Blog

  • স্মার্ট কার্ডেই মিলবে টিসিবির পণ্য

    স্মার্ট কার্ডেই মিলবে টিসিবির পণ্য

    একটি পরিবার থেকে একজন ব্যক্তির টিসিবি কার্ড পাওয়ার কথা থাকলেও প্রায়ই অভিযোগ পাওয়া যায় একাধিক ব্যক্তি এই সুবিধা নিচ্ছেন। এর ফলে ‘প্রকৃত সুবিধা দরকার’ এমন অনেকেই এই সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তবে এই অবস্থা আর থাকছে না। বাতিল হচ্ছে হাতে লেখা কার্ডের প্রচলন। সব ঠিক থাকলে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। শনিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আঞ্চলিক কার্যালয়ে রমজান উপলক্ষে আগাম প্রস্তুতি বিষয়ক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানিয়েছেন টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবীর।

    হুমায়ুন কবীর বলেন, রমজান উপলক্ষে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। যেসব পণ্য আমদানি করা হয়, সেসবেরও প্রস্তুতি নেওয়া শেষ। রমজানে পণ্যের কোনো সংকট হবে না।

    তিনি আরও বলেন, তেল, ডাল, চিনির পাশাপাশি খেজুর ও ছোলা ঢাকা ও অন্য সিটি করপোরেশন এলাকায় দেওয়া হবে। ছোলা ও খেজুরের জন্য এরইমধ্যে চুক্তি হয়ে গেছে। জানুয়ারির ভেতর পণ্য টিসিবির গুদামে চলে আসবে।

    হুমায়ুন কবীর বলেন, একটি পরিবার থেকে যেন এক ব্যক্তির বেশি না পায়। এজন্য স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড করা হচ্ছে। ডিলারদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এখন ডিলার নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। ভবিষ্যতে ডিলারের প্রয়োজন হলে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে।

    তিনি বলেন, পণ্য স্থানীয় পর্যায়ে পৌঁছাতে বিঘ্ন হচ্ছে না। তবে মনিটরিংটা ঠিকমতো হচ্ছে না। ভোক্তার কাছে সঠিকভাবে যেতে যে সহযোগিতা দরকার, সেটাতে কমতি রয়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সভার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

  • পলক, ইনু ও মেনন রিমান্ড শেষে কারাগারে

    পলক, ইনু ও মেনন রিমান্ড শেষে কারাগারে

    সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

    এর আগে তারা রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় ইমন হোসেন গাজী নামে এক যুবককে হত্যার ঘটনায় রিমান্ডে ছিলেন। গত ২ নভেম্বর থেকে এ তিন জনের রিমান্ড শুরু হয়।

    যাত্রাবাড়ী থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার সাব-ইন্সপেক্টর মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন ইমন হোসেন গাজী নামে এক যুবক। এ ঘটনায় তার ভাই আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে ২৮ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানায় ৮৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।

  • মৎস্যজীবী ও মৎস্য খাত চরম বৈষম্যের শিকার: উপদেষ্টা

    মৎস্যজীবী ও মৎস্য খাত চরম বৈষম্যের শিকার: উপদেষ্টা

    মৎস্যজীবী ও মৎস্য খাত চরম বৈষম্যের শিকার উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, জুলাই ও আগস্টে ছাত্র-জনতা-শ্রমিকদের রক্তক্ষয়ী বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ফলে নতুনভাবে স্বাধীনতা আসলেও মৎস্যজীবী ও মৎস্য খাতে যে বৈষম্য রয়েছে- তা দূর করতে সরকার সর্বোচ্চভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

    শ‌নিবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

    মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, যারা মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে তারাই প্রকৃত মৎস্যজীবী। এক্ষেত্রে কোনোভাবেই ব্যবসায়ীরা অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে না।

    মৎস্যজীবীদের মধ্যে মজুরি বৈষম্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নারী মৎস্যজীবীদের স্বীকৃতিকে বড় ধরনের সমর্থন জানাতে হবে।তাদের সঙ্গে অন্য মৎস্যজীবীদের কোনো পার্থক্য করা যাবে না। সুযোগ-সুবিধা দিতে পারলে মৎস্যজীবীরা আর গরিব থাকবে না।

    উপদেষ্টা বলেন, আমরা যদি মেরিন ফিশারিজকে সত্যিকার অর্থেই ব্যবহার করতে পারি বাংলাদেশ আর গরিব থাকবে না। আমরা শুধু মৎস্য সম্পদের কথা বিবেচনা করি তাহলে দেখা যায়, এই বিশাল প্রজাতির মধ্যে অনেক প্রজাতি এখনো আমাদের আহরণের মধ্যে আসেনি। এমনকি, গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণের সক্ষম উন্নত ভেসেল আমাদের নেই। আমরা জানি না সত্যিকার আমাদের কত প্রজাতির মৎস্য সম্পদ আছে, তাদের মজুদ কেমন। সরকার নিজস্ব ভেসেল এনে এ বিষয়ে কাজ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এজন্য দেশের স্বার্থে স্বনামধন্য বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

    ইলিশ মাছ আল্লাহর দান উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, নোনা পানি থেকে স্বাদু পানিতে আসা এবং ফেরত যাওয়ার মতো মাইগ্রেটরি রুট ঠিক করতে পারলে ইলিশের উৎপাদন বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে এবং ইলিশ আমাদের বড় সম্পদে পরিণত হবে। অতীতের সরকার ভারতের নতজানু থাকার ফলে বাংলাদেশে ইলিশ মাছ ধরা নিষিদ্ধকালীন সে দেশের জেলেরা আমাদের সমুদ্রসীমায় প্রবেশ করে ইলিশ ধরে নিয়ে যেত- এ সমস্যা লাঘবে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, নদ-নদীর মতো সমুদ্র দূষিতমুক্ত নয়। নদীর পানি সমুদ্রে যাচ্ছে সমুদ্রও দূষিত হচ্ছে। দেশে যেভাবে প্লাস্টিক ব্যবহৃত হচ্ছে তা রোধ করা দরকার। আমরা যে মাছ খাচ্ছি- অনেক মাছের মধ্যে মাইক্রো প্লাস্টিক পাওয়া যাচ্ছে। ফলে বাংলাদেশকে প্লাস্টিকমুক্ত করতে আমাদের কাজ করতে হবে।

    উপদেষ্টা আরও বলেন, হাওর ও নদীর মাছ রক্ষায় অনেক বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন বাড়িয়ে সবার কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

    কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন কোস্ট ফাউন্ডেশনের উপ-নির্বাহী পরিচালক সনৎ কুমার ভৌমিক।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেছেন মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের পরিচালক অদ্বৈত চন্দ্র দাস, ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোল্লা এমদাদুল্যাহ প্রমুখ।

    এক্সপার্ট গেস্ট হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক (অব) ড. আব্দুল ওয়াহাব ছাড়াও সেমিনারে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • শুধুমাত্র নির্বাচনের জন্য আন্দোলন হয়নি: সারজিস আলম

    শুধুমাত্র নির্বাচনের জন্য আন্দোলন হয়নি: সারজিস আলম

    যৌক্তিক সংস্কার শেষেই অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত করবে বলে জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম। এ সময় তিনি বলেন, শুধু নির্বাচনের জন্য এই আন্দোলন হয়নি।

    পাশাপাশি এক বছরে মধ্যে সংস্কার সম্ভব না জানিয়ে সারজিস বলেন, যৌক্তিক সংস্কার শেষে নির্বাচনের দিকে যাওয়া উচিত।

    শনিবার সিলেটে জুলাই আন্দোলনে নিহতদের পরিবারকে সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    সকাল থেকেই সিলেটের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আসতে শুরু করেন শহিদ পরিবারের সদস্যরা। পরে একে একে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় পাঁচ লাখ টাকার সহায়তার চেক। সহায়তা পেয়ে জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কাছে কৃতজ্ঞতা জানান শহিদ পরিবারের সদস্যরা।

    জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বলেন, আন্দোলনে নিহত পরিবারগুলোর পাশে সব সময় থাকবে ফাউন্ডেশন। পাশাপাশি আহতদেরও পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।

    সিলেটে ১৮ পরিবারের বাইরে বাকি শহিদদের তথ্য হালনাগাদ করে সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেয় জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন।

  • ফিরলেন মিরাজ-হৃদয়, শান্তর দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশ

    ফিরলেন মিরাজ-হৃদয়, শান্তর দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশ

    সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে লড়াকু স্কোর গড়ার চ্যালেঞ্জ এখন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর কাঁধে। দুই ওপেনার তানজিদ হাসান ও সৌম্য সরকার আগেই ফিরেছেন। অধিনায়ককে ঠিকঠাক সঙ্গ দিতে পারেননি সহ-অধিনায়ক মেহেদী মিরাজ এবং তাওহিদ হৃদয়ও। শান্তর ফিফটিতে চড়ে ৪০ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ৪ উইকেটে ১৮৩ রান।

    তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্ত। সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে বাংলাদেশের শুরুটা হয় ধীরগতির। যদিও শুরুর দিকে তেড়েফুঁড়ে খেলতে গিয়েই সাজঘরের পথ ধরেছিলেন ওপেনার তানজিদ। ২২ রানে তাকে ফেরান প্রথম ওয়ানডেতে আফগানিস্তানের জয়ের নায়ক স্পিনার গাজানফার।

    তবে দ্বিতীয় উইকেটে শান্তকে নিয়ে ৭১ রানের দারুণ এক জুটি গড়ে তোলেন সৌম্য সরকার। তবে ব্যক্তিগত ৩৫ রানে রশিদ খানের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন তিনি। যদিও রিভিউ নিলে বেঁচে যেতেন। কারণ রশিদে বল পিচ করেছিল লেগ স্টাম্প লাইনের বাইরে। রিভিউ না নেওয়ায় দারুণ সেই জুটির পরিসমাপ্তি ঘটে।

    শান্ত দেখেশুনে খেলে ৭৫ বলে ফিফটি ছুঁয়েছেন। তবে তাকে সঙ্গ দিতে নেমে ২২ রানের বেশি নিতে পারেননি সহ-অধিনায়ক মিরাজ। রশিদ খানের বলে স্টাম্প উড়ে গেছে তার। তাওহিদ হৃদয়কে ১১ রানে থামিয়েছেন নানাগেয়ালিয়া খারোটে।

    বাঁচামরার ম্যাচে চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়তে তাই এখন শান্তর ব্যাটের দিকেই তাকিয়ে বাংলাদেশ দল।

  • আ.লীগের কর্মসূচি নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি আসিফ মাহমুদের

    আ.লীগের কর্মসূচি নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি আসিফ মাহমুদের

    গণহত্যাকারী বা নিষিদ্ধ সংগঠনের (আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ) কেউ কর্মসূচি করার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

    আওয়ামী লীগের রোববার বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণার প্রেক্ষিতে আসিফ মাহমুদ শনিবার (৯ নভেম্বর) ফেসবুকে এক স্ট্যাটাস এ হুঁশিয়ারি দেন।

    উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ফেসবুকে লিখেছেন, ‘গণহত্যাকারী ও নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ কর্মসূচি করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।’

    উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ শহিদ নূর হোসেনের স্মরণে ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে রোববার বিকাল ৩টায় রাজধানীর জিরো পয়েন্টে শহিদ নূর হোসেন চত্বরে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে।

  • আসিফ নজরুলকে হেনস্তা, যা খতিয়ে দেখতে বললেন রাষ্ট্রদূত আনসারী

    আসিফ নজরুলকে হেনস্তা, যা খতিয়ে দেখতে বললেন রাষ্ট্রদূত আনসারী

    নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেছেন, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের ঘটনায় জেনেভার বাংলাদেশ মিশনের কোনো গাফিলতি, নিরাপত্তা কিংবা প্রটোকলের ঘাটতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।

    শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এ দাবি জানান।

    ফেসবুক পোস্টে রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেন, ‘আসিফ নজরুল ভাইয়ের ওপর হামলে পড়া এবং ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের পরিণতি মাফিয়া দলের এই জঙ্গি উত্তরাধিকারদের ভোগ করতেই হবে। খতিয়ে দেখতে হবে জেনেভাস্থ বাংলাদেশ মিশনের যেকোনো গাফিলতি, উপদেষ্টার যথাযথ নিরাপত্তা কিংবা প্রটোকলের ঘাটতি। ‘

    আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) গভর্নিং বডির মিটিং যোগ দিতে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় গিয়েছিলেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার তিনি দেশে ফিরছিলেন। তখন আসিফ নজরুল গাড়ি থেকে বিমানবন্দরে নামার পর কয়েকজন লোক এসে তাকে ঘিরে ধরেন। তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সুইজারল্যান্ড শাখার সভাপতি নজরুল ইসলাম জমাদার ও সাধারণ সম্পাদক শ্যামল খান ছিলেন। জেনেভা বিমানবন্দরে প্রবেশের আগ পর্যন্ত উপদেষ্টাকে বিরক্ত ও হেনস্তা করেন তারা। তখন তারা জয়বাংলা, জয়বন্ধু শ্লোগানও দেন।

  • ইসরাইলি সেনাবাহিনী ‘উগ্রবাদী সামরিক গোষ্ঠী’ হয়ে উঠল যেভাবে

    ইসরাইলি সেনাবাহিনী ‘উগ্রবাদী সামরিক গোষ্ঠী’ হয়ে উঠল যেভাবে

    ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী বা আইডিএফ-এর মধ্যে উগ্রবাদ ও চরমপন্থা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা ভবিষ্যতে ইসরাইলের বেসামরিক সরকারগুলোর সঙ্গে সংঘর্ষের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে এবং দেশটির স্থিতিশীলতায় প্রভাব ফেলতে পারে।

    ইসরাইল একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত হলেও এর গভীরে লুকিয়ে থাকা গোড়া ধর্মীয় ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাপক প্রভাব ফেলছে।

    আইডিএফ-এর চরমপন্থা: একটি ঐতিহাসিক পর্যালোচনা

    ইসরাইল তার প্রতিষ্ঠার সময় থেকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ চেহারা ধরে রাখলেও, দেশটির অধিকাংশ পদক্ষেপে ধর্মীয় প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর উগ্রবাদী ও চরমপন্থি জাতীয়তাবাদী গ্রুপগুলো আল-আকসাসহ ‘পবিত্র ভূমি’ কুদস বা জেরুজালেম পুনর্দখলের নামে গাজা ও পশ্চিম তীরে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

    তাদের এই চরমপন্থার মূল অনুপ্রেরণা আসে ইহুদি ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের মূল ব্যক্তিত্ব রাব্বি (ধর্মীয় যাজক) আব্রাহাম আইজ্যাক কুকের শিক্ষাগুলো থেকে। যিনি বিশ্বাস করতেন যে, এই ভূমি তাদের ঈশ্বরের দেওয়া অধিকার। তার এই শিক্ষাই মূলত ইহুদি ধর্মীয় জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীকে ইসরাইলি সেনাবাহিনীতে সংহত হতে অনুপ্রাণিত করেছে।

    আইডিএফ-এ ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের উত্থান

    ১৯৬৭ সালের ৬ দিনের যুদ্ধে গাজা ও পশ্চিম তীরসহ বেশ কিছু এলাকা দখলের পর এই ইহুদি জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীগুলো সেনাবাহিনীতে প্রবেশ করতে শুরু করে এবং দ্রুত তাদের প্রভাব বাড়ায়।

    ১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে আইডিএফ-এ এ ধরনের ইহুদি জাতীয়তাবাদীদের সংখ্যা ২-৪ শতাংশের মতো ছিল। কিন্তু এখন তা বেড়ে প্রায় ৪০ শতাংশে পৌঁছেছে।

    আর এই উগ্রবাদী ও চরমপন্থি ইহুদি গোষ্ঠীগুলো দেশটির সেনাবাহিনীর বিভিন্ন উচ্চপদে আসীন হয়ে ফিলিস্তিনিদের ওপর একের পর এক সামরিক অভিযান পরিচালনা করে আসছে এবং বেসামরিক মানুষদের ওপর তাদের সামরিক হুমকি বাড়াচ্ছে।

    ধর্মীয় চরমপন্থার প্রভাব এবং আইডিএফ-এর সামরিক কৌশল

    আইডিএফ-এর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে দেখা যায় যে, তারা গাজা ও লেবাননে বোমা বর্ষণ করছে এবং বেসামরিক স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা চালাচ্ছে। এমনকি এসব অঞ্চলের হাসপাতাল, স্কুল এবং ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা করার ঘটনাও ঘটছে।

    তাদের এসব অভিযান ও আক্রমণের উদ্দেশ্য হলো- গাজা ও পশ্চিম তীরকে ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা।

    চরমপন্থি ইহুদি জাতীয়তাবাদী আদর্শ অনুসরণ করে এই গোষ্ঠীগুলো বিশ্বাস করে যে, তারা ঈশ্বরের দেওয়া পবিত্র ভূমি পুনর্দখল করছে এবং সেই লক্ষ্যে তাদের এহেন কর্মকাণ্ডকে তারা বৈধ বলেই মনে করে।

    ভবিষ্যৎ সংঘাতের আশঙ্কা

    আইডিএফ-এর এই ক্রমবর্ধমান ধর্মীয় উগ্রবাদী ও চরমপন্থি কর্মকাণ্ড ইসরাইলের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

    আইডিএফ-এর এই উগ্রবাদী ও চরমপন্থি রূপান্তর মূলত ইসরাইলি সমাজ এবং এর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি গভীর পরিবর্তনের ইঙ্গিতই দিচ্ছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, যদি বর্তমান যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের পতন হয় এবং দেশটিতে কোনো উদারপন্থি সরকার প্রতিস্থাপিত হয়, তাহলে আইডিএফ এবং সেই সরকারের মধ্যে অনিবার্যভাবেই সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে।

    ইসরাইলি সেনাবাহিনীর মধ্যে থাকা এসব ধর্মীয় উগ্রবাদী ও চরমপন্থিদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা ভবিষ্যতে আইডিএফ ও সরকারের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব তৈরি করতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যা ইসরাইলের জন্য নতুন ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণ হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

  • আমরা একে অপরের ভাই, কেন দ্বন্দ্বে জড়াবো: আদালতে আমু

    আমরা একে অপরের ভাই, কেন দ্বন্দ্বে জড়াবো: আদালতে আমু

    সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু রিমান্ড শুনানি চলাকালে আদালতে বলেছেন, আমরা একে অপরের ভাই ভাই। মিলেমিশে থাকা উচিত। আমরা একসঙ্গে থাকবো। কেন দ্বন্দ্বে জড়াবো? আশা করছি, এ পরিবেশ থাকবে না।

    বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহিন রেজার আদালতে রিমান্ড শুনানি চলাকালে তিনি এ কথা বলেন।

    এদিন রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আরিফ। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করেন।

    এদিকে ফারুকীর বক্তব্য রাজনৈতিক বলে মন্তব্য করায় আমুর আইনজীবী স্বপন রায় চৌধুরীকে আদালত থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ সময় আদালতে কিছুটা বিশৃঙ্খল পরিবেশ দেখা যায়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পরিস্থিতি শান্ত করেন।

    এরপর আমুর পক্ষে আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। পরে আদালত আমুর বক্তব্য শুনতে চান।

    তখন আমু বলেন, আমি ঢাকা বারের সদস্য, হাইকোর্ট বারের সদস্য। এখানকার পরিবেশ দেখে দুঃখিত। এই পরিবেশে কিছু বলা উচিত না। মামলা চলবে, ভবিষ্যতে আমি আমার বক্তব্য উপস্থাপন করবো। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অনেক কথা বলেছেন। আমি একজন রাজনীতিবিদ। রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে গেলে দুই ঘণ্টা লেগে যাবে।

    তিনি বলেন, আমরা একে অপরের ভাই। মিলেমিশে থাকা উচিত। আমরা একসঙ্গে থাকবো। কেন দ্বন্দ্বে জড়াবো? আশা করছি, এ পরিবেশ থাকবে না।

    তখন বিএনপির আইনজীবীরা চিৎকার শুরু করেন। তারা বলেন, তিনি ভয় দেখাচ্ছেন। তখন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাদের শান্ত করেন।

    পরে আমু বলেন, আমরা যার যার পক্ষ অবলম্বন করবো। নিজেরা নিজেরা কেন দ্বন্দ্বে জড়াবো।

    এরপর ওমর ফারুক বলেন, যখন তিনি ক্ষমতায় ছিলেন তখন কি খবর নিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা বারের। আইনজীবীরা তো ভালোই ছিল। কিন্তু নির্বাচনের সময় সিল মেরে ভোট নিয়ে গেছে, আইনজীবীদের মারধর করেছে। তখন তিনি কি ভূমিকা নিয়েছিলেন।

    তখন আমু বলেন, প্রথমবার যখন গোলমাল হয় আমি এর বিরোধিতা করি। ভোট দিতে আসিনি, বয়কট করেছি।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গত ১৯ জুলাই বিকেলে নিউমার্কেট থানাধীন নীলক্ষেত এলাকায় পুলিশের গুলিতে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ মারা যান। এ ঘটনায় তার শ্যালক আব্দুর রব নিউমার্কেট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩০ জনকে আসামি করা হয়।

  • বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিলের সিদ্ধান্ত

    বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিলের সিদ্ধান্ত

    বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এ তথ্য জানিয়েছেন।

    জানা যায়, সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল হলে মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে ‘বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণা’ এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

    গত ৩ অক্টোবর ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছিলেন, ‘অবশ্যই সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল করা উচিত। সেদিকেই যাব। আল্টিমেট এটা বাতিল হবে।

    কয়েক দিন আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেছিলেন, এ সপ্তাহে এই আইন বাতিল হচ্ছে।

    ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের আমলে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়। পরে এ বিষয়ে কঠোর সমালোচনা হলে ২০২৩ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে তার পরিবর্তে সাইবার নিরাপত্তা আইন করা হয়েছিল। তবুও এ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক ও সমালোচনা হয়। সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পর্যায় থেকে এই আইন নিয়ে আপত্তি ওঠে। আজ (বৃহস্পতিবার) আইনটি বাতিলের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিল অন্তর্বর্তী সরকার।

    অন্তর্বর্তী সরকার ইতোমধ্যে সাইবার নিরাপত্তা আইনে দায়ের হওয়া স্পিচ অফেন্স-সম্পর্কিত মামলাগুলো (মুক্তমত প্রকাশের কারণে মামলা) প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ছাড়া এসব মামলায় কেউ গ্রেফতার থাকলে তিনি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে মুক্তি পাবেন বলেও জানানো হয়েছে।

    এ বিষয়ে গত ৩০ সেপ্টেম্বর আইন মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬; ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এবং সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩-এর অধীন গত আগস্ট পর্যন্ত দেশের ৮টি সাইবার ট্রাইব্যুনালে মোট ৫ হাজার ৮১৮টি মামলা চলমান। বর্তমানে স্পিচ অফেন্স-সম্পর্কিত মোট ১ হাজার ৩৪০টি মামলা চলমান, যার মধ্যে ৪৬১টি মামলা তদন্তকারী সংস্থার কাছে তদন্তাধীন। ৮৭৯টি মামলা দেশের ৮টি সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন।এসব মামলার মধ্যে ডিজিটাল মাধ্যমে মুক্তমত প্রকাশের কারণে দায়ের হওয়া মামলাগুলোকে ‘স্পিচ অফেন্স’ এবং কম্পিউটার হ্যাকিং বা অন্য কোনো ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতিকে ‘কম্পিউটার অফেন্স’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্পিচ অফেন্স-সম্পর্কিত মামলাগুলোর মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের অধীন ২৭৯টি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীন ৭৮৬টি এবং সাইবার নিরাপত্তা আইনের অধীন ২৭৫টি মামলা চলমান রয়েছে।

    ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বর্তমান সরকার স্পিচ অফেন্স-সংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১ হাজার ৩৪০টি স্পিচ অফেন্স-সম্পর্কিত মামলার মধ্যে বিচারাধীন ৮৭৯টি মামলা আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত প্রত্যাহার করা হবে। তদন্তাধীন ৪৬১টি মামলা চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানা হয়।