কাঠকে খেয়ে ফেলে, অর্থাৎ জ্বালিয়ে দেয়’ (আবু দাউদ : ৪৯০৩)। হিংসার নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত সহিহ মুসলিম শরিফে একটি হাদিস এসেছে। এটিও হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেছেন। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা পরস্পরকে হিংসা করো না। একে অপরের প্রতি বিদ্বেষভাব রেখো না। একজন আরেকজন থেকে আলাদা হয়ো না। বরং তোমরা সবাই আল্লাহর বান্দা ভাই ভাই হয়ে যাও’ (মুসলিম : ৬৩৫৩)।

    হিংসা কত বড় গুনাহ তা বুঝাতে গিয়ে ইমাম গাজ্জালী (রহ.) লেখেন, ‘পৃথিবীতে সর্বপ্রথম পাপ হলো হিংসা। বাবা আদমের (আ.) মর্যাদা দেখে তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয় ইবলিস। ঈর্ষা ও হিংসা থেকেই ইবলিসের মনে জন্ম নেয় অহঙ্কার। আর অহঙ্কারের কারণেই সে আদমকে (আ.) সিজদা করতে অস্বীকার করে।

    ফলে সে চিরদিনের জন্য অভিশপ্ত ও মরদুদ হয়ে যায়।’ এরপর ইমাম গাজ্জালী আরেকটি ঘটনা বর্ণনা করেন। তিনি লেখেন, ‘একবার মুসা (আ.) দেখলেন এক ব্যক্তি আল্লাহর আরশের ছায়ায় বসে আছেন।

    তিনি ভাবলেন, এ ব্যক্তি নিশ্চয় খুব বুজুর্গ লোক হবে। তাই তার এত মর্যাদা। মহান আল্লাহকে তিনি বললেন, হে আল্লাহ! এ ব্যক্তির নাম-ঠিকানা কী? আল্লাহতায়ালা তার পরিচয় না বলে বললেন, মুসা! এ লোক কোন আমলের দ্বারা এত মর্যাদা পেয়েছে জানো? সে কখনো কারো প্রতি ঈর্ষা ও বিদ্বেষভাব পোষণ করেনি। তাই আমার কাছে সে এত বড় মর্যাদা পেয়েছে (কিমিয়ায়ে সাদাত : ৪র্থ খণ্ড, ৯২-৯৩ পৃষ্ঠা)। অন্যের ভালো দেখে অন্তর্জ্বালায় ভোগা মুনাফিকের চরিত্র।