Blog

  • অতিবর্ষণে এবছর ৪ লাখ কিলোমিটার  রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত  সংসদে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

    অতিবর্ষণে এবছর ৪ লাখ কিলোমিটার রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত সংসদে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

    অতি বর্ষণের ফলে এ বছরে সারাদেশে প্রায় ৪ লাখ কিলোমিটার রাস্তাঘাট মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রায় ৩ লাখ ৪১ হাজার কিলোমিটার রাস্তা, সড়ক ও জনপথের আওতাধীন প্রায় ৪১ হাজার কিলোমিটার রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অতীতে অতি বর্ষণের ফলে এত রাস্তাঘাটের ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি। এসব ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাটের সার্বিক তথ্য তৈরি করা হয়েছে। শিগগিরই ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট মেরামতের জন্য সরকারি উদ্যোগ নেয়া হবে।

    গতকাল রবিবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে জাসদ দলীয় সংসদ সদস্য নাজমুল হক প্রধানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ তথ্য জানান। মন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে সংসদে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙা প্রশ্নের জবাব দেন। সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, জাইকার কারিগরি সহযোগিতায় বর্তমানে ঢাকা শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নকল্পে একটি মাস্টার প্লান প্রণয়নের কাজ চলছে। মাস্টার প্লান প্রণয়ন হলে এবং এর সুপারিশসমূহ বাস্তবায়িত হলে ঢাকা নগরীকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দৃষ্টিকোণে একটি স্বস্তিদায়ক নগর গড়ে তোলা সম্ভব হবে। তিনি জানান, বর্জ্য সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত স্থানে কন্টেইনার/ডাস্টবিন থাকার পরও কতিপয় অসচেতন নগরবাসী নিজেদের সুবিধামত স্থানে বর্জ্য ফেলে রাখছে, যা সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কাজকে বিঘ্নিত করছে এবং সড়কে জনসাধারণের চলাচলের স্থানে বর্জ্যের স্তূপ সাময়িকভাবে বাধার সৃষ্টি করছে। নগরীর পরিবেশ রক্ষার্থে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের আওতায় এ ধরনের বর্জ্যের স্তূপকে নিয়মিতভাবে অপসারণ করে আসছে। তিনি জানান, এখনো প্রায় ৫০টির মতো কন্টেইনার রাস্তার ওপর বাধ্য হয়ে রাখতে হচ্ছে। দ্বিতীয় এসটিএস নির্মাণের জায়গা পাওয়া গেলে অবশিষ্ট ময়লার কন্টেইনার গুলিও রাস্তার ওপর হতে সরিয়ে নেয়া হবে।

    সরকার দলীয় অপর সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, দেশের ১১টি সিটি কর্পোরেশনের ৩৩৬টি ওয়ার্ডে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এখানে ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট (ই-জিপি) পোর্টালের মাধ্যমে টেন্ডার প্রক্রিয়া শতভাগ চালু করা হয়েছে। ২০১১ সালের ডিসেম্বর হতে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে সহজ ও স্বল্প সময়ে নগরবাসীকে ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট প্রদান করা হচ্ছে। কর্পোরেশনের রাজস্ব বিভাগ ও হিসাব বিভাগের অটোমেশন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর মাধ্যমে নগরবাসী অনলাইনে হোল্ডিং ট্যাক্স পেমেন্ট করতে পারবেন। তা ছাড়াও অনলাইনের মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, ঢাকা মহানগরীর যানজট নিরসনেই বিভিন্ন স্থানে ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হচ্ছে। একটি বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী এসব নির্মাণ করা হচ্ছে। এসব ফ্লাইওভারগুলো নির্মাণে ঠিক কত পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে তা নোটিশ পেলে সঠিকভাবে বলা সম্ভব হবে।

  • ধর্ষণ চেষ্টার পর ভাবির লাশ গুমের রোমহর্ষক কাহিনী

    ধর্ষণ চেষ্টার পর ভাবির লাশ গুমের রোমহর্ষক কাহিনী

    অনলাইন ডেস্ক

    পাবনার সাঁথিয়ায় আলেয়া খাতুন (৪৩) নামে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার পর হত্যা করা হয়। গত ১ নভেম্বর এ ঘটনাটি ঘটে উপজেলার পাইকরহাটি গ্রামে।

    এ ঘটনায় পুলিশ আলেয়ার চাচাতো দেবর টুটুল মল্লিককে (৩৫)  আটক করে। তাকে নিয়ে এক সপ্তাহ পর উদ্ধার করা হয় আলেয়ার মরদেহ। অথচ বিষয় এলাকার কেউ টের পায়নি। এমন অপকর্ম করে তিনি ঢাকায় কর্মস্থলে যোগও দিয়েছিলেন। সবই করেছেন ঠাণ্ডা মাথায়, পরিকল্পিতভাবে।

    এই ঘটনার পুরো তদন্ত প্রক্রিয়াে জানিয়েছেন পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বেড়া-সাঁথিয়া সার্কেল) আশিস বিন হাসান। এ নিয়ে গত ৯ নভেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বেড়া সার্কেল বেড়া আইডি থেকে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। পোস্টটি শেয়ার করেছেন পাবনার পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশিস বিন হাসান। পাঠকের জন্য তা হুবুহু তুলে ধরা হলো: 

    উরু পর্যন্ত শাড়িপেটিকোট উঁচু করে ধানক্ষেতের ভিতর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে মাঝ বয়সী এক নারী।

    তার নাম আলেয়া। বয়স ৪০ ছুঁই ছুঁই। বয়স বাড়লেও দুই সন্তানের জননী আলেয়ার শরীর ভেঙ্গে পড়েনি। এখনও যৌবনের পূর্ন রেশ শরীরে রয়েই গেছে। কে জানতো তার সুগঠিত অববয়ই কোন নরপশুর লোলুপ দৃষ্টি কাড়বে; অতঃপর নির্জন বিলে ধর্ষণের শিকার হয়ে লাশ কাটা ঘরে পড়ে থাকবে তার পঁচা গলা নিথর দেহটি।

    ঘটনার ভিতরে যাওয়া যাকঃ
    গত ০৩/১১/২০১৭ তারিখে সাঁথিয়া থানায় একটি নিখোঁজ জিডি এন্ট্রি করা হয়। যার নম্বর-১০২। জিডিতে মোঃ আরদোশ মল্লিক(৫০),গ্রাম-চর পাইকরহাটি, সাঁথিয়া জানান, গত ০১/১১/১৭ তারিখে তার স্ত্রী চরপাইকরহাটি, কুমিরবিলের পাশের ঈদগাহে লাকড়ি কুড়াতে যায়। এরপর সে আর ফেরত আসেনি। জিডি এন্ট্রির পর এসআই রাশেদ, সাঁথিয়া থানা ঘটনাস্থলে যান। গিয়ে জানতে পারেন পার্শ্ববর্তী ডোবার মধ্যে নিখোঁজ মহিলার পরনের শাড়ি পাওয়া গেছে।

    বিষয়টি আমার মনে দাগ কাটে। ০৪/১১/১৭ইং তারিখ আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে শাড়িটি দেখি। আশেপাশের লোকজনের সাথে কথা বলি। জায়গাটি একদম নির্জন নিঝুম। মূল গ্রাম থেকে সামান্য বাইরে। যেখানে ঈদগাহ তার ঠিক সামনেই পূর্ব দিকে ১০ বিঘার একটি বিশাল পুকুর। পশ্চিম ও দক্ষিণ পাশ জুড়ে বিশাল বিল। উত্তর দিকে প্রায় ৩০০ মিটার দূরে মূল গ্রাম। ঐ জায়গায় দিনের বেলা গেলেও গা ছম ছম করে। থাক সে কথা, ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রচুর উৎসুক জনতা পাই। মহিলার ঝাড়ু দেবার ঝাটা ঈদগাহের দেয়ালের পাশে পড়ে থাকতে দেখি। শাড়ি যে ডোবায় ছিল সেই স্থান পরিদশন করি। কিন্তু মহিলার সন্ধান কেউ দিতে পারে না। হঠাৎ ভীড়ের মধ্যে থেকে শোনা যায়, খালের ওপারে কাউকে টেনে বিলের ভিতরে নেবার মত দাগ আছে। কিন্তু ওখানে যেতে হলে বুক সমান পানি পার হয়ে যেতে হবে। গ্রামবাসী একজনের কাছে লুঙ্গি চেয়ে নিয়ে আমি নিখোঁজ মহিলার দেবর রেজাউলকে সাথে নিয়ে খাল পাড়ি দিয়ে অপেক্ষাকৃত উঁচু জমিতে গেলে অজস্র পায়ের ছাপ দেখি। রেজাউল জানান যে, গ্রামের শত শত লোক গত ২দিন ধরে বিলের ভিতর নেমে কোন কিছু পাওয়া যায় কিনা তার সন্ধান করেছে। এগুলো তাদের পায়ের ছাপ। তারপরও ভালোভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, কাউকে টেনে নেবার দাগ। এরপর সন্দেহ আরো ঘনিভূত হয়। কিন্তু কোন কূল কিনারা পাওয়া যাচ্ছিল না। পূনরায় ডাঙ্গায় ফিরে আসি। মহিলার সম্পর্কে খোঁজ নিতে শুরু করি।

    মহিলা দরিদ্র আরদোশ মল্লিকের স্ত্রী। ০১/১১/১৭ তারিখ সকালে খড়ি কুড়াতে বাড়ি থেকে বের হয়। পথে মিলন নামের এক ছেলের সাথে দেখা হয়। সে আখ থেকে গুড় বানাচ্ছিল। তার কাছ থেকে ২ টুকরো আখ চেয়ে নেয়। এরপর বিলের পাশে ঈদগাহের দিকে চলে যায়। এতটুকু জানার পর মিলনকে খুঁজে বের করি। সে আমার অফিসে এসে সাবলীলভাবে জানায় যে, সে কিছুই দেখেনি, তবে তার গ্রামের ইন্দাই তাকে সকাল ১০টা/১১টার দিকে বলেছিল ঈদগাহের পাশের জমিতে কিছু একটা নাকি দেখতে পেয়েছিল। কিন্তু তারা দুজন ঈগাহের কাছে গিয়ে কিছু না পেয়ে ফিরে এসেছে। এছাড়া সে আখ ভাঙ্গানোর সময় শুধু নিখোঁজ আলেয়ার ভাই বউকে পাশ দিয়ে পুকুরে কাপড় কাচতে যেতে দেখেছে। আর একজন টুটুল (৩০) নামের একটা ছেলে এক টুকরা আখ তার কাছ থেকে চেয়ে নিয়ে ঐ দিকে গিয়েছিল।

    আমি এবার ইন্দাই আর কাপড় কাঁচা মহিলার খোঁজ নিতে শুরু করি। কেননা টুটুল শুনেছি ঢাকায় চাকুরি করে। সে ঢাকায় চলে গেছে। তাই তাকে আপতত খোঁজা বন্ধ করি। এবার ইন্দাইকে আমার সার্কেল অফিসে ডাকি।

    ইন্দাই আমাকে জানায়, ঈদগাহের সামনের পুকুরপাড়ে তার সবজি বাগান পরিষ্কার করছিল। তার টয়লেট চাপলে পুকুরের পূর্ব পাড়ের বাঁশঝাড়ে যায়। হঠাৎ ঈদগাহের দক্ষিণের নিচু জমিতে কাউকে নড়তে দেখে। আর মনে হচ্ছিল কেউ একজন বুঝি কাউকে জড়াজড়ি করছে। সে ভাবে গ্রামের কোন প্রেমিক-প্রেমিকা হয়তো গোপনে শারীরিকভাবে মিলিত হচ্ছে। সে তাড়াতাড়ি টয়লেট সেরে পুকুর পাড় বেয়ে এসে আখ ভাঙ্গানোর স্থানে থাকা মিলনকে ডাকে। মিলন তখন খাবার খাওয়ার জন্য পুকুরে হাত ধুচ্ছিল। সে মিলনকে বিষয়টি জানায়। দুইজন এগিয়ে গিয়ে কিছুই দেখনে পায় না। পরে হাসি ঠাট্টা করে ফেরত চলে আসে। পরে সে শুধু শুনেছে টুটুল আরও কিছুক্ষন পরে এসে মিলনের কাছে বলেছে তার একটা চশমা হারিয়েছে, তারা কেউ পেয়েছে কি না?

    এরপর যে মহিলা কাপড় কাঁচতেছিল তার সাথে দেখা করার জন্য আবার পাইকরহাটি গ্রামে যাই। সে জানায়, কাপড় কাঁচতে যাওয়ার পথে মিলনকে আখ ভাঙ্গাতে দেখেছে। পরে টুটুল পুকুর পাড় দিয়ে যাওয়ার সময় তার সাথে ঠাট্টা মসকরা করে চলে যায়। দেবর হিসেবে কিছু রসাত্মক কথা বলে। প্রচুর কাপড় ছিলো কাঁচতে দেরী হয়। পরে ভেজা কাপড়ে টুটুলকে ফিরতে দেখে। কিন্তু এবার সে ডাকলেও টুটুল ব্যস্ততার কথা বলে চলে যায়। তিন জনের কথা শোনার পর টুটুলের প্রতি আমার তীব্র আগ্রহ জন্মায়।

    আমি মাননীয় পুলিশ সুপার মহোদয় জনাব জিহাদুল কবির, পিপিএম ও অতিঃ পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস ‘‘স্যারকে বিষয়গুলি জানাই। তাঁরা আমাকে লেগে থাকার পরামর্শ দেন। কেউ আমাকে বলেছিল ঘটনাস্থলে যত বেশি বেশি যাবে, ততবেশি বেশি রহস্য উন্মোচনের দিকে এগিয়ে যাবে”। আমি আবার বিলের মধ্যে যাই। আবার বিলে নামি। ঐ দিন মসজিদে মাইকিং হয়। বিলের অনেকটা জুড়ে সকালে সবাই ধানক্ষেতে তল্লাশি চালায়, কিছুই পায় না। তারপরও পুনরায় আমি নামি। প্রায় আধা কিলো বুক পানির ভিতর দিয়ে বিলের ভিতর যাই কোন আলামত পাই কিনা? বিলের মধ্যখানে কচুরিপানা ভর্তি ডোবা দেখতে পাই। আমার সাথে পথ দেখায় নিখোজেঁর দেবর রেজাউল। কিছু না পেয়ে ঘন্টা ২ পর আবার ফিরে আসি। তখন সুরমান নামে এক ব্যক্তি আমাকে বলে যে, ঐ দিন সে উচুঁ জমিতে বিলের মধ্যে ঘাস কাটছিল। বেলা ১১টার দিকে টুটুল এসে তাকে বলে তুমি কি আমার চশমা দেখেছো। সে বলে আমি কিভাবে তোর চশমা দেখবো। টুটুল বলে তোমার বোঝা তুলে দেই, তুমি বাড়ি যাও। সে জানায় ঘাস কাটাই শেষ হয়নি তো বোঝা নিয়ে যাবো কেন। এরপর টুটুল চলে যায়। এতটুকু শুনে আমি উপরে উঠে ইন্দাইকে নিয়ে পুকুর পাড়ে হাঁটতে থাকি। বাঁশঝাড়ে গিয়ে ইন্দাই তার টয়লেটের চিহৃ দেখায়। আমি সব ঘৃনা, দুর্গন্ধ ভুলে তা দেখতে যাই। কারন বিষয়টা আমার মধ্যে একটা নেশার জন্ম দিয়েছিল। ঐখানে দাঁড়িয়ে বুঝতে পারি যে, ওখান থেকে পুকুরে অপর পাড়ে আসতে বেশ সময় লেগেছিল। তাই মিলন আর ইন্দাই এসে কিছুই দেখতে পায়নি। সন্ধ্যার দিকে ফেরার পথে হেলাল নামে একজন আমাকে বলে, ঐ দিন সন্ধ্যার সময় টুটুলকে বিলের পূর্ব পাশে স্কুলের মাঠের কোনায় একা বসে থাকতে দেখেছে। আমার টুটুলের প্রতি আগ্রহ বাড়তেই থাকে।

    এরপর আমি টুটুলের ফোন নম্বর জোগাড় করি। প্রথমে ফোন দিলে সে ধরে না। তার ভাগ্নে হাফিজকে দিয়ে ফোন করাই। এরপর ০৭/১১/১৭ তারিখে সকালে সে আমাকে ফোন করে জানায় যে, তার ছুটি শেষ হয়ে গেছে। সে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে চাকুরি করে। তার পক্ষে এখন আসা সম্ভব নয়। আমি বিনয়ের সাথে তাকে বুঝাই যে না এলে এলাকার লোকজন হয়তো তাকে সন্দেহ করবে। সে এক ব্যক্তিকে ফোনটা ধরিয়ে দিয়ে বলে, কথা বলেন। তিনি জানান যে, টুটুল তার কর্মচারী। তার নির্ধারিত ছুটি অবশিষ্ট নাই। অলরেডি এবার ছুটিতে গিয়ে সে ওভার স্টে করে এসেছে। আমি পুরো বিষয়টি বুঝিয়ে বললে, তিনি টুটুলকে ছাড়তে রাজি হন।

    বিকেলে বেড়া এলাকার স্থানীয় নেতাকে দিয়ে টুটুল আমাকে ফোন করান। আমি নেতাকে আশ্বস্ত করি যে, কোন মামলা হয়নি। তাকে গ্রেফতারও করা হবে না। শুধু ঐ দিন সে কি দেখেছে তা জানা দরকার। এরপর শুরু হয় আসল নাটক।

    সন্ধ্যা ৬টার দিকে চমৎকার একটি চশমা পরা সুদর্শন যুবক আমার অফিসে প্রবেশ করে জানায় তার নাম টুটুল। আমি তাকে সাদরে বসতে দেই। তার ফোনটি হাতে নিয়ে দেখতে থাকি। কুশলাদি বিনিময় শেষে তাকে কিছুই জিজ্ঞেস না করে সাদা কাগজে তার নাম-ঠিকানা লিখতে বলি। সে খুব দ্রুত তার ঠিকানা লিখে দেয়। এরপর কাগজ কলম দিয়ে বলি ০১/১১/১৭ তারিখ বুধবার ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে সে পরদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠা পর্যন্ত কি কি করেছে তা আমাকে লিখে দিতে হবে। তখন সে জানায়, সে লিখতে পারে না, তবে যা যা জানে তা বলতে পারবো। আমি তাকে বলি যে, ‘‘আপনি না লিখতে পারলে নাম-ঠিকানা এত দ্রুত লিখলেন কিভাবে? যতই সময় লাগুক আপনি লেখেন, কোন সমস্যা নাই । পুরো ৩ ঘন্টায় সে ১৪ লাইন লেখে। যেখানে মূল ঘটনার ধারের কাছেও সে যায় না, এই ঠান্ডা ঠান্ডা আবহাওয়ার মধ্যেও ফ্যানের নীচে বসে ঘামতে থাকে। তখন আরো নিশ্চিত হই যে সে কিছু লুকাচ্ছে। সময় নষ্ট না করে এবার তাকে ঘটনার বর্ণনা করতে বলি। সে জানায় জমি দেখতে বিলের পাড়ে গিয়েছিল। সেখানে তার চশমা হারিয়ে গেলে খুঁজে না পেয়ে সে চলে এসেছে। পরে শুনেছে আলেয়াকে (তার চাচাতো ভাবিকে) পাওয়া যাচ্ছে না। এর বেশি তার জানা নাই। এবার তাকে প্রশ্ন শুরু করিঃ

    তার চশমা কিভাবে হারালো কিভাবে। সে জানায় চশমা খালের পাড়ে খুলে সেন্ডেলের উপর রেখে জমি দেখতে গিয়েছিল। আমার অবাক লাগে মানুষ কিছু দেখতে গেলে চশমা পরে আর সে চশমা খুলে দেখতে গেছে। এর কারণ জানতে চাইলে সে বলে। ‘আমার চশমায় তো পাওয়ার নাই; পরলেও যা না পরলেও তা। ’ আমি জানতে চাই, তবে এখন আপনার চোখে চশমা কোথা থেকে এল। সে বলে চশমা পরতে পরতে অভ্যেস হয়ে গেছে না পড়লে অস্বস্তি লাগে। তাই নিজের মেয়ের চশমা পরে আমার অফিসে এসেছে। এতে আমার অবাক লাগে যে, চশমা না পরলে অস্বস্তি লাগলে জমি দেখতে গিয়ে সে চশমা খুলে রাখবে কেন? সে কোন উত্তর দিতে পারেনি।

    এরপর তাকে বলি, সুরমানের কাছে কেন গিয়েছিলেন? সে জানায় সুরমান তাকে জমি কেনার ব্যাপারে ডেকেছিল। কিন্তু আমি আগেই সুরমানের কাছে শুনেছি, এমন কোন কথাই হয়নি। আসার পথে তার জামা-কাপড় ভেজা কেন ছিল, জানতে চাইলে জানায়, গোসল করেছিল তাই। সে বলে, বড় পুকুরটিতে নাকি গোসল করেছে। অথচ পাশেই যে মহিলা কাপড় কাঁচতেছিলেন, তিনি তাকে দেখেন নাই। তাছাড়া গোসলে গেলে লুঙ্গি-গামছা থাকার কথা সেগুলো কেন নেয়নি। এর কোন উত্তর সে দিতে পারেনি। এরপর তাকে আমি শত চাপাচাপি করলেও আমার কথার সে কোন উত্তর দেয়নি।

    এদিকে কোন মামলাও এখনও রুজু হয়নি। মহিলা মারা গেছে কিনা তারও প্রমাণ নেই। এমতাবস্থায়, আমি সিদ্ধান্ত নিতে না পেরে অতিঃ পুলিশ সুপার, গৌতম স্যারকে জানাই। তিনি এসপি স্যারের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন। এসপি স্যার বলেন, আরো জিজ্ঞেস করো। প্রয়োজনে মামলা নিয়ে আটক করো। তিনি জিজ্ঞাসাবাদে সাহায্যের জন্য ইন্সপেক্টর (তদন্ত)  জনাব আব্দুল মজিদ সাহেবকে আমার কাছে নিয়ে আসতে বলেন।

    এরপর আমি বুঝতে পারি এভাবে চললে কিছুই পাবো না। আমি গোপনে মোবাইলের ক্যামেরায় টুটুলকে কয়েক সেকেন্ড ভিডিও করি। কিছুক্ষণ পর তাকে ঐটুকু দৃশ্য দেখাই আর বলি যে, আপনি যা করেছেন তা কিন্তু স্যাটেলাইটে ধরা পড়েছে। এইবার সে ঘাবড়ে যায়। তবুও সে মুখ খোলে না। তখন তাকে নতুন টোপ দেই। বলি, দেড় লাখ টাকা লাগবে, যদি সে দিতে পারে তবে তাকে ছেড়ে দেবো। আরো শর্ত থাকে, সে যদি লাশটা কোথায় বলতে পারে তবেই তার মুক্তি। এরমাঝে আমি তাকে ফোনে কথা বলতে দেই। তাকে সিগারেট দেই। সে ফোনে টাকা জোগাড় করার চেষ্টা করে। তার আত্মীয়কে বলে জরুরী ভিত্তিতে টাকার দরকার। পরে তার আত্মীয় এসে আমাকে দেড় লাখ টাকার চেক প্রদান করে। তখন রাত আড়াইটা। টুটুল বলে লাশ কোথায় আছে আমি খুঁজে দিবো। কিন্তু কে রাখছে তা আমি জানি না। আমি বুঝে ফেলি মহিলাকে হত্যা করা হয়েছে এবং লাশটা গুম করা হয়েছে।

    টুটুল শর্ত দেয় যে, কোন পুলিশ সাথে গেলে চলবে না। আমি জানাই যে, তাকে উপকার করতে গিয়ে যদি সে আমাকে মেরে ফেলে, তাই আমিও লোক ছাড়া যাবো না। শেষে রাজি হয়। তার সাথে আমি রাতের খাবার খাই এবং বন্ধুর মতো আচরণ করি। আমাকে সে ঘুষখোর হিসেবে বিশ্বাস করে। তারপর একটি সিভিল মাইক্রোতে আমি সহ-ইন্সপেক্টর(তদন্ত) সাথিয়া এই মামলা আই/ও রাশেদ সাহেব সহ আরও ৭/৮ জন নিয়ে চরপাইকরহাটি গ্রামে যাই। গ্রামে ঢুকতেই টুটুল মাইক্রোর লাইট নিভিয়ে দিতে বলে। এরপর গ্রামের প্রাইমারী স্কুলের কাছে গিয়ে বলে, এই দিক দিয়ে বিলে নামতে হবে। স্কুলের পাশে ঘন জঙ্গল। আমি অতিঃ পুলিশ সুপার গৌতম স্যারকে বিষয়টি জানাই। স্যার আমাকে খুব সাবধান হতে বলেন। আমি টুটুলকে বলি ‘আপনাকে ছাড়লে যদি দৌড় দেন সেক্ষেত্রে আমি কি করবো?’

    সে বলে ‘তবে আমার হাতে হ্যান্ডক্যাপ লাগায়ে দেন। ’ আমি চিন্তা করি সে যদি বিলে নেমে পানিতে ডুব দেয় তাহলে হ্যান্ডক্যাপ নিয়েই সে পালাবে। এজন্য তার এক হাত আর আমার অফিসের কং ১২৯৬ মুকুলের আরেক হাত যুক্ত করি। সে অনেকগুলি ধানক্ষেতের মধ্যে দিয়ে বুক পানির ভিতর দিয়ে বিলের মধ্যখানে ( ধান বিল নামক স্থান)নিয়ে যায়। এরপর কিছুক্ষণ উল্টাপাল্টা ঘুরায়। আমি তাকে স্মরণ করিয়ে দেই, সকাল হয়ে যাচ্ছে, লাশ না পেলে তার মুক্তি নাই। এরপর সে বলে ‘এক জায়গায় মাছ মারা বাঁশের চাড় আছে এটা খোঁজেন। ’ আমরা পাশেই তা খুঁজে পাই। তখন সে ঐ বরাবর ধানক্ষেতের ভিতর গিয়ে ধানগাছে ঢাকা পঁচা, গলা আলেয়ার লাশ দেখিয়ে দেয়। এরপর সে তাকে ছেড়ে দিতে বলে। আমি বলি ডাঙ্গায় উঠে ছেড়ে দিবো। মাঝ বিলের মধ্যে ছাড়লে যদি তার কোন বিপদ হয় তবে তার স্বজনদের কি উত্তর দিবো? ডাঙ্গায় এসে আমার সহযোগী কং মুকুলের হাত খুলে টুটুলের দুই হাতে হ্যান্ডক্যাপ লাগাই। তখন সে বুঝতে পারে যে, তার রেহাই নাই। এরপর জানতে চাই, এই বিরান জায়গায় লাশ আছে তুমি জানলে ক্যামনে? স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা ছাড়া কারও জানার কথা নয়। তখন সে সম্পূর্ণ ঘটনা খুলে বলে। মূলত সে বিলের ধারে তার জমি দেখতে এসেছিল। সেই সময় তার চাচাত ভাবী আলেয়া কাপড় উঁচু করে পানিতে নিমজ্জিত ধান ক্ষেতের ভিতর হাঁটছিল। সুগঠিত দেহ দেখে সে নিজেকে ধরে রাখতে পারেনি। তখন সে আলেয়াকে জড়িয়ে ধরে। ধর্ষণের চেষ্টা করে। তখন সন্নিকটে কেউ ছিল না। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তার চশমা কাদা পানিতে পড়ে যায়। এরপর মহিলা এই সমস্ত ঘটনা ফাঁস করে দেবার হুমকি দেয়। ঘটনা জানাজানির ভয়ে সে মহিলার আঁচল দিয়ে গলা পেঁচিয়ে ধরে। মহিলা মারা গেলে পাশেই ডোবায় লাশ নামিয়ে রাখে। এরপর হাত-পা ধুয়ে ফেরার পথে কেউ বিষয়টি দেখছে কি না ত নিশ্চিত করতে সামনে যাকেই পেয়েছে তাকেই চশমা হারানোর গল্প বলেছে। সারাদিন সে রাত নামার অপেক্ষায় থাকে। পরে ঐদিন গভীর রাতে (আনুমানিক রাত ৩টার দিকে) গিয়ে নিজে নিজেই একা লাশ টেনে বিলের ভিতর নিয়ে যায়। নেওয়ার সময় আলেয়ার পরণের শাড়ি খুলে যায়। যা পরে ডোবার মধ্যে পাওয়া যায়। বিলে ধান ক্ষেতের ফাঁকে ফাঁকে পানি থাকায় লাশ টেনে নিতে তার কষ্ট হয় নি। পরে বাড়ি ফিরে আসে। এরপর ২/১ দিন পরিস্থিতি অবজারভ করে ঢাকায় ফিরে যায়।

    টুটুলের মুখে ঘটনার বিবরণ শুনতে শুনতে সেখানেই ফজরের আজান হয়। তখন মসজিদে গিয়ে মাইকিং করা হয়। বলা হয়, আলেয়ার লাশ পাওয়া গেছে। হাজার হাজার মানুষ স্কুল মাঠে জমায়েত হয়। অবশেষে গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে টুটুল গিয়ে লাশ বিলের মধ্যে আলেয়ার লাশ দেখিয়ে দেয়। লাশ উত্তোলন করা হয়। মৃতার স্বামী ও বাবার বাড়ির লোকজন উভয় পক্ষই বাদী হতে আগ্রহ দেখায়। সবাই মিলে শেষে মৃতার মেয়ে শাবানা আক্তার (২০) কে বাদী করে। সাথিয়া থানার মামলা নং-১০ তাং-০৮/১১/১৭ ধারা-নাঃ শিঃ নিঃ দঃ এর ৯(৪)(খ) তৎসহ ৩০২/২০১ দঃ বিঃ রুজু হয়। আসামী টুটুল পরে বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারা ফৌঃ কাঃ বিঃ অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। ৯/১১/১৭ তারিখ দেশের সকল প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকাসহ সকল স্থানীয় পত্রিকাতে ঘটনাটি বিশদভাবে প্রকাশিত হয়।

    আমার চাকরি জীবনে এমন নৃশংস ঘটনার সাক্ষী হয়ে যেমন আমি ব্যথিত হয়েছি, তেমনি রহস্য উদঘাটন করতে পেরে গর্ববোধ করছি। আন্তরিক কৃজ্ঞতা জানাচ্ছি, মাননীয় পুলিশ সুপার, জনাব জিহাদুল কবির, পিপিএম মহোদয়কে তার দূরদর্শী দিক নির্দেশনার জন্য। কৃজ্ঞতা জানাচ্ছি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব, গৌতম কুমার বিশ্বাস (অপরাধ ও প্রশাসন) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব শামীমা আকতার(জেলা বিশেষ শাখা) স্যারকে,তাদের পরামর্শ আর সহযোগিতার জন্য। ধন্যবাদ আর অভিনন্দন ওসি সাথিয়া, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সাথিয়া, এসআই রাশেদ, আমার অফিসের কং ১২৯৬ মুকুল, কং ১২২৮ গফুর, কং ৫৯১ আজিজ ও চুন্নুলাল(ক্লিনার) এবং গাড়ি দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য কামরুল হাসান লিটন ভাইকে।
    আল্লাহ সবাইকে নিরাপদে রাখুন।

    বিঃ দ্রঃ কার্য সমাপ্তির পর আমাকে প্রদত্ত দেড় লাখ টাকার চেকটি এর যথাযথ মালিককে ফেরত প্রদান করা হয়েছে।

  • এবার ডিএনএ পরীক্ষা দিতে হবে বিরাট-ধোনিদের

    এবার ডিএনএ পরীক্ষা দিতে হবে বিরাট-ধোনিদের

    অনলাইন ডেস্ক

    খেলোয়াড়দের শরীর ঠিক রাখার জন্য নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষা দিতে হয়। আর তারই অঙ্গ হিসেবে এবার কোহলি-ধোনিদের দিতে হবে ডিএনএ টেস্ট।

    টিম ইন্ডিয়ার ফিটনেস ট্রেনার শঙ্কর বাসু’র নির্দেশমত ক্রিকেটারদের জেনেটিক ফিটনেস ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করতে চায় বিসিসিআই। তাই বিরাট-ধোনি-রোহিতদের এবার বসতে হবে ডিএনএ পরীক্ষায়।

    ডিএনএ অর্থাৎ জেনেটিক ফিটনেস টেস্টের ফলে প্রতিটি ক্রিকেটারের ৪০টি বেশি ফিটনেস ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয় জানা যাবে। প্রতিটি ক্রিকেটারের ডিএনএ ডাটার মাধ্যমে তৈরি হবে এনভাইরনমেন্টাল ডাটা। বোর্ড সূত্রের খবর, ‘আমরা ক্রিকেটারদের ডিএনএ টেস্ট চালু করার কথা ভাবছি। টিমের ফিটনেস ট্রেনার শঙ্কর বাসুর পরামর্শ মেনে টিম ম্যানেজমেন্ট এই টেস্টের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতিটি ক্রিকেটারের জন্য বোর্ডের খরচ হবে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। ’

    এই টেস্টের ফলে প্রত্যেকের আদালা ফিটনেস চার্ট তৈরি করা সম্ভব হবে। যেখানে জানা যাবে চোট পাওয়ার পর কোনো ক্রিকেটারের সুস্থ হতে কত সময় লাগবে।

    জানা যাবে ফ্যাট বারনিং, এন্ডুরেন্স এবং মাসেল ব্লিডিং সম্পর্কেও।

    উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাস্কেটবল (এবিএ) এবং এএফএল খেলোয়াড়দের এই টেস্ট নেওয়া হয়ে থাকে। এর আগে ভারতীয় ক্রিকেটাররা তাঁদের শরীরে ফ্যাট ম্যানেজমেন্টের জন্য স্পিনফোল্ড টেস্ট দিয়েছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে এটা ঠিক হচ্ছে না।

  • আবারও বাবা হলেন রোনালদো

    আবারও বাবা হলেন রোনালদো

    অনলাইন ডেস্ক

    ফুটবল তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো চতুর্থ সন্তানের বাবা হয়েছেন। রবিবার মাদ্রিদের হাসপাতাল কুইরন ইউনিভার্সেলে রোনালদো ও জর্জিনা রদ্রিগেজের এই মেয়ে সন্তান জন্ম নেয়।

    রোনালদো নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইন্সটাগ্রামে এ কথা নিশ্চিত করেছেন।

    ৩২ বছর বয়সী রিয়াল মাদ্রিদের স্ট্রাইকার রোনালদো একটি ছবি পোস্ট করেন। যেখানে তার সঙ্গে বান্ধবী রদ্রিগেজ, নতুন জন্ম নেওয়া আলানা মার্টিনা ও বড় ছেলে ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়র ছিলো।

    ছবির ক্যাপশনে রোনালদো লিখেন, ‘এই মাত্র জন্ম নিল আলানা মার্টিনা! জিও ও আলানা দু’জনই ভালো আছে! আমরা সবাই খুব খুশি!’

    উল্লেখ্য, রোনালদোর আগের দুটি যমজ সন্তান সারোগেট পদ্ধতিতে হয়েছিলো। তাদের নাম রাখা হয়েছে ইভা (মেয়ে) ও মাতেও (ছেলে)। আর প্রথম সন্তান ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়র সাত বছর বয়সী। ধারণা করা হয় সেও সারোগেট পদ্ধতিতে হয়েছিলো।

  • খুলনায় ২২ দিনে ইভটিজিংয়ের শিকার ৩ ছাত্রীর আত্মহত্যা

    খুলনায় ২২ দিনে ইভটিজিংয়ের শিকার ৩ ছাত্রীর আত্মহত্যা

    শেখ সুমন

    খুলনায় দিন দিন বেড়ে চলেছে বখাটের দৌরাত্ম্য। ২২ দিনের ব্যবধানে খুলনা মহানগরী, দাকোপ ও বাজুয়া ইউনিয়নে ইভটিজিংয়ের শিকার হয়ে ৩ ছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়া-আসার পথে এসব ছাত্রীদের উত্যক্ত করতো বখাটেরা। এমন ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন অভিভাবকরা।

    জানা যায়, গত ১৩ অক্টোবর রাতে মহানগরীর হরিণটানা বাগমারা এলাকায় বখাটেদের হুমকিতে আত্মহননের পথ বেছে নেয় মেধাবী স্কুলছাত্রী সামছুন্নাহার চাঁদনী। ওই রাতে বখাটেরা বাড়িতে এসে তাকে অপহরণের চেষ্টা করেছিল। একইভাবে বখাটের নির্যাতনে ৬ নভেম্বর দাকোপ সরকারি এল বি কে মহিলা কলেজের ছাত্রী জয়ী মন্ডল ও ২৭ অক্টোবর বাজুয়া এসএন ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী বন্যা রায় আত্মহত্যা করেন। এছাড়া ২ নভেম্বর দুপুরে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে ইভটিজিংয়ের শিকার খুলনা আযমখান কমার্স কলেজের আরেক ছাত্রী। এসব ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে থানায় ৩টি মামলা হয়েছে।

    নারীবাদী সংগঠন খুলনা প্রগতিশীল নারী সমাজের সদস্য সচিব সুতপা বেদজ্ঞ জানান, সহজলভ্য ইন্টারনেটের যথেচ্ছ ব্যবহার ও রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এ ধরনের অপরাধ প্রবণতা বেড়েছে। বখাটেদের উৎপাত বন্ধ করার জন্য তিনি এসব অপরাধীদের দ্রুত কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

    এদিকে সর্বশেষ ১২ নভেম্বর খুলনা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় ইভটিজিংয়ের ঘটনা বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। জেলা প্রশাসক মো. আমিন উল আহসানের সভাপতিত্বে ওই সভায় বখাটেদের দৌরাত্ম্য ও তৎপরতা রুখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়।

    খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ আরেফ জানান, জনগণ এগিয়ে না এলে পুলিশের একার পক্ষে ইভটিজিং নির্মূল করা কঠিন। ইভটিজিং প্রতিরোধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

  • ঢাকায় জনসভা শেখ হাসিনার অধীনে ভোট নয় : খালেদা

    ঢাকায় জনসভা শেখ হাসিনার অধীনে ভোট নয় : খালেদা

    নির্বাচনে ইভিএম চলবে না, সেনা মোতায়েন করতে হবে

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেখ হাসিনার অধীনে নয়, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে দাবি জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, ‘দলীয় সরকার তো নয়ই, শেখ হাসিনার অধীনেও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না, হবেই না।

    নতুন নির্বাচন কমিশনকে বলব, দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করার দায়িত্ব আপনাদের। আপনারা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের কথা বলুন। গতকাল রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপি আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে এ জনসভার আয়োজন করা হয়। জনসভায় বেগম খালেদা জিয়া বলেন, নির্বাচনে ইভিএম চলবে না। সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। শুধু মোতায়েনই নয়, তাদেরকে বিচারিক ক্ষমতা দিতে হবে। তিনি আবারও জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘গণতন্ত্রে মত ও পার্থক্য থাকবে। দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ’ গতকাল বেলা পৌনে ২টায় কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে জনসভার কার্যক্রম শুরু হয়। বিকাল ৪টা ১০ মিনিটে বক্তব্য শুরু করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বেলা পৌনে ২টায় জনসভা শুরুর আগেই জনসভাস্থল কানায় কানায় ভরে যায়। জনসভা অনেকটা নির্বাচনী সভায় রূপ নেয়। সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের সমর্থকদের নিয়ে শোডাউন করেন। বর্তমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে হলে কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না। হাসিনার অধীনে তো নির্বাচন হবেই না। আমরা বিশ্বাস করি মানুষ আমাদের শক্তি, জনগণ আমাদের শক্তি। জয় আমাদের হবেই হবে। জনসভায় নেতা-কর্মীদের আসতে বাধা দেওয়ায় সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এই কাজ করে সরকার ছোট মনের পরিচয় দিয়েছে। এত ছোট মন দিয়ে রাজনীতি ও জনগণের সেবা করা যায় না। আমি আপনাদের চ্যালেঞ্জ করছি, আপনারা বাধা না দিয়ে দুটি জায়গায় জনসভা দিতেন, একটা আপনাদের, আরেকটা আমাদের। দেখতেন কার জনসভায় মানুষ আসে। কারণ মানুষ আমাদের ভয় নাই, তারা আমাদের ভালোবাসা, তারাই আমাদের শক্তি। দীর্ঘ ১৯ মাস পর বেগম খালেদা জিয়ার এই জনসভায় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক-উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা যায়। সকাল থেকেই বাদ্য-বাজনা নিয়ে মিছিলে মিছিলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ করে নেতা-কর্মীরা। এ সময় তাদের হাতে ছিল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছবি সংবলিত ফেস্টুন ও ব্যানার। ‘খালেদা জিয়ার মূলমন্ত্র, উদ্ধার করো গণতন্ত্র’ এই মুহূর্তে দরকার, খালেদা জিয়ার সরকার-এই ধরনের স্লোগান সংবলিত ব্যানার জনসভায় আগতদের নজর কাড়ে। দুপুরের মধ্যেই মূল সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছাড়াও পূর্বে মত্স্যভবন ও এর আশপাশে উত্তরে রূপসী বাংলা হোটেল, পশ্চিমে শাহবাগ মোড় এবং দক্ষিণে টিএসসি চত্বর লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। ঢাকা মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছাড়াও আশপাশের জেলা থেকেও নেতা-কর্মীরা সমাবেশে যোগ দেয়। বেলা পৌনে ২টায় জনসভা শুরু হলেও খালেদা জিয়া মত্স্য ভবনের সড়ক দিয়ে প্রবেশ করেন বিকাল ৩টায়। জনসভার ভিড় ঠেলে মূল মঞ্চে পৌঁছতে আধাঘণ্টা সময় লেগে যায় তার। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জনসভা পরিচালনা করেন প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ও সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম। এতে আরও বক্তব্য দেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান, ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর, বরকতউল্লাহ বুলু, মো. শাজাহান, শামসুজ্জামান দুদু, আহমেদ আজম খান, জয়নুল আবেদিন, শওকত মাহমুদ, আমান উল্লাহ আমান, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হারুনুর রশিদ, হাবিব-উন নবী খান সোহেল, সাইফুল আলম নীরব প্রমুখ। দীর্ঘ এক ঘণ্টার বক্তব্যে বেগম খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমরা রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন ও ঐক্যের রাজনীতি করতে চাই। আলাপ আলোচনা ছাড়া কোনোভাবেই এ পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। সংসদে থাকুক আর বাইরে থাকুক সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ ঘরে ঘরে কান্নার আহাজারি। এই সরকারের হাত থেকে মানুষ মুক্তি চায়, পরিবর্তন চায়। এই পরিবর্তন হতে হবে ভোটের মাধ্যমে। সে জন্য মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। তাই নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে হবে। এ সময় তিনি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা কী শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যেতে পারবেন, ভোট দিতে পারবেন। তখন উপস্থিতি নেতা-কর্মীরা হাত তুলে সমস্বরে বলেন, ‘না’। নতুন ইসির উদ্দেশে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আপনি সরকারের অন্যায় আবদার মানতে পারেন না। অবাধ নির্বাচন করার দায়িত্ব আপনাদের। ইভিএম বন্ধ করতে হবে। সেনা মোতায়েন করতে হবে। নির্দলীয় সরকারের ব্যবস্থা করতে হবে। পুলিশ বাহিনীও থাকবে, এতে আমার কোনো আপত্তি নেই। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার গুণ্ডা বাহিনীর হাতে অবৈধ অস্ত্র। তারা মানুষ খুন করছে। সেনা না দিলে তারা কেন্দ্র দখল করে অত্যাচার চালাবে। এ দেশের মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে পরিবর্তনের জন্য ধানের শীষে ভোট দিয়ে দেখিয়ে দেবে যে জিয়াকে  ভোলেনি। তিনি আছেন মানুষের মনে। তিনি বলেন, ‘আমি তাদের ক্ষমা করে দিয়েছি। কিন্তু জনগণ সেটা মানতে রাজি নয়। কারণ, এরা কত অবিচার করেছে তা তারা জানে। তারপরও দেশের স্বার্থে আমি তাদের ক্ষমা করব। কারণ আমরা রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতে চাই। জাতীয় ঐক্যের রাজনীতি করতে চাই। আলাপ-আলোচনা ছাড়া তা সম্ভব নয়। আমরা জবাবদিহিতামূলক সংসদ দেখতে চাই। সরকারি দল ও বিরোধী দল আলোচনা করে কোনো সমস্যা হলে তা সমাধান করবে। ’ বিএনপি-প্রধান বলেন, আজকে দেশে বিচার বলে কিছু নেই। বিচার বিভাগ বলতে কিছু নেই। প্রধান বিচারপতিকে পর্যন্ত জোর করে অসুস্থ বানিয়ে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বিদেশে এজেন্সির লোক পাঠিয়ে তাকে চাপ দিয়ে পদত্যাগপত্র নিয়ে আসা হয়। তিনি চেয়েছিলেন দেশে ফিরে আসতে। কিন্তু তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে। তিনি কিছু সত্য কথা বলেছেন-এটাই তার অপরাধ। নিম্ন আদালতকে তারা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এখন উচ্চ আদালতকে নিয়ন্ত্রণে নিতে চায়। আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘দেশের এত ক্ষতি করেছেন। সম্পদ লুট করেছেন। পিঠ বাঁচানোর জন্য ক্ষমতায় থাকতে হবে বলে যা ভাবছেন তা হবে না। আমরা সহিংসতার রাজনীতি করি না। আমরা আপনাদের শুদ্ধ করব। যে খারাপ কাজ করেন তা বাদ দিয়ে আপনাদের সত্যিকার অর্থে মানুষ বানাব। বিএনপি-প্রধান আরও বলেন, ‘ওয়ান-ইলেভেন সরকার আমাকে সপরিবারে দেশত্যাগ করতে বলেছিল, তাদের কথায় আমি সাড়া না দিয়ে বলেছি, আমি দেশত্যাগ করব না। আমি কখনো এ দেশ ছেড়ে যাব না। কারণ এ দেশের মাটিই আমার একমাত্র ঠিকানা। অন্য কোথাও আমার ঠিকানা নেই। এরপর সে সরকার আমার দুই ছেলেকে ধরে নিয়ে যায়। এক ছেলেকে পঙ্গু করে দিয়েছে। তাদের অত্যাচারের কারণে আরেক ছেলেকে চিরদিনের মতো আমি দুনিয়া থেকে হারিয়ে ফেলেছি। ’ এ কথা বলেই সমাবেশ মঞ্চে কান্নায় ভেঙে পড়েন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। বিদ্যুৎ, গ্যাস, চাল-ডালসহ সবকিছুর দাম বৃদ্ধির সমালোচনা করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘এ সরকার এ দেশটাকে শেষ করে দিয়েছে। ধ্বংস করে দিয়েছে। এ সরকার ২০০৮ সালে কথা দিয়েছিল ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়াবে। আজ ৭০ টাকা কেজি চাল খাচ্ছে কেন মানুষ। ’ তিনি বলেন, ‘পিয়াজসহ তরিতরকারি, সবজির দাম ৭০-৮০ টাকার নিচে নয়। প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। কৃষকের সার ও কীটনাশকের দাম ৫ গুণ বেড়েছে। ঘরে ঘরে চাকরি দেওয়ার কথা বলে তারা আজ ঘরে ঘরে বেকার তৈরি করেছে। ’ এ সময় তিনি বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আগামীতে দেশের সব শিক্ষিত বেকার ছেলেমেয়েকে চাকরির ব্যবস্থাসহ এক বছরের বেশি সময় যারা বেকার থাকবে- তাদের জন্য বেকার ভাতা চালু করারও প্রতিশ্রুতি দেন। শেয়ারবাজার ধসের প্রসঙ্গ তুলে বেগম জিয়া বলেন, ‘আওয়ামী লীগ এলেই শেয়ারবাজার লুট হয়। এর আগে কখনো শুনিনি সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশের মানুষের টাকা আছে। আওয়ামী লীগ আসার পর ওই ব্যাংকে টাকা পাঠিয়েছে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপিরা। মানুষের রক্ত চুষে টাকা চুরি করে বিদেশে পাঠিয়েছে। ২০১৫ সালে  পাঁচ হাজার কোটি ও গত ১০ বছরে সুইস ব্যাংকে সাড়ে চার লাখ কোটি টাকার বেশি বিদেশে পাচার হয়েছে। আওয়ামী লীগ প্রতি পদে পদে দুর্নীতি করছে। দুদক কোনো মামলা বা কোনো তদন্ত করেনি। অথচ দুদক পড়ে আছে আমাদের পেছনে। তিনি আরও বলেন, ‘গত সাত বছরে ব্যাংক থেকে চুরি হয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮০০ কোটি টাকা কারসাজি করে পাচার করা হয়েছে। কিন্তু এগুলো নিয়ে কোনো তদন্ত হয় না। কাউকে ধরা হয়নি। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা শুধু ভোটারবিহীন সরকারের সমস্যা নয়, এটা আন্তর্জাতিক সমস্যা। তাদের দেশে ফিরিয়ে নিতে আমেরিকা, ব্রিটেন, ইন্ডিয়া, চীনসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। এজন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ’ সভাপতির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘দেশে খালেদা জিয়াকে বাদ দিয়ে কোনো নির্বাচন হবে না। ’ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘২০১৮ সাল আওয়ামী লীগের বিদায়ের বছর। ’ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সরকার নিজের হাতে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে দেশের মানুষ খালেদা জিয়াকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইবে। ’ খালেদা জিয়াকে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ আখ্যা দিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘নেত্রী (খালেদা জিয়া) আপনি গণতন্ত্রের প্রশ্নে কখনো আপস করবেন না। খালেদা জিয়াকে ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন হবে না।

  • বরিশালে আ’লীগ নেতাকে লাঞ্ছিত- আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর নিন্দা

    বরিশালে আ’লীগ নেতাকে লাঞ্ছিত- আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর নিন্দা

    আওয়ামী লীগ নেতাকে লাঞ্ছিত করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বরিশাল জেলা আ’লীগ। গতকাল জেলা আ’লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক এ্যাড. কাইয়ুম খান কায়সার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১১ নভেম্বর দুপুরে বরিশাল বিমান বন্দরে পূর্ব শত্র“তার জের ধরে ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি খন্দকার মোঃ মজিবর রহমানকে লাঞ্ছিত করেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি ও সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. তালুকদার মোঃ ইউনুস এমপিসহ নেতৃবৃন্দ। প্রতিবাদ লিপিতে আরও বলা হয়, মজিবর রহমান সরোয়ারের এটা কোন নতুন ঘটনা নয়। বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতি করে বলেই ১৯৭৯ সনের ঘটনা মনে করে পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।

  • কে এই পরীক্ষার্থী যার পরীক্ষা নিলেন ১৬ কর্মকর্তা!

    কে এই পরীক্ষার্থী যার পরীক্ষা নিলেন ১৬ কর্মকর্তা!

    বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ এনসিএম উচ্চ বিদ্যালয় জেএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে শনিবার মাত্র একজন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছেন। যদিও এ কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৭৮২। পরীক্ষার্থী নাজমুলের পরীক্ষা নিতে কেন্দ্র সচিব, সহকারী কেন্দ্র সচিব, হলসুপার, কক্ষ পরিদর্শকসহ ১৬ জনকে দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। কেন্দ্রের আশে পাশে যথারীতি বহাল ছিল ১৪৪ ধারা। একটিমাত্র উত্তরপত্র পুলিশ প্রটেকশনে নিয়ে যাওয়া হয় থানায়। জানা গেছে, ১১ নভেম্বর শনিবার জেএসসি’র কর্ম ও জীবনমুখি শিক্ষা বিষয়ের পরীক্ষা ছিল। চলিত বছর থেকে এ বিষয়ের স্কুলভিত্তিক মুল্যায়ন পদ্ধতি চালু করায় হলে বসে পরীক্ষা দেয়ার প্রয়োজন পড়ে না। ছিদ্দেক আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী নাজমুল হক গত বছর পরীক্ষা ড্রপ দেয়। কর্ম ও জীবনমুখি শিক্ষা বিষয় নাজমুলের ঐচ্ছিক ছিল। এবার সে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করায় একাই তার পরীক্ষা নিতে হয়েছে। কেন্দ্র সচিব ও প্রধান শিক্ষক আশুক আহমদ জানান, কর্ম ও জীবনমুখি শিক্ষা বিষয়ের আর কোনো পরীক্ষার্থী ছিল না। একমাত্র পরীক্ষার্থী হিসেবে নাজমুল হক শনিবার পরীক্ষা দিয়েছে। তার পরীক্ষা নিতে কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট সকলকেই দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে।

  • আজ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথা সাহিত্যক হুমায়ূন আহমদের জন্মদিন

    আজ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথা সাহিত্যক হুমায়ূন আহমদের জন্মদিন

    হুজাইফা রহমান:

    আজ ১৩ নভেম্বর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথা সাহিত্যক হুমায়ূন আহমদের জন্মদিন। হুমায়ূন আহমেদ ( ১৩ নভেম্বর , ১৯৪৮ – ১৯ জুলাই , ২০১২ ) বিংশ শতাব্দীর বাঙালি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। তাঁকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী শ্রেষ্ঠ লেখক গণ্য করা হয়। তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক , ছোটগল্পকার , নাট্যকার এবং গীতিকার ।

    বলা হয় আধুনিক বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের তিনি পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। তাঁর বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত। সত্তর দশকের শেষভাগে থেকে শুরু করে মৃত্যু অবধি তিনি ছিলেন বাংলা গল্প-উপন্যাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কারিগর। এই কালপর্বে তাঁর গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুলনারহিত। তাঁর সৃষ্ট হিমু এবং মিসির আলি ও শুভ্র চরিত্রগুলি বাংলাদেশের যুবকশ্রেণীকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীও তাঁর সৃষ্টিকর্মের অন্তর্গত। ধরা হয় বাংলাদেশে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর জনপ্রিয়তা তিনি শুরু করেন। তাঁর রচিত প্রথম সায়েন্স ফিকশন ” তোমাদের জন্য ভালোবাসা

    ” তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্রসমূহ পেয়েছে অসামান্য দর্শকপ্রিয়তা। তবে তাঁর টেলিভিশন নাটকগুলি ছিল সর্বাধিক জনপ্রিয়। সংখ্যায় বেশী না হলেও তাঁর রচিত গানগুলোও সবিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করে। তাঁর অন্যতম উপন্যাস হলো নন্দিত নরকে , মধ্যাহ্ন, জোছনা ও জননীর গল্প, মাতাল হাওয়া ইত্যাদি। তাঁর নির্মিত কয়েকটি চলচ্চিত্র হলো দুই দুয়ারী , শ্রাবণ মেঘের দিন, ঘেঁটুপুত্র কমলা ইত্যাদি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে দীর্ঘকাল কর্মরত ছিলেন। লেখালিখি এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বার্থে তিনি অধ্যাপনা ছেড়ে দেন। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী তাঁকে আটক করে এবং নির্যাতনের পর হত্যার জন্য গুলি চালায়। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে যান।

    হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের ১৩ই নভেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত নেত্রকোণা মহুকুমার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা শহীদ ফয়জুর রহমান আহমদ এবং মা আয়েশা ফয়েজ। তাঁর পিতা একজন পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন এবং তিনি ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তৎকালীন পিরোজপুর মহকুমার এসডিপিও (উপ-বিভাগীয় পুলিশ অফিসার) হিসেবে কর্তব্যরত অবস্থায় শহীদ হন। তার বাবা সাহিত্য অনুরাগী মানুষ ছিলেন। তিনি পত্র-পত্রিকায় লেখালিখি করতেন। বগুড়া থাকার সময় তিনি একটি গ্রন্থও প্রকাশ করেছিলেন। গ্রন্থের নাম দ্বীপ নেভা যার ঘরে । তাঁর মা’র লেখালিখির অভ্যাস না-থাকলেও একটি আত্ম জীবনী গ্রন্থ রচনা করেছেন যার নাম জীবন যে রকম ।

    পরিবারে সাহিত্যমনস্ক আবহাওয়ায় ছিল। তাঁর অনুজ মুহম্মদ জাফর ইকবাল দেশের একজন বিজ্ঞান শিক্ষক এবং কথাসাহিত্যিক; সর্বকনিষ্ঠ ভ্রাতা আহসান হাবীব রম্য সাহিত্যিক এবং কার্টুনিস্ট। তাঁর রচিত উপন্যাস থেকে জানা যায় যে ছোটকালে হুমায়ূন আহমেদের নাম রাখা হয়েছিল শামসুর রহমান; ডাকনাম কাজল। তাঁর পিতা (ফয়জুর রহমান) নিজের নামের সাথে মিল রেখে ছেলের নাম রাখেন শামসুর রহমান। পরবর্তীতে আবার তিনি নিজেই ছেলের নাম পরিবর্তন করে ‌হুমায়ূন আহমেদ রাখেন। হুমায়ূন আহমেদের ভাষায়, তাঁর পিতা ছেলে-মেয়েদের নাম পরিবর্তন করতে পছন্দ করতেন। তাঁর ছোট ভাই মুহম্মদ জাফর ইকবালের নাম আগে ছিল বাবুল এবং ছোটবোন সুফিয়ার নাম ছিল শেফালি । ১৯৬২-৬৪ সালে চট্টগ্রামে থাকাকালে হুমায়ুন আহমেদের নাম ছিল বাচ্চু

  • বরিশাল জেলা নরসুন্দর কল্যান ইউনিয়নের ১৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠিত

    বরিশাল জেলা নরসুন্দর কল্যান ইউনিয়নের ১৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠিত

    হুজাইফা রহমান:

    গতকাল বরিশাল জেলা নরসুন্দর কল্যান ইউনিয়নের ১৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুরুতে ধর্মীয়গ্রন্থ পবিত্র গীতা ও পবিত্র কোরআন থেকে পাঠ করার মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন, এ্যাড. এ. কে. এম জাহাঙ্গীর, সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বরিশাল মহানগর।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্। ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রফিকুল ইসলাম খোকন, সাবেক ভিপি, বরিশাল ল’কলেজ, নিরব হোসেন টুটুল, শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বরিশাল মহানগর, পরিমল চন্দ্র দাস, সাধারন সম্পাদক, জাতীয় শ্রমিক লীগ, বরিশাল মহানগর, বিশ্বজিৎ ঘোষ বিশু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক। এবং আরো উপস্থিত ছিলেন, বরিশালের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত নরসুন্দরগণ।

    অতিথিদের বক্তব্য শেষে বরিশালের জেলা নরসুন্দর কল্যান ইউনিয়নের সদস্যদের কৃতী সন্তানদের মধ্যে সংবর্ধনা দেয়া হয়। এরপর ছিলো মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সেখানে গান পরিবেশন করে বরিশালের তরী ব্যান্ড। এছাড়াও নৃত্য পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নির্মল খাসকেল, সভাপতি, বরিশাল জেলা নরসুন্দর কল্যান ইউনিয়ন। এছাড়া, অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নিলয় খাসকেল।