Category: নারী ও শিশু

  • বরিশালে একসঙ্গে তিন প্রেম,স্কুলছাত্রীকে ফেসবুকে লাইভে পেটালো তারা

    বরিশালে একসঙ্গে তিন প্রেম,স্কুলছাত্রীকে ফেসবুকে লাইভে পেটালো তারা

    শামীম ইসলাম:

    বরিশাল নগরীতে প্রেমের সম্পর্কের জেরে এক স্কুলছাত্রীকে মারধরের দৃশ্য ফেসবুকে লাইভ করায় ছয় যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    গ্রেফতাররা হচ্ছে- তানভির হোসেন আরিফ, ইমরান হোসেন তুষার, তাজবির রায়হান, তাজিবুল হাসান সায়েম, ফয়সাল হোসেন ও সিয়াম হোসেন। তাদের বাড়ি নগরীর বিভিন্ন এলাকায়।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অপরাধ ও মিডিয়া শাখার সদস্য ওবায়দুল হক জানান, প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে গত ১৮ নভেম্বর ওই স্কুলছাত্রীকে গ্রেফতার তানভিরসহ অন্যরা নগরীর শেষ প্রান্তে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াত (দপদপিয়া) সেতুর ঢালে ডেকে নেয়। সেখানে ফেসবুক লাইভ করে স্কুলছাত্রীকে সকলে মিলে মারধর করে। ভিডিওটি ফেসবুকে ভাইরাল হলে বিষয়টি মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মাহফুজুর রহমানের নজরে আসে। তার নির্দেশে বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক মো. আসাদ জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রীর বাবা কোতোয়ালি মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় শুক্রবার দুপুরে গ্রেফতারদের আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    তিনি আরও জানান, ঘটনার সাথে জড়িত পলাতক বাকি দুইজনকেও গ্রেফতারে পুলিশের সাইবার ক্রাইম টিম কাজ করছে।

    গ্রেফতার যুবকদের স্বজনরা জানান, ওই মেয়রে চরিত্র বলতে কিছু ছিল না। ওই মেয়ে তিন যুবকের সঙ্গে একই সঙ্গে প্রেম করে আসছিল। সম্প্রতি বিষয়টি ওই তিন যুবক জানতে পারে। এছাড়া প্রেমের সম্পর্কের কারণে ওই তিন যুবকের কাছ থেকে মেয়েটি টাকা ও দামি গিফট হাতিয়ে নিত। এসব কারণে মেয়েটির ওপর তাদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

  • বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের স্ত্রী আর নেই

    বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের স্ত্রী আর নেই

    বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেছা (৮০) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার রাত ৭টার দিকে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তিনি মেয়ে-নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

    জানা গেছে, গত ২৫ অক্টোবর নড়াইল শহরের কুড়িগ্রামের বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়েন ফজিলাতুন্নেছা। এরপর অ্যাম্বুলেন্সযোগে ২৭ অক্টোবর তাকে বিজিবি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে সিএমএইচে নেয়া হয়।

    বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের নাতি জামাই মুন্সী আসাদ রহমান বেগম ফজিলাতুন্নেছার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎফজিলাতুন্নেছা ডায়াবেটিস ও কোমরের ব্যথায় ভুগছিলেন।

  • হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ ফেলে পালালেন স্বামী

    হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ ফেলে পালালেন স্বামী

    চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যা করার পর হাসপাতালে লাশ ফেলে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে মো. টিপু (২৮) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। গতকাল সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

    ওই গৃহবধূর নাম রোমানা আকতার (১৯)। মিরসরাই পৌরসভার বটতলী এলাকার মৃত জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে রোমানা। পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে।

    পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, রোমানা তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। গতকাল রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে রোমানাকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন টিপু। কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা করে রোমানাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপরই তাঁর স্বামী টিপু সেখান থেকে সটকে পড়েন। টিপুর বাড়ি উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের পূর্ব দুর্গাপুর গ্রামে। বাবার নাম জসিমউদ্দিন। এক বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়।

    রোমানার মা নূরজাহান বেগম বলেন, আজ সকাল আটটায় টিপুর এক প্রতিবেশীর কাছে মেয়ের মৃত্যুর খবর জানতে পারেন তিনি। মেয়ের বাবা নেই। তিনি অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। তাঁর অভিযোগ, যৌতুকের জন্য রোমানার ওপর অত্যাচার চালাতেন টিপু। বিয়ের সময় টিপু ১ লাখ ১০ হাজার টাকা যৌতুক নিয়েছিলেন। তাঁকে একটি আলমারি দেওয়ার কথা ছিল। টাকার অভাবে তখন তা দিতে পারেননি। আলমারির জন্য মেয়ের ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন টিপু। মেয়ে লজ্জায় তা জানাতে চাইত না। এ ছাড়া সন্তান হচ্ছিল না বলেও নির্যাতন করতেন।

    জোরারগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলাউদ্দিন বলেন, রাতে হাসপাতাল থেকে খবর পেয়ে রোমানার লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল করা হয়। তাঁর গলার চারপাশে গোলাকার দাগ দেখা যায়। সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুরো ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

    মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ঊর্মি রায় বলেন, গতকাল রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে রোমানা আকতার নামের এক গৃহবধূকে তাঁর স্বামী হাসপাতালে আনেন। পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাঁর গলার চার পাশে দাগ ছিল। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করে কাউকে না পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

    এ ঘটনায় টিপু বা তাঁর পরিবারে কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

  • বরিশালে নাতিকে মারধরের প্রতিবাদ করায় দাদিকে পিটিয়ে হত্যা

    বরিশালে নাতিকে মারধরের প্রতিবাদ করায় দাদিকে পিটিয়ে হত্যা

    শামীম ইসলাম:

    বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় নাতিকে মারধরের প্রতিবাদ করায় প্রতিবেশীরা রাশিদা বেগম (৫৫) নামে এক বৃদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার বিকেলে উপজেলার কাজিরহাট থানাধীন ভোংগা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়রা জানান, গাছের নিচে পড়ে থাকা সুপারি নিয়ে রাশিদা বেগমের নাতি তামিমের সঙ্গে প্রতিবেশী এনামুলের ছেলে জিসানের কথা কাটাকাটি হয়। এরপর তামিমকে মারধর করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে জিসানের স্বজনদের মারধরে রাশিদা বেগমের মৃত্যু হয়।

    নিহত রাশিদা বেগমের ছোট ছেলে মো. রিয়াজ হোসেন বলেন, গাছের নিচে পড়ে থাকা সুপারির মালিকানা নিয়ে গত রোববার দুপুরে প্রতিবেশি রহিম খা আমার ভাই আরিফ হোসেনের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে তামিমকে মারধর করে। নাতিকে মারধরের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে যান আমার মা রাশিদা বেগম। এ সময় রহিম ও তার স্ত্রী তাসলিমা, ছেলে এনামুল, মিরাজ, নাজমুল ও এনামুলের স্ত্রী আসমা একত্রিত হয়ে আমার মাকে (রাশিদা) বেদম মারধর করে বাড়ির পার্শ্ববতী পুকুরে ফেলে দেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মুলাদী হাসপাতালে নেয়া হলে সেখান থেকে বরিশালে পাঠিয়ে দেয়া হয়। রাতে শের-ই-বাংলা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    তিনি আরও বলেন, ঘটনার সময় আমরা কেউ বাড়িতে ছিলাম না। তাই বাধা দিতে পারেনি। বাড়িতে থাকলে আমার মাকে তারা পিটিয়ে মেরে ফেলতে পারতো না।

    কাজিরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুল ইসলাম জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নিহতের বড় ছেলে আরিফ হোসেন বাদী হয়ে কাজিরহাট থানায় হত্যা মামলা করেছেন। ঘটনার পর আসমিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

  • স্ত্রীকে হত্যা করে ঘুমিয়ে ছিলেন স্বামী

    স্ত্রীকে হত্যা করে ঘুমিয়ে ছিলেন স্বামী

    ঢাকার রামপুরার পূর্ব হাজীপাড়ার বউবাজার এলাকার এক বস্তি থেকে গতকাল রোববার রাতে নূপুর নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁকে শ্বাস রোধে হত্যা করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এ অভিযোগে ওই গৃহবধূর স্বামী দুলালকে শেরপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    পুলিশ বলছে, ছোট সংসার ছিল নূপুর (২১) ও মো. দুলালের। পাঁচ বছর বয়সী একমাত্র ছেলে মুন্নাকে নিয়ে তাঁরা ভাড়া থাকতেন ঢাকার রামপুরার পূর্ব হাজীপাড়ার বউবাজার এলাকার এক বস্তিতে। নূপুর ও দুলালের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। এরই জের ধরে নূপুরকে হত্যা করে থাকতে পারেন দুলাল। তাঁকে আজ সোমবার ভোরে শেরপুরের শ্রীবর্দী থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের সময় নিজ বাড়িতে ঘুমাচ্ছিলেন দুলাল।

    দুলালকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় আনা হচ্ছে—এ কথা জানিয়ে রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক বলেন, দুলাল রামপুরা এলাকায় রিকশা চালাতেন। তাঁর স্ত্রী নূপুর বিভিন্ন বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন। গতকাল রাত ১২টার দিকে থানায় খবর আসে, নূপুরকে হত্যার করে তাঁর স্বামী দুলাল ঘরের দরজা তালা দিয়ে পালিয়ে গেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নূপুরের লাশ দেখতে পায়।

    তাঁর দুই হাত বাঁধা ও গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল। এরপর দুলালের গতিবিধি শনাক্ত করা হয়। অবস্থানের বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে দুলালের গ্রামের বাড়ি অভিযান চালায় রামপুরা থানার পুলিশের একটি দল। আজ ভোরে অভিযানের সময় দুলাল তাঁর বাড়িতে ঘুমাচ্ছিলেন। সেখান থেকে গ্রেপ্তার করে আজ বিকেলের দিকে তাঁকে ঢাকায় আনা হবে।

    হত্যার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে ওসি এনামুল হক বলেন, নূপুর পরকীয়ায় জড়িত বলে সন্দেহ করতেন দুলাল। এ নিয়ে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হতো। এর জের ধরে এই হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে গতকাল সন্ধ্যার দিকে দুজনই একসঙ্গে কাজ শেষ করে তাঁদের ঘরে ঢোকেন। তাঁদের ছেলেটি পাশে মায়ের বাসায় থাকত। নূপুরের লাশ উদ্ধার করে আজ সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

  • পরীক্ষাকেন্দ্রের বদলে লাশঘরে

    পরীক্ষাকেন্দ্রের বদলে লাশঘরে

    বান্ধবীকে নিয়ে রিকশা করে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাচ্ছিল পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী সুমনা আক্তার। মাঝপথে তাদের বহনকারী রিকশাকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয় টমটম গাড়ি। গুরুতর আহত অবস্থা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। পরীক্ষাকেন্দ্রের পরিবর্তে ১০ বছর বয়সী সুমনার ঠাঁই হয় হাসপাতালের লাশঘরে।

    আজ সোমবার সকাল পৌনে ১০টায় চট্টগ্রাম নগরের ওল্ড পোর্ট মার্কেটের সামনে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা ঘটে। একই রিকশায় থাকা আরেক পরীক্ষার্থী ফারজানা আক্তার বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন। সোমবার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে বাংলা পরীক্ষা ছিল।

    চট্টগ্রাম নগরের বন্দরের ঘাসফুল প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিল সুমনা আক্তার। সে পোর্ট কলোনির বাসিন্দা ও ট্রাকচালক মো. বাবর উদ্দিনের মেয়ে। তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তৃতীয় সুমনা। বাসা থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে হালিশহর মকবুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাদের পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল।

    গাড়িচাপায় মেয়ে সুমনা আক্তারের মৃত্যুসংবাদ শুনে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে আসেন মা নাসিমা আক্তার। সঙ্গে আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা ছিলেন। সবার আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে হাসপাতালের পরিবেশ।

    সোমবার বেলা ৩টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের লাশঘরের সামনে নির্বাক হয়ে বসে ছিলেন নাসিমা আক্তার। মাঝেমধ্যে ‘আমার মেয়ে কই’ বলতে বলতে বিলাপ শুরু করেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলতে থাকেন, ‘মা রে, তুই কেমনে চলে গেলি। তোকে ছাড়া আমি কীভাবে থাকব। এখন আমাকে মা ডাকবে কে।

    মেয়েকে নিয়ে বিভিন্ন স্মৃতির কথা মনে পড়লেই আহাজারি শুরু করেন নাসিমা আক্তার। তিনি বলেন, সকালে পড়লে মেয়ের পড়া মনে থাকে। তাই ভোরেই ঘুম থেকে ডেকে দিয়েছিলেন। পড়া শেষ হলে স্নান করে আর ভাত খেয়ে বিদায় নেয়। ঘর থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মেয়ের মৃত্যু হবে, তা কিছুতেই মানতে পারছিলেন না তিনি। মেয়েকে নিয়ে তাঁর সব স্বপ্ন শেষ।

    পরীক্ষাকেন্দ্রে যাওয়ার জন্য সুমনাদের রিকশা ঠিক করে দেন প্রতিবেশী জসিম উদ্দিন। তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না সুমনার মৃত্যু। তিনি বলেন, তাঁর মেয়েও এবার পরীক্ষা দিচ্ছে। নিজের মেয়ে ও সুমনাকে আলাদা আলাদা রিকশায় তুলে দিয়ে বাসায় চলে আসেন। কিছুক্ষণ পরেই গাড়ি চাপায় সুমনার আহত হওয়ার খবর শোনেন। এরপরই হাসপাতালে ছুটে আসেন। কিন্তু তার আগেই সব শেষ হয়ে গেছে।

    চালক পলাতক। তবে টমটম গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে বলে বন্দর থানা-পুলিশ জানায়।

  • বয়স্ক হওয়ায় প্রেমিককে অস্বীকার, দুই স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ

    বয়স্ক হওয়ায় প্রেমিককে অস্বীকার, দুই স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ

    বরিশাল নগরীর কাশিপুর গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ৬ষ্ঠ শ্রেণির দুই ছাত্রীকে অপহরণের পর ফ্ল্যাট বাসায় আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় জড়িত দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার ভোরে রাজধানীর সিপাহীবাগ থেকে অপহৃত দুই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে অপহরণ ও ধর্ষণে জড়িত মিরাজ শেখ (৩৫) ও রিপন হাওলাদারকে (৩০) গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতার মিরাজ পিরোজপুরের অমিতপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে এবং একই এলাকার নান্না হাওলাদারের ছেলে রিপন হাওলাদার।

    এর আগে বুধবার সকালে কাশিপুর এলাকা থেকে ওই দুই ছাত্রী নিখোঁজ হয়। তাদের বাড়ি নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের চহঠা এলাকায়।

    নগরীর বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি এআর মুকুল বলেন, বুধবার সকালে নিজ নিজ বাড়ি থেকে স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পর দুই ছাত্রী নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের পর অজ্ঞাত স্থান থেকে মুঠোফোনে দুই ছাত্রীর কান্না অভিভাবকদের শোনানো হয়। এরপর এক ছাত্রীর বাবা থানায় জিডি করেন। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

    barishal

    পরে মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিং করে রাজধানীর সিপাহীবাগে দুই স্কুলছাত্রীর অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয় পুলিশ। রোববার ভোরে অভিযান চালিয়ে দুই ছাত্রীকে উদ্ধার এবং অপহরণ ও ধর্ষণে জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতার দুই যুবক পুলিশকে জানিয়েছে, গত দুই মাস থেকে ওই দুই স্কুলছাত্রীর সঙ্গে মোবাইলে তাদের কথা চলছিল। তারা দুইজন একাধিক সন্তানের জনক হলেও নিজেদের স্কুলছাত্র পরিচয় দিয়ে দুই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।

    বুধবার দুই স্কুলছাত্রীর সঙ্গে কাশিপুর এলাকায় দেখা করে তারা। বয়স বেশি হওয়ায় দুই স্কুলছাত্রী তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চায়। সেইসঙ্গে তাদের প্রেমের সম্পর্ক অস্বীকার করে ছাত্রীরা।

    এ সময় তারা ভয়ভীতি দেখিয়ে দুই ছাত্রীকে ঢাকার সিপাহীবাগ নিয়ে যায়। সেখানে একটি ফ্ল্যাটে আটকে রেখে দুই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে তারা।

    ওসি এআর মুকুল বলেন, উদ্ধারের পর রোববার দুপুর ১২টার দিকে দুই স্কুলছাত্রী এবং গ্রেফতার দুই যুবককে ঢাকা থেকে বরিশাল বিমানবন্দর থানায় নিয়ে আসা হয়। ছাত্রীদের ধর্ষণে জড়িত মিরাজ ও রিপনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

  • ‘এক কন্যার গল্প’

    ‘এক কন্যার গল্প’

    শেখ ‍সুমন:

    ‘হাসিনা : এ ডটার’স টেল’। এই হাসিনা শুধুই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নন। তিনি কখনো বঙ্গবন্ধুর কন্যা, কখনো বা কারো বোন, কখনো একজন নেতা, কখনো বা পুরো দেশ তথা ১৬ কোটি মানুষের ‘আপা’। আর এসব পরিচয় ছাড়িয়ে প্রতিফলিত হয় একজন সফল ও সংগ্রামী মানুষের ব্যক্তিসত্তা। ৭০ মিনিটের অসামান্য এই ডকুড্রামা তথা তথ্যচিত্রটি মুক্তি পাওয়ার পরপরই সাড়া ফেলে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে ফিল্মটির প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল শুক্রবার রাজধানী ঢাকার তিনটি ও চট্টগ্রামের একটি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে। ৭০ মিনিটের তথ্যচিত্রে উঠে এসেছে শেখ হাসিনার সাধারণ জীবনের অসাধারণ কিছু মুহূর্ত। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও তাঁর পরিবারের সদস্যরা এসেছেন তথ্যচিত্রে।

    সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) পাঁচ বছরে নির্মাণ করেছে ‘হাসিনা : এ ডটারস টেল’ ডকুফিল্ম। সিআরআইয়ের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুক্রবার স্টার সিনেপ্লেক্সে সকাল ১১.৩০টা, দুপুর ১টা, বিকেল ৪.৫০টা, সন্ধ্যা ৬.৩০টা আর রাত ৮.১০টায় ফিল্মটি দেখানো হয়। আজ শনিবারও একই সময় সিনেমাটি দেখানো হবে। যমুনা ব্লকবাস্টারে রবিবার ক্লাব রয়ালে বিকেল ৩টায় কূটনীতিকদের জন্য একটি শো হবে। এখানে রাত ৮.০৫টায় দ্বিতীয় শো হবে সাধারণ দর্শকদের জন্য। এ ছাড়া অন্যান্য দিন বিকেল ৫টা ও সন্ধ্যা ৭.১৫টায় ক্লাব রয়ালে দেখানো হবে এই শো। ঢাকার মধুমিতা সিনেমা হলে শুক্রবার মোট চারটি শো দেখানো হয়। অন্যান্য দিন এখানে সকাল ১১টা, বিকেল ৩টা ও সন্ধ্যা ৬.৪৫টায় তিনটি শো দেখানো হবে। চট্টগ্রামের সিলভার স্ক্রিনে থিয়েটার প্লাটিনামে প্রতিদিন সকাল ১১টা আর থিয়েটার টাইটানিয়ামে মুভিটি প্রতিদিন রাত ৯টায় দেখা যাবে।

    অসামান্য এই তথ্যচিত্রে শেখ হাসিনা কখনো মেয়ে, কখনো মা, কখনো বোন, আবার কখনো আমজনতার নেত্রী। ভাষা আন্দোলনের সংগ্রামী দিনগুলোতে ঢাকায় এসে পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকে তিনি দেখেছেন সংগ্রামে আর জেলে। নতুন দেশ গঠনের পর আশপাশের মানুষদের ষড়যন্ত্রে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে শহীদ হন বঙ্গবন্ধু। দৈবক্রমে বেঁচে যাওয়া তাঁর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা মুখোমুখি হন এক কঠিন বাস্তবতার। পিতা-মাতা কেউ বেঁচে নেই, তবু দুই কন্যা এগিয়ে যাচ্ছেন; ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে পিতার দেখানো পথে অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করছেন।

    সব কিছু হারিয়ে এক সফল সংগ্রামের নায়ক, মানবিক ও স্বরূপে উঠে আসা শেখ হাসিনা তরুণ প্রজন্মকে প্রেরণা জোগাবেন এমন মন্তব্য দর্শকদের। দর্শকরা বলছে, একজন রাষ্ট্র পরিচালক পরিচয়ের পাশাপাশি ব্যক্তি জীবনের নানা অজানা তথ্যে পরিপূর্ণতা পেয়েছে ফিল্মের শেখ হাসিনা চরিত্রটি।

    পরিচালক পিপলু খান ৭০ মিনিট দীর্ঘ এই ফিল্মটি নির্মাণ করতে সময় নিয়েছেন পাঁচ বছর। সংগীতায়োজন করেন দেবজ্যোতি মিস্ত্র, সিমোটোগ্রাফিতে ছিলেন সাদিক আহমেদ ও সম্পাদনা করেন নবনিতা সেন। সিনেমাটির প্রযোজক সিআরআই ট্রাস্টি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও নসরুল হামিদ বিপু।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফিল্মটির প্রিমিয়ারে স্টার সিনেপ্লেক্সে সমবেত হয়েছিলেন রাজনীতি, অর্থনীতি, গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা। পৌনে ৭টায় শীর্ষ দেশের গণ্যমান্য ও বিশিষ্টজনদের প্রথমে দেখানো হয় ফিল্মটি। এরপর রাত ৯টায় চলচ্চিত্র অঙ্গনের শিল্পী, গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। গতকাল শুক্রবার বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্স, যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টার ও মতিঝিলের মধুমিতা ও চট্টগ্রামের সিলবার স্ক্রিনেও প্রদর্শিত হয়। প্রতিটি হলেই ছিল দর্শকদের উপচে পড়া ভিড়।

    ফিল্মটির শুরুতে আন্দোলন সংগ্রামের বাইরে পরিবারের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর সময় কাটানো ও জেলে থাকা পরিস্থিতির চিত্রায়ণ করা হয়েছে। ভাষা আন্দোলন চলার সময় তিন মাল্লার নৌকায় করে ঢাকায় আসে বঙ্গবন্ধুর পরিবার। স্বাধীনতা আনতে গিয়ে নানা সংগ্রামের মধ্যে পড়েন বঙ্গবন্ধু। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু পরিবারের সবাইকে হত্যা করা হয়। স্বামীর সঙ্গে বেলজিয়ামে গিয়েছিলেন শেখ হাসিনা, সঙ্গে ছিলেন ছোট বোন শেখ রেহানাও। বিদেশে থাকার সুবাদেই বেঁচে যান দুই বোন। পিতাকে হত্যার পরই তাঁদের জীবনে নেমে আসে কঠিন বাস্তবতা। বেলজিয়ামেও থাকার সুযোগ হয়নি। জার্মানিতে আশ্রয় হওয়ার কথা চললেও ভারতে আশ্রয় নেন দুই বোন। ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের হাল ধরেন শেখ হাসিনা। ঘাত-প্রতিঘাতে এগিয়ে চলা সেই শেখ হাসিনা এখন একজন সফল রাষ্ট্রপ্রধান।

    ফিল্মটিতে ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনের পর বিরোধীদের ষড়যন্ত্র, বঙ্গবন্ধুর দেশে ফিরে আসা ও পরিবারের সদস্যদের অপেক্ষা, ’৭৫ সালে পরিবারের সবাইকে হত্যা, বেলজিয়ামে দুই বোনের নিঃস্বতা, ভারতে আশ্রয় ও নাম পরিবর্তন করে ঘরে অবস্থান, ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা, পিতা হত্যার বিচার চাওয়া, ’৯৬ সালের নির্বাচনে সরকার গঠন করে পিতৃ হত্যার বিচারে অডিন্যান্স বাতিল ও মামলা এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় শেখ হাসিনার বেঁচে যাওয়ার অসাধারণ সব ঘটনা স্থান পেয়েছে ডকুড্রামায়। চলচ্চিত্রে দেখা যায়, পিতা-মাতা ও পরিবারের সদস্যদের হারালেও দুই বোনের একজন শেখ হাসিনা রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালন করে দেশ ও জনগণের সেবা করছেন, আর সার্বক্ষণিক সঙ্গী হিসেবে থাকছেন ছোট বোন শেখ রেহানা। দুই বোনের বর্ণনায় উঠে এসেছে তাঁদের জীবনের বেদনাবিধুর কাহিনি। ধরা পড়েছে জন্মস্থানের প্রতি শেখ হাসিনার অসামান্য টানও। ফিল্মের এক স্থানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘টুঙ্গিপাড়া আসলে আমার খুবই ভালো লাগে। মনে হয় আমি আমার মায়ের কাছে, মাটির কাছে ফিরে এসেছি। আমার তো মনে হয়, পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর জায়গা টুঙ্গিপাড়া।’

    গতকাল সকাল ১১টায় বসুন্ধরা সিটিতে দিনের প্রথম শো অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে দর্শকরা হলে ঢোকে। এক ঘণ্টা ১০ মিনিট দীর্ঘ ফিল্ম। এর পরও দেখতে কোনো ক্লান্তি বা বিরক্তি ছিল না। পিনপতন নীরবতার মধ্য দিয়ে দর্শকরা উপভোগ করেছে। বাঙালির ইতিহাসের অনেক বড় বড় ঘটনার দৃশ্যায়ন থাকায় অধীর আগ্রহে দেখেছে দর্শকরা।

    বৃহস্পতিবার ফিল্মটির প্রথম দর্শনের পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবুল মুহিত বলেন, ‘অসাধারণ একটি মুভি। কেবল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই নয়, একজন মানুষের জীবনের নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৮৪ সাল থেকেই দেখছি। জানার তো শেষ নেই। নতুন অনেক কিছুই জানলাম।’ তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, ‘প্রত্যেকের উচিত এটা দেখা, একজন মা কিভাবে ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছেন।

    প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘এটি তরুণ প্রজন্মের কাছে সংগ্রামী জীবনের অনুপ্রেরণা হিসেবে থাকবে। এটার মাধ্যমে তাঁর সংগ্রামীজীবন, ব্যক্তিজীবনের নানা লড়াই উঠে এসেছে, যা আগামী প্রজন্মকে সাহস ও অনুপ্রেরণা জোগাবে।’ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দীন ইউসুফ বলেন, বাংলা চলচ্চিত্রের সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের অন্যতম উদাহরণ এ চলচ্চিত্রটি। এতে শেখ হাসিনার ব্যক্তিসত্তার সঙ্গে যেমন পরিচিত হয়েছি, তেমনি দেখেছি তাঁর অনুপ্রেরণা হিসেবে শেখ রেহানাকে। এর গল্প অত্যন্ত প্রাঞ্জল, অত্যন্ত সাবলীল।

    ত্বোয়াহা ফারুকী নামে এক দর্শক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ডকো-ফিকশনধর্মী এই ফিল্মটিতে অনেকগুলো ঘটনার বর্ণনা রয়েছে। যেগুলো নিয়ে একেকটা মুভি হওয়ার উপাদান রয়েছে। পাশাপাশি ইতিহাসের অনেক বড় ঘটনার বর্ণনা রয়েছে, যেগুলো অনেকেরই অজানা। কাজেই দীর্ঘসময় হলেও কোনো বিরক্তি ছিল না। পিনপতন নীরবতার মধ্য দিয়ে সবাই উপভোগ করেছেন। শেখ হাসিনার জীবনে নানা প্রতিকূলতা ও ভাঙা-গড়ার উদাহরণ রয়েছে। শেখ হাসিনার জীবনী নিয়ে একটা বড় সিনেমাও হতে পারে।’

  • বরিশাল রেড ক্রিসেন্টে,সেলাই মেশিন ও চেক বিতরন করেন মেয়র সাদিক

    বরিশাল রেড ক্রিসেন্টে,সেলাই মেশিন ও চেক বিতরন করেন মেয়র সাদিক

    শামীম ইসলাম:

    বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি বরিশাল শাখার উদ্যোগে জীবন জীবিকায়নে উপকার ভোগীদের মাঝে সেলাই মেশিন ও চেক বিতরন করেছেন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এসময় তার সাথে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্টের সদস্য সহ অন্যন্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • মারা গেল সেই নবজাতক

    মারা গেল সেই নবজাতক

    রাজধানীতে গেন্ডারিয়া থানার স্বামীবাগে একটি বাসার সামনে থেকে উদ্ধার করা নবজাতকটি বেলা দুইটার দিকে মারা গেছে। আজ শুক্রবার সকালে শিশুটিকে সংকটাপন্ন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া শিশুটির মারা যাওয়ার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    জানা গেছে, গেন্ডারিয়া থানার স্বামীবাগে স্থানীয় এক স্কুলের শিক্ষক রোমানা আক্তারের বাসার সামনে নবজাতকটিকে ফেলে যাওয়া হয়। একজন পুরুষ ও নারীকে ব্যাগটি ওই বাসার সামনে রেখে যেতে দেখেছেন কেউ কেউ।

    ব্যাগটি পড়ে থাকার খবর ওই শিক্ষককে আশপাশের লোকজন জানালে তিনি ব্যাগটি খুলে ভেতরে শিশু দেখতে পান। শিশুটিকে তিনি নিয়ে হাসপাতালের নবজাতক ইউনিটে ভর্তি করেন।

    বাচ্চু মিয়া চিকিৎসকের বরাত দিয়ে জানিয়েছিলেন, শিশুটি এক দিন বয়সী হতে পারে। তার অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল।