Blog

  • শাড়িতে ভক্তদের নজর কাড়লেন শবনম ফারিয়া

    শাড়িতে ভক্তদের নজর কাড়লেন শবনম ফারিয়া

    শবনম ফারিয়া ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী। নাটক ও টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে পরিচিতি পান। তিনি অনম বিশ্বাস পরিচালিত ‘দেবী’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন।

    যেখানে তার অভিনয় প্রশংসিত হয় এবং তিনি শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রীর জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সরব তিনি।

    সম্প্রতি শবনম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ছবি ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করেছেন। যেখানে দেখা যায়, বেনারসি শাড়িতে ভক্তদের মাঝে নজর কেড়েছেন।

    খোলা চুলে লো মেকআপ লুকে বেনারসি শাড়িতে অভিনেত্রীকে বেশ মানিয়েছে। হাতে ব্রেসলেট, গলায় মালা, কারে ঝুমকা যেন পুরোদমে বাঙালি সাজে ধরা দিয়েছে।

    মিষ্টি হাসি, চোখের চাহনি, আর নজরকাড়া লুকে ভক্তদের মনে ঝড় তুলেছে। কমেন্ট বক্সে ভক্ত-অনুরাগীরা অভিনেত্রীর রূপের প্রশংসা করে আরিয়ানা হোসেন লিখেছেন, ‘দারুণ শাড়ি তার সঙ্গে আপনাকে অনেক মানিয়েছে।’

    আরেকজনের ভাষ্য, ‘আমি কখনো ফুলকে হাসতে দেখি নাই বাট আমার ব্যক্তিগত ফুল সাবনাম ফারুকে আমি সব সময় হাসতে দেখি।’

    সানাউল হক সুমন লিখেছেন, অসাধারণ লাগছে আপু।

  • কী ঘটছে পাকিস্তানে, কতদিন চলবে?

    কী ঘটছে পাকিস্তানে, কতদিন চলবে?

    ব্যারিকেড ভেঙে রাজধানী ইসলামাবাদে প্রবেশ করেছে পাকিস্তানের কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের হাজারও সমর্থক। মঙ্গলবার সকালেই রাজধানীর চারপাশে স্থাপিত ব্যারিকেড ভেঙে ইসলামাবাদে প্রবেশ করেন তারা। এ সময় তারা নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন এবং ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন। সংঘর্ষে ইতোমধ্যে ছয়জনের নিহতের খবর পাওয়া গেছে।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন—এর খবরে বলা হয়েছে, বিক্ষোভ ঠেকাতে পাকিস্তান সরকার সারা দেশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করেছে, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে এবং রাজধানীতে প্রবেশের প্রধান সড়কগুলোতে ব্যারিকেড স্থাপন করেছিল, যাতে বিক্ষোভকারীরা প্রবেশ করতে না পারে। এর আগে ইমরান খান তার সমর্থকদের পার্লামেন্ট অভিমুখে মিছিল করার আহ্বান জানান।

    পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি সাংবাদিকদের জানান, বিক্ষোভকারীরা ইসলামাবাদের উপকণ্ঠে অবস্থান করতে পারে, তবে তারা শহরের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।

    এই বিক্ষোভ এমন সময়ে ঘটছে, যখন ইসলামাবাদে নিরাপত্তা ব্যাপক বাড়ানো হয়েছে। কারণ বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো সোমবার তিনদিনের সফরে পাকিস্তান পৌঁছেছেন।

    কী ঘটছে

    পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের পেশোয়ার থেকে ইমরান খানের সমর্থকদের একটি গাড়িবহর গত রোববার ‘লং মার্চের’ অংশ রাজধানী ইসলামাবাদের দিকে রওনা দেয়। পেশোয়ার থেকে ইসলামাবাদের দূরত্ব প্রায় ১৮০ কিলোমিটার। এই গাড়িবহরের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইমরান খানের স্ত্রী বুশরা বিবি এবং খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আলী আমিন গান্দাপুর। এই প্রদেশে খানের দল ক্ষমতায়। বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্টের নিকটবর্তী বড় খোলা এলাকা ডি-চকে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ করার পরিকল্পনা করেছিল।

    বিক্ষোভকারীরা সোমবারই ইসলামাবাদের উপকণ্ঠে পৌঁছে যান। পথে তাদের ব্যাপক বাধাঁর সম্মুখীন হতে হয়। তবে এই সময়ে কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। তবে বিভিন্ন স্থানে পুলিশ মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে এবং সড়কগুলো শিপিং কনটেইনার দিয়ে অবরোধ করে অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, একটি পুলিশ চৌকিতে আগুন জ্বলছে এবং মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদের ঠিক বাইরে এবং পাঞ্জাব প্রদেশের অন্যান্য স্থানে ২২টি পুলিশ যানবাহন পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে মঙ্গলবার সকালে বিক্ষোভকারীরা ইসলামাবাদ শহরের প্রবেশপথগুলোতে স্থাপিত ব্যারিকেড ভেঙে প্রবেশ করেন এবং একটি বড় মিছিল শহরের জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করতে দেখা যায়। পরে বহরটি ইসলামাবাদের বাণিজ্যিক এলাকা ‘ব্লু এরিয়া’ হয়ে ডি-চকের দিকে অগ্রসর হয়। ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনগুলো, যেমন পার্লামেন্ট, সুপ্রিম কোর্ট এবং সচিবালয়ের বাইরে সৈন্যদের অবস্থান করতে দেখা যায়।

    বিক্ষোভ চলতে কতদিন

    পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি বলেছেন, নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তারপরও পুলিশ বিক্ষোভকারীদের প্রতি ‘সংযম’ দেখাচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি বিক্ষোভকারীরা সীমা অতিক্রম করে, তাহলে নিরাপত্তা বাহিনীও পাল্টা গুলি চালানোর অনুমতি পেয়েছে। তিনি আরও জানান, কারফিউ জারি করা বা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করার মতো অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

    শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানের ফেডারেল রাজধানী ইসলামাবাদে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশটির সংবিধানের ২৪৫ অনুচ্ছেদের আওতায় রাজধানীতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে। নিরাপত্তা বাহিনীর এক সূত্র জানিয়েছে, সেনাবাহিনীকে অনুচ্ছেদ ২৪৫-এর আওতায় মাঠে নামানো হয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি মোকাবিলায় কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে অস্থিতিশীলতা এবং সশস্ত্র হামলাকারীদের শক্ত হাতে দমন করা হয়। এ ছাড়া, ‘দেখামাত্র গুলি’ করার নির্দেশও জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রটি।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাকভি বলেন, রেঞ্জারসরা (আধাসামরিক বাহিনী) গুলি চালাতে পারে এবং তাদের অনুমতি দেওয়া হলে—পাঁচ মিনিটের মধ্যেই কোনো বিক্ষোভকারীই (ইসলামাবাদে) থাকবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘যে কেউ এখানে (ডি-চকে) পৌঁছাবে, তাকেই গ্রেফতার করা হবে।

    এদিকে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ এই বিক্ষোভ মিছিলকে শান্তিপূর্ণ আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেছে, সরকার অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করছে এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়েছে। পিটিআই জানিয়েছে, প্রায় দুই ডজন বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন।

    বিগত কয়েকদিনে, বিক্ষোভ ঠেকাতে ব্যাপক ধরপাকড় চালিয়েছে সরকার। পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে ইমরান খানের হাজার হাজার সমর্থককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাতে বিক্ষোভ মিছিল রোধ করা যায়। এই সংখ্যাটি প্রায় ৪ হাজার।

    অপরদিকে সম্ভাব্য সব ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ইসলামাবাদ ও নিকটবর্তী রাওয়ালপিন্ডির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কেবল তাই নয়, রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সব ধরনের আন্তঃনগর গণপরিবহন ও টার্মিনাল বন্ধ রাখা হয়েছে।

    পিটিআইয়ের জ্যেষ্ঠ নেতা কামরান বঙ্গাশ বলেছেন, বিক্ষোভকারীরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং আমরা ইসলামাবাদে পৌঁছাবই। তিনি আরও বলেন, আমরা একে একে সব বাধা অতিক্রম করব।

  • জুলাই বিপ্লব ইতিহাসের ইতিবাচক পরিবর্তন: ডা. শফিকুর রহমান

    জুলাই বিপ্লব ইতিহাসের ইতিবাচক পরিবর্তন: ডা. শফিকুর রহমান

    আওয়ামী লীগের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে ২৪’র ছাত্র জনতার ‘জুলাই বিপ্লব’ ইতিহাসের ইতিবাচক পরিবর্তন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব ইতিহাসের একটি ইতিবাচক পরিবর্তন। এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে আল্লাহ উর্বর করে আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন। এই জমিনে আমরা কী চাষ করব, কীভাবে চাষ করব- তা আমাদের ওপর নির্ভর করবে।

    গতকাল সোমবার (২৬ নভেম্বর) রাত আটটায় রাজধানীর আল-ফালাহ মিলনায়তনে ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের থানা দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    জন আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, মানুষ দোয়া করছে ও চাচ্ছে ক্ষমতা যেন ভালো লোকদের হাতেই আসে। লোকেরা বলছেন যে তারা অপেক্ষা করছেন।

    তিনি বলেন, জামায়াতের প্রতি মানুষের প্রত্যাশার জায়গা তৈরি হয়েছে। মানুষ জামায়াতের হয়ে কাজ করতে চাওয়ার অভিব্যক্তিও তুলে ধরেন তিনি।

    দলের নেতাদের শহিদ করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, হাজার হাজার ষড়যন্ত্র আছে, থাকবে। দুনিয়া যতদিন আছে ষড়যন্ত্র ততদিন থাকবে। কোনো সময়ই এই ধরনের ষড়যন্ত্রের বাইরে ছিল না- হযরত আদম (আ.)-এর বিরুদ্ধেও শয়তান ষড়যন্ত্র করেছিল। এজন্য মানুষ শয়তান ও জ্বিন শয়তান থেকে বাঁচার জন্য কোরআনে একটি সূরাও নাযিল করেছেন আল্লাহ তায়ালা।

    আল্লাহর মকবুল বান্দা হওয়ার জন্য দুটো জিনিস তাক্বওয়া ও তাওয়াক্কুল অর্জনের কথা নেতাকর্মীদের স্মরণ করিয়ে দেন তিনি।

    জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নিরেট কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়, সামাজিক সংগঠনও নয়, আবার শুধু দাওয়াহ সংগঠনও নয়- দ্বিনের একটি পূর্ণাঙ্গ সংগঠন। এখানে সমস্ত উপাদান আছে- কোনো কিছু বাদ নেই।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াতের প্রতি মানুষের ভালোবাসার জায়গা তৈরি হয়েছে। এই জায়গা যেন নষ্ট না হয়, যেন যত্ন নেওয়া হয়- নেতা-কর্মীদের সতর্ক করেন তিনি।

    তিনি বলেন, আমরা যদি মানুষের ভালোবাসাগুলোর যত্ন নিতে পারি-তাহলে দ্বীন কায়েমের আমাদের ক্ষুধা ও পিপাসা আল্লাহ পূর্ণ করে দেবেন। আমরা আমাদের জন্য দ্বিনের বিজয় চাচ্ছি না, আমাদের মিল্লাতের জন্য চাচ্ছি। মিল্লাত বিজয় পেলে আমরাও তার অংশীদার হবো ইনশাআল্লাহ।

    জামায়াত আমির বলেন, ক্ষমতায় গিয়ে আমরা হাব-ভাব দেখাবো, স্বাদ নেবো আল্লাহ যেন এই নাপাক চিন্তা থেকে আমাদের মনকে মুক্ত রাখেন। অতীতের মুরব্বিরা (সাবেক দায়িত্বশীলরা) অনেক উদাহরণ সৃষ্টি করে গেছেন। ঐটাকে সামনে রেখে আরও সুন্দর সুন্দর উদাহরণ সৃষ্টি করব আমরা। তাহলেই তারা সার্থক হবেন। গোটা জাতিকে (মিল্লাতকে) আমাদের ধারণ করতে হবে।

    সভাপতির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন বলেন, নতুন বিপ্লবে ঢাকা মহানগরী উত্তরের থানা সভাপতি ও আমীরদের নতুনত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে। জামায়াতে ইসলামী একটি সামগ্রিক আন্দোলনের নাম। একটি পূর্ণাঙ্গ সংগঠন এবং পরিপূর্ণ ইসলামী আন্দোলন।

    সংগঠনকে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে নেতৃত্ব বাছাইয়ে মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন করার পাশাপাশি প্রয়োজনে তরুণদের এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মহানগরী আমির।

    কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মূসা ও ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, নাজিম উদ্দীন মোল্লা, ডা. ফখরুদ্দীন মানিক ও মাওলানা ইয়াসিন আরাফাত। দারসুল কোরআন পেশ করেন অধ্যাপক আবুল ইহসান।

    সমাবেশে ২০২৫-২০২৬ সেশনের জন্য রুকনদের ভোটে নির্বাচিত থানা আমীরদের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

  • রাষ্ট্রপতির কাছে বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করলেন প্রধান বিচারপতি

    রাষ্ট্রপতির কাছে বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করলেন প্রধান বিচারপতি

    রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে ‘সুপ্রিমকোর্টের বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২৩’ পেশ করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

    মঙ্গলবার দুপুরে বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে এ প্রতিবেদন পেশ করেন প্রধান বিচারপতি।এ সময় উপস্থিত ছিলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম।

    প্রধান বিচারপতি সাক্ষাৎকালে বার্ষিক প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।এ সময় রাষ্ট্রপতিকে প্রধান বিচারপতি জানান, ইতোমধ্যে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে।

    এ ছাড়া সুপ্রিমকোর্টের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কেও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন প্রধান বিচারপতি।

    এ সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, সুপ্রিমকোর্ট হলো বিচারপ্রার্থীদের সর্বশেষ ভরসাস্থল।

    সুপ্রিমকোর্টের সার্বিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন।তিনি প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে বিচার বিভাগ বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার যৌক্তিক সময়ে নিশ্চিত করতে সক্ষম হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি এবং প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন।

  • পরিবেশ রক্ষা করেই বাঁধ নির্মাণ করা হবে: রিজওয়ানা হাসান

    পরিবেশ রক্ষা করেই বাঁধ নির্মাণ করা হবে: রিজওয়ানা হাসান

    পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বোরো ফসল রক্ষা বাঁধের নামে অহেতুক কোনো প্রকল্প নেওয়া হবে না, যা পরিবেশের ক্ষতি করে। এককথায়- পরিবেশ রক্ষা করেই বাঁধ নির্মাণ করা হবে।

    মঙ্গলবার সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের রামসার প্রকল্পভুক্ত টাঙ্গুয়ার, বোরো ফসলি মাটিয়াইনসহ উপজেলার বিভিন্ন হাওড় পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    উদ্বেগ প্রকাশ করে উপদেষ্টা বলেন, হাওড়ে যেভাবে পলিথিন দেখলাম, এসব বিষয়ে আমরা একটি পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছি। হাওড়ের পরিবেশ-প্রকৃতি কিভাবে ঠিক থাকবে, তা নিয়ে আমরা একটি পরিকল্পনা করছি।

    তিনি আরও বলেন, হাওড়ের বোরো ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণে কেউ অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ে বাঁধের কাজ শেষে হবে।

    টাঙ্গুয়ার হাওড়ে ট্যুরিজম কার্যক্রম চলবে, তবে তা নিয়ন্ত্রিত এবং পর্যাপ্ত নজরদারির মধ্যে থাকবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, হাওড়াঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ বোরো ফসলের ওপর নির্ভরশীল। আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে; যাতে বড় ধরনের বন্যা আসার আগে কৃষকরা সোনালি ধান ঘরে তুলতে পারেন।

    হাওড় পরিদর্শনকালে কৃষি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সচিব, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    মঙ্গলবার বিকালে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃপক্ষ যুগান্তরকে জানায়, চলতি বছর বোরো মৌসুমে জেলার তাহিরপুরসহ বিভিন্ন উপজেলায় ১৩৪টি হাওড়ের বোরো ফসল রক্ষায় ১ হাজার ৭শ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ করা হবে।

  • উসকানিতে সাড়া না দিয়ে ধৈর্য ধরার আহ্বান আসিফের

    উসকানিতে সাড়া না দিয়ে ধৈর্য ধরার আহ্বান আসিফের

    চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে মুক্তির দাবিতে আন্দোলনকারীদের হামলায় সাইফুল ইসলাম আলিফ নামে এক আইনজীবী নিহত হওয়ার ঘটনায় ছাত্র-জনতাকে কোনো ধরনের উসকানিতে সাড়া না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই আহ্বান জানান।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, রাষ্ট্রদ্রোহ এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরকারই যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। সবাইকে ধৈর্য ধারণ করার এবং কোনো প্রকার উসকানিতে সাড়া না দেওয়ার আহ্বান রইল।

    এর আগে মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বিকালে চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে মুক্তির দাবিতে আন্দোলনকারীদের হামলায় সাইফুল ইসলাম আলিফ নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হামলার এ ঘটনায় আহত ৭-৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ অ্যাডভোকেট এনামুল।

  • চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের ঘটনায় সতর্ক করে যা বললেন মাহফুজ আলম

    চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের ঘটনায় সতর্ক করে যা বললেন মাহফুজ আলম

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ও অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, গণ-অভ্যুত্থান ও বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে শান্ত থাকুন। নিরীহ সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

    মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোষ্টে এসব কথা বলেন অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা।

    মাহফুজ আলম বলেন, সরকার দ্রুতই সব রাষ্ট্রদ্রোহী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।

    এর আগে সোমবার এক পোস্টে মাহফুজ বলেছিলেন, অনেক মিত্রই আজ হঠকারীর ভূমিকায়। আমরা আমাদের ব্যর্থতা স্বীকার করি। আমরা শিখছি এবং ব্যর্থতা কাটানোর চেষ্টাও করছি। আমরা আরও চেষ্টা করব সবাইকে নিয়ে এগোনোর। কিন্তু হঠকারিতা এবং ছাত্রদের অন্যায্যতার চেষ্টা জাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

    প্রসঙ্গত, সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র, পুণ্ডরিক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে মঙ্গলবার কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

    এদিকে সোমবার বিকাল ৩টা ৫০ মিনিটে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে আসার সময় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা তাকে গ্রেফতার করেন। পরে রাতে ঢাকা থেকে পুলিশের বিশেষায়িত গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয় থেকে চিন্ময় কৃষ্ণকে চট্টগ্রামের মনসুরাবাদ ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়। সেখান থেকে মঙ্গলবার সকালে বিশেষ নিরাপত্তায় চট্টগ্রামের আদালতে হাজির করা হয়।

  • ফের ৩ দিনের রিমান্ডে সাবেক আইজিপি মামুন

    ফের ৩ দিনের রিমান্ডে সাবেক আইজিপি মামুন

    পুলিশের সাবেক আইজি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানার ফজলুল করিম হত্যা মামলায় তার এ রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

    সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান এ আদেশ দেন। এদিন কারাগার থেকে চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির উত্তরা জোনাল টিমের পরিদর্শক মাহমুদুর রহমান তার ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আসামি পক্ষ রিমান্ড বাতিল ও জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তার তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানাধীন ঢাকা ময়মনসিংহ রোডের পাশে জসিম উদ্দিন মোড়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট অংশ নেন ফজলুল করিম। বিকাল সাড়ে ৪টায় আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে আহত হন ফজলুলসহ আরও অনেকে। রাত ৯টা ১৯ মিনিটের দিকে বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আনোয়ার হোসেন আয়নাল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৯ জনের নামে গত ২১ আগস্ট উত্তরা পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন ৬ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।

  • ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা আপাতত চলবে

    ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা আপাতত চলবে

    ঢাকা মহানগর এলাকায় তিন দিনের মধ্যে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল বন্ধে হাইকোর্টের আদেশের ওপর এক মাসের জন্য স্থিতাবস্তা দিয়েছেন চেম্বার আদালত। এ অবস্থায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন উভয়পক্ষের আইনজীবীরা।

    সোমবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন।

    এর আগে এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ১৯ নভেম্বর হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন। আদেশে ঢাকা মহানগর এলাকার সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চলাচল তিন দিনের মধ্যে বন্ধ বা বিধিনিষেধ আরোপ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঢাকার জেলা প্রশাসক, দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারসহ বিবাদীদের প্রতি এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

    এই আদেশ স্থগিত চেয়ে সরকারপক্ষ গতকাল রোববার আপিল বিভাগে আবেদনটি করে। এই আবেদনটি আজ আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে শুনানির জন্য ওঠে।

    আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এইচ এম সানজীদ সিদ্দিকী।

    ঢাকা মহানগরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চলাচল বন্ধ বা বিধিনিষেধ আরোপে নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে গত ২৭ অক্টোবর রিট করা হয়। বৃহত্তর ঢাকা সিটি করপোরেশন রিকশা মালিক জোটের সভাপতি জহিরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. মোমিন আলী আবেদনকারী হয়ে এই রিট করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ১৯ নভেম্বর হাইকোর্ট রুলসহ ওই নির্দেশ দেন।

    ঢাকা মহানগর এলাকার সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধে বা বিধিনিষেধ আরোপে নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়।

    এসব অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জের জন্য অবৈধ বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে যথাযথ আইনগত পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়। স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঢাকার জেলা প্রশাসক, দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, মহানগর পুলিশ কমিশনারসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

  • বিদেশিদেরও বিচার করতে পারবে ট্রাইব্যুনাল

    বিদেশিদেরও বিচার করতে পারবে ট্রাইব্যুনাল

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১৯৭৩ অ্যাক্ট সংশোধন অধ্যাদেশ নিয়ে প্রসিকিউটর গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধ করলে বিদেশিদেরও বিচার করতে পারবে ট্রাইব্যুনাল।

    সোমবার (২৫ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১৯৭৩ অ্যাক্ট সংশোধন অধ্যাদেশ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম এ কথা বলেন।

    প্রসিকিউটর গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম বলেন, ‘এই সংশোধনীতে আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সকল প্রকার বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক মানের করা হয়েছে। সরকার এটিকে গতকাল সংশোধন করেছে। এই আইনে আন্তর্জাতিকভাবে যেসব প্রশ্ন তোলা হতো, সেসব বিষয় মিট আপ করে এই সংশোধন করা হয়েছে। এই আইনে আগে ডিফেন্স কাউন্সিলের জন্য আলাদা বিষয় ছিল না। এখন এ বিষয়ে একটি স্পেশাল সেকশন করা হয়েছে। আগে আসামিদের শুধু স্টেটমেন্ট দেওয়ার সুযোগ ছিল। এখন এই সেকশন সেভেনটিনকে বিস্তারিত আকারে করা হয়েছে। এখানে আসামি তার সকল প্রকার সুযোগ পাবে।’

    গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম বলেন, ‘আগে শুধুমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থেকে অপরাধ করলে এ আইনে বিচার করা হতো। এখন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থেকে অথবা দেশের বাইরে থেকে অপরাধ করলে তার বিচার করা হবে। অথবা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থেকে যদি কোনো বিদেশিও এই অপরাধ করে তাকেও বিচারের আওতায় আনা হবে। আগে বিভিন্ন কিছু মিলিয়ে গুমের সংজ্ঞায়িত করা হতো এখন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ফোর্সফুল ডিজ অ্যাপিয়ারেন্স বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে। গুমের জন্য স্পেশাল বিচারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আগে এই আইনে কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান ছিল না। সেটা এখন এই আইনে রাখা হয়েছে।’

    গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম আরও বলেন, ‘এই ট্রাইবুন্যালের আধীনে অন্তর্বর্তী কোনো আদেশ যেটা কনটেম টু কোর্ট ছিল সেটার এগেইনস্টে আপিল ডিভিশনে আপিল করতে পারবে যে কোনো ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি। এখানে আগে ছিল আর্মড ফোর্সের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। সেই শব্দটি এখন পরিবর্তন করে মেম্বার অব ডিসিপ্লিনারি ফোর্স অর্থাৎ তিন বাহিনীর সঙ্গে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, গোয়েন্দা সংস্থাসহ আনসার বাহিনীকেও এখানে যুক্ত করা হয়েছে।’

    প্রসিকিউটর গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম বলেন, ‘আগে আসামিদের তিন সপ্তাহ সময় দেওয়া হতো। আসামিদের প্রস্তুত করতে এখন সেখানে ছয় সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। আগে আমরা সবচেয়ে বেশি ফেস করতাম অ্যাট দা টাইম চার্জ হেয়ারিং সকল সাক্ষীর নাম বা তালিকা দেওয়া হতো। এখন আইনে সেই পরিবর্তন এনে বলা হয়েছে ডিফেন্স এজ এনি স্টেজ অব ট্রায়াল তাদের সাক্ষীদের কোর্টে উপস্থাপন করতে পারবে। এখানে বলে দেওয়া হয়েছে এই সংশোধনী ২০০৯ সাল থেকে কার্যকর হবে।’