Blog

  • রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে বিএনপির ‘অস্পষ্ট অবস্থান’ নিয়ে যা বললেন হাসনাত

    রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে বিএনপির ‘অস্পষ্ট অবস্থান’ নিয়ে যা বললেন হাসনাত

    রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে বিএনপির দুই নেতার দুই রকম বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

    বুধবার (২৩ অক্টোবর) বিকাল সোয়া ৪টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।

    পোস্টে দুদু ও সালাহউদ্দিনের বক্তব্য কোট করা ছবি প্রকাশ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ও গণতন্ত্রের পক্ষে বিএনপির দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাস রয়েছে। বর্তমান ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশে ৭২-এর সংবিধান বাতিল ও রাষ্ট্রপতির পদচ্যুতির বিষয়ে বিএনপির অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। নিচের কোন বক্তব্যকে আমরা বিএনপির বক্তব্য হিসেবে ধরব?

    পোস্টে উল্লেখ করা বক্তব্যে দুদু বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতিকে বিদায় না করলে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না’। অন্যদিকে সালাহউদ্দিন বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ চায় না বিএনপি’। রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে বিএনপির দুই নেতার দুই রকম বক্তব্যেই মূলত প্রশ্ন তোলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।

    এর আগে এক পোস্টে এই ছাত্র নেতা লেখেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী কোনও রাজনৈতিক ৭২-এর মুজিববাদী সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার পক্ষে অবস্থান নিতে পারে না। এই সংবিধানকে বাতিল করতে হবে।

    তিনি বলেন, ৭২-এর মুজিববাদী সংবিধানের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে জনগণের অংশগ্রহণকে ছোট করা হয়েছে এবং অস্বীকার করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধকে সুনির্দিষ্ট একটি দলের হাতে তুলে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে আওয়ামী লীগীকরণ করা হয়েছে।

    আমরা মনে করি, গণঅভ্যুত্থান কিংবা বিপ্লব কোনো সুনির্দিষ্ট দলের সম্পত্তি নয়। এটিকে জনগণের সম্পত্তিতে পরিণত করতে হলে গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে জনগণের সংবিধানে রূপান্তরিত করতে হবে। সেজন্য ৭২-এর একদলীয় সংবিধানকে বাতিল করে একটি জনগণপন্থী সংবিধান রচনা করতে হবে। এই প্রশ্নে আমরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আপোষহীন থাকব।

    গতকালের পাঁচ দফার প্রথম দফা হলো ৭২-এর মুজিববাদী সংবিধান বাতিল করে নতুন করে জনগণপন্থী সংবিধান লিখতে হবে। এ দাবির বিপরীতে অবস্থান নিয়ে ৭২-এর সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার বয়ান হলো গণঅভ্যুত্থান পরিপন্থী বয়ান। ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থান পরিপন্থী যেকোনো বয়ান আবার ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের সুযোগ করে দেবে। সুতরাং ২৪- এর গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিটে বিশ্বাসী ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যবদ্ধ শক্তি ৭২-এর মুজিববাদী সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষার পক্ষে অবস্থান নিয়ে ফ্যাসিবাদকে পুনর্বাসনের সুযোগ দিতে পারে না।

    আমাদের ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানকে চূড়ান্ত বিপ্লবে পরিণত করতে হলে পাঁচ দফা বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই। এই পাঁচ দফা বাস্তবায়নে গণতন্ত্রকামী ফ্যসিবাদবিরোধী ঐক্যবদ্ধ শক্তির লড়াই অব্যাহত থাকবে।

  • ভারতকে হারিয়ে সাফের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

    ভারতকে হারিয়ে সাফের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

    গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে সেমিফাইনালে উঠে গেল বাংলাদেশ। হারলেও শেষ চারে উঠেছে ভারত, ‘এ’ গ্রুপ থেকে বাদ পড়ে পাকিস্তান।

    গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ড্র করায় শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। পরের ম্যাচে প্রতিপক্ষ ভারত হওয়ায় শঙ্কাটা উড়িয়ে দেওয়ার মতো ছিল না। কিন্তু প্রত্যয়ী বাংলাদেশ আজ ভারতের বিপক্ষে খেললো দাপুটে ফুটবল।

    শুরুতেই এগিয়ে গিয়ে আরও দুইবার গোল করেন বাংলাদেশের মেয়েরা। ভারতকে উড়িয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে উঠে গেল আসরটির বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

    বুধবার নেপালের কাঠমণ্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে গ্রুপপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ভারতকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এক ড্র ও এক জয়ে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শেষ চারে উঠল তারা। হারলেও শেষ চারে উঠেছে ভারত। এই গ্রুপ থেকে বাদ পড়লো পাকিস্তান।

    গত সাফেও ভারতের বিপক্ষে দাপুটে জয় পায় বাংলাদেশ, গ্রুপ পর্বে তাদেরকে হারিয়েছিল ৩-০ ব্যবধানে।

  • সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যা তদন্তে টাস্ক ফোর্স গঠন

    সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যা তদন্তে টাস্ক ফোর্স গঠন

    সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যার ঘটনা তদন্তে টাস্ক ফোর্স গঠন করেছে সরকার। বুধবার চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করে পরিপত্র জারি করা হয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের দেওয়া এক আদেশের প্রেক্ষিতে এই টাস্কফোর্স গঠন করা হলো।

    জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, টাস্কফোর্স যথাযথ আইন ও বিধি অনুসরণপূর্বক সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যা মামলার তদন্ত সম্পন্ন করে আগামী ছয় মাসের মধ্যে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করবে।

    এতে আরও বলা হয়, টাস্কফোর্স প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    পুলিশ ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো তথা পিআইবির প্রধানকে টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক করা হয়েছে। অন্য তিন সদস্য হলেন- পুলিশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি (অ্যাডিশনাল ডিআইজি পদমর্যাদার নিম্নে নয়), অপরাধ তদন্ত বিভাগ তথা সিআইডির প্রতিনিধি (অ্যাডিশনাল ডিআইজি পদমর্যাদার নিম্নে নয়) এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) প্রতিনিধি (পরিচালক পদমর্যাদার নিম্নে নয়)।

  • সংবিধান বাতিল এবং রাষ্ট্রপতির অপসারণ দাবিতে জাতীয় ঐক্যের ডাক

    সংবিধান বাতিল এবং রাষ্ট্রপতির অপসারণ দাবিতে জাতীয় ঐক্যের ডাক

    বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল এবং রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের অপসারণ দাবিতে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি।

    বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘৭২-এর মুজিববাদী সংবিধান বাতিল ও রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের অপসারণের’ দাবিতে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলন থেকে এ আহ্বান জানানো হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ এবং জাতীয় পার্টি ছাড়া সব রাজনৈতিক দলকে জাতীয় ঐক্যের ডাকে সাড়া দিতে আহ্বান জানান হাসনাত আব্দুল্লাহ।

    তিনি বলেন, কোনো দল যদি বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল ও রাষ্ট্রপতির অপসারণ দাবিতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বানে না আসে তাহলে সে দলকেও আমরা বয়কট করবো ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে। আমরা বাহাত্তরের পচা-গলা সংবিধান মানবো না। বাহাত্তরের সংবিধান থাকলে রাজনৈতিক সংকট থাকবে দূর হবে না।

    তিনি বলেন, বাহাত্তরের সংবিধান থাকলে রাজনৈতিক সংকট দূর হবে না। এই সংবিধানের মধ্য দিয়েই ফ্যাসিবাদ কাঠামো সব সময় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সংঘবদ্ধ হয়েছে। শেখ হাসিনা সব সময় বলেছিলেন যে- আমাদের সব সময় সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে। যখনই তাকে পদত্যাগ করতে বলা হতো, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলা হতো বা নির্দলীয় সরকারের কথা বলা হতো তখনই এই সংবিধান রক্ষা করার কথা বলতেন।

    বঙ্গভবন ঘেরাও নিয়ে হাসনাত বলেন, আমাদের দাবি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ। তবে এ ধরনের আন্দোলন আমরা চাই না। আমরা এরই মধ্যে তাদের (বঙ্গভবন ঘেরাওকারীদের) সঙ্গে কথা বলেছি। যারা আন্দোলনে আছেন তাদের প্রতিও আহ্বান জানাবো, আপনারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ওপর আস্থা রাখুন। আমরা একসঙ্গে নেতৃত্ব দিয়ে আবারও আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করব।

    নাগরিক কমিটি বা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপ বিষয়ে নাগরিক কমিটির সদস্য নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, আমরা রাজনৈতিক মহলের সঙ্গে কথা বলছি। আমরা কোনো গোলটেবিল আলোচনা চাই না। আমরা রাজপথে বিশ্বাসী, রাজপথে থেকেই সমাধান করতে চাই। রাজপথে থেকে হাসিনা পালিয়েছে, রাজপথেই সিদ্ধান্ত হবে চুপ্পু কোথায় যাবে। রাজনৈতিক কোনো দল যদি কোনো ইনডোর রুমে বসে সিদ্ধান্ত নিতে চায় তবে আমরা রাজপথে থেকেই সেটার সমাধান করব।

  • আপনার সঙ্গে আলাদা করে কিছু বলব না স্যার: ব্যারিস্টার সুমন

    আপনার সঙ্গে আলাদা করে কিছু বলব না স্যার: ব্যারিস্টার সুমন

    আদালতে আইনজীবীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) রিমান্ড শুনানি শেষে এ কথা বলেন তিনি।

    হত্যাচেষ্টা মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুরের আদেশ শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকীকে উদ্দেশ করে ব্যারিস্টার সুমন কথা বলতে চাইলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।

    এ সময় সুমন বলেন, আপনার সঙ্গে আলাদা করে কিছু বলব না স্যার। আপনার মাধ্যমে সব আইনজীবীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি খুব সরি স্যার।

    এদিন বেলা ১১টা ২০ মিনিটে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয় সুমনকে। এ সময় তাকে হাজতখানায় রাখা হয়। এরপর বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে পুলিশের কড়া প্রহরায় তাকে আদালতে তোলা হয়।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মিরপুরে যুবদল নেতা ও বাঙালিয়ানা ভোজের সহকারী বাবুর্চি হৃদয় মিয়াকে হত্যাচেষ্টা মামলার শুনানির শুরুতেই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল হালিম অস্ত্র উদ্ধার ও আসামি শনাক্তকরণসহ সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার ১০ দিনের রিমান্ড চান। ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান রিমান্ডে নেওয়ার পক্ষে শুনানি করেন।

    এরপর মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডে নেওয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরে শুনানি করেন।

    তিনি আদালতকে বলেন, এই আসামি ৫ আগস্টের পর ফেসবুকে এমনভাবে ছবি ভিডিও শেয়ার করেন যাতে বোঝা যায় তিনি লন্ডনের কোথাও আছেন। তিনি লন্ডন যাননি, বরং মিরপুরে তার বোনের বাসায় পালিয়ে ছিলেন। কিছু মানুষ আছেন যারা কোনো রাজনীতি করেন না, মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে ভেলকি দেখায়। এই আসামি তাদেরই একজন। তিনি নিজেকে সেলফি এমপি দাবি করেন। পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলেছেন। মানুষকে সহায়তার নামে বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এমপি হয়ে তিনি দেশের সবচেয়ে দামি গাড়ি আমদানি করেছেন, তবে দুঃখের বিষয় সেটা ছাড়াতে পারেননি। রাস্তার পাশে পড়ে থাকা বিদ্যুতের খুঁটি রাস্তায় বসিয়ে ভিডিও করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। গ্রেফতারের আগেও তিনি ফেসবুকে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেছেন আদালতে আসার কথা, যেন তিনি কি না কি উদ্ধার করে ফেলেছেন। এই ভিডিও বার্তার মাধ্যমে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছেন। এজন্য তার বিরুদ্ধে আলাদা মামলা হওয়া দরকার। এ সময় তিনি আসামি সুমনের সর্বোচ্চ রিমান্ড চান।

    এরপর আসামিপক্ষে একজন আইনজীবী তার রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

    পরে আবারও বিএনপিপন্থি কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করার একপর্যায়ে মহানগর পিপি তাদের কাছ থেকে মাইক কেড়ে নেন। আদালত আসামির কোনো বক্তব্য আছে কিনা জানতে চাইলে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের তোপের মুখে কথা বলতে রাজি হননি ব্যারিস্টার সুমন। এরপর আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দিয়ে এজলাস ত্যাগ করেন।

    সুমনকে এজলাস থেকে হাজতখানায় নিয়ে যাওয়ার সময় মহানগর পিপির উদ্দেশ্যে তিনি কথা বলেন।

    এর আগে সোমবার (২১ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে মিরপুর-৬ এলাকা থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ১৯ জুলাই হৃদয় জুমার নামাজ আদায় করে মিরপুর-১০ নম্বরে সমাবেশে যান। সেখানে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। ককটেল নিক্ষেপ করে, গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হন হৃদয়। তিনি হবিগঞ্জের মাধবপুর ১০নং হাতিয়াইন ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি।

    এ ঘটনায় তিনি ২৩ সেপ্টেম্বর মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার ৩ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি ব্যারিস্টার সুমন।

  • লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৫৭ বাংলাদেশি

    লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৫৭ বাংলাদেশি

    লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন ১৫৭ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিক। বুরাক এয়ারের একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে মঙ্গলবার ভোর ৪টা ২৫ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান তারা।এ সময় তাদেরকে অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) কর্মকর্তারা।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।

    লিবিয়ার মিসরাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চল থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে ইচ্ছুক ১৫৭ জন অনিয়মিত বাংলাদেশিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ত্রিপোলির বাংলাদেশ দূতাবাস ও আইওএমের সহযোগিতায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

    ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানব পাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় গিয়েছিলেন। তাদের অনেকেই লিবিয়ায় বিভিন্ন সময় অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

    দেশে ফিরে আসার পর এই ভয়ংকর পথ পাড়ি দিয়ে আর যেন কেউ লিবিয়াতে না যায়, সে বিষয়ে নিজেদের সচেতন হতে এবং সবাইকে সচেতন করার জন্য আহ্বান জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

    আইওএমের পক্ষ থেকে লিবিয়া থেকে ফেরা প্রত্যেককে ছয় হাজার টাকা ও কিছু খাবার উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে। তাদের চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী আবাসের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে একসঙ্গে কাজ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ত্রিপোলির বাংলাদেশ দূতাবাস ও আইওএম।

  • আন্দোলনে হতাহতদের ক্ষতিপূরণ কেন নয়

    আন্দোলনে হতাহতদের ক্ষতিপূরণ কেন নয়

    জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের ক্ষতিপূরণ কেন নয়- জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের দ্বৈত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

    রিটে বলা হয়, সরকারের পক্ষ থেকে আহত ও নিহতদের যে তালিকা করা হয়েছে তা পূর্ণাঙ্গ নয়। যারা তালিকায় নেই, তারা চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণের জন্য কোথায় যোগাযোগ করবে, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। চিকিৎসা এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানে সরকারের পদক্ষেপ আরও জোরাল করতে বলা হয়।

    ক্ষতিগ্রস্ত না হয়েও কেউ যেন এই সুযোগের অপব্যবহার করতে না পারে, সেজন্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয় রিটে।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. রওশন আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জোনরেল মোহাম্মদ শফিকুর রহমান।

  • আইনজীবীর সঙ্গে বাগবিতণ্ডা, আদালত বর্জন করলেন ম্যাজিস্ট্রেটরা

    আইনজীবীর সঙ্গে বাগবিতণ্ডা, আদালত বর্জন করলেন ম্যাজিস্ট্রেটরা

    চট্টগ্রামের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে একটি মামলার আবেদনের শুনানিতে বাদীর আইনজীবীর সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয় ম্যাজিস্ট্রেটদের। এ ঘটনার পর বিচার কাজ স্থগিত রেখেছেন ম্যাজিস্ট্রেটরা।

    মঙ্গলবার দুপুরে মহানগর হাকিম মো. অলি উল্লাহর আদালতে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও পিপি মো. আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাকের সঙ্গে এ ঘটনা ঘটে। তিনি বাদীর আইনজীবী হিসেবে এদিন শুনানিতে অংশ নেন।

    এরপর হাকিম অলি উল্লাহ এজলাস থেকে নেমে মুখ্য মহানগর হাকিমকে বিষয়টি অবহিত করেন। কিছুক্ষণ পর মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের অধীন ১০ জন বিচারকের সবাই এজলাস ছেড়ে যান।

    জানতে চাইলে চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (প্রসিকিউশন) এএএম হুমায়ন কবীর গণমাধ্যমকে বলেন, একটি মামলার ফাইলিংয়ের বিষয়ে আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে একজন বিচারকের কথা কাটাকাটি হয়। এরপর ম্যাজিস্ট্রেটরা এজলাস ছেড়ে চলে যান।

    আইনজীবী আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাক গণমাধ্যমকে বলেন, ১৭ জুলাই মুরাদপুরের ঘটনায় আহত সোয়েব ইমরানের একটি মামলার আবেদন নিয়ে আমরা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর আদালতে যাই। মামলাটি যাতে থানায় এফআইআর হিসেবে নেওয়া হয়, সেই আদেশ চেয়েছিলাম। এরপর নিয়ম অনুসারে বাদী আদালতকে ১২-১৪ জন আসামির নাম বলেন। কিন্তু বিচারক বাদীর কাছে সব আসামির নাম জানতে চান। তখন আমি বলি- এত নাম বলা সময়ের ব্যাপার। ভিডিও ফুটেজ দেখে আসামিদের নাম দেওয়া হয়েছে। সব নাম তো আসামি বলতে পারবে না। এরপর আবারও আদেশ চাই।

    এরপর বিচারক বলেন, আমার কাজ আমাকে করতে দেন। তারপর তিনি মামলার আবেদনটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে আদেশ দেন। আদেশ পেয়ে আমি কৃতজ্ঞতাও জানাই। এ সময় বিচারক বলেন, আমার কোর্টে জোর খাটানোর চেষ্টা করবেন না। তখন আমি বলি, জোর কোথায় খাটালাম? এরপর এজলাস থেকে নেমে তিনি মুখ্য মহানগর হাকিমে কাছে যান। তারপর সিএমএম আদালতের সব বিচারক নেমে যান।

    এদিকে বিচারকরা এজলাস থেকে নেমে যাওয়ার পর বিএনপি ও জামায়তপন্থি আইনজীবীরা চট্টগ্রাম আদালত ভবনের দ্বিতীয়তলায় মহানগর হাকিম আদালতের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ স্লোগান দিতে থাকেন।

  • এইচএসসির ফল বাতিল দাবিতে ময়মনসিংহ বোর্ডে শিক্ষার্থীদের তালা

    এইচএসসির ফল বাতিল দাবিতে ময়মনসিংহ বোর্ডে শিক্ষার্থীদের তালা

    ময়মনসিংহে এইচএসসির ফল বাতিলের দাবিতে শিক্ষা বোর্ডের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে আন্দোলন করেছে শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সকাল থেকে নগরীর কাঠগোলা এলাকায় শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবস্থান নেয় পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা।

    এ সময় শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু তাহেরসহ কর্মকর্তারা বোর্ডের গেটের সামনে এসে শিক্ষার্থীদের বুঝানোর চেষ্টা করে; কিন্তু আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা কর্মকর্তাদের কথা না মেনে শিক্ষা বোর্ডের মূল গেটে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে সেখানে অবস্থান নেয়। তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে।

    এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ঘোষিত ফলাফল বাতিল করে এসএসসির ফলাফল অনুযায়ী সাবজেক্ট ম্যাপিং করে ফলাফল ঘোষণার দাবি জানায়।

    আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আবু তাহের বলেন, জেলা প্রশাসক দাবিগুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে। আমরাও জানিয়েছি। সেখান থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না এলে এখান থেকে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়ার সুযোগ নেই। শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের এমন আশ্বাস শিক্ষার্থীরা মেনে না নিয়ে বোর্ডের সামনে অবস্থান করতে থাকে।

    এর আগে সোমবার শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেন। শিক্ষা উপদেষ্টা বরাবর দেওয়া স্মারকলিপিতে বলা হয়, গত ১৫ অক্টোবর এইচএসসির যে ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে তা ত্রুটিপূর্ণ এবং বৈষম্যযুক্ত। দুই দফা দাবিতে তারা ত্রুটিপূর্ণ এবং বৈষম্যযুক্ত ফলাফলকে বাতিল ঘোষণা চায়। সেই সঙ্গে দেশের সব বোর্ডের সঙ্গে সমভাবে সাবজেক্ট ম্যাপিং নিয়ে আলোচনা করে এসএসসি ফলাফল হতে পুনরায় সব বিষয়ের ফলাফল শিট তৈরি করতে হবে।

    একই দাবিতে গত রোববার দুপুর থেকে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। ওই দিন শিক্ষা বোর্ডের অবরুদ্ধ কর্মকর্তারা রাত ১০টায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপে বাসায় ফেরেন। শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবিতে বোর্ড চেয়ারম্যানের কাছে সেদিন স্মারকলিপি দেন।

  • রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

    রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

    রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের অপসারণ দাবিতে বঙ্গভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করছে ছাত্র-জনতা। কর্মসূচি থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টায় বঙ্গভবনের সামনে থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

    আন্দোলনকারীরা বলেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতি আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার দোসর। আমরা চাই না তিনি রাষ্ট্রপতি পদে থাকুন। তাই আমরা তাকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছি তিনি যেন রাষ্ট্রপতির পথ থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ না করেন তাহলে আমরা জানি তাকে কিভাবে পথ থেকে সরাতে হয়। ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটামে কাজ না হলে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলব।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিজে আহত হয়েছেন জানিয়ে বাহার উদ্দিন নামে একজন বলেন, রাষ্ট্রপতি চুপ্পু যে পর্যন্ত তার পদ থেকে পদত্যাগ না করবেন সে পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছেড়ে যাব না। চুপ্পু একজন মিথ্যাবাদী। তিনি স্বৈরাচার শেখ হাসিনার দোসর। আমরা চাই না কোনো স্বৈরাচারের দোসর এই পদে থাকুক।

    মো. সোহাগ নামে একজন বলেন, আমরা দেখতে চাই চুপ্পু কতদিন বঙ্গভবনে থাকতে পারেন। ছাত্র আন্দোলনে আহতরা পথে পথে আর দুর্নীতিবাজ ও স্বৈরাচারের দোসর রাষ্ট্রপতি চুপ্পু বঙ্গভবনে আরাম-আয়েশ করবে এটা মেনে নেওয়া হবে না। এই রাষ্ট্রপতি ভারতের দালাল এবং শেখ হাসিনার দোসর।

    ইনকিলাব মঞ্চ নামের ব্যানারে আন্দোলনে আসা আরেকটি পক্ষের লোকজন বলেন, আমরা চাই বর্তমান রাষ্ট্রপতি যেন দ্রুত পদত্যাগ করেন।

    বঙ্গভবন এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মো. ফারুক হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, বঙ্গভবন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য ডিএমপি থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশ সদস্যরা কাজ করছেন। অপ্রীতিকর কিছু যাতে না ঘটে সেজন্য স্থানীয় থানা পুলিশের পাশাপাশি সেখানে সহযোগিতায় রয়েছেন সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের সদস্যরা।

    প্রসঙ্গত, ছাত্র-জনতার তোপের মুখে গত ৫ আগস্ট পালিয়ে যান ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি পালিয়ে যাওয়ার পর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং আমি তা গ্রহণ করেছি।

    তবে সম্প্রতি মানবজমিন পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমানের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি জানান, তিনি শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন, কিন্তু তার কাছে এ সংক্রান্ত কোনো দালিলিক প্রমাণ বা নথিপত্র নেই। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বহু চেষ্টা করেও আমি ব্যর্থ হয়েছি। তিনি হয়ত সময় পাননি। এরপর নতুন করে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে সরকার পতনে নেতৃত্বদানকারী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সমাজ।