Blog

  • বিদ্যা বালানের গানের ভিডিও ভাইরাল

    বিদ্যা বালানের গানের ভিডিও ভাইরাল

    সামনে দীপাবলিতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে আনিস বাজমি পরিচালিত ‘ভুল ভুলাইয়া তিন’। এটি ‘ভুল ভুলাইয়া’ ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় কিস্তি। আর এ ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউড অভিনেতা কার্তিক আরিয়ান ও সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী তৃপ্তি দিমরি। এ ছাড়া ‘ভুল ভুলাইয়া তিন’ সিনেমায় বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে একই ফ্রেমে দেখা যাবে জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত ও বিদ্যা বালানকে। ছবিতে ‘আমি যে তোমার’-এ গানে নাচতে দেখা যাবে তাদের।

    সম্প্রতি ছবি মুক্তির প্রচারে এই আইটেম গানের সঙ্গে নাচতে দেখা যায় মাধুরী ও বিদ্যাকে। এদিকে নাচ করার সময় মঞ্চে পড়ে যান অভিনেত্রী বিদ্যা বালান। কিন্তু তাতে বিন্দুমাত্র নজর না দিয়ে নাচের তালে বিষয়টি এড়িয়ে যান তিনি।

    এ অভিনেত্রী উঠে দাঁড়াতেই মাধুরী এসে হাত রাখেন বিদ্যার কাঁধে। সেটিও নাচের মাঝে। দুজনের এই বিশেষ মুহূর্ত জিতে নিয়েছে সিনেমাপ্রেমীদের মন। তাদের পারফরম্যান্স শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দর্শকরাও হাততালি দেন। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিদ্যার এই নাচ দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরা।

  • ইসরাইলের বিরুদ্ধে ‘নিশ্চিতভাবে’ প্রতিশোধ নেওয়া হবে: ইরান

    ইসরাইলের বিরুদ্ধে ‘নিশ্চিতভাবে’ প্রতিশোধ নেওয়া হবে: ইরান

    ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মাদ বাগের গালিবাফ বলেছেন, ১ অক্টোবরের ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সাথে তুলনা করলে ইসরাইলের হামলা ব্যর্থ হয়েছে। একইসঙ্গে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, হামলার পরিসর যাই হোক না কেনো, তেহরান ‘নিশ্চিতভাবে’ প্রতিশোধ নেবে।

    রোববার (২৭ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে আল জাজিরা।

    তেহরানে এক টেলিভিশন ভাষণে গালিবাফ বলেন, ‘গাজা ও লেবাননে অরক্ষিত শিশু ও নারীদের গণহত্যা ছাড়া ইহুদিবাদী শাসনের কোনো অর্জন নেই। আজ আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইসরাইলের কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা নেই’।

    ইরানের পার্লামেন্টে যোগ দেওয়ার আগে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসির) বিমান বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন গালিবাফ। তিনি বলেছেন, জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুসারে আক্রান্ত হলে প্রতিটি দেশের নিজেকে আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। তেহরান তাই ইসরাইলকে জবাব দেবে।

    ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান, তার বৈধ আত্মরক্ষার অন্তর্নিহিত অধিকার এবং জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদের কাঠামোতে, নিজেকে আত্মরক্ষা করার অধিকার বলে মনে করে। (ইসরাইলের) এই লঙ্ঘনের প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত’।

    গালিবাফ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরাইলের ‘সব যুদ্ধাপরাধের প্রধান অংশীদার’ বলে অভিহিত করেছেন। তার ভাষ্য, ওয়াশিংটনকে অবশ্যই ইসরাইলের বেসামরিক হত্যা বন্ধ করতে গাজা ও লেবাননে একটি টেকসই যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।

    ইরানের ওপর ইসরাইলের হামলাকে জোরালো সমর্থন দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা মিত্ররা। কিন্তু এই হামলাকে ‘আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেছে পাকিস্তান, বাহরাইন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, আফগানিস্তানসহ বেশ কয়েকটি দেশ।

    পার্লামেন্টের স্পিকার ইরানে ইসরাইলি হামলার নিন্দা করার জন্য আঞ্চলিক প্রতিবেশীদের ধন্যবাদ জানিয়েছে।

    শুক্রবার ভোররাতে ইরানে একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালায় ইসরাইল। এ হামলায় এখন পর্যন্ত ৪ সেনা সদস্য নিহতের খবর জানিয়েছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।

  • খালেদা জিয়ার কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার চার্জ শুনানি পেছাল

    খালেদা জিয়ার কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার চার্জ শুনানি পেছাল

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ৫ নভেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।

    রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২ এর বিচারক মো. আক্তারুজ্জামানের আদালত এই তারিখ ধার্য করেন।

    এদিন মামলাটির চার্জ শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে দুদকের পক্ষ থেকে অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন।

    এদিকে এই মামলার প্রধান আসামি খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। তারপক্ষে মাসুদ আহমেদ তালুকদার হাজিরা দেন।

    খালেদা জিয়া ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, সাবেক তথ্যমন্ত্রী এম শামসুল ইসলাম, মো. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব নজরুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার সাবেক পরিচালক মঈনুল আহসান, সাবেক জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশারফ হোসেন।

    ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম।

    কনসোর্টিয়াম অব চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনকে (সিএমসি) বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির অনুমোদন দিয়ে রাষ্ট্রের কয়লা উত্তোলনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতা সিএমসির সঙ্গে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি করায় সরকারের প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। পরে এ মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন খালেদা জিয়া। ২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন হাইকোর্ট।

  • ৩২ এর ব্যাখ্যা দিলেন উপদেষ্টা, ৩ বার বিসিএস দেওয়াদের কী হবে?

    ৩২ এর ব্যাখ্যা দিলেন উপদেষ্টা, ৩ বার বিসিএস দেওয়াদের কী হবে?

    ফেসবুকে বর্তমানে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) শব্দটি অত্যন্ত আলোচিত হচ্ছে। বিসিএস পরীক্ষায় প্রার্থীদের জন্য নতুন নির্দেশনা ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, একজন প্রার্থী তিনবারের বেশি বিসিএস পরীক্ষায় ‘অবতীর্ণ’ হতে পারবেন না এবং সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।

    অনেকেই সরকারের এ সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন, আবার তিরষ্কারও করা হচ্ছে। তবে ‘অবতীর্ণ’ শব্দটির সঠিক অর্থ নিয়ে কিছু ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, যদি এর অর্থ হয় যে একজন প্রার্থী তিনবারের বেশি পরীক্ষা দিতে পারবেন না, তাহলে যারা ইতোমধ্যে তিনবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন, তাদের জন্য কী হবে?

    বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেমও এ বিষয়টি স্পষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘এটা আমার কাছেও স্পষ্ট না।’ সম্প্রতি সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এ বিষয়ে কিছু ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, যেহেতু বিসিএসের প্রতি অনেকের আগ্রহ থাকে, বয়স অনেক বাড়িয়ে দিলে একজন বারবার পরীক্ষা দিতে পারে, যা অন্যদের জন্য সুযোগ সীমিত করে।’ তাই, বয়স ৩২ বছর রাখা সমীচীন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত, আন্দোলনকারীদের হতাশা

    মূলত, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ও অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধির জন্য সরকারি চাকরি প্রত্যাশীরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তা আরও জোরদার হয়েছে।

    তাদের দাবির প্রেক্ষিতেই গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখানে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বৈঠকে ‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ স্ব-শাসিত সংস্থাসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ অধ্যাদেশ, ২০২৪’ এর খসড়ার নীতিগত চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

    এ অধ্যাদেশের আলোকে ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’-এর ধারা ৫৯-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ‘বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা, ২০১৪’ পুনর্গঠন করে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় ‘একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ তিন বার অবতীর্ণ হতে পারবে’- এমন বিধি সংযোজন করতে পারবে।

    সেইসঙ্গে, বিসিএসের সকল ক্যাডারের চাকরিতে ও বিসিএস-এর আওতা বহির্ভূত সকল চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর হবে। তবে স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা এবং প্রতিরক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিজস্ব নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করতে পারবে।

    সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩২ বছর করার বিষয়ে উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন এ ইস্যুতে আন্দোলন করে আসা শিক্ষার্থীরা।

    গত বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫ প্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ’র ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। তাদের অভিযোগ, সরকার জনপ্রশাসন সংস্কার কমিটির সুপারিশ আমলে নেয়নি।

    উপদেষ্টা পরিষদকে সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি তারা আবারো কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। তাদের দাবি, চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর করা হোক এবং অন্তত আটবার বিসিএসে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হোক।

    এ দাবিতে শুক্রবারও রাস্তায় নেমে এসেছিলেন সরকারি চাকরি প্রত্যাশী শিক্ষার্থীরা।

    যদিও অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণলায়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বৃহস্পতিবার বলেছেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২-এর বিরুদ্ধে আন্দোলন হলেও এ সিদ্ধান্ত আর পরিবর্তন হবে না।

    এমনকি, বিসিএস পরীক্ষায় সর্বোচ্চ তিনবার অংশগ্রহণের সুযোগেও কোনো পরিবর্তন আসছে না।

    বিসিএস পরীক্ষা ‘তিনবার মানে তিনবারই’ দিতে পারবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আগে যারা পরীক্ষা দিয়েছেন তাদের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত, এটা একটা লিগ্যাল বিষয়। যখন অধ্যাদেশটি চূড়ান্ত হবে তখন এই আইনি বিষয়গুলো স্পষ্ট করা হবে। আজ খালি নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

    ইতোমধ্যে তিনবার বিসিএস দেওয়াদের কী হবে?

    এই প্রশ্নের উত্তর কী হবে, সে বিষয়ে রিজওয়ানা হাসান সুষ্পষ্ট করে কিছু বলেননি। শুক্রবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিল বিবিসি বাংলা। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি।

    পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেমের সঙ্গে কথা হয় বিবিসি বাংলার। এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘এটা আমার কাছেও স্পষ্ট না।’

    তিনি বলেন, ‘আপনি যেটা দেখেছেন, আমিও সেটাই দেখেছি। সেখানে কিছু নাই, আমার কাছে সেটাই মনে হয়েছে। তবে প্রজ্ঞাপনের পর বিবরণ থাকবে। ব্যাখ্যাগুলো তখন আসবে।’

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোখলেস উর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ হলে তিনি এ বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রপরিষদ সচিবের সঙ্গে কথা বলতে বলেছেন।

    কিন্তু মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

    যারা ইতোমধ্যে তিনবার বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে ফেলেছেন তাদের ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে, সে বিষয়ে একটা ব্যাখ্যা দেন সরকারের সাবেক সচিব আবু আলম মোহাম্মদ শহীদ খান।

    তিনি বলেন, এখানে ‘এটা ক্লিয়ারলি বলা হয়নি, এটা সত্য। আমাদের সরকারি সার্কুলারে অস্পষ্টতা থাকে। সেটার আবার পরে ব্যাখ্যা দিতে হয়। এখানেও ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত এবং সেটা নিশ্চয়ই আসবে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘তবে প্রার্থীদের দ্বিধা থাকতে পারে; কিন্তু আমরা যেহেতু সরকারি চাকরি করেছি, তাই আমরা ভাষাটা বুঝি। সরকারের কোনো আদেশ বা প্রজ্ঞাপন যেদিন প্রণীত হয়, সেদিন থেকে আইন কার্যকর হয়।’

    অর্থাৎ, যারা ইতোমধ্যে তিন-চারটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ফেলেছে এবং এখনো কয়েক বছর বয়স আছে, তাদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম ‘প্রযোজ্য করা যাবে না, এটা হয় না সাধারণত।’

    তাছাড়া, উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্তে বলা আছে, সর্বোচ্চ তিনবার পরীক্ষা দিতে পারবে; কিন্তু সেখানে কোথাও বলা নাই যে যারা পরীক্ষা দিয়ে ফেলেছে, তারাও পারবে না– তিনি ব্যাখ্যা করেন।

    ‘প্রজ্ঞাপনের পর এটি কার্যকর হবে। এর বাইরে কোনোকিছু হওয়ার সুযোগ নাই,’ তিনি যোগ করেন।

    আন্দোলনকারীদের দাবি মানা উচিত কি না

    এখন, চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছরের পক্ষে আন্দোলনকারীরা সমর্থন না দিলেও অনেকেই এ বিষয়টিকে ভালো সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন।

    সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান নিজেও এর একটি ব্যাখ্যা বৃহস্পতিবার দিয়েছেন। তিনি বলেন, যে যুক্তিগুলো দিয়ে বলা হচ্ছে সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা ৩৫ করতে হবে। যেমন- করোনা, আন্দোলন; সেগুলো আসলে অস্থায়ী কারণ। এগুলো স্থায়ী কোনো কারণ না, যার জন্য আমাকে বড় কোনো পরিবর্তনে যেতে হবে।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, যেহেতু বিসিএসের প্রতি অনেকের আগ্রহ থাকে, বয়স অনেক দূর বাড়িয়ে দিলে একজনই বারবার এখানে পরীক্ষা দেয়, অন্যদের জন্য সুযোগ সীমিত হয়ে যেতে পারে। এটার কিছু অর্থনৈতিক বিষয়ও আছে। এগুলো হচ্ছে স্থায়ী বিষয়। এগুলো চিন্তা করে বয়স ৩২ রাখাটা সমীচীন।’

    আবু আলম শহীদ খানও এ প্রসঙ্গে বলেন, চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর করা করা হলে সব ধরনের পরীক্ষা ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে চাকরিতে যোগদান করতে আরও দুই-তিন বছর লাগবে।

    তিনি বলেন, ‘এই বয়স চাকরিতে প্রবেশের বয়স না। যিনি ২৪ বছর বয়সে যোগদান করবেন, তিনি ততদিনে অনেক দূর এগিয়ে যাবেন। তখন ছোটদের সঙ্গে চাকরি করাটা দেরিতে চাকরিতে যোগদানকারীদের জন্য মানসিক সমস্যার তৈরি করতে পারে। তাই, দুই বছর বাড়ানো ঠিক আছে।’

    তবে সাবেক এই সচিবের মতে, ‘তিনবারের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলতে পারে। ভারতেও ছয়বার দিতে পারে। আমাদের ক্ষেত্রে তিনবার…এটা কম কি না, এটা ভেবে দেখার সুযোগ আছে।’

    বাংলাদেশে ৪০-৪২ লাখ শিক্ষিত বেকার আছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এভাবে সরকারি চাকরির আশায় বসে থাকলে পরবর্তীতে অন্য কোনো চাকরিই হবে না।

    সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, চাকরিতে প্রবেশের বয়স যদি ৩৫ করা হয় তাহলে তরুণদের মেধাকে কাজে লাগানো যাবে না। তরুণরা যে অনেক দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারে সেটা কি কেউ অস্বীকার করতে পারবেন?

    মজুমদার এখন সরকারের একজন উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন।

    নতুন এ সিদ্ধান্তের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে প্রবেশে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩০ বছর, আর অবসরে যাওয়ার সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৫৯ বছর ছিল। তবে মুক্তিযোদ্ধা কোটাধারীদের ক্ষেত্রে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩২ ও অবসরে যাওয়ার বয়স ৬০ বছর ছিল।

    আগেও বাড়ানো হয়েছে বয়স

    আগে বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ছিল ২৭ বছর ও অবসরের বয়স ছিল ৫৭ বছর।

    কিন্তু ১৯৯১ সালে চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়িয়ে ৩০ বছর করা হয় যদিও সেবার অবসরের বয়সসীমা আর বাড়ানো হয়নি। এরপর ২০১১ সালে অবসরের বয়স বাড়িয়ে ৫৯ বছর করা হয়।

    ওই সময় অবসরের বয়স বাড়ানোর পরের বছর ফের চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর জন্য আন্দোলন করে চাকরিপ্রত্যাশীরা। কিন্তু তৎকালীন সরকার তাতে সাড়া দেয়নি।

    ২০১৯ সালেও চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করা প্রসঙ্গে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে।

    তিনি তখন বলেছিলেন যে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করা হলে ‘করুণ অবস্থা হবে’।

    তার যুক্তি ছিল, ৩৫ বছরের পর চাকরির পরীক্ষা দিলে রেজাল্ট, ট্রেনিং শেষ করে যোগ দিতে দিতে ৩৭ বছর লাগে। ‘একটা সরকার তাহলে কাদের দিয়ে চালাব,’ প্রশ্ন রেখেছিলেন তিনি।

  • বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

    বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

    বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির আভাস দিয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

    রোববার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়- উত্তর ওড়িশা ও এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থানরত স্থল নিম্নচাপটি উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে লঘুচাপে পরিণত হয়ে গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে।

    এ অবস্থায় রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের দু’এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি/গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এছাড়া সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, রংপুর ও ঢাকা বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    এছাড়া বর্ধিত ৫ (পাঁচ) দিনে আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেও জানায় অধিদপ্তর।

  • জামায়াতের হিন্দু শাখা গঠন, যা বলছেন নেতারা

    জামায়াতের হিন্দু শাখা গঠন, যা বলছেন নেতারা

    পীরগাছায় হিন্দু শাখার কমিটি গঠন নিয়ে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোস্তাক আহমেদ দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এমন কমিটি গঠনের আগে আমাকে আরও সিরিয়াস হওয়া লাগত। দোয়া করেন, ভবিষ্যতে যেন এ রকম না হয়। এদিকে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুর জব্বার জানান, কমিটি ওই ধরনের হয়েছে (জামায়াতের হিন্দু শাখা)। তবে তাদের নিয়ে আমরা আবারো বসব।

    নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক বিজন চন্দ্র দাস জানান, জামায়াতের সঙ্গে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের যোগাযোগ, বিপদ-আপদে পাশে থাকা, বিভিন্ন সাহায্য-সহযোগিতার জন্য কমিটি করা হয়েছে। কমিটি করার সময় কারও চাপ ছিল না। এখনো কোনো চাপ বা ভয় নেই। কমিটি থাকবে কিনা, পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে বসে জানানো হবে। জামায়াতের হিন্দু/অমুসলিম কমিটি কিনা, এই প্রশ্নের উত্তর তিনি সোজাসুজি উত্তর দেননি।

    সভাপতি মির্জাপুর ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ভবেশ চন্দ্র বর্মনের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি ফোন না ধরায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

    উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ভবেশ চন্দ্র বর্মন বলেন, সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে জামায়াতের একটি অমুসলিম কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে তিনি ‘হিন্দু শাখা’ বলতে নারাজ। এ কমিটি থাকবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবশ্যই থাকবে। লোক পরিবর্তন হতে পারে কিন্তু কমিটি থাকবে। কারও চাপে এ কমিটি করা হয়েছে কিনা, এ ব্যাপারে তিনি আরও বলেন, এখানে কারও চাপ নেই। মতবিনিময় সভায় সবার মতামতের ভিত্তিতে কমিটি হয়েছে। আমিও সেখানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দিয়েছি। তবে কমিটি গঠনের পর নবনির্বাচিত সভাপতি সহকারী অধ্যাপক চাপে আছেন, শুনেছি।

    শুক্রবার রাতে উপজেলা জামায়াতের অফিসে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুর জব্বার হিন্দু সম্প্রদায় ভাইদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা শেষে পাঁচজনকে নিয়ে একটি কমিটি ঘোষণা দেন। পরে সাংবাদিকরা ‘এটা কিসের কমিটি গঠন হলো’ তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, ‘জামায়াতের হিন্দু শাখা’।

    এতে সভাপতি করা হয়েছে মির্জাপুর ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ভবেশ চন্দ্র বর্মনকে। সহসভাপতি দেবী চৌধুরাণী ডিগ্রি কলেজের প্রদর্শক তাপস চন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক ওষুধ ব্যবসায়ী বিজন চন্দ্র দাস, সহসম্পাদক কিসামত ঝিনিয়া সনাতন সংঘের সভাপতি সুধারঞ্জন বর্মন ও অর্থসম্পাদক দেউতি স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক প্রভাষ চন্দ্র বর্মন।

    মতবিনিময় সভায় ইউনিয়ন জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা ইদ্রিস আলীর সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন রংপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক। ইউনিয়ন জামায়াত শাখার আয়োজনে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোস্তাক আহমেদ, সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক জাকির হোসেন, ইউনিয়ন জামায়াতের অর্থসম্পাদক হোসাইন আহমেদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলার দুই শতাধিক হিন্দু সম্প্রদায়।

  • পহেলা নভেম্বর থেকে পলিথিন ব্যাগের বিরুদ্ধে অভিযান: পরিবেশ উপদেষ্টা

    পহেলা নভেম্বর থেকে পলিথিন ব্যাগের বিরুদ্ধে অভিযান: পরিবেশ উপদেষ্টা

    পাটজাত পণ্য উৎপাদনকারীরা বেশী দাম ধরার কারণে মানুষ প্লাস্টিক ও পলিথিন ব্যবহারে বাধ্য হয়। ফলে পলিথিনের ব্যবহার বন্ধে পাটের ব্যাগের মূল্য সহনীয় রাখতে হবে। এমন মন্তব্য করেছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

    রোববার (২৭ অক্টোবর) সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ে এ কথা বলেন তিনি।

    রিজওয়ানা বলেন, সব ধরণের পলিথিন নয় শুধু পলিথিনের শপিংব্যাগ বন্ধ হবে। পহেলা নভেম্বর থেকে পলিথিন শপিং ব্যাগের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। পলিথিন ব্যাগ উৎপাদনের ছোট ছোট মেশিন আমদানি নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, রক্ত, মায়ের দুধ অ খাদ্য উপাদানে মাইক্রো প্ল্যাস্টিক পাওয়া গেছে। পলিথিন ব্যবহারে মানুষকে অভ্যস্ততার জায়গা থেকে সরাতে হবে। আমরা চাই পলিথিনের ক্ষতিকর দিক বুঝে মানুষ এটির ব্যবহার থেকে সরে আসুক যাতে আমাদের ব্যবস্থা নিতে না হয়।

  • সাবেক দশ মন্ত্রীসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে গ্রেফতার আদেশ

    সাবেক দশ মন্ত্রীসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে গ্রেফতার আদেশ

    জুলাই-আগস্ট গণহত্যায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে সাবেক ১০মন্ত্রী, ২ উপদেষ্টা, ১ সচিব ও এক সাবেক সেনাকর্মকর্তাকে।

    রোববার (২৭ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চে এ আবেদন করা হলে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়।

    ট্রাইব্যুনালের অপর দুই বিচারপতি হলেন, বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    গ্রেফতারকৃতদের আগামী ১৮ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করতা বলা হয়েছে।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন- সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, সাবেক সমাজক্যলাণ মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক ইলাহী চৌধুরী, সালমান এফ রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, শাহজাহান খান, কামাল আহমেদ মজুমদার, গোলাম দস্তগীর গাজী, জিয়াউল আহসান, বিচারপতি মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর।

    গত ১৭ অক্টোবর জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের পৃথক মামলায় শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। অন্যান্য যাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তারা হলেন, শেখ হাসিনা বোন শেখ রেহানা, শেখ হাসিনার মন্ত্রী পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ এ আরাফাত, আসাদুজ্জামান খান কামাল, আনিসুল হক, দীপু মনি, আকম মোজাম্মেল হক, শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক মন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, শেখ সেলিম, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, শেখ ফজলে শামস পরশ, সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ মামুন, ডিবি হারুন, পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সরকার, প্রলয় কুমার জোয়ার্দার, সাবেক ডিএমপি হাবিবুর রহমান, সাবেক র‌্যাব ডিজি হারুন অর রশিদ, সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান, শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা তারেক আনাম সিদ্দিকী, বিচারপতি মানিক, ড. জাফর ইকবাল, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। বাকিদের নাম তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ করেনি প্রসিকিউশন টিম।

    এর আগে পৃথক মামলায় ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন জানান চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

  • ১৭ পুলিশের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    ১৭ পুলিশের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন জুলাই-আগস্ট গণহত্যার অভিযোগে ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলায় সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিবসহ ১৭ সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

    রোববার (২৭ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালে তাদের হাজিরের নির্দেশনা চেয়ে আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. তাজুল ইসলাম।

    এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জুলাই-আগস্ট গণহত্যায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে সাবেক ১০ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে। ১৮ নভেম্বর তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে হবে। বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, সাবেক সমাজক্যলাণ মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক ইলাহী চৌধুরী, সালমান এফ রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, শাহজাহান খান, কামাল আহমেদ মজুমদার, গোলাম দস্তগীর গাজী, জিয়াউল আহসান, বিচারপতি মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর।

    এর আগে গত ১৭ অক্টোবর জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের পৃথক মামলায় শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    অন্যান্য যাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তারা হলেন, শেখ হাসিনা বোন শেখ রেহানা, শেখ হাসিনার মন্ত্রিপরিষদের সদস্য মোহাম্মদ এ আরাফাত, আসাদুজ্জামান খান কামাল, আনিসুল হক, দীপু মনি, আ ক ম মোজাম্মেল হক, শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক মন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, শেখ সেলিম, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, শেখ ফজলে শামস পরশ, সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ মামুন, ডিবি হারুন, পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সরকার, প্রলয় কুমার জোয়ার্দার, সাবেক ডিএমপি হাবিবুর রহমান, সাবেক র‌্যাব ডিজি হারুন অর রশিদ, সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান, শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা তারেক আনাম সিদ্দিকী, বিচারপতি মানিক ড. জাফর ইকবাল, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। বাকীদের নাম তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ করেনি প্রসিকিউশন টিম।

  • ঘর থেকে তুলে নিয়ে মা-মেয়েকে গর্ণধর্ষণ, আটক ২

    ঘর থেকে তুলে নিয়ে মা-মেয়েকে গর্ণধর্ষণ, আটক ২

    নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এক নারী ও তার মেয়েকে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

    শনিবার রাতে এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ২০ অক্টোবর রাতে একই উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের দুর্গম চরে এ ঘটনা ঘটে।

    আটকরা হলেন— হাসান (৩৬) ও হারুন (৩২)। তারা ওই ইউনিয়নের বাসিন্দা।

    পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নির্যাতনের শিকার নারীর (৩৫) স্বামী চট্টগ্রামে গাড়ি চালান। উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের এক দুর্গম চরে ওই নারী তার এক ডির্ভোসি মেয়েকে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করেন। তার এক দূর সম্পর্কের দেবর প্রায় তাদের বাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন। এ নিয়ে স্থানীয় রাশেদ, সাইফুল, হাসান, হারুন, রাজু ও ইব্রাহিম তাদের মা-মেয়েকে সন্দেহ করতেন। গত রোববার রাত ১১টার দিকে ৬ যুবক ভুক্তভোগী নারীর বাড়িতে ঢুকেন। একপর্যায়ে তারা ঘরের দরজা খুলে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর তারা ওই নারীর দূর সম্পর্কের দেবরকে (২১) বেঁধে তাকে ও তার মেয়েকে (২০) ঘর থেকে বাইরে নিয়ে যান।

    ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করে আরও বলেন, যুবকদের মধ্যে তিনজন তাকে টেনেহিঁচড়ে বাড়ির পুকুর পাড়ে নিয়ে যান। অন্যরা তার মেয়েকে বসতঘরের পাশের রান্নাঘরের সামনে নিয়ে যান। সেখানে রাত ৩টা পর্যন্ত পালাক্রমে ওই যুবকরা তাদের ধর্ষণ করেন। যাওয়ার সময় টাকাপয়সাসহ ঘরের জিনিসপত্রও লুট করে নিয়ে যান। ঘটনাটি কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দিয়ে যান।

    কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দুজনকে আটক করেছে। নির্যাতিত নারী ও তার মেয়েকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।