Category: নারী ও শিশু

  • সুবর্ণচরের সেই গৃহবধূকে দেখতে গেলেন হিরো আলম

    সুবর্ণচরের সেই গৃহবধূকে দেখতে গেলেন হিরো আলম

    নোয়াখালীর সুবর্ণচরে গণধর্ষণের শিকার সেই গৃহবধূকে দেখতে গেছেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম।

    শনিবার সকালে নির্যাতিতা গৃহবধূ ও তার পরিবারের সাথে দেখা করে হিরো আলম বলেন, গরীব গরীবের দুঃখ বোঝে, তাই আমি এতোদূর থেকে ছুটে আসছি। আমি নির্যাতনকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। চাই তাদের ফাঁসি হোক, এমন ঘটনা যেন আর বাংলার ঘরে না ঘটে।

    তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের দিন আমাকেও মারধর করা হয়েছে। আমার বিচার পরে, আগে আমার এই বোনের অপরাধীদের বিচার করেন।

    নোয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতাল থেকে হিরো আলম ওই গৃহবধূর সুবর্ণচরের বাসায় যান। সেখানে তার মেয়ের সাথে কথা বলেন ও সান্তনা দেন।

  • পাঁচতলা থেকে পড়েও বেঁচে গেল দুধের শিশু

    পাঁচতলা থেকে পড়েও বেঁচে গেল দুধের শিশু

    পাঁচতলা! সেটা কম উঁচু নয়। এই উঁচু থেকে পড়লে নির্ঘাত মৃত্যু। এটাই বাস্তবতা। কিন্তু কখনো কখনো কোনো ঘটনা বাস্তবতাকেও হার মানায়। যেমনটি ঘটেছে এক শিশুর ক্ষেত্রে।

    ঘটনা ভারতের মুম্বাইয়ে। এখানে বিএস দেবাশি রোডের ‘গোপী কৃষ্ণ আবাসন’-এর বাসিন্দা অজিত এবং জ্যোতি। তাদের রয়েছে ১৪ মাসের ছেলে অথর্ব। এই শিশুই পাঁচতলা থেকে জানলা দিয়ে নীচে পড়ে যায়। সবাই ভেবেছিল সে আর নেই। কিন্তু দেখা যায় শিশুটি বেঁচে আছে।

    ভারতীয় গণমাধ্যমে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকালে পাঁচতলার ফ্ল্যাটে ড্রয়িং রুমে বসে খেলছিল অথর্ব। পৌনে ৯টা নাগাদ ড্রয়িং রুমের দেওয়ালে বসানো ফরাসি ধাঁচের কাচের জানালা খুলে জামা-কাপড় মেলতে যান অজিতের মা। কিন্তু জানলা ঠিক করে বন্ধ করতে ভুলে যান তিনি।

    জানালার বাইরের লোহার গ্রিল বসানো না থাকায়, খেলতে খেলতে খোলা কাচের জানালা দিয়ে নীচে পড়ে যায় অথর্ব। চিৎকার শুনে সবাই ছুটে আসেন। দ্রুত পাঁচতলা থেকে নীচে নেমে আসেন শিশুটির মা-বাবা। এসে নিজেদের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তারা।

    দেখেন, চোট পেলেও জ্ঞান রয়েছে তাদের ছেলের। মাটিতে শুয়ে কাঁদছে সে। ঠোট ফেটে রক্ত পড়ছে তার। তড়িঘড়ি মুলুন্ডের বেসরকারি একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় অথর্বকে। এই মুহূর্তে আইসিইউতে ভর্তি রয়েছে সে।

    চিকিৎসকরা বলছেন, শিশুটির ঠোঁট ফেটে গিয়েছে। এছাড়া শরীরের কিছু জায়গায় আঘাত পেয়েছে। তবে লিভারে আঘাত লাগাতেই পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাকে। আঘাত তেমন গুরুতর নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    ভয়ঙ্কর এমন ঘটনায় শিশুটি কিভাবে বেঁচে গেল-সেই প্রশ্নই এখন দেখা দিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই ভবনের পাশে একটি গাছ আছে। উচ্চতা পাঁচতলা ছাড়িয়ে গিয়েছে। গাছটির একটি ডাল আবার পাঁচতলায় শিশু অথর্বদের ফ্ল্যাটের জানলার নীচ পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। তাই খোলা জানলা দিয়ে সোজা ওই গাছের ডালের উপর এসে পড়ে অথর্ব। তার ভারে ডালটি নুয়ে পড়ে। সেখান থেকে মাটিতে পড়ে যায়। এ কারণে মনে হয় গুরুতর আঘাত পায়নি সে। তবে ভয়ে কান্না করে।

  • বরিশালে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর খুন, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত পরিবার

    বরিশালে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর খুন, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত পরিবার

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরিশালের মুলাদী উপজেলায় ৭ম শ্রেণির স্কুলছাত্রী তামান্না আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার প্রায় দুই মাস পেরিয়ে গেলেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। ফলে বিচার নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছে ওই ছাত্রীর পরিবার। হতদরিদ্র পরিবার হওয়ায় আদৌ বিচার পাবে কিনা এ নিয়ে তাদের মধ্যে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

    গত ৭ নভেম্বর বিকেলে উপজেলার প্যাদারহাট ওয়াহেদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী তামান্না আক্তারকে ঘরে একা পেয়ে দুর্বৃত্তরা ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে বলে দাবি সহপাঠী ও স্বজনদের। ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে এবং দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মুলাদী-মীরগঞ্জ সড়কে মানববন্ধন করলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেয়া হয়েছিল।

    কিন্তু ঘটনার প্রায় ২ মাস অতিবাহিত হতে চললেও এখন পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে না পারায় কিংবা কোনো রহস্য উদ্ঘাটন করতে না পারায়,পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। নিহত স্কুলছাত্রীর হতদরিদ্র বাবা মঞ্জু চৌকিদার জানান, দুই মাসেও হত্যাকারীদের কেউ গ্রেফতার না হওয়ায় আদৌ বিচার পাবো কিনা এ বিষয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

    তিনি বিভিন্ন জনের কাছে ধর্ণা দিয়েও হত্যাকারীদের গ্রেফতারের বিষয়ে কোনো অগ্রগতি করাতে পারেননি। এ ব্যাপারে মুলাদী থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) সাইদ আহমেদ তালুকদার জানান, ময়নাতদন্তের রির্পোট থানায় না আসায় কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাচ্ছে না। রির্পোট হাতে পেলেই দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ২০১৮ সালের ৭ নভেম্বর রাত ৯টার দিকে মুলাদী থানা পুলিশ উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের ডিক্রিরচর গ্রামের মঞ্জু চৌকিদারের বাড়ি থেকে তার মেয়ে তামান্না আক্তারের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে।

  • মারধর খেয়েও ক্যামেরা থেকে দৃষ্টি সরাননি নারী সাংবাদিক

    মারধর খেয়েও ক্যামেরা থেকে দৃষ্টি সরাননি নারী সাংবাদিক

    কর্তব্যে অবিচল থাকা এবং সাহসিকতার নিদর্শন প্রকাশ পেল এক মুসলিম নারী সাংবাদিকের কাছ থেকে। মারধর খেয়ে ও হেনস্থার শিকার হয়েও তিনি নিজ দায়িত্ব থেকে পিছ পা হননি।

    ভারতে কেরালার কৈরালি টিভি চ্যানেলের চিত্র সাংবাদিক শাজিলা আব্দুর রহমান। এই কেরালায় শবরীমালা মন্দিরে নারী প্রবেশ নিয়ে চলছে ব্যাপক বিক্ষোভ। প্রতিবাদ-বিক্ষোভে উত্তাল গোটা রাজ্য। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো ১২ ঘণ্টার বন্ধের ডাক দিয়েছিল রাজ্যে। আর সেই ঘটনার ফুটেজ ও ছবি আনতে গিয়েছিলেন তিনি। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত যে, সংবাদমাধ্যমও বাদ যায়নি বিক্ষোভকারীদের তাণ্ডব থেকে। শাজিলা আব্দুল রহমানও এই তাণ্ডবের শিকার হন।

    এই নারী সাংবাদিক যখন ভিডিও করছিলেন তখন তার উপর হামলা করে বিক্ষোভকারী। তাকে কিল-ঘুসি, চড় মারা হয়। শুধু তাই নয়, হেনস্তাও করা হয়। নির্যাতনের কারণে তাকে কাঁদতে দেখা যায়। কিন্তু তিনি কাঁধ থেকে ক্যামেরা সরাননি।

    মারধর খেয়েও ক্যামেরা থেকে দৃষ্টি সরাননি নারী সাংবাদিক

    কাঁধে ক্যামেরা নিয়ে শাজিলা। মারধরের যন্ত্রণার চিত্র দেখা যাচ্ছে তার মুখে।

    শাজিলার সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পরই তার প্রশংসা করেন অনেকে। তাকে নিয়ে চলছে আলোচনা, সাহসিকতার প্রশংসার ঝড় উঠেছে।

    এর আগে মহিলা সাংবাদিকরা শবরীমালায় ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের রোষের মুখে পড়ে পিছু হাঁটতে হয়েছিল তাদের।

  • শবরীমালা মন্দিরে নারীর প্রবেশকে ঘিরে সহিংসতায় নিহত ১

    শবরীমালা মন্দিরে নারীর প্রবেশকে ঘিরে সহিংসতায় নিহত ১

    ভারতের কেরালার বিখ্যাত শবরীমালা মন্দিরে ঋতুমতী দুই নারীর প্রবেশকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে সহিংসতা শুরু হয়েছে। এতে একজন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছে বলে এএফপির খবরে বলা হয়।

    কেরালা পুলিশের মুখপাত্র প্রমোদ কুমার এএফপিকে বলেন, নিহত ব্যক্তি বিজেপির সদস্য। গতকাল বুধবার বিক্ষোভের সময় পাথরের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। গতকাল রাতে তিনি মারা যান।

    গতকাল ভোরে কালো পোশাকে পুলিশের সাহায্যে মন্দিরে প্রবেশ করে প্রার্থনা শেষে নির্বিঘ্নে চলে যান ওই দুই নারী। এরপরই বন্ধ করে দেওয়া হয় ‘অপবিত্র’ হয়ে যাওয়া মন্দির। ধোয়ামোছার পর ‘পবিত্রতা’ ফিরিয়ে এনে ফের খোলা হয় মন্দির।

    শবরীমালা মন্দিরে হিন্দু দেবতা আয়াপ্পার অধিষ্ঠান। আয়াপ্পার পুরুষ ভক্তদের দাবি, ওই দুই নারী মন্দিরে ঢোকার চেষ্টা করলেও দেবতার দর্শন হয়নি।

    কেরালা হাইকোর্টের নির্দেশে ১৯৯১ সাল থেকে শবরীমালা মন্দিরে ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সী নারীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। এই প্রথা এবং লিঙ্গবৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করা হয়।

    গত বছরের সেপ্টেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট রায় দেন, ধর্মাচরণের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের মধ্যে ভেদাভেদ করা যায় না। রায় সত্ত্বেও গত চার মাসে কোনো ঋতুমতী নারী শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ করতে পারেননি। সেই অসাধ্য সাধিত হলো গতকাল ভোরে। দীর্ঘ গিরিপথ হেঁটে ভোররাত চারটার সময় চল্লিশোর্ধ্ব ওই দুই নারী—বিন্দু ও কনক দুর্গা—মন্দিরে প্রবেশ করেন। টেলিভিশন ভিডিওতে দেখা যায়, কালো কাপড়ে শরীর ঢেকে পুলিশের সাহায্যে দুই নারী মন্দিরে ঢুকছেন।

    বিন্দুর বয়স ৪৪। তিনি সিপিআই (এমএল) সমর্থক ও কর্মী। কনক দুর্গার বয়স ৪২। তিনি তামিলনাড়ুর অসামরিক সরবরাহ দপ্তরের কর্মী। গত ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে তিনি কেরালায় আসেন আয়াপ্পা দর্শনের ইচ্ছায়।

    গতকালের ঘটনার পর থেকে রাজ্যজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ জানিয়েছে, সহিংসতা যাতে আর ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    পুলিশ গতকাল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের শেল, স্টান গ্রেনেড ও জলকামান থেকে জল ছোড়ে। রাজ্যের রাজধানী তিরুঅন্তপুরমে বিশৃঙ্খলা চলাকালে সাংবাদিকেরা হেনস্তার শিকার হন।

    স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, রাজ্যের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির কাছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল বিজেপির বিক্ষোভ আয়োজন মার খেয়েছে।

    শবরীমালা মন্দিরে নারীদের প্রবেশ বিষয়ে মোদি গতকাল বলেন, বিষয়টি ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। ভারতীয় গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, কিছু কিছু মন্দির আছে, যাদের নিজস্ব ঐতিহ্য রয়েছে, যেখানে পুরুষেরাও যেতে পারে না এবং পুরুষেরা যানও না।

  • নোয়াখালীর সুবর্ণ চরে ধর্ষণ : রুহুল আমিনসহ আরো দুজন গ্রেপ্তার

    নোয়াখালীর সুবর্ণ চরে ধর্ষণ : রুহুল আমিনসহ আরো দুজন গ্রেপ্তার

    অনলাইন ডেস্ক:

    গত ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের রাতে নোয়াখালীর সুবর্ণ চরে স্বামী-সন্তানকে বেঁধে গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় রুহুল আমিনসহ (৩৩) দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে মোট পাঁচজনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার করা হলো।

    ধর্ষণের শিকার ওই চল্লিশোর্ধ নারীকে রাতে রুহুল আমিনের সঙ্গীরা বাড়িতে গিয়ে স্বামী-সন্তানকে বেঁধে তাকে ধর্ষণ করে।

    এ ঘটনায় জেলার পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফ গণমাধ্যমকে বলেন, রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয় জেলা সদরের একটি হাঁস-মুরগীর খামার থেকে। আর সেনবাগের একটি ইটভাটা থেকে মামলার আসামি বেচুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

    গ্রেপ্তারকৃত রুহুল আমিন সুবর্ণ চর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক। তাকেসহ এ নিয়ে মোট পাঁচজনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

  • নোয়াখালীতে ধর্ষণের ঘটনায় অপরাধী যেই হোক পার পাবে না: কাদের

    নোয়াখালীতে ধর্ষণের ঘটনায় অপরাধী যেই হোক পার পাবে না: কাদের

    নোয়াখালীতে ধর্ষণের ঘটনায় অপরাধী যেই হোক পার পাবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সেতুমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কেন্দ্র করে নোয়াখালীতে ধর্ষণের ঘটনায় সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অপরাধী যেই হোক তার শাস্তি পেতেই হবে।

    আজ বুধবার সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

    আমি নেত্রীর মনোভাব জানি জানিয়ে সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, এরইমধ্যে পুলিশের আইজির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। ডিআইজি স্পটে গেছেন। তাছাড়া ওই এলাকায় সেনাবাহিনীর যিনি দায়িত্বে ছিলেন তারাও বিষয়টি দেখছেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় অপরাধীকে শাস্তি পেতেই হবে। যারাই অপরাধী তারা কেউ পার পাবে না।

  • সেই শিশুটিকে দেখে ঢাকায় ফিরলেন মাশরাফি

    সেই শিশুটিকে দেখে ঢাকায় ফিরলেন মাশরাফি

    সেই শিশুটিকে দেখেই ঢাকায় ফিরলেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক ও জাতীয় সংসদের সদ্য নির্বাচিত সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা।
    শিশুটির বাবা নির্বাচনের সময় মাশরাফির ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান। নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে, ২৭ ডিসেম্বর মনিরুজ্জামান হঠাৎ করেই হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান।

    মৃত্যুর সময় তাঁর স্ত্রী সন্তান জন্ম দেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। সন্তানের মুখ না দেখেই চলে যেতে হয়েছে তাঁকে।নির্বাচনের আগের দিন ২৯ ডিসেম্বর কন্যা সন্তানের জন্ম দেন মনিরুজ্জামানের স্ত্রী। মাশরাফি সেদিন যেতে না পারলেও পাঠিয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী সুমনা হক সুমিকে। তাঁর হাত দিয়ে পাঠিয়েছিলেন আর্থিক সহায়তা।

    গতকাল সোমবার ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে হাসপাতালে গিয়ে মনিরুজ্জামানের কন্যা শিশুকে দেখতে যান মাশরাফি। কোলে তুলে আদর করেন। স্মরণ করেন পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানকে।

  • দুর্গম পাহাড়ে প্রসবকালীন সহায়তায় এগিয়ে এলো বিমান বাহিনী

    দুর্গম পাহাড়ে প্রসবকালীন সহায়তায় এগিয়ে এলো বিমান বাহিনী

    পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকা থেকে একজন পাহাড়ি নারীর প্রসবকালীন জটিলতার সময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি দল এগিয়ে এলো। এ সময় তারা বেল-২১২ হেলিকপ্টারের মাধ্যমে চট্রগ্রাম সিএসএইচে গুরুতর অবস্থায় স্থানান্তর করেন।

    সোমবার (৩১ ডিসেম্বর) রাঙ্গামাটি জেলার দুর্গম পাহাড়ি ওয়াজ্ঞাছড়া এলাকার বগাখালী থেকে সমিতা চাকমা নামক ওই উপজাতি নারীকে আকাশ পথে নিয়ে যান। সে সময় উপজেলা চেয়ারম্যানসহ অন্যান্যরা তার সহযাত্রী হিসেবে ছিলেন।

    উল্লেখ্য, পার্বত্য চট্রগ্রাম এলাকার যেকোন জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সার্চ এন্ড রেসকিউ হেলিকপ্টার সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকে।

  • পরিত্যক্ত শিশুকে বুকের দুধ পান করিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন নারী পুলিশ

    পরিত্যক্ত শিশুকে বুকের দুধ পান করিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন নারী পুলিশ

    দু’মাসের পরিত্যক্ত এক শিশুকে বুকের দুধ পান করিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন এক নারী কনস্টেবল।

    সোমবার ভারতের হায়দরাবাদের আফজালগঞ্জ থানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য হায়দরাবাদের পুলিশ কমিশনার আনজানি কুমার প্রশংসায় ভাসিয়েছেন ওই নারীর স্বামীকেও। তিনিও একজন পুলিশ কনস্টেবল। প্রিয়াঙ্কা নামের ওই নারী কনস্টেবল বেগমপেট নারী পুলিশ স্টেশনে কর্মরত।

    তার স্বামী কর্মরত রবিন্দর আফজালগঞ্জ পুলিশ থানায়।পুলিশ বলছে, হায়দরাবাদের ওসমানিয়া জেনারেল হাসপাতালের বাইরে থেকে ওই শিশুকে উদ্ধার করেছিলেন স্থানীয় ইরফান নামে এক ব্যক্তি। এক নারী তার কাছে ওই শিশুকে রেখে পানি খেতে গিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আর ফিরে আসেননি ওই নারী।পরে বাধ্য হয়ে ইরফান শিশুটিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান।

    কিন্তু কোনোভাবেই তাকে কিছু খাওয়াতে পারেননি। ক্রমাগত কেঁদে চলেছিল সে।ওই রাতেই আফজালগঞ্জ থানায় শিশুটিকে নিয়ে আসেন তিনি।আফজালগঞ্জ থানায় তখন কর্মরত ছিলেন রবিন্দর। তিনিই বেগমপেট থানায় স্ত্রীকে ফোন করে বিষয়টি জানান। স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা আর দেরি করেননি।

    সঙ্গে সঙ্গেই একটি ক্যাব বুক করে আফজালগঞ্জ থানায় চলে আসেন। প্রিয়াঙ্কার নিজেরও ছোট সন্তান রয়েছে।শিশুটিকে দেখে আর স্থির থাকতে পারেননি তিনি। শিশুটিকে স্তন্যপান করান তিনি। আপাতত পেতলাবুর্জে সরকারি প্রসূতি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এই শিশু। পরে আফজালগঞ্জ পুলিশ ওই শিশুর মাকে খুঁজে বের করেছেন।