Blog

  • প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি

    প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি

    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল।

    বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বৈঠক শুরু হয়।

    দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে উপস্থিত রয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমেদ।

    বিএনপির সূত্রে জানা যায়, দেশের চলমান পরিস্থিতি, সংস্কার কার্যক্রম, নির্বাচনী রোডম্যাপ ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে আলোচনা করবেন তারা।

  • ইসকনকে নিষিদ্ধের দাবি হেফাজতে ইসলামের

    ইসকনকে নিষিদ্ধের দাবি হেফাজতে ইসলামের

    চট্টগ্রামে আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম ওরফে আলিফকে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম। একই সঙ্গে তারা ইসকনকে সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে। মঙ্গলবার রাতে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব সাজেদুর রহমান।

    সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী সই করা এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে উগ্র হিন্দুত্ববাদী ইসকনের কর্মী-সমর্থকেরা চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে সন্ত্রাসী আক্রমণ চালিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। ভারতের উসকানি ও মদদে এ ষড়যন্ত্রমূলক অরাজকতা তৈরি করা হয়েছে বলে আমরা মনে করি। এ ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত ইসকনের কর্মী-সমর্থকদের দ্রুত গ্রেফতার করে শহিদ সাইফুল হত্যার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে। সন্ত্রাসী কার্যক্রমের দায়ে হিন্দুত্ববাদী ইসকনকে নিষিদ্ধ করতে হবে।’

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ভারতের কোনো ফাঁদে পা না দিতে সাধারণ সনাতনী হিন্দু ভাইবোনদের প্রতি আমরা আহ্বান করছি। আর যারা ভারতের চক্রান্তের সঙ্গে একীভূত হয়ে দেশবিরোধী অরাজকতা তৈরি করতে সক্রিয়, তাদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার নজির দেখাতে হবে সরকারকে।’

  • ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে গুজব, যে জবাব দিল প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে গুজব, যে জবাব দিল প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং

    গত ৫ আগস্ট তীব্র প্রাণঘাতী গণআন্দোলনের মুখে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে আশ্রয় নেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে, একচেটিয়া ভুয়া তথ্য আর গুজব প্রচার করে আসছে বেশিরভাগ ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। এসব প্রতিবেদনের বেশিরভাগ একপাক্ষিক এবং ধারণাপ্রসূত।

    এবার চট্টগ্রামে সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও বহিষ্কৃত ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর অনুসারীদের হাতে খুন হওয়া আইনজীবী সাইফুল ইসলাম হত্যার বিষয়েও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করেছে ভারতের অনেক সংবাদমাধ্যম। শুধু তাই নয়, ভারতের অনেক এক্স (সাবেক টুইটার) একাউন্ট থেকে এই খুনের ঘটনা ভিন্নভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম রিপাবলিক মিডিয়া নেটওয়ার্কের ইংরেজি ভাষার চ্যানেল থেকে দাবি করা হয়েছে, চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর হয়ে আইনি লড়াই করছিলেন মুসলিম আইনজীবী সাইফুল ইসলাম। আর পুলিশের গুলি ও সংঘর্ষে সাইফুল খুন হয়েছেন।

    ওপি ইন্ডিয়া নামে আরেক ওয়েবসাইট থেকে একই দাবি করা হয়। শুরুতে তাদের প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল- ‘Muslim lawyer defending ISKCON monk Chinmoy Krishna killed amid protests’।

    পরে তারা শিরোনাম পাল্টে লিখে, ‘Bangladesh: Chittagong lawyer killed amid violent protests following the arrest of ISKCON monk Chinmoy Krishna Das’।

    এসব বিভ্রান্তিকর খবরের জবাব দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

    বুধবার সামাজিকমাধ্যমের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘কিছু ভারতীয় গণমাধ্যম দাবি করছে, আজ (মঙ্গলবার) চট্টগ্রামে নির্মমভাবে খুন হওয়া আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের প্রতিনিধিত্ব করছিলেন। দাবিটি মিথ্যা এবং খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে ছড়ানো হচ্ছে’।

    এতে আরো বলা হয়, ‘চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের ওকালতনামা অনুযায়ী, তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট শুভাশীষ শর্মা। আমরা সকলকে যেকোনো প্রকার উস্কানিমূলক, মিথ্যা প্রতিবেদন থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করছি’।

    বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ভারত থেকে একের পর এক ভুয়া তথ্য প্রচার জনমানসে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। যা এখানে হিংসা এবং সংঘাতে উসকানি দিচ্ছে। গত কয়েক মাসের প্রতিবেদন যাচাই করলে দেখা যায়, রিপাবলিক মিডিয়া নেটওয়ার্ক এসব অপতথ্যের সবচেয়ে বড় সরবরাহক।

    এদিকে একই দিনে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে গ্রেফতার এবং জামিন আবেদন নামঞ্জুর করার ঘটনায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বিবৃতিরও প্রতিবাদ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে একটি বিষয়ে আজ (২৬ নভেম্বর ২০২৪) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া একটি বিবৃতি সরকারের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। অত্যন্ত হতাশা ও অত্যান্ত পরিতাপের সাথে বাংলাদেশ সরকার লক্ষ্য করছে যে, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে নির্দিষ্ট অভিযোগে গ্রেফতারের পর থেকে একটি মহল ভুল ধারণা পোষণ করছে। এই ধরনের ভিত্তিহীন বিবৃতি শুধু সত্যকে বিকৃত করে না বরং দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও বোঝাপড়ার চেতনার পরিপন্থী।’

  • আইনজীবী সাইফুল হত্যার ভিডিও দেখে সন্দেহভাজন ৬ জন আটক

    আইনজীবী সাইফুল হত্যার ভিডিও দেখে সন্দেহভাজন ৬ জন আটক

    চট্টগ্রামে আদালত চত্বরে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর অনুসারীদের হাতে খুন হওয়া সহকারী সরকারি কৌঁসুলি সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার ঘটনায় আইনি অগ্রগতি জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়। এক বার্তায় বলা হয়েছে, ভিডিও দেখে সন্দেহভাজন অন্তত ছয় জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    গণমাধ্যমে পাঠানো বার্তায় জানানো হয়, আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন অন্তত ছয়জনকে আটক করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ। ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে এই ছয়জনকে শনাক্ত করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার সংঘর্ষ চলাকালে ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ২১ জনকে আটক করেছে সিএমপি। বন্দরনগরীতে দেশীয় ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ (ককটেল) সহ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    গতকাল মঙ্গলবার রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মুক্তির দাবিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আইনজীবীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান তার অনুসারীরা। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে চিন্ময় দাসের অনুসারীরা আদালত ভবনের নীচ থেকে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে তুলে নিয়ে রঙ্গম কনভেনশন হলের পেছনে নিয়ে যায়। সেখানে রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবীকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে ফেলে চলে যায়।

    এই হত্যার ভিডিও ফুটেজ সামাজিকমাধ্যম মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, একদল উগ্রবাদী বিক্ষোভকারীদের হামলায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছেন আইনজীবী আলিফ। তার ঘাড় এবং মাথা থেকে ক্রমাগত রক্ত ঝরছে। কিন্তু এরপরও তার ওপর নির্মম হামলা চালিয়ে যান চিন্ময় দাসের অনুসারীরা।

    এদিকে আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদালত প্রাঙ্গণে নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সকালে আদালতে লাশ নিয়ে আসা হলে কান্নায় ভেঙে পড়েন বেশির ভাগ আইনজীবী। তারা অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেন।

    এরপর আলিফের মরদেহ নগরের জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশ নেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং নাগরিক কমিটির সদস্য ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম।

  • ভোটার হতে গিয়ে ৪ রোহিঙ্গা গ্রেফতার

    ভোটার হতে গিয়ে ৪ রোহিঙ্গা গ্রেফতার

    নীলফামারীতে ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে ভোটার হতে গিয়ে চার রোহিঙ্গা যুবক গ্রেফতার হয়েছেন। মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। এর আগে সোমবার সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তাদের আটক করা হয়

    নীলফামারী সদর থানা–পুলিশের পরিদর্শক এম আর সাঈদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘রোহিঙ্গা চার যুবকের বিরুদ্ধে রাতে সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। আজ দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

    গ্রেফতারা হলেন–কক্সবাজার উখিয়া জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্প সাব ব্লক-এফ/ ১৫ এর মো. আবুল হাসেমের ছেলে মো. আমজাদ (২৪), একই উপজেলার কুতুবপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প ব্লক-জি/ ২ এর মৃত করিমুল্লাহর ছেলে মো. আরাফাত নূর (২৪), উখিয়া বালুখালি রোহিঙ্গা ক্যাম্প ৮-ই ব্লক-বি/ ২৭ এর বাসিন্দা গুলই হোসাইনের ছেলে আনছ ওরফে আনোজ ওরফে আরোশ (২৪) এবং উখিয়া পূর্বদরহাবিল গ্রামের নাজির হোসেনের ছেলে হাফিজ উল্লাহ্ (২৫)। তিনি ওই গ্রামের এক নারীকে বিয়ে করে সেখানে বসবাস করেন।

    সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সামসুল আযম জানান, ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য গত সোমবার ওই চার যুবক তার কার্যালয়ে আসেন। তারা সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নের মহব্বত বাজিতপাড়া (ভোটার এলাকার কোড নম্বর-০৩১৬) গ্রামে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেন।

    তাদের জন্ম নিবন্ধন ও পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রসহ সংযুক্ত সকল কাগজপত্র ভুয়া। প্রত্যেকেই চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদে তারা রোহিঙ্গা নাগরিক এবং কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা বলে স্বীকার করেন

  • ‘ইসকন’ বিষয়ে জানতে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিলেন হাইকোর্ট

    ‘ইসকন’ বিষয়ে জানতে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিলেন হাইকোর্ট

    চট্টগ্রামে আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম ওরফে আলিফকে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন সংগঠন। তারা একই সঙ্গে ইসকনকে সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে। আইনজীবী মনিরুজ্জামান ‘ইসকন নিষিদ্ধ’ চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপক্ষের মতামত জানতে জরুরি ভিত্তিতে অ্যাটর্নি জেনারেলকে আদালতে ডেকে পাঠানো হয়। বুধবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের হাইকোর্ট বেঞ্চে পত্রিকাসহ আবেদন করেন আইনজীবী। যেখানে মঙ্গলবারের প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়।

    আদালতে এসে অ্যার্টনি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানান, সারা দেশের মানুষের মত তারও হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। কিন্তু এ বিষয় এখনই কোনো সিদ্ধান্ত যেন আদালত না নেন। কারণ সরকার এরই মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। সরকারের কাছে এটি এখন ১ নাম্বার এজেন্ডা।

    আসাদুজ্জামান আরও বলেন, যে কেউ কোনো অ্যাঙ্গেল থেকে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। সরকার জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। সাম্প্রতিক ইস্যুতে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

    এ সময় হাইকোর্ট বলেন, এরা কারা? এদের পরিচয় কি?

    আদালত আরও বলেন, চট্টগ্রাম-রংপুরে এসব কী শুরু হয়েছে? এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এ বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে।

    পরে হাইকোর্ট বলেন, বিকালের মধ্যে আমাদের বিস্তারিত জানান। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আমাকে একটা দিন সময় দিন। আগামীকাল এ বিষয়ে জানাব, আজকের মধ্যে সম্ভব হবে না।

    পরে হাইকোর্ট বলেন, ঠিক আছে কালকের মধ্যে একটা প্রতিবেদন দেন। তবে কোনো ভাবেই যেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

    প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনজীবীদের সঙ্গে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর অনুসারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় এক আইনজীবী নিহতের ঘটনা ঘটে।

    গতকাল মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ইসকনের অনুসারীরা চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা শুরু করলে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ তাদের বাধা দেন। এরপর তাকে তুলে নিয়ে আদালতের প্রধান ফটকের বিপরীতে রঙ্গম টাওয়ারের সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সাইফুলকে কুপিয়ে আহত করে ইসকন সদস্যরা। গুরুতর আহত অবস্থায় সাইফুলকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

  • মিরপুরে শারমিনের ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশের রেকর্ড পুঁজি

    মিরপুরে শারমিনের ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশের রেকর্ড পুঁজি

    আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ পেল বাংলাদেশ নারী দল। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ২৫৪ রান করেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৯ বলে ১৪ চারে ৯৬ রান করেন শারমিন সুপ্তা।

    এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডেতে ২৫০ রান করেছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। এতদিন পর্যন্ত সেটিই ছিল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দলীয় রানের রেকর্ড।

    বুধবার সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে মিরপুর শের-ই-বাংলায় টস জিতে শুরুতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।

    ব্যাট করতে নেমে উইকেট ধরে রেখে সাবধানী শুরু করে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার ফারজানা হক ও মুর্শিদা খাতুনের উদ্বোধনী জুটি থেকে আসে ৫৯ রান।

    ৬১ বলে ৩৮ রান করে মুর্শিদা আউট হলে ভাঙে ওপেনিং জুটি। তবে অন্য প্রান্তে অর্ধশতকের দেখা পেয়েছেন ফারজানা হক। চার বাউন্ডারিতে ১১০ বলে ৬১ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই ব্যাটার। এরপর অধিনায়ক জ্যোতিকে জুটি গড়ে তোলেন শারমিন সুপ্তা।

    অবশ্য ভালো শুরু পেলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি জ্যোতি। ২৮ বলে সমান সংখ্যক রান করে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন অধিনায়ক।

    শেষ দিকে ইনিংসের ৪৯ তম ওভারে ফ্রেয়া সার্জেন্টের বলে আর্লেন কেলির হাতে ক্যাচ আউট হয়ে সেঞ্চুরির স্বপ্নভঙ্গ হয় শারমিন সুপ্তার। সাজঘরে ফেরার আগে ১৪টি চারের মারে ৮৯ বলে ৯৬ রানের ইনিংস খেলেন এই ব্যাটার।

    শেষ দিকে অপরাজিত থাকেন স্বর্ণা আক্তার (১৩) ও সুবহানা মোস্তারি (৫)। সফরকারী মেয়েদের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট শিকার করেছেন ফ্রেয়া সার্জেন্ট।

  • মার্কিন দূতাবাসে গেলেন খালেদা জিয়া

    মার্কিন দূতাবাসে গেলেন খালেদা জিয়া

    ঢাকাস্থ আমেরিকান দূতাবাসে গেলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বুধবার (২৭ নভেম্বর) দুপুর ২ টা ২২ মিনিটে তার নিজ বাসভবন ফিরোজা থেকে দূতাবাসে যান তিনি।

    বিএনপির একটি সূত্র এতথ্য নিশ্চিত করেন।

    সূত্র জানায়, আমারিকার ভিসার জন্য ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে দূতাবাসে গেছেন। এ সময়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে রয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও স্থায়ী কমিটির সদস্য ডাক্তার এ জেড এম জাহিদ হোসেন, দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ।

  • বরিশালে শব্দ দূষণ বন্ধে বরিশালে র‍্যালী ও লিফলেট বিতরণ

    বরিশালে শব্দ দূষণ বন্ধে বরিশালে র‍্যালী ও লিফলেট বিতরণ

    “চলো যাই যুদ্ধে শব্দ দূষণের বিরুদ্ধে” এই স্লোগান বাস্তবায়নে বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় প্রচার প্রচারণা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও নিরাপদ সড়ক চাই ( নিসচা) বরিশাল জেলা কমিটি।

    শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বরিশাল সদর হাসপাতাল এলাকা সরকার ঘোষিত নিরব এলাকা। নিরব এলাকায় শব্দ দূষণ বন্ধ ও সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে র‍্যালী, লিফলেট বিতরণ ও পথসভা মাধ্যমে শব্দ দূষণ সৃষ্টির অপরাধ ও শাস্তির বিষয়গুলো জনসাধারণের মাঝে প্রচার প্রচারণা করা হয়েছে।

    পরিবেশ অধিদপ্তরের আয়োজন ও নিসচা বরিশাল জেলা কমিটির সহযোগীতায় অনুষ্ঠিত সচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় পরিচালক মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা পুলিশে কর্মরত পুলিশ সুপার মোঃ কামরুল আহসান। নিসচার সদস্য জুবায়ের ইসলাম চৌধুরীর সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন, নিসচার সভাপতি সহকারী অধ্যাপক মো: রুহুল আমিন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো: কামাল মেহেদী, পরিদর্শক মো: তারেক আজিজ, অফিস সহকারী মো: তাজুল ইসলাম, মো: সাইমুন হোসেন,নথুল্লাবাদ বাস মালিক সমিতির সভাপতি মো: ইউনুস খান, রুপাতলী শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো: আবুল কালাম আজাদ, বিআরটিসি প্রতিনিধি মো: মশিউর রহমান, নিসচার আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. গোলাম মর্তুজা তপু, দূর্ঘটনা বিষয়ক সম্পাদক এসএম রুবেল মাহমুদ, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মো: গোলাম কিবরিয়া অপু, সদস্য মো: ইমরান হাসান মাইনুল, মো: রুবেল হাওলাদার হিমেল, মেট্রোপলিটন পুলিশ সদস্যসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

    প্রচার প্রচারণা মূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো: মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ আইন-২০০৬ অনুসারে শব্দ দূষণ সৃষ্টি করা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।

    সরকার ২০২০ সালে বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সদর হাসপাতাল এলাকাকে নিরব এলাকা ঘোষণা করেছে। কিন্তু নিরব এলাকায় হর্ণ বাজানোসহ শব্দ সৃষ্টি করা যে একটা দণ্ডনীয় অপরাধ এটা অনেকেই জানে না বা মানে না।

    শব্দ নিয়ন্ত্রণে আমরা জনসচেতনতা মূলক র‍্যালী, লিফলেট বিতরণ ও পথসভার আয়োজন করেছি। আগামীতে এই শব্দ দূষণের বিরুদ্ধে শেবাচিম এলাকায় আমরা মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করবো।

    বিশেষ অতিথি পুলিশ সুপার মোঃ কামরুল আহসান বলেন, সড়কে চলাচল ও মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের সবাইকে আইন মেনে চলতে হবে। সবাই যদি সড়ক আইন মেনে চলি তাহলে সড়কে বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপদ সড়ক নির্মাণ করা সম্ভব হবে।

  • কথা শোনেননি তাসকিন, ছয় উইকেট পাওয়ার পর যা লিখলেন স্ত্রী

    কথা শোনেননি তাসকিন, ছয় উইকেট পাওয়ার পর যা লিখলেন স্ত্রী

    অ্যান্টিগা টেস্টে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেছেন তাসকিন আহমেদ। প্রথমবারের মতো লাল বলের ক্রিকেটে ইনিংসে পাঁচ উইকেট পেয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে তার বোলিং পরিসংখ্যান ৬৪ রানে ৬ উইকেট। স্বামীর এমন আগুনে বোলিংয়ের পর তাকে নিয়ে ফেসবুকে আবেগঘন এক পোস্ট দিয়েছেন তাসকিনের স্ত্রী সৈয়দা নাঈমা রাবেয়া।

    মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) দীর্ঘ সেই ফেসবুক পোস্টে রাবেয়া জানান, মাথায় আঘাত নিয়ে এই ম্যাচে খেলছেন তাসকিন। চোটের কারণে তাকে খেলতে নিষেধ করার পরও সে কথা কানে না তুলে দলের জন্য নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছে তিনি, করেছেন ক্যারিয়ারসেরা বোলিং।

    তাসকিনের স্ত্রী এতে বেশ খুশি। তিনি লিখেছেন, ‘গতকাল ফজরের একটু আগে জানতে পারলাম তাসকিন মাথায় আঘাত পেয়েছেন। খবরটা শোনার পর খুব কষ্ট পেলাম। কারণ, আমার তো তার জন্য দুয়া করা ছাড়া কিছু করার ছিল না। আমি তার থেকে অনেক দূরে। তাকে বলেছিলাম, যদি ঘাড় ও মাথা ব্যথা না কমে তাহলে খেলো না। ঔষধ দিয়ে আর কতটুকুই ব্যথা সারে? যেখানে আমি চাচ্ছিলাম না তাসকিন খেলুক তার ব্যথা নিয়ে, সেখানে আজ তিনি ছয় উইকেট পেয়েছেন আর দুইটা উইকেট মিসও হয়েছে। এটাও ভালোর জন্য।’

    কেন হঠাৎ এমন পোস্ট দিলেন, সেটিও শেষে স্পষ্ট করেছেন রাবেয়া। মূলত, মাঠের বাইরে খেলোয়াড়দের অজানা ত্যাগের গল্পগুলো জানাতেই তাসকিনপত্নীর এমন পোস্ট।

    রাবেয়া যোগ করেন, ‘এমন অনেক গল্প আছে। আজ এটি শেয়ার করেছি শুধু আমার স্বামী বলে নয়। অনেক খেলোয়াড়ই অনেক সময় অনেক ব্যথা নিয়ে খেলেন। কেউ ইচ্ছা করে হারতে চায় না বা খারাপ করতে চায় না। আপনারা তো খালি মাঠের গল্প দেখেন ও শোনেন, আর এটা ছিল মাঠের বাইরের না জানা ঘটনা।’