Blog

  • সাবেক রেলমন্ত্রী সুজন কারাগারে

    সাবেক রেলমন্ত্রী সুজন কারাগারে

    পঞ্চগড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া আল আমিন নামে এক রিকশাচালককে হত্যার পর লাশ গুমের অভিযোগে করা মামলার প্রধান আসামি সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেছেন আদালত।

    রোববার পঞ্চগড় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মো. আশরাফুজ্জামান তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

    এর আগে শনিবার রাতে তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে একটি প্রিজনভ্যানে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর পাহারায় পঞ্চগড় জেলা কারাগারে আনা হয়। এরপর সকাল ১০টায় তাকে আদালতে তোলা হয়। ২০ মিনিট শুনানি শেষে কড়া নিরাপত্তায় পঞ্চগড় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। আদালত তাকে ডিভিশন প্রদান করেন।

    আদালত সূত্রে জানায়, পঞ্চগড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিয়ে গুম হন আল আমিন। এ ঘটনায় আল আমিনের বাবা মনু মিয়া ১০ নভেম্বর জেলা আ.লীগ সভাপতি ও সাবেক রেলমন্ত্রী সুজনসহ ১৯ জনকে আসামি করে হত্যা ও গুমের মামলা করেন। এ মামলায় আরও ১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

    মামলার অপর আসামিরা হলেন- সাবেক সংসদ-সদস্য নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া, সাবেক সংসদ-সদস্য মজাহারুল হক প্রধান, জেলা আ.লীগের সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাট, সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম পল্লব, ছাত্রলীগ সভাপতি আবু নোমান হাসান, সম্পাদক সাদমান সাদিক প্লাবন পাটোয়ারীসহ ১৯ জন।

  • সোনার দাম ফের কমল

    সোনার দাম ফের কমল

    দেশের বাজারে সোনার দাম আবার কমানো হয়েছে। সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম এক হাজার ৪৮১ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৩৭ হাজার ২২৭ টাকা।

    স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানো হয়েছে। আগামীকাল সোমবার (২ ডিসেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

    রোববার বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম ক‌মে‌ছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে গত ২৭ ন‌ভেম্বর ভরিতে সর্বোচ্চ তিন হাজার ৪৫৩ টাকা কমা‌নো হয়েছিল।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনা এক লাখ ৩৭ হাজার ২২৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ১২ হাজার ২৮৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ৯২ হাজার ১৩৪ টাকায় বিক্রি করা হবে।

    সোনার দাম কমা‌নো হলেও অপরিবর্তিত আছে রুপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী ২২ ক্যারেটে প্রতি ভরি রুপার দাম দুই হাজার ৫৭৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম ২ হাজার ৪৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২১১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১ হাজার ৫৮৬ টাকা।

    এর আগে ২৮ নভেম্বর সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক হাজার ১৫৪ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় এক লাখ ৩৮ হাজার ৭০৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক হাজার ৯৬ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ৩২ হাজার ৩৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

  • মঠবাড়িয়ায় আওয়ামীপন্থী প্রবাসীকে পিটিয়ে হত্যা

    মঠবাড়িয়ায় আওয়ামীপন্থী প্রবাসীকে পিটিয়ে হত্যা

    পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থক হওয়ায় ও দাবি করা চাঁদা না দেওয়ায় কামাল হোসেন চৌকিদার (৪৬) নামে এক প্রবাসীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১১টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

    এর আগে গত ২৩ নভেম্বর হামলার শিকার হন তিনি। বুধবার (২৭ নভেম্বর) মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। নিহত কামাল পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের চড়কগাছিয়া গ্রামের মৃত মো. রুস্তুম হাওলাদারের ছেলে।

    নিহতের বোন ফরিদা বেগম জানান, আওয়ামী লীগ করার অপবাদ দিয়ে কামালের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। কিন্তু চাঁদা না দেওয়ায় গত ২৩ নভেম্বর তাকে বাড়ি থেকে সাপলেজা মাছবাজারে তুলে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়।

    সেই সঙ্গে সাদা কাগজে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এ ঘটনায় কামাল নিজেই ২৫ নভেম্বর স্থানীয় শাহিন শরীফ, আলামিন, কামরুল, মনির হোসেন, মো. রুবেলের নামে সেনাক্যাম্পে লিখিত অভিযোগ দেন। হামলার সময় ৯৯৯ ফোন দিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি। পরে কামালকে স্বজনরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন।

    সাপলেজা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির খান সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাদের হয়রানি করার জন্য হাইব্রিড বিএনপি উঠে-পরে লেগেছে।

    মঠবাড়িয়া সেনাক্যাম্পের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা মেহেদী হাসান লিখিত অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হামলাকারীদের ডেকে এনে মীমাংসা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।

    মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে। মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য অধ্যাপক ড শূচিতা শরমিনকে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) দুপুর ১২টার মধ্যে পদত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। যোগদানের দুইমাস পার হতে না হতেই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পড়েছেন তিনি। বুধবার (২৭ নভেম্বর ) বিকেল চারটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্জে সাধারণ শিক্ষার্থীদের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষার্থীরা।

    এ সময় শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে জানান, উপাচার্য নিয়োগের দুই মাস পার হলেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করতে পারে নি। মেডিকেলে ওষুধ নেই। দাপ্তরিক কাজে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়েছে। পরীক্ষা আটকে আছে। স্থবির হয়ে আছে বিশ্ববিদ্যালয়।

    আলোচনা সভায় শিক্ষার্থীরা সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ পরিহার করার কথাও জানান ।

    তবে জুলাই বিপ্লবে শহীদের স্মরণে অনুষ্ঠিত প্রোগ্রামে উপাচার্যের উপস্থিতি মেনে নিবে না শিক্ষার্থীরা। এছাড়া ওই প্রোগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপ-উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম রাব্বানীকে সভাপতিত্বের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ও আলোচনা করেন তারা।

    ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী মোশাররফ হোসেন বলেন, জুলাই বিপ্লবের যে স্পীট তা উপাচার্য ধারণ করেন না। দীর্ঘ দুইমাস দায়িত্ব পালনকালে আমরা সেটাই দেখেছি। তার দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি কোনোভাবেই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে থাকতে পারেন না। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি উপাচার্যের পদত্যাগের। আমাদের এক দফা এক দাবি।

    আলোচনা সভায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সুজয় শুভ বলেন, সকলের সমন্বিত সিদ্ধান্তই আমার সিদ্ধান্ত। আমার আলাদা কোনো সিদ্ধান্ত নেই। তবে এ বিষয়ে আমাদের সকলকেই কথা বলতে হবে।

    উল্লেখ্য, গত ২৬ নভেম্বর রাতে শিক্ষার্থীদের একাংশের বাধার মুখে ক্যাম্পাসে এসেও যোগদান করতে পারেননি নতুন নিয়োগ পাওয়া কোষাধ্যক্ষ কর্নেল (অব.) আবু হেনা মোস্তফা কামাল খান। এদিকে নতুন কোষাধ্যক্ষকে দায়িত্ব নিতে বাধা দেওয়ার ১৫ ঘণ্টা পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রাহাত হোসেন ফয়সাল পদত্যাগ করেন।

  • কিছু মানুষ গোটা জাতিকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন: মির্জা ফখরুল

    কিছু মানুষ গোটা জাতিকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন: মির্জা ফখরুল

    ৫ আগস্টের বিপ্লবের তিন মাস না যেতেই আসল চেহারা বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।তিনি বলেছেন, ‘এই চেহারা নিয়ে কোনো দিনই সাফল্য অর্জন করা যায় না। যতই বড় বড় কথা বলি, যতই লম্বা লম্বা বক্তৃতা করি। নিজের ঘরেই যদি বিভেদ থেকে যায়, আমরা সেটা কখনোই ঠিক করতে পারব না।’

    বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি এসব কথা বলেন। নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শহিদ ডা. শামসুল আলম খান মিলনের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও রাষ্ট্র গঠনে চিকিৎসক সমাজের ভূমিকা’ শীর্ষক এই সভা হয়।

    হতাশা প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দুর্ভাগ্য আমাদের, কিছুসংখ্যক মানুষ- তারা নিজেদের অত্যন্ত জনপ্রিয় সবচেয়ে দেশপ্রেমিক মনে করেন, আর গোটা জাতিকে আজকে তারা বিভাজনের দিকে উসকে দিয়ে একটা অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।’

    কারও নাম উল্লেখ না করে বিএনপি মহাসচিব উপস্থিত চিকিৎসকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা গভীরভাবে চিন্তা করবেন, আমি কারও নাম বলব না। কারও নাম বলতে চাই না। আপনারা ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করবেন যে যারা আজকে দেশকে বিভাজনের দিকে ঠেলছে, অনৈক্যের দিকে ঠেলছে, তারা আমাদের আসলে শত্রু না মিত্র। এ জিনিসগুলো বুঝতে হবে। আমি কথাগুলো ইচ্ছা করেই আজকে তুলে ধরলাম।’

    মির্জা ফখরুল দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার করে নির্বাচনের পথে যেতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে যারা সরকারের (উপদেষ্টা) দায়িত্বে রয়েছেন, তাদের এমন কোনো কথা না বলার অনুরোধ করেছেন, যাতে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে।

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য দীর্ঘ ১৫ বছর লড়াই করেছে, প্রাণ দিয়েছে, কারাগারে গেছে, নির্যাতিত হয়েছে। সেই মানুষগুলো ২০২৪-এর ৫ আগস্ট আরেকটি বিজয় অর্জন করেছে। সেই বিজয় অর্জন হয়েছে রাজপথে অনেক রক্তের মধ্য দিয়ে, অনেক প্রাণের ভেতর দিয়ে। কিন্তু তার ফল কি এই বাংলাদেশ? তিন মাস হয়নি, এখনই রাস্তায় রাস্তায় লড়াই শুরু হয়েছে। একজন আরেকজনের বুকের রক্ত ঝরাচ্ছি। এখন পত্রিকা অফিস পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, আক্রমণ করছে।’

    এ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার কথা উল্লে­খ করেন। তিনি বলেন, ‘এই কয়টা দিনে আমরা খুব চিন্তিত, উদ্বিগ্ন, ভয়াবহভাবে উদ্বিগ্ন। আপনি চিন্তা করতে পারেন, ধর্মকে কেন্দ্র করে কী উন্মাদনা শুরু হয়েছে বাংলাদেশে! আপনি চিন্তা করতে পারেন, যে মুক্ত স্বাধীন মিডিয়ার জন্য আমরা এত দিন লড়াই করলাম, তার অফিস পুড়িয়ে দিচ্ছে! এই বাংলাদেশ তো আমরা দেখতে চাই না, আমি অন্তত চাই না।’ এ সময় তিনি প্রথম আলো, ডেইলি স্টারসহ অন্যান্য সব পত্রিকাগুলোতে যে আক্রমণ শুরু হয়েছে তার তীব্র নিন্দা জানান।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তির পোস্টের কথা উল্লে­খ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘কী উন্মাদনা! যখন দেখি, আতঙ্কিত হই। পুড়িয়ে দাও জ্বালিয়ে দাও- এ ধরনের কথাবার্তা। চিন্তা করতে পারেন, কোন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশকে। আমরা কি বুঝি আমাদের ভয়টা কোথায়, আতঙ্কটা কোথায়? আমরা কি বুঝি আততায়ী কোথায় ছুরি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, আমাদের পেছনে। বুঝি না, বুঝলে এ ধরনের দায়িত্বহীন কথাবার্তা আমাদের মুখ দিয়ে বের হতো না।’

    বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমি ১৪-১৫ বছর ধরে লড়াই করেছি, বহুবার জেলে গেছি, যেকোনো সময় আবারও জেলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি। কিন্তু আমি এই বাংলাদেশ দেখতে চাই না। আমি যা বিশ্বাস করি, আমার দল যা বিশ্বাস করে, সেই কথা আমার প্রাণ গেলেও আমি বলব। আমি বিশ্বাস করি, উদারপন্থী গণতন্ত্রে, বিশ্বাস করি বাক-স্বাধীনতায়, ভোটের স্বাধীনতায়। আমি জানি, অনেকে অনেক কিছু বলেন, কিন্তু আমি এতটুকুও চিন্তা করি না। কারণ, আমরা রাস্তায় থেকে লড়ে লড়ে এই জায়গায় এসেছি। সময়-সুবিধামতো পালিয়ে যাই না আমরা, সামনেই দাঁড়াই।’

    সমাজে ঘৃণা ও বিভাজন দিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল। উপস্থিত চিকিৎসকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা এই সমাজের শ্রেষ্ঠ লোকগুলো বসে আছেন। ছাত্রজীবনে আপনারা শ্রেষ্ঠ ছিলেন, কর্মজীবনেও শ্রেষ্ঠ। তাই আপনাদের সামনে এই প্রশ্নটা তুলছি। আর কত এই বিভাজন নিয়ে, আর কত ঘৃণা নিয়ে অমরা বাংলাদেশকে টেনে ওপরে তোলার চেষ্টা করব। বারবার টেনে তোলা হবে, আবার পড়বে ঘৃণা নিয়ে। দানবীয় শক্তি দিয়ে আবার উঠবে, আবার পড়বে। এ কোন জাতি আমরা। এবার যে সুযোগ হয়েছিল সবাই মিলে একসঙ্গে একজোটে একটা পরিবর্তন নিয়ে আসার। ছেলেরাও ছিল, আমরাও ছিলাম।’

    ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক হারুন আল রশিদের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, অধ্যাপক ফরহাদ হালিম ডোনার, অধ্যাপক একেএম আজিজুল হক, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, ড্যাবের সাবেক সভাপতি একেএম আজিজুল হক, ড্যাবের বর্তমান মহাসচিব আব্দুস সালাম প্রমুখ।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু

    ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এসময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৮৮ জন।

    এ নিয়ে চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭৫ জন এবং শনাক্ত রোগী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৯ হাজার ৬০৩ জনে।

    বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হাসপাতালে নতুন ভর্তিদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৫০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৮০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৩৯, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৮৮, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১০৫, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১১৭ জন রয়েছেন।

    এছাড়া রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৭ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৭ জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৬ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দুজন ও বরিশাল বিভাগে দুজন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) রয়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৮৯ হাজার ৬০৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৬৩ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৬ দশমিক ৮ শতাংশ নারী রয়েছেন। এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ৪৭৫ জনের মধ্যে নারী ৫১ দশমিক ৬ শতাংশ এবং পুরুষ ৪৮ দশমিক ৪ শ

  • ইসকন সমর্থকদের হাতে খুন আলিফ চিরনিদ্রায় শায়িত

    ইসকন সমর্থকদের হাতে খুন আলিফ চিরনিদ্রায় শায়িত

    চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের ফারাঙ্গা এলাকায় পশ্চিম কূল হযরত আব্দুল লতিফ শাহের (রা.) মাজার মাঠ প্রাঙ্গণে চতুর্থ দফা জানাজা শেষে নিজ ভিটায় দাফন করা হয়েছে ইসকন সমর্থকদের হাতে খুন হওয়া আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে।

    দুপুর ২টা থেকে দূর-দূরান্তের লোকজন জমায়েত হন লতাপীর শাহ মসজিদ ও মাদ্রাসা মাঠে। ওই সময় বিক্ষুব্ধ জনতা নানান স্লোগান দিতে থাকেন। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো মাঠ কানায় কানায় ভরে যায়।

    বিকাল সাড়ে ৩টায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ পাহারায় অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের মরদেহ মাঠে পৌঁছলে শোকের ছায়া নেমে আসে। হু হু করে কাঁদতে দেখা যায় মুসল্লিদের। লাখো মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত হন আলিফ। আসরের নামাজের পরপরই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন মাওলানা কাজী মোহাম্মদ বদর উদ্দীন সাঈদী।

    সন্ধ্যার পর নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তার গ্রামের বাড়িতে আসেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং নাগরিক কমিটির সদস্য ও জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম।

    এ সময় তারা নিহতের পরিবারকে সান্ত্বনা দেন এবং আলিফ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

    জানাজাপূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, আইনজীবী সমিতির নেতা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা।

    গ্রামের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য। বুক চাপড়ে কাঁদছেন স্বজনরা। বাকরুদ্ধ তার পরিবার। তার পিতা জামাল উদ্দিন, মা হোসনে আরা বেগম ও স্ত্রী ইসরাত জাহান তারিন বারবার কাঁদতে কাঁদতে মূর্ছা যান। আলিফের অনাগত সন্তানের মুখ দেখতে পেল না বলতে বলতেই মা হোসনে আরা বেগম জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

    নিহত আলিফের তাজকিয়া নামের আড়াই বছরের কন্যাসন্তান বুঝতে পারছে না তার বাবা আর নেই। তাকিয়া অপলক চোখে তাকিয়ে আছে সবার দিকে।

    রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মুক্তির দাবিতে চালানো সংঘর্ষের সময় মঙ্গলবার চট্টগ্রাম আদালত ভবনের প্রবেশমুখে রঙ্গম কনভেনশন হলের পেছনে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফকে।

    আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ ৫ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে তৃতীয়। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মেধাবী ছিলেন। সাইফুল ইসলাম আলিফ লোহাগাড়ার আধুনগর ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে জিপিএ ফাইভ পেয়ে দাখিল পাশ করেছিলেন। চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (আইআইইউসি) থেকে এলএলবি এলএলএম পাশ করে আইন পেশায় নিযুক্ত হন।

    ২০১৮ সাল থেকে আইনজীবী হিসেবে চট্টগ্রাম আদালতে প্র্যাকটিস করতেন। সম্প্রতি তিনি চট্টগ্রাম আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

    নিহত আলিফের বড় ভাই খানে আলম বলেন, সাড়ে তিন বছর আগে বিয়ে করেন আলিফ। তাদের তাজকিয়া নামের আড়াই বছরের এক কন্যাসন্তান আছে। তারিন এখন ৭ মাসের সন্তানসম্ভবা। আমার ভাইয়ের পরিবারকে কী দিয়ে সান্ত্বনা দেব বলেই কেঁদে উঠেন।

    তিনি আরও বলেন, খুনিরা আমার ভাইয়ের অনাগত সন্তানের মুখ দেখতে দেয়নি, নৃশংসভাবে জবাই করে হত্যা করেছে। অবিলম্বে খুনিদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

    কথা হয় নিহতের কয়েকজন প্রতিবেশীর সঙ্গে। তারা জানান, আলিফ অত্যন্ত ভদ্র, নম্র ও ধর্মভীরু ছিল। তার মৃত্যুতে পুরো এলাকার মানুষ শোকের সাগরে ভাসছে।

  • সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

    সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

    বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ছাত্র-জনতা এবং হিন্দু-মুসলিমসহ জাতি ধর্ম নির্বিশেষ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

    বুধবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জ্যেষ্ঠ নেতৃবন্দের বৈঠককালে তিনি এ কথা বলেন।

    পরে প্রধান উপদেষ্টরা প্রেস সচিব শফিকুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশবাসীকে শান্ত থাকতে বলেছেন এবং শান্তি ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা দিয়েছেন।’

    বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকেও জাতীয় ঐক্যের কথা বলা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন শফিকুল আলম।

    চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের হত্যাকাণ্ড এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে জানান প্রেস সচিব।

    তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে যা যা করার দরকার, সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিয়েছে।’

    প্রেস সচিব জানান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) ইতোমধ্যে ৩৩ জনকে আটক করেছে। এর মধ্যে সাইফুল ইসলাম হত্যার ভিডিও দেখে সন্দেহভাজন ৬ ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় ২১জন এবং আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ৬ জনকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে।

    বৈঠকে বিএনপির প্রতিনিধিলে ছিলেন-দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাউদ্দিন আহমেদ।

  • এসপি বাবুল আক্তারের জামিন

    এসপি বাবুল আক্তারের জামিন

    স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।ফলে বাবুল আক্তারের মুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।

    বুধবার বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি আলী রেজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    আদালতে বাবুলের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।তিনি বলেন, বাবুল আক্তার অন্য মামলায় আগে থেকেই জামিনে আছেন। আজ স্ত্রী হত্যা মামলায় জামিন পাওয়ায় তার মুক্তিতে আর বাধা নেই।পুলিশের সাবেক এই কর্মকর্তা তিন বছর ৭ মাস ধরে কারাগারে আছেন, এই বিবেচনায় আদালত তাকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছেন। একই সঙ্গে বাবুল আক্তারকে কেন স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন।

    দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত ১৪ আগস্ট চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জসিম উদ্দিনের আদালতে জামিন আবেদন করেছিলেন বাবুল আক্তার। ১৮ আগস্ট জামিন নামঞ্জুর করে আদেশ দেন বিচারক। পরে তিনি জামিনের জন্য হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

    ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরীর পাঁচলাইশ থানার ও আর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে বাসার কাছে গুলি ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয় মিতুকে। স্ত্রীকে খুনের ঘটনায় পুলিশ সদর দপ্তরের তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তার বাদী হয়ে হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে।

    গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদসহ নানা নাটকীয়তার পর ওই বছরের আগস্টে বাবুল আক্তারকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে তাকে স্ত্রী হত্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে বাবুল আক্তার কারাগারে রয়েছেন।

    ২০২২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সাতজনকে আসামি করে আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে। ১০ অক্টোবর আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। চলতি বছরের ১৩ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। অভিযোগপত্রে প্রধান আসামি করা হয়েছে মিতুর স্বামী ও সাবেক এসসি বাবুল আক্তারকে।

    অভিযোগপত্রে আরও যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন- মো. কামরুল ইসলাম শিকদার মুছা, এহতেশামুল হক, হানিফুল হক, মো. মোতালেব মিয়া ওয়াসিম, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. খাইরুল ইসলাম কালু এবং শাহজাহান মিয়া। আসামিদের মধ্যে শুধু মুসা পলাতক রয়েছেন।

  • ৪৬ তম বিসিএস প্রিলির পুনরায় ফল প্রকাশ

    ৪৬ তম বিসিএস প্রিলির পুনরায় ফল প্রকাশ

    ৪৬ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পুনরায় ফলাফল প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ।

    বুধবার বিকালে এ ফল প্রকাশিত হয়। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আনন্দ কুমার বিশ্বাস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২৩ এর প্রিলিমিনারি (MCQ Type) টেস্টে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মধ্যে ২১ হাজার ৩৯৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার জন্য সাময়িকভাবে (provisionally) উত্তীর্ণ হয়েছেন।

    এর আগে ৯ মে ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয় । এতে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন ১০ হাজার ৬৩৮ জন প্রার্থী। তবে পুনরায় ফল প্রকাশে ২১ হাজার ৩৯৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।

    গত ২৬ এপ্রিল ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হয়। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন কেন্দ্রে চাকরিপ্রার্থীরা অংশ নেন। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২০০ নম্বরের এ পরীক্ষা হয়। ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারিতে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৫৬১ প্রার্থী অংশ নিয়েছেন। পরীক্ষা দেননি ৮৩ হাজার ৪২৫ জন। উপস্থিতির হার ৭৫।

    এ বিসিএসে ৩ হাজার ১৪০টি পদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে। এ ছাড়া সহকারী সার্জন ১ হাজার ৬৮২ জন, সহকারী ডেন্টাল সার্জন ১৬ জন নেওয়া হবে। এরপর সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে শিক্ষা ক্যাডারে। বিভিন্ন বিষয়ে এ ক্যাডার থেকে বিসিএস শিক্ষায় ৫২০ জন নেওয়া হবে।