Blog

  • বরিশাল বিমান বন্দরে সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় আ.লীগ নেতা লাঞ্চিত

    বরিশাল বিমান বন্দরে সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় আ.লীগ নেতা লাঞ্চিত

    বরিশাল বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুর রহমানকে লাঞ্চিত করেছে তার (সরোয়ার) সহকর্মীরা। গতকাল শনিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে সেখানে উপস্থিত ঝালকাঠীর আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি বিএইচ হারুন এবং পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। তবে নগরীর বিমান বন্দর থানার ওসি বলেছেন, করমর্দন করা না করা নিয়ে বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের বাদানুবাদ হয়েছে মাত্র।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল শনিবার দুপুর দেড়টার ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার দুপুর সোয়া ১টার দিকে বরিশাল বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে পৌঁছেন। সেখানে পৌঁছে উপস্থিত সবার সাথে করমর্দন করতে থাকেন তিনি। এক পর্যায়ে ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবর রহমানের দিকে করমর্দনের উদ্দেশ্যে হাত বাড়িয়ে দেন সরোয়ার। এ সময় ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুল রহমান করমর্দন থেকে বিরত থাকলে সরোয়ার তাৎক্ষনিক অপ্রস্তুত হন এবং ওই লাউঞ্জে উপস্থিত আওয়ামী লীগের এমপি বিএইচ হারুন, সরকারী কর্মকর্তা সহ অন্যান্যদের সাথে পর্যায়ক্রমে করমর্দন করেন। পরে সরোয়ার ফের মজিবুল রহমানের পাশের সোফায় গিয়ে বসেন এবং করমর্দন না করার কারন জানতে চান। এ নিয়ে দুই নেতার মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হলে সরোয়ারকে বিমান বন্দরে এগিয়ে দিতে যাওয়া বিএনপি’র নেতাকর্মীরা ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানকে লাঞ্চিত করেন। পরে সেখানে উপস্থিত আওয়ামী লীগের এমপি বিএইচ হারুন সহ পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। এরপর যথারীতি সরোয়ার এবং মজিবুল রহমান সহ পূর্ব নির্ধারিত যাত্রীরা দুপুর দেড়টার ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন।
    বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান সরোয়ার ভিআইপি লাউঞ্জে বসে অশ্রাব্য ভাষায় গালি দিয়েছেন দাবী করে এ ব্যপারে খন্দকার মজিবুর রহমান বলেন, ১৯৭৯ সালের ২৭ জুন বরিশালের অশ্বিনী কুমার হলে সরোয়ারের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের সমাবেশে হামলা হয়। সরোয়ার ওই সময় তার ওপর নির্মম নির্যাতন চালান। এ কারনে তিনি সরোয়ারের সঙ্গে হাত মেলাতে চাননি। তিনি প্রতিবাদ করলে সরোয়ারের সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে ভিআইপি লাউঞ্জে ঢুকে পড়ে। খন্দকার মজিবুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, সরোয়ার তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। সরোয়ারকে বিমান বন্দরে এগিয়ে দিতে যাওয়া বরিশাল মহানগর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়াউদ্দিন শিকদার জিয়া বলেন, চেনা-অচেনা নিয়ে বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে একটু ভুল বোঝাবুঝির সৃস্টি হয়েছিলো। কিন্তু পরক্ষনে সমস্যা মিটে যায়। এটা তেমন কিছুনা। ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানকে বিএনপি’র কোন নেতাকর্মী লাঞ্ছিত করেনি বলে দাবী করেন জিয়া। ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে রিং দেয়া হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে ঝালকাঠীর আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি বিএইচ হারুনের ব্যক্তিগত সহকারী মজিবুল হক কামাল বলেন, সালাম বিনিময় নিয়ে দুই নেতার মধ্যে একটু তর্ক হয়েছিলো। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। নগরীর বিমান বন্দর থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার সময় তিনি বা পুলিশের সিনিয়র কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। খবর পেয়ে তারা সেখানে যাওয়ার আগেই পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাদ দিয়ে ওসি আনোয়ার বলেন, করমর্দন করা নিয়ে বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের বাদানুবাদ হয়েছে। তবে এর বেশী তিনি কিছু জানেন না।

  • বরিশাল বিমান বন্দরে সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় আ.লীগ নেতা লাঞ্চিত!

    বরিশাল বিমান বন্দরে সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় আ.লীগ নেতা লাঞ্চিত!

    বরিশাল বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে করমর্দন না করায় ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুর রহমানকে লাঞ্চিত করেছে তার (সরোয়ার) সহকর্মীরা। গতকাল শনিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে সেখানে উপস্থিত ঝালকাঠীর আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি বিএইচ হারুন এবং পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। তবে নগরীর বিমান বন্দর থানার ওসি বলেছেন, করমর্দন করা না করা নিয়ে বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের বাদানুবাদ হয়েছে মাত্র।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল শনিবার দুপুর দেড়টার ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার দুপুর সোয়া ১টার দিকে বরিশাল বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে পৌঁছেন। সেখানে পৌঁছে উপস্থিত সবার সাথে করমর্দন করতে থাকেন তিনি। এক পর্যায়ে ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবর রহমানের দিকে করমর্দনের উদ্দেশ্যে হাত বাড়িয়ে দেন সরোয়ার। এ সময় ঝালকাঠী জেলা পরিষদের সদস্য ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মজিবুল রহমান করমর্দন থেকে বিরত থাকলে সরোয়ার তাৎক্ষনিক অপ্রস্তুত হন এবং ওই লাউঞ্জে উপস্থিত আওয়ামী লীগের এমপি বিএইচ হারুন, সরকারী কর্মকর্তা সহ অন্যান্যদের সাথে পর্যায়ক্রমে করমর্দন করেন। পরে সরোয়ার ফের মজিবুল রহমানের পাশের সোফায় গিয়ে বসেন এবং করমর্দন না করার কারন জানতে চান। এ নিয়ে দুই নেতার মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হলে সরোয়ারকে বিমান বন্দরে এগিয়ে দিতে যাওয়া বিএনপি’র নেতাকর্মীরা ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানকে লাঞ্চিত করেন। পরে সেখানে উপস্থিত আওয়ামী লীগের এমপি বিএইচ হারুন সহ পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। এরপর যথারীতি সরোয়ার এবং মজিবুল রহমান সহ পূর্ব নির্ধারিত যাত্রীরা দুপুর দেড়টার ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন।
    বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান সরোয়ার ভিআইপি লাউঞ্জে বসে অশ্রাব্য ভাষায় গালি দিয়েছেন দাবী করে এ ব্যপারে খন্দকার মজিবুর রহমান বলেন, ১৯৭৯ সালের ২৭ জুন বরিশালের অশ্বিনী কুমার হলে সরোয়ারের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের সমাবেশে হামলা হয়। সরোয়ার ওই সময় তার ওপর নির্মম নির্যাতন চালান। এ কারনে তিনি সরোয়ারের সঙ্গে হাত মেলাতে চাননি। তিনি প্রতিবাদ করলে সরোয়ারের সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে ভিআইপি লাউঞ্জে ঢুকে পড়ে। খন্দকার মজিবুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, সরোয়ার তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। সরোয়ারকে বিমান বন্দরে এগিয়ে দিতে যাওয়া বরিশাল মহানগর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়াউদ্দিন শিকদার জিয়া বলেন, চেনা-অচেনা নিয়ে বিমান বন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে একটু ভুল বোঝাবুঝির সৃস্টি হয়েছিলো। কিন্তু পরক্ষনে সমস্যা মিটে যায়। এটা তেমন কিছুনা। ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানকে বিএনপি’র কোন নেতাকর্মী লাঞ্ছিত করেনি বলে দাবী করেন জিয়া। ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে রিং দেয়া হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে ঝালকাঠীর আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি বিএইচ হারুনের ব্যক্তিগত সহকারী মজিবুল হক কামাল বলেন, সালাম বিনিময় নিয়ে দুই নেতার মধ্যে একটু তর্ক হয়েছিলো। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। নগরীর বিমান বন্দর থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার সময় তিনি বা পুলিশের সিনিয়র কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। খবর পেয়ে তারা সেখানে যাওয়ার আগেই পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাদ দিয়ে ওসি আনোয়ার বলেন, করমর্দন করা নিয়ে বিএনপি নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে ঝালকাঠী জেলা পরিষদ সদস্য মজিবুল রহমানের বাদানুবাদ হয়েছে। তবে এর বেশী তিনি কিছু জানেন না।

    Share this:

  • কাল বসছে সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন

    কাল বসছে সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন

    আগামীকাল রবিবার বসছে দশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন। বিকেল ৪টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হবে।

    এর আগে বেলা ৩টায় সংসদের কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে অধিবেশনের মেয়াদ ও কার্যসূচি  চূড়ান্ত হবে। অধিবেশন এক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে বলে জানা গেছে।

    সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে জাতীয় সংসদের এ অধিবেশন আহ্বান করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী এক অধিবেশন সমাপ্তির পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে আরেকটি অধিবেশন বসতে হবে। ফলে এ অধিবেশন সংক্ষিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে সংবিধান অনুযায়ী বছরের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হবে। ওই অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভাষণ দেবেন। ওই ভাষণের ওপর নিয়ম অনুযায়ী আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

    সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, সংক্ষিপ্ত হলেও এ অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি বিল পাস ও উত্থাপন হতে পারে।

    এ ছাড়া সমসাময়িক বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর সংসদের সপ্তদশ অধিবেশন শেষ হয়। গত ১০ সেপ্টেম্বর ওই অধিবেশন শুরু হয়। মোট পাঁচ কার্যদিবসের সপ্তদশ অধিবেশনে দুইটি সরকারি বিল পাস হয়।

    এ ছাড়া সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ (১) বিধির আওতায় রোহিঙ্গা সমস্যা ও ষোড়শ সংশোধনী সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিষয়ে সংসদে প্রাণবন্ত ও কার্যকর আলোচনার মাধ্যমে দুটি প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। এই অধিবেশনও রোহিঙ্গা ইস্যুতে উত্তপ্ত থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • কাল বসছে সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন

    কাল বসছে সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন

    আগামীকাল রবিবার বসছে দশম জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশন। বিকেল ৪টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হবে।

    এর আগে বেলা ৩টায় সংসদের কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে অধিবেশনের মেয়াদ ও কার্যসূচি  চূড়ান্ত হবে। অধিবেশন এক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে বলে জানা গেছে।

    সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে জাতীয় সংসদের এ অধিবেশন আহ্বান করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী এক অধিবেশন সমাপ্তির পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে আরেকটি অধিবেশন বসতে হবে। ফলে এ অধিবেশন সংক্ষিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে সংবিধান অনুযায়ী বছরের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হবে। ওই অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভাষণ দেবেন। ওই ভাষণের ওপর নিয়ম অনুযায়ী আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

    সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, সংক্ষিপ্ত হলেও এ অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি বিল পাস ও উত্থাপন হতে পারে।

    এ ছাড়া সমসাময়িক বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর সংসদের সপ্তদশ অধিবেশন শেষ হয়। গত ১০ সেপ্টেম্বর ওই অধিবেশন শুরু হয়। মোট পাঁচ কার্যদিবসের সপ্তদশ অধিবেশনে দুইটি সরকারি বিল পাস হয়।

    এ ছাড়া সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ (১) বিধির আওতায় রোহিঙ্গা সমস্যা ও ষোড়শ সংশোধনী সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিষয়ে সংসদে প্রাণবন্ত ও কার্যকর আলোচনার মাধ্যমে দুটি প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। এই অধিবেশনও রোহিঙ্গা ইস্যুতে উত্তপ্ত থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • ছেলের খুনিকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন বাবা!

    রায় দেওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছেন বিচারক। সকলেই জানেন, মৃত্যুদণ্ডই দেওয়া হবে।

    বা যাবজ্জীবন। থমথম করছে গোটা আদালত কক্ষ।

    সেই সময় সাক্ষীর স্ট্যান্ড থেকে বিচারকের দিকে তাকিয়ে করজোড়ে ৬৬ বছরের আবদুল-মুনিম সোমবাত জিতমউদ বলে উঠলেন, ‘অল্প বয়সের ছেলে। ওকে ক্ষমা করে দিলাম। ইসলাম ধর্ম ক্ষমার কথাই বলে। ’

    জিতমউদের কাছে ক্ষমা চাইল অভিযুক্ত। জিতমউদ জড়িয়ে ধরলেন আসামির স্ট্যান্ডে দাঁড়ানো ট্রে আলেকজান্ডার রেলফোর্ডকে।

    চোখের পাতা ভিজে উঠল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেনটাকির ফেয়েতে কাউন্টি সার্কিট জজ কিমবার্লি বানেলেরও। কিছু ক্ষণের জন্য আদালত মুলতুবি ঘোষণা করে তাঁর নিজের ঘরে চলে গেলেন বিচারক বানেল।

    গোটা আদালত কক্ষে যেন তখন পিন পড়লেও শব্দ শোনা যাবে!

    পিৎজা খেতে গিয়ে আড়াই বছর আগে জিতমউদের ছেলে সালাউদ্দিনকে ছুরি মেরে খুন করার অভিযোগ রয়েছে ২৪ বছর বয়সী অভিযুক্ত রেলফোর্ডের বিরুদ্ধে। রয়েছে পিৎজার দোকানে ডাকাতি, তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ। তদন্ত, তথ্যাদিতে তা প্রমাণিতও হয়েছে আদালতে। এত কিছুর পরেও বাবা হয়ে কীভাবেই বা তাকে বেমালুম ক্ষমা করে দিলেন জিতমউদ! আইনজীবী থেকে শুরু করে আদালত কক্ষে হাজির সকলেই মুখ চাওয়াচায়ি করতে থাকলেন।

    বিস্ময়ের আরও কিছু বাকি ছিল গত মঙ্গলবার কেনটাকির ফেয়েতে কাউন্টি সার্কিট আদালতের ওই কক্ষে হাজির সকলেরই। বিচারক, আইনজীবীরা দেখলেন, রেলফোর্ডকে ক্ষমা করে সাক্ষীর স্ট্যান্ড থেকে আসামীর স্ট্যান্ডে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরেই থেমে থাকলেন না জিতমউদ, আবেগে বুকে জড়িয়ে ধরে রেলফোর্ডের কানে কানে সালাউদ্দিনের বাবা বললেন, ‘কোনও চিন্তা কোরো না। ইসলামকে স্মরণ করবে সব সময়। ’

    রেলফোর্ডের বিরুদ্ধে যে যে ধারায় অভিযোগ ছিল, তাতে সর্বোচ্চ শাস্তি হয় মৃত্যুদণ্ড, না হলে ৩১ বছরের কারাদণ্ড। জিতমউদের বক্তব্য শুনে কিছু ক্ষণ পর আদালতে ফিরে এসে বিচারক বানেল ৭ বছরের কারাদণ্ড দিলেন রেলফোর্ডের।

    তার পর আসামীর স্ট্যান্ডে গিয়ে রেলফোর্ডকে আরও এক বার আবেগে জড়িয়ে ধরলেন জিতমউদ। তার পাশে গিয়ে বললেন, ‘ভাবছ কেন? সময়টা দেখতে দেখতে কেটে যাবে। এর পর তোমার জীবনটা আবার নতুন করে শুরু হবে। একেবারে অন্য ভাবে এ বার গড়ে তোল জীবনটাকে। শুধু ভাল ভাল কাজ করবে এ বার, আর সকলকে ভাল কাজ করতে উৎসাহ জোগাবে। সঠিক পথে চলবে সব সময়। ইসলামকে স্মরণ করে চলার মাধ্যমে সেটা তুমি জেল থেকেই শুরু করে দাও না। এই করতে করতে ৭ বছর পর তোমার ৩১ বছর বয়সে যখন তুমি জেল থেকে বেরিয়ে আসবে তখন জীবনটাকে সুন্দর ভাবে গড়ে তোলার জন্য নিজেকে তৈরি রাখতে পারবে। ’

    শুনে চোখে পানি এসে গেল আসামী রেলফোর্ডের। জিতমউদ তখনও তাকে ধরে রয়েছেন বুকে। চোখের পানি মুছতে লাগল রেলফোর্ড।

    জিতমউদ তাঁর পরিবার পরিজন নিয়ে এখন থাকেন থাইল্যান্ডে। আগে অবশ্য তিনি বহু বছর কাটিয়েছেন মার্কিন মুলুকে। আমেরিকার বিভিন্ন মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। প্রধান ছিলেন লেক্সিংটন ইউনিভার্সাল অ্যাকাডেমিরও।

    এই লেক্সিংটনেই একটা পিৎজার দোকান ছিল জিতমউদের ছেলে সালাউদ্দিনের। সেখানে ২২ বছর বয়সী সালাউদ্দিনকে ছুরি মেরে খুন করেছিল রেলফোর্ড। তার পর তার দোকান লুঠপাট করে ক্যাশবাক্স ভাঙচুর করেছিল, আড়াই বছর আগে।
    বিচারক রেলফোর্ডকে ৭ বছর কারাদণ্ড দেওয়ার পর তাকে জড়িয়ে ধরে জিতমউদ বলেছেন, ‘আমি তোমাকে দোষ দিই না। দোষ সেই শয়তানটার। যে তোমাকে ওই জঘন্য অপরাধ করতে প্ররোচনা দিয়েছিল। সেই শয়তানটা আমাদের সকলের মধ্যেই আছে। আমরা কেউ কেউ তাকে বাড়াবাড়ি করতে দিই, কেউ দিই না। ’

    রায় দেওয়ার আগে বিচারক রেলফোর্ডের মা গেল কুট বার্ডের সাক্ষ্যও শুনেছেন। রেলফোর্ডের মা বলেছেন, জিতমউদ যে তাঁর ছেলেকে ক্ষমা করে দেবেন, তিনি তা ভাবতেও পারেননি। তিনি অভিভূত। ছেলে রেলফোর্ড যে ছোটবেলা থেকেই মাদকাসক্ত, আদালতে সে কথাও বলেন তার মা কুট বার্ড।

    জিতমউদ জানিয়েছেন, আদালত কক্ষে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি রেলফোর্ডের মা-ও। জিতমউদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার জন্য তাঁর ই-মেল অ্যাড্রেস নিয়েছেন রেলফোর্ডের মা। আর ইসলাম সম্পর্কে তিনি আরও জানতে চেয়েছেন জিতমউদের কাছে। কথা দিয়েছেন, তিনি নিয়মিত মেল পাঠাবেন জিতমউদকে, ইসলামের আদর্শ জানতে, বুঝতে।

    ৭ বছরের জন্য জেলে গেল রেলফোর্ড। তাইল্যান্ডে ফিরে যাচ্ছেন জিতমউদও।
    আর জিতমউদ ও রেলফোর্ডের পরিবার পরিজনদের কাছে থেকে গেল আদালত কক্ষের বাইরে দুই পরিবারের গ্রুপ ফোটোগ্রাফ।

    ক্ষমায় এক হয়ে গেল পৃথিবীর দুই গোলার্ধের দুটি পরিবার

  • বরিশালে “আড্ডা ধানসিড়ি”র ৫৯ তম সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত

    বরিশালে “আড্ডা ধানসিড়ি”র ৫৯ তম সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত

    হুজাইফা রহমান

    গতকাল শুক্রবার বরিশালের বগুড়া রোডস্থ আম্বিয়া হাসপাতালের পাশে অবস্থিত জীবনানন্দ অঙ্গনে “আড্ডা ধানসিড়ি”র ৫৯ তম সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়েছে। “আড্ডা ধানসিড়ি”র আড্ডারুদের উপস্থিতিতে বিকেল চারটা থেকে আড্ডা শুরু করে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত একটানা দু’ঘন্টা প্রাণবন্ত একটি সাহিত্য আড্ডা চলে। সেখানে ড. মুহম্মদ মুহসিন’র সঞ্চালনায় এবারের আড্ডার অতিথি ছিলেন কবি হুমায়ুন কবির।

    শুরুতেই “আড্ডা ধানসিড়ি”র আড্ডারু কবি আসমা চৌধুরী’র একটি কবিতা আবৃত্তি করেন কবি ছোটন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। এরপর আড্ডায় নিজেদের স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন আড্ডারু শফিক আমিন, জয়নাল আবেদীন, ছোটন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, আবদুর রহমান, অনিন্দ্য দ্বীপ, মাহমুদ অর্ক্য, সামছুল আলম, সাইমুন ইসলাম, এসকে লুনা ও হুজাইফা রহমান। তাদের পাঠ করা কবিতা ও সাহিত্যের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন ড. মুহম্মদ মুহসিন ও কবি হুমায়ুন কবির। পরিশেষে চা চক্রের মধ্য দিয়ে আড্ডার পরিসমাপ্তি ঘটে।

    উল্লেখ্য যে, “আড্ডা ধানসিড়ি” বরিশালের একটি সাহিত্য সংগঠন। প্রতি মাসের দ্বিতীয় ও চতুর্থ শুক্রবার বরিশালের বগুড়া রোডস্থ আম্বিয়া হাসপাতালের পাশে অবস্থিত জীবনানন্দ অঙ্গনে সাহিত্য প্রেমীদের নিয়ে সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়।

  • বরিশালে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুভ উদ্ভোধন করলেন সাদিক আব্দুল্লাহ

    বরিশালে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুভ উদ্ভোধন করলেন সাদিক আব্দুল্লাহ

    তানজীল শুভ
    আজ এগারোই নভেম্বর, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের পঁয়তাল্লিশ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ।সমগ্র দেশের সাথে বরিশালেও জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে উদযাপন করা হয় দিনটি।বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে উদযাপন করা হয় দিনটি।সকাল দশটার সময় বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের কার্যালয়ের সামনে আলোচনা সভা ও আনন্দর্যালীর আয়োজন করা হয়। আনন্দ র্যালীর শুভ উদ্ভোধন করেন বরিশাল বাসীর প্রাণের মানুষ ,যুব সমাজের অহংকার, যুবরত্ন জনাব সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহ।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো: ইউনুস, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল,মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম জাহাঙ্গীর ,মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু সহ জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য বৃন্দ।সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক এ.এম.মেজবাহ্ উদ্দিন জুয়েল।আলোচনা সভায় সকল বক্তারা শেখ ফজলুল হক মনীশকে স্মরণ করেন ।কারন বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে তিনি যুবলীগের প্রতিষ্ঠা করেন। সভা শেষে নগরীজুরে একটি আনন্দর্যালী বেড় করা হয়। এবং র্যালিতে আসা সকল মানুষ দাবী করেন যেন সাদিক আবদুল্লাকে আগামী সিটি নির্বাচনে যেন সিটি মেয়র পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন দেয়া হয় ।

  • প্রথম রাউন্ড শেষে ২৫তম সিদ্দিকুর

    প্রথম রাউন্ড শেষে ২৫তম সিদ্দিকুর

    রিসোর্টস ওয়ার্ল্ড ম্যানিলা মাস্টার্সে পারের চেয়ে তিন শট কম খেলে ২৫তম স্থানে থেকে প্রথম রাউন্ড শেষ করেছেন সিদ্দিকুর রহমান। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত ১৬ জনের সঙ্গে যৌথভাবে ২৫তম হয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছেন সিদ্দিকুর।

    ম্যানিলা সাউথউড গলফ অ্যান্ড কান্ট্রি ক্লাবে প্রথম রাউন্ডে চারটি বার্ডি ও একটি বোগি করেন তিনি।

    অস্ট্রেলিয়ার স্কট বার ও যুক্তরাষ্ট্রের মিকাহ লরেন সিন পারের চেয়ে আট শট কম খেলে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন। এ টুর্নামেন্টের প্রাইজমানি ১০ লাখ ডলার।

  • ‘২১ দিনে ১২ বার ধর্ষণ’, বিস্ফোরক অভিযোগ শ্রীলঙ্কার সেনাদের বিরুদ্ধে!

    ‘২১ দিনে ১২ বার ধর্ষণ’, বিস্ফোরক অভিযোগ শ্রীলঙ্কার সেনাদের বিরুদ্ধে!

    মুখ খুলেছেন মাত্র ২০ জন। তাতেই বেরিয়ে এসেছে ভয়ঙ্কর তথ্য।

    বিষয়ের গভীরে ঢুকতে বাধ্য হয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। হস্তক্ষেপে এগিয়ে এসেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলোও। তবে প্রকৃত সংখ্যাটি কমপক্ষে ৫০। শ্রীলঙ্কায় গৃহযুদ্ধের পর দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে বন্দি হয়ে চরম নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন যারা।

    ১৯৮৩ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত চলা দু’দশকের বেশি দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আনা শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম এএফপির এক প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এমনই কিছু শিহরণ জাগানো তথ্য। যেখানে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তামিল পুরুষরা বর্বর অত্যাচারের অভিযোগ তুলেছেন শ্রীলঙ্কান সেনা ও গোয়েন্দাদের বিরুদ্ধে।

    এক সময়ে বন্দি ওই ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে এএফপি। সেখানে লঙ্কান প্রশাসনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও যৌন অত্যাচারের বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন বহু তামিল পুরুষ।

    শরীরের বিভিন্ন অংশের ছবির মাধ্যমে তারা দেখিয়েছেন কীভাবে দিনের পর দিন অত্যাচারের শিকার হয়েছিলেন তারা।

    এই বন্দিদের অধিকাংশই বর্তমানে ব্রিটেনের বাসিন্দা। এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারা বলেছেন, অন্ধকার ঘরে বন্দি করে রাখা হতো তাদের। একজন তামিল ব্যক্তি বলেন, ২১ দিন ছোট্ট একটা অন্ধকার ঘরে বন্দি ছিলাম। ১২ বার ধর্ষণ করা হয় আমায়। এছাড়াও চলতো গোপনাঙ্গে সিগারেটের ছ্যাঁকা, লোহার রড দিয়ে পেটানো।

    পুরুষরা ছাড়াও নারী ও নাবালক মেয়েদেরও অত্যাচার করতো সেনা ও গোয়েন্দার একাংশ। কখনও সামিল হতেন পুলিশ কর্মকর্তারাও।

    দক্ষিণ আফ্রিকান মানবাধিকার কর্মী পিয়ার্স পিগৌ জানিয়েছেন, যে ধরনের যৌন নির্যাতন করা হয়েছে, তাতে শ্রীলঙ্কান কর্মকর্তারা বিকৃতমস্তিষ্ক বলে মনে হচ্ছে আমার।

    আক্রান্তদের মানসিক ও শারীরিক সাহায্য দিচ্ছেন এই মানবাধিকার কর্মীরা। যদিও প্রাথমিক ভাবে সব অভিযোগ অস্বীকার করলেও তদন্তে রাজি হয়েছে শ্রীলঙ্কা প্রশাসন। তবে একইসঙ্গে তাদের দাবি, উন্নত দেশগুলোতে আশ্রয় পেতে অনেক সময় এই ধরনের গল্প ফাঁদেন বন্দিরা। সূত্র: এই সময়।

  • ফের বিয়ে করছেন কারিশমা!

    ফের বিয়ে করছেন কারিশমা!

    একসময় রূপালি পর্দায় বছরের পর বছর ঝড় তুলেছিলেন তিনি। তারপর একসময় চিরাচরিত নিয়মে ঘরকন্নায় মন দিলেও তাকে কিন্তু ভুলে যায়নি তার অগণিত ভক্ত।

    তাই তো তাদের টানে ফের তাকে দেখা দিতে হয় সিলভার স্ক্রিনে। এমনকি বিজ্ঞাপনে এখনও তিনি হাজির হলেই থমকে যেতে বাধ্য হয় দর্শকরা। তিনি করিশমা কাপুর।

    তবে এত কিছুর মাঝে দাম্পত্য জীবনের জন্য বারবারই খবরের শিরোনামে এসেছে তার নাম। স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর নিজের স্রোতেই গা ভাসিয়েছিলেন লোলো। কিন্তু পাবলিক ফিগার হলে ভালোর সঙ্গে সঙ্গে চলে আসে বিড়ম্বনাও। আর তেমনটাই বোধ হয় হচ্ছে আবারও।

    শোনা যাচ্ছে, আবারও নাকি সাতপাকে বাঁধা পড়তে পারেন অভিনেত্রী ববিতার বড় মেয়ে। আর এরই মধ্যে সন্দীপ তোষনিওয়ালার (যাকে করিশমার বয়ফ্রেন্ড বলে মনে করা হয়) বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ায় সমগ্র বিষয়টি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

    সূত্র অনুযায়ী, করিশমা গত তিন বছর ধরে দিল্লির এক ব্যবসায়ী সন্দীপ তোষনিওয়ালাকে ডেট করছেন।

    এদিকে এরইমধ্যে সন্দীপের তার স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। তাই সন্দীপ-করিশমার সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে কৌতূহলি হয়ে উঠেছে অনেকেই। বিভিন্ন পার্টিতে যত দেখা গিয়েছে তাদের ততই ডালপালা ছড়িয়েছে মুখরোচক গল্প। তাই তাদের বিয়ে হতেও যে আর বেশিদিন বাকি নেই, সেই কথা যে বি-টাউনে ছড়াবে এ আর আশ্চর্যের কি।