Category: শিক্ষাঙ্গন

  • বরিশালে কোচিং সেন্টারের অন্তরালে মাদক বাণিজ্য, পরিচালকসহ গ্রেপ্তার ৩

    বরিশালে কোচিং সেন্টারের অন্তরালে মাদক বাণিজ্য, পরিচালকসহ গ্রেপ্তার ৩

    নিউজ ডেস্ক ::

    বরিশাল নগরীর ফেইথ কোচিং সেন্টারে অভিযান চালিয়ে পরিচালক শামিমসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এসময় ফেইথ কোচিং সেন্টারের ভিতর থেকে ২২ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়।

    শুক্রবার সন্ধ্যার আগে নগরীর নতুন বাজার এলাকার ফেইথ শিা পরিবার কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। দুপুর আড়াইটা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিবি পুলিশের অভিযানে ফেন্সিডিলসহ আটককৃতরা হলেন- ফেইথ শিা পরিবারের পরিচালক শামিম মো. শামিম আহম্মেদ (৪০), বাবুল তালুকদার ও মতিয়ার রহমান।

    অভিযান পরিচালনা করেন ডিবি পুলিশের সহকারী কমিশনার নরেশ চন্দ্র কর্মকার, পরিদর্শক কাজী মাহাবুবুর রহমান ও এসআই দেলোয়ার। ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নগরীর নতুন বাজার এলাকার ফেইথ কোচিং সেন্টারে মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এর আগে নগরীর নতুন বাজার এলাকার ইসরাইল তালুকদার পেট্রোল পাম্পের সামনে থেকে মতিয়ার রহমান খানকে আটক করা হয়।

    তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ফেইথ কোচিং সেন্টারের মালিক শামিম ও বাবুলকে নতুন বাজার এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর কোচিং সেন্টারের মধ্যে ফেন্সিডিল থাকার কথা স্বীকার করেন পরিচালক শামিম। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ফেইথ কোচিং সেন্টারের কার্যালয়ের ভিতর থেকে ২২ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার কর হয়। ফেইথ কোচিং সেন্টারের পরিচালক শামিম আহম্মেদ পটুয়াখালীর কলাপাড়া এলাকার তৈয়ুবুর রহমানের ছেলে।

    বাবুল তালুকদার মাধপপাশা ইউনিয়নের কাঞ্চন আলী তালুকদারের ছেলে ও মতিয়ার রহমান নগরীর রুপাতলীর খান সড়ক এলাকার মৃত হায়দার আলী খানের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কোচিং সেন্টারের পরিচালক শামিম মাদকের আসর বসাতেন ওখানে। পাশাপাশি ওখান থেকে মাদক বিক্রয়ও করা হতো। দীর্ঘদিন ধরে মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের তথ্য পুলিশ জানতে পারলে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হবে বলে ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

  • বরিশাল শেবামেকে শিক্ষক সংকট চরমে

    বরিশাল শেবামেকে শিক্ষক সংকট চরমে

    শেবাচিম প্রতিনিধি:

    বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবামেক) হাসপাতালে ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা পাঠদান করছেন, সে হিসেবে কলেজটি সেবাখাতে চিকিৎসক তৈরির কাজে পাঁচ দশক পার করেছে।

    এই পাঁচ দশক নানা চড়াই-উৎরাইয়ের মধ্যদিয়ে পার করলেও শিক্ষক সংকটের বিষয়টি দিন দিন প্রকট হচ্ছে। বর্তমানে এমন সময় পার হচ্ছে, নেফরোলজি বিষয়ের কোনো শিক্ষক না থাকায় ফরেনসিক বিষয়ের শিক্ষক দিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করাতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।

    যদিও শিক্ষক সংকটের কারণে সেশনজটের কোনো বিষয় না থাকলেও বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান অর্জন করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের।

    কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬৪ সালে কলেজটি স্থাপন করা হলেও এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৬৮ সাল থেকে। ওইসময় কলেজের পাঁচটি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিষয়ভিত্তিক পাঠদানের জন্য অভিজ্ঞ শিক্ষকদের প্রাধান্য দিয়ে অর্গানোগ্রাম তৈরি হয়। কিন্তু মেডিক্যাল কলেজ শুরু থেকেই শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীদের প্রতিদিনের রুটিনমাফিক ক্লাস নেওয়া সম্ভব হয়নি।

    শেবামেকের ১০টি বিভাগে সাতটি ক্যাটাগরিতে মোট ২০২ জন শিক্ষকের পদ রয়েছে। যে পদের অনুকূলে বর্তমানে হাসপাতালে ১০৪ জন শিক্ষক রয়েছেন। ফলে মঞ্জুরিকৃত পদের অনুকূলে ৪৮ দশমিক ৫১ ভাগ পদে শিক্ষক সংকট রয়েছে।

    যার মধ্যে অধ্যাপকের ৩০টি পদের অনুকূলে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন সাতজন, সহযোগী অধ্যাপকের ৪৬ পদের অনুকূলে রয়েছেন ১৬ জন, সহকারী অধ্যাপকের ৬৯ পদের অনুকূলে রয়েছেন ৩৯ জন, প্রভাষক ৪৭ পদের অনুকূলে রয়েছেন ৩৪ জন, মেডিক্যাল অফিসার ছয় পদের অনুকূলে রয়েছেন চারজন। এমনকি ডেন্টাল অনুষদের ১০টি পদের মধ্যে মাত্র তিনটি পদের অনুকূলে শিক্ষক রয়েছে। তবে কিউরেটরের দু’টি ও প্যাথলজিস্টের দু’টি পদে সমান সংখ্যক জনবল রয়েছে।

    জানা গেছে, শিক্ষক সংকটের এ জটিলতা দীর্ঘদিন ধরে চলে এলেও এরমধ্য দিয়েই শেবামেকের ৪৪তম ব্যাচ পর্যন্ত আট হাজার ৯৫৬ শিক্ষার্থী এমবিবিএস পাস করেছে। বর্তমানে ৫০তম ব্যাচ পর্যন্ত ১২শ’শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত।

    শিক্ষক সংকট নিয়ে বিভিন্ন সময় কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্বে থাকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন-নিবেদন করে কোনো সাড়া পাননি। প্রফেসর পদ মর্যাদার শিক্ষক দ্বারা মেডিক্যাল কলেজের পাঠদান দেওয়ার নিয়ম থাকলেও সেখানে লেকচারার দিয়ে পাঠদানে বাধ্য হচ্ছেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। এতে মানসম্পন্ন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

    এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দ মাকসেমুল হক জানান, কলেজে বর্তমানে ফরেনসিক, কমিউনিটি মেডিসিন, ফিজিওলজি, অ্যানাটমি, নিউরোলজিতে শিক্ষক সংকট প্রকট। আর নেফরোলজিতে তো কোনো শিক্ষক-ই নেই।

    তিনি বলেন, আমরা শিক্ষকের চাহিদার কথা জানিয়ে মন্ত্রণালয়ে কাগজপত্র পাঠিয়েছি। এখন শুধু যোগাযোগ করতে পারি। তবে মন্ত্রণালয়ই পারে আমাদের কলেজের জন্য শিক্ষক নিয়োগ দিতে।

    সৈয়দ মাকসেমুল হক বলেন, শিক্ষক সংকটের কারণে নানা সংকট দেখা দিলেও পাঠাদানে যাতে বিঘ্নতা সৃষ্টি না হয় সে লক্ষ্যে আমরা অন্য শিক্ষকদের দিয়ে ক্লাস কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।

  • অবশেষে জিনিয়ার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

    অবশেষে জিনিয়ার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

    অনলাইন ডেস্ক ::

    গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) আইন বিভাগের ছাত্রী ও ক্যাম্পাস সাংবাদিক ফাতেমা তুজ জিনিয়ার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসের জের ধরে গত ১১ সেপ্টেম্বর তাকে বহিষ্কার করা হয়। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. নূরউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে জিনিয়ার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

    এর আগে ফাতেমা তুজ জিনিয়ার বহিষ্কার নিয়ে সারাদেশে সমালোচনার ঝড় ওঠে। ফেসবুকে ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী?’ এমন পোস্ট দেয়ার কারণে বহিষ্কারের প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে সারাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

    সেই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুশেমুরবিপ্রবি) বিতর্কিত উপাচার্য খন্দকার নাসির উদ্দীনকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের দাবি করে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ।

    জিনিয়াকে বহিষ্কারের প্রতিবাদে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতিগুলো নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারে আল্টিমেটাম দেয়। এ অবস্থায় জিনিয়ার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    gopalgonj1

    বশেমুরবিপ্রবি রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জিনিয়াকে বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আপত্তিকর লেখালেখি ও প্রশাসনকে বিব্রত করার জন্য সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আইন বিভাগের সব শিক্ষার্থী ক্ষমা চেয়ে আবেদন এবং বিভাগের সব শিক্ষক ওই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এ ঘটনায় জিনিয়া তার সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন। শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত বিবেচনায় এনে এবং বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আবেদন আমলে নিয়ে ফাতেজা তুজ জিনিয়ার বিরুদ্ধে যে বহিষ্কারাদেশ দেয়া হয়েছিল তা প্রত্যাহার করা হলো।

    বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহারের বিষয়ে ফাতেমা তুজ জিনিয়া বলেন, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার অবশ্যই ভালো বিষয়। কিন্তু আমি এভাবে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চাইনি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে ক্ষমা চাওয়া হয়েছে কিন্তু আমি কোনো অপরাধ করিনি সেহেতু ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই আসে না।

    এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করেছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ফাতেমা তুজ জিনিয়া বলেন, যোগাযোগ করেনি। আমর বন্ধুরা একটি নোটিস আমাকে পাঠিয়েছে।

    গত ১১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. নূরউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক নোটিশে আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও ডেইলি সানের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি ফাতেমা তুজ জিনিয়াকে এক সেমিস্টারের জন্য সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ফাতেমা তুজ জিনিয়াকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কারাদেশ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে নিজের মতামত জানান ভিসি নাসির উদ্দিন।

  • ববি শিক্ষার্থীদের সাথে দূরব‍্যবহার করায় বাস কাউন্টার ভাংচুর

    ববি শিক্ষার্থীদের সাথে দূরব‍্যবহার করায় বাস কাউন্টার ভাংচুর

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীদের সাথে বরিশাল-পটুয়াখালী রুটের বাস ড্রাইভার-কর্মচারীরা খারাপ ব‍্যবহার করায় বাস কাউন্টার ভাংচুর করেছে শিক্ষার্থীরা।

    প্রত‍্যক্ষ‍দর্শীর সূত্র মতে, বুধবার বিকেলে ৫ জন মেয়ে শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার জন্য বাসে উঠে। কিন্তু বাসের ড্রাইভার ও হেলপার শিক্ষার্থীদের বাস থেকে নেমে যেতে বলেন এবং উদ‍্যোত্বপূর্ণ আচরণ করেন। শিক্ষার্থীরা বাস থেকে নেমে গিয়ে অপর কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বিষয়টি জানালে আহমেদ সিফাত ঘটনাটির প্রতিবাদ করেন। তখন বাসের ড্রাইভার হেলপারসহ কর্মচারীরা তার সাথেও খুব খারাপ ব‍্যবহার করে এবং খারাপ ব‍্যবহারের এক পর্যায়ে তাকে বাস মালিক সমিতির অফিসে নিয়ে যায়। বিষয়টি শিক্ষার্থীদের মাঝে জানাজানি হলে তাৎক্ষণিকভাবে শিক্ষার্থীরা রূপতলী চলে আসে এবং ঘটনাটির প্রতিবাদ জানায় । এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা রূপতলীতে অবস্থিত বরিশাল-পটুয়াখালী রুটের অস্থায়ী টিকিট কাউন্টার ভাংচুর করে।

    এ বিষয়ে ঘটনায় প্রত‍্যক্ষদর্শী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আহমেদ সিফাত জানান, কয়েকজন মেয়ের সাথে বাসের ড্রাইভার ও কর্মচারীরা খারাপ ব‍্যবহার করে। ঘটনাটি শুনে তাৎক্ষণিকভাবে আমি তার প্রতিবাদ করি। কিন্তু তারা আমার সাথে খুব খারাপ ব‍্যবহার করে এবং আমাকে বাস মালিক সমিতির অফিসে নিয়ে যায়। আমার বন্ধু ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিষয়টি জানতে পেরে রূপতলী এসে ঘটনায় প্রতিবাদ জানায়।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী ফজলুল হক রাজিব জানান, বিকালে জানতে পারি বাসের ড্রাইভার ও কর্মচারীরা কয়েকজন মেয়ের সাথে খারাপ ব‍্যবহার করে এবং ঘটনার প্রতিবাদ করায় আহমেদ সিফাতের সাথেও খুব খারাপ ব‍্যবহার করে । ঘটনাটি শুনে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিকভাবে রূপতলী এসে এ ঘটনায় প্রতিবাদ করি।

  • নকলের দায়ে বরিশাল আইএইচটির ৬ পরীক্ষার্থী বহিস্কার

    নকলের দায়ে বরিশাল আইএইচটির ৬ পরীক্ষার্থী বহিস্কার

    নিজস্ব প্রতিবেদক ::

    বরিশাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির (আইএইচটি) পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন ছয় পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পরীক্ষা চলাকালে তাদের জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুম্পা ঘোষ তাদের বহিষ্কার করেন।

    বহিষ্কৃতরা হলেন- আইএইচটির রেডিওলজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. নাঈম, প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মো. ফেরদাউস রহমান, প্রদীপ মল্লিক ও ফিজিওথেরাপি তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইমন চাকমা।

    এছাড়া একই প্রতিষ্ঠানের এসআইটি অনুষদের তৃতীয় বর্ষের আল মামুন ও আল আমিন বিশ্বাসকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।

    আইএইচটির অধ্যক্ষ ডা. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • সন্তানের বাবা ভিপি নুর!

    সন্তানের বাবা ভিপি নুর!

    অনলাইন ডেস্ক ::

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচিত ভিপি ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহবায়ক নুরুল হক নুরের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, ভিপি নুরের পাশে একটি শিশু কোলে নিয়ে এক নারী দাঁড়িয়ে আছেন। সেই নারী এবং শিশুর সঙ্গে ভিপি নূরের সম্পর্ক কি তা জানতে খোঁজ করতে গেলে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    অনুসন্ধানে জানা যায়, ওই নারী ভিপি নূরের স্ত্রী মারিয়া আক্তার লুনা। তিনি পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার মধ্য চর বিশ্বাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

    পটুয়াখালীর চর বিশ্বাসে গিয়ে জানা যায়, ২০১৬ সালে চর বিশ্বাস ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাতেম আলীর মেয়ে মারিয়াকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন নুর। নুরের স্ত্রী লুনা বিয়ের পূর্বে গার্হস্থ অর্থনীতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। পরে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার চাকুরী হলে তিনি পটুয়াখালীতে চলে যান। জানা যায়, চলতি বছরের ২১ মার্চ লুনা রাজধানীর ধানমন্ডির গ্রীন লাইফ হাসপাতালে একটি কন্যা সন্তান জন্ম দেন।

    বাংলাদেশের ছাত্র সংগঠনগুলোর বেশিরভাগেই বিবাহিতদের সংগঠনের দায়িত্বশীল পদে না রাখার নিয়ম রয়েছে। তবে নুরের সংগঠন- সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদে এমন কোনো নিতিমালা নেই বলে জানা গেছে। ডাকসুর গঠনতন্ত্রে নেতাদের বিয়ে নিয়ে তেমন কিছু বলা নেই। তবে বিবাহিত কারো ডাকসুর মতো জায়গার নেতৃত্বে থাকা নৈতিকভাবে কতটা সঠিক তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

    এদিকে এ বিষয়ে জানার জন্য ভিপি নুরকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

  • প্রানিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সাথে শীক্ষার্থীদের বৈঠক

    প্রানিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সাথে শীক্ষার্থীদের বৈঠক

    পবিপ্রবি প্রতিনিধি//মোঃইমরান হোসেন:

    প্রানিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা হীরেশ রঞ্জন ভৌমিকের সাথে সারাদেশের ভেটেরিনারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার ( ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ইং) প্রানিসম্পদ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রানিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ( প্রানি স্বাস্থ্য ও প্রশাসন ) ডা মো আব্দুল জব্বার মোল্লা, উপ পরিচালক , প্রশাসন ,ডাঃ মো হাসান ইমাম, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি এসোসিয়েশন (বিভিএ) মহাসচিব ড মো হাবিবুর রহমান মোল্লা, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় , শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঝিনাইদহ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজ, গন বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম এনিমেল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের বিভিন্ন ভেটেরিনারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বৃন্দ সহ প্রমুখ। বাংলাদেশ ভেটেরিনারি এসোসিয়েশন (বিভিএ) এর মহাসচিব ড মো হাবিবুর রহমান মোল্লা বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যয় বিভাগে পাশকৃত প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অর্গানোগ্রামকে স্বাগত জানাই এবং দ্রুত বাস্তবায়নে জোর দাবী জানাই। প্রানিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা হীরেশ রঞ্জন ভৌমিক বলেন, এই অর্গানোগ্রাম আমাদের সবাইকে নিয়েই বাস্তবায়ন করতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহন করবো” শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রতন রহমান বলেন, ” দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত আমাদের এই অর্গানোগ্রাম। আমরাও অনেক কিছু ছাড় দিয়েছি, আমাদের প্রত্যাশিত মত পদ আমরা পাই নাই। তবুও প্রানিসম্পদের উন্নয়নে এই অর্গানোগ্রাম দ্রুত বাস্তবায়নের জোরালো দাবি জানাচ্ছি। অর্গানোগ্রাম বাস্তবায়নে সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে সারা বাংলার ভেটেরিনারি ছাত্র সমাজ সর্বদা জাগ্রত থাকবে”

  • বরিশালে নকলের দায়ে ৫ পরীক্ষার্থী বহিস্কার, ৩ শিক্ষককে অব্যাহতি

    বরিশালে নকলের দায়ে ৫ পরীক্ষার্থী বহিস্কার, ৩ শিক্ষককে অব্যাহতি

    নিজস্ব প্রতিবেদক :: সাগরদী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় পরীক্ষায় নকলের দায়ে পাঁচ ফাজিল পরীক্ষার্থীকে বহিস্কার করা হয়েছে। এ সময় দায়িত্বে অবহেলার দায়ে তিন শিক্ষককেও অব্যাহতি দেয়া হয়।

    মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে বরিশাল নগরীর সাগরদী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীরা হচ্ছেন, সাগরদী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার ফাজিল প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ইশরাত জাহান, ফাতেমা তুজ জোহরা, সাইফুল ইসলাম ও সদর উপজেলার পূর্ব চাদপুরা ফাজিল মাদ্রাসার ফাজিল প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সাথী বেগম ও শামীমা আক্তার।

    অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকরা হলেন, সাগরদী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার আরবি বিভাগের প্রভাষক আবুল বাসার গাজী, রিয়াজুল ইসলাম ও সহকারী শিক্ষক মরিয়ম বেগম।

    পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চরকাউয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. ফারক খান জানান, ফাজিল প্রথম বর্ষের হাদিস পরীক্ষা চলাকালে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তার সাগরদী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে আকস্মিক পরিদর্শনে এসে পাঁচ পরীক্ষার্থীকে নকলসহ ধরে বহিস্কার করেন। ওই সময় কক্ষ পরিদর্শকরা কোনো দায়িত্ব পালন না করায় তিন শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

    ঘটনারদ সত্যতা স্বীকার করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তার জানান, সাগরদী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা ফাজিল পরীক্ষা কেন্দ্রে পরিদর্শনে গেলে দোতলার ৪টি কক্ষ থেকে ওই পাঁচ পরীক্ষার্থীকে নকলসহ ধরা হয়। পরে তাদের বহিস্কার করা হয়। এ সময় দায়িত্বে অবহেলার কারণে ৩ শিক্ষককেও অব্যাহতি দেয়া হয়।

  • পটুয়াখালীতে স্কুলে অনুপস্থিত থেকেও বেতন-ভাতা নেন আ.লীগ নেতার স্ত্রী

    পটুয়াখালীতে স্কুলে অনুপস্থিত থেকেও বেতন-ভাতা নেন আ.লীগ নেতার স্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক::

    বিদ্যালয়ে ক্লাস না নিয়ে শুধু হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে দীর্ঘদিন ধরে বেতন-ভাতা তুলছেন এক সিনিয়র সহকারী শিক্ষিকা। তিনি স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার স্ত্রী।

    ওই শিক্ষিকার নাম সাজেদা বেগম। তিনি পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার রাঙ্গাবালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক।

    বিদ্যালয় সূত্র জানায়, ১৯২৭ সালে রাঙ্গাবালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৫ সালে ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যাপীঠে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোদ দেন সাজেদা বেগম। পরবর্তীতে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক হন তিনি।

    কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলন করেছেন সাজেদা বেগম। সাজেদার স্বামী সাইদুজ্জামান মামুন উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা, সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি। একই সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্যের ডান হাত হিসেবে পরিচিত তিনি।

    স্বামী আওয়ামী লীগ নেতা হওয়ায় কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে না এসেও বেতন-ভাতা নিচ্ছেন স্ত্রী সাজেদা বেগম। শিক্ষক হাজিরা খাতায় সহকারী শিক্ষক প্রবীর চন্দ্র রায় সাজেদার হয়ে প্রক্সি স্বাক্ষর দেন। তবে বিনা ছুটিতে এক মাস ধরে বর্তমানে ভারতে রয়েছেন প্রবীর চন্দ্র রায়ও। ফলে দুজনের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর নেই।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, সাজেদা বেগমের ছেলে স্বর্গ ঢাকার আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। ছেলের লেখাপড়া ও দেখাশোনার জন্য ঢাকায় ফ্ল্যাট বাসা ভাড়া নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন সাজেদা বেগম। তিনি কখন এলাকায় বা বিদ্যালয় আসেন তার সঠিক তথ্য জানে না কেউ।

    রাঙ্গাবালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী হাসিব, লাবণী জাহানসহ একাধিক শিক্ষার্থী ও কয়েকজন অভিভাবক জানান, চলতি বছর একদিনও বিদ্যালয়ে আসেননি শিক্ষিকা সাজেদা বেগম। ক্লাস নেয়া তো দূরের কথা শিক্ষক হাজিরা খাতায়ও তার স্বাক্ষর নেই।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিনিয়র সহকারী শিক্ষিকা সাজেদা বেগম মুঠোফোনে বলেন, আমিসহ আমার পরিবারের তিন সদস্য টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত। আমরা ঢাকায় চিকিৎসাধীন। বিদ্যালয় থেকে ছুটি নিয়ে ঢাকায় এসেছি আমি। তবে ছুটি শেষ হয়েছে এটি সত্য। এর আগে বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলাম। তবে কতদিন আগে বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন তা নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি সাজেদা বেগম।

    তিনি আরও বলেন, আমার স্বামী উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা ও সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হওয়ায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে প্রতিপক্ষরা।

    এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুজিবুর রহমান বলেন, সাজেদা বেগমের ছেলে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত। তাই দেড় মাস ধরে ঢাকায় আছেন তিনি। ছুটি নিলেও তার ছুটির মেয়াদ শেষ।

    শিক্ষিকা সাজেদা বেগম দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত বিষয়টি স্বীকার করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান বলেন, ঘটনাটি আমি জানি। ওই শিক্ষিকার স্বামী বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রভাবশালী হওয়ায় কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছি না। তবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

    জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তবে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    তবে জেলা শিক্ষা অফিসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শিক্ষিকা সাজেদা বেগম দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত এই বিষয়টি সবাই জানেন। স্থানীয় এমপি এ ব্যাপারে কোনো ধরনের বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেছেন। তাই ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন না শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা।

  • পটুয়াখালী প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সুপারি ও নারকেলগাছে ক্ষতিকর পোকা শনাক্ত করলেন গবেষকরা

    পটুয়াখালী প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সুপারি ও নারকেলগাছে ক্ষতিকর পোকা শনাক্ত করলেন গবেষকরা

    পবিপ্রবি প্রতিনিধি//মো. ইমরান হোসেন:

    সুপারি ও নারকেলগাছে ক্ষতিকর পোকা শনাক্ত করলেন গবেষকরা পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলায় সুপারি ও নারকেলগাছে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রজাতির ব্যাগওয়ার্ম শনাক্ত করেছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান ও অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহানের নেতৃত্বে কয়েকজন গবেষক নতুন প্রজাতির ক্ষতিকারক মথ নিয়ে গবেষণা করেন। তাঁদের গবেষণাপত্রটি এ বছরের এপ্রিলে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব ইনোভেটিভ রিসার্চে’ প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণাপত্র থেকে জানা যায়, লেপিডোপটেরা বর্গের সিকিডি পরিবারে এখন পর্যন্ত প্রায় এক হাজার ৩৫০টি প্রজাতির ক্ষতিকারক ব্যাগওয়ার্ম রয়েছে। এদের মধ্যে মাহাসিনা করবেটি (Mahasena corbetti) প্রজাতির ব্যাগওয়ার্মটি মারাত্মক ক্ষতিকর। এ প্রজাতির পোকা শুধু অর্থকরী ফসল যেমন সুপারি, নারকেল কিংবা পামজাতীয় গাছের পাতাই খায় না, একই সঙ্গে সৌন্দর্যবর্ধনকারী গাছ মেহেদি ও ড্রসিনার পাতাও খেয়ে গাছকে পল্লবহীন করে মেরে ফেলে। বাংলাদেশে সুপারি ও নারকেলগাছে ক্ষতিকারক প্রজাতির ব্যাগওয়ার্ম মথ শনাক্তকরণ ও এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলে গবেষণা প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, ‘২০১৮ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের খামারের সুপারিগাছে সর্বপ্রথম এ প্রজাতির ব্যাগওয়ার্ম দৃষ্টিগোচর হলে তা সংগ্রহ করে গবেষণাগারে লালন-পালন করে এর পূর্ণাঙ্গ জীবনচক্র দেখা হয়। কারণ মুক্তাবস্থায় পূর্ণাঙ্গ মথ খুঁজে পাওয়া খুবই কঠিন এবং প্রজাতি শনাক্তকরণে পূর্ণাঙ্গ পুরুষ মথ প্রয়োজন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গবেষকরা নিশ্চিত হয় যে এটি মাহাসিনা করবেটি (Mahasena corbetti) প্রজাতির মারাত্মক ক্ষতিকারক ব্যাগওয়ার্ম। গবেষণা চলাকালে গবেষকরা এ প্রজাতির পোকার উপস্থিতি নারকেল, মেহেদি ও ড্রসিনাগাছেও লক্ষ করেন। এ পোকার হোস্টপ্ল্যান্টের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিভাবে এ পোকা দমন করা যায়—এ প্রশ্নের জবাবে ড. আতিকুর রহমান বলেন, ‘এ পোকা দমন করতে হলে শুরুতেই সিস্টেমিক কীটনাশক প্রয়োগ করে লার্ভা এবং সঠিক ফেরোমন/আলোফাঁদ ব্যবহার করে পূর্ণাঙ্গ মথ মেরে ফেলতে হবে; ব্যাগের ভেতর থাকাকালে মারা একটু কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে যাবে। সঠিক দমন পদ্ধতি উদ্ভাবনে আমাদের গবেষণা কার্যক্রম চলমান। ’ এ গবেষণায় অন্য গবেষকরা হলেন কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী মো. সাব্বির তালুকদার, মো. রুবেল কাজী ও মো. সাদিকুল ইসলাম।