Blog

  • ঝালকাঠিতে আমুর ছায়ায় কোটিপতি ডজনখানেক

    ঝালকাঠিতে আমুর ছায়ায় কোটিপতি ডজনখানেক

    আওয়ামী শাসনামলের ১৬ বছরে বিপুল বিত্তের মালিক হয়েছেন ঝালকাঠি-২ (ঝালকাঠি সদর-নলছিটি) নির্বাচনি এলাকার অন্তত ডজনখানেক আওয়ামী লীগ নেতা। দলের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সমন্বয়ক সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর ছায়ায় থেকে অনৈতিক উপায়ে তারা এ সম্পদের মালিক হয়েছেন। নেতার (আমু) ছায়ায় টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি, দখল, সন্ত্রাসসহ অবৈধ নানা উপায়ে তারা হয়েছেন কোটিপতি। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে অবশ্য এদের কেউই আর এলাকায় নেই। তবে তাদের আলিশান ভবন ঠিকই রয়ে গেছে দ্বিতীয় কলকাতা খ্যাত ঝালকাঠিতে।

    নিরপেক্ষ নির্বাচনে জয়ের রেকর্ড খুব একটা না থাকা আমু সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি-২ আসনে হেরে যান জাতীয় পার্টির প্রার্থী মরহুম জুলফিকার আলী ভুট্টোর কাছে। নির্বাচনে হারলেও টেকনোক্রেট কোটায় তাকে খাদ্যমন্ত্রী করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। ২০০০ সালে এমপি ভুট্টোর রহস্যজনক মৃত্যু হলে উপনির্বাচনে অনেকটা জোর করে তার স্ত্রী ইলেন ভুট্টোকে হারিয়ে এমপি হন আমু। ২০০১’র নির্বাচনে অবশ্য সেই ইলেন ভুট্টোর কাছেই তিনি আবার হেরে যান। এরপর তার কথিত জয়যাত্রা শুরু হয় ২০০৮’র নির্বাচন থেকে। বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বর্জন ও একতরফা নির্বাচনে পরপর চারবার এমপি হন তিনি। এর মধ্যে একবার তিনি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। ক্ষমতায় থাকাকালে পুরো ঝালকাঠিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন মূর্তিমান আতঙ্ক হিসাবে। বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর মাঠে নামা তো দূর, নাম মুখে নিলেও হতে হতো হামলা, মারধর আর মামলার শিকার। আমুর এসব কর্মকাণ্ড দেখভাল করতেন ঝালকাঠিরই কিছু নেতা। আমুর শিষ্য হিসাবে তারাই নিয়ন্ত্রণ করতেন পুরো জেলার টেন্ডার, চাঁদাবাজিসহ অবৈধ আয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম। বিনিময়ে নির্দিষ্ট অঙ্কের পার্সেন্টেজ পৌঁছে যেত আমুর কাছে। তার নিজস্ব লোক হিসাবে মাঠে থাকা এসব নেতাও পকেটে পুরতেন কোটি টাকা। এভাবে টানা ১৬ বছরের অবৈধ আয়ে অঢেল সম্পদের মালিক হওয়া নেতাদের তালিকাটাও বেশ দীর্ঘ।

    জিএস জাকির : পুরো নাম রেজাউল করিম জাকির। ঝালকাঠি সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদে একবার জিএস নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সবাই তাকে চেনে জিএস জাকির নামে। জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক এই জাকির ৫ আগস্টের আগ পর্যন্ত ঝালকাঠিতে ছিলেন মূর্তিমান আতঙ্ক। সাধারণ পরিবার থেকে আসা জাকিরের নেতৃত্বেই চলত বিএনপিসহ আওয়ামী লীগবিরোধী রাজনৈতিক কর্মসূচিতে হামলা ভাঙচুর মারধর। আমুকে তিনি সম্বোধন করতেন ‘আব্বা’ বলে। নিয়ন্ত্রণ করতেন ঝালকাঠির বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঠিকাদারি। ই-টেন্ডারে কাজ পেলেও মোটা অঙ্কের টাকা না দিয়ে কেউ কাজ করতে পারতেন না। আমুর নাম ব্যবহার করে বহু মানুষের জমি দখল ও ইটভাটা করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। জাকিরের নেতৃত্বে ছিল বিশাল এক সন্ত্রাসী বাহিনী। টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে ঝালকাঠিতে বিশাল ভবন, বিকনা ও কুনিয়ারী এলাকায় কয়েকশ’ বিঘা জমি, ঢাকায় প্লট ও ফ্ল্যাটের মালিক হয়েছেন জাকির।

    নূরুল আমিন খান সুরুজ : কৃষকের ছেলে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সুরুজের উত্থান সত্যিকার অর্থেই বিস্ময়কর। আমুর গ্রামের বাড়ি শেখেরহাটের সুরুজ ছিলেন নেতার বিশ্বস্ত ক্যাশিয়ার। তাকে শেখেরহাটের ইউপি চেয়ারম্যানও করেছিলেন আমু। আমুর হয়ে ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি তা বণ্টনের দায়িত্বে ছিলেন সুরুজ। ব্যয়বহুল কাজগুলো করতেন তিনি নিজেই। বিভিন্ন দপ্তর থেকে পাওয়া চাঁদা এবং ঠিকাদারির পার্সেন্টেজের টাকা পৌঁছে দিতেন আমুকে। এসব করে এরই মধ্যে শতকোটি টাকার মালিক হয়েছেন সুরুজ। তার ছেলে লেখাপড়া করে কানাডায়। সেখানে তার বাড়িও রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া ঢাকায় রয়েছে একাধিক ফ্ল্যাট ও প্লট। ঝালকাঠিতেও তার বিশাল আয়তনের বসত বাড়ি রয়েছে।

    কামাল শরীফ : জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামাল শরীফের সবচেয়ে বেশি আনাগোনা ছিল এলজিইডি অফিসে। আমুর ছায়ায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের শত শত কোটি টাকার কাজ করেছেন তিনি। জেলার প্রায় সব গার্ডার ব্রিজ কামাল শরীফের করা বলে এলজিইডি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে। এসব কাজ তিনি অনেকটা জোর করেই ছিনিয়ে নিতেন। কামাল শরীফের বাবা খালেক শরীফ ছিলেন একজন লবণ শ্রমিক। সৎপথের চেষ্টাতেই তিনি লবণ মিলের মালিক হয়েছিলেন। তবে বাবার পথে না গিয়ে কামাল বেছে নেন শর্টকাট। নেতার ক্ষমতার বলে বলিয়ান হয়ে হামলা মারধর কবজি কর্তনসহ হেন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নেই যা তিনি করেনি। বিনিময়ে তিনি বনে গেছেন শতকোটি টাকার মালিক। নিজের একটি জুতা কোম্পানিও রয়েছে। ঢাকার বসুন্ধরা শপিং মলসহ দেশের বহু জায়গায় তার শোরুম রয়েছে। অবৈধ আয়ের টাকায় ময়দা মিলের মালিকও হয়েছেন কামাল শরীফ।

    হাফিজ আল মাহমুদ : থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহমুদ ছিলেন ২নং ওয়ার্ডের পৌর কাউন্সিলর। বরগুনার ছেলে হাফিজের মামাবাড়ি ঝালকাঠি। এখানে থেকেই তিনি ঘুরিয়েছেন ভাগ্যের চাকা। ওস্তাদের (আমু) শিষ্য হয়ে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন সব ঠিকাদারি দপ্তর আর আয় বাণিজ্যের কেন্দে । অনৈতিক পন্থায় কামিয়েছেনও দুই হাতে। ঝালকাঠি শহরে গড়েছেন বিশাল কমিউনিটি সেন্টার। রাজধানী ঢাকার পুলিশ হাউজিংসহ বিভিন্ন লোকেশনে তার জমি ফ্ল্যাট, ঝালকাঠি শহরে ডিসি অফিসের সামনে ৭তলা একটি ভবন দখলের অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া একরের পর একর জমি কেনা, দখল, বেপরোয়া চাঁদাবাজি করে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।

    তরুণ কর্মকার : বাবা নিরঞ্জন কর্মকার ছিলেন নাম করা ইংরেজি শিক্ষক। ছেলে তরুণ কর্মকার পরিচিতি পান ‘চুক্তিতে সমস্যা সমাধান’র মাস্টার হিসাবে। যখন তখন যেখানে সেখানে আমুর সঙ্গে কানে মুখে কথা বলার ক্ষমতা থাকা তরুণ ছিলেন যেকোনো সমস্যা সমাধানের নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি। বলাবাহুল্য সমস্যা সমাধানের বিনিময়ে তিনি মোটা অঙ্কের টাকাও নিতেন। কথিত আছে, সেই টাকার একটি অংশ যেত আমুর পকেটে। বাড়ি দখল বা উচ্ছেদ, বদলি, পদোন্নতি, চাকরি, থানা পুলিশের তদবির, সবই করতেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক পদে থাকা তরুণ। ঝালকাঠি শহরের বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একসময় দারুণ অর্থকষ্ট ছিল এই তরুণের। তবে আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় আসা এবং আমুর স্নেহধন্য হওয়ার পর তাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। স্নেহের তরুণকে হিন্দু কমিউনিটির নেতা বানিয়ে আরও একধাপ এগিয়ে দেন আমু। বর্তমানে বাড়ি জমিসহ বিপুল সম্পদের মালিক তরুণের কলকাতার সল্টলেকেও বাড়ি রয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, দেশে তিনি তেমন কোনো সম্পদ করেনি। তার অধিকাংশ সম্পদ বিদেশে।

    মনিরুল ইসলাম তালুকদার : ঝালকাঠির সবাই তাকে চেনেন মনির হুজুর হিসাবে। আছেন জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ পদে। বাবা লিয়াকত আলী তালুকদার ছিলেন ব্যবসায়ী। ২০০১ সাল থেকে ঠিকাদারি ব্যবসায় জড়িত মনির ফুলেফেঁপে ওঠেন আওয়ামী লীগ আমলে। ঠিকাদারিভিত্তিক সব দপ্তরেই ছিল তার একক আধিপত্য। নেপথ্যে আমুর প্রশ্রয় থাকায় সব পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারাও তাকে ভয় পেতেন। দক্ষিণের পরিচিত গাবখান সেতুর ইজারা বাগিয়ে নেন বেশ কয়েকবার। টেন্ডারবাজি আর দুর্নীতি সমানতালে করতেন মনির। আমুকে ম্যানেজ করে পরপর দুবার তিনি ঝালকাঠি পৌরসভার মেয়র বানিয়েছেন বাবা লিয়াকত তালুকদারকে। জোর করে ঝালকাঠি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি হওয়া মনির দুদকের মামলায় জেলও খেটেছেন। স্ত্রী সন্তান কানাডায় থাকা মনিরের সেখানে বাড়ি সম্পত্তি রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া রাজধানী ঢাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট, রাজাপুর উপজেলায় ক্লিনিক এবং বিপুল অর্থবিত্তের মালিক হয়েছেন মনির।

    এদের পাশাপাশি আমুর প্রশ্রয়ে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি টেন্ডার আর চাঁদাবাজি করে বিপুল বিত্ত বৈভবের মালিক হওয়ার তালিকায় আরও রয়েছেন বাসন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মনিরুল ইসলাম ওরফে চাউল মনির, শেখেরহাটের রফিকুল ইসলাম নবিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম মাঝাভাই, খন্দকার ইয়াদ মোরশেদ প্রিন্স, থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বনি আমিন বাকলাই, শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক ছবির হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিল ও শারমিন কেকা, জেলা মহিলা লীগের সম্পাদক ইসরাত জাহান সোনালী এবং ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ হাদিসুর রহমান মিলন। এরা প্রত্যেকেই আলিশান বাড়ি, জমি, ফ্ল্যাট, অয়েল ট্যাংকারসহ বিপুল অর্থবিত্তের মালিক হয়েছেন আমুর ১৬ বছরের আমলে। উল্লিখিতদের সঙ্গে কথা বলার জন্য মোবাইলে ফোন দিলে প্রায় সবারই ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। একমাত্র নূরুল আমিন খান সুরুজের হোয়াটস্অ্যাপ খোলা থাকলেও কল দিলে তিনি ফোন ধরেননি।

  • বেতাগীতে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

    বেতাগীতে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

    বেতাগীতে আওয়ামী লীগের ২১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বিএনপির দায়ের করা বিস্ফোরণ আইনের মামলায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে উপজেলার মোকামিয়া বাজার এলাকায় পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। শনিবার তাদের কারাগারে পাঠান আদালত।

    গ্রেফতাররা হলেন— উপজেলার মোকামিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও ইউপি সদস্য মো. শাহিন হাওলাদার (৩৮) এবং একই ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সভাপতি মো. শাওন মৃধা (২৮)।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বিএনপির আনন্দ মিছিলে আওয়ামী লীগের হামলার অভিযোগে সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. সুজন হাওলাদার (বিএনপি কর্মী) বাদী হয়ে ২১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে মো. শাহিন হাওলাদার ও শাওন মৃধাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এছাড়াও শাওনের বিরুদ্ধে বেতাগী থানায় সরকারি সেতুর মালামাল চুরির মামলাও রয়েছে।

    আসামিদের গ্রেফতারে অভিযানে নেতৃত্ব দেন বেতাগী থানার ওসি মো. একরামুল হক। তিনি বলেন, নাশকতা মামলায় শাহিন হাওলাদার ও শাওন মৃধাকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদেরে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

  • অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রেন বিকল

    অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রেন বিকল

    রাজশাহীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষে ইঞ্জিল বিকল হয়ে গেছে ঢালারচর এক্সপ্রেসের। এ ঘটনায় হতাহত না হলেও ইঞ্জিনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলার পবা উপজেলায় সীতলাই স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। এতে ইঞ্জিনের তেলের লাইন ছিঁড়ে যায়। পরে এক ঘণ্টা দেরিতে ইঞ্জিন নিয়ে এসে আবার ট্রেনটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

    রাজশাহী স্টেশনমাস্টার মহিউদ্দিন আজাদ জানান, ঘটনার পর রাজশাহী থেকে একটি ইঞ্জিন সীতলাই স্টেশনে পাঠানো হয়। এরপর ট্রেনটি আবার যাত্রা শুরু করে। ওই ট্রেনের ইঞ্জিনটি ওখানেই রাখা হয়েছে। ঠিক করে ইঞ্জিনটি আবার চালানো হবে।

  • সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ গ্রেফতার

    সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ গ্রেফতার

    সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর (গোয়েন্দা) পুলিশ।

    রোববার (২৭ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স থেকে পাঠানো এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিতকরা হয়।

    তবে কোন মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা জানা যায়নি।

    এর আগে গত ২০ অক্টোবর সাবেক এই মন্ত্রীসহ ৩৫ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করা হয়। চট্টগ্রামে যাওয়ার পথে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় হয় এ মামলা।

    ওই মামলার এজহারে উল্লেখ করা হয়, বিগত ২০২৩ সালের ৫অক্টোবর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ কেন্দ্রীয় নেতাদের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোড মার্চ করে চট্টগ্রাম যাওয়া পথে তাদের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য বারইয়ারহাট পৌরসভার গাছ মার্কেট এলাকায় উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০০/১৫০ জন নেতাকর্মী অবস্থান করেন। এসময় কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়ী পৌঁছালে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ও তার ছেলে সাবেক সংসদ সদস্য মাহবুব রহমান রুহেলের নির্দেশে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, এনায়েত হোসেন নয়ন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া, বারইয়ারহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র রেজাউল করিম খোকনের নেতৃত্বে লোহার রড, রাম দা, কিরিচ, লাঠিসোঠাসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহাসচিবে গাড়ী বহর ও উপস্থিত নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে। আসামিরা ৫-৮টি গাড়ীর সামনের ও পিছনের গ্লাস ভাঙচুর করে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি করে। হামলায় মামলার স্বাক্ষী জসিম উদ্দিন ও আলমগীর হোসেন গুরুতর আহত হন।

  • লেবাননে সংঘর্ষে ইসরাইলের ৪ সেনা নিহত, আহত ১৪

    লেবাননে সংঘর্ষে ইসরাইলের ৪ সেনা নিহত, আহত ১৪

    দক্ষিণ লেবাননের একটি গ্রামে হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সঙ্গে সংঘর্ষে আরও চারজন ইসরাইলি সেনা নিহত এবং ১৪ সেনা আহত হয়েছেন।

    শনিবার সন্ধ্যায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানায় ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

    সর্বশেষ এ সংঘর্ষের ঘটনাটি আইডিএফের চলমান স্থল অভিযান ও হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সীমান্ত সংঘাত গুরুতর এক নতুন ধাপে পরিণত হয়েছে।

    নিহত সৈন্যদের নাম প্রকাশ করেছে আইডিএফ। তারা হলেন- ক্যাপ্টেন (রিজার্ভ) রাব্বি আব্রাহাম যোশেফ গোল্ডবার্গ (৪৩), মাস্টার সার্জেন্ট (রিজার্ভ) গিলাদ এলমালিয়াচ (৩০), ক্যাপ্টেন (রিজার্ভ) অমিত চাইউট (২৯) এবং মেজর (রিজার্ভ) এলিয়াভ আব্রাম আবিতবোল (৩৬)।

    তারা সবাই আলন ব্রিগেডের ৮২০৭তম ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন।

    শনিবারের ওই সংঘর্ষে তিনজন হিজবুল্লাহ যোদ্ধাও নিহত হন।

    এদিকে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল থেকে হিজবুল্লাহ বাহিনীকে পিছু হটাতে ইসরাইলি বিমানবাহিনী হিজবুল্লাহর বেশ কিছু অস্ত্র মজুদ ও তৈরির স্থাপনা ধ্বংস করেছে। এছাড়াও বৈরুতে হিজবুল্লাহর গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রাগার লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে।

    ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, প্রতিদিন হিজবুল্লাহর ক্রমবর্ধমান হামলার কারণে লেবানন সীমান্তবর্তী ইসরাইলি অঞ্চল থেকে ৬০,০০০ এরও বেশি বাসিন্দাকে নিরাপত্তার জন্য সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

    সম্প্রতি এই সংঘর্ষে ইসরাইলি বাহিনী এবং হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। আইডিএফের হিসাব মতে, লেবাননে চলমান সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ২০০০-এর বেশি হিজবুল্লাহ সদস্য নিহত হয়েছে। অন্যদিকে আইডিএফের ৫৫ জন সৈন্য ও রিজার্ভ সদস্য মারা গেছেন।

    এদিকে ইসরাইলি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হিজবুল্লাহর রকেট এবং ড্রোন হামলার কারণে ইতোমধ্যে উত্তর ইসরাইলের অনেক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রচুর পরিমাণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

    চলমান পরিস্থিতিতে ইসরাইল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যা গোটা অঞ্চলে আরও অস্থিরতার সৃষ্টি করতে পারে।

  • খামেনি গুরুতর অসুস্থ, উত্তরসূরি হবেন কে?

    খামেনি গুরুতর অসুস্থ, উত্তরসূরি হবেন কে?

    ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি (৮৫) গুরুতর অসুস্থ। তার দ্বিতীয় ছেলে মোজতাবা খামেনিকে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।

    রোববার এ তথ্য জানিয়েছে ইসরাইলি গণমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের শনিবারের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানানো হয়, খামেনির অসুস্থতায় তার উত্তরসূরি নিয়ে ‘নীরব প্রতিযোগিতা’ শুরু হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, খামেনি মারা গেলে পরবর্তী নেতা কে হবেন, সে বিষয়ে ইরানের বিপ্লবী রক্ষী বাহিনীরও মত নেওয়া হবে।

    গত মে মাসে ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি প্রাণ হারানোর পর খামেনির উত্তরসূরি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।

    প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা রুহুল্লাহ খোমেনির প্রয়াণের পর ১৯৮৯ সাল থেকে এই পদে আছেন আয়াতুল্লাহ খামেনি।

    ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে শনিবার দেশটিতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এ ঘটনার পরই খামেনির অসুস্থতার খবর এলো।

    শনিবার সকালে বেশ কয়েকটি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায় ইসরাইলি যুদ্ধবিমান।

    ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা ইসরাইলের সঙ্গে অস্থিরতা বাড়াতে চান না।

    প্রতিবেদন মতে, ইরানে হামলা চালানোর পাশাপাশি ইসরাইল ইরাক ও সিরিয়ার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর ওপরও হামলা চালিয়েছে।

  • নগ্ন ছবি লেনদেন আটকে দেবে গুগলের নতুন ফিচার

    নগ্ন ছবি লেনদেন আটকে দেবে গুগলের নতুন ফিচার

    সাইবার নিরাপত্তা এবং ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিতে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি নতুন ফিচার আনছে গুগল। যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফিচারটি হলো নগ্ন ছবি আদান-প্রদান সীমিত করার লক্ষ্যে আনা ফিচারটি।

    গুগলের এই ফিচারটি কারো ছবিতে নগ্নতা থাকলে সে ছবি পাঠানোর বিষয়ে ব্যবহারকারীরা সচেতন কিনা সে বিষয়টি নিশ্চিত করবে। এছাড়া এমন সব নগ্ন ছবি ঝাপসা করে দেবে।

    ফিচারটিতে ব্যবহার হয়েছে এমন টুল, যা ব্যবহারকারীর ফোনে থাকা এ ধরনের ছবি শনাক্ত করতে সক্ষম। এর ফলে মানুষের প্রাইভেসি সুরক্ষিত থাকবে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে ব্রিটিশ দৈনিক ইন্ডিপেনডেন্ট।

    গুগল বলছে, ব্যবহারকারীর প্রাইভেসি রক্ষায় এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্টেড মেসেজ কনটেন্ট কেবল আদান-প্রদানকারীর কাছে ব্যক্তিগত বা গোপন রাখতে ব্যবহার হয় ডিভাইসে।

    তারা বলছে, সংবেদনশীল কনটেন্টের সতর্কীকরণ বার্তাটি ব্যবহারকারীর ছবির বিভিন্ন কনটেন্টে প্রবেশাধিকার দেয় না গুগলকে। এমনকি গুগল এও জানে না, গোপন কোনো ছবি শনাক্ত হয়েছে কি না।

    এ নতুন ফিচারটি চালু হলে তা নগ্ন ছবি থাকতে পারে এমনসব ছবিকে দেখার আগেই চিহ্নিত করবে এবং কেউ এমন ছবি দেখতে চায় কি না তা যাচাইয়ের জন্য যোগ করবে একটি ‘স্পিড বাম্প’ও।

    এছাড়া কেউ এ ধরনের ছবি শেয়ার করতে বা ফরোয়ার্ড করতে চাইছেন সে ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটবে। এরপর এসব ছবির বিভিন্ন লিংক ও উৎস অন্তর্ভুক্ত হবে স্পিড বাম্প-এ এবং নগ্ন ছবি পাঠানোর ঝুঁকি ও আকস্মিক শেয়ার ঠেকানোর কথা ব্যবহারকারীদের মনে করিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করবে ফিচারটি।

    প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য অপশনাল থাকলেও ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য ফিচারটি বাধ্যতামূলক করেছে গুগল। সামনের মাসগুলোতে অ্যান্ড্রয়েড ৯ বা এরপরের সংস্করণ ও গুগল মেসেজেস অ্যাপে চলে এমনসব ডিভাইসে ফিচারটি আনবে টেক জায়ান্টটি।

  • কুবিতে ছাত্রদল কর্মীর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ

    কুবিতে ছাত্রদল কর্মীর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আবাসিক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক ছাত্রদল কর্মীর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১৭তম আবর্তনের মোহাম্মদ কাউসার। অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মী তৌহিদুল ইসলাম একই আবর্তনে অধ্যায়নরত। ছাত্রদলের মিটিং-এ না যাওয়াকে কেন্দ্র করে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

    বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের ১০০৪ নং রুমে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার বিচার চেয়ে হল প্রভোস্টের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন মোহাম্মদ কাউসার।

    প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, নবীন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রদল কিভাবে কাজ করবে তা নিয়ে মতবিনিময় করার জন্য হলের ৪০০৪ নম্বর কক্ষে মিটিং ডাকেন ছাত্রদলের আহ্বায়ক মামুনের অনুসারী ও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের ১৬তম আবর্তনের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মী মাজাহারুল ইসলাম আবির ও মাহদুজ্জামান ইপেল। এ ছাড়াও ওই কক্ষে উপস্থিত ছিলেন জুনায়েদ লামিম ও মেহেদী হাসান শাহিন। জুনিয়রদের মিটিং এ ডাকার দায়িত্ব পান ১৭তম আবর্তনের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী তোফায়েল মাহমুদ নিবিড় ও একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগের শিক্ষার্থী তৌহিদুল ইসলাম।

    এ সময় তৌহিদ ১০০৪ নং রুমে এসে কাউসারকে মিটিংয়ের যাওয়ার জন্য জোর করেন। কাউসার না যেতে চাইলে তৌহিদ মশারি ছিঁড়ে ফেলেন। এ সময় তৌহিদ বাহির থেকে কাঠের তক্তা নিয়ে এসে কাউসার মারতে শুরু করেন। এ সময় আরেক ছাত্রদল কর্মী তোফায়েল মাহমুদ নিবিড় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

    ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানান, রাত ১১টায় আমি রুমে ঘুমাচ্ছিলাম। তখন ছাত্রদল কর্মী তৌহিদ আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে মিটিংয়ে যেতে বলে। আমি না যেতে অস্বীকৃতি জানানোর পরও সে জোর করে। এক পর্যায়ে আমার মশারি টান দিয়ে ছিঁড়ে ফেলে এবং গালিগালাজ শুরু করে। তখন আমি তাকে ধাক্কা দিয়ে চলে যেতে বলি কিন্তু সে কিছুক্ষণ পর কাঠের তক্তা নিয়ে এসে আমার মাথায় পাঁচ-ছয়বার আঘাত করে। তখন আমি হাত দিয়ে কোনো রকম নিজেকে রক্ষা করি।

    অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মী ও একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগের ১৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ তাওহীদুল ইসলাম জানান, ১৭তম আমরা সবাই মিলে বসবো, কথাবার্তা বলবো এজন্য আমি তাকে ডাকতে যাই । রুমে গিয়ে দেখি সে মশারির ভেতরে শুয়ে আছে। আমি ডাকলেও, সে ওঠেনি। তারপর আমি তার মশারি উঠালে সে আমাকে ধাক্কা দেয়। তখন আমি তাকে গাছের তক্তা দিয়ে তিন-চারটা বারি দেই। ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুনের কর্মী কি-না এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার সঙ্গে ভাইয়ের ব্যক্তিগত সম্পর্ক আছে আর কিছু না।

    হলের আবাসিক শিক্ষার্থী নৃবিজ্ঞান বিভাগের ১৬তম ব্যাচের জুনায়েদ লামিমকে মিটিংয়ের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নই। মিটিং ডাকা হয়েছিল ১৮তম আবর্তনের শিক্ষার্থীদের বিষয়ে কথা বলতে।

    মারধরের বিষয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লা আল মামুন বলেন, আমাদের কোনো মতবিনিময় সভা ছিল না। যারা মারামারি করেছে তারা কেউ আমার অনুসারী না। আসলে তারা কারা আমি জেনে আপনাকে জানাবো।

    এ বিষয়ে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক মো. জিয়া উদ্দিন জানান, আমি ঘটনাটি শুনেছি। সবার সঙ্গে কথা বলে ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করে হল প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিবে।

  • গম্ভীরের পদত্যাগ দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড়

    গম্ভীরের পদত্যাগ দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড়

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজ এরইমধ্যে ২-০ তে হেরে বসেছে স্বাগতিক ভারত। তাতে দীর্ঘ ১ যুগ ঘরের মাটিতে টেস্ট সিরিজ না হারার কীর্তি ম্লান হয়ে গেছে রোহিত শার্মার দলের। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলেও বড় ধাক্কা খেয়েছে দলটি। এই অবস্থার জন্য ভারতীয় সমর্থকদের একটা অংশ দায়ী করছেন কোচ গৌতম গম্ভীরকে। পদত্যাগের দাবিও জানাচ্ছেন তারা।

    প্রথম টেস্টে কিউইদের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে মাত্র ৪৬ রানে অলআউট হয়েছিল ভারত। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে লড়াই করলেও হার এড়াতে পারেনি দলটি। দ্বিতীয় টেস্টেও একই হাল। কিউই স্পিনার মিচেল স্যান্টনার একাই ধসিয়ে দিয়েছেন ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ। কখনো ইনিংসে তিন উইকেট শিকার করতে না পারা স্যান্টনার দুই ইনিংসে শিকার করেছেন ১৩ উইকেট। তার স্পিন বিষে কাবু ভারত। ম্যাচ হেরেছে ১১৩ রানের ব্যবধানে।

    ভারতের এমন হারের পর সমর্থকরা কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন গম্ভীরকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গম্ভীরকে নিয়ে করছেন নানারকম ট্রল। গম্ভীরের কোচিংয়েই সমস্যা দেখছেন তারা। আগের দুই কোচ রবি শাস্ত্রী ও রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে তুলনাও করছেন অনেকে।

    হিটলারের ছবির আদলে গম্ভীরের ছবি এডিট করে অহংকারী কোচের পদত্যাগ দাবি করেছেন এক সমর্থক।

    আরেকজন লিখেছেন, নিজের মতো করে সহকারী বেছে নিয়েছেন, সাপোর্ট স্টাফদের বাছাই করেছেন। জহির খানকে না নিয়ে বিদেশি কোচ নিয়েছেন নিজের পছন্দানুযায়ী। মোটা অংকের পারিশ্রমিকও নিচ্ছেন। নিজের চাহিদা মতো সব পাচ্ছেন। কিন্তু তার সময়ে সবচেয়ে বাজে ক্রিকেট খেলছে ভারত।

    গম্ভীরকে নিয়ে হাইপ ও বর্তমান নিয়েও মজা করছেন অনেকে। কেউ কেউ আবার ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদের মাথা কেটে বসিয়ে দিয়েছেন পাকিস্তানি ক্রিকেট দলের ছবিতে। কেউ বা আবার সাবেক দুই কোচের সঙ্গে গম্ভীরের ফারাক টেনে এনেছেন।

  • ফাইনালের টিকিট পেতে দুপুরে ভুটানের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

    ফাইনালের টিকিট পেতে দুপুরে ভুটানের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

    সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম সেমিফাইনালে আজ ভুটানের মুখোমুখি হচ্ছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় আজ দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে।

    সাফের গত আসরে ভুটানকে ৮ গোল দিয়ে আসরের ফাইনালে পা রেখেছিল বাংলাদেশ। তবে সেই দলের সঙ্গে বর্তমান এই দলের পার্থক্য অনেক। গ্রুপপর্বে একটি ম্যাচেও হারেনি তারা। নেপালের বিপক্ষে গোল শূন্য ড্র’য়ের পর সবশেষ দুই ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে ১৭টি গোল দিয়েছে তারা। এমন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে তাই সতর্ক থাকতেই হচ্ছে বাংলাদেশ দলকে।

    তবে ম্যাচের আগে পিটার বাটলারের দলকে আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে সবশেষ ম্যাচে রেকর্ড পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে হারানো। সে ম্যাচে ৩-১ গোলে ভারতকে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট কাটে বাংলাদেশ। তবে ভুটানকে নিয়ে বেশ সর্তক বাংলাদেশ।

    ম্যাচের আগে গণমাধ্যমকে মারিয়া মান্দা বলেন, ‘আমরা যে ভুটানের সঙ্গে খেলব, সেই ভুটান আর আগের ভুটানের মধ্যে তফাত অনেক। আমাদের সে অনুযায়ী প্রস্তুতিও রয়েছে। চেষ্টা করব, নিজেদের সেরাটা দিয়ে খেলার। কোনোমতে তাদের দুর্বল ভাবার উপায় নেই। সেক্ষেত্রে ভালো করতে হলে সব পজিশনে আমাদের গুরুত্ব দিয়ে খেলতে হবে। তবে এটা ঠিক, আমরা এবার কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে পারিনি। সেটা নিয়ে শুরুর দিকে একটু দুশ্চিন্তা থাকলেও পরে কেটে গেছে।’

    মারিয়ার কথায় ভুটান নিয়ে কিছুটা চিন্তার ছাপ। অতীত পরিসংখ্যান বলছে ভুটানের চেয়ে বাংলাদেশ অনেকটা এগিয়ে। এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে ছয়বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। যেখানে একবারও জিততে পারেনি ভুটান। আজ দশরথে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের জন্য এমন ঝলমলে অতীতই হতে পারে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা।

    একই দিন সাফের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারত খেলবে নেপালের বিপক্ষে। বাংলাদেশের কাছে হেরে কিছুটা চাপে ভারত। অন্যদিকে নেপাল আছে দারুণ ছন্দে। ম্যাচটা যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে, তা বলাই যায়।