Blog

  • আলোর উৎসবে এক টুকরো আলো কাঞ্চন-শ্রীময়ীর জীবনে

    আলোর উৎসবে এক টুকরো আলো কাঞ্চন-শ্রীময়ীর জীবনে

    ২০২৪ সালের দীপাবলি স্মরণীয় হয়ে থাকবে টালিউড অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক ও অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজের জীবনে। কারণ আলোর উৎসবে এক টুকরো আলো তাদের ঘরে। কোল আলো করে এলো কন্যাসন্তান। মা হলেন শ্রীময়ী, আর বাবা হলেন কাঞ্চন। এ মুহূর্তে তারা দুজনে খুশিতে আহ্লাদে আটখানা।

    আনন্দবাজার অনলাইনের প্রতিবেদনসূত্রে জানা গেছে, কেমন আছেন নতুন মা আর সদ্যোজাত? হাসপাতাল থেকেই জানালেন অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। গলায় ক্লান্তি আর তৃপ্তি মিলেমিশে একাকার। তিনি বলেন, মেয়ে ভালো আছে। আমিও ভালো আছি। তবে ধকল গেছে একটু, তাই ক্লান্তি রয়েছে। শ্রীময়ী বলেন, খুশিতে আত্মহারা কাঞ্চন। কালীপূজার পরেই বাড়িতে কন্যাসন্তান!

    অন্যদিকে বিধায়ক কাঞ্চন বলেন, দেবীই কন্যা রূপে তার ঘরে। তবে কার মতো দেখতে হয়েছে এখনই বুঝতে পারছেন না নতুন মা-বাবা। অভিনেত্রীর দাবি, খুব ফুটফুটে দেখতে। বেবিকট আলো করে শুয়ে আছে। শ্রীময়ী বলেন, কাঞ্চন তার কন্যার নাম রেখেছেন কৃষভি।

    এর আগে কালীপূজার দিন কাঞ্চন-শ্রীময়ী যুগল ভিডিওবার্তায় ভক্ত-অনুরাগীদের শুভেচ্ছা জানান। তখনই অভিনেত্রীকে নিয়ে গুঞ্জন শুরু। অনুরাগীরা বলেছেন, তার গর্ভ স্পষ্ট। বিষয়টি জানতে সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল আনন্দবাজার অনলাইন। তখনও কিচ্ছু জানাননি অভিনেতা দম্পতি।

    শ্রীময়ী বলেন, কাঞ্চন আমার সঙ্গে ছিল। সারাক্ষণ পাশে বসে গল্প করেছে। অস্ত্রোপচারে মেয়ের জন্মের পরেই আনন্দে চিৎকার করে ওঠে। খবর পেয়ে দুই পরিবারের সব সদস্য হাসপাতালে হাজির। অভিনেত্রী বলেন, আমার মা-বাবা খুব খুশি। বাড়ির ছোট মেয়ে আমি। দিদির বিয়ের ১৮ বছর পর বাড়িতে আবার শিশুর কলরব। ওরা আনন্দে কেঁদেই ফেলেছেন।

    ছেলে বা মেয়ে নিয়ে কোনো অভিযোগ ছিল না কাঞ্চন-শ্রীময়ীর। সুস্থ সন্তান পৃথিবীর আলো দেখুক, এটিই প্রার্থনা ছিল তাদের। আপাতত দিন পাঁচেক হাসপাতালে থাকতে হবে মা ও নবজাতককে। তার পর বাড়ি ফিরবেন তারা।

  • সাত সুইং স্টেটে কার অবস্থান কেমন

    সাত সুইং স্টেটে কার অবস্থান কেমন

    আধুনিক আমেরিকার ইতিহাসে এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনটি হতে যাচ্ছে সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের আলোকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য দেশটির ৫০টি রাজ্যই ভোট প্রদান করে থাকে।

    দেশটির জটিল ইলেকটোরাল কলেজ ব্যবস্থায় প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের নির্দিষ্ট সংখ্যক ইলেকটর থাকে, সেসব রাজ্যের জনসংখ্যার ওপর ভিত্তি করে। বেশিরভাগ রাজ্যেই পপুলার ভোটের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে সেখানকার সব ইলেকটোরাল ভোট বিজয়ীর পক্ষেই যায়। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে ৫৩৮টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের মধ্যে পেতে হয় ২৭০টি ভোট। তবে কয়েকটি রাজ্যের ইলেকটোরাল ভোট দোদুল্যমান থাকার ইতিহাস রয়েছে। এই সব দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যগুলোকে ‘সুইং স্টেট’ বা ‘ব্যাটলগ্রাউন্ড স্টেট’ বলা হয়ে থাকে।

    এ বছর এরকম সাতটি ব্যাটলগ্রাউন্ড স্টেট বা সুইং স্টেট প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফলকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করতে যাচ্ছে।

    ১. পেনসিলভানিয়া (১৯টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট)

    এক সময় ডেমোক্র্যাটদের জন্য বিশ্বস্ত অঙ্গরাজ্য ছিল পেনসিলভানিয়া। এক কোটি ৩০ লাখ অধিবাসীর এই রাজ্যে ২০১৬ সালে ট্রাম্প শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হন। তবে ২০২০ সালে জো বাইডেন এখানে ১ দশমিক ২ শতাংশ ভোট বেশি পান।

    পেনসিলভানিয়াতেই দুই প্রার্থী কমলা হ্যারিস ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পূর্বাঞ্চলীয় এই রাজ্যটিতে বেশ কয়েকবার নির্বাচনি সমাবেশ করেছেন কমলা ও ট্রাম্প।

    এই পেনসিলভানিয়াতেই ট্রাম্পের ওপর আততায়ীর হামলা হয় এবং তিনি বেঁচে যান। এখানকার গ্রামগুলোতে শ্বেতাঙ্গদের বসবাস বেশি। ট্রাম্প তার নির্বাচনি প্রচারণায় বলেছেন, অভিবাসীরা ছোট ছোট শহরগুলো ক্রমেই দখল করে নিচ্ছে।

    তবে কমলা তার প্রচারণায় জোর দিয়েছেন রাজ্যটির ম্যানুফেকচারিং খাতে ১০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করার বিষয়ে আর তা স্থানীয় অধিবাসীদের ভোট টানতে তাকে সহায়তা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ২. জর্জিয়া (১৬টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট)

    দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় এই অঙ্গরাজ্যটি ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের জন্য ছিল ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ২০২০ সালে বাইডেনের বিজয়ের সময় কর্মকর্তাদের আরও ভোট ‘খুঁজে দেখার’ আহ্বান জানানোর সেই ঘটনার জন্য এবং ট্রাম্পকে দোষী সাব্যস্ত করার বিষয়ে রাজ্যটি যথেষ্ট আলোচিত।

    ১৯৯২ সালের পর থেকে বাইডেন এখানে জয়ী হয়েছেন। তবে এখানে কমলা সংখ্যালঘুদের ভোট আকৃষ্ট করতে পারবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

    ৩. নর্থ ক্যারোলাইনা (১৬টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট)

    ১৯৮০ সালের পর থেকে ডেমোক্র্যাটরা এখান থেকে জয়ী হয়েছে মাত্র একবার। তবে কমলা হ্যারিস মনে করেন, এবার হাওয়া ঘুরে যাবে। অঙ্গরাজ্যটির জনসংখ্যা এক কোটির বেশি এবং তা আরও বাড়ছে। আর এতে ডেমোক্র্যাটরা লাভবান হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ৪. মিশিগান (১৫টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট)

    ডেমোক্র্যাটদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিতি থাকলেও ২০১৬ সালের নির্বাচনে এখান থেকে হিলারি ক্লিনটনকে হারিয়ে দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে ২০২০ সালে আবার জো বাইডেন এখানে ইউনিয়ন শ্রমিক আর কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটে জয়লাভ করে ডেমোক্র্যাটদের অবস্থানকে শক্ত করেন।

    তবে গাজায় হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে মার্কিন ভূমিকার কারণে এবার এখানকার প্রায় দু্ই লাখ আরব-আমেরিকানদের ভোট কমলার বিপক্ষে যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।

    ৫. অ্যারিজোনা (১১টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট)

    গ্রান্ড ক্যানিয়ন স্টেটটিতে ২০২০ সালে দু’দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। এই লড়াইয়ে ১০ হাজার ৪৫৭ ভোট বেশি পেয়ে শেষ হাসি হাসেন জো বাইডেন।

    মেক্সিকোর সঙ্গে সীমান্তজুড়ে থাকা এই রাজ্যে অভিবাসী ইস্যু ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে কমলা হ্যারিস এখানে সেপ্টেম্বরে নির্বাচনি প্রচারণায় ঘোষণা দেন, তিনিও অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করবেন। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তিনি অভিবাসী ইস্যুকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের অভিযোগ তোলেন।

    ৬. উইসকনসিন (১০টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট)

    ২০১৬ সালের নির্বাচনে ব্যাপক সম্ভাবনা থাকার পরেও হিলারি ক্লিনটন এই অঙ্গরাজ্যে হেরে গিয়েছিলেন। এখানেই গ্রীষ্মকালীন জাতীয় কনভেনশন করেছিলেন ট্রাম্প এবং তিনি মনে করেন, এখান থেকে জয়ী হওয়া সম্ভব।

    প্রাথমিকভাবে এখানকার মতামত জরিপে ট্রাম্প এগিয়ে থাকলেও কমলা হ্যারিসের মনোনয়নের পর প্রতিযোগিতা ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে অঙ্গরাজ্যটিতে।

    ৭. নেভাদা (৬টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট)

    প্রায় ৩১ লাখ জনসংখ্যা অধ্যুষিত এই রাজ্যটিতে ২০০৪ সালের পর থেকে রিপাবলিকানরা জয়ী হতে পারেনি। তবে এবার ট্রাম্প রক্ষণশীল ও হিস্পানিক ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারবেন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ডেমোক্র্যাট পার্টির মনোনয়নের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই কমলা হ্যারিস তার অর্থনৈতিক পরিকল্পনার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন নেভাদার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের। এখানেই যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম অতিথি সেবা শিল্প নগরী লাস ভেগাস অবস্থিত।

  • রাত থেকে ইলিশ ধরা শুরু

    রাত থেকে ইলিশ ধরা শুরু

    ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ (রোববার) রাত থেকে শুরু হচ্ছে ইলিশ ধরা। সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি সুরক্ষায় এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছিল। এই নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলেদের মধ্যে ফিরে এসেছে নতুন উদ্যম ও আশা।

    দীর্ঘদিন পর মাছ ধরার সুযোগ পেয়ে তারা উৎসাহিত এবং সমুদ্রযাত্রার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। কেউ নতুন করে জাল তৈরি করছেন, কেউ বরফ সংগ্রহ করছেন, আবার কেউ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি প্রস্তুত করছেন। তাদের মুখে দেখা যাচ্ছে নতুন আশার আলো, যেন এবারের মৌসুমে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ আহরণ করে জীবন-জীবিকা এগিয়ে নিতে পারেন। পটুয়াখালীর বিভিন্ন মৎস্য বন্দরে জেলেদের এই প্রস্তুতির প্রাণচঞ্চল দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।

    এ নিষেধাজ্ঞার সময়কালে সরকার থেকে প্রণোদনা হিসেবে চাল বিতরণ করা হলেও তা সবার কাছে যথাযথভাবে পৌঁছায়নি বলে কিছু জেলের অভিযোগ রয়েছে। আর্থিক অনটন কাটাতে জেলেরা আশাবাদী যে, এবার সমুদ্রে প্রচুর ইলিশ আহরণ করবেন।

    জেলেরা বলেন, আমরা আশা করছি, প্রশাসনের সহযোগিতায় এবার বাংলাদেশি জলসীমায় মাছ শিকার করা হবে। ভারতীয় জেলেদের অনুপ্রবেশ না হলে আমাদের জন্য পরিস্থিতি আরও ভালো হবে।

    নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনের কর্মকর্তারা ব্যাপক তৎপরতা চালিয়েছেন, ফলে অনেক জেলেকে জরিমানা ও কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। এখন জেলেদের মধ্যে রয়েছে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাওয়ার আশা। পায়রা বন্দরের কর্মকর্তারা জানান, এবারের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর জেলেরা গভীর সাগরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে এবং তারা সাগর থেকে প্রচুর ইলিশ আহরণের আশাবাদ ব্যক্ত করছেন।

  • ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের যাত্রা শুরু, ইউরোপ-আমেরিকাগামীদের জন্য সুখবর

    ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের যাত্রা শুরু, ইউরোপ-আমেরিকাগামীদের জন্য সুখবর

    আফ্রিকার শীর্ষ উড়োজাহাজ সংস্থা ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস আজ রোববার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে ঢাকা-আদ্দিস আবাবা রুটে সরাসরি যাত্রী পরিবহন শুরু করেছে। এখন থেকে এয়ারলাইনটি ঢাকায় সপ্তাহে পাঁচটি ফ্লাইট পরিচালনা করবে, যা বাংলাদেশ থেকে ভ্রমণকারীদের আফ্রিকা, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং এর বাইরেও সকল মূল শহরসহ বিশ্বব্যাপী ১৫৫টিরও বেশি গন্তব্যে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

    আজ সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার ফ্লাইটটি ইথিওপিয়া থেকে ঢাকায় আসে। তখন ফ্লাইটটিকে একটি জল কামান স্যালুটে স্বাগত জানায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। পরে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ঢাকা থেকে আদ্দিস আবাবায় ফিরে যায়। এই রুটে নিয়মিত উড়োজাহাজগুলো রোববার, মঙ্গলবার এবং বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে। এছাড়া অতিরিক্ত ফ্লাইট প্রতি সোমবার এবং শুক্রবার সকালে ঢাকা ছাড়বে।

    রোববার (৩ নভেম্বর) বিমানবন্দরে ফ্লাইটির উদ্বোধন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠান এবং সংবাদ সম্মেলনে ফ্লাইটির বিষয়ে যাবতীয় তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মনজুর কবির ভূঁইয়া ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান। ইথিওপিয়ান সিভিল এভিয়েশন অথরিটির মহাপরিচালক গেটাচিউ মেনগিস্টি আলেমায়েহু এবং ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন গ্রুপের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার লেম্মা ইয়াদেচার ইথিওপিয়ান প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।

    পরে এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মনজুর কবির ভূঁইয়া বলেন, ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস আফ্রিকার শীর্ষস্থানীয় ক্যারিয়ার হিসেবে স্বীকৃত এবং বাংলাদেশে এর প্রবেশ দেশের এভিয়েশন শিল্পের জন্য একটি নতুন আশার আলো। বাণিজ্য, পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় বৃদ্ধির সম্ভাবনা তুলে ধরে তিনি প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধিতে নতুন পথের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

    তিনি বলেন, এই অংশীদারিত্ব নতুন সুযোগের পথ প্রশস্ত করবে এবং বাংলাদেশ ও আফ্রিকার গতিশীল অর্থনীতির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন গড়ে তুলবে।

    ইথিওপিয়ান সিভিল এভিয়েশন অথরিটির ডিরেক্টর জেনারেল গেটাচিউ ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের মূলমন্ত্র মহাদেশ, সংস্কৃতি এবং সম্প্রদায়গুলোকে সংযুক্ত করার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দুই দেশের মধ্যে আর্থ-সামাজিক সম্পর্কের ওপর জোর দেন।

    তিনি বলেন, এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইথিওপিয়ার মধ্যে কেবল সরাসরি সংযোগই নয়, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকা জুড়ে মূল গন্তব্যগুলোর প্রবেশদ্বারও উন্মোচন করবে।

    অনুষ্ঠানে সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশের সদস্য (অপারেশনস ও পরিকল্পনা) এয়ার কমোডর আবু সাঈদ মাহবুব খান, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম এবং বাংলাদেশে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের জেনারেল সেলস এজেন্ট রিদম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহাগ হোসেন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

    বাংলাদেশে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের জেনারেল সেলস এজেন্ট রিদম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহাগ হোসেন বলেন, এটি কেবল একটি ফ্লাইট চালু নয়, এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও বিশ্বকে আরও কাছাকাছি আনার একটি সুযোগ তৈরি হলো।

    তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক ভাড়া এবং একটি বিশাল বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস বাংলাদেশি ভ্রমণকারীদের জন্য পছন্দের হতে চলেছে।

    সোহাগ হোসেন বলেন, নতুন এই রুটটি বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য সুবিধাজনক সংযোগ প্রদান করবে। আদ্দিস আবাবার মাধ্যমে ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকার প্রধান শহরগুলোতে সাশ্রয়ী ভাড়ায় পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হবে।

  • বিয়ে করলেই মিলছে সরকারি প্রণোদনা, তবুও আগ্রহ কম তরুণদের

    বিয়ে করলেই মিলছে সরকারি প্রণোদনা, তবুও আগ্রহ কম তরুণদের

    জনসংখ্যা বাড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে চীন সরকার। জন্মহার বাড়াতে দিচ্ছে নগদ অর্থ, বাড়তি ছুটিসহ নানা প্রণোদনা। তবুও বিয়ের ব্যাপারে আগ্রহ বাড়ছে না দেশটির তরুণদের। যা দেখা গেছে দেশটির বিবাহ নিবন্ধনের ক্ষেত্রে। শুক্রবার প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে এমন চিত্র।

    চীনের সিভিল অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল তথ্য অনুসারে, চলতি বছর প্রথম নয় মাসে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে বিয়ের নিবন্ধন। এ সময়ে দেশব্যাপী ৪৭ লাখ ৪৭ হাজার দম্পতি বিয়ে নিবন্ধন করেছেন। যা বার্তা সংস্থা রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় ৯ লাখ ৪৩ হাজার কম।

    পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালের প্রথম নয় মাসে ৫৬ লাখ ৯০ হাজার বিয়ে নিবন্ধন রেকর্ড করা হয়েছিল, যা ২০২২ সালের চেয়ে বেশি। তবে এরপর দেশজুড়ে বাড়তে থাকা অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির কারণে অনেক তরুণ বিয়ের ব্যাপারে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন।

    এই অবস্থায় তরুণদের বিয়ের ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে ও ক্রমহ্রাসমান জনসংখ্যা বাড়াতে বিভিন্ন নীতি প্রণয়ন করে সরকার। ঘোষণা দেওয়া হয় ২৫ বছরের আগে বিয়ে করলেই চীনা তরুণীরা পাবেন নগদ অর্থ পুরস্কার ও বিভিন্ন প্রণোদনা।

    এছাড়াও বিয়ে সহজ করতে চীন সম্প্রতি একটি খসড়া আইন সংশোধন করে। যার ফলে অতীতের চেয়ে বিয়ে নিবন্ধন করা অনেক সহজ ও বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

    যার প্রভাবও লক্ষ্য করা গেছে বিচ্ছেদ নিবন্ধনের হিসেবে। ২০২৪ সালের প্রথম তিন প্রান্তিকে ১৯ লাখ ৬৭ হাজার বিচ্ছেদ নিবন্ধিত হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৬ হাজার কম।

    এর আগে চলতি বছর চীন জাতীয় স্তরে টানা দুই বছরের মতো জন্মহারে হ্রাস রেকর্ড করেছে। এই চিত্র উঠে আসার পরই মূলত সরকার নানা প্রকল্প এবং উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণদের বিয়ে ও সন্তান ধারণের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে উৎসাহিত করার ওপর জোর দেয়। দেওয়া হয় সরকারি নান রকম সুবিধা।

    অবশ্য এতকিছুর পরও বিয়ের ব্যাপারে আগ্রহ হারাচ্ছে দেশটির তরুণ-তরুণীরা। যা নিয়ে সরকারের আলোচনা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়াতেও। যা নিয়ে চিন্তিত চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং। এ নিয়ে প্রেসিডেন্ট শি বলেন, এ ক্ষেত্রে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। সেই সঙ্গে পরিবার গঠনের বিষয়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নতুন প্রবণতা গড়ে তুলতে হবে।

  • সব সিটিতে শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ প্রশাসক: স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা

    সব সিটিতে শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ প্রশাসক: স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা

    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা এ. এফ. হাসান আরিফ বলেছেন, দেশের সব সিটি করপোরেশনে শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ প্রশাসক নিয়োগ করা হবে।

    রোববার (৩ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) নতুন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনকে শপথবাক্য পাঠ করানো শেষে তিনি এ কথা বলেন।

    স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা বলেন, সব সিটি করপোরেশনে শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ প্রশাসক নিয়োগ করা হবে। এছাড়া আইন অনুসারে নির্ধারণ হবে, চট্টগ্রাম সিটির নতুন মেয়রের সময়সীমা।

    তিনি আরও বলেন, যে বিপ্লবের মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে, সেই বিপ্লবের প্রত্যাশাকে এগিয়ে নিতে হবে চট্টগ্রামের নতুন মেয়রকে।

    তিনি বলেন, বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে নাগরিকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে তাকে। চট্টগ্রামকে একটি গ্রিন সিটিতে উন্নীত করতে হবে।

  • ২৪ বছর পর ঘরের মাঠে টেস্টে ধবলধোলাই ভারত

    ২৪ বছর পর ঘরের মাঠে টেস্টে ধবলধোলাই ভারত

    ভারতের হোয়াইটওয়াশ হওয়া ঠেকাতে দলটির সমর্থকরা তাকিয়ে ছিল ঋশভ পান্তের ব্যাটে। এই ব্যাটার আশাও দেখাচ্ছিলেন। তবে মধ্যাহ্নভোজের পর আর পারেননি। এই ব্যাটার ৬৪ রানে সাজঘরে ফেরার পরই লেখা হয়ে যায় ভারতে হোয়াইটওয়াশ।

    বাকি ব্যাটাররা কেবল হারের ব্যবধান কমিয়েছেন। তবে তাতে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়ানো যায়নি। ঘরের মাঠে ২৪ বছর পর টেস্টে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে ভারত। ভারতকে নিজেদের মাটিতে এই লজ্জা উপহার দিয়েছে সফরকারী নিউজিল্যান্ড।

    আরে আগে ২০০০ সালে একমাত্র দল হিসেবে ভারতকে তাদেরই মাটিতে ধবলধোলাই করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে সেটি ছিল দুই ম্যাচের সিরিজ। তিন বা তার চেয়ে বেশি ম্যাচের সিরিজে এবারই প্রথম হোয়াইটওয়াশ হলো ভারত। যা দলটির ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো ঘটনা।

    আগেই সিরিজ খুইয়ে বসা ভারতকে শেষ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে করতে হতো ১৪৭ রান। যেই লক্ষ্যে সুবিধা করতে পারেনি ভারত। ওয়াংখেড়ে লক্ষ্যটা আপাত দৃষ্টিতে সহজ মনে হলেও উইকেট ততক্ষণে স্পিন স্বর্গে পরিণত হয়েছে।

    সেই উইকেটে ভারতকে চেপে ধরেন কিউই বোলাররা। ২৯ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে ভারত। এরপর ঋশভ পান্ত এসে পাল্টা আক্রমণ চালান কিউই বোলারদের ওপর। তার ব্যাটেই জয়ের স্বপ্ন দেখছিল দলটি। তবে মধ্যাহ্নভোজের পর পাল্টে যায় খেলা। ফের ভারতীয় ব্যাটারদের চেপে ধরেন কিউই বোলাররা।

    পান্ত ৬৪ রানে থামার পর ওয়াশিংটন সুন্দর রবিচন্দ্রন অশ্বিন টিকতে পারেননি। আকাশ দীপ শূন্য রানে ফিরলে ১২১ রানে থামে ভারতের ইনিংস। নিউজিল্যান্ড ম্যাচ জেতে ২৫ রানে। যেখানে কিউইদের হয়ে একাই ৬ উইকেট শিকার করেছেন আজাজ প্যাটেল। গ্লেন ফিলিপসের শিকার ৩ উইকেট।

  • ঝালকাঠিতে ট্রলির পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, শিক্ষার্থী নিহত

    ঝালকাঠিতে ট্রলির পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, শিক্ষার্থী নিহত

    ঝালকাঠির রাজাপুরে ট্রলির পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। বরিশাল-খুলনা মহাসড়কের বারবাকপুর এলাকায় বুধবার (৩০ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত জুয়েল (১৬) উপজেলার কাঠিপাড়া গ্রামের লোকমান খন্দকারের ছেলে ও শুক্তাগড় মাহমুদিয়া দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্র। রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন জানান, রাতে নৈকাঠি এলাকা থেকে দ্রুত গতির মোটরসাইকেলটি রাজাপুরের দিকে যাচ্ছিল।

    পথে হঠাৎ বারাকপুর এলাকায় একটি ট্রলির পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই জুয়েল নিহত হয়। এ ঘটনায় আহত নিলয় ও সোহানকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় স্থানীয়রা।

    এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। নিহতের পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

  • বরিশালে ইলিশে নিষেধাজ্ঞার ১৮ দিনে ৫৫৬ জেলের কারাদণ্ড

    বরিশালে ইলিশে নিষেধাজ্ঞার ১৮ দিনে ৫৫৬ জেলের কারাদণ্ড

    নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরার অপরাধে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন নদ-নদীতে অভিযান চালিয়ে গেল ১৮ দিনে ৫৫৬ জেলেকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২৬ লাখ ৫৯ হাজার ৬শ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) বিভাগীয় মৎস্য অফিস এই তথ্য জানিয়েছে।

    বিভাগীয় মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে দুই হাজার ৬০৯টি অভিযান চালানো হয়েছে এবং ৭৯৪শ’টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার পাশাপাশি ৯০৬টি মামলা করা হয়েছে।

    সেসময়ে বরিশাল বিভাগে ৪৮৬ বার বিভিন্ন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, তিন হাজার ৫০৮ বার বিভিন্ন মাছঘাট, ছয় হাজার ৫৫৭ বার বিভিন্ন আড়ত ও তিন হাজার ৯৪৩ বার বিভিন্ন বাজার পরিদর্শন করেছেন মৎস্য অধিদপ্তরে জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।

    আর গেল ১৮ দিনের অভিযানে ১৬ হাজার ২৭৮ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি ১৭ কোটি ২৮ লাখ ২৮ হাজার ১শ টাকার ৯৩ লাখ ৭০ হাজার ১শ মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া নৌকাসহ জব্দ হওয়া সরঞ্জাম নিলাম করে তিন লাখ ৪৩ হাজার ২শ টাকা আয় হয়েছে।

    মৎস্য বিভাগের উপ পরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস জানান, ১৩ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ২২ দিনের জন্য উপকূলের সাত হাজার বর্গকিলোমিটারের মূল প্রজননস্থলসহ সারা দেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন ও বিপণন নিষিদ্ধ থাকছে। উল্লেখ্য বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার তিন লাখ ১৯ হাজার ৮৩০ জেলে পরিবারের জন্য ৭৯৯৯৫ দশমিক ৭৫০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হবে।

  • পিরোজপুরের নাজিরপুরে অগ্নিকান্ডে ৮টি দোকান ভস্মীভূত; কোটি টাকার ক্ষতি

    পিরোজপুরের নাজিরপুরে অগ্নিকান্ডে ৮টি দোকান ভস্মীভূত; কোটি টাকার ক্ষতি

    পিরোজপুরের নাজিরপুরে অগ্নিকান্ডে ৮টি দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। বুধবার (৩০ অক্টোবর) গভির রাতে উপজেলার গাওখালী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়রা জানায়, গাওখালী বাজারে মো: রফিকুল ইমলামের হার্ডওয়ারে দোকান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। টিন ও কাঠের দোকান হওয়ায় আগুন দ্রুত চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে।

    খবর পেয়ে নাজিরপুর ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিভানোর কাজ শুরু করে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের দীর্ঘ ২ঘন্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

    নাজিরপুর ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে আগুন লাগতে পারে।ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিক সূত্রে জানা যায়, আগুনে পুড়ে যাওয়া ৮টি দোকানের মধ্যে দুইটিতে’ই বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়, হার্ডওয়ারের দোকানে প্রায় ৩৫ লক্ষ ও কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার, স্টেশনারী ও ফটোকপি দোকানে ২০ লক্ষসহ মোট প্রায় কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। এসময় ঘর মালিক ও ব্যবসায়ীরা সরকারের কাছে ক্ষতি পূরনের দাবি জানান।

    সকালেই অগ্নিকান্ডের স্থান পরির্দশন করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার অরুপ রতন সিংহ ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ইস্রাফিল হাওলাদার।

    এদিকে ঘনটাস্থল পরিদর্শন কালে জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন ও উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুর রাজ্জাক ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের পাশে দাড়ানোর আশ্বাস দেন।