Category: নারী ও শিশু

  • বরগুনায় মেয়েকে ধর্ষণ অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার

    বরগুনায় মেয়েকে ধর্ষণ অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার

    বরগুনায় নিজ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বরগুনা সদরের আয়লা-পাতাকাটা ইউনিয়নের লাঙ্গলকাটা গ্রাম থেকে গত সোমবার রাত ১০টার দিকে অভিযুক্ত বাবা নিজাম মীরকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেন।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মেয়েকে ধর্ষণের কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন ওই বাবা।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই কিশোরীকে তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে যৌন নির্যাতন করছিলেন। গত ৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে তার মা পানি আনতে গেলে এই সুযোগে মেয়েকে আবারও ধর্ষণ করেন তিনি।

    পরে সোমবার পর্যন্ত আরও কয়েকবার ধর্ষণের চেষ্টা করলে কিশোরী তার মাসহ নিকটাত্মীয়দের বাবার অপকর্মের বিষয়টি জানায়। ঘটনাটি বরগুনা থানায় জানানো হলে এসআই ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গিয়ে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে।

    বরগুনা থানার ওসি আবির মোহাম্মদ হোসেন জানান, স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করে আসছিল।

    তিনি আরও বলেন, নিজাম মীর তার মেয়েকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। কিশোরী নিজেই বাদী হয়ে বাবাকে আসামি করে সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।

  • বরিশালে টিউবওয়েলের পানি পান করে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ্য

    বরিশালে টিউবওয়েলের পানি পান করে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ্য

    বরিশালের গৌরনদী উপজেলার উত্তর চাঁদশী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিউবওয়েল থেকে পানি পান করে বুধবার দুপুরে চতুর্থ শ্রেনীর পাঁচজন শিক্ষার্থী অসুস্থ্য হয়ে পরেছে। গুরুত্বর অসুস্থ্য শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নয়ন তালুকদার জানান, বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে চতুর্থ শ্রেণীর পাঁচজন শিক্ষার্থী খেলাধুলা করার পর বিদ্যালয়ের টিউবওয়েল থেকে পানি পান করে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরে। তাৎক্ষনিকভাবে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গৌরনদী উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসক মাহাবুব আলম মীর্জা জানান, পানি জাতীয় কিছু জিনিস পান করার পর পাঁচ শিক্ষার্থী অসুস্থ্য হয়ে পরেছে। শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে শিক্ষার্থীরা আশংকাজনক নয় বলেও তিনি উলে­খ করেন।

  • ডোবা থেকে নবজাতকের মরদেহ টেনে তুললো কুকুর

    ডোবা থেকে নবজাতকের মরদেহ টেনে তুললো কুকুর

    স্টাফ রিপোর্টার//স্বর্না বিশ্বাস:

    বরিশাল নগরের চরের বাড়ি এলাকার​ শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণী স্টাফ কোয়ার্টারের ১০ নম্বর বিল্ডিং সংলগ্ন ডোবা থেকে এক নবজাতকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, একটি কুকুর কচুরিপানা ভর্তি ওই ডোবা থেকে এক নবজাতকের মরদেহ টেনে তুলে আনে। বিষয়টি লক্ষ্য করে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। তিনি জানান, ধারণা করা হচ্ছে আনুমানিক গত পাঁচ থেকে সাত দিন আগে নবজাতকটিকে কাঁথায় পেঁচিয়ে ডোবায় ফেলা হতে পারে। যে কারণে মরদেহ অর্ধগলিত হয়ে গেছে। নবজাতকটিকে কে বা কারা এবং কেন ফেলেছে সে বিষয়টি এখনো জানা যায়নি। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান এসআই কুদ্দুস।

  • শিশুর কোমল দেহটা টুকরো হয়ে গেছে…

    শিশুর কোমল দেহটা টুকরো হয়ে গেছে…

    আজ ভোর ৪টা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মন্দবাগে যেন নরক নেমে এলো। স্তব্ধ ভোরে মানুষের ঘুম ভাঙে গগনবিদারী আওয়াজে। দুমড়ে মুচরে যাওয়া ভারী ধাতব কাঠামো, লাশ-রক্ত আর মানুষের আর্তচিৎকার- আজ ওখানে যেন কোনো নারকীয় যজ্ঞ দেখছে মানুষ। দুই ট্রেনের সংঘর্ষে ১৫ জন নিহতের খবর সাত সকালেই মিলেছে। সেই দলে যোগ হয়েছে আরেকটি শিশু। এখন মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬-তে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা দেখেছেন, শিশুটির কোমল দেহটা টুকরো টুকরো হয়ে গেছে। শিশুটি ছেলে না মেয়ে বোঝা যাচ্ছে না, লাশ এমনই ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আজ সকাল ৯টা ২০ মিনিটের দিকে এই শিশুর খোঁজ মেলে।

    কসবা ওপজেলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনের ক্রসিংয়ে আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ও তূর্ণা নিশীথা ট্রেনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ট্রেন দুটো দুই দিকে যাচ্ছিল। কর্মকর্তারা জানান, উদয়ন এক্সপ্রেস ও তূর্ণা নিশীথার মধ্যে সংঘর্ষ হয় চলন্ত অবস্থায়। উদয়নকে লুপ বা সাইড লাইনে যখন পাঠানো হচ্ছিল তখন এর পেছনের তিনটি বগি মূল লাইনে থাকতেই ঢাকাগামী তূর্ণা চলে আসে এবং সংঘর্ষ ঘটে।

    জেলা প্রশাসক হায়াত উদ-দৌলা সকাল সোয়া সাতটায় জানিয়েছিলেন, ১৫ জন নিহত হওয়ার ব্য্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে ৯ জন, কসবা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তিনজন, বৃাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে দুই জন ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হয়। হিসেবটা বাড়ালে এই শিশুটি।

    তবে কর্মকর্তারা জানান, মৃতের সংখ্যা আরেও বাড়তে পারে। দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া বগির নিচে আরো মরদেহ থাকতে পারে। হতাহতদের উদ্ধার কাজ চলছে। অনেকের কাটা হাত-পা উদ্ধার হচ্ছে। এ দৃশ্য অসহনীয়।

  • বরিশালে পারিবারিক অশান্তির জেরে স্কুলছাত্রীর গলায় ফাঁস

    বরিশালে পারিবারিক অশান্তির জেরে স্কুলছাত্রীর গলায় ফাঁস

    বরিশালে পারিবারিক অশান্তির জেরে ফারজানা পারভীন রিয়া (১৬) নামে নবম শ্রেণির এক ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়েছে।

    শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরের অক্সফোর্ড মিশন রোডের ভাড়া বাসায় এ ঘটনায় ঘটে।

    ফারজানা পারভীন রিয়া স্থানীয় মথুরানাথ পাবলিক স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিলো। সে বাকেরগঞ্জ জেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের সেলিম আকনের মেয়ে। তারা সপরিবারে বরিশাল নগরের অক্সফোর্ড মিশন রোডের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।

    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বাবা হালিম আকন দিনমজুর হওয়ায় সংসারে অভাব-অনটন লেগেই থাকতো। এর জেরে পারিবারিক কলহ-বিবাদ বেড়েই চলছিলো। এছাড়া রিয়াকে বিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিলেও অভাবের কারণে তা সম্ভব হচ্ছিল না। এ নিয়ে অশান্তির জেরে সকালে নিজ ঘরে আত্মহত্যা করে রিয়া। এরআগেও রিয়ার বিয়ে হয়েছিলো। তা ভেঙে (ডিভোর্স) যাওয়ায় রিয়া বাবার সংসারে থাকতো।

    কোতোয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আল মামুন জানান, রিয়ার মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে আত্মহত্যা ছাড়া অন্য কিছু মনে হচ্ছে না। তবে তারপরও ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে।

  • বরিশালে যুবলীগ নেতার ধর্ষণের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন গৃহবধূ

    বরিশালে যুবলীগ নেতার ধর্ষণের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন গৃহবধূ

    বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় চার বছরের শিশুসন্তানকে অপহরণ ও হত্যার হুমকি দিয়ে এক গৃহবধূকে (২৯) ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়েছেন স্থানীয় এক যুবলীগ নেতা।

    অভিযুক্ত নিখিল চক্রবর্তী (৪০) উপজেলার হারতা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও হারতা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য। যুবলীগ নেতা নিখিল চক্রবর্তীর ভয়ে চার বছরের শিশুসন্তানকে নিয়ে প্রায় তিন মাস আগে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বরিশাল নগরীতে আশ্রয় নিয়েছেন ওই গৃহবধূ।

    গৃহবধূ জানান, পাঁচ বছর আগে উপজেলার হারতা ইউনিয়নের কুচিয়ারপাড় গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তার স্বামী ঢাকায় ব্যবসা করেন। হারতা বন্দরে বাসা ভাড়া করে সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। সময় সুযোগ হলে বাড়িতে আসতেন স্বামী। চার বছর আগে তার ওপর কুনজর পড়ে যুবলীগ নেতা নিখিল চক্রবর্তীর। তাকে প্রায় কুপ্রস্তাব দিতেন নিখিল। এর ফাঁকে একাধিকবার ধর্ষণের চেষ্টা চালান। ধর্ষণের ব্যর্থ হয়ে শিশুসন্তানকে অপহরণ ও হত্যার হুমকি দেন নিখিল। এ অবস্থায় প্রায় তিন মাস আগে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বরিশাল নগরীতে বোনের বাসায় আশ্রয় নেন গৃহবধূ।

    গত ৩০ অক্টোবর গৃহবধূর বোনের ছেলেকে মারধর করে ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন যুবলীগ নেতা নিখিল। আহত বোনের ছেলে বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    গৃহবধূ বলেন, যুবলীগ নেতা নিখিল চক্রবর্তীর অত্যাচারে আমি অতিষ্ঠ। তার হাত থেকে রক্ষা পেতে উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ দিয়েছি আমি। কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এখন তার ভয়ে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছি। থানায় এসে অভিযোগ দিতে সাহস পাচ্ছি না। তবে ফোনে থানার ওসিকে বিষয়টি জানিয়েছি আমি।

    উজিরপুর মডেল থানা পুলিশের ওসি শিশির কুমার পাল বলেন, এ ঘটনায় মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। গৃহবধূকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। তার নিরাপত্তা নিয়ে ভয় নেই। পুলিশই গৃহবধূর নিরাপত্তা দেবে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে যুবলীগ নেতা নিখিল চক্রবর্তী বলেন, এসব অভিযোগ সত্য নয়। ওই নারীর অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমাকে হেয় করার জন্য এ ধরনের নাটক সাজানো হয়েছে।

  • স্কুলে যাওয়ার পথে লাশ হলো রিতু

    স্কুলে যাওয়ার পথে লাশ হলো রিতু

    পটুয়াখালীর বাউফলে স্কুলে যাওয়ার পথে অটোরিকশার নিচে চাপা পরে রিতু রানী (১৩) নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার সাবুপুরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত রিতু রানী উপজেলার সাবুপুরা গ্রাম এলাকার সুকুমার ব্যাপারীর মেয়ে এবং সাবুপুরা আর্দশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার পথে একটি অটোরিকশা রিতুকে চাপা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. রাশেদুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে আনার আগেই সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ওই ছাত্রী মারা গেছে।

  • বরিশালে জেএসসি পরীক্ষার্থীর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

    বরিশালে জেএসসি পরীক্ষার্থীর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

    জেলার মুলাদী উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের পশ্চিম বোয়ালিয়া গ্রামে রাজু মজুমদার নামের এক জেএসসি পরীক্ষার্থী গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সোমবার সকালে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় রাজুর লাশ উদ্ধার করা হয়। সে (রাজু) ওই গ্রামের ভ্যান চালক জালাল মজুমদারের পুত্র ও উপজেলার এবিআর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছিলো।

    মৃত রাজুর বাবা জালাল মজুমদার সাংবাদিকদের জানান, প্রায় দেড় বছর আগে তার স্ত্রী মারা যায়। এরপর থেকেই রাজু প্রায় সময় অন্য মনস্ক থাকতো। গত ২ নভেম্বর জেএসসি পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরে রাজু মোবাইল ফোনে মায়ের গান শুনছিলো। রবিবার পরীক্ষা না থাকায় সারাদিন রাজু ঘরের মধ্যে দিন কাটিয়েছে। রাতে কাউকে কিছু না বলে সে ঘর থেকে বের হয়। রাত নয়টার মধ্যেও রাজু ঘরে না ফেরায় বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুজি করে না পাওয়ায় তারা হতাশ হয়ে পরেন।

  • চলন্ত বাসে অভিনেত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা

    চলন্ত বাসে অভিনেত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা

    আরও একবার রাতে চলন্ত বাসে যাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠলো চালক ও তার সহকারীর বিরুদ্ধে। তবে ধস্তাধস্তিকালে ওই ছাত্রী লাথি দিয়ে জানালার কাচ ভেঙে ফেললে পথচারীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে। এ সময় বাসচালকের দুই সহকারীকে আটক করা গেলেও চালক পালিয়ে যায়। গত শনিবার রাতে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ফ্লাইওভারে এ ঘটনা ঘটে।

    জানা গেছে, বাসের ওই যাত্রী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় বাড়ি হলেও
    রাজধানীর মিরপুরে এক আত্মীয়ের বাসায় থেকে পড়াশোনা করে। এর পাশাপাশি মডেলিং ও অভিনয় করে।
    আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার আমড়া গ্রামের কবির হোসেনের ছেলে জুয়েল (২৮) ও নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার চন্দনকান্দি গ্রামের আলতু মিয়ার ছেলে আশিক (২২)। তারা দুজনই চালকের সহকারী।

    আটক হওয়া দুজন পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাসচালকের নাম হারুন মিয়া ও তার বাবার নাম মৃত আবদুল কুদ্দুস বলে জানিয়েছে। তবে বাসচালকের ঠিকানা জানাতে পারেনি তারা।

    মাওনা মহাসড়ক থানার ওসি মঞ্জুরুল হক এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় নাটকের শুটিংয়ে অংশ নিতে মিরপুর থেকে রাত সাড়ে আটটার দিকে চান্দনা চৌরাস্তায় নামে সে। পরে সেখান থেকে সে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলাচলকারী চ্যাম্পিয়ন পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসে উঠে।

    পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, কিছুদূর যাওয়ার পর কৌশলে বাস থেকে অন্য যাত্রীদের নামিয়ে দেয়া হয়। তবে এ সময় চালক স্কুলছাত্রীকে আশ্বস্ত করে জানায়, তাদের সমস্যা থাকলেও তাকে গন্তব্যে পৌঁছে দেবে। পরে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছে না দিয়ে স্কুলছাত্রীকে নিয়ে শ্রীপুরের মাওনা উড়াল-পথে চলে আসে তারা। সেখানে উড়াল-পথের উপর বাসের ভেতর তারা স্কুলছাত্রীকে মুখ বেঁধে ধর্ষণচেষ্টা চালায়।

  • রিফাত হত্যা : প্রধান আসামির স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের আবেদন

    রিফাত হত্যা : প্রধান আসামির স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের আবেদন

    বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক প্রধান আসামি রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজীর আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছে। এছাড়া এ মামলার অভিযুক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিযুক্তেদের বিচারের জন্য বরগুনার শিশু আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সকালে মামলার ধার্য তারিখে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিফাত ফরাজীর স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়। কিন্তু এ মামলার মূল নথি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে থাকায় স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের শুনানি হয়নি। এছাড়া এ মামলর পরবর্তী তারিখ ৬ নভেম্বর ধার্য করেছেন বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী। একই সঙ্গে শিশু অভিযুক্তদের মামলার পরবর্তী তারিখও নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ নভেম্বর।

    বৃহস্পতিবার মামলার ধার্য তারিখে রিফাত হত্যা মামলায় জামিনে থাকা নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি ও অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি আরিয়ান হোসেন শ্রাবণসহ ১০ জন আসামি আদালতে হাজির হন।

    এ বিষয়ে রিফাত হত্যা মামলার বাদীপক্ষের মনোনীত আইনজীবী মজিবুল হক কিসলু বলেন, রিফাত হত্যা মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিরা আদালতের হেফাজতে রয়েছেন। তাই শিশু আসামিদের বিচারের জন্য মামলাটি শিশু আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া এ মামলার প্রাপ্তবয়স্ক প্রধান আসামি রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজীর আদালতে দেয়া ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু মামলার মূল নথি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে থাকায় স্বীকারোক্তি প্রত্যারের শুনানি হয়নি। মূল নথি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পৌঁছালে স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের শুনানি হবে।

    তিনি আরও বলেন, রিফাত হত্যা মামলার আসামি কামরুল হাসান সাইমুনের আগামী ১১ নভেম্বর একটি পরীক্ষা আছে। এ পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেন সাইমুন। সাইমুনের পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড আদালতে উপস্থাপন করা হলে আদালত সাইমুনকে পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ দেবে বলেও জানান তিনি।

    গত ২৬ জুন রিফাত হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়। ২৭ জুন ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ।

    এ মামলার তদন্ত শেষে গত ১ সেপ্টেম্বর নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই ভাগে বিভক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। অভিযোগপত্রভুক্ত ২৪ আসামির মধ্যে আটজন বরগুনা জেলা কারাগারে এবং ১৩ জন যশোর শিশু ও কিশোর সংশোধনাগারে রয়েছেন। এছাড়া দুজন আসামি জামিনে রয়েছেন। আর এ মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আসামি মো. মুসা এখনো পলাতক রয়েছেন।