Category: নারী ও শিশু

  • চিকিৎসকদের পরামর্শে মিন্নি এখন হবিগঞ্জে

    চিকিৎসকদের পরামর্শে মিন্নি এখন হবিগঞ্জে

    বরগুনার বহুল আলোচিত মিন্নি এখন হবিগঞ্জের মাধবপুরে। তাকে ঘিরে কৌতুহলী এলাকাবাসীদের ভিড় দেখা যায় হবিগঞ্জ গ্যাস ফিল্ড এলাকায়। স্বামী রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতারের পর জামিনে মুক্তি পাওয়া আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি বেড়াতে এসেছেন মাধবপুর উপজেলার শাহজিবাজার গ্যাস ফিল্ডে।

    মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর, খালাসহ পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য নিয়ে বুধবার ঢাকা থেকে সরাসরি চলে আসেন মিন্নির খালাতো বোন জামাই হবিগঞ্জ গ্যাস ফিল্ডের প্রডাকশন ম্যানেজার জাকির হোসেনের বাসায়।
    মিন্নির ভগ্নিপতি জাকির হোসেন ও মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর জানান, ঢাকা সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মুহিত কামাল ও ঢাকা আইন শালিস কেন্দ্রের নিয়োগকৃত চিকিৎসকদের পরামর্শে মিন্নির মানসিক রি-ফ্রেসম্যান্টের জন্য তাকে নিয়ে আসা হয়েছে। এখানে এসে বৃহস্পতিবার বিকেলে পরিবারের লোকজন নিয়ে গ্যাস ফিল্ডের ৬ ও ৭নং কূপ এলাকার চা বাগানে ঘুরতে গিয়েছিলেন। গতানুগতিক পরিচিত পরিবেশের বাইরে ভিন্ন প্রাকৃতিক পরিবেশে মানসিক প্রশান্তির জন্য এ ঘুরতে আসা।

    আগামী ৩ অক্টোবর বরগুনা আদালতে রিফাত শরীফ হত্যা মামলার চার্জ গঠন করা হবে। চার্জের আগেই তারা এলাকায় ফিরে যাবেন বলে জানান মিন্নির বাবা। জামিনের শর্তে মিডিয়াতে কথা বলা নিষেধ থাকায় তার সঙ্গে কোনো কথা বলা যায়নি।

    উল্লেখ্য, গত ১৬ জুলাই রিফাত হত্যা মামলায় মিন্নিকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। অথচ এর আগে মিন্নি একজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হিসেবে দায়েরকৃত এজাহারে ছিলেন। পরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করলে ঢাকার একটি আইনজীবী দল বরগুনায় গিয়ে মিন্নির জামিন আবেদন করেন। পরে সেখানে জামিন নামঞ্জুর হলে তিনি হাইকোর্টে জামিন লাভ করেন। এরপর থেকে আয়েশা সিদ্দীকা মিন্নি অনেকটা লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যান।

  • প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে বরিশাল জুড়ে ঘুরলো ‘জলবায়ু দৈত্য’

    প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে বরিশাল জুড়ে ঘুরলো ‘জলবায়ু দৈত্য’

    নিজস্ব প্রতিবেদক ::

    প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টিতে বরিশাল নগর জুড়ে ঘুরে বেড়ালো এক জলবায়ু দৈত্য! আর সেই পুরোদস্তুর দৈত্য তৈরি হয়েছে নগরীর বিভিন্ন অভিজাত রেস্তোঁরার ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে। সুইডিস কিশোরী ও জলবায়ুকর্মী গ্রেটা থুনবার্গের আহবানে বিশ^ব্যাপি চলমান বৈশি^ক জলবায়ু কার্যক্রম সপ্তাহের অংশ হিসেবে এই জলবায়ু দৈত্য তৈরি করে জণগনের মধ্যে প্লাস্টিক বোতলের ক্ষতিকারক দিক তুলে ধরতে এ উদ্যোগ নিয়েছে ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস।

    বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় একটি পিকআপ ভ্যানে করে জলবায়ু দৈত্যটি পরিভ্রমনে বের হয়ে বরিশাল নগর ভবন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, অশ্বিনী কুমার হলসহ নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

    এসময় তরুণ জলবায়ুকর্মীরা জলবায়ু ন্যয্যতার দাবিতে এবং প্লাস্টিক বিরোধী স্লোগান দিতে থাকে। অভিনব ‘জলবায়ু দৈত্য’ কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে বাংলাদেশ মডেল ইয়ুথ পার্লামেন্ট, একশনএইড বাংলাদেশ ও প্লান ইন্টারন্যাশনাল। ব্যাতিক্রমী এ উদ্যোগে নগরবাসীর মধ্যে এক ধরনের কৌতুহল সৃষ্টি হলে তরুণ উদ্যোক্তারা প্লাস্টিক দুষণ বিশেষ করে মাইক্রো প্লাস্টিকের বিধ্বংসী প্রভাব সমবেত জণগণের মধ্যে তুলে ধরেন।

    ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিসের সংগঠক সোহানুর রহমান জানান, প্লাস্টিক দূষণের কারনেও জলবায়ু পরিবর্তিত হয়ে সংকটে রুপ নিচ্ছে। ফলে প্রতিবেশগত চক্রে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। এমনকি এর অণুও খাদ্য ও পানীয়ের সঙ্গে মানবদেহে গিয়ে মরণব্যাধি সৃষ্টি করছে। প্লাস্টিকের বোতলের ব্যবহার হ্রাস করার পাশাপাশি জরুরি পুনর্চক্রায়ন (রিসাইক্লিং) নিশ্চিত করা জরুরী। অন্যথায় ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়া প্লাাস্টিক বোতলের দৈত্য আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে সবাই সক্রিয় ও সচেতন হলে প্লাস্টিক বোতলের দৈত্যকে পরাস্ত করা কঠিন হতে পারে না। এক্ষেত্রে তরুণ সমাজকে আরো এগিয়ে আশার পাশপাশি খাদ্যাভাস ও জীবন প্রণালীও পরির্বন করতে হবে বলে জানান তিনি।

    কর্মসূচিতে অংশ নেয়া বাংলাদেশ মডেল ইয়ুথ পার্লামেন্টের চেয়ারপার্সন আমিনুল ইসলাম ফিরোজ মোস্তফা বলেন, পৃথিবীর জলবায়ু সুরক্ষা এবং আমাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে প্লাস্টিকের ব্যবহার না কমিয়ে কোন উপায় নেই। বিলম্বে হলেও সচেতনতা ও সক্রিয়তার সময় এসেছে। প্লাস্টিকের বিকল্প জিনিষের ব্যবহার বাড়াতে আমাদের ব্যাক্তিগত উদ্যোগ খুবই গুরুত্বপুর্ন।

    এছাড়া প্লাস্টিককে একবার ব্যবহার করেই ফেলা দেয়া রোধে সরকারকে আরো কঠোর হতে হবে বলে তিনি মনে করেন।

  • উজিরপুরে যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ী থেকে তারিয়ে দেয়ার অভিযোগ

    উজিরপুরে যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ী থেকে তারিয়ে দেয়ার অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    বরিশালের উজিরপুরে যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বামীর অধিকার ফিরে পেতে গৃহবধু দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

    নির্যাতিতা পরিবার সূত্রে জানা যায়, উজিরপুর উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নের নরসিংহা গ্রামের আঃ রব হাওলাদারের ছেলে কাওছার হোসেন(রিপন) ৫০ এর সাথে ৬ বছর পূর্বে রংপুর জেলার পাঠগ্রাম উপজেলার সৈয়দ পাড়া গ্রামের জিন্নাত মন্ডলের মেয়ে গার্মেন্টস কর্মী মনোয়ারা বেগম(৩০) এর প্রেমের সম্পর্কে বিবাহ হয়। বিবাহের পর ৫ বছর ধরে ঢাকার বাড্ডার নতুন বাজার এলাকায় ভাড়া বাড়ীতে বসবাস করত। গত ১ বছর ধরে সু-চতুর স্বামী কাওছার বিদেশ যাওয়ার কথা বলে স্ত্রীকে ফুসলিয়ে নগদ ৩ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। স্ত্রীর সরলতার সুযোগ পেয়ে পুনঃরায় ২ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবী করে। স্বামীর কুমতলব বুঝতে পেরে টাকা দিতে অস্বীকার জানালে তাকে মারধর করে বাসা থেকে তাড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় স্বামীর গ্রামের বাড়ীতে কয়েকবার শালিসি বৈঠক হয়। কিন্তু তাকে কোন সুরাহা হয়নি এমনকী উজিরপুর মডেল থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরেও স্বামীর পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় কোন বিচার পায়নি বলে জানান গৃহবধু।

    নির্যাতিতা মনোয়ারা বেগম জানান আমি আমার স্বামীকে ইতিপূর্বে ৩ লক্ষ টাকা যৌতুক দিয়েছি তা তার ভাই স্বপন ও আসলামের স্ত্রী বিষয়টা জানেন। পরবর্তীতে আরো ২ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করলে আমি সেই টাকা না দেওয়ায় আমাকে মারধর করে বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দিয়েও ক্ষান্ত হয়নি। তাকে স্বামীর পরিচয় দিলে আমাকে খুন করবে বলে হুমকী দেয়।

    ওই প্রতারক যৌতুকলোভী স্বামীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান এবং স্বামীর অধিকার ফিরে পেতে প্রশাসনের উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেন নির্যাতিতা গৃহবধু।

  • মিন্নিকে এখন সবাই সম্মান করে, ছবি তুলতে আসে : মিন্নির বাবা

    মিন্নিকে এখন সবাই সম্মান করে, ছবি তুলতে আসে : মিন্নির বাবা

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরগুনায় আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় প্রধান সাক্ষী থেকে আসামি হওয়া তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে দেখলে এখন সবাই সম্মান করে। সবাই তার সঙ্গে ছবি তুলতে চায় বলে জানিয়েছেন মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর।

    মঙ্গলবার মিন্নিকে নিয়ে রাজধানীর গুলিস্তানে কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন বাবা কিশোর। এদিন গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান।

    মোজাম্মেল হোসেন কিশোর বলেন, ‘আগে সব মানুষ আমাদের দিকে, আমার মেয়ে মিন্নির দিকে কেমন কেমন করে তাকাতো। আর এখন দেখলে মানুষ উৎফুল্ল হয়।’

    মিন্নির জামিন হওয়ার পর পরিস্থিতি একদম পাল্টে গেছে জানিয়ে বাবা বলেন, ‘মিন্নিকে দেখে মানুষের উচ্ছ্বাসের শেষ নেই। পুরো মার্কেটের মানুষ একত্র হয়ে গিয়েছিল। মেয়েকে জামা-কাপড় কিনে দিলাম। দোকানিও খাওয়াতে চেয়েছে। দামে ডিসকাউন্ট দিয়েছে।’

    মিন্নির বাবা আরও বলেন, ‘মানুষ শুধু জড়োই হয় না। ছবি তুলবেই তুলবে। ছবি তোলার জন্য ভিড় সামলানো যায় না।’

    মিন্নিরা যখন শপিং করছিলেন, তখনকার কিছু ছবিতে মানুষের স্পষ্ট উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। মোজাম্মেল হক কিশোর বলেন, এটা মানুষের সম্মান। এই সম্মানের মর্যাদা যেন তারা রাখতে পারেন।

    উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন মিন্নি ও তার বাবা। কয়েকদিন আগে মিন্নির আইনজীবীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে হাইকোর্ট ভবনে যান তারা।

    এর আগে গত শনিবার বিকেল ৪টায় মিন্নি ও তার বাবা বরগুনার লঞ্চঘাট থেকে এমভি শাহরুখ লঞ্চে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। এদিন মিন্নির বাবা বলেন, ‘আমার মেয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছি।’ এ সময় মামলার বিষয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করবেন বলেও জানান তিনি।

    গত ১৬ জুলাই সকাল পৌনে ১০টার দিকে মিন্নিকে তার বাবার বাড়ি বরগুনা পৌর শহরের নয়াকাটা-মাইঠা এলাকা থেকে পুলিশ লাইনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়। এর পর দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে একই দিন রাত ৯টায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

    গত ১ সেপ্টেম্বর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মিন্নিসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয় পুলিশ। একই সঙ্গে ১ নম্বর আসামি নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। মামলাটিতে এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে ছয় কিশোর অপরাধী শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে রয়েছে। এ ছাড়া মিন্নিসহ জামিনে রয়েছেন দুজন।

    প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। গুরুতর আহত তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

  • বরিশালে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার অনশন

    বরিশালে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার অনশন

    বরিশালের উজিরপুরে বিয়ের দাবীতে তিন দিন ধরে প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার অনশন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে।

    উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের কুড়লিয়া গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদ সদস্য উর্মিলা বাড়ৈ একমাত্র ছেলে অচিন্ত বাড়ৈ(২৫) এর সাথে বিয়ের দাবীতে একই এলাকার মৃত নির্মল বৈদ্যের বরিশাল মহিলা কলেজের অনার্স পড়ুয়া ছাত্রী সোনালী বৈদ্য (২০) গত ২১ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে এই পর্যন্ত ওই বাড়ীতে বিয়ের দাবীতে অনশন করছে। তবে অচিন্ত বাড়ৈ পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

    অনশনরত সোনালী জানান, নবম শ্রেণি থেকে আমার সাথে অচিন্ত বাড়ৈ প্রেমের সম্পর্ক চলে। এমনকী বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আমাকে বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে নিয়ে যায়। বর্তমানে বিয়ের কথা বললেই তালবাহানা শুরু করে আমার কাছ থেকে দূরে চলে যায়। তাই আমি বাধ্য হয়ে বিয়ের দাবীতে অনশনের পথ বেছে নেই। এছাড়া অন্য কোন উপায় ছিলনা। তার সাথে আমার বিবাহ না হলে আমার আত্মহত্যা ছাড়া আর কোন পথ থাকবে না।

    প্রেমিকের মা উর্মিলা বাড়ৈ জানান, এটা নিছক ষড়যন্ত্র আমাকে রাজনৈতিকভাবে সমাজে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য একটি মহল ওই মেয়েকে আমার ঘরে উঠিয়ে দিয়েছে।

    উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শিশির কুমার পাল জানান, এব্যাপারে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

  • পুলিশ মিন্নির মাথায় পিস্তল ধরেছে, করেছে নির্যাতনও!(ভিডিও)

    পুলিশ মিন্নির মাথায় পিস্তল ধরেছে, করেছে নির্যাতনও!(ভিডিও)

    অনলাইন ডেস্ক :::

    মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর বলেছেন, রিমান্ডের নামে মিন্নিকে যে নির্যাতন করা হয়েছে তার ভয়াবহতা নিয়ে সে ভুগছে। তার হাঁটুতে ব্যথা, জয়েন্টে জয়েন্টে ব্যথা। এ কারণে তাকে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে এসেছি।

    তিনি বলেন, পুলিশ ওর মাথায় পিস্তল ধরেছে। নির্যাতন করেছে। ভয়ভীতি দেখিয়েছে। এরপর থেকেই ও বিষণ্নতায় ভুগছে। ওর একান্ত চিকিৎসা প্রয়োজন, এ জন্যই ঢাকায় আসা।

    রোববার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করার পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মিন্নির বাবা। কতদিন ঢাকায় থাকবেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা বলা যাচ্ছে না। চিকিৎসা যতদিন লাগবে ততদিন।

    মোজাম্মেল হোসেন বলেন, প্রভাবশালী একটি কুচক্রী মহলের কাছ থেকে মিন্নি রেহাই পেল না। যে কারণে সে সাক্ষী থেকে আসামি। এখনও ভয়ভীতি আছে। অনেক সময় আকার-ইঙ্গিতে বুঝতে পারছি আমাকে ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা করতে চায়। সবসময় আমাদের ফলো করে। আমি একধরনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

    এর আগে আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি সুপ্রিম কোর্ট বারে তার আইনজীবী জেড আই খান পান্নার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তার বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরও উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাতে মিন্নি আইনজীবীর পা ছুঁয়ে সালাম করেন।

    এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনজীবী জেড আই খান পান্না বলেন, ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শের বিষয় আছে। আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শের বিষয় আছে। চার্জশিটের কথাতো আগাগোড়াই বলেছি এটা একটা মনগড়া উপন্যাস। মূলত মূল আসামিদের এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য এ ধরনের কারবার করা হয়েছে। নাথিং নিউ। জজ মিয়া এবং জাহালমের আরেকটা সংস্করণ।

    আদালতে মিন্নির দেয়া জবানবন্দি প্রকাশের বিষয়ে কোর্টের এ আইনজীবী বলেন, দেখেছি। আমি তো কোর্টে বসেই দেখেছি। আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত যখন আমাদের দেখাতেবলেছিল তখন একনজর দেখেছি। সেটাও (১৬৪ ধারার জবানবন্দি) একটা উপন্যাস। সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি কোর্টকে বলেছেন, এত সুন্দর করে লেখা যা চিন্তার বাইরে। সুস্থ মাথায় এত সুন্দরভাবে লেখতে পারে না।

    এটা প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন? জবাবে জেড আই খান পান্না বলেন, আগেই করা হয়েছে। মিন্নি নিজে জেলখানা থেকে করেছে।

    আরেক প্রশ্নে আইনজীবী বলেন, এটাতো পুলিশের কাছে ছিল। সেখানটা বাদে তো আর আসতে পারে না। ইতির্পূবেও আমরা দেখেছি এটা গণমাধ্যমে এসেছে। কোর্টের কাছে দেয়ার পূর্বে এটা প্রকাশিত হয়েছে।

    এটা কি ঠিক হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা ঠিক হয়নি। এটা আদালত অবমাননা।

    সাক্ষাতের পর মিন্নির বাবা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমাদের ঢাকায় আসার উদ্দেশ্যে হলো- সিনিয়র আইনজীবী জেড আই খান পান্না স্যারের সঙ্গে দেখা করা এবং তার সঙ্গে আইনি পরামর্শ নেয়া।

    এর আগে শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মিন্নি ও তার বাবা বরগুনার আমতলী থেকে লঞ্চে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

    গত ২ সেপ্টেম্বর মিন্নিকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আপিল বিভাগের চেম্বারজজ আদালত বহাল রাখায় কারাগার থেকে মুক্তি পান মিন্নি। আদালতে মিন্নির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দীন।

    গত ২৯ আগস্ট মিন্নিকে স্থায়ী জামিন দেন হাইকোর্ট। তবে জামিনে থাকাকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলা যাবে না বলে শর্ত দেন আদালত।

    হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে মিন্নির জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। তবে ওই আবেদনে কোনো সাড়া না পেয়ে নিয়মিত আবেদনের সিদ্ধান্ত নেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।

    গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয় রিফাত শরীফকে। স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি হামলাকারীদের সঙ্গে লড়াই করেও সন্ত্রাসীদের ঠেকাতে পারেননি। গুরুতর অবস্থায় রিফাতকে ওইদিন বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিফাত শরিফের মৃত্যু হয়।

    এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ ও পাঁচ-ছয়জনকে অজ্ঞাত করে বরগুনা থানায় হত্যা মামলা করেন।

    পরে ১৬ জুলাই সকাল পৌনে ১০টায় মিন্নিকে তার বাবার বাড়ি বরগুনা পৌর শহরের নয়াকাটা-মাইঠা এলাকা থেকে পুলিশ লাইন্সে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৯টায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

    পরদিন (১৭ জুলাই) মিন্নিকে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করলে বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

  • বরগুনায় রিফাত হত্যা: আইনি পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্টে মিন্নি

    বরগুনায় রিফাত হত্যা: আইনি পরামর্শ নিতে সুপ্রিম কোর্টে মিন্নি

    আইনি পরামর্শ নিতে বরগুনা থেকে ঢাকা এসেছেন বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় জামিনে থাকা নিহতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। তিনি হাইকোর্টে তার আইনজীবীর চেম্বারে এসেছেন।

    রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের সঙ্গে তিনি সুপ্রিম কোর্টে আসেন। মিন্নি তার প্রধান আইনজীবী জেড আই খান পান্নার চেম্বারে যান। উচ্চ আদালতে নিঃস্বার্থভাবে আইনি লড়াই করা অন্য আইনজীবীদের সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করেন।

    সেখানে তিনি পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে পরামর্শ করবেন। সৌজন্য সাক্ষাৎ ও আইনি পরামর্শ শেষে মিন্নির প্রধান আইনজীবী এ বিষয়ে দুপুরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করবেন।

    গত ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের দেওয়া জামিন চেম্বার আদালত বহাল রাখায় কারাগার থেকে মুক্তি পান মিন্নি। গত ২৯ আগস্ট মিন্নিকে স্থায়ী জামিন দেন হাইকোর্ট। তবে জামিনে থাকাকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলা যাবে না বলে শর্ত দেন আদালত।

    এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

    গত ২৮ আগস্ট আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন প্রশ্নে জারিকৃত রুলের ওপর হাইকোর্টে চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয়।
    গত ২৬ জুন সকালে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে স্ত্রীর সামনে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহতের বাবা দুলাল শরীফ বাদি হয়ে ২৭ জুন ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

    গত ১৬ জুলাই সকাল পৌনে ১০টার দিকে মিন্নিকে তার বাবার বাড়ি বরগুনা পৌর শহরের নয়াকাটা-মাইঠা এলাকা থেকে পুলিশ লাইনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়। এরপর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৯টায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

  • বরিশালে গৃহবধূকে হত্যার পরে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হলো লাশ!

    বরিশালে গৃহবধূকে হত্যার পরে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হলো লাশ!

    নিজস্ব প্রতিবেদক ::

    বরিশালের উজিরপুরে রিমা আক্তার (২৭) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। বাড়ির পাশের একটি গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে স্বজনদের দাবি, হত্যার পর ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্যই তার মরদেহ গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

    রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে উজিরপুরের সাতলা ইউনিয়নের শিবপুর গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    অন্যদিকে শ্বশুরবাড়ির পাশ থেকেই রিমার মরদেহ উদ্ধার করা হলেও খুঁজে পাওয়া যায়নি সেই বাড়ির কাউকে। রিমার স্বামীসহ সেই বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছেন।

    মৃত গৃহবধূ রিমা আক্তার বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার জয়রামপট্টি এলাকার মৃত বাবুল মিয়ার মেয়ে। দীর্ঘ আট বছর আগে উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের মন্নান বেপারীর ছেলে মিজানুর রহমানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। সাংসারিক জীবনে মিজান ও রিমা দম্পতির আবু সাঈদ নামে ৫ বছরের একটি ছেলেও রয়েছে।

    রিমার চাচা গোলাম মাওলা জানান, রিমা দেখতে একটু কালো হওয়ায় বিয়ের সময় যৌতুক দিতে হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৮ বছরের সংসার জীবনকালে মিজান ও তার পরিবারকে বিভিন্ন সময়ে ওই কারণেই গরু, নগদ অর্থসহ বহু কিছুই দিতে হয়েছে।

    সর্বশেষ মিজান ও তার পরিবার এক লাখ টাকা যৌতুক চায়। কিন্তু তা দিতে অপারগতা জানালে রিমার স্বামী, শ্বশুর-শ্বাশুড়ি, দেবর-দেবরের স্ত্রী তার ওপর অমানসিক নির্যাতন শুরু করে।

    তিনি বলেন, রিমা আত্মহত্যা করার হলে আরও আগেই করতো। সন্তান বড় হয়েছে, এখন কেনো করবে? তাকে হত্যা করে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। আর তা না হলে ওই বাড়ির সবাই পালিয়ে যাবে কেন?

    উজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিশির কুমার পাল, এসআই রুহুল আমিন, এসআই হরিদাশ নাগসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

    পুলিশের এ কর্মকর্তারা জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল (শেবামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।

  • চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাচ্ছেন মিন্নি

    চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাচ্ছেন মিন্নি

    বরগুনা প্রতিনিধি ::

    চিকিৎসা করাতে ঢাকা যাচ্ছেন বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সাক্ষী থেকে আসামি হওয়া আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় বরগুনা লঞ্চঘাট থেকে এমভি শাহরুখ লঞ্চে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন তিনি। সঙ্গে আছেন তার বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর, নানা জাকির সিকদার ও অন্য এক আত্মীয়।

    এ ব্যাপারে মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর বলেন, ‘জামিনে কারামুক্ত হওয়ার পর থেকেই আমার মেয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ। কারও সঙ্গে কথা বলে না, ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করে না। দিনকে দিন সে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। আমরা আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে উন্নত চিকিৎসার জন্য মিন্নিকে ঢাকা নিয়ে যাচ্ছি।’ মিন্নিকে চিকিৎসক দেখানোর ফাঁকে মামলার বিষয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করবেন বলেও জানান তিনি।

    গত ১৬ জুলাই সকাল পৌনে ১০টার দিকে মিন্নিকে তার বাবার বাড়ি বরগুনা পৌর শহরের নয়াকাটা-মাইঠা এলাকা থেকে পুলিশলাইনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়। এরপর দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে একই দিন রাত ৯টায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরদিন (১৭ জুলাই) মিন্নিকে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে কয়েক দফা আবেদন জানালেও নিম্ন আদালতে জামিন মেলেনি মিন্নির। এতে এ মামলায় জামিন চেয়ে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন। গত ৩ সেপ্টেম্বর উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হন মিন্নি। আদালতের নির্দেশে তিনি গণমাধ্যমে কোনও বক্তব্য দিতে পারছেন না।

    গত ১ সেপ্টেম্বর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মিন্নিসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয় পুলিশ। একইসঙ্গে ১ নম্বর আসামি নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। মামলাটিতে এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। গ্রেফতার আসামিদের মধ্যে ছয় কিশোর অপরাধী শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে রয়েছে। এ ছাড়া, মিন্নিসহ জামিনে রয়েছেন দুইজন।

    প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি হামলাকারীদের সঙ্গে লড়াই করেও তাদের দমাতে পারেননি। গুরুতর আহত রিফাতকে ওইদিন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ ও পাঁচ-ছয় জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বরগুনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

  • মৃত ব্যক্তির প্রতিক্রিয়া নেয়ার চেষ্টা নারী সাংবাদিকের (ভিডিও)

    মৃত ব্যক্তির প্রতিক্রিয়া নেয়ার চেষ্টা নারী সাংবাদিকের (ভিডিও)

    টেলিভিশনে লাইভ সংবাদ পরিবেশন করতে গিয়ে অনেক সময় সাংবাদিকরা এমন কাণ্ড করে বসেন; যা খবরের শিরোনামে উঠে আসে। কখনও মুখ ফসকে এমন কথা বলে ফেলেন, যা নিয়ে হাসির রোল পড়ে যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

    সম্প্রতি এমনই একটি ভিডিও নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। টুইটারে পোস্ট করা ভিডিওটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওতে এক নারী সাংবাদিককে বলতে দেখা যায়, তিনি মৃত ব্যক্তির প্রতিক্রিয়া নেয়ার চেষ্টা করছেন।

    ইয়াসির আলি নামের এক ব্যক্তির টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি টুইট করা হয়। সাত সেকেণ্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের কেটিএলএ নিউজ নামে একটি টেলিভিশন চ্যানেলের ক্যামেরার সামনে বুম ধরে রিপোর্টিং করছেন সারা ওয়েলচ নামে এক নারী সাংবাদিক।

    দুর্ঘটনার খবর পরিবেশন করতে গিয়ে সেখানেই তিনি বলেন, ‘আমরা মৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু তাদের পাওয়া যায়নি।’

    ভিডিওটি পুরোনো হলেও গত ১৭ সেপ্টেম্বর সেটি টুইট হতেই ফের ভাইরাল হয়ে যায়। এমনকি মিম তৈরিও শুরু হয়ে যায়। তবে তিনি ঠিক কী বলতে গিয়েছিলেন তা জানা যায়নি। তবে অনেকেই বলছেন, সম্ভবত মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের কথা বলতে চেয়েছিলেন ওই সাংবাদিক। কিন্তু মুখ ফসকে মৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা বলে ফেলেছেন।