Blog

  • লুট হওয়া ৮২৬ অস্ত্র উদ্ধার

    লুট হওয়া ৮২৬ অস্ত্র উদ্ধার

    ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুথানকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র-গোলাবরুদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৮২৬টি অস্ত্র ও ২০ হাজার ৭৭৮টি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। 

    সোমবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, সারাদেশ থেকে বিভিন্ন ধরনের ৮২৬টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ২০ হাজার ৭৭৮ রাউন্ড গুলি, ১ হাজার ৪৮২টি টিয়ার গ্যাস শেল ও ৭১টি সাউন্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়। লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার চলছে। কারও কাছে অবৈধ অস্ত্র থাকলে নিকটস্থ থানায় জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল ও নিষিদ্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

    আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল ও নিষিদ্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

    ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে হত্যার দায়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও নিবন্ধন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়েছে। 

    সোমবার মানবাধিকার সংগঠন সারডা সোসাইটির পক্ষে নির্বাহী পরিচালক আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া রিটটি করেছেন। রিটে যেসব প্রতিষ্ঠান শেখ হাসিনার নামে রয়েছে সেগুলোর নাম পরিবর্তনও চাওয়া হয়েছে। 

    এছাড়া, রিটে দেশ সংস্কারের লক্ষ্যে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ সর্বনিম্ন ৩ বছর চাওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে বিদেশে পাচার করা ১১ লাখ কোটি টাকা ফেরত আনতে এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তাদের বদলি চাওয়া হয়েছে।

    বিচারপতি কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হবে।

    রিটকারী আরিফুর রহমান মুরাদ ভূঁইয়া বলেন, রিটের এই বিষয়গুলোতে রুল ও আদেশ চাওয়া হয়েছে।

  • ‘ব্যারিস্টার সুমন কোথায়’ প্রশ্নে যা জানালেন মডেল পিয়া

    ‘ব্যারিস্টার সুমন কোথায়’ প্রশ্নে যা জানালেন মডেল পিয়া

    ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর সব এমপি-মন্ত্রী ও দলীয় নেতাকর্মীও আড়ালে চলে যান। গা ঢাকা দেন আলোচিত এমপি ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। তবে অনেক মন্ত্রী- এমপি সেনাবাহিনীর আশ্রয়ে ছিলেন। সম্প্রতি কয়েকজন মন্ত্রীকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। এখন পর্যন্ত অনেকের খোঁজ পাওয়া গেলেও ব্যারিস্টার সুমনের খোঁজ মেলেনি। তিনি কোথায় আছেন তাও জানা যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইলও বন্ধ রয়েছে। 

    আলোচিত এই সাবেক এমপি কোথায় আছেন তা জানতে সুমনের চেম্বারে অ্যাসোসিয়েট আইনজীবী হিসেবে কাজ করা মডেল পিয়া জান্নাতুলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

    সোমবার সন্ধ্যায় পিয়া বলেন, ‘এ মুহূর্তে ব্যারিস্টার সুমন কোথায় আছেন আমি জানি না, আমি উনার (সুমন) বউ লাগি না। উনার বউকে যদি খুঁজে পান, তাহলে তাকে জিজ্ঞেস করেন। 

    ‘মনে করেন আমি জানি, জানলে আপনাকে আমি বলব? আপনার তো এটুকু বোঝা উচিৎ’, বলেন তিনি। 
     
    একপর্যায়ে পিয়া জান্নাতুল বলেন, আমি কীভাবে জানব? তাছাড়া এ সময়ে দেশে থাকলে সে আমাকে ফোন দেবে? এটা কী করে ভাবলেন? তার থেকে ব্যারিস্টার সুমনের চেম্বারে অন্য যারা কাজ করেন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।  কারণ আমি তো মাত্র দেড় বছর থেকে তার সঙ্গে কাজ করছি।  

    হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচনের মাধ্যমে ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। 

    প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের শুরু থেকে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী হিসেবে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের চেম্বারে কাজ শুরু করেছেন মডেল পিয়া জান্নাতুল।  

  • আত্মীয়ের বাসা থেকে গ্রেফতার দীপু মনি

    আত্মীয়ের বাসা থেকে গ্রেফতার দীপু মনি

    সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের পর এবার গ্রেফতার হয়েছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

    রাজধানীর বারিধারার ডিওএইচএস এলাকায় এক আত্মীয়ের বাসা থেকে সোমবার সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) জিয়াউদ্দিন আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, দীপু মনিকে গ্রেফতার করে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছে। তাকে কোন মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে জানতে চাইলে এ বিষয়ে পরে জানানো হবে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

    দীপু মনি ২০০৮ সাল থেকে তিনি চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। আর ২০১৯ সাল থেকে এ বছরের শুরু পর্যন্ত শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন।

  • বরিশালে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    বরিশালে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    স্টাফ রিপোর্টার//হানিফ হাওলাদার রিয়াজঃ বরিশালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল এর ৪৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সোমবার জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল বরিশাল জেলা কতৃক স্বতঃস্ফূর্ত র‍্যালীর আয়োজন করা হয়।

    এই র‍্যালীতে নেতৃত্ব দেন স্বেচ্ছাসেবক দল বরিশাল জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নিজামুর রহমান নিজাম ও সদস্য সচিব কামরুল আহসান।এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছয় উপজেলা ও চার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সকল নেতৃবৃন্দ।

  • বরিশালের বিভিন্ন সড়কে হাঁটুপানি

    বরিশালের বিভিন্ন সড়কে হাঁটুপানি

    কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন এলাকা। এতে নগরীর বিভিন্ন স্থানে হাঁটুসমান পানি জমেছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এসব এলাকার বাসিন্দারা।

    সোমবার (১৯ আগস্ট) সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জলাবদ্ধতা দেখা গেছে। বিশেষ করে বরিশাল নগরীর প্রাণকেন্দ্রে বটতলা থেকে চৌমাথা সড়ক, বগুড়া রোডের একাংশ, রাজাবাহাদুর সড়কসহ অলিগলিতে জলাবদ্ধতা দেখা গেছে।

    এছাড়া নগরীর চৌমাথা সিএন্ডবি রোড সংলগ্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি), শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, বিএম কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও বৃষ্টির পানি জমে রয়েছে।

    সিএনজি চালক শামিম বলেন, পানির কারেণে ব্যাটারি ও ইঞ্জিনচালিত যানবাহন চালানো দুষ্কর হয়ে পড়েছে। পানি লেগে গাড়ি বিকল হয়ে যাচ্ছে। মোটরে পানি ঢুকে সমস্যা হওয়ায় তা সারাতে পকেট থেকে টাকা গুনতে হচ্ছে। তাছাড়া পানির কারণে রাস্তাঘাটে মানুষজনও কম, তাই আয়ও কমেছে।

    বরিশাল নগরীর বটতলা এলাকার বাসিন্দা কালু জানান, যতই খাল খনন আর ড্রেন পরিষ্কার করুক, বটতলা থেকে চৌমাথা সড়ক সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায়। তাই বাসা থেকে বের হয়ে বাজারসহ সব কাজই হাঁটুপানির মধ্যে করতে হচ্ছে।

    বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের জলানুসন্ধান বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম বলেন, সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত বরিশালের কীর্তনখোলাসহ ৬টি নদীর পানি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এসব নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভালো না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকা তলিয়ে যাচ্ছে। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া দরকার

    বরিশাল আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক হুমায়ূন কবির বলেন, শুক্রবার সকাল ৯টা নাগাদ ৯১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আজও দিনভর বৃষ্টি থাকবে, মঙ্গলবার নাগাদ বৃষ্টি কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এটা মৌসুমের স্বাভাবিক বৃষ্টি বলে জানান তিনি।

  • বরিশাল সিটি মেয়র খোকনকে অপসারণ

    বরিশাল সিটি মেয়র খোকনকে অপসারণ

    বরিশালসহ দেশের ১২ সিটি করপোরেশনের মেয়রদের অপসারণ করা হয়েছে। তাদের জায়গায় প্রশাসক বসিয়েছে সরকার। তারাই মেয়রদের দায়িত্ব পালন করবেন। আজ সোমবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

    জানা গেছে, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ এর আওতায় আজ দেশের সব (৪৯৩টি) উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ৩২৩ পৌরসভার চেয়ারম্যান ও ৬০ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে অপসারণ করে সরকার। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    অপসারণ করা সিটি মেয়ররা হলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ, রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জায়েদা খাতুন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, কুমিল্লা সিটির মেয়র তাহসীন বাহারকে অপসারণ করা হয়েছে।

    এর আগে গত শুক্রবার ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ ’, ‘স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ ’, ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ ও ‘উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর খসড়া অনুমোদন করে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। পরে তা অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়। এর ফলে বিশেষ পরিস্থিতিতে অত্যাবশ্যক বিবেচনায় সরকার জনস্বার্থে কোনো সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলর, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ করতে পারবে। একই সঙ্গে এগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ দিতে পারবে সরকার।

  • ভরা মৌসুমেও বরিশালে ইলিশের বাজার চড়া

    ভরা মৌসুমেও বরিশালে ইলিশের বাজার চড়া

    ভরা মৌসুমেও নদী ও সাগরের পর্যাপ্ত ইলিশের দেখা মিলছে না বরিশালের বাজারে। এতে কিছুটা হতাশ জেলে ও আড়তদাররা। সরবরাহ কম হওয়ায় ইলিশের বাজার চড়া বলে মনে করছেন বিক্রেতারা। আর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তে আশাবাদী হয়ে ক্রেতারা ইলিশ কিনতে বাজারে ভিড় করলেও অধিক দামের কারণে ফিরে যাচ্ছেন অন্য মাছ নিয়ে। তবে সরকারের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই।

    বরিশাল নগরীর প্রধান মৎস্য অবতরণকেন্দ্র পোর্ট রোড ঘুরে দেখা যায়, ৭শ থেকে ৯শ গ্রাম ওজনের ইলিশের বর্তমান বাজার দর মণপ্রতি ৬০ হাজার টাকা, এক কেজি ওজনের মাছ ৭০ হাজার থেকে ৭২ হাজার টাকা মণ দরে, ১১শ গ্রামের বেশি ওজনের ইলিশ ৮০ হাজার টাকা, ৫শ থেকে ৬শ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৫৪ হাজার টাকা এবং ৩শ থেকে ৪শ গ্রাম (গোডলা) ২৯ হাজার মণ দরে এবং জাটকা ইলিশ মণপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ২৪ হাজার টাকা দরে। তবে গত মৌসুমে ইলিশের দাম তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম ছিল বলে ব্যবসায়ীরা জানান। বর্তমানে বর্ষার মৌসুম হলেও বরিশালের পোর্ট রোডে ইলিশের আমদানি খুবই কম। বলা যায়, যেখানে স্বাভাবিক সিজনে ১৫ থেকে ২০টি ট্রলার আসত, সেখানে এখন আসছে সর্বোচ্চ পাঁচটি ট্রলার। যাতে সব মিলিয়ে আসছে ৬০ মণের মতো ইলিশ। এ কারণে দামও অনেকটা বেশি। কেননা মাছটির প্রচুর চাহিদা থাকলেও সরবরাহ নেই।

    পোর্ট রোডের মেসার্স এম আর ফিস আড়তের মালিক মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের স্টোর করা যে মাছ রয়েছে সেটার দাম কিছুটা কম। তবে তাজা ইলিশের দাম অনেক বেশি। বর্তমানে এক কেজি সাইজের ইলিশ ১ হাজার ৬২৫ টাকা কেজি দরে, ১২শ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজিপ্রতি ১ হাজার ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, নদীর ইলিশের দাম বেশি, সাগরের ইলিশের দাম কম, কারণ স্বাদে তফাৎ রয়েছে। পর্যাপ্ত ইলিশ ধরা পড়লে তো দাম কমবে, মাছ না থাকলে দাম কমার প্রশ্নই আসে না। তবে কালোবাজারিরা যদি অবৈধভাবে ইলিশ ভারতে পাচার না করে তাহলে দাম কমতে পারে। ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ বলবত থাকলে দেশের নিম্নশ্রেণির মানুষও ইলিশ খেতে পারবে। কিন্তু সেজন্য নদী ও সাগরে ইলিশ ধরা পড়তে হবে পর্যাপ্ত। আমরা এখন পুরোপুরি লোকসানের মুখে। আমাদের অনেক টাকা ইনভেস্ট করা, সেটা কীভাবে উঠাব, এটা নিয়ে চিন্তা করছি।’

    পোর্ট রোড বাজারে ইলিশ কিনতে আসা মো. শহীদ হাওলাদার জানান, ‘আমরা তো ভেবেছি ভারতে ইলিশ যাচ্ছে না, তাই দাম কমে গেছে। কিন্তু এখন বাজারে এসেছি নদীর ইলিশ কিনতে, তবে এসে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছি। যে মাছ আগে ১২শ টাকায় কিনেছি, সেটি এখন ১৮শ টাকার নিচে দেবেই না। এই সরকারের শুধু ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করলেই চলবে না, পাশাপাশি বাজার মনিটরিং করে সিন্ডিকেটের দরজা চিরতরে বন্ধ করতে হবে।’

    বরিশাল জেলা পোর্ট রোড মৎস্য আড়তদার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ইয়ার হোসেন বলেন, ‘গত ২৩ জুলাই ইলিশ শিকারে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। এরপর প্রায় এক মাস হতে চলল জেলেরা নদী-সমুদ্রে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাচ্ছেন না। তাই আড়তেও মাছ আসছে না। নদীর পানিদূষণ, বৈরী আবহাওয়ার কারণে মাছ আসছে না। তার পরও আমরা আশা করছি, বৃষ্টি আরও বাড়লে মাছ বাড়তে পারে। এখন যে পরিস্থিতি তাতে ব্যবসা বন্ধ করতে হবে। একটি ট্রলার সাগরে পাঠাতে ৩ লাখ টাকা খরচ হয়, কিন্তু ট্রলার ফাঁকা আসছে, ইলিশ নেই। ব্যাংকঋণ রয়েছে ৬৫ থেকে ৭০ লাখ টাকার, স্থানীয়ভাবেও ঋণ আছে, এখন ইলিশ ধরা না পরলে আমাদের পালাতে হবে। পোর্টরোড মৎস্য অবতরণকেন্দ্রে মোট ১৭০টি আড়তে এ ভরা মৌসুমে আগে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাছ বেচাকেনা হলেও বর্তমানে মাত্র ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকার মাছ কেনাবেচা হচ্ছে।’

    বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কান্তি ঘোষ বলেন, ভারী বর্ষণ হলে ইলিশও প্রচুর ধরা পড়বে। জেলেদের হতাশ হওয়ার দরকার নেই। অপেক্ষা করতে হবে। সরকার ঘোষণা দিয়েছেন ইলিশ বিদেশে পাঠানো কমিয়ে আনার জন্য। এতে করে স্থানীয় বাজারগুলোতে ইলিশ পাওয়া যাবে, তবে সেটি সময়ের ব্যাপার। তিনি বলেন, মাছের উৎপাদন ঠিকই আছে। সমস্যা হচ্ছে সড়ক যোগাযোগ উন্নত হওয়ায় এখন আর আড়তে আসতে হয় না জেলেদের, সরাসরি ঢাকায় মাছ পাঠাচ্ছেন তারা। এজন্য স্থানীয় বাজারগুলোতে চাহিদামাফিক ইলিশ সরবরাহ হচ্ছে না। সূত্র-ইত্তেফাক

  • এস আলমের ৬ ব্যাংকের ঋণ বিতরণে নিষেধাজ্ঞা

    এস আলমের ৬ ব্যাংকের ঋণ বিতরণে নিষেধাজ্ঞা

    এস আলমের নিয়ন্ত্রণে থাকা ৬ ব্যাংক-  ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ও বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের  উপর ঋণ বিতরণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা বাংলাদেশ ব্যাংককের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

    চিঠিতে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এসব ব্যাংক নতুন করে ঋণ বিতরণ করতে পারবে না। আগের ঋণ নবায়নও করতে পারবে না। তবে কৃষি, চলতি মূলধন, এসএমই, আমানতের বিপরীতে ঋণ ও প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত দিতে পারবে। পাঁচ কোটি টাকার বেশি হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে।

    গণঅভ্যুত্থানে বিদায় নেওয়া আওয়ামী লীগের গত ১৫ বছরের শাসনামলে সরকারের প্রশ্রয়ে এস আলম গ্রুপের কর্ণধার সাইফুল আলম মাসুদ (এস আলম) ব্যাংকিং খাতে দোর্দণ্ড প্রতাপশালী এক ব্যক্তিতে পরিণত হন। খোদ ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের যোগসাজশ ও সরকারের বিভিন্ন এজেন্সিকে ব্যবহার করে ব্যাংক দখল, একাধিক ব্যাংকের লাইসেন্স নেওয়া, বিভিন্ন ব্যাংক থেকে নামে-বেনামে ঋণের আড়ালে হাজার হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নেন বলে অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। 

  • পাকিস্তানে ইন্টারনেট ধীরগতি, ভিপিএনকে দায়ী করলেন মন্ত্রী

    পাকিস্তানে ইন্টারনেট ধীরগতি, ভিপিএনকে দায়ী করলেন মন্ত্রী

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে উত্তাল পাকিস্তান। দেশজুড়ে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। তবে চলমান এই আন্দোলনে সরকারের বিরুদ্ধে ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, তাদের আন্দোলনের কার্যক্রমকে বাধা সৃষ্টি করতে এ ধরনের প্রচেষ্টা করা হচ্ছে।Advertisement

    তবে ইন্টারনেটের এমন ধীরগতির জন্য সরকারের কোনো ভূমিকা নেই বলে দাবি করেছেন দেশটির তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ফাতিমা খাজা। 
    তিনি জানিয়েছেন, ভিপিএনের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণেই ইন্টারনেটের গতি কমেছে। গত ১৮ আগস্ট এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এই বক্তব্য দেন।

    রোববার ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়নি বা ইচ্ছা করে গতিও কমিয়ে দেওয়া হয়নি। ভিপিএন ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার কারণেই ইন্টারনেটের গতি কমে গেছে।

    ফাতিমা খাজার দাবি, সরকার নির্দিষ্ট কিছু অ্যাপ ব্লক করে দিলে মানুষজন ভিপিএন ব্যবহার করতে শুরু করে। এটি স্থানীয় ইন্টারনেট সার্ভিসগুলোকে বাইপাস করে এবং গতি ধীর করে দেয়। ভিপিএন ব্যবহার করলে মোবাইল ইন্টারনেটের গতিও কমে যায় বলে দাবি করেছেন তিনি।

    প্রতিমন্ত্রী আশ্বাস দিয়ে বলেন, এই সমস্যা সমাধান করতে এবং পাকিস্তানে ইন্টারনেট সেবা উন্নত করতে কাজ করছে সরকার।

    জিও নিউজের খবর অনুসারে, পাকিস্তান ইন্টারনেট সম্পর্কিত সমস্যাগুলো একটি ফায়ারওয়াল বাস্তবায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি ট্রাফিক নিরীক্ষণ ও ফিল্টার করার জন্য কোনো দেশের প্রধান ইন্টারনেট গেটওয়েতে ইনস্টল করা হয়।

    এই ফায়ারওয়াল ব্যবহার করে সরকার যেকোনো ওয়েবসাইট ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর বিষয়বস্তু (কন্টেন্ট) নিয়ন্ত্রণ বা ব্লক করতে পারে। কর্তৃপক্ষের দাবি, যেকোনো ধরনের আপত্তিকর বিষয়বস্তুর উৎস খুঁজে বের করারও ক্ষমতা রয়েছে এই প্রযুক্তির।

    উল্লেখ্য যে, পাকিস্তানের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (পিটিএ) দেশব্যাপী ভিপিএন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে একটি নতুন নীতি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

    চলতি বছর পাকিস্তানে ভিপিএনের ব্যবহার বেড়েছে বহুগুণ। মূলত নির্বাচনের আগে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স ব্লক করা হলে দেশটিতে ভিপিএনের ব্যবহার বেড়ে যায়।টপ১০ভিপিএনের তথ্যমতে, এক্স ব্লক করার দুদিন পরে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানে ভিপিএনের চাহিদা একলাফে ১৩১ শতাংশ বাড়তে দেখা গিয়েছিল।