Category: নারী ও শিশু

  • বরিশালে আলোচিত টিকটক শিরিনের মৃত্যু নিয়ে ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে ফাঁসাতে মরিয়া কুচক্রী মহল।

    বরিশালে আলোচিত টিকটক শিরিনের মৃত্যু নিয়ে ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে ফাঁসাতে মরিয়া কুচক্রী মহল।

    নিউজ ডেস্ক:

    বরিশালে আলোচিত কথিত সংবাদ কর্মী ও মানবাধিকার কর্মী শিরন খানম ওরফে টিকটক শিরিননের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।গতকাল রোববার আশংকাজনক অবস্থায় তাকে শেরেবাংলা মেডিকাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।নগরীর লঞ্চঘাট এলাকায় শিরিনের মালিকানাধীন একটি ঔষধের দোকান রয়েছে।গত ৯ সেপ্টেমবর অবৈধ ও নকল ঔষধ বিক্রির সময় একজন ভুয়া ঔষদ সরবরাহকারী সহ আটক হন এবং সাতদিনের জেল দেন ভ্রামামান আদালত। এরপর থেকেইই বের হতে থাকে শিরিনিের বাস্তব চরিএ ও কাজের বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর তথ্য।জানা গেছে শিরিনের বিয়ে বানিজ্য ছিল পুরনো পেশা।তিনি এ পর্যন্ত চার জনকে বিয়ে করে ছেড়েছেন এবং টাকা পেয়ে নতুন বায়না না রাখায়,ফের ধর্ষন,নির্যাতন, মামলাও রয়েছে এমন নির্যাতন রয়েছে।একাধিক পুরুষদের শিরিনের উশৃংখল চলাফেরা করে বিতর্কিত হওয়ার ঘটনা নতুন নয়।তিনি মানবাধিকার কর্মী হওয়ায় পুলিশের সাথে গড়ে উঠে সখ্যতা।ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের কাবু করে তার প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে ব্লাকমেইল করে লাখ লাখ টাকা অনৈতিক উপায়ে উপার্জন করছে বলেও একাধিক সুএে জানা গেছে।স্টিমারঘাট এলাকার মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী মারুফের সাথে গোপন মেলামেশার একপর্যায়ে ব্লাকমেইলিং করে মোটরসাইকেলসহ কয়েক লাখ টাকা আত্নসাৎ করে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করে শিরিন।হেলাল নামের এক এক ব্যক্তিকে প্রেমেরর জালের ফাঁসিয়ে বিয়ের জন্য চাপ দিয়ে অর্থ আত্নসাৎ করে তার বৈবাহিক সম্পর্ক ও ছিন্ন হয়েছে এ নারীর কারনে বলেও জানা গেছে।এছাড়া প্রায় ২ বছর আগে বরিশাল গ্রিনলাইন টিকিট কাউন্টারে চাকরি করে বাপ্পি নামের এক যুবককে প্রেমের ফাদে ফেলে টাকা হাতিয়ে নেয়।শুধু তাই নয় শিরিননের প্রথম জামাই হুমায়ন তিনি বাংলাদেশ আনসার ভিডিপিতে চাকরি করেন।শিরিনের অসামাজিক কার্যকলাপ দেখে শিরিনকে এক সন্তান সহ তালাক দেন।পরে আবার মিজান নামে এক যুবককে তার প্রেমেরর ফাদে ফেলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়।লঞ্চঘাট এলাকার একাধীক ব্যবসায়ী ও মুসল্লীরা জানান, শিরিন বেপর্দায় ফেসবুকে টিকটক ভিডিও করে এলাকার উঠতি বয়সী ছেলেদের উম্মাদ করে রাখতো একারনে তার নামে সাথে শিরিন উপাধী দেয়া হয়।সবমিলিয়ে শিরিনের নামে একাধিক অভিযোগ থাকায় সে তোপের মুখে পড়ে।পরে তাকে তার ফার্মেসী তি ছাড়ার নির্দেশ দেন মালিকপক্ষ।শিরিন উপায় না পেয়ে আস্রয় নেন উক্ত ওয়ার্ড কাউন্সিলর এটি এম শহীদুল্লাহ কবির কাছে।তখন শিরিনকে উক্ত ওয়ার্ড কাউন্সিলর বলেন,যে এখানে আমার কিছু করার নাই।আমি এই ওয়ার্ডের একজন প্রতিনিধি।যেহেতু মালিকপক্ষ তোমাকে দোকান ছাড়ার নির্দেশ দিছে তুমি সেটা সমঝোতা করে ব্যবস্থা গ্রহন করো।কিন্ত শিরিন তার ফেসবুক লাইভে,লঞ্চঘাটের কিছু ব্যবসায়ী সহ ওয়ার্ড কাউন্সিলর নাম বলেন।তখন কিছু কুচক্রী মহল ১০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে ফাঁসাতে মরিয়া হয়ে উঠছে।কিন্ত তার মৃত্যুর সাথে কাউন্সিলর কোন সত্যতা এখন পর্যন্ত পাওয়া জায়নি।এ ব্যপারে এক ব্যবসায়ীর কাছে আলাপকালে সে জানায়,শিরিনের মৃত্যুর সাথে এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাহেবের জড়িত থাকার কোন প্রশ্নই উঠেনা।সে এই ওয়ার্ডের একজন সৎ এবং আদর্শবান কাউন্সিলর।এদিকে কাউন্সিলর শহীদুল্লাহ কবির কাছে ফোন দিলে সে জানায়,আমারর সাথে এই ওয়ার্ডের সকলের কথাবার্তা হয়।শিরিন নামে এক মহিলা আমার কাছে,তার দোকান নিয়ে একটা আবদার করতে আসলে আমি তাকে জানাই,তুমি মালিকপক্ষের সাথে আলাপকরে সমাধান করো।যেহেতু আমি এই ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি শিরিনের সাথে কথা বলাটা আমার যুক্তিসংগত।কিন্ত কে বা কারা শিরিনের ফেসবুক লাইভ নিয়ে আমার নামে অপপ্রচার চালাতে আছে এ ব্যপারে সঠিক কিছু জানিনা। তবে আমি আশা করি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সকল কিছু বেরিয়ে আসবে।

  • শিরিনের রহস্যজনক মৃত্যু,অভিযোগের তীর বেল্লালের দিকে

    শিরিনের রহস্যজনক মৃত্যু,অভিযোগের তীর বেল্লালের দিকে

    বরিশাল নগরীর নৌ বন্দর লাগোয়া একটি ওষুধের দোকান মালিক শিরিন খানম নামে এক তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নিজের প্রতিষ্ঠানে তিনি আকস্মিক অসুস্থ হওয়ার পরে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎস মৃত ঘোষণা করেন। তাৎক্ষণিক এই তরুণীর মৃত্যু কারণ জানা না গেলেও চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা প্রাথমিক ভাবে অনুমান করছেন তার শরীরে বিষাক্ত কোন মেডিসিন পুশ করা হয়েছে। কিন্তু ৩০ বছর বয়সী সুন্দরী এই তরুণী কী নিজে ইনজেকশন পুশ করেছেন না কী তাঁর শরীরে অন্য কেউ কৌশলে ঢুকিয়ে দিয়েছে এই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে পুলিশ।

    রোববার রাত ১০টার দিকের এই ঘটনায় কোতয়ালি পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল এবং মেডিকেল পরিদর্শন করেছে।

    সূত্র জানায়- শিরিন খানম মারা যাওয়ার পূর্ব মুহূর্তে অন্তত তিনদফা ফেসবুক লাইভে আসেন এবং সেখানে তিনি বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। এমনকি কে কে তার মালিকানাধীন ‘শিরিন ফার্মেসি’টি হস্তগত করার পাশাপাশি তাকে উৎখাতে ষড়যন্ত্র করছে তাও প্রকাশ রয়েছে। কিন্তু বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে- শহরের ব্রাউন কম্পাউন রোডের এই তরুণীর মৃত্যুর পরপরই তার জনপ্রিয় ‘শিরিন খানম’ নামে ফেসবুক আইডিটি ডিঅ্যাক্টিভ হয়ে যায়। যদিও এর আগেই রহস্যের বিষয়টি অনুমান করতে পেরে সংবাকর্মীরা তার ফেসবুক লাইভের একটি ভিডিও সংরক্ষণ করে।

    সেই ভিডিও চিত্রে শিরিন তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে সংশ্লিষ্ট ১০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও পার্শ্ববর্তী ওষুধ দোকানি জনিসহ বেশ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেন। এবং ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তিনি যে মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছেন তা জানান দেন।

    তবে এর আগে তরুণী ভিডিওটিতে বলেছেন- তার প্রতিষ্ঠান উৎখাত করতে ষড়যন্ত্রকারীরা আল্টিমেটাম দিয়েছে এবং চলতি অক্টোবর মাসের ৩০ তারিখ তার কাছ থেকে দোকানটি ছিনিয়ে নিতে সকল বন্দোবস্তের ছকও কল্পিত। সেক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে পুলিশ বেশ কয়েকটি বিষয়কে সামনে রেখে প্রকৃত রহস্য উদঘটনে তদন্ত শুরু করেছে।

    পুলিশ সূত্র জানায়- প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া না গেলেও এই প্রাণবিয়োগের ঘটনায় যেসব আলামত পাওয়া যাচ্ছে তাতে খুনে ইঙ্গিত করছে। মূলত তিনি পরিকল্পিত খুনের স্বীকার হয়েছেন কী না সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ ভিডিওচিত্রে শিরিন স্পষ্ট বলে গেছেন তাকে খুনেরও হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং তিনি মারা যাওয়ার কিছুটা সময় পরেই ফেসবুকটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনকে আরও ভাবনায় ফেলে দেয়। তবে পুলিশ আর একটি বিষয়ও মাথায় রাখছে যে তরুণী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান উৎখাতের শঙ্কায় হতাশাগ্রস্ত ছিলেন। এই কারণে তিনি নিজেও আয়ের একমাত্র উৎস হারানোর পরবর্তীতে ভাবনায় আত্মহত্যার পথ বেঁচে নিতে পারেন।

    তবে “সাংবাদিক শিরিনের মৃত্যুর সাথে সাথে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না তার ফেসবুক আইডিটি”এই শিরোনামে একটি সংবাদ বরিশােল ক্রাইম নিউজ ডট কম  এ প্রকাশের পরে তার ফেসবুক আইডিটি আবার ও এক্টিভ করে দেয়া হয়।

    পুলিশের অপর একটি সূত্র জানায়- সম্প্রতি শিরিন ‘আজকের ক্রাইম নিউজ’ নামে একটি অনলাইন নিউজপোর্টাল করেন। এতদিন পত্রিকাটিতে তার পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দেখা গেলেও রোববার থেকে রাত থেকে দেখা যাচ্ছে না। নামটি তার মৃত্যুর আগে না পরে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং কেন সরানো হলো তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়- শিরিন বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখির সুবাদে আগ থেকেই তার বরিশালের সংবাদকর্মীদের সু-সম্পর্ক ছিল। সাম্প্রতিকালে র‌্যাব তার ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে বেশকিছু মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ উদ্ধার করে। সেই ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে বেশ কয়েকদিনের সাজা দিলে তিনি হাজতবাসও করেন। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পত্রিকায় তার বিরুদ্ধাচারণ করে বেশকিছু প্রতিবেদন প্রকাশ করায় তিনি পরবর্তীতে কারাগার থেকে বেড়িয়ে ‘আজকের ক্রাইম নিউজ’ পত্রিকাটি প্রতিষ্ঠা করেন। এবং পত্রিকার অধিকাংশ সংবাদ শিরিনের লক্ষাধিক ফলোয়ার সংবলিত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশও পেতো।

    জানা গেছে- পত্রিকাটি পাঠক বৃদ্ধি করার লক্ষে শিরিনের জনপ্রিয় ফেসবুক আইডিটি একই পত্রিকার অংশিদার মোহাম্মদ বেল্লাল হোসেন তালুকদার লিটনও অপারেট করতেন। এবং আইডি পাসওয়ার্ড সম্পর্কেও তিনি অবগত ছিলেন।

    অপর একটি অসমর্থিত সূত্র জানায়- এই পত্রিকাটির মালিকানা নিয়ে শিরিনের সাথে সম্পাদক প্রকাশক দাবিদার মোহাম্মদ বেল্লাল হোসেন তালুকদার লিটনের বিরোধ দেখা দেয়। যে কারণে শিরিনের নামটিও পত্রিকা থেকে ফেলে দেন তিনি। এনিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা থেকে কথা কাটাকাটি হলে লিটন একপর্যায়ে শিরিনকে দেখে নেওয়ার হুমকিও দেন। ফলে এখন প্রশ্ন উঠেছে লিটন দেখে নিতে গিয়ে প্রাণটি নিয়ে নিলেন কী না।

    তবে শিরিনের এ মৃত্যুর ঘটনায় মোহাম্মদ বেল্লাল হোসেন তালুকদার’র দাবি এটা স্বাভাবিক মৃত্যু।

    পুলিশ এবং সূত্রগুলোর এমন ভাবনা অমূলক নয় জানিয়েছে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম  বলছেন- তরুণী শিরিন মারা যাওয়ার আগে যে ফেসবুক লাইভ করেছেন তার একটি ভিডিও সংগ্রহ করার পাশাপাশি পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছেন। এবং মারা যাওয়ার কিছুক্ষণের মাথায় তার ফেসবুক বন্ধ হওয়ার কারণটিও খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।’

     

  • মৃত্যুর আগে ফেসবুক লাইভে যা কিছু বলেছিলেন শিরিন তা পাঠকের জন্য হুবাহু তুলে ধরা হলো

    মৃত্যুর আগে ফেসবুক লাইভে যা কিছু বলেছিলেন শিরিন তা পাঠকের জন্য হুবাহু তুলে ধরা হলো

    মৃত্যুর আগে ফেসবুক লাইভে যা কিছু বলেছিলেন শিরিন তা পাঠকের জন্য হুবাহু তুলে ধরা হলো : 

    আমি দেশের কাছে জনগনের কাছে বিচার চাচ্ছি । এখানের এক মেডিসিন ব্যবসায়ি জনির বৌ আমার জীবর অতিষ্ট করে তুলছে।যার দরখাস্তের ফলে আমার কথা না চিন্তা ভাবনা করে এ এলাকার দোকানদাররা তাদের কথা মতো আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আমার কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে আমাকে বিদায় করে দিচ্ছে।উপরে রয়েছে তারা সকালে বলে এক কথা বিকালে বলে আরেক মিথ্যা কথা। রনি এফ আর মেডিসিন হাউজের রনি সকালে বলছে তার জনির বউ আইসা তাদের কাছে হাত কাইন্দা পড়ছে এর জন্য আার বিরুদ্ধে কমপ্লেইন করছে।

    এখন যখন তাদের কাছে প্রমান করতে বলছি  গেছি তখন তারা বলতেছে যে না তারা বলে নাই। এই সচি মেডিকেলের এই এলাকার কমিশনার কমিশনারের কাছে হাতপা আমি অনেক ধরছি।যে ভাইয়া আমার এ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটা রক্ষা করেন আমারকে বাঁচান আমার কি দোষ?

    কিন্তু আমার কথা কেউ শোনে নাই।কেই আমাকে বাচানোর চেষ্ঠা করে নাই। আমার কাছ থেকে জোর করে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটা কাইরা নেওয়া হইছে।তাদের কাছে আমি বারবার লিখিত অভিযোগ দিছি।

    যেটা আমার ব্যাগের মধ্যে আছে যে ভাই আমি সবার কথা মাইন্না এখানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করবো।

    কিন্তু এ এলাকার কয়েস মেয়া,রনি আর জনির বউ আর কমিশনার এ কয়জনে আমারে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটা কাইড়া নিয়া আমারে বাধ্য করে ১ তারিখের মধ্যে ব্যবসা বানিজ্য না ছাড়লে আমারে মানে জোর কৈরা আমার দোকানে তালা দিবে আমারে মাইরা ফেলাবে এ ধরনের হুমকি ধামকি দিচ্ছে।

    আপনার এ জনি, জনির বউ এই রনি ,কমিশনার আর এ সচি মেডিকেলের কয়েস মেয়ার বিচারের ভার আপনাদের কাছে দিয়ে গেলাম। আর একটা লোক এই মারুফের উসকানিতে মিলে মারুফের এক বন্ধু আলো এ কয়জন মিলে আমার জীবটা শেষ করে দিল আমারে বাচতে দিল না।এদের অত্যাচারে আমি শেষ।আমি বিচার জনগনরে দিলাম

    জনগন এটার বিচার করবে। আমি সেই আশায় রৈলাম।

  • মৃত্যুর আগে ফেসবুক লাইভে কাউন্সিলরসহ বেশ কয়েকজনের নাম বলেছিলেন শিরিন

    মৃত্যুর আগে ফেসবুক লাইভে কাউন্সিলরসহ বেশ কয়েকজনের নাম বলেছিলেন শিরিন

    নিউজ ডেস্ক ::

    বরিশাল নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার ঔষধ ব্যাবষায়ী শিরিন মেডিকেল হলের মালিক সাংবাদিক শিরিন আজ রবিবার রাত ১০ টার দিকে মারা যান। দোকানের সামনে অসুস্থ হয়ে পরলে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিমে) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    পরে স্বজনরা তার মরদেহ নিয়ে যাওয়ার পথে পুলিশের সন্দেহ হলে লাশটি সুরাতাল রিপোর্টের জন্য আটকে রাখেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেবাচিম হাসপাতালের পুলিশের ইনচার্জ এসআই নাজমুল হুদা।

    নিহত শিরিন আক্তার (৩৪) নগরীর ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোড এলাকার হুমায়ুনের স্ত্রী। জানা গেছে, তার নিজের মেডিসিনের দোকান বিসাক্ত ইনকেশন পুস করে মৃত্যু হয়েছে।

    মৃত্যুর আগে তিনি ফেসবুক লাইভে ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলরসহ বেশ কয়েকজনের নাম বলেছিলেন শিরিন। তিনি ফেসবুক লাইভে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়েছিলে অভিযোগ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন তার ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠনটি ছাড়ার জন্য ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ বেশ কয়েকজন তাকে চাপ দিতে থাকে। আগামী ১ তারিখের মধ্যে তিনি দোকান ছেড়ে না দিলে ত‍াকে মেরে ফেলা হবে।

    মৃত্যুর আগে তিনি তার ফেসবুক থেকে পর পর দুটি লাইভ করেন। কিন্তু তার মৃত্যুর পর পর তার ব্যবহৃত ফেসবুক আইডি ( sherin khanom) কিছুক্ষন দেখা গেলেও পরবর্তীতে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

    একটি সুত্র বলছে, তার ফেসবুক লাইভে এসে যে কথপোকথন তাতে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ কয়েক ব্যবসায়ী ফেসে যেতে পারে। তাই তার ফেসবুক আইডি বন্ধ করে সেই কথপোকথন মুছে ফেলার চেষ্টা করছে।

    অনেকের ধারণা শিরিনের মৃত্যুর সাথে সাথে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি কেউ নিয়ে ফেসবুক আইডি টি বন্ধ করে দিয়েছে।

     

  • সাংবাদিক শিরিনের মৃত্যুর সাথে সাথে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না তার ফেসবুক আইডিটি

    সাংবাদিক শিরিনের মৃত্যুর সাথে সাথে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না তার ফেসবুক আইডিটি

    নিউজ ডেস্ক ::

    বরিশাল নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার ঔষধ ব্যাবষায়ী শিরিন মেডিকেল হলের মালিক সাংবাদিক শিরিন আজ রবিবার রাত  ১০ টার দিকে মারা যান। দোকানের সামনে অসুস্থ হয়ে পরলে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিমে) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    পরে স্বজনরা তার মরদেহ নিয়ে যাওয়ার পথে পুলিশের সন্দেহ হলে লাশটি সুরাতাল রিপোর্টের জন্য আটকে রাখেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেবাচিম হাসপাতালের পুলিশের ইনচার্জ এসআই নাজমুল হুদা।

    নিহত শিরিন আক্তার (৩৪) নগরীর ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোড এলাকার হুমায়ুনের স্ত্রী। জানা গেছে, তার নিজের মেডিসিনের দোকানে বিসাক্ত ইনকেশন পুস করে মৃত্যু হয়েছে।

    মৃত্যুর আগে তিনি তার ফেসবুক থেকে পর পর দুটি লাইভ করেন। কিন্তু তার মৃত্যুর পর পর তার ব্যবহৃত ফেসবুক আইডি ( sherin khanom) কিছুক্ষন দেখা গেলেও পরবর্তীতে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

    একটি সুত্র বলছে, তার ফেসবুক লাইভে এসে যে কথপোকথন তাতে স্থানীয়  ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ কয়েক ব্যবসায়ী ফেসে যেতে পারে। তাই তার ফেসবুক আইডি বন্ধ করে সেই কথপোকথন মুছে ফেলার চেষ্টা করছে।

    অনেকের ধারণা শিরিনের মৃত্যুর সাথে সাথে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি কেউ নিয়ে ফেসবুক আইডি টি বন্ধ করে দিয়েছে।

  • মৃত্যুর আগে ফেসবুক লাইভে যা বলেছিলেন সাংবাদিক শিরিন (ভিডিও)

    মৃত্যুর আগে ফেসবুক লাইভে যা বলেছিলেন সাংবাদিক শিরিন (ভিডিও)

     নিউজ ডেস্ক ::

    বরিশাল নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার ঔষধ ব্যবসায়ী শিরিন মেডিকেল হলের মালিক ও সাংবাদিক শিরিন মারা গেছে। আজ রবিবার রাত আনুমানিক ১০ টায় দিকে দোকানের সামনে অসুস্থ হয়ে পরলে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিমে) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    পরে স্বজনরা তার মরদেহ নিয়ে যাওয়ার পথে পুলিশের সন্দেহ হলে লাশটি সুরাতাল রিপোর্টের জন্য আটকে রাখেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেবাচিম হাসপাতালের পুলিশের ইনচার্জ এসআই নাজমুল হুদা।

    নিহত শিরিন আক্তার (৩৪) নগরীর ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোড এলাকার হুমায়ুনের স্ত্রী। জানা গেছে, তার নিজের মেডিসিনের দোকানে বিসাক্ত ইনকেশন পুস করে মৃত্যু হয়েছে।

    মৃত্যুর আগে তিনি তার ফেসবুক ওয়ালে দুটি ফেসবুক লাইভ করেন। লাইভ ভিডিওতে তিনি এক কাউন্সিলরসহ বেশ বয়েকজনের নাম বলেন। ফেসবুক লাইভে যা কিছু বলেছিলেন শিরিন….

  • ফেসবুক লাইভ করে নিজের জীবন বিলিয়ে দিলেন সাংবাদিক শিরিন

    ফেসবুক লাইভ করে নিজের জীবন বিলিয়ে দিলেন সাংবাদিক শিরিন

    নিউজ ডেস্ক :: বরিশাল নগরীর লঞ্চঘাটের ঔষধ ব্যাবষায়ী শিরিন মেডিকেল হলের মালিক ও সাংবাদিক শিরিন আজ রবিবার রাত আনুমানিক ১০ টায় দিকে মারা গেছে। হঠাৎ দোকানের সামনে অসুস্থ হয়ে পরলে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিমে) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    পরে স্বজনরা তার মরদেহ নিয়ে যাওয়ার পথে পুলিশের সন্দেহ হলে লাশটি সুরাতাল রিপোর্টের জন্য আটকে রাখেন।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেবাচিম হাসপাতালের পুলিশের ইনচার্জ এসআই নাজমুল হুদা।

    নিহত শিরিন আক্তার (৩৪) নগরীর ব্যপ্টিস্ট মিশন রোড এলাকার হুমায়ুনের স্ত্রী। জানা গেছে, তার নিজের মেডিসিনের দোকানে বিসাক্ত ইনকেশন পুস করে মৃত্যু হয়েছে।

  • বরিশালে আইএইচটি এর ছাত্রীকে দরজা আটকে নির্যাতন, র‌্যাগিংয়ের শিকার ছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা

    বরিশালে আইএইচটি এর ছাত্রীকে দরজা আটকে নির্যাতন, র‌্যাগিংয়ের শিকার ছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা

    স্টাফ রিপোর্টার//রাতুল হোসেন রায়হান:

    বরিশাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির (আইএইচটি) দ্বিতীয় বর্ষের ফিজিওথেরাপি বিভাগের ছাত্রী আমেনা (১৯) র‌্যাগিংয়ের শিকার হয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন।

    শুক্রবার রাতে ওই ছাত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    তবে ঘটনার পর থেকেই আইএইচটির অধ্যক্ষ ডা. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে অনেকটা চাপের মুখে পড়ে শনিবার দুপুরে এ ঘটনায় ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন অধ্যক্ষ ডা. সাইফুল ইসলাম ।

    নির্যাতনের শিকার আমেনা বগুড়ার শেরপুর উপজেলার আব্দুল আজিজের মেয়ে। মেয়েদের আবাসিক হোস্টেলের নিচতলার একটি কক্ষে থেকে আইএইচটি পড়ালেখা করছেন আমেনা।

    আবাসিক হোস্টেলের একাধিক ছাত্রী জানান, সিনিয়র ছাত্রীদের একটি দল রয়েছে, তারা মাঝে মধ্যেই জুনিয়র ছাত্রীদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছেন। ওই সিনিয়র ছাত্রীদের কয়েকজন জুনিয়রদের কক্ষ থেকে বের করে দিয়ে বয়ফ্রেন্ড নিয়ে সময় কাটান। তবে কিছুদিন আগে বগুড়া থেকে আমেনার অভিভাবক দেখা করতে আসেন। এসময় আমেনার অভিভাবকদের কক্ষ থেকে বের করে দেয়া হয়। এছাড়া সিনিয়র ছাত্রীদের ওই দলটি মাঝে মধ্যে বিনাকারণে জুনিয়র ছাত্রীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে। শুক্রবার আমেনা এসবের প্রতিবাদ করে। এতে সিনিয়র ওই দলটি আমেনাকে একটি কক্ষে ৬ ঘণ্টা আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালান।

    এরপর আমেনা লজ্জা অপমানে অতিরিক্ত ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তাকে জুনিয়র ছাত্রীরা উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

    তারা আরও অভিযোগ করেন, বিষয়টি অধ্যক্ষ স্যারকে জানানো হলেও তিনি নির্যাতনকারীদের পক্ষ নিয়ে নিরব ভূমিকা পালন করছেন। উল্টো কলেজ থেকে হুমকি দেয়া হচ্ছে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে নাম কেটে দেয়া হবে।

    আইএইচটি’র একাধিক শিক্ষার্থী জানান, যাদের বাড়ি বরিশালে বা বরিশালের আশেপাশে তারাই আবাসিক হোস্টেলে প্রভাব খাটিয়ে আসছে। আর যারা অন্য বিভাগ বা দূর-দূরান্ত থেকে আইএইচটিতে পড়ালেখা করতে এসেছে তাদের নতজানু হয়ে থাকতে হচ্ছে। কারণে-অকারণে তাদেরকেই বেশি নির্যাতন সহ্য করতে হচ্ছে।

    শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আমেনা জানান, সিনিয়র ছাত্রীরা টি-শার্ট পড়ে ডাইনিংয়ে খাবার-পানি আনতে যেতে পারবেন, তারা ক্যাম্পাসে ছেলে সহপাঠী কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে পারবেন, তাদের দেখলেই সালাম দিয়ে জুনিয়রদের বলতে হবে আপু ভালো আছেন, তারা ক্যাম্পাসে ছবি তুলতে পারবেন, তারা কোনো ছাত্রীর কক্ষে গেলে জুনিয়রদের উঠে দাঁড়াতে হবে অসুস্থ থাকলেও, তখন সে ফোন হাতে নিতে পারবে না, এমনকি হেডফোনও কানে দিতে পারবে না। বরিশাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ অ্যান্ড টেকনোলজির (আইএইচটি) ছাত্রী হোস্টেলে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এ নিয়ম। সিনিয়রদের জন্য নিয়ম শিথিল হলেও জুনিয়ররা এর কোনো সুবিধাই পাবেন না।

    আমেনা আরও জানান, গত শুক্রবার সকালে আইএইচটি শিক্ষার্থীদের ফেসবুকে ‘ডিপ্লোমা মেডিকেল স্টুডেন্ট এন্ড নেটওয়ার্ক’ ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দিয়ে প্রতিবাদ জানাই। এতে ক্ষুব্ধ হয় ল্যাবরেটরি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের জুঁই, মৌ ও ফাতেমা এবং একই বর্ষের ফিজিওথেরাপি বিভাগের লামমিমসহ অন্যান্যরা পোস্টদাতাকে খুঁজে বের করতে তারা শুক্রবার দুপুরের পর জুনিয়রদের সবার ফোন নিয়ে যাচাই-বাছাই করে। সন্ধ্যার পর তারা সবার ফোন ফেরত দিলেও তার ফোনটি আটকে রাখে। রাত ৮টার দিকে হলের সব মেয়েদের ডাইনিংয়ে ডেকে নেয় তারা। এ সময় সিনিয়ররা তাকে (আমেনা) অশালীন ভাষায় গালাগাল করে, এমনকি তার পরিবার তুলেও কটাক্ষ করে। এ দৃশ্য অনেকেই মুঠোফোনে ভিডিওধারণ করে ফেসবুকে ভাইরাল করে দেয়ার হুমকি দেয়। বকাঝকার পর সবাই যে যার কক্ষে চলে গেলেও তাকে সিনিয়রদের কক্ষে রাত্রী যাপন করতে বলে। এসময় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার কথা বলে আমেনা অপমানে নিজের ১০৬ নম্বর কক্ষে গিয়ে হাতের কাছে পাওয়া একমুঠো ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। সহপাঠীরা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে রাতে তাকে উদ্ধার করে শের-ই- বাংলা মেডিকেলে ভর্তি করেন।

    তবে আইএইচটির অধ্যক্ষ ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, র‌্যাগিং নয়, এটা ছাত্রীদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল। পরে ওই ছাত্রী কয়েকটি প্যারাসিটামল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে মেডিকেলে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এখন তার অবস্থা অনেকটাই ভালো।

    ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • আবারও পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে শিশু শ্রমিক হত্যা

    আবারও পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে শিশু শ্রমিক হত্যা

    বাংলার মুখ ডেস্ক ::

    বগুড়ায় পাশবিক নির্যাতনে মৃত্যু হয়েছে আলাল (১২) নামে এক শিশু শ্রমিকের। পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে তাকে হত্যা করেছে এক সহকর্মী। শুক্রবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে কাহালু উপজেলার আফরিন জুট মিলে এমন ঘটনা ঘটেছে।

    পুলিশ জানিয়েছে নিহত আলাল উপজেলার মালঞ্চা ইউনিয়নের ঢাকুনতা গ্রামের মোতাহার আলীর ছেলে। সে আফরিন জুট মিলে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করতো। এ ঘটনায় যতীন (১৭) নামে তার এক সহকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে শাজাহানপুর উপজেলার খরনা গ্রামের সন্তোষের ছেলে।

    কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়া লতিফুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘ওই জুট মিলে আলাল ও যতীন পরিচ্ছনতা কর্মী হিসেবে কাজ করছিল। সেখানে মেশিন পরিষ্কারের জন্য হাওয়ার মেশিন ছিল।

    তিনি আরও জানান, শুক্রবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে যতীন সেই মেশিন দিয়ে আলালের পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে দেয়। এতে আলাল গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে (শজিমকে) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বেলা ৩টার দিকে মারা যায় আলাল।

    শজিমক হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান, পায়ুপথে বাতাস ঢোকানোর কারণে পেটের নাড়িভুঁড়ি ছিঁড়ে যাওয়ায় রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে শিশুটি মারা গেছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

  • বরিশালে নাড়ু খাওয়ানোর কথা বলে শিশুকে বলাৎকার

    বরিশালে নাড়ু খাওয়ানোর কথা বলে শিশুকে বলাৎকার

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    পাঁচ বছরের এক শিশুকে নাড়ু খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে বলাৎকারের ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালীরা মরিয়া হয়ে উঠেছেন। ঘটনাটি বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ভালুকশী গ্রামের।

    বুধবার সকালে ওই গ্রামের মহিউদ্দিন মৃধার স্ত্রী জেসমিন বেগম স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, তার পাঁচ বছরের শিশুপুত্র আমানত রবিবার দুপুরে বাড়ির পাশে খেলা করছিলো। এসময় পাশ্ববর্তী বাড়ির মৃত আবুল বাশার কাজীর বখাটে পুত্র সজীব কাজী (১৮) তাকে নাড়ু খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে নির্জনস্থানে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক বলাৎকার করে। অসুস্থ অবস্থায় শিশুটি বাড়ি ফিরলে তিনি অমানবিক ঘটনাটি জানতে পারেন। পরবর্তীতে বিষয়টি ধামাচাঁপা দেয়ার জন্য বখাটে সজীবের পরিবার শিশুটির পরিবারকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতিসহ হুমকি প্রদর্শন করে।

    জেসমিন বেগম আরও জানান, গ্রাম্য সালিশ মীমাংসার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়ে সজীবের স্বজনরা তাদের জিম্মি করে রেখেছে। এজন্য তারা থানায় মামলা দায়ের করতেও সাহস পাচ্ছেন না। এ ব্যাপারে থানার ওসি আফজাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় এখনও থানায় কেউ অভিযোগ করেননি। বিষয়টির খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও তিনি উলে­খ করেন।