Category: নারী ও শিশু

  • অশ্লীল ভিডিও দেখিয়ে শিশুটিকে প্রথমে উত্তেজিত করতো বাবা-ছেলে

    অশ্লীল ভিডিও দেখিয়ে শিশুটিকে প্রথমে উত্তেজিত করতো বাবা-ছেলে

    বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় এক শিশুকে (১৩) বাবা-ছেলে মিলে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলার পর সোমবার দুপুরে অভিযুক্ত বাবা-ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার উত্তর বড়াকোঠা গ্রামের মৃত আজাহার বেপারীর ছেলে আলী আকবর বেপারী (৬০) ও তার ছেলে বেল্লাল বেপারী (৩৫)।

    মামলা সূত্রে জানা গেছে, আলী আকবর বেপারীর প্রতিবেশী নজরুল ইসলাম মন্টু কারিগরের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করতো ধর্ষিতা শিশুটির মা। কাজের জন্য ওই বাড়িতে কিশোরীর যাওয়া আসার পথে শিশুটির ওপর ওই বাবা-ছেলের দৃষ্টি পড়ে। প্রথমে লম্পট আলী আকবর বেপারী গত ১৫ জুলাই বিকেল ৪টায় ওই কিশোরীকে প্রলোভন দেখিয়ে দক্ষিণ ধামুরা ডাবেরকুল রোর্ডের পূর্ব পাশে আলাউদ্দিন খন্দকারের বিল্ডিংয়ে নিয়ে ধর্ষণ করে।

    এরপর তার ছেলে লম্পট বেল্লাল বেপারী গত ২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টায় একই এলাকার জব্বার মোল্লার মিল সংলগ্ন বাগানের মধ্যে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে তোকে ধর্ষণ করে। এমনকী ওই লম্পট বাবা-ছেলে প্রায়ই মোবাইল ফোনে শিশুটিকে অশ্লীল ভিডিও দেখিয়ে উত্তেজিত করে ধর্ষণ করতো। এরপর গত ৯ সেপ্টেম্বর হঠাৎ শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে শিশুটি মায়ের কাছে সব কথা বলে দেয়।

    এ ঘটনায় সোমবার সকালে শিশুটির মা বাদী হয়ে উজিরপুর মডেল থানায় লম্পট বাবা ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

    উজিরপুর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শিশির কুমার পাল জানান, মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বাবা-ছেলেকে গ্রেফতার করে। বিকেলে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • গৃহবধূকে গণধর্ষণ; ৩ ভাইসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    গৃহবধূকে গণধর্ষণ; ৩ ভাইসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    বরিশালের মুলাদীতে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণ শেষে পুনরায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে তিন ভাইসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে এই মামলা দায়ের করেন ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ। মামলার শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য মুলাদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।

    মামলায় অভিযুক্তরা হল- উপজেলা চরকমিশনার এলাকার আব্বাস হাওলাদার ও মো. কামাল। ধর্ষণ চেষ্টাকারীরা হল- ইদ্রিস হাওলাদার, বছির হাওলাদার ও কছির হাওলাদার।

    ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানা যায়, একই এলাকার ওই যুবতীকে প্রায়ই পথে-ঘাটে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল আব্বাস। ২০১৭ সালের ১৮ জুলাই ওই যুবতীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বামী তাকে তুলে না নেওয়ায় গৃহবধূ তার বাবার বাড়িতে বসবাস করছিল। এই সুবাদে আব্বাস তার বন্ধু কামালকে নিয়ে গৃহবধূর ইজ্জত নষ্ট করার পায়তারা করে। গৃহবধূর বাবা আব্বাসের অভিভাবককে ডেকে তার অপকর্মের বিষয়ে সতর্ক করে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয় আব্বাস। এর জের ধরে গত ২৭ আগষ্ট আব্বাসসহ অন্যান্যরা গৃহবধূর বাবাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।

    গত ২৯ আগষ্ট রাতে গৃহবধূ টয়লেট থেকে বের হলে আব্বাস ও কামাল তার মুখে গামছা বেঁধে বাড়ির পিছনে নিয়ে প্রথমে আব্বাস ও পরে কামাল তাকে ধর্ষণ করে। আব্বাস ও কামাল ধর্ষণ করে চলে যাবার পর ইদ্রিস, বছির ও কছির সেখানে উপস্থিত হয়ে গৃহবধূর শ্লীলতাহানিসহ তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। গৃহবধূ কছিরের হাতে কামড় দিলে তারা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করেন ধর্ষিতা।

  • প্রধান নেশা শিশু ধর্ষণ, অবশেষে গ্রেফতার

    প্রধান নেশা শিশু ধর্ষণ, অবশেষে গ্রেফতার

    প্রধান নেশা শিশু ধর্ষণ। একের পর ৫-১০ বছরের শিশুদের টার্গেট করে তাদের পিছু নিয়ে নানা প্রলোভনে আসক্ত করে সুযোগ বুঝে ধর্ষণ করে পালানোই যেন মহাসিন (৩৫) নামের এক ধর্ষকের প্রধান নেশা। সতের বছর আগে ১৮ বছর বয়সেই সে শিশু ধর্ষণ মামলায় জেলও খেটেছে একবার। তারপর আবার গত বছরের নভেম্বরে এবং এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে পৃথক স্থানে শিশুধর্ষণ করে। ধর্ষণের উদ্দেশ্যে সে বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করতে থাকা এবং তার পরিচয় কেউ যাতে চিহ্নিত না করতে পারে তার জন্য কৌশলে সে বিশেষ পন্থা অবলম্বন করতো।

    মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার রঘুরামপুর গ্রামের আকমত আলি ওরফে আফতাব আলি শেখের ছেলে মহসিন। তবে বহু আগেই বাড়িঘর বিক্রি করে সে ওখান থেকে উধাও হয়। এমনই এক শিশু ধর্ষক অবশেষে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলো বুধবার রাতে। অনেক শিশুর অভিভাবকরা আত্মসম্মানের ভয়ে মামলা না করলেও ইতিমধ্যে ২ শিশুর অভিবাবকরা ধর্ষক  মহসিন আলীর বিরুদ্ধে মামলা করে। ওই ২ শিশু ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি মহসিন আলি শেখকে (৩৫) বুধবার মধ্যরাত ৪টার দিকে গ্রেফতার করা হয়। মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় তার বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের ৪৩(২)১৮ ও ৫২(১১)১৭ নং দুইটি মামলা রয়েছে। অন্যান্য থানায়ও তল্লাশি দেওয়া হচ্ছে এ জাতীয় আরো মামলা তার বিরুদ্ধে থাকতে পারে এ আশংকায় বলে জানিয়েছেন সদর থানার ওসি মো: আলমগীর হোসোইন।

    এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ইন্সপেক্টর(তদন্ত) গাজী মো. সালাউদ্দিন জানান, ২০০১ সালে শিশু ধর্ষণ মামলায় ৫ বছর জেল খেটে বের হয়েছে বলে মহসিন মৌখিকভাবে স্বীকার করে। তবে মামলাটির সত্যতা যাচাই বাছাই চলছে। আটকের রাতে ১২টার পর মুন্সীগঞ্জের বিনোদপুর এলাকায় ধর্ষণসহ চুরি, ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে ঘুরে বেড়াতে থাকাবস্থায় পুলিশ তাকে আটক করে। এর আগে সে আত্নগোপনে থাকার জন্য নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার ডেমরা এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ভাসমানভাবে অবস্থান করে আসছিলো। নির্দিষ্ট করে তার কোন ঠিকানা নেই। ধর্ষণ মামলা দুইটির সুরাহা না হওয়ায় পুলিশ সুপারের বিশেষ নির্দেশে মামলার তদন্তভার গ্রহন করেন তিনি। মহসিনকে একাধিকবার গ্রেফতার চেষ্টা করা হলেও সে পুলিশি ফাদ বুঝতে পেরে পালিয়ে যায়। ৬ মাস ধরে বিশেষ অভিযান পরিচালনার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।
    তিনি আরো জানান, ৫-১০ বছরের শিশুদের ধর্ষণের উদ্দেশ্যে সে বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করতো। তার পরিচয় কেউ যাতে চিহ্নিত না করতে পারে তার জন্য বিশেষ পন্থা অবলম্বন করতো। টঙ্গিবাড়ী উপজেলার রঘুরামপুর এলাকার আকমত আলি ওরফে আফতাব আলি শেখের ছেলে মহসিন। তবে দীর্ঘদিন আগে বাড়িঘর বিক্রি করে চলে যায়।

    এদিকে, জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মো. হৃদয়(৩৫) নামের অপর এক ব্যাক্তিকে আটক করা হয়েছে। মুন্সীগঞ্জের ডিঙ্গাভাঙ্গা এলাকা থেকে। হৃদয় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিল এবং বরগুনা জেলার আমতলি থানার ত্রিপুরা গ্রামের সেলিম মৃধার ছেলে। ভোর ৬টার দিকে তাকে ডিঙ্গাভাঙ্গা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

  • বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীসহ ৩ জনকে ধর্ষণ

    বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীসহ ৩ জনকে ধর্ষণ

    ঢাকা জেলার সাভারে পৃথক পৃথক স্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীসহ তিনজনকে ধর্ষণ এবং এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

    এদের মধ্যে এক নারীকে বোন ডেকে তার মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছে। এ ঘটনায় রবিবার সাভার মডেল থানায় একটি অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী তরুণীর পরিবারের সদস্যরা।

    সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহসীনুল কাদির, ভুক্তভোগী মেয়েটির পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে বখাটে মো. খায়রুলকে (৪৮) আটক করেছে পুলিশ। আটক খায়রুল রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার জাবেদ আলীর ছেলে এবং সাভার পৌর এলাকার ব্যাংক টাউন মহল্লার আব্দুল মাজেদের বাড়িতে ভাড়া থেকে পরিবহন শ্রমিক হিসেবে কাজ করে।

    ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, পেশায় পরিবহন শ্রমিক বখাটে খায়রুলের গ্রামের বাড়ি মিঠাপুকুরে। সেই সুবাদে বাক প্রতিবন্ধী তরুণীর (১৪) মাকে বোন ডেকে নিয়মিত আসা-যাওয়া করতো। সম্প্রতি ওই তরুণী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করলে মূলত এরপরই বিষয়টি সবার জানাজানি হয়।

    মোহসীনুল কাদির বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক খায়রুল বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

    অন্যদিকে সকালে সাভারের গেন্ডা এলাকায় নিজ ভাড়া বাড়ি থেকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে রাজু মিয়া নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। পরে ওই গৃহবধূ ধর্ষণের বিষয়টি সাভার মডেল থানা পুলিশকে জানায়। এছাড়া রাতে সাভারের নিমেরটেক এলাকায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীকে (২০) ধর্ষণের অভিযোগ করে সাভার মডেল থানার একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনার ৪ আসামীর মধ্যে আকাশ নামে এ  যুবককে আটক করেছে।

    এদিকে, সাভারের ১০ বছরের এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী যুবক শিপনের বিরুদ্ধে। বিষয়টি প্রতিবাদ করায় উল্টো শিশুটির বাবাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে বাড়ির মালিক ও ধর্ষকের পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় রাতেই সাভার মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সকালে পুলিশ ভিকটিমদের উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করে।

    এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্য ওসি মোহসিনুল কাদির বলেনম, এঘটনায় সাভার মডেল থানায় চারটি মামলা দায়েরের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • বানারীপাড়ায় নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    বানারীপাড়ায় নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    বানারীপাড়ায় ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে দুই নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে ফজলুল হক ধনুকের স্ত্রী কোহিনুর বেগম(৫৫)’র লাশ বাড়ির আমগাছে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়ার পরে তারা গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

    লাশ উদ্ধারকারী থানার এস আই শাহাদাৎ হোসেন জানান কোহিনুর বেগম মানুষিক রোগী ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ না থাকায় ময়না তদন্ত ছাড়াই তার লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে শুক্রবার সকালে একই ইউনিয়নের জনতা বাজার এলাকার সুলতান হোসেনের মেয়ে ফাহিমা আক্তার (১৯)’র লাশ পাশ্ববর্তী নানা বাড়ির একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হলে তারা গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। প্রাথমিকভাবে এ দুটি ঘটনা আত্মহত্যা বলে পুলিশ ও পরিবারের ধারণা।

    প্রসঙ্গত,বানারীপাড়ায় একের পর এক ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার হলেও কোনটির মৃত্যু রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ।

  • এবার ক্রিকেটার মোসাদ্দেকের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের অভিযোগ

    এবার ক্রিকেটার মোসাদ্দেকের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের অভিযোগ

    বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত এর বিরুদ্ধে ১০ লক্ষ টাকার যৌতুক ও শারীরিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগ এনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী শারমিন সামিরা।

    রবিবার বিকেলে ময়মনসিংহে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি আমলে নেন। পরে বিচারক উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদনের নির্দেশ দেন।

    মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. রেজাউল করিম খান দুলাল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বেলা ১১টার দিকে মামলাটি দাখিল করলেও বিকেলে মামলাটি আমলে নিয়ে আদালত তদন্তের নির্দেশ দেন। সৈকত ও তার স্ত্রী সামিরা সম্পর্কে খালাতো ভাই বোন।

    প্রসঙ্গত, নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে খবরের শিরোনাম হয়েছেন রুবেল হোসেন, নাসির হোসেন, আরাফাত সানি, সাব্বির রহমান, মোহাম্মদ শহীদের মতো ক্রিকেটার। সর্বশেষ নারী কেলেঙ্কারিতে যোগ হলো জাতীয় দলের উদীয়মান ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের নাম।

  • ফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা

    ফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা

    প্রথমে আনাই মগিনি। এরপর আনুচিং মগিনি। দুই যমজ বোন। তারা দুজনেই গোল করেন। এরপর তহুরা খাতুন। তিনিও বাংলাদেশকে আরো একটি গোল উপহার দেন। ৩-০ গোলো এগিয়ে ভুটানের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধ শেষ করে বাংলাদেশ।
    এরপর দ্বিতীয়ার্ধ এসে মারিয়া মান্ডার গোলে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। জয়ের আনন্দে ভাসতে থাকে লাল-সবুজের দল। এবার সেই ব্যবধানটা বাড়িয়ে ফাইনালে উঠে যায় বাংলাদেশ। আর ৫-০ গোল হেরে যায় ভুটান।
    মেয়েদের সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে আজ বাংলাদেশ মুখোমুখি হয় স্বাগতিক ভুটানের বিপক্ষে। চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা সাতটায় খেলাটি হয়।
    এদিকে দিনের প্রথম সেমিফাইনালে ভারত ২-১ গোলে নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে গেছে।
  • স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পরে খুন : সৎমা আটক

    স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পরে খুন : সৎমা আটক

    পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের সিরাজপুর গ্রামে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ইভা (১১) নামের এক ছাত্রীকে রহস্যজনক ঘটনায় ঘর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে পটুয়াখালীর মহিপুর থানার সেরাজপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে ঘটনার পর অন্তত ঘন্টাখানেক শিশুটির সৎ মা সালমা বেগম (২৫) সংজ্ঞাহীন ছিলেন। স্থানীয় মানুষ ডাকাতদের দুর্বৃত্তপনার সন্দেহ করলেও পুলিশ মানতে নারাজ।
    এ ঘটনায় পুলিশ শিশুকন্যার সৎ মা সালমা বেগমকে রাতেই আটক করে বুধবার দুপুর পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করেও কোন কূল কিনারা পাচ্ছে না।

    নিহত শিশুকন্যার চাচা মো. ইউসুফ ঘরামী এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত তার ভাই ইসমাইল ঘরামীর ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। এসময় মা সালামা বেগম দৌড়ে পাশের বাড়ি গিয়ে ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার দিয়ে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে। ডাকচিৎকারে আসেপাশের লোকজন এসে ঘরে ছোট্ট শিশুকে দেখতে পেলেও ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ইভাকে খুঁজে পাচ্ছিলনা। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ঘরের দোতলায় বিবস্ত্র অবস্থায় শিশুটিকে পাওয়া যায়। এসময় তার শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গ দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে দেখে দ্রুত উদ্ধারকারী লোকজন কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যান।

    সেখানে হাসপাতালের চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। সেরাজপুর গ্রামের আবুল কালাম হাসপাতাল থেকে এ প্রতিবেদককে বলেন, ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা ধারনা করছি। এলাকার মানুষের ডাকাত আতঙ্কে ঘুম হারাম হয়ে গেছে।

    শিশুটির ফুফু পারভীন আক্তার জানায়, দুর্বৃত্তরা যখন ঘরে ঢুকে তখন সালমা বেগম ঘুমানে ছিলো। ছোট বাচ্চা দুইটিও ঘুমানো ছিলো। দুর্বৃত্তরা বাচ্চা দুইটির মুখে টেপ লাগিয়ে দেয়। ততক্ষণে সালমা বেগম কিছুই টের পায়নি। যখন তাকে ধর্ষণ করতে আসে তখন সে চিৎকার দিয়ে দৌড়ে পাশের বাড়ি চলে। কিন্তু পাশের বাড়িতেও কোন পুরুষ লোকজন ছিলো না।

    ততক্ষণে মসজিদের নামাজ শেষ হলে ডাকাত ডাকাত চিৎকার শুরু হয়। পরবর্তীতে এলাকার লোকজন বাড়িতে গিয়ে ছাত্রীকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

    স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. আরিফুজ্জামান জানান, শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই মারা গেছে। তবে প্রাথমিকভাবে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তিনি কিছু বলতে পারেননি।

    এদিকে, এ ঘটনার খরবর পেয়ে ওই এলাকার লোকজন রাত ৯টার দিকে ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার শুরু করে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে আশেপাশের গ্রামগুলোতেও। ঘটনার সময় নিহত শিশুটির বাবা ইসমাইল ঘটরামী ঘরে ছিলেন না।

    ওই এলাকার ইউপি সদস্য মো. মামুন হাওলাদার বলেন, হাসপাতালে এসে আমরা শিশুটির গোপনাঙ্গ থেকে প্রচুর রক্ষক্ষরণ হতে দেখেছি।

    মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান শিশুটি নিহতের খবর নিশ্চিত করে বলেন, এলাকায় ডাকাতের গুজব রয়েছে। তবে কি কারণে হত্যাকান্ডর ঘটনা ঘটেছে এটি এখনও স্পষ্ট নয়। শিশুটি ধর্ষণ পরবর্তী হত্যা হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা নিরীক্ষার আগে বলা যাবেনা। লাশ পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া শিশুটির মাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেও স্পষ্ট হওয়া যাচ্ছে না। হত্যা মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।”

  • ঢাবি ছাত্রীকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

    ঢাবি ছাত্রীকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হলের সামনে থেকে হলের একজন আবাসিক ছাত্রীকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি নামে ওই ছাত্রীকে মঙ্গলবার সন্ধা সাড়ে সাতটার দিকে তুলে নেওয়া হয়। তবে কি কারণে তুলে নেওয়া হয়েছে তা জানা যায়নি।
    এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী  বলেন, তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়নি, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে। কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে তিনি তা বলেননি।
    এ বিষয়ে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক সুপ্রিয়া সাহা বলেন, শুনেছি একজন ছাত্রীকে তুলে নেওয়া হয়েছে। তাকে অবহিত করে তুলে নেওয়া হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাকে অবহিত করা হয়নি। তবে তিনি বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরকে জানিয়েছেন।
    জানা গেছে, তাসনিম আফরোজ ইমি কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তবে তার কোনো পদবী ছিল না। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৩-১৪ সেশনের শিক্ষার্থী। ইমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন স্লোগান ৭১-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রক্তদাতাদের সংগঠন বাঁধনের সাবেক কার্যকরী পরিষদের সদস্য ছিলেন।
  • ভাবিকে পেটালেন ৪ দেবর, বসে বসে দেখলেন চেয়ারম্যান

    ভাবিকে পেটালেন ৪ দেবর, বসে বসে দেখলেন চেয়ারম্যান

    কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় পরকীয়ার অপবাদ দিয়ে চার সন্তানের এক জননীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করেছে চার দেবর।

    গৃহবধূকে মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। চার দেবরের হাতে ভাবি নির্যাতনের দৃশ্যটি সালিশদারসহ সবাই দেখলেও কেউ কোনো প্রতিবাদ করেনি। দেবরদের যোগসাজশে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে গৃহবধূকে লাঠি দিয়ে এমন নির্যাতন করা হয়।

    গত ১ আগস্ট দাউদকান্দি উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নের বেকিসাত পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার ওই নারী গ্রামের সামছু বেপারীর ছেলে প্রবাসী কবির হোসেনের স্ত্রী।

    এ ঘটনায় ওই নারীর বোন বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন। ইতোমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্যাতিত গৃহবধূ চার সন্তানের জননী। তার এক ছেলে কোরআনে হাফেজ, আরেক ছেলে মাদরাসায় পড়ে, অন্য দুইজনের একজন কেজির ছাত্র এবং ছোট ছেলের বয়স চার বছর।

    গত ৩১ জুলাই রাত ১০টার দিকে পরকীয়ার অপবাদ দিয়ে পাশের বারপাড়া গ্রামের আলম নামের এক ব্যক্তিকে ডেকে জোর করে গৃহবধূর ঘরে আটকে রাখে দেবররা।

    পরে আটক দুইজনের ওপর রাতভর দফায় দফায় নির্যাতন চালায় দেবর সাইফুল, বাবুল, মিন্টু, মোস্তাক ও আরেক ভাই খোকনের স্ত্রী। পরদিন সকালে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মনির হোসেন তালুকদারের উপস্থিতিতে সালিশের আয়োজন করা হয়। সালিশ বৈঠক চলাকালে প্রতিবেশী মিন্টু মাতব্বরদের নির্দেশে লাঠি দিয়ে ওই নারীর ওপর নির্যাতন চালানো হয়। সেইসঙ্গে আলমকেও বেধড়ক পেটানো হয়।

    নির্যাতনের ঘটনায় ৩ আগস্ট ওই গৃহবধূর বোন বাদী হয়ে দাউদকান্দি থানায় মামলা করেন। পাশাপাশি গৃহবধূকে নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ভাইরাল হয়ে যায়।

    এ মামলায় অভিযুক্ত দেবর সাইফুল ও বাবুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মামলার অন্য আসামিরা হলো- মিন্টু, মোস্তাক ও নির্যাতনের শিকার ওই নারীর দেবর খোকনের স্ত্রী শিল্পী।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে বৈঠকে উপস্থিত বারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনির হোসেন তালুকদার বলেন, বিষয়টা তাদের পারিবারিক ষড়যন্ত্রের অংশ। কবিরের চার ভাই ও এক ভাবি মিলে এ কাণ্ড ঘটিয়েছে। ওই দিন সকালে বৈঠক শুরুর পর হঠাৎ করেই কবিরের এক ভাই এসে তার ভাবিকে মারধরের নির্দেশ দেয়। পরে আমার ইউনিয়নের তিনজন সদস্য ও আশপাশের লোকজন মিলে আহত দুইজনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. আলমগীর হোসেন বলেন, খুবই অমানবিক একটি ঘটনা। দেবরদের হাতে এমন নির্যাতন কল্পনাও করা যায় না। এ মামলায় প্রধান আসামি সাইফুল ও বাবুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।