Blog

  • নির্বাচনের সম্ভব্য সময় জানালেন আইন উপদেষ্টা

    নির্বাচনের সম্ভব্য সময় জানালেন আইন উপদেষ্টা

    আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, ২০২৫ সালের মধ্যে নির্বাচন দেওয়া হয়ত সম্ভব হবে।

    বৃহস্পতিবার রাতে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    আসিফ নজরুল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল হবে বলে জানান। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কোনো সাংবাদিকের বিচার হবে এমন কথা আগে বলেননি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    আইন উপদেষ্টা বলেন, বিগত সরকারের সহযোগিতায় গায়েবি মামলা হতো। এগুলো পুলিশ করত। মামলাগুলো তৎকালীন বিরোধীদলের লোকদের বিরুদ্ধে হতো। এখন হচ্ছে ঢালাও মামলা। যারা পূর্বে নির্যাতনের শিকার হয়েছিল তারাই এই মামলা করছে। এই মামলাগুলোতে যাতে নিরাপরাধ লোক শাস্তি না পান সে বিষয়ে কাজ করছে অন্তর্বর্তী সরকার।

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচারের বিষয়ে বন্দি বিনিময় চুক্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই চুক্তি সঠিকভাবে মানলে ভারত শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দিতে বাধ্য।

    ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার আগ বাড়িয়ে কিছু করবে না। তবে তাদের নিষিদ্ধ করার দাবি বড় হয়ে উঠেছে। জনপ্রত্যাশা তৈরি হলে নিষিদ্ধ করা হবে। তারা অতীতে কী কাজ করেছে তা দেশবাসী দেখেছে।

    দ্রবমূল্যের ঊর্ধগতির বিষয়ে তিনি বলেন, তরকারির এত দাম যে বিক্রি কমে গেছে। বন্যার কারণে ডিমের সাপ্লাই কমে গেছে। গত সরকারের আমলে সব নিয়ন্ত্রণ হতো সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। তবে এটুকু বলতে পারি সামনে পরিস্থিতি উন্নতি হবে। অনেকক্ষেত্রে উন্নতি হয়েছে।

    আসিফ নজরুল বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট আমরা পুরোটাই বাতিল করার প্রক্রিয়ায় আছি। মানুষ এই নামগুলোই শুনতে পারে না।

  • হামাসের নতুন প্রধান খালেদ মেশাল

    হামাসের নতুন প্রধান খালেদ মেশাল

    ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় নিহত হয়েছেন। সিনওয়ার ২০১৭ সাল থেকে গাজায় এই সংগঠনটির পলিটিক্যাল প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের তথ্য মতে, গত ৭ অক্টোবরের হামলার মাস্টারমাইন্ড তথা মূল পরিকল্পনাকারী তিনিই ছিলেন।

    বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) লেবাননের এলবিসিআই নিউজ ওয়েবসাইট সূত্রের বরাত দিয়ে তাস নিউজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    সিনওয়ারের উত্তরসূরী হিসেবে খালেদ মেশালকে মনোনীত করেছে হামাস।

    সূত্রের বরাত দিয়ে লেবাননের এলবিসিআই নিউজ ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, হামাসের নতুন প্রধান হচ্ছেন খালেদ মেশাল।

    সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, খালেদ মেশাল হামাসের ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি এখন ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তির বিষয়ে আলোচনায় জড়িত মূল দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।

    সূত্রগুলো বলছে, ইয়াহিয়া সিনওয়ারের নিহতের বিষয়টি ইতোমধ্যে হামাসের নেতৃত্ব তুরস্ক, কাতার এবং মিশরের কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন। সেইসঙ্গে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, সিনওয়ারের মৃত্যুর পর বন্দি বিনিময় এবং যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে আলোচনা ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠবে।

    তবে ইয়াহিয়া সিনওয়ার হামলায় নিহত হয়েছেন বলে ইসরাইল যে দাবি করেছে- তা নিয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি হামাস।

  • কারিনাকে প্রথম দেখার অভিজ্ঞতা জানালেন সাইফ

    কারিনাকে প্রথম দেখার অভিজ্ঞতা জানালেন সাইফ

    বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খানের কোনোকিছুকেই বাধা মনে করেননি অভিনেত্রী কারিনা কাপুর। ভালোবেসে বিয়ে করেছেন এই জুটি। আর দেখতে দেখতে কাটিয়ে দিলেন একযুগ।

    সাইফের সহকর্মী কারিশমার ছোট বোন কারিনা। সেই সূত্রেই শুভদৃষ্টি দুজনের। সাইফ জানালেন, এক ছবির সেটেই কারিনাকে প্রথম দেখেন নায়ক।

    সম্প্রতি প্রথম দেখার অভিজ্ঞতা এক সাক্ষাৎকারে তুলে ধরলেন সাইফ।

    তার কথায়, আসলে আমি যখন প্রথমবার কারিনাকে দেখেছিলাম, আমি ফিল্মস্তান স্টুডিওতে শ্যুটিং করছিলাম। তখন দেখলাম, একটা ছোট্ট বাচ্চা মেয়ে মেকআপ রুমের বাইরের দেওয়ালে ঠেক দিয়ে বসেছিল, আর আমার দিকে তাকিয়ে ছিল।

    সাইফ বললেন, ‘আমি তখন একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম মেয়েটা কে। সে জানায়, এ কারিনা কাপুর, কারিশ্মার ছোটবোন। আমার ওইদিন দেখেই মনে হয়েছিল মেয়েটা খুব সুন্দরী, আর আমার ওইদিন থেকেই কারিনাকে ভালো লেগে যায়।’

    এদিকে তাদের নিয়ে এমনও রটনা রয়েছে, কারিনা নাকি সাইফের বিয়ের ভোজও খেয়েছেন। যদিও সেই কথা কখনোই সাইফ কিংবা কারিনা কারও মুখ থেকে শোনা যায়নি।

    কারিনাকে বিয়ের আগে সাইফ আলি খান ১৩ বছরের বড় অমৃতা সিংকে বিয়ে করেছিলেন। তাদের দুই সন্তান রয়েছে, সারা আলি খান, ইব্রাহিম আলি খান। ২০০৪ সালে সাইফ-অমৃতার বিবাহ-বিচ্ছেদ হয়।

  • ৪৩তম বিসিএস ও ৮০৩ এসআই নিয়োগ বাতিল দাবি বিএনপির

    ৪৩তম বিসিএস ও ৮০৩ এসআই নিয়োগ বাতিল দাবি বিএনপির

    ফ্যাসিবাদী আওয়ামী দলীয় পাবলিক সার্ভিস কমিশন কর্তৃক সুপারিশ করা ৪৩ তম বিসিএসের নিয়োগ প্রজ্ঞাপন বাতিলসহ ৪৪, ৪৫ ও ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষার সব প্রক্রিয়া বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। একই সঙ্গে পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর পদে ৮০৩ জন ও ৬৭ জন এএসপি নিয়োগও বাতিলের দাবি জানিয়েছে দলটি।

    রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। অতীতে একই প্রেক্ষাপটে ২৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল বাতিল করা এবং পুনরায় মৌখিক পরীক্ষা সম্পন্ন করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করার নজির রয়েছে বলেও জানান বিএনপির এই নেতা।

    তিনি বলেন, পতিত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের দোসর হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী এবং ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর সম্প্রতি পদত্যাগকারী দলকানা পাবলিক সার্ভিস কমিশন কর্তৃক সম্পূর্ণ দলীয় বিবেচনায় বিসিএস ৪৩তম ব্যাচের সুপারিশ করা ২০৬৪ প্রার্থীকে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার বিসিএসের বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। ব্যাপকভিত্তিক যাচাই-বাছাই না করে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানে অসংখ্য প্রাণের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের এই সিদ্ধান্ত ও নিয়োগ প্রক্রিয়া দেশের মানুষকে চরমভাবে হতভম্ব ও হতাশ করেছে এবং জনমনে প্রচন্ড ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

    সালাহউদ্দিন বলেন, দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পক্ষ থেকে যেখানে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করার জোর দাবি জানানো হচ্ছে, ঠিক সেই মুহুর্তে ৪৩তম বিসিএসের ঢালাও নিয়োগদানের মাধ্যমে সেই সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্যদের সরকারি প্রশাসনের উচ্চতর পদসমূহে পুনর্বাসন করার এই অন্তর্ঘাতমূলক সিদ্ধান্ত জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তার পরিপন্থি এবং তা কিছুতেই গ্রহণযোগ্য নয়।

    সালাহউদ্দিন বলেন, নির্বিচারে পতিত আওয়ামী দলীয় অনুগতদের নিয়োগদানের মাধ্যমে প্রশাসনে আওয়ামী প্রেতাত্মার আধিপত্য আরও বিস্তৃত করার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হলো, সেটাই এখন বিরাট প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা মনে করি, এই নিয়োগ ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রজনতার অবিস্মরণীয় আত্মত্যাগের সাথে বেঈমানী ও বিশ্বসঘাতকতার সামিল।

    সালাহউদ্দিন বলেন, ফ্যাসিবাদী-শাসনামলে সেই প্রতিষ্ঠান দলীয় ক্যাডারদের আস্তানায় পরিণত হয়েছিল। দলীয়করণ এতোই নগ্নরূপ ধারণ করেছিলো যে পুরস্কারস্বরূপ পিএসসির একজন সাবেক চেয়ারম্যানকে ডামি নির্বাচনের এমপি নির্বাচিত করা হয়েছিল। তিনি এখন পলাতক রয়েছেন। জাতির জন্য এর চেয়ে লজ্জার আর কি হতে পারে!

    বিএনপির এই নেতা বলেন, এসব দলবাজ কর্মকর্তাদের দ্বারা ঢালাওভাবে সুপারিশ করা শাসকদলীয় প্রার্থীদের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে নিয়োগ দান করা হলে তা হবে চরম আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।

    তিনি বলেন, আমরা জানতে পেরেছি হাসিনা সরকারের সময় ইতোমধ্যে আবেদনকৃত ৪৪ তম বিসিএসের যে ৯০০০ জনকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়েছিলো- তার মধ্যে ৩০০০ জনের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ৪৫তম বিসিএসের লিখিত উত্তরপত্রের মূল্যায়ন প্রায় শেষ পর্যায়ে। অপরদিকে ৪৬ বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে তিন মাস পূর্বে। আমরা দাবি করছি রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে প্রবেশে ফ্যাসিবাদি আওয়ামী গোষ্ঠীর এবং সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের ক্যাডার বাহিনীকে নিবৃত্ত করার লক্ষ্যে এই তিনটি বিসিএসের নিয়োগ প্রক্রিয়াসমূহ পুরোপুরি বাতিল করা হোক। জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে দ্বিতীয় স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তুলতে হলে ফ্যাসিবাদের দোসরদের যেকোনো মূল্যে রুখে দিতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে এ বিষয়ে আপোস করার বিন্দুমাত্র কোনো সুযোগ নেই।

    সালাহউদ্দিন বলেন, আমরা বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছি, পতিত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার তার ক্ষমতাকে প্রলম্বিত করতে, পুলিশ প্রশাসনে তাদের নিরঙ্কুশ আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে বিদায় নেওয়ার পূর্বে পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর পদে মোট ৮০৩ জনকে নিয়োগ দেয়। আমরা জানতে পেরেছি এর মধ্যে ২০০ জনের বাড়িই গোপালগঞ্জ এবং ৪০৩ জনই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনকারীদের হত্যাকারী সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের সদস্য। শুধু তাই নয় এই নিয়োগে সাধারণ ধর্মীয় সংখ্যা-সাম্যতাও চরমভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে। শোনা যায়, সারদায় প্রশিক্ষণরত এই দলীয় সাব-ইন্সপেক্টরদের পাসিং আউট হবে আগামী ৩১ অক্টোবর, ২০২৪। যদি এ নিয়োগ বন্ধ করা না হয় তবে এদের মধ্য থেকেই তৈরি হবে ওসি প্রদীপ, ফরমান, মাজহার, মহসিনের মতো ফ্যাসিবাদের আরও বহু দোসর। আরও জানা যায়, সুদূরপ্রসারী নীল নকশার আওতায় আওয়ামী লীগ সরকার সর্বশেষ যে ৬৭ জন এএসপি নিয়োগ দিয়েছিল তারাও সবাই ছাত্রলীগের ক্যাডার। তাদের পাসিং আউট হবে সম্ভবত ২০ অক্টোবর। এদেরকে এখনই থামিয়ে না দিলে এরাই হবে আগামী দিনের বেনজীর, আসাদ, হাবিব, হারুন, বিপ্লব, মনিরুল, প্রলয় কুমার বা কৃষ্ণপদ। এদের নিয়োগ দিলে এরাই পতিত ফ্যাসিবাদকে পুনরুত্থানের পথ দেখাবে। আমাদের দাবি, দেশের গুরুত্বপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কলঙ্কমুক্ত রাখতে এবং পুনরায় ফ্যাসিবাদের উত্থান রোধকল্পে অবিলম্বে এসব সাব-ইন্সপেক্টর ও এএসপিদের নিয়োগ বাতিল করা হোক।

    তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সরকারি, আধাসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিসহ ১ম শ্রেণির বিভিন্ন নন-ক্যাডার পদে নতুন চাকরি প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিলো, আমরা মনে করি এসব পদে যারা ইতোমধ্যে আবেদন করেছেন, তাদের পাশাপাশি আবেদনের সময়সীমা বাড়িয়ে নতুন করে আবেদনের সুযোগ দেওয়া হোক। সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বৃদ্ধি করার কারণে এ সুযোগ চাকরি প্রার্থীদের প্রতিযোগিতাকে আরও উন্মুক্ত করবে এবং যোগ্য ও মেধাবীদের নিয়োগের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। এতে সরকার যোগ্য ও মেধাবীদের সেবা পাবে, দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।

    সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, আমরা ৫ আগষ্ট তারিখে ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সহযোগিতা করতে চাই। আর সে জন্যই আওয়ামী দলীয় পিএসসি কর্তৃক প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ নানা অনিয়মের মাধ্যমে নিয়োগ করা ও সুপারিশ করা কিংবা সুপারিশের জন্য প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়টি জাতির সামনে তুলে ধরছি যাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সব ধরনের প্রশ্ন ও বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সুষ্ঠু কার্যক্রম এবং ‌সফলতা আমাদের কাম্য।

  • সেপ্টেম্বরে সড়ক-রেল-নৌপথে ঝরল ৫৫৪ প্রাণ

    সেপ্টেম্বরে সড়ক-রেল-নৌপথে ঝরল ৫৫৪ প্রাণ

    সেপ্টেম্বর মাসে সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৫৪৭টি দুর্ঘটনায় ৫৫৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন এক হাজার ৩৮ জন।

    এর মধ্যে ৪৯৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৯৮ জন নিহত এবং ৯৭৮ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া রেলপথে ৪০টি দুর্ঘটনায় ৩৭ জন নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন। এছাড়া নৌ-পথে ১৪টি দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত এবং ৫৬ জন আহত হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন ৪৭ জন। সড়কে বেশি মৃত্যু হয়েছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। মোট ১৯২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৯৫ জন নিহত এবং ১৪৯ জন আহত হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরীর পাঠানো দুর্ঘটনা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

    বহুল প্রচারিত ও বিশ্বাসযোগ্য জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌ-পথের দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে সংগঠনটি।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে, সেখানে ১১৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১০৯ জন নিহত ও ২৫১ জন আহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে বরিশাল বিভাগে, সেখানে ২৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত ও ৪৮ জন আহত হয়েছেন।

    প্রতিবেদনে দেশের সড়ক-মহাসড়কে ট্রাফিক পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশের অনুপস্থিতি সুযোগে আইন লঙ্ঘন করে যানবাহনের অবাধ চলাচল; জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকায় এবং অতি বৃষ্টির কারণে সড়কের মাঝে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় এসব গর্তের কারণে যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি বাড়া; জাতীয়, আঞ্চলিক ও ফিডার রোডে টার্নিং চিহ্ন না থাকার ফলে নতুন চালকের এসব সড়কে দুর্ঘটনায় পতিত হওয়া; মহাসড়কের নির্মাণ ত্রুটি, যানবাহনের ত্রুটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করা; উল্টোপথে যানবাহন চালানো, সড়কে চাঁদাবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন করা এবং অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, বেপরোয়া যানবাহন চালানো ও একজন চালক অতিরিক্ত সময় ধরে যানবাহন চালানোকে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে বলা হয়েছে।

  • কাদেরসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    কাদেরসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে জুলাই ও আগস্টে সংঘটিত গণহত্যার অভিযোগের বিচার কার্যক্রম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুরু হয়েছে। বিচার শুরুর প্রথম দিন প্রথমে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এবং পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ মন্ত্রিপরিষদের ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

    একই সঙ্গে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাসহ বাকিদের আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

    এর আগে তাদের গ্রেফতারের আবেদন করে প্রসিকিউশন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

    বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার পর এ আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

    ট্রাইব্যুনালের সূচনা বক্তব্যে বিডিআর বিদ্রোহে ৭৪ জনকে হত্যা, শাপলা চত্ত্বরে হেফাজতের সমাবেশে হত্যা, র‍্যাবের বিচার বহির্ভূত হত্যা, জুলাই-আগস্ট গণহত্যাসহ আওয়ামী শাসনামলে মানবতা বিরোধী অপরাধের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

    ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম শেখ হাসিনাসহ পলাতক অন্যদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহায়তা নেয়ার কথাও জানিয়েছেন।

  • ১৮ নভেম্বরের মধ্যে হাসিনাকে হাজির করার নির্দেশ

    ১৮ নভেম্বরের মধ্যে হাসিনাকে হাজির করার নির্দেশ

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে জুলাই ও আগস্টে সংঘটিত গণহত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর আগে তাকে গ্রেফতারের আবেদন করে প্রসিকিউশন।

    বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

    ট্রাইব্যুনালের সূচনা বক্তব্যে বিডিআর বিদ্রোহে ৭৪ জনকে হত্যা, শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশে হত্যা, র‍্যাবের বিচার বহির্ভূত হত্যা, জুলাই-আগস্ট গণহত্যাসহ আওয়ামী শাসনামলে মানবতা বিরোধী অপরাধের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

    ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম শেখ হাসিনাসহ পলাতক অন্যদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহায়তা নেয়ার কথাও জানিয়েছেন।

    এর আগে গত মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) নিয়োগের পর প্রথম কর্মদিবসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসেন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার। এছাড়া ট্রাইব্যুনালের দুই সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মহিতুল হক এনাম চৌধুরী এদিন ট্রাইব্যুনালে আসেন। এ সময় ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার ও অন্য কর্মকর্তারা তাদের অভ্যর্থনা জানান।

    উল্লেখ্য, একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের মুখোমুখি করতে ২০১০ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। সেই ট্রাইব্যুনাল জামায়াত-বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে দণ্ড ঘোষণা করা হয় এবং তা কার্যকরও হয়।

  • বিদায়ী টেস্ট খেলতে দেশে ফেরা হচ্ছে না সাকিবের

    বিদায়ী টেস্ট খেলতে দেশে ফেরা হচ্ছে না সাকিবের

    কানপুর টেস্টে মাঠে নামার আগে মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট খেলার আকুতি জানিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। ফেসবুকে এক পোস্ট দিয়ে ক্ষমাও চেয়েছেন সাকিব। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্টের ঘোষিত দলেও রাখা হয়েছিল সাকিবকে। মনে হচ্ছিল বিদায়ী টেস্ট খেলার স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে সাকিবের। তবে সেটি যে এখন একরকম থমকে গেছে সেটা স্বীকার করেছেন সাকিব নিজেই।

    যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢাকায় ফেরার পথে দুবাইয়ে ট্রানজিট নেওয়া সাকিবকে নিরাপত্তা নিয়ে বার্তা পাঠায় বিসিবি। যেখানে বলা হয়, নিরাপত্তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তাকে জানানোর পরই যেন তিনি ঢাকার বিমান ধরেন। এরপর লম্বা সময় কেটে গেছে। এক গণমাধ্যমের সঙ্গে দেশে ফেরা নিয়ে কথা বলেছেন সাকিব।

    বাংলাদেশে না ফিরতে পারার বিষয়ে সাকিব জানিয়েছেন, নিজের নিরাপত্তার জন্যই এখন দেশে ফিরতে পারছেন না তিনি। সাকিব বলেন, ‌‘দেশে ফেরার কথা ছিল… কিন্তু এখন হয়তো ফিরতে পারব না সিকিউরিটি ইস্যুর জন্য, আমার নিজের নিরাপত্তার জন্যই…।’

    সাকিবের কথায় ‘হয়তো’ শব্দটি থাকায় দেশের ফেরার সম্ভাবনাও কিছুটা রয়ে যায়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কখন আসতে পারে, এটি জানতে চাওয়ার পর তার উত্তর, ‘এখন সিদ্ধান্ত চূড়ান্তই বলতে পারেন।’ অর্থাৎ বিদায়ী টেস্ট খেলতে দেশে ফেরা হচ্ছে না সাকিবের।

    কানপুরে ভারতের বিপক্ষে খেলা টেস্ট ম্যাচটিই হবে শেষ টেস্ট হয়ে গেল সাকিবের। এ ব্যাপারে অবশ্য এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি সাকিব কিংবা বিসিবি। তাই সেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার আগ পর্যন্ত সাকিবকে নিয়ে ধোঁয়াশা থাকছেই।

  • শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে জুলাই ও আগস্টে সংঘটিত গণহত্যার অভিযোগের বিচার কার্যক্রম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুরু হয়েছে। বিচার শুরুর প্রথম দিন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল। ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে তাকে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর আগে তাকে গ্রেফতারের আবেদন করে প্রসিকিউশন।

    বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত বাকিদের বিরুদ্ধে শুনানি চলছে।

    ট্রাইব্যুনালের সূচনা বক্তব্যে বিডিআর বিদ্রোহে ৭৪ জনকে হত্যা, শাপলা চত্ত্বরে হেফাজতের সমাবেশে হত্যা, র‍্যাবের বিচার বহির্ভূত হত্যা, জুলাই-আগস্ট গণহত্যাসহ আওয়ামী শাসনামলে মানবতা বিরোধী অপরাধের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

    ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম শেখ হাসিনাসহ পলাতক অন্যদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহায়তা নেয়ার কথাও জানিয়েছেন।

    এর আগে গত মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) নিয়োগের পর প্রথম কর্মদিবসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসেন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার। এছাড়া ট্রাইব্যুনালের দুই সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মহিতুল হক এনাম চৌধুরী এদিন ট্রাইব্যুনালে আসেন। এ সময় ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার ও অন্য কর্মকর্তারা তাদের অভ্যর্থনা জানান।

    উল্লেখ্য, একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের মুখোমুখি করতে ২০১০ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। সেই ট্রাইব্যুনাল জামায়াত-বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে দণ্ড ঘোষণা করা হয় এবং তা কার্যকরও হয়।

  • ট্রাম্পের প্রচারে ৭৫ মিলিয়ন ডলার দিলেন ইলন মাস্ক

    ট্রাম্পের প্রচারে ৭৫ মিলিয়ন ডলার দিলেন ইলন মাস্ক

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফের হোয়াইট হাউসে ফিরিয়ে আনতে উঠেপড়ে লেগেছেন স্পেসএক্স মালিক বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক। এরইমধ্যে ট্রাম্পের জন্য গঠিত একটি নির্বাচনি প্রচার ক্যাম্পে ৭৫ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছেন তিনি।

    মঙ্গলবার ফেডারেল ডিসক্লোজারে মাস্কের এই ব্যয়ের কথা প্রকাশিত হয়েছে। এই ব্যয়ের মধ্যে দিয়ে ইলন মাস্ক রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্পের একজন বড় তহবিল দাতা হিসেবে উঠে এসেছেন। খবর এএফপির।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আগামী ৫ নভেম্বর। রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ডেমোক্রেট প্রার্থী কমলা হ্যারিসের এই নির্বাচনি লড়াই এরইমধ্যে জমে উঠেছে। তবে তাতে ট্রাম্পের পক্ষ নিয়ে মার্কিন নির্বাচনে বিশাল প্রভাব বিস্তার করছেন মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক।

    মাস্ক গত জুলাইয়ে ট্রাম্পকে সমর্থনের কথা জানান এবং নিজেই একটি প্রচারশিবির গড়ে তোলেন। গ্রুপটি আমেরিকা পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি বা পিএসি নামে পরিচিত। জানা গেছে, মাস্ক এরইমধ্যে ওই প্রচার শিবিরের তহবিলে ৭৫ মিলিয়ন ডলার দিয়েছেন।

    মাস্কের দেওয়া এই বিপুল অর্থ মূলত সুইংস্টেট খ্যাত পেনসিলভানিয়া, মিশিগান, নর্থ ক্যারোলিনা, উইসকনসিন, জর্জিয়া, নেভাদা এবং অ্যারিজোনার মতো দৌদুল্যমান রাজ্যগুলোতে ভোটার ভোটারদের সংগঠিত এবং তাদের ট্রাম্পের পক্ষে টানার প্রচারে বিনিয়োগ করা হয়েছে।

    মাস্ক নিজেও এরইমধ্যে ট্রাম্পের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারে নেমেছেন। তিনি অক্টোবরের প্রথম দিকে পেনসিলভানিয়ার বাটলারে একটি নির্বাচনি মঞ্চে ট্রাম্পের জন্য ভোট চান মাস্ক। এ সময় ট্রাম্পের স্লোগান ‘মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ লেখা ক্যাপ জনতাকে দেখান মাস্ক।

    ক্যাপের দিকে ইঙ্গিত করে মাস্ক বলেছিলেন, আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, আমি শুধু মাগা (মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন) নই, আমি একজন অন্ধভক্ত মাগা।

    বাটলারের সমাবেশে বক্তৃতায় মাস্ক বলেন, ডেমোক্র্যাটরা আপনার বাক স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চায়, তারা আপনার অস্ত্র বহনের অধিকার কেড়ে নিতে চায়, তারা কার্যকরভাবে আপনার ভোটের অধিকার কেড়ে নিতে চায়।